Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
⚠️ ফুটা বালতি হতে সাবধান
১. আপনি সুন্নতি দাড়ি রেখেছেন কিন্তু বেপর্দা মেয়ে দেখে দৃষ্টি নত করেন না। (ফুটা বালতি!)
২. আপনি হিজাব পড়েন কিন্তু সাথে মেকাপ আর পারফিউম দিয়ে। (ফুটা বালতি!)
৩. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই যথাসময়ে পড়েন আপনি কিন্তু নামাজে মোটেও মনোযোগ, খুশুখুজু নেই। (ফুটা বালতি!)
৪. সাধারণ মানুষের সামনে আপনি খুবই বিনয়ী কিন্তু বাসায় আসলেই পরিবারের সাথে কর্কষভাষী আর বদমেজাজি। (ফুটা বালতি!)
৫. বাসায় মেহমান আসলে যত্নের সাথে মেহমানদারী করেন, কিন্তু তারা চলে গেলে তাদের খুঁটিনাটি দোষত্রুটির গীবত করা শুরু করেন। (ফুটা বালতি!)
৬. আপনি অনেক দানসদকা করেন আবার যাদেরকে দান করলেন তাদেরকে খোঁটা দিয়েও কথা বলেন। (ফুটা বালতি!)
৭. আপনি প্রতিদিন তাহাজ্জুদ পড়েন, কুরআন তিলাওয়াত করেন কিন্তু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছেন। (ফুটা বালতি!)
৮. রোযা রেখে ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য করছেন অথচ আপনিই কাউকে গালি দেন, উপহাস করেন, অভিশাপ দেন। (ফুটা বালতি!)
৯. আপনি মানুষের অনেক উপকার করেন, কিন্তু সেটা করেন মানুষের মধ্যে আপনার নামকাম প্রচার হওয়ার জন্য, খ্যাতির জন্য, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই না। (ফুটা বালতি!)
১০. আপনি ফেসবুকে দ্বীনী পোস্ট দেন, ইসলামিক লেখালেখি করেন, কিন্তু তা লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য, আল্লাহর জন্য না। (ফুটা বালতি!)
ফুটা বালতিতে যতই পানি ভরেন, তা কি সেখানে থাকবে??
আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপলব্ধি করার তৌফিক দিন। আমীন
- সংগৃহীত (nurulquranacademy)
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤27❤🔥7
একটি চমৎকার আমল জানলাম। আপনাদের সাথে শেয়ার করি-
মসজিদে একেক ওয়াক্তে একেক জায়গায় সালাত পড়ুন। বাসায় বা অন্যখানেও নফল সালাত একেক স্থানে আদায় করুন। বিভিন্ন মসজিদে জুমা আদায়ের চেষ্টা করুন। চলতে ফিরতে জিকির ও দরুদ পড়ুন। যত বেশি স্থানে আপনার আমল সংঘটিত হবে তত লাভ।
সূরা যিলযালের ৪ নং আয়াতের (يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا) তাফসিরে বলা হয়, এসব স্থান রোজ হাশরে আপনার ইবাদতের সাক্ষী দিবেন। তিরমিজিতে বর্ণিত হাদিস এই আয়াতের উল্লেখিত তাফসিরটি বর্ণনা করে।
সাহাবী আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: প্রতিটি নুড়ি পাথরসম স্থান বা চারাগাছ সমান স্থান হলেও জিকির করতে থাকো, হাশরের ময়দানে এরা সাক্ষী দিবে তোমার জিকিরের।
ইবনে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: জমিনের যত খন্ডে তুমি সিজদা আদায় করবে সেগুলো কেয়ামত দিবসে তোমার আমলের সাক্ষ্য দিবে।
চলন্ত গাড়িতে বসে জিকিরের ফলাফলটি কল্পনা করুন তো!
~ মোহাম্মদ সাঈদুল মোস্তফা হাফিজাহুল্লাহ
collected
@PathwayToNoor
মসজিদে একেক ওয়াক্তে একেক জায়গায় সালাত পড়ুন। বাসায় বা অন্যখানেও নফল সালাত একেক স্থানে আদায় করুন। বিভিন্ন মসজিদে জুমা আদায়ের চেষ্টা করুন। চলতে ফিরতে জিকির ও দরুদ পড়ুন। যত বেশি স্থানে আপনার আমল সংঘটিত হবে তত লাভ।
সূরা যিলযালের ৪ নং আয়াতের (يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا) তাফসিরে বলা হয়, এসব স্থান রোজ হাশরে আপনার ইবাদতের সাক্ষী দিবেন। তিরমিজিতে বর্ণিত হাদিস এই আয়াতের উল্লেখিত তাফসিরটি বর্ণনা করে।
সাহাবী আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: প্রতিটি নুড়ি পাথরসম স্থান বা চারাগাছ সমান স্থান হলেও জিকির করতে থাকো, হাশরের ময়দানে এরা সাক্ষী দিবে তোমার জিকিরের।
ইবনে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: জমিনের যত খন্ডে তুমি সিজদা আদায় করবে সেগুলো কেয়ামত দিবসে তোমার আমলের সাক্ষ্য দিবে।
চলন্ত গাড়িতে বসে জিকিরের ফলাফলটি কল্পনা করুন তো!
~ মোহাম্মদ সাঈদুল মোস্তফা হাফিজাহুল্লাহ
collected
@PathwayToNoor
❤24🔥5🥰4
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥9
একজন প্র্যাক্টিসিং মুসলিম ছেলের জন্য কিছু আচরণ এড়িয়ে চলাই উত্তম, কারণ এগুলো গাইরত ও হায়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় —
• মেয়েদের পোস্টে অপ্রয়োজনীয় কমেন্ট করা
• মেয়েদের পোস্টে লাইক বা রিঅ্যাক্ট দেওয়া
• মেয়েদের কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে প্রচার করা
• একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মেয়েদের পোস্ট শেয়ার করা
যদি কোনো বিষয় দ্বীনের উপর সরাসরি আঘাত হানে, সে ক্ষেত্রে প্রতিবাদ বা সংশোধন ভিন্ন প্রসঙ্গ।
কিন্তু সাধারণ অবস্থায় এসব থেকে দূরে থাকাই তাকওয়ার কাছাকাছি।
👉 একই নীতি নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য
• মেয়েদের পোস্টে অপ্রয়োজনীয় কমেন্ট করা
• মেয়েদের পোস্টে লাইক বা রিঅ্যাক্ট দেওয়া
• মেয়েদের কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে প্রচার করা
• একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মেয়েদের পোস্ট শেয়ার করা
যদি কোনো বিষয় দ্বীনের উপর সরাসরি আঘাত হানে, সে ক্ষেত্রে প্রতিবাদ বা সংশোধন ভিন্ন প্রসঙ্গ।
কিন্তু সাধারণ অবস্থায় এসব থেকে দূরে থাকাই তাকওয়ার কাছাকাছি।
👉 একই নীতি নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য
আজকে থেকে ব্যক্তিগতভাবে এগুলি মানার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো
❤25😢2🔥1💯1
"মিথ্যা কেউ সিরিয়াসলি বলুক আর ঠাট্টা করেই বলুক, কোনোটাই সঠিক নয়"।
~ আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ [রা.]
[ইমাম ইবনু আবি শাইবাহ (রাহ.), আল মুসান্নাফ, হা: ৩৭৯]
ব্যাখ্যা : এই কথাটার মূল কথা খুব পরিষ্কার—মিথ্যা কখনোই গ্রহণযোগ্য না। কেউ যদি সিরিয়াসলি মিথ্যা বলে, সেটা যেমন ভুল, তেমনি ঠাট্টা বা মজা করেও মিথ্যা বলা ঠিক না। আমরা অনেক সময় বলি, “আরেহ, জাস্ট মজা করছিলাম”—কিন্তু মজা করলেই মিথ্যা হালাল হয়ে যায় না
এখনকার সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এটা আরো বেশি প্রাসঙ্গিক। লাইক, রিচ বা হাসির জন্য বানানো গল্প, অতিরঞ্জিত কথা, ফেক স্ক্রিনশট—সবই মিথ্যার মধ্যেই পড়ে।
🌙 @PathwayToNoor
❤10😢2
🌙 সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত
✅ ১) জান্নাতের বিশেষ উপহার
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আমাকে সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াত দেওয়া হয়েছে জান্নাতের ভাণ্ডার থেকে।”
👉 অর্থাৎ এই দুই আয়াত আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ।
✅ ২) রাতে পড়লে যথেষ্ট হয়ে যায়
হাদিসে এসেছে:
“যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।”
👉 বিপদ, শয়তানের কুমন্ত্রণা ও অশুভতা থেকে হেফাজত হয়।
✅ ৩) গুনাহ মাফের দোয়া
এই আয়াতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা, দয়া ও সাহায্যের দোয়া রয়েছে।
👉 নিয়মিত পড়লে আল্লাহ ক্ষমা করেন ও রহমত নাজিল করেন।
✅ ৪) ঈমান শক্তিশালী হয়
এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব ও রাসূলদের প্রতি ঈমানের ঘোষণা আছে।
👉 প্রতিদিন পড়লে ঈমান মজবুত হয়।
✅ ৫) মানসিক শান্তি ও ভরসা
“আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে বোঝা দেন না”
👉 হতাশা, ভয় ও দুশ্চিন্তা কমে যায়।
🌟 কখন পড়বে?
✔️ রাতে ঘুমানোর আগে
✔️ নামাজের পরে
✔️ বিপদের সময়
collected
@PathwayToNoor
✅ ১) জান্নাতের বিশেষ উপহার
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আমাকে সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াত দেওয়া হয়েছে জান্নাতের ভাণ্ডার থেকে।”
👉 অর্থাৎ এই দুই আয়াত আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ।
✅ ২) রাতে পড়লে যথেষ্ট হয়ে যায়
হাদিসে এসেছে:
“যে ব্যক্তি রাতে সূরা আল-বাক্বারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।”
👉 বিপদ, শয়তানের কুমন্ত্রণা ও অশুভতা থেকে হেফাজত হয়।
✅ ৩) গুনাহ মাফের দোয়া
এই আয়াতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা, দয়া ও সাহায্যের দোয়া রয়েছে।
👉 নিয়মিত পড়লে আল্লাহ ক্ষমা করেন ও রহমত নাজিল করেন।
✅ ৪) ঈমান শক্তিশালী হয়
এই আয়াতগুলোতে আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব ও রাসূলদের প্রতি ঈমানের ঘোষণা আছে।
👉 প্রতিদিন পড়লে ঈমান মজবুত হয়।
✅ ৫) মানসিক শান্তি ও ভরসা
“আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে বোঝা দেন না”
👉 হতাশা, ভয় ও দুশ্চিন্তা কমে যায়।
🌟 কখন পড়বে?
✔️ রাতে ঘুমানোর আগে
✔️ নামাজের পরে
✔️ বিপদের সময়
collected
@PathwayToNoor
❤9❤🔥6
লাইলাতুন নিসফি মিন শা‘বান — যা আমাদের উপমহাদেশে শবে বরাত নামে পরিচিত 🌙
সহীহ হাদীসের আলোকে, এই বরকতময় রাত্রিতে মহাজগতের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের অপরাধ ক্ষমা করেন । আর আল্লাহর ক্ষমা মানেই—রিজিকের দুয়ার খুলে যাওয়া, জীবন সহজ হয়ে আসা, অন্তরে প্রশান্তি নেমে আসা 🤍
তাই, আজকের রাতে আমরা যে যতটা পারি দুয়া করবো, তওবা করবো, ক্ষমা চাইবো—ইন শা আল্লাহ্ । একইসাথে আহলে হাদীস ও বিদআতিদের মত এই রাতের ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি থেকে দূরে থেকে নিজেদেরকে সুন্নাহ সম্মত আমলে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করবো নিজেদেরকে ।
@PathwayToNoor
সহীহ হাদীসের আলোকে, এই বরকতময় রাত্রিতে মহাজগতের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের অপরাধ ক্ষমা করেন । আর আল্লাহর ক্ষমা মানেই—রিজিকের দুয়ার খুলে যাওয়া, জীবন সহজ হয়ে আসা, অন্তরে প্রশান্তি নেমে আসা 🤍
তাই, আজকের রাতে আমরা যে যতটা পারি দুয়া করবো, তওবা করবো, ক্ষমা চাইবো—ইন শা আল্লাহ্ । একইসাথে আহলে হাদীস ও বিদআতিদের মত এই রাতের ব্যাপারে মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি থেকে দূরে থেকে নিজেদেরকে সুন্নাহ সম্মত আমলে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করবো নিজেদেরকে ।
@PathwayToNoor
❤19
মহান আল্লাহ তায়ালার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার হলো আল-কুরআন। কুরআনেই রয়েছে মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় উপদেশ। যারা কুরআনের অনুসারী হতে পেরেছে, তারাই দুনিয়া ও আখিরাতে সফল।
কিন্তু আফসোস, আমরা আরবীতে কুরআন পড়লেও এর অর্থ বুঝি না, বুঝার চেষ্টাও করি না । তাই কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত হয় না ।
ইন শা'আল্লাহ, এখন থেকে প্রতিদিন অল্প করে — অন্তত একটি আয়াতের তাফসীর শেয়ার করার চেষ্টা থাকবে। সময় লাগলেও নিয়মিত থাকাই লক্ষ্য। সবাই সাথে থাকবেন, ইনশা'আল্লাহ🌙
🌟 @PathwayToNoor
কিন্তু আফসোস, আমরা আরবীতে কুরআন পড়লেও এর অর্থ বুঝি না, বুঝার চেষ্টাও করি না । তাই কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে প্রতিফলিত হয় না ।
ইন শা'আল্লাহ, এখন থেকে প্রতিদিন অল্প করে — অন্তত একটি আয়াতের তাফসীর শেয়ার করার চেষ্টা থাকবে। সময় লাগলেও নিয়মিত থাকাই লক্ষ্য। সবাই সাথে থাকবেন, ইনশা'আল্লাহ
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
1❤19
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় - পর্ব ১
আয়াত :
কু’রআন কোনো মেটাফিজিক্স বা ফিলোসফির উপর বই নয় যে, এখানে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মানুষের অনুমান এবং যুক্তির উপর নির্ভর করে থিওরির পর থিওরি লেখা আছে এবং যেই থিউরিও কিছু বছর পরে অন্য বিজ্ঞানী এসে ভুল প্রমাণ করে দেয় । কু’রআন এমন একটি বই, যার লেখক এই পৃথিবীর কেউ নন । তিনি মহাবিশ্বের সকল জ্ঞানের অধিকারী, মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা। তাঁর কথা কোনো থিওরি নয়, কোনো অনুমান নয় । তাঁর কথা হচ্ছে অকাট্য সত্য !
পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মুসলিম নামধারী মানুষ আছে, এরাও কু’রআন পড়ে। কিন্তু কু’রআন পড়েও তারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারেনি। তারা আগেও যেরকম ছিল, এখনো সেরকমই রয়ে গেছে। তারা আগেও ঘুষ খেত, এখনো খায়। তারা আগেও তারকা শো দেখতো, এখনো দেখে। তারা আগেও অর্ধেক শরীর বের করে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করত, এখনো করে। এর কারণ কী?
কারণ হলো : তাদের তাক্বওয়ার অভাব । তাকওয়া কি ? মুত্তাকী কারা ?
আপনি exam hall এ পরীক্ষা দিতে বসেছেন, কিন্তু প্রশ্নপত্র দেখে আপনার মাথায় হাত। একটা প্রশ্নও কমন পড়েনি ! তখন আপনি এদিক ওদিক তাকিয়ে গার্ডে পড়া স্যার বা ম্যাডাম কোথায় আছে ভালোভাবে দেখে নিয়ে, পাশের জনের খাতা দেখে কপি করা শুরু করলেন। প্রতি মুহূর্তে আপনি টানটান উত্তেজনার মধ্যে সবসময় সচেতন থাকছেন স্যার ম্যাডামদের কেউ আপনাকে দেখে ফেলল কি না । প্রতি মুহূর্তেই আপনার গার্ডে থাকা স্যার বা ম্যাডামদের প্রতি একটা ভয় কাজ করে । আপনার এই যে এই ভয় সেটা হলো তাক্বওয়া ।
একইভাবে মুত্তাক্বীরা সবসময় সচেতন থাকে যে, মহান আল্লাহ تعالى তাদেরকে দেখছেন, তাদের প্রত্যেকটা চিন্তা শুনতে পাচ্ছেন, তাদের প্রত্যেকটা কামানুভূতি জানতে পারছেন । মহান আল্লাহর تعالى প্রতি সবসময় এই পূর্ণ ভয় থাকাকেই তাক্বওয়া বলা হয়
Inspired from : ওমর আল জাবির
@PathwayToNoor
আয়াত :
ওটা সেই বই যাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই । একটি পথ নির্দেশক আল্লাহর প্রতি মুত্তাক্বীদের জন্য । - সুরা বাকারা আয়াত : ২
কু’রআন কোনো মেটাফিজিক্স বা ফিলোসফির উপর বই নয় যে, এখানে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা মানুষের অনুমান এবং যুক্তির উপর নির্ভর করে থিওরির পর থিওরি লেখা আছে এবং যেই থিউরিও কিছু বছর পরে অন্য বিজ্ঞানী এসে ভুল প্রমাণ করে দেয় । কু’রআন এমন একটি বই, যার লেখক এই পৃথিবীর কেউ নন । তিনি মহাবিশ্বের সকল জ্ঞানের অধিকারী, মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা। তাঁর কথা কোনো থিওরি নয়, কোনো অনুমান নয় । তাঁর কথা হচ্ছে অকাট্য সত্য !
পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মুসলিম নামধারী মানুষ আছে, এরাও কু’রআন পড়ে। কিন্তু কু’রআন পড়েও তারা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারেনি। তারা আগেও যেরকম ছিল, এখনো সেরকমই রয়ে গেছে। তারা আগেও ঘুষ খেত, এখনো খায়। তারা আগেও তারকা শো দেখতো, এখনো দেখে। তারা আগেও অর্ধেক শরীর বের করে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করত, এখনো করে। এর কারণ কী?
কারণ হলো : তাদের তাক্বওয়ার অভাব । তাকওয়া কি ? মুত্তাকী কারা ?
আপনি exam hall এ পরীক্ষা দিতে বসেছেন, কিন্তু প্রশ্নপত্র দেখে আপনার মাথায় হাত। একটা প্রশ্নও কমন পড়েনি ! তখন আপনি এদিক ওদিক তাকিয়ে গার্ডে পড়া স্যার বা ম্যাডাম কোথায় আছে ভালোভাবে দেখে নিয়ে, পাশের জনের খাতা দেখে কপি করা শুরু করলেন। প্রতি মুহূর্তে আপনি টানটান উত্তেজনার মধ্যে সবসময় সচেতন থাকছেন স্যার ম্যাডামদের কেউ আপনাকে দেখে ফেলল কি না । প্রতি মুহূর্তেই আপনার গার্ডে থাকা স্যার বা ম্যাডামদের প্রতি একটা ভয় কাজ করে । আপনার এই যে এই ভয় সেটা হলো তাক্বওয়া ।
একইভাবে মুত্তাক্বীরা সবসময় সচেতন থাকে যে, মহান আল্লাহ تعالى তাদেরকে দেখছেন, তাদের প্রত্যেকটা চিন্তা শুনতে পাচ্ছেন, তাদের প্রত্যেকটা কামানুভূতি জানতে পারছেন । মহান আল্লাহর تعالى প্রতি সবসময় এই পূর্ণ ভয় থাকাকেই তাক্বওয়া বলা হয়
Inspired from : ওমর আল জাবির
@PathwayToNoor
❤23
কুরআন আমাদের যা বলতে চায় - পর্ব ২
"যারা আল গাইবের উপর ঈমান রাখে , নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং তাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে খরচ করে । " ~~ সুরা বাকারা : আয়াত ৩
আল্লাহ বলেছেন — মু’মিন হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো অদৃশ্য ( গাইব) ঈমান আনা । অর্থাৎ, সেইসব বিষয় যেখানে আমাদের senses বা science fail করে । তুমি কখনো রেডিও, এক্স-রে বা টেলিস্কোপ দিয়ে জান্নাত-জাহান্নাম দেখতে পারবে না । তুমি কোন ফিজিক্স সূত্রে বুঝতে পারবে না, কীভাবে ধ্বংস হওয়া তোমার দেহ একদিন পুনরুত্থিত হবে । আমাদেরকে এই সব কিছু বিশ্বাস করতে হবে, কোনোই বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া, শুধুই কু’রআনের প্রমানের উপর ভিত্তি করে । যে বিশ্বাস না করতে পারে অদৃশ্যে, সে কখনো সত্যি মু’মিন হতে পারবে না ।
এরপরে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
মু’মিন হবার দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে নামাজ প্রতিষ্ঠা করা। দেখুন আল্লাহ কিন্তু এখানে বলেননি, “যারা নামাজ পড়ে।” তিনি বলেছেন, “যারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করে।” يُقِيمُونَ এসেছে قوم (কু’মু) থেকে যার অর্থ দাঁড়ানো, প্রতিষ্ঠা করা। প্রাচীন আরবরা যখন কোনো শক্ত পিলার স্থাপন করতো, বা শক্ত দেওয়াল তৈরি করতো, তার জন্য তারা কু’মু শব্দটি ব্যবহার করতো। এখানে কু’মু ব্যবহার করে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে বলছেন যে, আমাদের প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যে পাঁচটি শক্ত পিলার দাঁড় করাতে হবে। সেই পিলারগুলো কোনোভাবেই নড়ানো যাবে না। আমাদের পড়ালেখা, কাজ, খাওয়া, বিনোদন, ঘুম সবকিছু এই পিলারগুলোর আশেপাশে দিয়ে যাবে। আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে নামাজ তার জায়গায় ঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, কোনোভাবেই তাদেরকে নড়ানো যাবে না ।
এরপরে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে বলছেন—
এই আয়াতে আল্লাহ আমাদেরকে একটা বিরাট উপলব্ধি করার মতো বিষয় দিয়েছেন, যেটা আমরা সবসময় ভুলে যাই। আমাদের যা কিছু আছে: বাড়ি, গাড়ি, টাকাপয়সা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক ক্ষমতা, মানসিক ক্ষমতা, প্রতিভা —এই সব কিছু হচ্ছে রিজক এবং এগুলো সবই আল্লাহর দেওয়া ।
এখন হয়তো মনে হতে পারে: “আমি তো নিজের পরিশ্রম করেছি, দিনরাত কাজ করেছি, গাড়ি-বাড়ি করেছি। তাহলে কি আল্লাহর হাত নেই?”
পৃথিবীতে অনেকেই আছে, যারা আপনার মতো ১৮ ঘণ্টা কাজ করেছে, কিন্তু তারা গাড়ি-বাড়ি করতে পারেনি । কিন্তু আল্লাহ আপনাকে বাড়ি, গাড়ি করার অনুমতি দিয়েছেন দেখেই আপনি এসব করতে পেরেছেন। তিনি যদি অনুমতি না দিতেন, তিনি যদি মহাবিশ্বের ঘটনাগুলোকে আপনার সুবিধামত না সাজাতেন, আপনি কিছুই করতে পারতেন না ।
একারণেই আল্লাহ আমাদেরকে বলছেন যে, তিনি আমাদেরকে যা দিয়েছেন, সেটা থেকে যেন আমরা খরচ করি। আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতে গিয়ে যেন আমরা মনে না করি যে, “এগুলো সব আমার, দিবো না কাউকে !” বরং এগুলো সবই আল্লাহর । তিনি আপনাকে কিছুদিন ব্যবহার করার জন্য দিয়েছেন
Inspired from : ওমর আল জাবির
@PathwayToNoor
"যারা আল গাইবের উপর ঈমান রাখে , নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং তাদেরকে আমি যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে খরচ করে । " ~~ সুরা বাকারা : আয়াত ৩
আল্লাহ বলেছেন — মু’মিন হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত হলো অদৃশ্য ( গাইব) ঈমান আনা । অর্থাৎ, সেইসব বিষয় যেখানে আমাদের senses বা science fail করে । তুমি কখনো রেডিও, এক্স-রে বা টেলিস্কোপ দিয়ে জান্নাত-জাহান্নাম দেখতে পারবে না । তুমি কোন ফিজিক্স সূত্রে বুঝতে পারবে না, কীভাবে ধ্বংস হওয়া তোমার দেহ একদিন পুনরুত্থিত হবে । আমাদেরকে এই সব কিছু বিশ্বাস করতে হবে, কোনোই বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া, শুধুই কু’রআনের প্রমানের উপর ভিত্তি করে । যে বিশ্বাস না করতে পারে অদৃশ্যে, সে কখনো সত্যি মু’মিন হতে পারবে না ।
এরপরে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
যারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করে
মু’মিন হবার দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে নামাজ প্রতিষ্ঠা করা। দেখুন আল্লাহ কিন্তু এখানে বলেননি, “যারা নামাজ পড়ে।” তিনি বলেছেন, “যারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করে।” يُقِيمُونَ এসেছে قوم (কু’মু) থেকে যার অর্থ দাঁড়ানো, প্রতিষ্ঠা করা। প্রাচীন আরবরা যখন কোনো শক্ত পিলার স্থাপন করতো, বা শক্ত দেওয়াল তৈরি করতো, তার জন্য তারা কু’মু শব্দটি ব্যবহার করতো। এখানে কু’মু ব্যবহার করে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে বলছেন যে, আমাদের প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যে পাঁচটি শক্ত পিলার দাঁড় করাতে হবে। সেই পিলারগুলো কোনোভাবেই নড়ানো যাবে না। আমাদের পড়ালেখা, কাজ, খাওয়া, বিনোদন, ঘুম সবকিছু এই পিলারগুলোর আশেপাশে দিয়ে যাবে। আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে নামাজ তার জায়গায় ঠিক ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, কোনোভাবেই তাদেরকে নড়ানো যাবে না ।
এরপরে আল্লাহ تعالى আমাদেরকে বলছেন—
তাদেরকে আমি যা দিয়েছি তা থেকে খরচ করে ।
এই আয়াতে আল্লাহ আমাদেরকে একটা বিরাট উপলব্ধি করার মতো বিষয় দিয়েছেন, যেটা আমরা সবসময় ভুলে যাই। আমাদের যা কিছু আছে: বাড়ি, গাড়ি, টাকাপয়সা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক ক্ষমতা, মানসিক ক্ষমতা, প্রতিভা —এই সব কিছু হচ্ছে রিজক এবং এগুলো সবই আল্লাহর দেওয়া ।
এখন হয়তো মনে হতে পারে: “আমি তো নিজের পরিশ্রম করেছি, দিনরাত কাজ করেছি, গাড়ি-বাড়ি করেছি। তাহলে কি আল্লাহর হাত নেই?”
পৃথিবীতে অনেকেই আছে, যারা আপনার মতো ১৮ ঘণ্টা কাজ করেছে, কিন্তু তারা গাড়ি-বাড়ি করতে পারেনি । কিন্তু আল্লাহ আপনাকে বাড়ি, গাড়ি করার অনুমতি দিয়েছেন দেখেই আপনি এসব করতে পেরেছেন। তিনি যদি অনুমতি না দিতেন, তিনি যদি মহাবিশ্বের ঘটনাগুলোকে আপনার সুবিধামত না সাজাতেন, আপনি কিছুই করতে পারতেন না ।
একারণেই আল্লাহ আমাদেরকে বলছেন যে, তিনি আমাদেরকে যা দিয়েছেন, সেটা থেকে যেন আমরা খরচ করি। আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতে গিয়ে যেন আমরা মনে না করি যে, “এগুলো সব আমার, দিবো না কাউকে !” বরং এগুলো সবই আল্লাহর । তিনি আপনাকে কিছুদিন ব্যবহার করার জন্য দিয়েছেন
Inspired from : ওমর আল জাবির
@PathwayToNoor
❤15❤🔥3
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥7❤5🥰4
Forwarded from Pathway To Noor (🌼 أنيكا 🦋)
"""Daily ইবাদত """
দিনে একবার করে হলেও যে আমল গুলো করবেন.... আর বেশি করতে পারলে তো আরও ভালো....📿📿
[নিয়মিত ইবাদতকারীকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন]
১. ইস্তেগফার- ১০০ বার
২. দরুদ- ১০০বার
৩. দোয়া ইউনুস- ১০০বার
৪. ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম- ১০০বার
৫. সুবহানাল্লাহ- ১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ- ১০০বার
৭. আল্লাহ আকবর- ১০০বার
৮. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ - ১০০বার
৯. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির- ১০০বার
১১. সুরা ফাতিহা- ৭বার
১২. সুরা ইখলাস- ৩ বার
১৩. সুরা ফালাক- ৩বার
১৪. সুরা নাস- ৩ বার
১৫. সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন- ৭ বার
১৬. হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম- ৭ বার
১৭. আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭ বার
১৮. আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার"- ৭বার
১৯. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ - ১০০বার
২০. উচ্চারণ: ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খলকিহি, ওয়া রিদা নাফসিহি, ওয়া জিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহ।’- (যতবেশি পড়তে পারেন)
২১."রাদিতু বিল্লাহি রাব্বা, ওয়াবিল ইসলামী দ্বীনা, ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্য" (সন্ধ্যায় ৩বার সকালে ৩বার)
২২."ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়ুম
বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ" - (যত বেশি পারেন)
২৩. হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল-১০০ বার
২৪.আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফউউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি" (اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي --(যত বেশি পারেন)
........★★........
এই ইবাদত গুলো ফজর এবং মাগরিবের পরে করার চেষ্টা করবেন।যদি না পারেন সারাদিন এ যে কোনো সময় একবার কমপক্ষে করার চেষ্টা করবেন
(বাংলা লিখা তো যদি কোনটা ভুল থাকে উচ্চারনে ইনশাআল্লাহ সঠিক করে পড়বেন, দয়া করে ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখেন)
@PathwayToNoor
❤12❤🔥4🥰1
✨সুরা বাকারা তিলাওয়াতের ফজিলত!
এই সূরা তিলাওয়াত করলে কি জিন যাদুর প্রভাব ধ্বংস হয়?? চলুন জেনে নেই..
১️. ঘর থেকে শয়তানের পলায়ন:
রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
“তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরখানা বানিয়ো না। যে ঘরে সুরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”
(সহিহ মুসলিম ৭৮০, জামে তিরমিজি ২৮৮০)
২️. ফেরেশতার বিশেষ আগমন:
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, একদিন জিবরাঈল (আঃ) নবীজির কাছে বসা অবস্থায় বললেন, “আজ আসমানের এমন একটি দরজা খোলা হয়েছে, যা এর আগে কখনও খোলা হয়নি।”
সেখান থেকে একজন ফেরেশতা নেমে এসে বললেন,
“আপনাকে দুটি নূরের সুসংবাদ দেয়া হচ্ছে সুরা ফাতিহা ও সুরা বাকারার শেষাংশ। এগুলো আপনার কোনো নবীকে দেয়া হয়নি।”
(সহিহ মুসলিম ৮০৬, নাসাঈ ২/১৩৮)
৩️. কিয়ামতের দিন সুপারিশকারী:
রাসূল ﷺ বলেন,
“তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ এটি কিয়ামতের দিন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে।
বিশেষ করে সুরা বাকারা ও আলে ইমরান পাঠ করো—এগুলো কিয়ামতের দিন পাঠকের জন্য ছায়া হবে এবং শয়তানের প্রতিরোধ করবে।
সুরা বাকারা পাঠ করা বরকতপূর্ণ, আর তা বর্জন করা অনুতাপের বিষয়।”
(সহিহ মুসলিম ৮০৪)
৪️. কুরআনের শ্রেষ্ঠ সুরা:
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন,
“প্রত্যেক কিছুরই একটি শীর্ষ আছে, আর কুরআনের শীর্ষ হলো সুরা বাকারা। এর মধ্যে এমন একটি আয়াত রয়েছে যা সমগ্র কুরআনের আয়াতসমূহের নেতা তা হলো ‘আয়াতুল কুরসি’।“
(জামে তিরমিজি ২৮৮১)
৫️. আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে দানকৃত আয়াত:
রাসূল ﷺ বলেন,
“আল্লাহ তা'আলা সুরা বাকারার শেষের দুই আয়াত আমাকে তাঁর আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে দান করেছেন।
তোমরা এগুলো শিখো এবং তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের শেখাও, কারণ এতে দোয়া ও কুরআন উভয়ই রয়েছে।”
(মুসতাদরাকে হাকেম ২/৩১৫)
৬️. শয়তানের অনুপ্রবেশ থেকে নিরাপত্তা:
নবী ﷺ বলেন,
“আল্লাহ আসমান-জমিন সৃষ্টির বহু আগে একটি কিতাব লিখেছিলেন। তার মধ্য থেকে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
যে ঘরে টানা তিন দিন এই আয়াতগুলো পাঠ করা হবে না, শয়তান সেই ঘরের নিকটবর্তী হয়ে যাবে।”
(তিরমিজি ২৮৮৫, সহিহ ইবনে হিব্বান ৭৮২)
✨সুরা বাকারার মাধ্যমে ঘর পরিশুদ্ধ রাখার উপায়,
~ বাড়িতে যখন সুরা বাকারা তিলাওয়াত করবেন, তখন ৫ লিটারের একটি বোতলে পানি রেখে দিন। তিলাওয়াত শেষ হলে সেই পানিতে হালকা ফুঁ (দম) দিন।
এরপর সেই পানি দিয়ে সকাল-সন্ধ্যা ঘরের ভেতর ও বাইরে স্প্রে করুন। জিন, যাদু ও বদনজরের প্রভাব থেকে রক্ষার নিয়তে, ইনশাআল্লাহ।
IRC
collected
@PathwayToNoor
এই সূরা তিলাওয়াত করলে কি জিন যাদুর প্রভাব ধ্বংস হয়?? চলুন জেনে নেই..
১️. ঘর থেকে শয়তানের পলায়ন:
রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
“তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরখানা বানিয়ো না। যে ঘরে সুরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, শয়তান সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়।”
(সহিহ মুসলিম ৭৮০, জামে তিরমিজি ২৮৮০)
২️. ফেরেশতার বিশেষ আগমন:
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, একদিন জিবরাঈল (আঃ) নবীজির কাছে বসা অবস্থায় বললেন, “আজ আসমানের এমন একটি দরজা খোলা হয়েছে, যা এর আগে কখনও খোলা হয়নি।”
সেখান থেকে একজন ফেরেশতা নেমে এসে বললেন,
“আপনাকে দুটি নূরের সুসংবাদ দেয়া হচ্ছে সুরা ফাতিহা ও সুরা বাকারার শেষাংশ। এগুলো আপনার কোনো নবীকে দেয়া হয়নি।”
(সহিহ মুসলিম ৮০৬, নাসাঈ ২/১৩৮)
৩️. কিয়ামতের দিন সুপারিশকারী:
রাসূল ﷺ বলেন,
“তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ এটি কিয়ামতের দিন তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে।
বিশেষ করে সুরা বাকারা ও আলে ইমরান পাঠ করো—এগুলো কিয়ামতের দিন পাঠকের জন্য ছায়া হবে এবং শয়তানের প্রতিরোধ করবে।
সুরা বাকারা পাঠ করা বরকতপূর্ণ, আর তা বর্জন করা অনুতাপের বিষয়।”
(সহিহ মুসলিম ৮০৪)
৪️. কুরআনের শ্রেষ্ঠ সুরা:
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন,
“প্রত্যেক কিছুরই একটি শীর্ষ আছে, আর কুরআনের শীর্ষ হলো সুরা বাকারা। এর মধ্যে এমন একটি আয়াত রয়েছে যা সমগ্র কুরআনের আয়াতসমূহের নেতা তা হলো ‘আয়াতুল কুরসি’।“
(জামে তিরমিজি ২৮৮১)
৫️. আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে দানকৃত আয়াত:
রাসূল ﷺ বলেন,
“আল্লাহ তা'আলা সুরা বাকারার শেষের দুই আয়াত আমাকে তাঁর আরশের নিচের ভাণ্ডার থেকে দান করেছেন।
তোমরা এগুলো শিখো এবং তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের শেখাও, কারণ এতে দোয়া ও কুরআন উভয়ই রয়েছে।”
(মুসতাদরাকে হাকেম ২/৩১৫)
৬️. শয়তানের অনুপ্রবেশ থেকে নিরাপত্তা:
নবী ﷺ বলেন,
“আল্লাহ আসমান-জমিন সৃষ্টির বহু আগে একটি কিতাব লিখেছিলেন। তার মধ্য থেকে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
যে ঘরে টানা তিন দিন এই আয়াতগুলো পাঠ করা হবে না, শয়তান সেই ঘরের নিকটবর্তী হয়ে যাবে।”
(তিরমিজি ২৮৮৫, সহিহ ইবনে হিব্বান ৭৮২)
✨সুরা বাকারার মাধ্যমে ঘর পরিশুদ্ধ রাখার উপায়,
~ বাড়িতে যখন সুরা বাকারা তিলাওয়াত করবেন, তখন ৫ লিটারের একটি বোতলে পানি রেখে দিন। তিলাওয়াত শেষ হলে সেই পানিতে হালকা ফুঁ (দম) দিন।
এরপর সেই পানি দিয়ে সকাল-সন্ধ্যা ঘরের ভেতর ও বাইরে স্প্রে করুন। জিন, যাদু ও বদনজরের প্রভাব থেকে রক্ষার নিয়তে, ইনশাআল্লাহ।
IRC
collected
@PathwayToNoor
❤13
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6
সূরা বাকারা!
-
সূরা বাকারা নিয়ে অভিজ্ঞজনের অভিব্যক্তি,
১: সূরা বাকারা হতে পারে আমার জন্য মুক্তির উপায়। নাজাতের উসীলা। মনখারাপ থাকলে, কষ্ট করে একবার পুরো সূরা তিলাওয়াত করে নিলে, আল্লাহ তা‘আলা আমার দুঃখ-দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন।
২. হিম্মত করে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, আমার উপর কালো জাদুর আসর থাকলে, আল্লাহ তা‘আলা দূর করে দেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৩. আরেকটু কষ্ট করে তৃতীয়বার তিলাওয়াত করলে, আগের বারবার চাওয়া কোনও দোয়া কবুল হওয়া বাকী থাকলে, আল্লাহ তা‘আলা দোয়াটি কবুল করে নেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৪. মনে বল এনে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, বড় কোনও সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকলে, রাব্বে কারীম সংকট থেকে উদ্ধার করবেন। ইন শা আল্লাহ।
৫. জোর করে মন বসিয়ে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, রিজিকের সংকট থাকলে আল্লাহ তা দূর করে দেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৬. সূরা বাকারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার জন্য এক অপূর্ব হাদিয়া। আল্লাহ তা‘আলা সযত্নে এই হাদিয়া প্রস্তুত করে পাঠিয়েছেন। সূরা বাকারা তিলাওয়াত-তাদাব্বুরের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা আমার জীবনে ফুল ফুটিয়ে দেবেন।
৭. অসুস্থ ব্যক্তি কষ্ট করে তিলাওয়াত করলে, আল্লাহ তা‘আলা নিরাময় দান করবেন। ইন শা আল্লাহ।
৮. শনে দুষ্ট শয়তান কুমন্ত্রণা দিতে শুরু করলে, মনকে কষে বেঁধে একবার সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে ফেলতে হবে। যখনই মনে কুবুদ্ধির উদ্রেক হবে, সূরা বাকারা নিয়ে বসে যেতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে সূরা বাকারার সাথে লেগে থাকলে, শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত দুর্বল হয়ে যেতে বাধ্য।
৯. নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত-তাদাব্বুরে, আমার প্রতি আল্লাহর হেফাজত বৃদ্ধি পাবে, কাজেকর্মে বরকত আসবে। জীবন খাইর-কল্যাণে ভরপুর থাকবে। ইন শা আল্লাহ।
১০. সূরা বাকারাতেই অপূর্ব এক আশা জাগানিয়া আয়াত আছে,
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِی عَنِّی فَإِنِّی قَرِیبٌۖ أُجِیبُ دَعۡوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِۖ
(হে নবী!) আমার বান্দাগণ যাখন আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন (আপনি তাদেরকে বলুন যে,) আমি এত নিকটবর্তী যে, কেউ যখন আমাকে ডাকে আমি তার ডাক শুনি (১৮৬)।
১১. এমন আশ্বাস থাকতে, আল্লাহ আমার দোয়া কবুল না করে থাকবেন? মোটেও না। ভয়ংকর পাপী বান্দাও যখন অনুতপ্ত হৃদয়ে এই আয়াত পড়ে, আল্লাহ তার কথাও শোনেন। বলেন, বান্দা! বলো তোমার কি আর্জি।
১২. সূরা বাকারাতেই আছে কুরআন কারীমের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত ‘আয়াতুল কুরসী’। যে আল্লাহ আসমান ও যমীনের কাইয়ূম-সর্বনিয়ন্তা, তিনি আমার বিষয় দেখবেন না, তা কী করে হয়।
আতিক উল্লাহ হাফিঃ
collected
@PathwayToNoor
-
সূরা বাকারা নিয়ে অভিজ্ঞজনের অভিব্যক্তি,
১: সূরা বাকারা হতে পারে আমার জন্য মুক্তির উপায়। নাজাতের উসীলা। মনখারাপ থাকলে, কষ্ট করে একবার পুরো সূরা তিলাওয়াত করে নিলে, আল্লাহ তা‘আলা আমার দুঃখ-দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন।
২. হিম্মত করে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, আমার উপর কালো জাদুর আসর থাকলে, আল্লাহ তা‘আলা দূর করে দেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৩. আরেকটু কষ্ট করে তৃতীয়বার তিলাওয়াত করলে, আগের বারবার চাওয়া কোনও দোয়া কবুল হওয়া বাকী থাকলে, আল্লাহ তা‘আলা দোয়াটি কবুল করে নেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৪. মনে বল এনে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, বড় কোনও সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকলে, রাব্বে কারীম সংকট থেকে উদ্ধার করবেন। ইন শা আল্লাহ।
৫. জোর করে মন বসিয়ে আরেকবার তিলাওয়াত করতে পারলে, রিজিকের সংকট থাকলে আল্লাহ তা দূর করে দেবেন। ইন শা আল্লাহ।
৬. সূরা বাকারা আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার জন্য এক অপূর্ব হাদিয়া। আল্লাহ তা‘আলা সযত্নে এই হাদিয়া প্রস্তুত করে পাঠিয়েছেন। সূরা বাকারা তিলাওয়াত-তাদাব্বুরের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা আমার জীবনে ফুল ফুটিয়ে দেবেন।
৭. অসুস্থ ব্যক্তি কষ্ট করে তিলাওয়াত করলে, আল্লাহ তা‘আলা নিরাময় দান করবেন। ইন শা আল্লাহ।
৮. শনে দুষ্ট শয়তান কুমন্ত্রণা দিতে শুরু করলে, মনকে কষে বেঁধে একবার সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে ফেলতে হবে। যখনই মনে কুবুদ্ধির উদ্রেক হবে, সূরা বাকারা নিয়ে বসে যেতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে সূরা বাকারার সাথে লেগে থাকলে, শয়তানের যাবতীয় চক্রান্ত দুর্বল হয়ে যেতে বাধ্য।
৯. নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত-তাদাব্বুরে, আমার প্রতি আল্লাহর হেফাজত বৃদ্ধি পাবে, কাজেকর্মে বরকত আসবে। জীবন খাইর-কল্যাণে ভরপুর থাকবে। ইন শা আল্লাহ।
১০. সূরা বাকারাতেই অপূর্ব এক আশা জাগানিয়া আয়াত আছে,
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِی عَنِّی فَإِنِّی قَرِیبٌۖ أُجِیبُ دَعۡوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِۖ
(হে নবী!) আমার বান্দাগণ যাখন আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন (আপনি তাদেরকে বলুন যে,) আমি এত নিকটবর্তী যে, কেউ যখন আমাকে ডাকে আমি তার ডাক শুনি (১৮৬)।
১১. এমন আশ্বাস থাকতে, আল্লাহ আমার দোয়া কবুল না করে থাকবেন? মোটেও না। ভয়ংকর পাপী বান্দাও যখন অনুতপ্ত হৃদয়ে এই আয়াত পড়ে, আল্লাহ তার কথাও শোনেন। বলেন, বান্দা! বলো তোমার কি আর্জি।
১২. সূরা বাকারাতেই আছে কুরআন কারীমের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত ‘আয়াতুল কুরসী’। যে আল্লাহ আসমান ও যমীনের কাইয়ূম-সর্বনিয়ন্তা, তিনি আমার বিষয় দেখবেন না, তা কী করে হয়।
আতিক উল্লাহ হাফিঃ
collected
@PathwayToNoor
❤14
সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবস ভালোবাসা দিবস না! এটি প্রাচীন ইউরোপীয়রা সাধু ভ্যালেন্টাইন উৎসবে বসন্ত দেবতার পূজা করত। এটা তাদের ধর্মীয় উৎসব তারা করবে। আমরা শরিক হতে পারিনা।
এখন সরস্বতী পূজার দিবসটাকে যদি আপনি বিশ্ব জ্ঞান দিবস বলে আপনি পূজা পালন করেন, তাহলে যেমন ঈমান হারা হবেন! সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবসেও যদি আপনি ফূর্তি করেন, মেসেজ পাঠান, দিবস পালন করেন একই রকম ঈমান হারা হবেন!
— ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির (রাহিমাহুল্লাহ)
@PathwayToNoor
এখন সরস্বতী পূজার দিবসটাকে যদি আপনি বিশ্ব জ্ঞান দিবস বলে আপনি পূজা পালন করেন, তাহলে যেমন ঈমান হারা হবেন! সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন দিবসেও যদি আপনি ফূর্তি করেন, মেসেজ পাঠান, দিবস পালন করেন একই রকম ঈমান হারা হবেন!
— ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গির (রাহিমাহুল্লাহ)
@PathwayToNoor
❤🔥19❤9💯1
ঘটনাটি মক্কার এক শায়েখের।
একবার তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং সেখানে তিনি ইসতেগফারের উপর একটি লেকচার দেন। লেকচার শেষ হওয়ার পর সেখানে একজন লোক ভীড় ঠেলে তার কাছে আসে। তিনি শায়েখ কে ডেকে বলেন, "আমি আপনাকে কিছু বলতে চাই!"
শায়েখ যখন তাকে দেখলেন তাকে দেখেই তার জন্য তার অন্তর প্রশান্ত হয়ে যায়। যদিও তিনি তাকে আগে থেকে চিনতেন না!
তারপর সেই লোকটি বললো, "আমি যা বলবো তা আপনি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিবেন এবং আমি এটা নাম বা খ্যাতির জন্য করছি না!
আমি প্রতিদিন ৩০ হাজার বার ইসতেগফার করি আলহামদুলিল্লাহ এবং এর আশ্চর্য প্রতিফল পেয়েছি।"
তখন শায়েখ অবাক হয়ে গেলেন এবং অশ্রু সিক্ত চোখে বললেন, "হে আমার ভাই! তুমি তো যিকির দিয়ে তোমার অন্তর সিক্ত করে রেখেছো।
তুমি এর কি বিনিময় পেয়েছো?"
সেই লোক তখন বললেন, "আমাকে কখনো দু'আ কবুলের জন্য হাত উঠাতে হয় না! তার আগেই আমার চাওয়া পুর্ণ করে দেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা।"
✍️Preeti Islam
collected
@PathwayToNoor
একবার তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং সেখানে তিনি ইসতেগফারের উপর একটি লেকচার দেন। লেকচার শেষ হওয়ার পর সেখানে একজন লোক ভীড় ঠেলে তার কাছে আসে। তিনি শায়েখ কে ডেকে বলেন, "আমি আপনাকে কিছু বলতে চাই!"
শায়েখ যখন তাকে দেখলেন তাকে দেখেই তার জন্য তার অন্তর প্রশান্ত হয়ে যায়। যদিও তিনি তাকে আগে থেকে চিনতেন না!
তারপর সেই লোকটি বললো, "আমি যা বলবো তা আপনি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিবেন এবং আমি এটা নাম বা খ্যাতির জন্য করছি না!
আমি প্রতিদিন ৩০ হাজার বার ইসতেগফার করি আলহামদুলিল্লাহ এবং এর আশ্চর্য প্রতিফল পেয়েছি।"
তখন শায়েখ অবাক হয়ে গেলেন এবং অশ্রু সিক্ত চোখে বললেন, "হে আমার ভাই! তুমি তো যিকির দিয়ে তোমার অন্তর সিক্ত করে রেখেছো।
তুমি এর কি বিনিময় পেয়েছো?"
সেই লোক তখন বললেন, "আমাকে কখনো দু'আ কবুলের জন্য হাত উঠাতে হয় না! তার আগেই আমার চাওয়া পুর্ণ করে দেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা।"
✍️Preeti Islam
collected
@PathwayToNoor
❤40❤🔥5😢1
"শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা (রহিমাহুল্লাহ) কেউ কোন সাহায্য চাইলে তাকে সাহায্য করার জন্য খুব চেষ্টা করতেন। কেননা তিনি জানতেন যে, যখনই তিনি কোন মানুষকে সাহায্য করবেন আল্লাহ ওনাকে সাহায্য করবেন।"
- ইমাম ইবন আল কায়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
[রওদ্বাতুল মুহিব্বীন : ১/১৬৮]
@PathwayToNoor
- ইমাম ইবন আল কায়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
[রওদ্বাতুল মুহিব্বীন : ১/১৬৮]
@PathwayToNoor
❤10
মন ভেঙ্গেছে যাহার,
সাধ্যই বা আছে কাহার
এই বুকফাটা বিরহ
জোড়া লাগাবার?
মানুষ সান্ত্বনা দেয়,
কিন্তু শান্তি দেয় না।
কেউ নেই…
রব ছাড়া কেউ নেই যে তাহার। 🤍
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।”
— (৯৪:৬) 🌿
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল" (حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
collected
@PathwayToNoor
সাধ্যই বা আছে কাহার
এই বুকফাটা বিরহ
জোড়া লাগাবার?
মানুষ সান্ত্বনা দেয়,
কিন্তু শান্তি দেয় না।
কেউ নেই…
রব ছাড়া কেউ নেই যে তাহার। 🤍
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।”
— (৯৪:৬) 🌿
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল" (حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
collected
@PathwayToNoor
❤16❤🔥6😢5