🔸“যখন কেউ অজান্তে কারো জন্য দোয়া করে, ফেরেশতা বলেন: ‘আমিন! এবং তোমার জন্যও হোক।’”— সহীহ মুসলিম
আজ ভিন্ন পোস্ট, আমার এক পরিচিত “জান্নাত আপুর” জন্য সবার কাছে দোয়ার অনুরোধ—
উনি ভীষণ কষ্টে আছেন, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।দয়া করে এখন কিছু জানতে চাইবেন না—শুধু দোয়া করুন।
আজ রাতে তাহাজ্জুদে,আর আপনার দোয়ার সময়গুলোতে—এবং কাল শুক্রবার দোয়া কবুলের বিশেষ সময়ে জান্নাত আপুর নাম ধরে, মন থেকে দোয়া করবেন।
আল্লাহ তালা যেন উনার কষ্ট দূর করে দিন, উনার জীবনে শান্তি ও রহমত নাজিল করুক, আল্লাহুম্মা আমিন 🤲🏻
©©©©
@PathwayToNoor
আজ ভিন্ন পোস্ট, আমার এক পরিচিত “জান্নাত আপুর” জন্য সবার কাছে দোয়ার অনুরোধ—
উনি ভীষণ কষ্টে আছেন, মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।দয়া করে এখন কিছু জানতে চাইবেন না—শুধু দোয়া করুন।
আজ রাতে তাহাজ্জুদে,আর আপনার দোয়ার সময়গুলোতে—এবং কাল শুক্রবার দোয়া কবুলের বিশেষ সময়ে জান্নাত আপুর নাম ধরে, মন থেকে দোয়া করবেন।
আল্লাহ তালা যেন উনার কষ্ট দূর করে দিন, উনার জীবনে শান্তি ও রহমত নাজিল করুক, আল্লাহুম্মা আমিন 🤲🏻
©©©©
@PathwayToNoor
❤13🥰6
আমরা ম্যাক্সিমাম সময়ই কাউকে না জেনে, না বুঝে ভুল অনুমান করে ফেলি। কারো আচরণ, কথাবার্তা কিংবা নীরবতা যেকোনো কিছুকেই আমরা নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা বা অনুমান করে ফেলি।
তারপর সেই ভুল ধারণাটাকেই সত্য ভেবে একদম চারদিকে ছড়িয়ে দিই।
কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেন:
আর দেখুন, আল্লাহ নিজেই কিন্তু গীবত নিয়ে অনেক ভয়াবহ তুলনা করেছেন, "গীবত করা যেন নিজের মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়ার সমান!!!"
তবুও প্রতিনিয়ত, যেকোনো কথা বলার কিংবা আড্ডার মাঝেই কারো অনুপস্থিতিতে আমরা তার ইজ্জত ছিঁড়ে ফেলি।
আসুন, নিজেদের শুধরানোর চেষ্টা করি।
কারো সম্পর্কে জানার আগে বা কিছু বলার আগে ভালোভাবে যাচাই করি। 🍁
ঝাজাকাল্লাহু খাইরান
✨ @PathwayToNoor
তারপর সেই ভুল ধারণাটাকেই সত্য ভেবে একদম চারদিকে ছড়িয়ে দিই।
কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেন:
“হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক অনুমান থেকে দূরে থাকো। নিশ্চয়ই কোন কোন অনুমান তো পাপ। আর তোমরা গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গীবত করো না।”
(সূরা আল-হুজুরাত: আয়াত ১২ এর একাংশ)
আর দেখুন, আল্লাহ নিজেই কিন্তু গীবত নিয়ে অনেক ভয়াবহ তুলনা করেছেন, "গীবত করা যেন নিজের মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়ার সমান!!!"
তবুও প্রতিনিয়ত, যেকোনো কথা বলার কিংবা আড্ডার মাঝেই কারো অনুপস্থিতিতে আমরা তার ইজ্জত ছিঁড়ে ফেলি।
আসুন, নিজেদের শুধরানোর চেষ্টা করি।
কারো সম্পর্কে জানার আগে বা কিছু বলার আগে ভালোভাবে যাচাই করি। 🍁
ঝাজাকাল্লাহু খাইরান
✨ @PathwayToNoor
❤15❤🔥2
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤14
সূরা বাকারার মিরাকল:
আমি যখন থেকে প্রতিদিন সূরা বাকারাহ পড়া শুরু করেছি, তখন থেকেই আমার জীবন একদম বদলে গেছে। আল্লাহর রহমতে এমন শান্তি পেয়েছি যা আগে কল্পনাও করিনি।
আমি অনেকদিন বদ-নজর, জাদু আর মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলাম। যতবারই বিয়ের প্রস্তাব আসত, কোনো না কোনো কারণে সেটা ঠিকমতো এগোত না। মনে হতো যেন অদৃশ্য কিছু সবসময় বাঁধা দিচ্ছে।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, নিয়মিত সূরা বাকারাহ পড়ার পর সব সমস্যাই আস্তে আস্তে দূর হয়ে গেল। বদ নজরের প্রভাবও নেই, জাদুর কুফলও নেই। আর এখন আল্লাহর রহমতে আমার বিয়েও ঠিক হয়ে গেছে।
সূরা বাকারাহ সত্যিই এক শক্তিশালী রূহানী চিকিৎসা। এটা পড়লে মনেও শান্তি আসে, আর আল্লাহ তায়ালা অনেক কঠিন দরজাও খুলে দেন
©©©
@PathwayToNoor
আমি যখন থেকে প্রতিদিন সূরা বাকারাহ পড়া শুরু করেছি, তখন থেকেই আমার জীবন একদম বদলে গেছে। আল্লাহর রহমতে এমন শান্তি পেয়েছি যা আগে কল্পনাও করিনি।
আমি অনেকদিন বদ-নজর, জাদু আর মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলাম। যতবারই বিয়ের প্রস্তাব আসত, কোনো না কোনো কারণে সেটা ঠিকমতো এগোত না। মনে হতো যেন অদৃশ্য কিছু সবসময় বাঁধা দিচ্ছে।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, নিয়মিত সূরা বাকারাহ পড়ার পর সব সমস্যাই আস্তে আস্তে দূর হয়ে গেল। বদ নজরের প্রভাবও নেই, জাদুর কুফলও নেই। আর এখন আল্লাহর রহমতে আমার বিয়েও ঠিক হয়ে গেছে।
সূরা বাকারাহ সত্যিই এক শক্তিশালী রূহানী চিকিৎসা। এটা পড়লে মনেও শান্তি আসে, আর আল্লাহ তায়ালা অনেক কঠিন দরজাও খুলে দেন
©©©
@PathwayToNoor
❤19
দুরুদে ইব্রাহিমের বরকত 🍁
সত্যি বলতে, আমার জীবনই এখন দুরুদে ইব্রাহিমের সাথে মিশে গেছে। আমি প্রতিদিন ১০৫৬ বার দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করি। শুরুতে ভাবতাম, এতো বেশি দুরুদ কি আমার জীবনে সত্যিই কোনো পরিবর্তন আনবে? কিন্তু এখন, আমি নিজেই জীবন্ত প্রমাণ!
দুরুদে ইব্রাহিমের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমার জীবনকে এমনভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন, যা কল্পনাও করিনি। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। যা প্রয়োজন, আল্লাহ তায়ালা সবই দিয়ে দিয়েছেন। কত দুঃসময় আর সমস্যার মধ্যে ছিলাম-কিন্তু এখন মনে হয়, আল্লাহ যেন নিজ হাতে সব সমস্যা দূর করে দিয়েছেন। কত বিপদ আপদ এসেছে জীবনে, কিন্তু দুরুদের বরকতে আল্লাহ সব সময় আমাকে রক্ষা করেছেন, সাহায্য করেছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন। এই অনুভূতি ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালার রহমতের কথা মনে হলে শুধু চোখে পানি আসে।
-আমার রব কত মহান! কত মেহেরবান!
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, প্রতিদিন অন্তত ১০০০ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করুন। প্রথমে কষ্ট হতে পারে, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনারাই টের পাবেন এর মিষ্টতা কত অসাধারণ। আপনি নিজেই দেখবেন, আল্লাহ তায়ালা কীভাবে আপনার জীবন বদলে দেন, কীভাবে প্রয়োজনীয় সবকিছু আপনার কোলজুড়ে এনে দেন-যেমনটি তিনি আমাকে দিয়েছেন।
আমি তো শুধু চেষ্টা করেছি, আর আল্লাহ তায়ালা আমাকে এমন কিছু দিয়েছেন যা কখনো ভাবিনি। আপনিও চেষ্টা করুন, দেখবেন দুরুদের বরকতে আপনার জীবনেও বয়ে আসবে এক অনন্য শান্তি আর সুখের বন্যা। - সংগৃহীত।
📌 নোট: উপরে উল্লিখিত সংখ্যা পরিমাণই যে দরুদ পাঠ করতে হবে এমন কথা নেই। বরং আপনি চাইলে এর কম-বেশি অথবা অগণিত ও পড়তে পারেন। ইন শা আল্লাহ।
- Tayyebah তাইয়্যেবাহ
peace_of_jannah
©©©
@PathwayToNoor
সত্যি বলতে, আমার জীবনই এখন দুরুদে ইব্রাহিমের সাথে মিশে গেছে। আমি প্রতিদিন ১০৫৬ বার দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করি। শুরুতে ভাবতাম, এতো বেশি দুরুদ কি আমার জীবনে সত্যিই কোনো পরিবর্তন আনবে? কিন্তু এখন, আমি নিজেই জীবন্ত প্রমাণ!
দুরুদে ইব্রাহিমের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমার জীবনকে এমনভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন, যা কল্পনাও করিনি। আলহামদুলিল্লাহ, আজ আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। যা প্রয়োজন, আল্লাহ তায়ালা সবই দিয়ে দিয়েছেন। কত দুঃসময় আর সমস্যার মধ্যে ছিলাম-কিন্তু এখন মনে হয়, আল্লাহ যেন নিজ হাতে সব সমস্যা দূর করে দিয়েছেন। কত বিপদ আপদ এসেছে জীবনে, কিন্তু দুরুদের বরকতে আল্লাহ সব সময় আমাকে রক্ষা করেছেন, সাহায্য করেছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন। এই অনুভূতি ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। আল্লাহ তায়ালার রহমতের কথা মনে হলে শুধু চোখে পানি আসে।
-আমার রব কত মহান! কত মেহেরবান!
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, প্রতিদিন অন্তত ১০০০ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করুন। প্রথমে কষ্ট হতে পারে, কিন্তু ধীরে ধীরে আপনারাই টের পাবেন এর মিষ্টতা কত অসাধারণ। আপনি নিজেই দেখবেন, আল্লাহ তায়ালা কীভাবে আপনার জীবন বদলে দেন, কীভাবে প্রয়োজনীয় সবকিছু আপনার কোলজুড়ে এনে দেন-যেমনটি তিনি আমাকে দিয়েছেন।
আমি তো শুধু চেষ্টা করেছি, আর আল্লাহ তায়ালা আমাকে এমন কিছু দিয়েছেন যা কখনো ভাবিনি। আপনিও চেষ্টা করুন, দেখবেন দুরুদের বরকতে আপনার জীবনেও বয়ে আসবে এক অনন্য শান্তি আর সুখের বন্যা। - সংগৃহীত।
📌 নোট: উপরে উল্লিখিত সংখ্যা পরিমাণই যে দরুদ পাঠ করতে হবে এমন কথা নেই। বরং আপনি চাইলে এর কম-বেশি অথবা অগণিত ও পড়তে পারেন। ইন শা আল্লাহ।
- Tayyebah তাইয়্যেবাহ
peace_of_jannah
©©©
@PathwayToNoor
❤18
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
আমি প্রতিদিন আসরের আজানের সাথে সাথে স্বলাত শেষ করে এই আমলটা করি।
যা চাইবো তা অন্তরে একবার ভেবে নেই। অতঃপর ১০০+ বার এটা পড়ি। পড়া শেষ করে পুনরায় মুনাজাতে একই দু'আ রিপিট করি।
এতে ফায়দা হচ্ছে আযান ও ইকামতের মাঝে দু'আও করা হলো, যা দু'আ কবুলের উত্তম সময়। আবার আওয়াল ওয়াক্তে স্বলাত তো আদায় হলো সাথে এই আমল টাও করা হলো।
এটা শুধু দু'আ কবুলের আমল নয়। এর অনেক অনেক ফায়দা, অনেক অনেক সাওয়াব।
আবু মুসা আশআরি (রা.) বর্ণনা করেন—রাসুল (ﷺ) একবার আমাকে বললেন, ‘তোমাকে জান্নাতের অন্যতম ধনভাণ্ডারের কথা কি বলে দিব?’ আমি বললাম, অবশ্যই বলে দিন, হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বললেন—
لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
✍ Rinu Moni (©️ )
@PathwayToNoor
যা চাইবো তা অন্তরে একবার ভেবে নেই। অতঃপর ১০০+ বার এটা পড়ি। পড়া শেষ করে পুনরায় মুনাজাতে একই দু'আ রিপিট করি।
এতে ফায়দা হচ্ছে আযান ও ইকামতের মাঝে দু'আও করা হলো, যা দু'আ কবুলের উত্তম সময়। আবার আওয়াল ওয়াক্তে স্বলাত তো আদায় হলো সাথে এই আমল টাও করা হলো।
এটা শুধু দু'আ কবুলের আমল নয়। এর অনেক অনেক ফায়দা, অনেক অনেক সাওয়াব।
আবু মুসা আশআরি (রা.) বর্ণনা করেন—রাসুল (ﷺ) একবার আমাকে বললেন, ‘তোমাকে জান্নাতের অন্যতম ধনভাণ্ডারের কথা কি বলে দিব?’ আমি বললাম, অবশ্যই বলে দিন, হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বললেন—
لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ
(লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
রেফারেন্স: বুখারি, হাদিস : ৬৩৮৪; মুসলিম, হাদিস : ২৭০৪, তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৭৪; আবু দাউদ, হাদিস : ১৫২৬
@PathwayToNoor
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤34
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5❤🔥5
আল্লাহ আপনার জন্য যতটুকু রিজিক (জীবনসঙ্গী-সন্তান, খাবার, সুস্থতা, অর্থ-সম্পদ ইত্যাদি) নির্ধারণ করে রেখেছেন, তার এক ফোঁটাও কম ভোগ না করে আপনি এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিবেন না।
রিজিকের বিষয়ে যেদিন থেকে এই কথাটা অন্তর থেকে বিশ্বাস করা শুরু করবেন; দেখবেন রিজিক নিয়ে আপনার চিন্তা, ভয় আর উৎকণ্ঠা দূর হয়ে যাবে। হৃদয়ে জন্ম নেবে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
আপনার জন্য যখন যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা আপনি পাবেনই। এবং তা এক মুহূর্ত আগেও না, আর না এক মুহূর্ত পরে; বরং সঠিক সময়ে আপনার জন্য নির্ধারিত রিজিক আপনি পাবেনই। আপনার করণীয় হলো– হালালভাবে চেষ্টা করা, আর আল্লাহর নিকট দু'আ করা ও সবর করা।
লেখা: মাহমুদুল হাছান
Collected
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤19
একটা আরবী লেখায় দেখলাম,
দুনিয়ার সমস্যা হচ্ছে হাম্মুন, মানে দুশ্চিন্তা।
আখেরাতের সমস্যা হবে যাম্বুন, মানে গুনাহ।
.
আর অধিক দরূদ পাঠ এই দুইটাই দূর করে।
.
যেমন প্রিয়নবী ﷺ অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠের ব্যাপারে উবাই ইবনু কা'ব রদ্বিইয়াল্ল-হু আনহুকে বলেছিলেন, "এটা তোমার দুশ্চিন্তার জন্য যথেষ্ট হবে, আর তোমার গুনাহও মাফ করা হবে।"
- মাহ্দী ফয়সাল
collected
@PathwayToNoor
দুনিয়ার সমস্যা হচ্ছে হাম্মুন, মানে দুশ্চিন্তা।
আখেরাতের সমস্যা হবে যাম্বুন, মানে গুনাহ।
.
আর অধিক দরূদ পাঠ এই দুইটাই দূর করে।
.
যেমন প্রিয়নবী ﷺ অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠের ব্যাপারে উবাই ইবনু কা'ব রদ্বিইয়াল্ল-হু আনহুকে বলেছিলেন, "এটা তোমার দুশ্চিন্তার জন্য যথেষ্ট হবে, আর তোমার গুনাহও মাফ করা হবে।"
- মাহ্দী ফয়সাল
collected
@PathwayToNoor
❤31
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
"দরুদে ইব্রাহীমের পাওয়ার"
আজকে ইমার্জেন্সি ২৫০০০ টাকার প্রয়োজন ছিল। গতকাল সকালেও টাকার ব্যবস্থা ছিল না। খুব মন খারাপ নিয়েও আশা নিয়ে মন থেকে এক থেকে দেড় ঘন্টা দরুদে ইব্রাহীম পড়েছিলাম। আর সারাদিন যতটা সম্ভব ইস্তেগফার আর ফাঁকে ফাঁকে দরুদে ইব্রাহীম পড়েছিলাম। অবশ্য এরকম নিয়মিতভাবেই পড়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ বিকালেই টাকার খবর আসে আর সন্ধ্যার পরেই টাকাটা পেয়ে যাই আলহামদুলিল্লাহ।
আরও অনেক দু'আ কবুল ও জরুরত বাকি আছে; আশা রাখি সঠিক সময়ে সেগুলোও কবুল হবে। তবে কথা হচ্ছে আমল সারাজীবন করা উচিত ও করার নিয়ত রাখা উচিত। নিয়মিত করা আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয়। যখন প্রয়োজন শুধু তখনই আমল করা উচিত না। বরং নিয়মিতভাবেই করা উচিত তাহলে সেই আমল বেশি ইফেক্টিভ হয়।
দরুদে ইব্রাহীম আর ইস্তেগফার কেউ ছাড়বেন না। বিপদ যতই কঠিন হোক। প্রয়োজনে চোখের পানি ছাড়বেন আর পড়বেন আর আল্লাহকে বলবেন, "ইয়া আল্লাহ! আমি তো শুধু আপনার কাছেই চেয়েছি। আপনি তো সব পারেন। সবকিছু আ'ফিয়াহ্ ও কল্যানের সাথে ঠিক করে দিন, সহজ করে দিন"।
বিশ্বাস করেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাকে কখনোই নিরাশ করবেন না।
-সংগৃহীত
@PathwayToNoor
আজকে ইমার্জেন্সি ২৫০০০ টাকার প্রয়োজন ছিল। গতকাল সকালেও টাকার ব্যবস্থা ছিল না। খুব মন খারাপ নিয়েও আশা নিয়ে মন থেকে এক থেকে দেড় ঘন্টা দরুদে ইব্রাহীম পড়েছিলাম। আর সারাদিন যতটা সম্ভব ইস্তেগফার আর ফাঁকে ফাঁকে দরুদে ইব্রাহীম পড়েছিলাম। অবশ্য এরকম নিয়মিতভাবেই পড়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ বিকালেই টাকার খবর আসে আর সন্ধ্যার পরেই টাকাটা পেয়ে যাই আলহামদুলিল্লাহ।
আরও অনেক দু'আ কবুল ও জরুরত বাকি আছে; আশা রাখি সঠিক সময়ে সেগুলোও কবুল হবে। তবে কথা হচ্ছে আমল সারাজীবন করা উচিত ও করার নিয়ত রাখা উচিত। নিয়মিত করা আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয়। যখন প্রয়োজন শুধু তখনই আমল করা উচিত না। বরং নিয়মিতভাবেই করা উচিত তাহলে সেই আমল বেশি ইফেক্টিভ হয়।
দরুদে ইব্রাহীম আর ইস্তেগফার কেউ ছাড়বেন না। বিপদ যতই কঠিন হোক। প্রয়োজনে চোখের পানি ছাড়বেন আর পড়বেন আর আল্লাহকে বলবেন, "ইয়া আল্লাহ! আমি তো শুধু আপনার কাছেই চেয়েছি। আপনি তো সব পারেন। সবকিছু আ'ফিয়াহ্ ও কল্যানের সাথে ঠিক করে দিন, সহজ করে দিন"।
বিশ্বাস করেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাকে কখনোই নিরাশ করবেন না।
-সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤🔥20❤9
ইস্তেগফারের প্রভাব
ইস্তেগফারের একটি অনন্য ফল হল, তা কলবকে নানা কলুষতা থেকে পবিত্র পরিস্রুত করে তোলে। যেসব প্রতিবন্ধকতার কারনে, কলবে কুরআন প্রবেশে বাধাগ্রস্ত হয়, ইস্তেগফার কলব থেকে সেসব দূর করে।
কুরআন কারীম সম্পর্কে রব্বে কারীম বলেছেন,
পবিত্র মানে, শারীরিক ও আত্মিক উভয়ভাবে পবিত্র হলেই কেবল কুরআন কারীমের সত্যিকারের ছোঁয়া পাওয়া সম্ভব হবে। আল্লাহর কালাম অত্যন্ত আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন। বান্দা যখন একের পর এক ইস্তেগফার করতে থাকে, করতেই থাকে, একসময় তার কলব কুরআন কারীমের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। ইস্তেগফারের ঘর্ষণে তার কলব সাফসুতরো হয়ে যায়। পবিত্র কলবে সৃষ্টি হয় ‘বসীরত’। অন্তদৃষ্টি। এই বসীরত দিয়ে আল্লাহর কালামের গভীর থেকে গভীরে নজর বোলানো সম্ভব হয়। বসীরতের প্রভাবে কুরআনের বাইরেও ইস্তেগফারকারী বান্দা বহুকিছু অবলোকন ও উপলদ্ধি করতে সক্ষম হয়, যা সাধারণ আর দশজনের চোখে ধরা পড়ে না।
রাব্বে কারীম তাওফীক দান করুন। আমীন।
-উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
collected
@PathwayToNoor
ইস্তেগফারের একটি অনন্য ফল হল, তা কলবকে নানা কলুষতা থেকে পবিত্র পরিস্রুত করে তোলে। যেসব প্রতিবন্ধকতার কারনে, কলবে কুরআন প্রবেশে বাধাগ্রস্ত হয়, ইস্তেগফার কলব থেকে সেসব দূর করে।
কুরআন কারীম সম্পর্কে রব্বে কারীম বলেছেন,
لَّا یَمَسُّهُۥۤ إِلَّا ٱلۡمُطَهَّرُونَ
একে স্পর্শ করে কেবল তারাই, যারা অত্যন্ত পবিত্র (ওয়াকিয়াঃ ৭৯)
পবিত্র মানে, শারীরিক ও আত্মিক উভয়ভাবে পবিত্র হলেই কেবল কুরআন কারীমের সত্যিকারের ছোঁয়া পাওয়া সম্ভব হবে। আল্লাহর কালাম অত্যন্ত আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন। বান্দা যখন একের পর এক ইস্তেগফার করতে থাকে, করতেই থাকে, একসময় তার কলব কুরআন কারীমের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। ইস্তেগফারের ঘর্ষণে তার কলব সাফসুতরো হয়ে যায়। পবিত্র কলবে সৃষ্টি হয় ‘বসীরত’। অন্তদৃষ্টি। এই বসীরত দিয়ে আল্লাহর কালামের গভীর থেকে গভীরে নজর বোলানো সম্ভব হয়। বসীরতের প্রভাবে কুরআনের বাইরেও ইস্তেগফারকারী বান্দা বহুকিছু অবলোকন ও উপলদ্ধি করতে সক্ষম হয়, যা সাধারণ আর দশজনের চোখে ধরা পড়ে না।
রাব্বে কারীম তাওফীক দান করুন। আমীন।
-উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
collected
@PathwayToNoor
❤21
তেত্রিশ আয়াত ও আমলের নিয়ম:
প্রথমে বিসমিল্লাহ সহ সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। তারপর পড়তে হবে নিম্নলিখিত আয়াত
সমূহ:
বাকারা:১-৫
বাকারা (আয়াতুল কুরসি):২৫৫-২৫৭
বাকারা: ২৮৪-২৮৬
আ'রাফ:৫৪-৫৬
বনি ইসরাইল: ১১০-১১১
সাফফাত:১-১১
আর রহমান-৩৩-৩৫
হাশর:২১-২৪
সূরা জ্বীন: ১-৪
শেষ করতে হবে ৪টি সূরা দিয়ে: কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস। তারপর দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করতে হবে।
সকাল বিকাল অন্য আমলের নিয়ম:
১. আয়াতুল কুরছি ৩ বার (এটি পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করলে শরীর বন্ধ হয়ে যায়)
২. চার কুল বা সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস ৩ বার করে (এটি পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করলে যাদু টোনা কেটে যায়)
উপরের আমল দুটি সকাল বিকাল করলে কোন শয়তানি শক্তি কারো উপর প্রভাব ফেলতে পারবেনা।
বিঃদ্রঃ আর দিনে রাতে যে কোনো সময় যখনই খারাপ লাগবে আয়াতুল কুরছি ৩ বার পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করে দিতে হবে। এটি শয়তানি শক্তির কাছে খুবই ভয়ঙ্কর আয়াত।
©
@PathwayToNoor
প্রথমে বিসমিল্লাহ সহ সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। তারপর পড়তে হবে নিম্নলিখিত আয়াত
সমূহ:
বাকারা:১-৫
বাকারা (আয়াতুল কুরসি):২৫৫-২৫৭
বাকারা: ২৮৪-২৮৬
আ'রাফ:৫৪-৫৬
বনি ইসরাইল: ১১০-১১১
সাফফাত:১-১১
আর রহমান-৩৩-৩৫
হাশর:২১-২৪
সূরা জ্বীন: ১-৪
শেষ করতে হবে ৪টি সূরা দিয়ে: কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস। তারপর দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করতে হবে।
সকাল বিকাল অন্য আমলের নিয়ম:
১. আয়াতুল কুরছি ৩ বার (এটি পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করলে শরীর বন্ধ হয়ে যায়)
২. চার কুল বা সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস ৩ বার করে (এটি পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করলে যাদু টোনা কেটে যায়)
উপরের আমল দুটি সকাল বিকাল করলে কোন শয়তানি শক্তি কারো উপর প্রভাব ফেলতে পারবেনা।
বিঃদ্রঃ আর দিনে রাতে যে কোনো সময় যখনই খারাপ লাগবে আয়াতুল কুরছি ৩ বার পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মাছেহ করে দিতে হবে। এটি শয়তানি শক্তির কাছে খুবই ভয়ঙ্কর আয়াত।
©
@PathwayToNoor
❤19🥰2
ইস্তেগফার ❤️
বিয়ের পর জীবনটা আমি যেমন কল্পনা করেছিলাম তেমন হয়নি।
আমার স্বামী ধীরে ধীরে দূরে সরে গেলেন, আমাদের কথাবার্তা কমে গেল, আর আমার হৃদয় দুঃখে ভরে গেল।
আমি প্রায়ই সিজদায় কাঁদতাম, ভাবতাম—ভালোবাসাটা কোথায় হারিয়ে গেল?
একদিন অনলাইনে স্ক্রল করতে করতে আমি ইস্তেগফারের শক্তি সম্পর্কে একটি পোস্ট দেখি। মনে হলো আল্লাহ যেন আমাকে একটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন।
সেই রাতে আমি “আস্তাগফিরুল্লাহাল আজীম ওয়া আতুবু ইলাইহ” পড়া শুরু করি প্রতিদিন—শত শতবার করে—আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলাম যেন তিনি ভাঙা সম্পর্কটা ঠিক করে দেন।
শুরুর দিকে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে গেল।
কিন্তু আমি থামিনি। বিশ্বাস রেখেছিলাম, আল্লাহ নিশ্চয়ই শুনছেন, এমনকি নীরবতার মাঝেও।
এক সন্ধ্যায় হঠাৎই আমার স্বামী চোখে অশ্রু নিয়ে ক্ষমা চাইলেন।
তিনি নিজের ভুল স্বীকার করলেন এবং বললেন, তাঁর হৃদয়ে এক ধরনের শান্তি অনুভব করেছেন—যা তিনি ব্যাখ্যা করতে পারছেন না।
সেদিন থেকেই তাঁর আচরণ পুরোপুরি বদলে গেল।
তিনি আবার দয়ালু, ভালোবাসাপূর্ণ ও কোমল হয়ে উঠলেন।
এখন আমার ঘর ভালোবাসা আর উষ্ণতায় ভরা।
আলহামদুলিল্লাহ, ইস্তেগফার শুধু আমার পরিস্থিতি বদলায়নি—এটি আমাদের হৃদয়কেও বদলে দিয়েছে।
গল্পটি সংগ্রহ করে অনুবাদ করা হয়েছে।
অনুবাদক: Sadia Anam Mysha
নাম কেটে পোস্ট করা নিষেধ 🚫
collected
@PathwayToNoor
বিয়ের পর জীবনটা আমি যেমন কল্পনা করেছিলাম তেমন হয়নি।
আমার স্বামী ধীরে ধীরে দূরে সরে গেলেন, আমাদের কথাবার্তা কমে গেল, আর আমার হৃদয় দুঃখে ভরে গেল।
আমি প্রায়ই সিজদায় কাঁদতাম, ভাবতাম—ভালোবাসাটা কোথায় হারিয়ে গেল?
একদিন অনলাইনে স্ক্রল করতে করতে আমি ইস্তেগফারের শক্তি সম্পর্কে একটি পোস্ট দেখি। মনে হলো আল্লাহ যেন আমাকে একটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন।
সেই রাতে আমি “আস্তাগফিরুল্লাহাল আজীম ওয়া আতুবু ইলাইহ” পড়া শুরু করি প্রতিদিন—শত শতবার করে—আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলাম যেন তিনি ভাঙা সম্পর্কটা ঠিক করে দেন।
শুরুর দিকে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে গেল।
কিন্তু আমি থামিনি। বিশ্বাস রেখেছিলাম, আল্লাহ নিশ্চয়ই শুনছেন, এমনকি নীরবতার মাঝেও।
এক সন্ধ্যায় হঠাৎই আমার স্বামী চোখে অশ্রু নিয়ে ক্ষমা চাইলেন।
তিনি নিজের ভুল স্বীকার করলেন এবং বললেন, তাঁর হৃদয়ে এক ধরনের শান্তি অনুভব করেছেন—যা তিনি ব্যাখ্যা করতে পারছেন না।
সেদিন থেকেই তাঁর আচরণ পুরোপুরি বদলে গেল।
তিনি আবার দয়ালু, ভালোবাসাপূর্ণ ও কোমল হয়ে উঠলেন।
এখন আমার ঘর ভালোবাসা আর উষ্ণতায় ভরা।
আলহামদুলিল্লাহ, ইস্তেগফার শুধু আমার পরিস্থিতি বদলায়নি—এটি আমাদের হৃদয়কেও বদলে দিয়েছে।
গল্পটি সংগ্রহ করে অনুবাদ করা হয়েছে।
অনুবাদক: Sadia Anam Mysha
নাম কেটে পোস্ট করা নিষেধ 🚫
collected
@PathwayToNoor
❤19🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤9
দোয়া কবুলের সাত দিনের গোপন আমল 🌻
দু'রাকাআত সালাতুল—হাজত নামাজ আদায় করে একহাজার বার হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি'মাল ওয়াকিল পাঠ করুন। এরপর কয়েকবার দুরুদ শরীফ পাঠ করে হাত তোলে আল্লাহর নিকট দোয়া করুন। সাত দিনের আপনার দোয়া কবুল হবে।
আল্লাহ উপর দোয়া কবুলের বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে দোয়া করতে হবে। নিয়মিত যেকোনও সময়ে আমলটি করুন।
সংগৃহীত
দোয়ার_অলৌকিকতা
@PathwayToNoor
দু'রাকাআত সালাতুল—হাজত নামাজ আদায় করে একহাজার বার হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি'মাল ওয়াকিল পাঠ করুন। এরপর কয়েকবার দুরুদ শরীফ পাঠ করে হাত তোলে আল্লাহর নিকট দোয়া করুন। সাত দিনের আপনার দোয়া কবুল হবে।
আল্লাহ উপর দোয়া কবুলের বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে দোয়া করতে হবে। নিয়মিত যেকোনও সময়ে আমলটি করুন।
সংগৃহীত
দোয়ার_অলৌকিকতা
@PathwayToNoor
❤32❤🔥3
গুনাহকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কি দুটি বাক্যই যথেষ্ট নয়?
১. আমি যখন গুনাহ করছি তখন একজন আমাকে দেখছেন।
২. আর যিনি আমাকে দেখছেন তাঁর নিকটই আমাকে ফিরে যেতে হবে।
@PathwayToNoor
❤18❤🔥4
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤9❤🔥1