মহিলাদের জন্য শাড়ি
শাড়ি একসময় হিন্দু নারীর পোশাক ছিল, কিন্তু এখন আর তাদের বিশেষ পোশাক থাকেনি। এখন এটা মিশ্র পোশাকের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। সুতরাং শাড়ি পরলে এবং অনুকরণের নিয়ত না করলে বিধর্মীদের সাদৃশ্যের গুনাহ হবে না বটে কিন্তু যেহেতু শাড়ি পরিধান করলে সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গা খোলা থাকে যেমন-পেট, পিঠ, বুক হাতের বাহু ইত্যাদি, তাই এভাবে শাড়ি পরিধান করা বৈধ হবে না। হ্যাঁ, কেউ যদি ব্লাউজ এমনভাবে বানায় যদ্দারা উপরোক্ত অংশগুলোও পুরোপুরি ঢেকে যায় এবং শাড়ির উপর থেকে পেট-পিঠ ও বুকের আকৃতি ফুটে না উঠে তাহলে তা পরিধান করা নাজায়েয নয়।
(কেফায়াতুল মুফতী ৯/১৭০; আপকে মাসায়িল আওর উনকা হল্ ৭/১৬৩)
শর্টকামিজ, ধুতি থ্রি-পিস
এগুলো অপসংস্কৃতি ও বিজাতীয় অনুকরণের অন্যতম দৃষ্টান্ত। শরীয়ত মেয়েদের সৌন্দর্য যথাসম্ভব ঢেকে থাকে এমন পোশাকে উদ্বুদ্ধ করে। কিন্তু বিজাতীয় নীতি এর উল্টো। তারা চায় এমন পোশাক, যার দ্বারা নারীর সৌন্দর্য আরো প্রকাশ পায়। তাই কামিজ থেকে শর্টকামিজ এবং যতই দিন যাচ্ছে তা আরো ছোট হচ্ছে এবং আঁটশাট হচ্ছে। হাদীস শরীফে এসেছে-দুই শ্রেণীর লোক জাহান্নামী। ১. ঐ সকল নারী, যারা কাপড় পরিধান করা সত্ত্বেও বিবস্ত্র থাকে ... তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। এমনকি জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।(-সহীহ মুসলিম হাদীস ২১২৮)
কিছুদিন আগে মেয়েদের ধুতি থ্রি-পিস বের হয়েছে। ছেলেদের জন্য বের হয়েছে ধুতি পাঞ্জাবি সেট। নিচের অংশ একেবারে ধুতির লেংটির আদলে সেলাই করা। হঠাৎ দেখলে হিন্দু বলে ভ্রম হতে পারে, আসলে তারা হিন্দু নয়, আমাদেরই মুসলিম ভাই-বোন!
এই অবস্থাটা কতখানি দৈন্যের প্রমাণ বহন করে? এই অবস্থার পরিবর্তন কীভাবে হতে পারে তা আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখা উচিত।
#collected
@PathwayToNoor
শাড়ি একসময় হিন্দু নারীর পোশাক ছিল, কিন্তু এখন আর তাদের বিশেষ পোশাক থাকেনি। এখন এটা মিশ্র পোশাকের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। সুতরাং শাড়ি পরলে এবং অনুকরণের নিয়ত না করলে বিধর্মীদের সাদৃশ্যের গুনাহ হবে না বটে কিন্তু যেহেতু শাড়ি পরিধান করলে সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গা খোলা থাকে যেমন-পেট, পিঠ, বুক হাতের বাহু ইত্যাদি, তাই এভাবে শাড়ি পরিধান করা বৈধ হবে না। হ্যাঁ, কেউ যদি ব্লাউজ এমনভাবে বানায় যদ্দারা উপরোক্ত অংশগুলোও পুরোপুরি ঢেকে যায় এবং শাড়ির উপর থেকে পেট-পিঠ ও বুকের আকৃতি ফুটে না উঠে তাহলে তা পরিধান করা নাজায়েয নয়।
(কেফায়াতুল মুফতী ৯/১৭০; আপকে মাসায়িল আওর উনকা হল্ ৭/১৬৩)
শর্টকামিজ, ধুতি থ্রি-পিস
এগুলো অপসংস্কৃতি ও বিজাতীয় অনুকরণের অন্যতম দৃষ্টান্ত। শরীয়ত মেয়েদের সৌন্দর্য যথাসম্ভব ঢেকে থাকে এমন পোশাকে উদ্বুদ্ধ করে। কিন্তু বিজাতীয় নীতি এর উল্টো। তারা চায় এমন পোশাক, যার দ্বারা নারীর সৌন্দর্য আরো প্রকাশ পায়। তাই কামিজ থেকে শর্টকামিজ এবং যতই দিন যাচ্ছে তা আরো ছোট হচ্ছে এবং আঁটশাট হচ্ছে। হাদীস শরীফে এসেছে-দুই শ্রেণীর লোক জাহান্নামী। ১. ঐ সকল নারী, যারা কাপড় পরিধান করা সত্ত্বেও বিবস্ত্র থাকে ... তারা জান্নাতে যেতে পারবে না। এমনকি জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।(-সহীহ মুসলিম হাদীস ২১২৮)
কিছুদিন আগে মেয়েদের ধুতি থ্রি-পিস বের হয়েছে। ছেলেদের জন্য বের হয়েছে ধুতি পাঞ্জাবি সেট। নিচের অংশ একেবারে ধুতির লেংটির আদলে সেলাই করা। হঠাৎ দেখলে হিন্দু বলে ভ্রম হতে পারে, আসলে তারা হিন্দু নয়, আমাদেরই মুসলিম ভাই-বোন!
এই অবস্থাটা কতখানি দৈন্যের প্রমাণ বহন করে? এই অবস্থার পরিবর্তন কীভাবে হতে পারে তা আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখা উচিত।
#collected
@PathwayToNoor
❤22🔥1
✅ ফজিলত ও গুরুত্ব:
১– এই ১০ দিন বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
২– এই দিনে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়।
৩–সাহাবিরা জিহাদের চেয়েও এগুলোর ফজিলত বেশি বলে জানতেন (জিহাদে জীবন উৎসর্গ না করলে)।
৪– আল্লাহ কুরআনে এই দিনগুলোর কসম করেছেন – "ওয়াল ফজর, ওয়ালায়ালিন আশর" (সূরা ফজর)।
✅ এই ১০ দিনে যেসব আমল করা উচিত:
আস্তাগফিরুল্লাহ, আল্লাহুম্মাগফিরলি।
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলে মুহাম্মাদ।
- সুবহানাল্লাহ
- আলহামদুলিল্লাহ
- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
- আল্লাহু আকবার
- লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ
প্রতিটি ফরয নামাজের পর একবার করে বলুন:
"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ"
– নারী-পুরুষ সবার জন্য সুন্নত, বাসায় বা মসজিদে, একা বা জামাতে।
🔷 এই ১০ দিন আপনার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেয়ার সুযোগ।
আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি ঝরবে – আপনি শুধু নিজেকে প্রস্তুত করুন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤27🔥5❤🔥4👏1
অর্থাৎ, ২৮ মে সন্ধ্যার আগেই যারা কুরবানী করার নিয়্যাত করেছি চুল, নখ কেটে নিতে পারি ইন শা আল্লাহ ✅
Collected
তালিমুন_নিসা
🌝 @PathwayToNoor
যারা জানেন না তাদের জানিয়েছেন তো⁉️
Collected
তালিমুন_নিসা
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤19🥰3
আমরা পবিত্র জিলহজ্জ মাসে প্রবেশ করেছি। বছরের সেরা রাত হলো রামাদান মাসের শেষ দশ রাত। আর বছরের সেরা দিন হলো জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন।
রামাদানকে খুব আড়ম্বরভাবে পালন করলেও, জিলহজ্জকে ঘিরে এমন আড়ম্বরতা, এমন আয়োজন উদযাপন কোথাও চোখে পড়ে না৷ অথচ, স্কলারদের মতে—রামাদানের তুলনায় জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব তো কোনো অংশে কম তো নয়ই, বরং কিছুক্ষেত্রে রামাদানের তুলনায় জিলহজ্জ বেশি মর্যাদাশীল।
ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে হজ্জ হলো একমাত্র রুকন যে রুকনের নামে পবিত্র কুরআনে সরাসরি সূরা আছে। আর, এই হজ্জ পালন করা হয় জিলহজ্জ মাসেই।
জিলহজ্জের শুরুর দশদিনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকে অধিকবেশি স্মরণের কথা কুরআনে এসেছে। অধিকবেশি স্মরণ মানে অধিকবেশি আমল। বেশি বেশি নফল সালাত, সাদাকা, যিকির, আযকার, দুয়া, তিলাওয়াত।
সাহাবিরা জিলহজ্জ মাস আসলে বাজারের মাঝে গিয়ে, উচ্চস্বরে তাকবির দিতেন। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
পবিত্র এই জিলহজ্জ মাসে, আমরা যারা ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ বলতে বলতে মিনার তাঁবু, আরাফাহর ময়দান, মুযদাফিলার রাতের আকাশ, যামারাহর প্রস্তরাবৃত উপকণ্ঠে পৌঁছাতে পারছি না, আমাদের জন্য সার্বক্ষণিক তাকবিরধ্বনি হয়ে উঠুক আত্মিকভাবে রাসুলের দেশে থাকার শান্তনা।
সর্বক্ষণ, গুনগুন করে চলুন বলি—
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
🌝 @PathwayToNoor
রামাদানকে খুব আড়ম্বরভাবে পালন করলেও, জিলহজ্জকে ঘিরে এমন আড়ম্বরতা, এমন আয়োজন উদযাপন কোথাও চোখে পড়ে না৷ অথচ, স্কলারদের মতে—রামাদানের তুলনায় জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের গুরুত্ব তো কোনো অংশে কম তো নয়ই, বরং কিছুক্ষেত্রে রামাদানের তুলনায় জিলহজ্জ বেশি মর্যাদাশীল।
ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে হজ্জ হলো একমাত্র রুকন যে রুকনের নামে পবিত্র কুরআনে সরাসরি সূরা আছে। আর, এই হজ্জ পালন করা হয় জিলহজ্জ মাসেই।
জিলহজ্জের শুরুর দশদিনে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাকে অধিকবেশি স্মরণের কথা কুরআনে এসেছে। অধিকবেশি স্মরণ মানে অধিকবেশি আমল। বেশি বেশি নফল সালাত, সাদাকা, যিকির, আযকার, দুয়া, তিলাওয়াত।
সাহাবিরা জিলহজ্জ মাস আসলে বাজারের মাঝে গিয়ে, উচ্চস্বরে তাকবির দিতেন। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
পবিত্র এই জিলহজ্জ মাসে, আমরা যারা ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ বলতে বলতে মিনার তাঁবু, আরাফাহর ময়দান, মুযদাফিলার রাতের আকাশ, যামারাহর প্রস্তরাবৃত উপকণ্ঠে পৌঁছাতে পারছি না, আমাদের জন্য সার্বক্ষণিক তাকবিরধ্বনি হয়ে উঠুক আত্মিকভাবে রাসুলের দেশে থাকার শান্তনা।
সর্বক্ষণ, গুনগুন করে চলুন বলি—
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
- আরিফ আজাদ 🍁
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥19❤1🥰1
⚫শুক্রবারের বিশেষ আমল
“অধিকহারে দুরুদ পাঠ করা ও ইস্তেগফার করা।”( দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ)
“সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। যে ব্যক্তি জুম'আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তীত জুম'আ পর্যন্ত নূরান্বিত (আলোকময়) হবে।”
"শুক্রবার আসর ও মাগরিবের মধ্যেবর্তী সময়ে দু'আ করা৷ কারন এই সময়টি দু'আ কবুলের মুহূর্তী এই সময়ের দু'আ আল্লাহ ফেরত দেন না।”
fariha_fari
দোয়ার_অলৌকিকতা
#collected
@PathwayToNoor
“অধিকহারে দুরুদ পাঠ করা ও ইস্তেগফার করা।”( দুরুদে ইব্রাহিম উত্তম দুরুদ)
“সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা। যে ব্যক্তি জুম'আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তীত জুম'আ পর্যন্ত নূরান্বিত (আলোকময়) হবে।”
"শুক্রবার আসর ও মাগরিবের মধ্যেবর্তী সময়ে দু'আ করা৷ কারন এই সময়টি দু'আ কবুলের মুহূর্তী এই সময়ের দু'আ আল্লাহ ফেরত দেন না।”
fariha_fari
দোয়ার_অলৌকিকতা
#collected
@PathwayToNoor
❤10❤🔥3
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥12🥰3❤1
সমাজে বোরকা অনেকেই পরে, কিন্তু পর্দা করে কজন? বোরকা পরলেই তো আর পর্দা হয়ে যায় না।
বোরকা পরে নাচা-নাচি, টি*কটক করা, রি'লস বানানো, ভ্লগ করা, প্রকাশ্যে নাশিদ গাওয়া, সেটা আপলোড করা—এগুলো পর্দাবিরোধী কার্যকলাপ। একে তো এর কারণে বোরকার অবমাননা হয়, তার ওপরে পরপুরুষ বিশেষত কিছুটা দ্বী'নমুখী মানুষজন এগুলোতে আকৃষ্ট হয় বেশি। যারা বেপর্দাদের দিকে তাকায় না, তারাও এগুলোর মাধ্যমে ফিতনায় আ’ক্রান্ত হয়।
পর্দা মানে কেবল বাসা থেকে বের হবার সময় বোরকা পরা নয়; বরং বাসার ভেতরে কাজিন ও অন্যান্যদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকলে তবেই সেটা পর্দা।
পর্দা কেবল কয়েকখানা কাপড়ের আবরণ নয়। পর্দা হলো তা-ই, যা পরপুরুষকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করা থেকে বিরত রাখবে। সুতরাং আপনার দৈহিক সৌন্দর্যের জন্য যেমন পর্দা আছে, তেমনি পর্দা আছে আপনার কন্ঠ ও কর্মকাণ্ডেরও।
~ আবুল হাসনাত কাশিম (হাফি.)
📿 আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন........
কালেক্টেড
@PathwayToNoor
বোরকা পরে নাচা-নাচি, টি*কটক করা, রি'লস বানানো, ভ্লগ করা, প্রকাশ্যে নাশিদ গাওয়া, সেটা আপলোড করা—এগুলো পর্দাবিরোধী কার্যকলাপ। একে তো এর কারণে বোরকার অবমাননা হয়, তার ওপরে পরপুরুষ বিশেষত কিছুটা দ্বী'নমুখী মানুষজন এগুলোতে আকৃষ্ট হয় বেশি। যারা বেপর্দাদের দিকে তাকায় না, তারাও এগুলোর মাধ্যমে ফিতনায় আ’ক্রান্ত হয়।
পর্দা মানে কেবল বাসা থেকে বের হবার সময় বোরকা পরা নয়; বরং বাসার ভেতরে কাজিন ও অন্যান্যদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকলে তবেই সেটা পর্দা।
পর্দা কেবল কয়েকখানা কাপড়ের আবরণ নয়। পর্দা হলো তা-ই, যা পরপুরুষকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করা থেকে বিরত রাখবে। সুতরাং আপনার দৈহিক সৌন্দর্যের জন্য যেমন পর্দা আছে, তেমনি পর্দা আছে আপনার কন্ঠ ও কর্মকাণ্ডেরও।
~ আবুল হাসনাত কাশিম (হাফি.)
📿 আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন........
কালেক্টেড
@PathwayToNoor
❤29😢4😱1
ভাগে কুরবানী বা কুরবানীর অংশীদার গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যান্ত সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
হারাম উপার্জনকারীর বিষয়ে তো সতর্কতা অবলম্বন করেন। এর চেয়ে আরো জরুরী হলো প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার কিনা যাচাই করে দেখা।
সে-কুলার ও গণতন্ত্রপন্থী তথা ধর্মহীন কি না
কারণ, এমন ব্যক্তির সাথে কুরবানী করলে আদায় হবে না।
© মাওলানা সাঈদ আহমদ (হাফি.)
collected
@PathwayToNoor
হারাম উপার্জনকারীর বিষয়ে তো সতর্কতা অবলম্বন করেন। এর চেয়ে আরো জরুরী হলো প্রকৃতপক্ষে ঈমানদার কিনা যাচাই করে দেখা।
সে-কুলার ও গণতন্ত্রপন্থী তথা ধর্মহীন কি না
কারণ, এমন ব্যক্তির সাথে কুরবানী করলে আদায় হবে না।
© মাওলানা সাঈদ আহমদ (হাফি.)
collected
@PathwayToNoor
❤11🔥1
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —
"আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, আরাফার দিনের রোযা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।"
সুনানে ইবনে মাজাহ(১৭৩০)
✅ হজে না যাওয়া সবার জন্য এ রোযা রাখা সুন্নত।❌ হজকারীদের জন্য রোযা রাখা মাকরূহ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17❤🔥5🥰4
🌟 আরাফা দিবসের আমলঃ-
১) পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের প্রতি যত্নবান থাকা।
২) সুনানে রাওয়াতেব অর্থাৎ নামাজের আগে-প রের সুন্নতগুলোর প্রতি যত্নবান থাকা।
৩) ইশরাক ও চাশতের সালাতের প্রতি যত্নবান থাকা।
৪) দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল ওজুর প্রতি যত্নবান থাকা।
৫) সিয়াম রাখা।
৬) বেশি বেশি দোয়া করা।
৭) বেশি বেশি তিলাওয়াত করা।
ব্যস্ত থাকলে বারবার সূরা ইখলাস পড়তে থাকা। সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।
৮) বেশি বেশি তওবা-ইস্তেগফার করা। আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।
৯) বেশি বেশি জিকির করা।
বাকিয়া সালিহা ( الباقيات الصالحات ) পড়া।
বাকিয়া সালিহা অর্থঃ সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার,
ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
سبحانَ اللهِ، والحمدُ للهِ، ولا إلهَ إلَّا اللهُ، واللهُ أكْبرُ، ولا حولَ ولا قُوَّةَ إلا بِاللهِ
১০) বেশি বেশি নফল সালাত পড়া।
১১) বেশি বেশি পড়া -
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।
لا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وحدَهُ لا شريكَ لَهُ، لَهُ الملكُ ولَهُ الحمدُ وَهوَ على كلِّ شَيءٍ قديرٌ
ইয়া আল্লাহ, তাওফিক দান করুন। আমিন।
- শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤22❤🔥3
পুরুষগন শব্দ করে এবং নারীরা নীচু কন্ঠে তাকবিরটি পাঠ করবেন।
তাকবিরে তাশরিক:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ; ওয়াল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤14❤🔥4🥰3
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥8❤3🥰2
Forwarded from Pathway To Noor
ঈদের নামাজ যেহেতু বছরে দুইবারই আসে তাই অনেকেই নিয়মগুলো ভুলে যেতে পারেন।
এখান থেকে নিয়ম জেনে নিন নামাজের।
🌝 @PathwayToNoor
এখান থেকে নিয়ম জেনে নিন নামাজের।
দুইটা পিকই সেইম। একটা জাস্ট লেখা আর আরেকটা ছবি সহকারে দেখানো, যেটা সুবিধা দেখে নিবেন🥰
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥10❤5🥰2
ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নত, যা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমল করতেন।
১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বায়হাকি -৬১২৬)
২. মিসওয়াক করা। (তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৫৩৮)
৩. গোসল করা। (ইবনে মাজাহ ১৩১৫)
৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারি ৯৪৮)
৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারি ৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আজহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাজের পর নিজের কোরবানির গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারি ৯৫৩, তিরমিজি ৫৪২, সুনানে দারেমি ১৬০৩)
৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৫৭)
৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহতে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনি ১৬৯৪)
১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারি ৯৫৬, আবু দাউদ ১১৫৮)
১১. যে রাস্তায় ঈদগাহতে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারি ৯৮৬)
১২. হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৪৩)
১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকা- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ তবে ঈদুল আজহায় মাঠে যাবার সময় পথে এ তাকবীর উচ্চ আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন। (মুস্তাদরাকে হাকেম ১১০৫)
@PathwayToNoor
১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। (বায়হাকি -৬১২৬)
২. মিসওয়াক করা। (তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৫৩৮)
৩. গোসল করা। (ইবনে মাজাহ ১৩১৫)
৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। (বুখারি ৯৪৮)
৫. সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। (বুখারি ৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম ৭৫৬০)
৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আজহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাজের পর নিজের কোরবানির গোশত আহার করা উত্তম। (বুখারি ৯৫৩, তিরমিজি ৫৪২, সুনানে দারেমি ১৬০৩)
৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৫৭)
৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহতে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। (দারাকুতনি ১৬৯৪)
১০. ঈদের নামাজ ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারি ৯৫৬, আবু দাউদ ১১৫৮)
১১. যে রাস্তায় ঈদগাহতে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা। (বুখারি ৯৮৬)
১২. হেঁটে যাওয়া। (আবু দাউদ ১১৪৩)
১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকা- اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ তবে ঈদুল আজহায় মাঠে যাবার সময় পথে এ তাকবীর উচ্চ আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন। (মুস্তাদরাকে হাকেম ১১০৫)
@PathwayToNoor
❤14🔥4
Forwarded from Pathway To Noor (🌼 أنيكا 🦋)
দিনে একবার করে হলেও যে আমল গুলো করবেন.... আর বেশি করতে পারলে তো আরও ভালো....📿📿
[ নিয়মিত ইবাদতকারীকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন]
১.ইস্তেগফার -১০০ বার
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
........★★........
""এই ইবাদত গুলো ফজর এবং মাগরিবের পরে করার চেষ্টা করবেন।যদি না পারেন সারাদিন এ যে কোনো সময় একবার করার চেষ্টা করবেন """
...............★★.............
@PathwayToNoor
[ নিয়মিত ইবাদতকারীকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন]
১.ইস্তেগফার -১০০ বার
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
........★★........
""এই ইবাদত গুলো ফজর এবং মাগরিবের পরে করার চেষ্টা করবেন।যদি না পারেন সারাদিন এ যে কোনো সময় একবার করার চেষ্টা করবেন """
...............★★.............
@PathwayToNoor
❤11🔥6❤🔥1
— ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং আইয়ামে তাশরিকের তিন দিন রোজা রাখা নিষেধ। (মোট ৫ দিন)।
ঈদুল আযহার পরের তিন দিন তথা জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখকে ‘আইয়ামে তাশরীক’ বলা হয়।
হাদীসে এ দিনগুলোকে ‘পানাহার ও আল্লাহর যিকির’ এর দিন বলা হয়েছে। এ তিন দিন ফরয বা নফল রোযা রাখা নিষেধ।
“যে (হাজী)র নিকট কুরবানীর পশু নেই তিনি ছাড়া অন্য কারও জন্য আইয়্যামে তাশরীকে সাওম পালন করার অনুমতি দেওয়া হয় নি”। (সহিহ বুখারী-১৯৯৭)
“আইয়্যামে তাশরীক পানাহার ও আল্লাহর যিকিরের দিন”।[সহীহুল জামে-২৬৮৯:নুবাইশা আল হুযালী রা. থেকে বণিত]
“তোমরা এই দিনগুলোতে রোযা রাখিও না। কেননা, এগুলো পানাহারের দিন।” (সহীহল জামে-৭৩৫৫:হামযা বিন আমর আল আসলামীন থেকে বর্ণিত )
সুতরাং এ দিনগুলোতে কাযা, কাফফারা, মানত বা অন্য কোন ধরণের নফল রোযা রাখা বৈধ নয়। (কেবল হাজীদের বিশেষ ক্ষেত্রে রোজা রাখার বিষয়টি ভিন্ন)
উল্লেখ্য যে, আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামে বীজ বলা হয়। প্রতি মাসে এই তিনটি রোজা রাখলে সারা মাস রোজা থাকার সওয়াব পাওয়া যায়।
কিন্তু জিলহজ মাসের ১৩ তারিখ যেহেতু আইয়ামে তাশরীক এর অন্তর্ভুক্ত সেহেতু ওই দিন রোজা রাখা জায়েজ নেই।
অতএব জিলহজ মাসের ১৪ এবং ১৫ তারিখে এবং ১৩ তারিখের পরিবর্তে ১৬ তারিখ বা অন্য যেকোনো দিন রোজা রাখা যাবে। তাহলেও সারা মাস রোজা থাকার সওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
~ শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (হাফি)
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤9🔥1
শয়তানকে আমরা তিনবার সফল করি।
আল্লাহ তা'য়ালা তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হতে নিষেধ করেছেন।
বই: গুনাহ মাফের উপায়
পৃষ্ঠা: ৬৪
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥14❤12😢3
"যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার (ঈমানের) নূর এ জুমাহ্ হতে আগামী জুমাহ্ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।"
✅ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | ২১৭৫
আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময় দুআ করা।(মাজলুম উম্মাহর জন্য দুআ করা)
আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি!
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ *সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম*
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤6🥰3