নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4
সৌদিতে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গিয়েছে। আজ আমাদের শেষ রাত রামাদানের।
আজকে ৫ম বিজোড় রাত্রি
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিবুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।
©©©
@PathwayToNoor
আজকে ৫ম বিজোড় রাত্রি
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিবুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।
©©©
@PathwayToNoor
❤🔥12
📍 ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
#কালেক্টেড pic
তারাবি বিদায় নিয়েছে
সেহরি বিদায় নিল
এরপর বিদায় নিবে ইফতার
😥😥
আজকে শেষ রমজান
রমজানে যেভাবে নিজেকে সবকিছু থেকে বিরত রেখেছেন
ইনশাআল্লাহ আগামী রমজান পরযনতো সবাই যেন ধরে রাখতে পারেন..
@PathwayToNoor
তারাবি বিদায় নিয়েছে
সেহরি বিদায় নিল
এরপর বিদায় নিবে ইফতার
😥😥
আজকে শেষ রমজান
রমজানে যেভাবে নিজেকে সবকিছু থেকে বিরত রেখেছেন
ইনশাআল্লাহ আগামী রমজান পরযনতো সবাই যেন ধরে রাখতে পারেন..
@PathwayToNoor
😢16
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4🥰1
আজকে শেষ রমজান এ সবাই সবার জন্য থেকে দোয়া করবেন..রাসুলুল্লাহ (সঃ) সকল উম্মতের জন্য দোয়া করবেন
@PathwayToNoor
@PathwayToNoor
❤🔥9❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
অর্থ: ‘আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনাদের নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।’
ঈদ মুবারাক 🌙
#তালিমুননিসা
©©©
@PathwayToNoor
অর্থ: ‘আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনাদের নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।’
ঈদ মুবারাক 🌙
#তালিমুননিসা
©©©
@PathwayToNoor
❤4🥰1
ঈদের নামাজ যেহেতু বছরে দুইবারই আসে তাই অনেকেই নিয়মগুলো ভুলে যেতে পারেন।
এখান থেকে নিয়ম জেনে নিন নামাজের।
🌝 @PathwayToNoor
এখান থেকে নিয়ম জেনে নিন নামাজের।
দুইটা পিকই সেইম। একটা জাস্ট লেখা আর আরেকটা ছবি সহকারে দেখানো, যেটা সুবিধা দেখে নিবেন🥰
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🥰9❤🔥3
রমাদন শেষে সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের যে চাঁদ দেখা যায়, সেই রাতই ঈদুল ফিতরের রাত। আর এই রাতটি অত্যন্ত বরকতময়। দীর্ঘ সিয়াম-সাধনার পর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিন বান্দার পুরস্কার লাভের রাত। হাদিসে এই রাতকে ‘লাইলাতুল জাইযাহ’ তথা ‘পুরস্কার লাভের রাত’ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। (শুআবুল ইমান)
লাইলাতুল জাইযাহ বা ঈদের রাতের একাধিক ফযিলত রয়েছে।
🔸প্রথম ফজিলত: ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে বান্দার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।
এক. যিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত
দুই. যিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফার রাত)
তিন. ঈদুল আজহার রাত
চার. ইদুল ফিতরের রাত এবং
পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত।
(আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)
🔸 দ্বিতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।
হাদীসে এসেছে,
যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এই পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না।
(মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭)
🔸তৃতীয় ফজিলত: যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রাপ্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)।
🔸ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতে মশগুল থাকা মুস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন,
রমাদনের ব্যাপারে আমার উম্মতকে বিশেষভাবে পাঁচটি জিনিস দেয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী উম্মতগণ পায়নি। তন্মধ্যে একটি হল রমাদনের শেষ রাতে রোজাদারদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ক্ষমার এই রাতটি শবে কদর নয় তো?
নবীজি (সা.) বললেন, না, বরং শ্রমিকের কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই শ্রমের মজুরি দিয়ে দেয়া হয়।
(মুসনাদে আহমদ)
🔸 হাদীসে আরো এসেছে,
‘
যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য দুই ঈদের রাতে জেগে থাকবে; সেদিন (হাশরের দিন) তার হৃদয় সজীব থাকবে, যেদিন সবার হৃদয় মারা যাবে।’
(ইবনে মাজাহ)
🔸উল্লেখিত হাদিসগুলোতে ঈদের রাতের যে সব ফজিলতের কথা বলা হয়েছে এগুলোর মধ্যে কোনটিতে বিশেষ কোনো ইবাদত করার কথা বলা হয়নি। তাই এই রাতে সাধ্যানুসারে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযকার, ইস্তিগফার এবং দোয়া-মুনাজাতে মশগুল থাকা কর্তব্য।
🔸বরকতময় এই রাতে অযথা কাজে লিপ্ত হওয়া, বাজারে-মার্কেটে ঘুরাঘুরি করা,আমোদ-ফুর্তিতে কাটিয়ে দেয়া উচিত নয়।
ঈদের রাত ইবাদতের রাত।। আর আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের রাতসহ প্রতিটা মুহূর্তকে দ্বীনের কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।
~সংগৃহিত এবং পরিমার্জিত
#তালিমুন_নিসা
@PathwayToNoor
লাইলাতুল জাইযাহ বা ঈদের রাতের একাধিক ফযিলত রয়েছে।
🔸প্রথম ফজিলত: ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে বান্দার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।
এক. যিলহজ মাসের ৮ তারিখের রাত
দুই. যিলহজ মাসের ৯ তারিখের রাত (আরাফার রাত)
তিন. ঈদুল আজহার রাত
চার. ইদুল ফিতরের রাত এবং
পাঁচ. ১৫ শাবানের রাত।
(আত তারগিব ওয়াত তারহিব লিল মুনজেরি ২/৯৮, হাদিস : ১৬৫৬)
🔸 দ্বিতীয় ফজিলত: ঈদের রাতে কৃত দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।
হাদীসে এসেছে,
যে ব্যক্তি জুমার রাত, রজব মাসের প্রথম রাত, অর্ধ শাবানের রাত এবং দুই ঈদের রাতসহ এই পাঁচ রাতে কোনো দোয়া করে; সে রাতে তার কোনো আবেদনই ফিরিয়ে দেয়া হয় না।
(মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস : ৭৯২৭)
🔸তৃতীয় ফজিলত: যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর কাছে সওয়াব প্রাপ্তির নিয়তে ইবাদত করবে তার হৃদয় সেদিনও জীবিত থাকবে যেদিন সকল হৃদয়ের মৃত্যু ঘটবে।
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৮২)।
🔸ঈদুল ফিতরের রাতে ইবাদতে মশগুল থাকা মুস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) এরশাদ করেন,
রমাদনের ব্যাপারে আমার উম্মতকে বিশেষভাবে পাঁচটি জিনিস দেয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী উম্মতগণ পায়নি। তন্মধ্যে একটি হল রমাদনের শেষ রাতে রোজাদারদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ক্ষমার এই রাতটি শবে কদর নয় তো?
নবীজি (সা.) বললেন, না, বরং শ্রমিকের কাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই শ্রমের মজুরি দিয়ে দেয়া হয়।
(মুসনাদে আহমদ)
🔸 হাদীসে আরো এসেছে,
‘
যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য দুই ঈদের রাতে জেগে থাকবে; সেদিন (হাশরের দিন) তার হৃদয় সজীব থাকবে, যেদিন সবার হৃদয় মারা যাবে।’
(ইবনে মাজাহ)
🔸উল্লেখিত হাদিসগুলোতে ঈদের রাতের যে সব ফজিলতের কথা বলা হয়েছে এগুলোর মধ্যে কোনটিতে বিশেষ কোনো ইবাদত করার কথা বলা হয়নি। তাই এই রাতে সাধ্যানুসারে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আযকার, ইস্তিগফার এবং দোয়া-মুনাজাতে মশগুল থাকা কর্তব্য।
🔸বরকতময় এই রাতে অযথা কাজে লিপ্ত হওয়া, বাজারে-মার্কেটে ঘুরাঘুরি করা,আমোদ-ফুর্তিতে কাটিয়ে দেয়া উচিত নয়।
ঈদের রাত ইবাদতের রাত।। আর আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের রাতসহ প্রতিটা মুহূর্তকে দ্বীনের কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।
~সংগৃহিত এবং পরিমার্জিত
#তালিমুন_নিসা
@PathwayToNoor
❤4
ঈদুল ফিতরের ১০ টি সুন্নাহ ✅
সবাই মাথায় রাখবেন এগুলো।
🌝 @PathwayToNoor
সবাই মাথায় রাখবেন এগুলো।
তাকাব্বাল আল্লাহ মিন্না ওয়া মিনকুম🥰
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤8🥰2
❛ *ছয়রোজা!* ❜
-
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি অসম্ভব দয়াবান। তিনি বান্দার প্রতিটি নেকআমলের প্রতিদানকে দশগুণ বাড়িয়ে দেন:
مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا
নেককাজ করলে তার বিনিময়ে দশগুণ সওয়াব মিলবে (মর্মার্থ: আনআম ১৬০)।
-
এই আয়াতের আশ্বাস অনুযায়ী, রামাদানে ত্রিশদিন রোযা রাখার অর্থ হলো: তিনশদিন রোযা রাখা। এখন শাউয়ালে আরো ছয়টা রোজা অতিরিক্ত রাখলে, ষাটদিন রোযা রাখার সওয়াব আমলনামায় যোগ হবে।
সবমিলিয়ে সংখ্যা দাঁড়াল তিনশত ষাটদিন। পুরো একবছর। কেউ যদি প্রতি বছর রামাদানের ত্রিশ রোযার পাশাপাশি শাউয়ালের ছয়রোজাও রাখে, তাহলে আজীবন রোজা রাখার সওয়াব পাবে।
-
*আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ এই ছয় রোজা রাখতেন। তিনি বলেছেন:*
*যে (নিয়মিত) রামাদানে রোযা রাখলো, তারপর শাউয়ালে ছয়টা রোযা রাখলো, সে যেন আজীবন রোযা রাখলো (আবু আইয়ুব আনসারী: মুসলিম)।*
-
এই ছয় রোযা পরপর একটানা রাখতে হবে এটা জরুরী নয়। বাদ দিয়ে দিয়েও রাখা যাবে। তবে শাউয়ালের মধ্যে ছয় রোজা শেষ করতে হবে।
আগে কাজা রাখতে হবে, তারপর ছয়রোজা রাখতে হবে, এটাও ভুল ধারনা।
-
✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
©©©©
@PathwayToNoor
-
আল্লাহ তা‘আলা বান্দার প্রতি অসম্ভব দয়াবান। তিনি বান্দার প্রতিটি নেকআমলের প্রতিদানকে দশগুণ বাড়িয়ে দেন:
مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا
নেককাজ করলে তার বিনিময়ে দশগুণ সওয়াব মিলবে (মর্মার্থ: আনআম ১৬০)।
-
এই আয়াতের আশ্বাস অনুযায়ী, রামাদানে ত্রিশদিন রোযা রাখার অর্থ হলো: তিনশদিন রোযা রাখা। এখন শাউয়ালে আরো ছয়টা রোজা অতিরিক্ত রাখলে, ষাটদিন রোযা রাখার সওয়াব আমলনামায় যোগ হবে।
সবমিলিয়ে সংখ্যা দাঁড়াল তিনশত ষাটদিন। পুরো একবছর। কেউ যদি প্রতি বছর রামাদানের ত্রিশ রোযার পাশাপাশি শাউয়ালের ছয়রোজাও রাখে, তাহলে আজীবন রোজা রাখার সওয়াব পাবে।
-
*আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ এই ছয় রোজা রাখতেন। তিনি বলেছেন:*
*যে (নিয়মিত) রামাদানে রোযা রাখলো, তারপর শাউয়ালে ছয়টা রোযা রাখলো, সে যেন আজীবন রোযা রাখলো (আবু আইয়ুব আনসারী: মুসলিম)।*
-
এই ছয় রোযা পরপর একটানা রাখতে হবে এটা জরুরী নয়। বাদ দিয়ে দিয়েও রাখা যাবে। তবে শাউয়ালের মধ্যে ছয় রোজা শেষ করতে হবে।
আগে কাজা রাখতে হবে, তারপর ছয়রোজা রাখতে হবে, এটাও ভুল ধারনা।
-
✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
©©©©
@PathwayToNoor
❤9❤🔥1
শিগগিরই এমন যুগ আসবে যখন মানুষের হৃদয়গুলো বিনষ্ট হয়ে যাবে। তারা কুরআন পড়ে কোনো মিষ্টতা বা স্বাদ পাবে না। আল্লাহ যা আদেশ করেছেন তা মানার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হলে তারা বলবে, ‘আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ আবার যখন আল্লাহর নিষিদ্ধ কোনো কাজে তারা লিপ্ত হবে তখন বলবে, ‘আমরা আল্লাহর সাথে কোনো শির্ক না করলেই তো হলো, আমাদের সব ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ তাদের সব কিছু শুধু আশার ছলনা, যাতে সত্যের লেশমাত্র নেই।
— আবুল আলিয়া (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : ইমাম আহমদের ‘আয-যুহদ’, ১৭১৪]
#সীরাহ
©©©©©
@PathwayToNoor
— আবুল আলিয়া (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : ইমাম আহমদের ‘আয-যুহদ’, ১৭১৪]
#সীরাহ
©©©©©
@PathwayToNoor
😢27❤4❤🔥2
এক আপুর দু'আ কবুলের গল্প 🌿
আলহামদুলিল্লাহ!
এতদিন শুধু শুনে এসেছি যে, দোয়া করাও লাগে না। যা ভাবি তাই-ই কবুল হয়ে যায়।
আলহামদুলিল্লাহ। আমার সাথেও হঠাৎ যেন তাই হতে শুরু করেছে। এমনকি আমি যা ভাবিওনি তা-ও কবুল হওয়ার পথে। গত দুই-তিন দিনে এমন তিনটা খবর পেয়েছি যার শুধু একটা আমি দোয়ায় চেয়েছি।
১। আমার বাড়ির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু টাকার অভাবে শেষ হয়নি। দেড় বছর ধরে লোনের চেষ্টা করছহি ব্যংক থেকে। কাল লোব অনুমোদনের চিঠি পেয়েছি।।
২। গত ৯ বছর ধরে একটা অসুখ নিয়ে চলছি যার জন্য ডাক্তার আমার আয়ু ১৫-২০ বছর বেধে দিয়েছেন। গত বছর অক্টোবর থেকে থেকে একটা আমল করছি। এবছর জুন থেকেই রিপোর্টে অসুখের সিম্পটম নাই বললেই চলে।
৩। প্রায় ১৮ বছর অনেক ভালো একটা চাকরি পেয়েছিলাম। নানাকারণে জয়েন করতে পারিনি। কাল হটাৎ কল৷ এসেছে জয়েনের প্রসেস৷ শুরু হচ্ছে। এইটা স্বপ্নেও ভাবি নাই।
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ।
📌 বোনটির আমল:
অনেকরকম আমল করি। কোনটায় যে দোয়া কবুল হয়েছে জানি না। হয়ত একাধিক আমলের উছিলাতেই হয়েছে।
১। দুই/তিন সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন অন্তত এক হাজার বার (কোন কোন দিন কয়েক হাজার বার) আস্তাগফিরুল্লাহ অতুবু ইলাইহি পড়ি। ১০০০+ বার দরুদ পড়ি। দরুদে ইব্রাহিম অন্তত ১০০ বার।
২। গত চার মাসে ফজরের নামাজ কাজা হয়নি একদিনও। আলহামদুলিল্লাহ।
ফজরের সুন্নত নামাজের পর ১০০ বার "সুবহানাল্লি ও বিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আজীম- আসতাগফিরুল্লা" এবং ফজরের ফরজ নামাজের পর ১০০ বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল মালিকুল হাক্কুল মুবিন" পড়েছি।
ফজরের পর কমপক্ষে দশ মিনিট কোর'আন তেলাওয়াত করেছি। সময় পেলে এক ঘন্টার বেশীও হয়েছে তেলাওয়াত। আসলে এখন খালি মন চায় কখন একটু সুযোগ পাবো তেলাওয়াত করার।
৩। তেলাওয়াত এর পর দোয়া কালাম পড়ে সুর্যোদয়ের অপেক্ষা করেছি। এরপর ৪ রাকাত নফল নামাজ পড়ছি রোজ।
৪। যত রাত হোক, যত কাজ থাক, এমনকি জার্নি করে হলেও এশা এবং বেতর নামাজ কাজা করিনি আলহামদুলিল্লাহ। এবং এশার পরে তিন ক্কুল, আয়াতুল করছি, সুরা মুলক এবং আরও দোয়া দরুদ না পড়ে ঘুমাইনি। আল্লাহর ইচ্ছায় সকাল সন্ধ্যা মাসনুন আমল ছাড়িনি কোন অবস্থাতেই।
৫। গিত কয়েকমাস প্রতি শুক্রবারে সুরা কাহফ পড়া তৌফিক দিয়েছেন আল্লাহ।
৬। এছাড়া সারাদিনে অগণিত দোয়া কালাম পড়ি।
৭। হিফজ ভর্তি হয়েছি। দোয়া করবেন যেন শেষ করতে পারি।
৮। অসুস্থতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রতি ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর তিনবার করে সুরা আন'আম এর ১৭ নাম্বার আয়াত পড়ছি।
আলহামদুলিল্লাহ। অনেক চেষ্টার দরকার পড়েনি। যেদিন যেটা নিয়ত করেছি যে শুরু করব সেদিন থেকেই শুরু করেছি। একটু একটু করে আমার লাইফস্টাইল বদলে নিয়েছি। এইসব কাজে সময় দিতে গিয়ে গত কয়েকমাস কোন মুভি/সিরিজ দেখার সময়/সুযোগ হয়নি। হয়ত এসবের ফলেই আল্লাহ কবুল করছেন আমার মনের গোপনতম আকাঙ্ক্ষাকেও। তাই যারা ভাবছেন আমার আমল এর কথা শুনেই ক্যাপ্সুলের মত গিলে ফেলবেন আর আপনারটাও কবুল হয়ে যাবে ব্যাপারটা এমন না। এই কারণেই চাইলেও পোস্টে লিখতে পারিনি। মানুষ আগ্রহী হলে কমেন্টে দেয়ারই ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু কখন পোস্ট পাবলিশ হয়েছে খেয়াল করিনি।
আমার কথাগুলো যদি কারও উপকারে আসে তাহলে কৃতজ্ঞতা। আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী। জাজাকাল্লাহ খায়ের।
@TayyebahTayyebah
Noor E Xannat
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
আলহামদুলিল্লাহ!
এতদিন শুধু শুনে এসেছি যে, দোয়া করাও লাগে না। যা ভাবি তাই-ই কবুল হয়ে যায়।
আলহামদুলিল্লাহ। আমার সাথেও হঠাৎ যেন তাই হতে শুরু করেছে। এমনকি আমি যা ভাবিওনি তা-ও কবুল হওয়ার পথে। গত দুই-তিন দিনে এমন তিনটা খবর পেয়েছি যার শুধু একটা আমি দোয়ায় চেয়েছি।
১। আমার বাড়ির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কিন্তু টাকার অভাবে শেষ হয়নি। দেড় বছর ধরে লোনের চেষ্টা করছহি ব্যংক থেকে। কাল লোব অনুমোদনের চিঠি পেয়েছি।।
২। গত ৯ বছর ধরে একটা অসুখ নিয়ে চলছি যার জন্য ডাক্তার আমার আয়ু ১৫-২০ বছর বেধে দিয়েছেন। গত বছর অক্টোবর থেকে থেকে একটা আমল করছি। এবছর জুন থেকেই রিপোর্টে অসুখের সিম্পটম নাই বললেই চলে।
৩। প্রায় ১৮ বছর অনেক ভালো একটা চাকরি পেয়েছিলাম। নানাকারণে জয়েন করতে পারিনি। কাল হটাৎ কল৷ এসেছে জয়েনের প্রসেস৷ শুরু হচ্ছে। এইটা স্বপ্নেও ভাবি নাই।
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ।
📌 বোনটির আমল:
অনেকরকম আমল করি। কোনটায় যে দোয়া কবুল হয়েছে জানি না। হয়ত একাধিক আমলের উছিলাতেই হয়েছে।
১। দুই/তিন সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন অন্তত এক হাজার বার (কোন কোন দিন কয়েক হাজার বার) আস্তাগফিরুল্লাহ অতুবু ইলাইহি পড়ি। ১০০০+ বার দরুদ পড়ি। দরুদে ইব্রাহিম অন্তত ১০০ বার।
২। গত চার মাসে ফজরের নামাজ কাজা হয়নি একদিনও। আলহামদুলিল্লাহ।
ফজরের সুন্নত নামাজের পর ১০০ বার "সুবহানাল্লি ও বিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আজীম- আসতাগফিরুল্লা" এবং ফজরের ফরজ নামাজের পর ১০০ বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল মালিকুল হাক্কুল মুবিন" পড়েছি।
ফজরের পর কমপক্ষে দশ মিনিট কোর'আন তেলাওয়াত করেছি। সময় পেলে এক ঘন্টার বেশীও হয়েছে তেলাওয়াত। আসলে এখন খালি মন চায় কখন একটু সুযোগ পাবো তেলাওয়াত করার।
৩। তেলাওয়াত এর পর দোয়া কালাম পড়ে সুর্যোদয়ের অপেক্ষা করেছি। এরপর ৪ রাকাত নফল নামাজ পড়ছি রোজ।
৪। যত রাত হোক, যত কাজ থাক, এমনকি জার্নি করে হলেও এশা এবং বেতর নামাজ কাজা করিনি আলহামদুলিল্লাহ। এবং এশার পরে তিন ক্কুল, আয়াতুল করছি, সুরা মুলক এবং আরও দোয়া দরুদ না পড়ে ঘুমাইনি। আল্লাহর ইচ্ছায় সকাল সন্ধ্যা মাসনুন আমল ছাড়িনি কোন অবস্থাতেই।
৫। গিত কয়েকমাস প্রতি শুক্রবারে সুরা কাহফ পড়া তৌফিক দিয়েছেন আল্লাহ।
৬। এছাড়া সারাদিনে অগণিত দোয়া কালাম পড়ি।
৭। হিফজ ভর্তি হয়েছি। দোয়া করবেন যেন শেষ করতে পারি।
৮। অসুস্থতা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রতি ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর তিনবার করে সুরা আন'আম এর ১৭ নাম্বার আয়াত পড়ছি।
আলহামদুলিল্লাহ। অনেক চেষ্টার দরকার পড়েনি। যেদিন যেটা নিয়ত করেছি যে শুরু করব সেদিন থেকেই শুরু করেছি। একটু একটু করে আমার লাইফস্টাইল বদলে নিয়েছি। এইসব কাজে সময় দিতে গিয়ে গত কয়েকমাস কোন মুভি/সিরিজ দেখার সময়/সুযোগ হয়নি। হয়ত এসবের ফলেই আল্লাহ কবুল করছেন আমার মনের গোপনতম আকাঙ্ক্ষাকেও। তাই যারা ভাবছেন আমার আমল এর কথা শুনেই ক্যাপ্সুলের মত গিলে ফেলবেন আর আপনারটাও কবুল হয়ে যাবে ব্যাপারটা এমন না। এই কারণেই চাইলেও পোস্টে লিখতে পারিনি। মানুষ আগ্রহী হলে কমেন্টে দেয়ারই ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু কখন পোস্ট পাবলিশ হয়েছে খেয়াল করিনি।
আমার কথাগুলো যদি কারও উপকারে আসে তাহলে কৃতজ্ঞতা। আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী। জাজাকাল্লাহ খায়ের।
@TayyebahTayyebah
Noor E Xannat
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
❤🔥8❤5
“ আমি কখনো দেখিনি যে কোনো রমাদান এত দ্রুত অতিবাহিত হয়েছে, যেমন এই বছর হলো।
বরকত উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ”
– শাইখ সুলাইমান মিসবাহি حفظه الله
©©
@PathwayToNoor
বরকত উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ”
– শাইখ সুলাইমান মিসবাহি حفظه الله
©©
@PathwayToNoor
😢20
*চ্যাটজিপিটি বা AI দিয়ে Ghibli Style কার্টুন ইমেজ তৈরি করা জায়েয নয়* 🚫❌❌
প্রানীর ছবি ghibli Art জায়েজ নয়।এটা সম্পূর্ণ আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টিকে বিকৃতি করে দিচ্ছে।কারণ এটা হবুহ একজন মানুষের প্রতিকৃতি নয়।আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি প্রানীজগত এগুলো বিকৃতি করা জায়েজ নেই।
(একজন আলেমের বক্তব্য থেকে)
আর অনেক বোনেরা সরকারি পিক না দিলেও Ghibli পিক ঠিকই দিচ্ছে। এটাও ঠিক নয়। একেতো বিকৃতি করলো নিজেদের, আবার নিজেদেরকে কার্টুন এর মাধ্যমে অন্যদের কাছে প্রদর্শন করলো এবং সেটা দেখে অনেকেই মুগ্ধ হলো। সরাসরি ছবিটা না দেখু্ক, কার্টুন দেখেই তারা আপনার সৌন্দর্য অন্তরে কল্পনা করে নিলো। তাই যারা দ্বীন প্রাকটিসিং তারা এইগুলো থেকে বি-রত থাকা উচিত। তবে প্রকৃতি বা জড়বস্তু সেক্ষেত্রে প্রবলেম নেই।তবে না করাই উচিত।
🔺দলীল
> আর অবশ্যই আমি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, মিথ্যা আশ্বাস দেব এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ দেব, ফলে তারা পশুর কান ছিদ্র করবে এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ করব, ফলে অবশ্যই তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে’। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, তারা তো স্পষ্টই ক্ষতিগ্রস্ত হল।
An-Nisaa: Ayah No. 119
©©©©©©
@PathwayToNoor
প্রানীর ছবি ghibli Art জায়েজ নয়।এটা সম্পূর্ণ আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টিকে বিকৃতি করে দিচ্ছে।কারণ এটা হবুহ একজন মানুষের প্রতিকৃতি নয়।আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি প্রানীজগত এগুলো বিকৃতি করা জায়েজ নেই।
(একজন আলেমের বক্তব্য থেকে)
আর অনেক বোনেরা সরকারি পিক না দিলেও Ghibli পিক ঠিকই দিচ্ছে। এটাও ঠিক নয়। একেতো বিকৃতি করলো নিজেদের, আবার নিজেদেরকে কার্টুন এর মাধ্যমে অন্যদের কাছে প্রদর্শন করলো এবং সেটা দেখে অনেকেই মুগ্ধ হলো। সরাসরি ছবিটা না দেখু্ক, কার্টুন দেখেই তারা আপনার সৌন্দর্য অন্তরে কল্পনা করে নিলো। তাই যারা দ্বীন প্রাকটিসিং তারা এইগুলো থেকে বি-রত থাকা উচিত। তবে প্রকৃতি বা জড়বস্তু সেক্ষেত্রে প্রবলেম নেই।তবে না করাই উচিত।
🔺দলীল
> আর অবশ্যই আমি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, মিথ্যা আশ্বাস দেব এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ দেব, ফলে তারা পশুর কান ছিদ্র করবে এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ করব, ফলে অবশ্যই তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে’। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, তারা তো স্পষ্টই ক্ষতিগ্রস্ত হল।
An-Nisaa: Ayah No. 119
©©©©©©
@PathwayToNoor
🥰18❤7❤🔥2😢2
"নারীর পর্দা"
এক.
"আর হে নবী! মু'মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া। "
সূরাহ আন-নূর, আয়াতঃ ৩১
উক্ত আয়াত খেয়াল করলেই দেখবেন যে এই
আয়াতে আল্লাহ তাআলা নারীদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করার কথা বলেছেন যা নিজে প্রকাশ হয়ে যায় শুধুমাত্র তা ছাড়া। যেমন নারীরা পর্দা করে বাহিরে বের হলে তাদের বোরকার রং কিংবা হাত ও পা মোজার রং প্রকাশ হয়ে যায় যা তাদের অনিচ্ছাকৃত। আবার অনেকসময় দেখা যায় যে হাঁটার সময় হঠাৎ বাতাসের ফলেও নারীর শরীরের অবয়ব বাহিরে প্রকাশ হয়ে যায় এটাও তাদের অনিচ্ছাকৃত। আর সূরাহ আন-নূর এর ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ""যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া।" এর কথাই বুঝিয়েছেন (বাকিটা আল্লাহ ভালো জানেন।)
দুই.
আর এর বাহিরে কোনো নারী যদি ইচ্ছেকৃত তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে তা হবে গুনাহের কাজ। আর তার কারন আল্লাহ তায়ালা পর্দাকে নারীর জন্য ফরজ করেছেন।
বর্তমানে আমরা প্রায়ই দেখতে পাই যে কিছুদিন পর পরই নারীদের জন্য নতুন নতুন ডিজাইন এর পর্দার পোশাক বের হয় যদিও সেগুলো মোটেও পর্দার শর্ত পূরণ করে না।
কেননা তাদের পোশাক গুলো থাকে বিভিন্ন রং এর যা পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আর এগুলো ডিজাইন এত গর্জিয়াছ হয় যে এগুলো পড়তে
অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়।
সাথে এই ধরনের ভাড়ি ডিজাইনের পর্দার পোশাক বিক্রি করতে দেখার ফলে আমার অনেক বোনেরা যারা খুব কয় সময় হয়েছে দ্বীনের বুঝ পেয়েছে তাদের জন্যও ফেতনার সরূপ। কারণ তারা তখন খুব কমই জানে ইসলামের বিধিনিষেধ সম্পর্কে। যার ফলে তারা নিজেকে পর্দায় আবৃত করার জন্য আকর্ষণীয় পর্দার পোশাক বেছে নেয়, না বুঝে। যখন পরবর্তীতে তারা পর্দার আসল ব্যাপার টা জানতে পারে তখন তাদের কাছে সঠিক পর্দাটা মনে
হয় বাড়াবাড়ি। (আল্লাহ আমার বোনদের সঠিক বুঝ দিক)
তিন.
আমার কাছে বোরকা বলতে কালো রংটাই বেশি ভালো মনে হয়, এতে পুরুষদের দৃষ্টিতে আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম হয়। এবং পুরো শরীরকে এমনভাবে আবৃত করা যাতে তার শরীরের অবয়ব বুঝা না যায়। এবং এতে করে কোনো নন-মাহরাম পুরুষ তাকে নিয়ে মনে বাজে চিন্তা ও বাজে মন্তব্য করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। (অতিমাত্রায় বাজে পুরুষ বাদে)
আর বোনদের জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর
থেকে বের হওয়াই চাই, কেননা আল্লাহ তাআলা
বলেন, 'আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে এবং জাহিলিয়াতযুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।'
(সূরা আহযাব, আয়াতঃ ৩৩)
©collected
@PathwayToNoor
এক.
"আর হে নবী! মু'মিন মহিলাদের বলে দাও তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানগুলোর হেফাজত করে আর তাদের সাজসজ্জা না দেখায়, যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া। "
সূরাহ আন-নূর, আয়াতঃ ৩১
উক্ত আয়াত খেয়াল করলেই দেখবেন যে এই
আয়াতে আল্লাহ তাআলা নারীদের সাজসজ্জা প্রকাশ না করার কথা বলেছেন যা নিজে প্রকাশ হয়ে যায় শুধুমাত্র তা ছাড়া। যেমন নারীরা পর্দা করে বাহিরে বের হলে তাদের বোরকার রং কিংবা হাত ও পা মোজার রং প্রকাশ হয়ে যায় যা তাদের অনিচ্ছাকৃত। আবার অনেকসময় দেখা যায় যে হাঁটার সময় হঠাৎ বাতাসের ফলেও নারীর শরীরের অবয়ব বাহিরে প্রকাশ হয়ে যায় এটাও তাদের অনিচ্ছাকৃত। আর সূরাহ আন-নূর এর ৩১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ""যা নিজে নিজে প্রকাশ হয়ে যায় তা ছাড়া।" এর কথাই বুঝিয়েছেন (বাকিটা আল্লাহ ভালো জানেন।)
দুই.
আর এর বাহিরে কোনো নারী যদি ইচ্ছেকৃত তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে তা হবে গুনাহের কাজ। আর তার কারন আল্লাহ তায়ালা পর্দাকে নারীর জন্য ফরজ করেছেন।
বর্তমানে আমরা প্রায়ই দেখতে পাই যে কিছুদিন পর পরই নারীদের জন্য নতুন নতুন ডিজাইন এর পর্দার পোশাক বের হয় যদিও সেগুলো মোটেও পর্দার শর্ত পূরণ করে না।
কেননা তাদের পোশাক গুলো থাকে বিভিন্ন রং এর যা পুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আর এগুলো ডিজাইন এত গর্জিয়াছ হয় যে এগুলো পড়তে
অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়।
সাথে এই ধরনের ভাড়ি ডিজাইনের পর্দার পোশাক বিক্রি করতে দেখার ফলে আমার অনেক বোনেরা যারা খুব কয় সময় হয়েছে দ্বীনের বুঝ পেয়েছে তাদের জন্যও ফেতনার সরূপ। কারণ তারা তখন খুব কমই জানে ইসলামের বিধিনিষেধ সম্পর্কে। যার ফলে তারা নিজেকে পর্দায় আবৃত করার জন্য আকর্ষণীয় পর্দার পোশাক বেছে নেয়, না বুঝে। যখন পরবর্তীতে তারা পর্দার আসল ব্যাপার টা জানতে পারে তখন তাদের কাছে সঠিক পর্দাটা মনে
হয় বাড়াবাড়ি। (আল্লাহ আমার বোনদের সঠিক বুঝ দিক)
তিন.
আমার কাছে বোরকা বলতে কালো রংটাই বেশি ভালো মনে হয়, এতে পুরুষদের দৃষ্টিতে আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম হয়। এবং পুরো শরীরকে এমনভাবে আবৃত করা যাতে তার শরীরের অবয়ব বুঝা না যায়। এবং এতে করে কোনো নন-মাহরাম পুরুষ তাকে নিয়ে মনে বাজে চিন্তা ও বাজে মন্তব্য করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। (অতিমাত্রায় বাজে পুরুষ বাদে)
আর বোনদের জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর
থেকে বের হওয়াই চাই, কেননা আল্লাহ তাআলা
বলেন, 'আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে এবং জাহিলিয়াতযুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।'
(সূরা আহযাব, আয়াতঃ ৩৩)
©collected
@PathwayToNoor
❤12❤🔥1
🔸 ফিলিস্তিনিদের জন্য দুআ—
১. ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন।
ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে সম্মানিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মর্যাদা উন্নত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের ভয় প্রশমিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের অসুস্থদের সুস্থ করে দিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের আহতদের আরোগ্য দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মৃতদের গ্রহণ করে নিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের উপর আপনার রহমতের বারিধারা বর্ষণ করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে দৃঢ়তা দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদেরকে দিয়ে তাদের প্রশান্তি দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন।
ইয়া আল্লাহ! যেহেতু সমগ্র পৃথিবীবাসি তাদেরকে পরিত্যাগ করেছে, যেহেতু তাদের মুসলিম ভাই-বোনেরা তাদের দিকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছে, ও আল্লাহ! আমরা যেন ওদের মত না হই। ও আল্লাহ! আমরা যেন তাদের মত না হই যারা ফিলিস্তিনিদের পরিত্যাগ করেছে।
ইয়া আল্লাহ! তাদের পানি, খাদ্য, ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সকল মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। ইয়া আল্লাহ! আপনার স্বর্গীয় মিরাকল তাদের উপর বর্ষণ করুন। যা তাদের উপকারে আসবে, ইয়া আল্লাহ! ইয়া রাব্বাল আলামিন! আপনার অলৌকিক সাহায্য দিয়ে তাদের এ অভাবগুলো পূরণ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান।
ইয়া আল্লাহ! প্রতিজন বাবা-মা যাদেরকে তাদের কলিজার টুকরা সন্তানদেরকে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে বের করে আনতে হয়েছে, ইয়া আল্লাহ! জান্নাতে তাদেরকে একত্রিত করে দিন। যেন তারা এই দুনিয়ার কষ্টের কথা ভুলে যায়। ইয়া আল্লাহ! প্রতিজন বাবা-মা যাদেরকে তাদের কলিজার টুকরা সন্তানদেরকে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে বের করে আনতে হয়েছে, ইয়া আল্লাহ! জান্নাতে তাদেরকে একত্রিত করে দিন। যেন তারা এই দুনিয়ার কষ্টের কথা ভুলে যায়।
ইয়া আল্লাহ! আধিপত্যবাদী শক্তির আন্ডারে তাদের কাটানো প্রতিটি সেকেন্ডের জন্য তাদেরকে জান্নাত দিয়ে পুরস্কৃত করুন। ইয়া রাব্বাল আলামিন! আধিপত্যবাদী শক্তির আন্ডারে তাদের কাটানো প্রতিটি সেকেন্ডের জন্য তাদেরকে জান্নাত দিয়ে পুরস্কৃত করুন।
ইয়া জাব্বার! ইয়া জাব্বার! ইয়া জাব্বার! তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা উদ্ধত-অহংকারী, তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা গনহত্যাকারী, তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা মনে করে সমগ্র বিশ্বের সকল ক্ষমতা তাদের হাতে; ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের উদ্ধত-অহংকারী শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের দাম্ভিক শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের রূক্ষস্বভাব শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন।
ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর দুরভিসন্ধি নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরকেই ধরাশায়ী করে। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরকেই বিপর্যয়ে ফেলে। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরই ক্ষতি করে।
ইয়া আল্লাহ! নির্দোষ নিরপরাধ মানুষদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! শিশুদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! নারীদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের শত্রুদের উপর আপনার ক্ষমতা দেখতে দিন।
ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের মর্যাদা উন্নত করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের এমন সামর্থ্য দান করুন যেন তারা আল-আকসা শত্রুমুক্ত করতে পারে। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, দয়া করে আল-আকসা মুক্ত করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি যেন তারা তাদের ঘর-বাড়িতে ফেরত আসতে পারে। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকেও স্বাধীন আল-আকসায় যাওয়ার সামর্থ্য দান করুন। ইয়া রাব্বাল আলামিন।
ইয়া আল্লাহ! যে স্থান থেকে আপনি আপনার রাসূলকে মিরাজে নিয়েছেন, ইয়া আল্লাহ! যে স্থানে আপনি সকল নবী-রাসূলদের একত্রিত করেছেন, ইয়া রাব্বাল আলামিন! আমাদেরকেও আল-আকসায় একত্রিত করুন। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকেও আল-আকসায় নামাজ পড়ার সামর্থ্য দান করুন। যেভাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ আদায় করেছেন।…
- নুমান আলী খান
©©©©
@PathwayToNoor
১. ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য সহায় হোন।
ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে সম্মানিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মর্যাদা উন্নত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের ভয় প্রশমিত করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের অসুস্থদের সুস্থ করে দিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের আহতদের আরোগ্য দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের মৃতদের গ্রহণ করে নিন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদের উপর আপনার রহমতের বারিধারা বর্ষণ করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে দৃঢ়তা দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদেরকে দিয়ে তাদের প্রশান্তি দান করুন। ও আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি তাদেরকে দৃঢ়পদ রাখুন।
ইয়া আল্লাহ! যেহেতু সমগ্র পৃথিবীবাসি তাদেরকে পরিত্যাগ করেছে, যেহেতু তাদের মুসলিম ভাই-বোনেরা তাদের দিকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছে, ও আল্লাহ! আমরা যেন ওদের মত না হই। ও আল্লাহ! আমরা যেন তাদের মত না হই যারা ফিলিস্তিনিদের পরিত্যাগ করেছে।
ইয়া আল্লাহ! তাদের পানি, খাদ্য, ইলেক্ট্রিসিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সকল মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। ইয়া আল্লাহ! আপনার স্বর্গীয় মিরাকল তাদের উপর বর্ষণ করুন। যা তাদের উপকারে আসবে, ইয়া আল্লাহ! ইয়া রাব্বাল আলামিন! আপনার অলৌকিক সাহায্য দিয়ে তাদের এ অভাবগুলো পূরণ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে এবং তাদেরকে আপনার মিরাকল দেখান।
ইয়া আল্লাহ! প্রতিজন বাবা-মা যাদেরকে তাদের কলিজার টুকরা সন্তানদেরকে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে বের করে আনতে হয়েছে, ইয়া আল্লাহ! জান্নাতে তাদেরকে একত্রিত করে দিন। যেন তারা এই দুনিয়ার কষ্টের কথা ভুলে যায়। ইয়া আল্লাহ! প্রতিজন বাবা-মা যাদেরকে তাদের কলিজার টুকরা সন্তানদেরকে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে বের করে আনতে হয়েছে, ইয়া আল্লাহ! জান্নাতে তাদেরকে একত্রিত করে দিন। যেন তারা এই দুনিয়ার কষ্টের কথা ভুলে যায়।
ইয়া আল্লাহ! আধিপত্যবাদী শক্তির আন্ডারে তাদের কাটানো প্রতিটি সেকেন্ডের জন্য তাদেরকে জান্নাত দিয়ে পুরস্কৃত করুন। ইয়া রাব্বাল আলামিন! আধিপত্যবাদী শক্তির আন্ডারে তাদের কাটানো প্রতিটি সেকেন্ডের জন্য তাদেরকে জান্নাত দিয়ে পুরস্কৃত করুন।
ইয়া জাব্বার! ইয়া জাব্বার! ইয়া জাব্বার! তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা উদ্ধত-অহংকারী, তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা গনহত্যাকারী, তারা এমন এক শত্রুর কবলে যারা মনে করে সমগ্র বিশ্বের সকল ক্ষমতা তাদের হাতে; ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের উদ্ধত-অহংকারী শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের দাম্ভিক শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের রূক্ষস্বভাব শত্রুর বিরুদ্ধে বিজয় দান করুন।
ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! অত্যাচারীর দুরভিসন্ধি নস্যাৎ করে দিন। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরকেই ধরাশায়ী করে। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরকেই বিপর্যয়ে ফেলে। ইয়া আল্লাহ! তাদের ষড়যন্ত্র যেন তাদেরই ক্ষতি করে।
ইয়া আল্লাহ! নির্দোষ নিরপরাধ মানুষদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! শিশুদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! নারীদের রক্ষা করুন। ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে তাদের শত্রুদের উপর আপনার ক্ষমতা দেখতে দিন।
ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের মর্যাদা উন্নত করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, আপনি আমাদের ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের এমন সামর্থ্য দান করুন যেন তারা আল-আকসা শত্রুমুক্ত করতে পারে। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি, দয়া করে আল-আকসা মুক্ত করে দিন। ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট দোয়া করছি যেন তারা তাদের ঘর-বাড়িতে ফেরত আসতে পারে। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকেও স্বাধীন আল-আকসায় যাওয়ার সামর্থ্য দান করুন। ইয়া রাব্বাল আলামিন।
ইয়া আল্লাহ! যে স্থান থেকে আপনি আপনার রাসূলকে মিরাজে নিয়েছেন, ইয়া আল্লাহ! যে স্থানে আপনি সকল নবী-রাসূলদের একত্রিত করেছেন, ইয়া রাব্বাল আলামিন! আমাদেরকেও আল-আকসায় একত্রিত করুন। ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকেও আল-আকসায় নামাজ পড়ার সামর্থ্য দান করুন। যেভাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ আদায় করেছেন।…
- নুমান আলী খান
©©©©
@PathwayToNoor
❤🔥14❤10😢3
বাইডেন ছিল চূড়ান্ত রকমের শয়তান, কিন্তু ট্রাম্পের শয়তানির কোনো সীমা পরিসীমা নেই।
ট্রাম্প এবার ক্ষমতায় এসেই বলেছিল, গাযাকে গুড়িয়ে দেবে। ট্রাম্পের আস্কারাতেই শয়তানিয়াহু তার জীবনের সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারছে গাযায়। অন্যান্যবারও তাদের ধ্বংসযজ্ঞের কোনো সীমানা ছিল না, কিন্তু তারা ‘আত্মরক্ষা’, ‘অস্তিত্বরক্ষা’ ইত্যাদি বলে দুনিয়াকে একটা ‘বুঝ’ দেওয়ার চেষ্টা করত। কিন্তু ট্রাম্পের আমলে শয়তানিয়াহু সেই দায়টুকুরও প্রয়োজন মনে করছে না।
ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে অনেকদিকে উল্লাস দেখেছিলাম। ট্রাম্প নাকি যুদ্ধবাজ নয়, দাঙ্গাবাজ নয়। ফার রাইট, কিন্তু অনেক শান্তিপ্রিয়! সেই শান্তির পায়রার হাতে গাযার শেষ অস্তিত্বটুকুও বিলীন হতে বসেছে।
তবে, যুদ্ধ তো এরকমই যেটা আবু সুফিয়ান বলেছিল উহুদের দিনের শেষ মুহূর্তটায়। এটা পালাবদল করে করে আসে৷ নিশ্চয়ই গাযাবাসীরও দিন আসবে৷ একটা ফিলিস্তিনি শিশুও যদি বেঁচে থাকে দুনিয়ায়, আমরা দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বড় প্রতিশোধের স্বপ্ন বুনে যাব।
হাসবুনাল্লাহ!
-আরিফ আজাদ
ট্রাম্প এবার ক্ষমতায় এসেই বলেছিল, গাযাকে গুড়িয়ে দেবে। ট্রাম্পের আস্কারাতেই শয়তানিয়াহু তার জীবনের সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারছে গাযায়। অন্যান্যবারও তাদের ধ্বংসযজ্ঞের কোনো সীমানা ছিল না, কিন্তু তারা ‘আত্মরক্ষা’, ‘অস্তিত্বরক্ষা’ ইত্যাদি বলে দুনিয়াকে একটা ‘বুঝ’ দেওয়ার চেষ্টা করত। কিন্তু ট্রাম্পের আমলে শয়তানিয়াহু সেই দায়টুকুরও প্রয়োজন মনে করছে না।
ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে অনেকদিকে উল্লাস দেখেছিলাম। ট্রাম্প নাকি যুদ্ধবাজ নয়, দাঙ্গাবাজ নয়। ফার রাইট, কিন্তু অনেক শান্তিপ্রিয়! সেই শান্তির পায়রার হাতে গাযার শেষ অস্তিত্বটুকুও বিলীন হতে বসেছে।
তবে, যুদ্ধ তো এরকমই যেটা আবু সুফিয়ান বলেছিল উহুদের দিনের শেষ মুহূর্তটায়। এটা পালাবদল করে করে আসে৷ নিশ্চয়ই গাযাবাসীরও দিন আসবে৷ একটা ফিলিস্তিনি শিশুও যদি বেঁচে থাকে দুনিয়ায়, আমরা দুনিয়ার বুকে সবচেয়ে বড় প্রতিশোধের স্বপ্ন বুনে যাব।
হাসবুনাল্লাহ!
-আরিফ আজাদ
❤🔥35❤3👏1
নারীদের ধর্মঘটে রাস্তায় বের হওয়া:
নারীদের জন্য অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া বৈধ নয়। প্রশ্নোক্ত পরিস্থিতিতে হরতাল (ধর্মঘট) কোনো অতীব জরুরি প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত নয়; তাই হরতালে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কোনো মহিলার ঘর থেকে বের হওয়া বৈধ নয় চাই তার সঙ্গে মাহরাম থাকুক বা না থাকুক।
আহকামুল কুরআন : মুফতী শফী রহ. ৩/৩১৯
-মাওলানা রবিউল হাসান হাফি.
©©©©
@PathwayToNoor
নারীদের জন্য অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া বৈধ নয়। প্রশ্নোক্ত পরিস্থিতিতে হরতাল (ধর্মঘট) কোনো অতীব জরুরি প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত নয়; তাই হরতালে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কোনো মহিলার ঘর থেকে বের হওয়া বৈধ নয় চাই তার সঙ্গে মাহরাম থাকুক বা না থাকুক।
আহকামুল কুরআন : মুফতী শফী রহ. ৩/৩১৯
-মাওলানা রবিউল হাসান হাফি.
©©©©
@PathwayToNoor
❤25💯6❤🔥2😱1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
😢9❤7❤🔥1💯1