❤3
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥8❤2
🎀রমাদ্বানের আমল: (বোনদের জন্য বিশেষ) পর্ব ২৫
🎀পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা রামাদানের শেষ দশকে এবং লাইলাতুল কদর তালাশে যেসব আমল করতে পারেন: (এই আমলগুলো যে কেউ করতে পারেন)
🌻দু‘আ করা:
পিরিয়ডকালে দু‘আ করতে কোনো অসুবিধা নেই। সুতরাং, উত্তম হবে—অজু করে লাইলাতুল কদরের মহান রজনীতে আন্তরিকভাবে দু‘আয় মনোনিবেশ করা। এই রাতে দু‘আ কবুল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দু‘আ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। হাদিসে এসেছে, ‘‘দু‘আ হলো ইবাদত।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৭৯; হাদিসটি সহিহ]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।’’ [সুরা মুমিন, আয়াত: ৬০]
দু‘আর আদব ও নিয়মগুলো অনুসরণ করে দু‘আ করলেই যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ।
🌻তাওবাহ-ইস্তিগফার পাঠ করা:
এই রাতের গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল হলো, আল্লাহর নিকট তাওবাহ্ ও ইস্তিগফার পড়া। ইস্তিগফারের যত বাক্য মুখস্থ আছে, সবই পড়তে পারেন। ইস্তিগফারের জন্য নিচের বাক্যটি খুব সহজ।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে আর কাউকে এটি অধিক পরিমাণে পড়তে দেখিনি—
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتوبُ إِلَيْهِ
[আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯২৮, হাদিসটি সহিহ]
পাশাপাশি আরেকটি সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়তে পারেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই ইস্তিগফারটি খুব বেশি পড়তেন—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
[সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি, আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ করছি। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৯৭৫]
সম্ভব হলে সায়্যিদুল ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া উচিত। হাদিসের ভাষায় এটি হলো শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬]
এর পাশাপাশি তাওবাহর শর্তগুলো পূরণ করে অবশ্যই নিজের সমস্ত গুনাহ থেকে তাওবাহ্ করা উচিত। তাওবাহর তিনটি শর্ত হলো: কৃত গুনাহ স্বীকার করে সেসব আগে ছেড়ে দেওয়া, নিজ অপরাধের জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া এবং ভবিষ্যতে এসব গুনাহ আর না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করা। [ইমাম নববি, রিয়াদুস সলিহিন]
🌻 নবিজির উপর দরুদ পাঠ করা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০টি (মর্যাদার) স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ]
নামাজের শেষ বৈঠকে যে দরুদ (দরুদে ইবরাহিম) আমরা পড়ি, সেটি সর্বোত্তম। এটি অগ্রাধিকারযোগ্য। তবে, অন্যান্য দরুদও পড়া যাবে।
সহজ দরুদ হিসেবে এটি পড়া যায়।
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ، وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ
[আল্লা-হুম্মা সল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আ-লি মু‘হাম্মাদ]
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা আমার প্রতি দরুদ পড়ো এবং সাধ্যানুযায়ী দু‘আ করো ও বলো (উপরের দরুদটি)।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯১; হাদিসটি সহিহ]
🌻 সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এবং আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে হানি (রা.)-কে বলেন— তুমি ১০০ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে ইসমাইল (আ.)-এর বংশের ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে;
তুমি ১০০ বার আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সমতুল্য হবে; তুমি ১০০ বার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলবে, এটি তোমার পক্ষ থেকে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সমতুল্য হবে; তুমি ১০০ বার তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) বলবে, তাহলে এত প্রতিদান পাবে, যার ফলে আসমান ও জমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৬৯১১; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৫৩; হাদিসটি হাসান]
©
✨✨
@PathwayToNoor
🎀পিরিয়ডে (হায়েজ অবস্থায়) থাকা নারীরা রামাদানের শেষ দশকে এবং লাইলাতুল কদর তালাশে যেসব আমল করতে পারেন: (এই আমলগুলো যে কেউ করতে পারেন)
🌻দু‘আ করা:
পিরিয়ডকালে দু‘আ করতে কোনো অসুবিধা নেই। সুতরাং, উত্তম হবে—অজু করে লাইলাতুল কদরের মহান রজনীতে আন্তরিকভাবে দু‘আয় মনোনিবেশ করা। এই রাতে দু‘আ কবুল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দু‘আ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। হাদিসে এসেছে, ‘‘দু‘আ হলো ইবাদত।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৭৯; হাদিসটি সহিহ]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।’’ [সুরা মুমিন, আয়াত: ৬০]
দু‘আর আদব ও নিয়মগুলো অনুসরণ করে দু‘আ করলেই যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ।
🌻তাওবাহ-ইস্তিগফার পাঠ করা:
এই রাতের গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল হলো, আল্লাহর নিকট তাওবাহ্ ও ইস্তিগফার পড়া। ইস্তিগফারের যত বাক্য মুখস্থ আছে, সবই পড়তে পারেন। ইস্তিগফারের জন্য নিচের বাক্যটি খুব সহজ।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে আর কাউকে এটি অধিক পরিমাণে পড়তে দেখিনি—
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتوبُ إِلَيْهِ
[আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯২৮, হাদিসটি সহিহ]
পাশাপাশি আরেকটি সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়তে পারেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই ইস্তিগফারটি খুব বেশি পড়তেন—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
[সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি, আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ করছি। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৯৭৫]
সম্ভব হলে সায়্যিদুল ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া উচিত। হাদিসের ভাষায় এটি হলো শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬]
এর পাশাপাশি তাওবাহর শর্তগুলো পূরণ করে অবশ্যই নিজের সমস্ত গুনাহ থেকে তাওবাহ্ করা উচিত। তাওবাহর তিনটি শর্ত হলো: কৃত গুনাহ স্বীকার করে সেসব আগে ছেড়ে দেওয়া, নিজ অপরাধের জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া এবং ভবিষ্যতে এসব গুনাহ আর না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করা। [ইমাম নববি, রিয়াদুস সলিহিন]
🌻 নবিজির উপর দরুদ পাঠ করা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০টি (মর্যাদার) স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ]
নামাজের শেষ বৈঠকে যে দরুদ (দরুদে ইবরাহিম) আমরা পড়ি, সেটি সর্বোত্তম। এটি অগ্রাধিকারযোগ্য। তবে, অন্যান্য দরুদও পড়া যাবে।
সহজ দরুদ হিসেবে এটি পড়া যায়।
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ، وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ
[আল্লা-হুম্মা সল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আ-লি মু‘হাম্মাদ]
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা আমার প্রতি দরুদ পড়ো এবং সাধ্যানুযায়ী দু‘আ করো ও বলো (উপরের দরুদটি)।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯১; হাদিসটি সহিহ]
🌻 সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এবং আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে হানি (রা.)-কে বলেন— তুমি ১০০ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে ইসমাইল (আ.)-এর বংশের ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে;
তুমি ১০০ বার আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সমতুল্য হবে; তুমি ১০০ বার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলবে, এটি তোমার পক্ষ থেকে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সমতুল্য হবে; তুমি ১০০ বার তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) বলবে, তাহলে এত প্রতিদান পাবে, যার ফলে আসমান ও জমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৬৯১১; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৫৩; হাদিসটি হাসান]
©
✨✨
@PathwayToNoor
❤8
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥4🥰1
✪ *যাকাতুল ফিতর বা ফিতরার সংক্ষিপ্ত বিধি-বিধান*
১. যাকাতুল ফিতর/ফিতরা দেওয়ার হুকুম কী?
➤ ফরজ বা ওয়াজিব।
২. কার জন্য ফিতরা দেওয়া ফরজ?
➤ পরিবারের প্রতিটি সদস্য পুরুষ-নারী, বড়-ছোট সবার জন্য। *এমনকি ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলেও তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক!*
৩. ফিতরা দেওয়ার দায়িত্ব কার?
➤ গৃহকর্তা নিজের ফিতরা দেবে এবং তার অধীনস্থ ঐ সকল ব্যক্তিদের ফিতরা দেবে যাদের ভরণ-পোষণ দেওয়া তার জন্য ফরজ।
৪. কোন জিনিস দ্বারা ফিতরা প্রদান করা উচিৎ?
➤ প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্যদ্রব্য। যেমন: আমাদের দেশে চাল, গম।
৫. ফিতরার পরিমাণ কত?
➤ এক সা, তথা প্রায় *আড়াই থেকে তিন কেজি* (চাল/গম)। তবে তিন কেজি দেওয়া অধিক উত্তম ও নিরাপদ। (সৌদি ফতোয়া বোর্ড)
*বি.দ্র. হাদিসে যেহেতু খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাই সুন্নত অনুসরণ করতে চাইলে খাদ্যদ্রব্যই দিতে হবে। একান্ত অপরিহার্য পরিস্থিতি না হলে টাকা দ্বারা ফিতরা দেওয়া সুন্নত পরিপন্থী।*
৬. ফিতরা কখন আদায় করতে হবে?
➤ ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে। তবে ১-২ দিন আগে দেওয়াও জায়েজ। ঈদের পরে ফিতরা দেওয়া হলে তা শুদ্ধ হবে না, বরং তা সাধারণ সদাকা হিসেবে গণ্য হবে।
৭. ফিতরা আদায়ের উদ্দেশ্য কী?
➤ ঈদের দিন গরিব-অসহায় মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা এবং রোজাদারকে অর্থহীন কাজ, অশ্লীলতা ও ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্র করা।
৮. ফিতরা বণ্টনের খাত কী কী?
➤ প্রধানত গরিব-অসহায় মানুষ। তবে অনেক আলেমের মতে যাকাতের ৮টি খাতের সবগুলোতেই ফিতরা দেওয়া যাবে।
✪ *ফিতরা বিষয়ক কতিপয় জরুরি মাসায়েল:*
ক. প্রয়োজনে এক দেশে থেকে অন্য দেশে ফিতরা প্রেরণ করা জায়েজ।
খ. একজনের ফিতরা একাধিক ব্যক্তিকে যেমন দেওয়া জায়েজ তদ্রূপ একাধিক ব্যক্তির ফিতরা প্রয়োজনে একজনকেও দেওয়া জায়েজ।
গ. ঈদের দিন নিজ পরিবারে খাওয়ার মতো অর্থ-সম্পদ এবং ফিতরা দেওয়ার মতো সামর্থ্য থাকলে ফিতরা প্রদান করা আবশ্যক।
ঘ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলেও তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক। গর্ভস্থ সন্তানের ফিতরা দেওয়া আবশ্যক নয়, তবে দেওয়া উত্তম।
ঙ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে পিতার জন্যে তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক। আর ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পরে বিয়ে হলে স্বামীর জন্য তার স্ত্রীর পক্ষ থেকে ফিতরা দেওয়া আবশ্যক।
চ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক নয়। তবে চাঁদ উদিত হওয়ার পরে মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ তার পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে ফিতরা প্রদান করবে।
الله اعلم
- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (حفظه الله)
(লিসান্স, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, সউদি আরব)
#Abdullahilhadi 🇸🇦
©©©©
@PathwayToNoor
১. যাকাতুল ফিতর/ফিতরা দেওয়ার হুকুম কী?
➤ ফরজ বা ওয়াজিব।
২. কার জন্য ফিতরা দেওয়া ফরজ?
➤ পরিবারের প্রতিটি সদস্য পুরুষ-নারী, বড়-ছোট সবার জন্য। *এমনকি ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলেও তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক!*
৩. ফিতরা দেওয়ার দায়িত্ব কার?
➤ গৃহকর্তা নিজের ফিতরা দেবে এবং তার অধীনস্থ ঐ সকল ব্যক্তিদের ফিতরা দেবে যাদের ভরণ-পোষণ দেওয়া তার জন্য ফরজ।
৪. কোন জিনিস দ্বারা ফিতরা প্রদান করা উচিৎ?
➤ প্রত্যেক দেশের প্রধান খাদ্যদ্রব্য। যেমন: আমাদের দেশে চাল, গম।
৫. ফিতরার পরিমাণ কত?
➤ এক সা, তথা প্রায় *আড়াই থেকে তিন কেজি* (চাল/গম)। তবে তিন কেজি দেওয়া অধিক উত্তম ও নিরাপদ। (সৌদি ফতোয়া বোর্ড)
*বি.দ্র. হাদিসে যেহেতু খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাই সুন্নত অনুসরণ করতে চাইলে খাদ্যদ্রব্যই দিতে হবে। একান্ত অপরিহার্য পরিস্থিতি না হলে টাকা দ্বারা ফিতরা দেওয়া সুন্নত পরিপন্থী।*
৬. ফিতরা কখন আদায় করতে হবে?
➤ ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে। তবে ১-২ দিন আগে দেওয়াও জায়েজ। ঈদের পরে ফিতরা দেওয়া হলে তা শুদ্ধ হবে না, বরং তা সাধারণ সদাকা হিসেবে গণ্য হবে।
৭. ফিতরা আদায়ের উদ্দেশ্য কী?
➤ ঈদের দিন গরিব-অসহায় মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা এবং রোজাদারকে অর্থহীন কাজ, অশ্লীলতা ও ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্র করা।
৮. ফিতরা বণ্টনের খাত কী কী?
➤ প্রধানত গরিব-অসহায় মানুষ। তবে অনেক আলেমের মতে যাকাতের ৮টি খাতের সবগুলোতেই ফিতরা দেওয়া যাবে।
✪ *ফিতরা বিষয়ক কতিপয় জরুরি মাসায়েল:*
ক. প্রয়োজনে এক দেশে থেকে অন্য দেশে ফিতরা প্রেরণ করা জায়েজ।
খ. একজনের ফিতরা একাধিক ব্যক্তিকে যেমন দেওয়া জায়েজ তদ্রূপ একাধিক ব্যক্তির ফিতরা প্রয়োজনে একজনকেও দেওয়া জায়েজ।
গ. ঈদের দিন নিজ পরিবারে খাওয়ার মতো অর্থ-সম্পদ এবং ফিতরা দেওয়ার মতো সামর্থ্য থাকলে ফিতরা প্রদান করা আবশ্যক।
ঘ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলেও তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক। গর্ভস্থ সন্তানের ফিতরা দেওয়া আবশ্যক নয়, তবে দেওয়া উত্তম।
ঙ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে পিতার জন্যে তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক। আর ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পরে বিয়ে হলে স্বামীর জন্য তার স্ত্রীর পক্ষ থেকে ফিতরা দেওয়া আবশ্যক।
চ. ঈদের চাঁদ উদিত হওয়ার পূর্বে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার ফিতরা দেওয়া আবশ্যক নয়। তবে চাঁদ উদিত হওয়ার পরে মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ তার পরিত্যক্ত সম্পদ থেকে ফিতরা প্রদান করবে।
الله اعلم
- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (حفظه الله)
(লিসান্স, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, সউদি আরব)
#Abdullahilhadi 🇸🇦
©©©©
@PathwayToNoor
❤🔥6
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥3❤1🥰1
আজকে সন্ধা থেকে আগামীকাল ফজর পর্যনতো সময় টা খুবই বরকতময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ..... বিজোড় রাত্রি গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভবনাময় রজনী এবং শুক্রবার (জুম্মাতুল বিদা).... ইনশাআল্লাহ সবাই দুনিয়াবি সকল কাজকর্ম থেকে আমরা সবাই নিজে বিরত রেখে আমাদের রবের জন্য এই সময় টা ব্যয় করবো
@PathwayToNoor❤️🤍
@PathwayToNoor❤️🤍
❤10😢3❤🔥2🥰1
❝ যদি লাইলাতুল কদরের তালাশকৃত বিজোড় রাতটি জুম’আর রাতের মাঝে পরে যায়,তাহলে অন্যান্য বিজোড় রাতের তুলনায় এই রাতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়। ❞
- ইমাম ইবনু রজব আল হাম্বলী রহিমাহুল্লাহ
[লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব পৃ.২০৩]
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
- ইমাম ইবনু রজব আল হাম্বলী রহিমাহুল্লাহ
[লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব পৃ.২০৩]
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
❤8❤🔥1
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফ্যুয়ুন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন।
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, সুতরাং আমাকে ক্ষমা করুন।
#কালেক্টেড
@PathwayToNoor
❤13❤🔥1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বংস করে দিন, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4❤🔥1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4