প্রথম রমজানে ইফতার পার্টির আয়োজন। খুবই আনন্দ মুখর প্রস্তুতি। বন্ধু-বান্ধবী যে যেখানে আসে, সবাইকে সমানে দাওয়াত, কোন এক ভালো রেস্টুরেন্টে।
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ঘনিষ্ঠরা অনেক দিন পর এক সাথে হতে যাচ্ছি। এই খুশিতে সারা দিনে না খাওয়া পাকস্থলীটাও তার ক্ষুধা ভুলে গেছে। মনে হয় দেহ থেকে দূরে পালিয়েছে ক্লান্তি। ঠিক আনন্দের এই জায়গায়টাই বড় একটা ভুল হয়ে যাচ্ছে। কেউ বেখালে করি, কেউ জেনে-শুনেই করি।
ইফতার সামনে নিয়ে তাসবিহ-তাহলিল ও তাওবা-ইসতেগফার আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয়। ইফতারের সময় আল্লাহ বান্দার সব চাওয়াগুলোই পূরণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অনেক জায়গায় দেখা যায় ইফতার পার্টিতে বন্ধুদের পাশাপাশি বান্ধবীদের নিয়ে হৈ-হুল্লোড় একটা আড্ডা! হাতাহাতি, লাফালাফি, ধস্তাধস্তি কোনটাই বাদ যাচ্ছে না। তাওবা-ইস্তেগফারে একটি মোক্ষম সময় বান্ধবী নিয়ে আড্ডায় আছেন! বিবেকের আয়নায় তাকিয়ে একটু ভাবুন।
এই ফ্রি-মিক্সিং ইফতার পার্টি গুলো ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশি হয়। এমনটা হওয়ার প্রধান কারন হলো, রোজাকে মনে করা হয় শুধুমাত্র সারাদিন না খেয়ে থাকা। বিষয়টা মোটেও এমন নয়। এই মাসটি ইবাদতের পাশাপাশি গুনাহ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখার সর্বোত্তম প্র্যাক্টিসিং মাস। এমন একটি মাসে যদি পর্দার মত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে কি আত্মশুদ্ধি সম্ভব.? কখনোই কি সম্ভব রামাদানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য পূর্ণ করা.?
"... তোমাদের কেউ যখন সিয়াম রাখে তখন সে যেন অপ্রয়োজনীয় ও অশ্লীল কথাবার্তা না বলে এবং চিৎকার বা হট্টগোল না করে। কেউ যদি তাকে গালাগাল দেয় কিংবা তার সাথে গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে, তখন সে যেন বলে, আমি রোজাদার...!" (সহীহ বুখারী : ১৯০৪)
- নো ফ্রি-মিক্সিং...!
— সংগৃহীত
@PathwayToNoor
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ঘনিষ্ঠরা অনেক দিন পর এক সাথে হতে যাচ্ছি। এই খুশিতে সারা দিনে না খাওয়া পাকস্থলীটাও তার ক্ষুধা ভুলে গেছে। মনে হয় দেহ থেকে দূরে পালিয়েছে ক্লান্তি। ঠিক আনন্দের এই জায়গায়টাই বড় একটা ভুল হয়ে যাচ্ছে। কেউ বেখালে করি, কেউ জেনে-শুনেই করি।
ইফতার সামনে নিয়ে তাসবিহ-তাহলিল ও তাওবা-ইসতেগফার আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয়। ইফতারের সময় আল্লাহ বান্দার সব চাওয়াগুলোই পূরণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অনেক জায়গায় দেখা যায় ইফতার পার্টিতে বন্ধুদের পাশাপাশি বান্ধবীদের নিয়ে হৈ-হুল্লোড় একটা আড্ডা! হাতাহাতি, লাফালাফি, ধস্তাধস্তি কোনটাই বাদ যাচ্ছে না। তাওবা-ইস্তেগফারে একটি মোক্ষম সময় বান্ধবী নিয়ে আড্ডায় আছেন! বিবেকের আয়নায় তাকিয়ে একটু ভাবুন।
এই ফ্রি-মিক্সিং ইফতার পার্টি গুলো ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশি হয়। এমনটা হওয়ার প্রধান কারন হলো, রোজাকে মনে করা হয় শুধুমাত্র সারাদিন না খেয়ে থাকা। বিষয়টা মোটেও এমন নয়। এই মাসটি ইবাদতের পাশাপাশি গুনাহ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখার সর্বোত্তম প্র্যাক্টিসিং মাস। এমন একটি মাসে যদি পর্দার মত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে কি আত্মশুদ্ধি সম্ভব.? কখনোই কি সম্ভব রামাদানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য পূর্ণ করা.?
"... তোমাদের কেউ যখন সিয়াম রাখে তখন সে যেন অপ্রয়োজনীয় ও অশ্লীল কথাবার্তা না বলে এবং চিৎকার বা হট্টগোল না করে। কেউ যদি তাকে গালাগাল দেয় কিংবা তার সাথে গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে, তখন সে যেন বলে, আমি রোজাদার...!" (সহীহ বুখারী : ১৯০৪)
- নো ফ্রি-মিক্সিং...!
— সংগৃহীত
@PathwayToNoor
❤19❤🔥2
ইস্তেগফার
.
মর্যদা বৃদ্ধি, ক্ষমা লাভ, রিযিক বৃদ্ধি, আযাব গজব থেকে বাঁচাসহ অনেক ধরণের বড় বড় বিপদ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর শেখানো দুআ হলো ‘ইস্তেগফার’। ইস্তেগফার করার জন্য কিছু দুআর সংকলন আপনাদের খেদমতে পেশ করলাম।শিখে নিতে পারেন-
সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো
দোয়া-১:*
أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]
এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।
দোয়া-২:*
মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]
দোয়া-৩:*
মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।
এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]
দোয়া-৪:*
মূল আরবীঃ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ / الغَفُوْرُ
উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।
অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।
[আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫২]
দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:*
সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির।
মূল আরবীঃ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা
অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।
এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]
এই দোয়া গুলো পড়ার মাধ্যমে ইস্তেগফার করুন। তবে সব চেয়ে উত্তম হলো সায়্যিদুল ইস্তেগফার।
আপনি শেয়ার করে দিলে হয়তো কেউ একজন আমল করতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।
সংগৃহীত
Join @PathwayToNoor
.
মর্যদা বৃদ্ধি, ক্ষমা লাভ, রিযিক বৃদ্ধি, আযাব গজব থেকে বাঁচাসহ অনেক ধরণের বড় বড় বিপদ থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহর শেখানো দুআ হলো ‘ইস্তেগফার’। ইস্তেগফার করার জন্য কিছু দুআর সংকলন আপনাদের খেদমতে পেশ করলাম।শিখে নিতে পারেন-
সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো
দোয়া-১:*
أَستَغْفِرُ اللهَ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]
এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।
দোয়া-২:*
মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]
দোয়া-৩:*
মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।
অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।
এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]
দোয়া-৪:*
মূল আরবীঃ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ / الغَفُوْرُ
উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।
অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।
[আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫২]
দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:*
সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির।
মূল আরবীঃ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা
অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।
এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]
এই দোয়া গুলো পড়ার মাধ্যমে ইস্তেগফার করুন। তবে সব চেয়ে উত্তম হলো সায়্যিদুল ইস্তেগফার।
আপনি শেয়ার করে দিলে হয়তো কেউ একজন আমল করতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন।
সংগৃহীত
Join @PathwayToNoor
❤16❤🔥1🥰1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤🔥4
🔴বিয়ে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ :
১.বিয়ের আগের এই সময়টা অফুরন্ত একটা সময়,তাই নামাযে বেশি সময় ব্যায় করে আল্লাহর সাথে সম্পর্কটা মজবুত করা। প্রতি ফরজ নামাজের পর দুআ করা,সময় নিয়ে দুআ করতে থাকা,কান্না করা।বিয়ের পর এমন সময় পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে, আল্লাহ না করুক।
২.প্রতিদিন ২রাকাত সালাতুল হাজাত আদায় করা।কমপক্ষে ৩০-৪০মিনিট দুআ করা,কেমন জীবন সঙ্গী চাই সব আল্লাহর কাছে খুলে খুলে বলে। যেমন :দ্বীনদারীতা,উত্তম আখলাক থেকে শুরু করে তার হাইট,গায়ের রং, ইত্যাদি ইত্যাদি সব বলা।
*কান্না হচ্ছে দুআ কবুলের রশিদ।
৩.প্রচুর সবরের প্র্যাকটিস করতে থাকা। কেউ কিছু বললে চুপ থাকা। বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সবর লাগবে,কখনোই এমন না ভাবা বিয়ের পর সব কিছু সহজ হয়ে যাবে।আল্লাহ চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে ফেলতে পারেন ।
৩.প্রয়োজনীয় সূরা গুলো দ্রুত হিফয করা,যাতে সংসারে অনেক ব্যাস্ততার দিনেও পড়ে ফেলা যায়।
৪.বিয়ের আগেই নিয়মিতভাবে পূর্বের কাযা নামাজ গুলো আদায় করা।
৫.পূর্বের কাযা রোজা গুলো নিয়মিত রাখার চেষ্টা করা। সোম ও বৃহস্পতিবার কাযার নিয়তে রাখালে অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ
৬.দ্বীনি ইলমের পাশাপাশি নিয়মিত বিয়ে বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করতে থাকা।
৭.নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে,যতটুকু টাইম আছে।ইসলাহি বয়ান শুনা,নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করা। এমন ভাবে নিজেকে তৈরি করে নেন,যেন হাজারো ঝড়-ঝাপটা আসলে আমল গুলো ছুটে না যায়। এমনও অনেক বোন আছে বিয়ের পরে দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে,যাস্ট ফরজ নামাজ আর পর্দা টুকু নিয়ে আছে,তাছাড়া আর কিচ্ছু নেই আছে,সুন্নাতও পড়তে পারছেন না। তাই নিজেকে এমনভাবে তৈরি করেন,।প্রচুর সবরের প্র্যাকটিস করেন।
২২/০৮/২০২৩
-Bintu Ashraf
©©
@PathwayToNoor
১.বিয়ের আগের এই সময়টা অফুরন্ত একটা সময়,তাই নামাযে বেশি সময় ব্যায় করে আল্লাহর সাথে সম্পর্কটা মজবুত করা। প্রতি ফরজ নামাজের পর দুআ করা,সময় নিয়ে দুআ করতে থাকা,কান্না করা।বিয়ের পর এমন সময় পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে, আল্লাহ না করুক।
২.প্রতিদিন ২রাকাত সালাতুল হাজাত আদায় করা।কমপক্ষে ৩০-৪০মিনিট দুআ করা,কেমন জীবন সঙ্গী চাই সব আল্লাহর কাছে খুলে খুলে বলে। যেমন :দ্বীনদারীতা,উত্তম আখলাক থেকে শুরু করে তার হাইট,গায়ের রং, ইত্যাদি ইত্যাদি সব বলা।
*কান্না হচ্ছে দুআ কবুলের রশিদ।
৩.প্রচুর সবরের প্র্যাকটিস করতে থাকা। কেউ কিছু বললে চুপ থাকা। বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সবর লাগবে,কখনোই এমন না ভাবা বিয়ের পর সব কিছু সহজ হয়ে যাবে।আল্লাহ চাইলে যেকোনো পরিস্থিতিতে ফেলতে পারেন ।
৩.প্রয়োজনীয় সূরা গুলো দ্রুত হিফয করা,যাতে সংসারে অনেক ব্যাস্ততার দিনেও পড়ে ফেলা যায়।
৪.বিয়ের আগেই নিয়মিতভাবে পূর্বের কাযা নামাজ গুলো আদায় করা।
৫.পূর্বের কাযা রোজা গুলো নিয়মিত রাখার চেষ্টা করা। সোম ও বৃহস্পতিবার কাযার নিয়তে রাখালে অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ
৬.দ্বীনি ইলমের পাশাপাশি নিয়মিত বিয়ে বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করতে থাকা।
৭.নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে,যতটুকু টাইম আছে।ইসলাহি বয়ান শুনা,নিজেকে প্রতিনিয়ত সংশোধন করা। এমন ভাবে নিজেকে তৈরি করে নেন,যেন হাজারো ঝড়-ঝাপটা আসলে আমল গুলো ছুটে না যায়। এমনও অনেক বোন আছে বিয়ের পরে দ্বীন থেকে দূরে সরে গেছে,যাস্ট ফরজ নামাজ আর পর্দা টুকু নিয়ে আছে,তাছাড়া আর কিচ্ছু নেই আছে,সুন্নাতও পড়তে পারছেন না। তাই নিজেকে এমনভাবে তৈরি করেন,।প্রচুর সবরের প্র্যাকটিস করেন।
২২/০৮/২০২৩
-Bintu Ashraf
©©
@PathwayToNoor
❤8❤🔥7🔥3
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4❤🔥2
আসসালামু আলাইকুম
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা ফিলিস্তিন, বিশেষ করে গাজার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরায়েল গাজা এবং হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার জন্য অতিরিক্ত 200,000 রিজার্ভ সহ 100,000 সৈন্য সংগ্রহ করেছে।
সমগ্র উম্মতকে নিচের দোয়া পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। আমরা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি দুআ 10 মিলিয়ন বার সম্মিলিতভাবে পড়ার লক্ষ্য রাখছি।
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি মাল ওয়াকিল - আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই সর্বোত্তম কার্য সম্পাদনকারী।
اَللّٰهُمَّ إنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ
আল্লাহুম্মা ইন্না নাজ আলুকা ফী নুহুরিহিম ওয়া নাউদু বিকা মিন শুরুরিহিম - হে আল্লাহ, আমরা আপনাকে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঢাল বানাই এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় নিই।
অনুগ্রহ করে এই বার্তাটি প্রত্যেকের কাছে ফরোয়ার্ড করুন এবং 10 মিলিয়ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার ভূমিকা পালন করুন। শত্রুর পরিকল্পনা আছে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী!!!
জাযাকিল্লাহু খইরান।
©©©©©©©
@PathwayToNoor
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা ফিলিস্তিন, বিশেষ করে গাজার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইসরায়েল গাজা এবং হামাসকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করার জন্য অতিরিক্ত 200,000 রিজার্ভ সহ 100,000 সৈন্য সংগ্রহ করেছে।
সমগ্র উম্মতকে নিচের দোয়া পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। আমরা আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি দুআ 10 মিলিয়ন বার সম্মিলিতভাবে পড়ার লক্ষ্য রাখছি।
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি মাল ওয়াকিল - আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই সর্বোত্তম কার্য সম্পাদনকারী।
اَللّٰهُمَّ إنَّا نَجْعَلُكَ فِيْ نُحُوْرِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ
আল্লাহুম্মা ইন্না নাজ আলুকা ফী নুহুরিহিম ওয়া নাউদু বিকা মিন শুরুরিহিম - হে আল্লাহ, আমরা আপনাকে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঢাল বানাই এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় নিই।
অনুগ্রহ করে এই বার্তাটি প্রত্যেকের কাছে ফরোয়ার্ড করুন এবং 10 মিলিয়ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার ভূমিকা পালন করুন। শত্রুর পরিকল্পনা আছে কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী!!!
জাযাকিল্লাহু খইরান।
©©©©©©©
@PathwayToNoor
❤15
মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ আব্দুর রহমান আল রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন।
১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।
২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।
৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।
তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)
আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
©©©©©©©
@PathwayToNoor
১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।
২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।
৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।
তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)
আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
©©©©©©©
@PathwayToNoor
❤13🥰4❤🔥1
প্রথমে নিজের কৃত গুনাহ সম্পর্কে অনুতপ্ত হওয়া
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
@PathwayToNoor
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
@PathwayToNoor
❤5
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বংস করে দিন, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤10❤🔥2
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤1🥰1
⚠️ আজ দিবাগত রাতেও হতে পারে লাইলাতুল কদর
শবে কদর মানে কেবলই ২৭ রমজান নয়
আজ রমাদানের শেষ দশকের একটি বিজোড় রাত। হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী আজও হতে পারে মহিমান্বিত লাইলাতুল ক্বদর। ক্বদরের ইবাদত হোক সুন্নাহের আলোয় উদ্ভাসিত ও বিদআত থেকে মুক্ত। শুধু ২৭ রমাদানই শবে ক্বদর হিসাবে ইবাদত নয়, বরং রমাদানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতেই শবে ক্বদরের জন্য বাড়তি নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে সময় দেয়া উচিত।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,
ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কি দুআ’ পড়বো?
তিনি (রাসূল [সাঃ]) বলেনঃ তুমি বলবে,
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাওসুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৫০
জামে আত-তিরমিযির একটি হাদীস থেকে উক্ত দুআটি একটি বাড়তি শব্দ সহকারে পাওয়া যায়। দুআটি হচ্ছেঃ
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি মাফ করতেই পছন্দ কর, অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাওতিরমিযি ৩৫১৩
রমাদানে গুনাহ মাফ করানোর গুরুত্বের ব্যাপারে নিচের হাদীসটি আমরা সকলেই জানি।
জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাঃ) মিম্বারে উঠলেন। তিনি প্রথম সিঁড়িতে উঠে বলেনঃ আমীন। তিনি দ্বিতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে উঠেও বলেনঃ আমীন। সাহাবীগণ বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমরা আপনাকে তিনবার আমীন বলতে শুনলাম।
তিনি বলেনঃ আমি প্রথম সিঁড়িতে উঠতেই জিবরাঈল (আবু দাউদ) এসে বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে রমযান মাস পেলো এবং তা শেষ হয়ে যাওয়া সত্বেও তার গুনাহর ক্ষমা হলো না। আমি বললামঃ আমীন।অতঃপর দ্বিতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যে নিজ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাদের একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেলো, অথচ তারা তাকে বেহেশতে প্রবেশ করালো না। আমি বললামঃ আমীন।
অতঃপর তৃতীয় ধাপে উঠতেই তিনি বলেন, দুর্ভাগ্য সেই ব্যক্তির যার নিকট আপনার উল্লেখ হলো, অথচ সে আপনার প্রতি দুরূদ পড়েনি। আমি বললামঃ আমীন।
আদাবুল মুফরাদ ৬৪৮, হাদীসের মানঃ সহীহ
অর্থাৎ আমরা যদি রমাদান পেয়েও আল্লাহর থেকে ক্ষমা লাভ করতে না পরি তাহলে আমাদের দুর্ভাগ্যের জন্য স্বয়ং রাসূল (সা) সমর্থন দিয়ে \"আমীন\" বলে গেছেন। আমরা কি এর মর্মার্থ অনুধাবন করতে পারি? এলাকার একজন এমপি সাহেব বা সংসদের একজন মন্ত্রী যদি আমাদেরকে দুর্ভাগা বলেন বা আমাদের দুর্ভাগ্যের জন্য সমর্থন দেন আমরা কতই না পেরেশান হয়ে পড়ব! কিন্তু এখানে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি যেই লোকদেরকে দুর্ভাগা বলেছেন আমরা সেই দলে পড়ে যাচ্ছি না তো? আমরা কি আমাদের গুনাহ মাফ করাতে পেরেছি?
রমাদানের ২০ দিন চলেই গেল। আমরা কেউই জানি না আগামী রমাদান পর্যন্ত আমরা বেঁচে থাকব কিনা। আবার আরেকটি রমাদানে আমাদের গুনাহগুলোকে মাফ করাতে পারব কিনা। তাই এই রমাদানকেই জীবনের শেষ রমাদান হিসাবে চিন্তা করি। গুনাহ মাফ করানোর জন্য রমাদানের শেষ ১০ দিনকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি। যারা প্রথম দিকে তারাবীহ সালাত পড়তে অলসতা করেছি অন্তত এই ১০ দিন পড়ি। এই ১০ দিন আগের চেয়ে একটু বেশি কুরআন তিলাওয়াত ও দান সাদাকা করি। আল্লাহর রাসূল (সা) যেই দুআ শিখিয়ে দিয়েছেন সেই দুআ বারবার পড়ি। দুআর অর্থ বুঝি। অন্তর থেকে উপলব্ধি করে দুআ করি। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করবেনই!
এই পবিত্র সময়গুলো আমরা ফেসবুক বা ইউটিউবে অযথা ঘুরে না বেড়াই। আমাদের প্রোডাক্টিভিটি নষ্ট করার জন্য ফেসবুক-মেসেঞ্জার আর ইউটিউব বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আমাদের ফোকাস নষ্ট করে সব কাজে ডেস্ট্রাকশন তৈরি করার জন্য এগুলোর জুড়ি নেই। ফেসবুকে আপনি হয়ত আপনার জন্য কাজের বা মূল্যবান ৫% জিনিস পাচ্ছেন। বাকি ৯৫% সময় নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছু না। নিজেকে ফ্রেন্ডলিস্টের শত শত হাজার হাজার মানুষের কাছে এমন cheap বা সস্তা বানিয়ে না ফেলি যে, কেউ চাইলেই যে কোনো মুহূর্তে আমাকে reach করতে পারে! চাহিবা মাত্রই যেন আমি আমার কাজ ফেলে ফেসবুকে-মেসেঞ্জারে চলে না যাই। প্রতি দিন কত ঘন্টা মেসেঞ্জার বা ফেসবুকে ব্যয় করছি আর সেগুলো আসলে কতটুকু আমাদের ইহলৌকিক বা পরলৌকিক কাজে আসছে তা চিন্তা করার সময় এসেছে। আমরা একটা কাগজে লিখে রাখতে পারি দৈনিক আনুমানিক ফেসবুক ব্যবহারের সময়। সপ্তাহ শেষে দেখতে পারি পুরো সপ্তাহে কয় ঘন্টা ফেসবুক ইউজ করলাম, কয় ঘন্টা কুরআন পড়লাম আর কয় ঘন্টা ইসলামকে জানার জন্য বই পুস্তক পড়লাম।
তাই আসুন, আমরা রমাদানের এই শেষ ১০টা দিন অন্তত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকে সীমিত করি। প্রতি বিজোড় রাতে শবে ক্বদরের উদ্দেশ্যে সাধ্যমত তাহাজ্জুদ পড়ি, কুরআন পড়ি, গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করি। সাধ্য মত ইতিকাফ করি। শেষ দশকে আমাদের টার্গেট হোক একটাই! আমাদের সকল গুনাহ থেকে মুক্তি!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে গুনাহ থেকে মুক্ত করে দিন। আমীন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤20🥰4❤🔥2
আজ থেকে শুরু হচ্ছে রামাদানের শেষ দশক। পবিত্র মাসের সর্বশেষ অংশটুকুতে প্রবেশ করছি আমরা।
এই দশদিনের মধ্যে এমন এক মহিমান্বিত রাত লুকিয়ে আছে যেটা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
এই দশদিনের সিক্রেট একটাই—অধিকবেশি আমলে নিমগ্ন থাকা। এতোদিন যে নফল আমলগুলো করেছেন, সেগুলোকে তিনগুণ বা চারগুণ না হোক, অন্তত দ্বিগুণ করে ফেলুন আজ থেকেই।
এই শেষ দশকে রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি যে দুয়াটা পড়তেন, সেটা হলো—আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফু’উন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি। দুয়াটার অর্থ হলো—‘ইয়া আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল৷ ক্ষমা করতেই আপনি পছন্দ করেন৷ আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’।
এই শেষ দশকে আল্লাহর রাসুল এমন একটা দুয়া অনেকবেশি করতেন যেটাতে ‘ক্ষমা’র বিষয়টা তিন তিনবার উল্লেখ আছে।
এখান থেকে বোঝা যায় যে—এই শেষ দশকে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো আল্লাহর কাছে অধিকবেশি ক্ষমা চাওয়া, ইস্তিগফার করা।
যে আরেকটা বিষয় এই দুয়া থেকে আমরা বুঝতে পারি তা হলো—আল্লাহর ‘ক্ষমাশীল’ হওয়ার গুণটাই যেহেতু এই সময়টাতে অনেকবেশি উচ্চারিত হয়, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি, মানুষদের মধ্যে যারা আমাদের সাথে ভুলত্রুটি করেছিল, সম্ভব হলে আমরা তাদেরকেও ক্ষমা করে দিতে পারি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নিজে ক্ষমাশীল এবং তিনি তাঁর সেসকল বান্দাদেরকেই অনেকবেশি ভালোবাসেন যারা অন্যদের ক্ষমা করে দেয়।
শেষ দশক, শেষ সুযোগ৷ চলুন এই সুযোগ হেলায় না হারাই৷ সর্বোচ্চ যত্ন, মনোযোগ আর গভীর ভাবাবেগের সাথে পার করার চেষ্টা করি এই সুবর্ণ মুহূর্তগুলোকে।
এই শেষ দশকে যা কিছু আপনাকে গভীর ইবাদাতে নিমগ্ন হতে আটকাচ্ছে, হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, রাজনৈতিক ক্যাঁচাল, আড্ডা বা অন্য যেকোনো কিছু, সবকিছুকে স্রেফ সিকেঁয় তুলে রাখুন। অন্তত এই দশদিন।
আর, মাযলুম জনপদের মানুষগুলোকে তো দুয়ায় রাখবেনই, আপনাদের এই ভাইটাকেও দুয়ায় রাখতে ভুলে যাবেন না 💚
আরিফ আজাদ,,,❄️
@PathwayToNoor,,🍁🍁
এই দশদিনের মধ্যে এমন এক মহিমান্বিত রাত লুকিয়ে আছে যেটা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
এই দশদিনের সিক্রেট একটাই—অধিকবেশি আমলে নিমগ্ন থাকা। এতোদিন যে নফল আমলগুলো করেছেন, সেগুলোকে তিনগুণ বা চারগুণ না হোক, অন্তত দ্বিগুণ করে ফেলুন আজ থেকেই।
এই শেষ দশকে রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি যে দুয়াটা পড়তেন, সেটা হলো—আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফু’উন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি। দুয়াটার অর্থ হলো—‘ইয়া আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল৷ ক্ষমা করতেই আপনি পছন্দ করেন৷ আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন’।
এই শেষ দশকে আল্লাহর রাসুল এমন একটা দুয়া অনেকবেশি করতেন যেটাতে ‘ক্ষমা’র বিষয়টা তিন তিনবার উল্লেখ আছে।
এখান থেকে বোঝা যায় যে—এই শেষ দশকে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো আল্লাহর কাছে অধিকবেশি ক্ষমা চাওয়া, ইস্তিগফার করা।
যে আরেকটা বিষয় এই দুয়া থেকে আমরা বুঝতে পারি তা হলো—আল্লাহর ‘ক্ষমাশীল’ হওয়ার গুণটাই যেহেতু এই সময়টাতে অনেকবেশি উচ্চারিত হয়, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি, মানুষদের মধ্যে যারা আমাদের সাথে ভুলত্রুটি করেছিল, সম্ভব হলে আমরা তাদেরকেও ক্ষমা করে দিতে পারি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা নিজে ক্ষমাশীল এবং তিনি তাঁর সেসকল বান্দাদেরকেই অনেকবেশি ভালোবাসেন যারা অন্যদের ক্ষমা করে দেয়।
শেষ দশক, শেষ সুযোগ৷ চলুন এই সুযোগ হেলায় না হারাই৷ সর্বোচ্চ যত্ন, মনোযোগ আর গভীর ভাবাবেগের সাথে পার করার চেষ্টা করি এই সুবর্ণ মুহূর্তগুলোকে।
এই শেষ দশকে যা কিছু আপনাকে গভীর ইবাদাতে নিমগ্ন হতে আটকাচ্ছে, হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, রাজনৈতিক ক্যাঁচাল, আড্ডা বা অন্য যেকোনো কিছু, সবকিছুকে স্রেফ সিকেঁয় তুলে রাখুন। অন্তত এই দশদিন।
আর, মাযলুম জনপদের মানুষগুলোকে তো দুয়ায় রাখবেনই, আপনাদের এই ভাইটাকেও দুয়ায় রাখতে ভুলে যাবেন না 💚
আরিফ আজাদ,,,❄️
@PathwayToNoor,,🍁🍁
❤12❤🔥2
কেউ যদি #কদরের_রাতে আমল করতে চান, এই নিয়মে করতে পারেন...
১। রাত দশটার পর থেকে টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ।
৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পড়ুন।
৪। বেশি বেশি নফল আর হাজতের নামাজ পড়ুন।
৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ-
(১) সুবহানাল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার। (১০০ বার করে)
(২) লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (২০০ বার)
(৩) আস্তাগফিরুল্লহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
(৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
(৫) সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)
(৮)"সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
(৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
(১০) সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
(১১) স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।
৬। রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পরুন ৮ রাকাত। রুকু ও সিজদায় বেশি সময় ব্যয় করুন।পারলে সিজদায় দোয়া করা।
৭। তাহাজ্জুদের পর তিন রাকাআত বিতরের নামাজ পরুন।
৮। সেহরি খাওয়ার পূর্বেই হাত তুলুন মালিকের কাছে। আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন..একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...😭 খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না.....ইত্যাদি...
৯। সেহরি খান।
১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
.
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]
রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন দিন শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, বিশেষ করে বিজোড় রাতে এই আমল গুলো করুন।
আল্লাহ্ আমাদের আমল করার তৌফিক দিন। আমিন।
@PathwayToNoor🌼🌿🌸
১। রাত দশটার পর থেকে টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
২। বেশি গরম লাগলে গোসল করুন ও পরিষ্কার পোষাক পরিধান করুণ।
৩। কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পড়ুন।
৪। বেশি বেশি নফল আর হাজতের নামাজ পড়ুন।
৫। রাত ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত জিকির করুন। যেমনঃ-
(১) সুবহানাল্লহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার। (১০০ বার করে)
(২) লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (২০০ বার)
(৩) আস্তাগফিরুল্লহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
(৪)বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
(৫) সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৬)"লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
(৭) দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।(যত পারেন)
(৮)"সুবহানাল্লহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
(৯) "লা হাওলা ওয়ালা কুওওতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
(১০) সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
(১১) স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করা।
৬। রাত ২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পরুন ৮ রাকাত। রুকু ও সিজদায় বেশি সময় ব্যয় করুন।পারলে সিজদায় দোয়া করা।
৭। তাহাজ্জুদের পর তিন রাকাআত বিতরের নামাজ পরুন।
৮। সেহরি খাওয়ার পূর্বেই হাত তুলুন মালিকের কাছে। আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন..একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি...😭 খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না.....ইত্যাদি...
৯। সেহরি খান।
১০। ফজরের নামাজ পড়ুন।
উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
.
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]
রমজানের শেষ দশ দিনের মধ্যে যে কোন দিন শবে কদর হয়ে যেতে পারে। তাই শবে কদরের রাত মিস করতে না চাইলে, বিশেষ করে বিজোড় রাতে এই আমল গুলো করুন।
আল্লাহ্ আমাদের আমল করার তৌফিক দিন। আমিন।
@PathwayToNoor🌼🌿🌸
❤🔥12
📢 আলহামদুলিল্লাহ, আজ মাগরিবের পর থেকে শুরু হয়েছে শেষ দশক। এবং শেষ দশকের প্রথম বিজোড় রাত।
আজ ও হতে পারে লাইলাতুল ক্বদরের রাত।
লাইলাতুল ক্বদরের ১ সেকেন্ড সমান ২৩ ঘন্টা। ১ মিনিট সমান ৫৮ দিন।
১ ঘন্টা সমান ৯.৮ বছর। ১ রাত সমান ৮৩ বছর ৪ মাস।
বরং এর থেকেও বেশি। হাজার মাসের থেকেও উত্তম।
প্রতিটা সেকেন্ডকে কাজে লাগান।
অনবরত ইস্তেগফার করুন, যিকির আযকার করুন, নফল নামাজ পড়ুন, কোরআন পড়ুন, সাধ্যমতো সদাকাহ করুন, দোয়া করুন বেশি বেশি।
পিরিয়ড অবস্থায় থাকা আপুরা নামাজ, রোজা নেই বলে এই সময়টা হেলায় হেলিয়ে দিয়েন না। বেশি বেশি যিকির আযকার করুন, গুনাহ মাফের জন্য কাঁদুন। কোরআন পড়তে না পারলেও ইউটিউব থেকে কোরআন তিলাওয়াত শুনুন।
তাতেও সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লহ।
▪️যারা শেষ দশকের দশ দিনই সুন্নত ইতিকাফ করছেন না। তারা অন্তত বিজোড় রাতগুলোতে নফল ইতিকাফ করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।
যেহেতু মাগরিবের পর থেকেই শেষ দশক শুরু হয়ে যাবে। তাই মাগরিবের নামাজ খুশু-খুজুর সাথে পড়বেন। সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো করবেন। মাগরিবের পর সূরা ওয়াকিয়াহ পড়বেন।
আজও হয়ে যেতে পারে মহিমান্বিত ক্বদরের রাত। যারা রমজানের এই ২০ টা দিন হেলাফেলা করেছেন। তারা কোনোভাবেই শেষ দশকেও গাফেল থাকবেন না ইনশাআল্লাহ।
▪️শেষ দশকের প্রতিটা রাতেই কমপক্ষে ১ টাকা হলেও দান করবেন।
যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে শেষ দশকের প্রতিটা রাতে না পারলেও বিজোড় রাতগুলোতে একটি করে কোরআন দান করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।
▪️বেশি বেশি কোরআন পড়বেন। সাথে বাংলা অর্থ পড়বেন, সূরা ইয়াসিন, সূরা আর রহমান, সূরা কাহাফের প্রথম ও শেষ দশ আয়াত, সূরা ক্বদর, সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত,
সূরা মুলক ইত্যাদি ফজিলতপূর্ণ সূরাগুলো শেষ দশকের রাতগুলোতে পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
▪️ শেষ দশকের প্রতিটা রাতেই অন্যান্য নফল নামাজের সাথে তওবার নামাজ পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
অনেকেই রাত ১০ টার পর থেকে আমল শুরু করতে চান বা এশার নামাজ ও তারাবির পর রাত ১১/১২ টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে নিতে চান। এমন না করে এশার নামাজ, তারাবিহ পড়ে, কোরআন তিলাওয়াত, যিকির আযকার, দোয়া করা, চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া, অন্যান্য ইবাদত বন্দেগি করে তারপর তাহাজ্জুদের আগ পর্যন্ত হাল্কা ঘুমিয়ে নেওয়া যেতে পারে। আগে ঘুমিয়ে নেওয়া বা একটু দেরিতে ইবাদত বন্দেগি শুরু করা, এমনটা না করে মাগরিবের পর থেকেই যথাসম্ভব ইবাদত আমলে মগ্ন হয়ে যাওয়াই উত্তম হবে।
▪️ শেষ দশকের রাতগুলোতে নিম্নোক্ত যিকিরগুলো করতে পারেন ইনশাআল্লাহ
১. আল্লহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউ-উন, তুহিব্বুল 'আফওয়া ফা'আফু 'আন্নী। (১০০০/২০০০/বেশি থেকে বেশি পরিমাণে)
اللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
এছাড়া,
ছোট ইস্তেগফার অর্থাৎ শুধু আস্তাগফিরুল্লহ কয়েক হাজার বার।
২. সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার (১০০ বার)
৩. যেকোনো ছোট দুরুদ কয়েক হাজার বার।
এবং,
দুরুদে ইবরাহিম কমপক্ষে ১০০ বার।
আল্লাহর পছন্দের ৪ টি বাক্য
৪. সুবহান-আল্লহ (২০০/৫০০ বার)
৫. আলহামদুলিল্লাহ (২০০/৫০০ বার)
৬. আল্লহু-আকবার (২০০/৫০০ বার)
৭) লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (২০০/৫০০ বার)
৮. কালিমা তায়্যেবা-
লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লহ সাঃ (১০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللّٰهِ
৯. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (১০০/২০০ বার)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
১০. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী সুবহানাল্লহিল আযীম। (১০০/২০০ বার)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ
১১. সূরা ইখলাস (১০০ বার)
১২. লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিয়-কালাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়্যিং 'ক্বদীর (১০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
১৩. জান্নাতের গুপ্তধন-
লা হাওলা ওয়ালা 'ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ (২০০/৫০০ বার)
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
১৪. দোয়া ইউনুস-
লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায য্বলিমীন (১০০/২০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
১৫. ইয়া যালজালালী ওয়াল ইকরম (২০০/৩০০ বার)
يَا جل جَلاَله وَالإكْرَامُ
১৬. ইয়া আরহামার রহিমীন (২০০/৫০০ বার)
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
১৭. জান্নাত চাওয়ার দোয়া-
আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান্নার (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ اجِرْنَا مِنَ النَّارِ
১৮. জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়ার দোয়া-
আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'ঊযুবিকা মিনান্নার (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
১৯. পিতামাতার জন্য দোয়া-
রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানি ছ্বগীরা (৫০/১০০ বার)
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ رَبِّ ارْحَمْهُما كَمَا رَبَّيَانِي
صَغِيرًا
©©©
@PathwayToNoor❤️🤍
আজ ও হতে পারে লাইলাতুল ক্বদরের রাত।
লাইলাতুল ক্বদরের ১ সেকেন্ড সমান ২৩ ঘন্টা। ১ মিনিট সমান ৫৮ দিন।
১ ঘন্টা সমান ৯.৮ বছর। ১ রাত সমান ৮৩ বছর ৪ মাস।
বরং এর থেকেও বেশি। হাজার মাসের থেকেও উত্তম।
প্রতিটা সেকেন্ডকে কাজে লাগান।
অনবরত ইস্তেগফার করুন, যিকির আযকার করুন, নফল নামাজ পড়ুন, কোরআন পড়ুন, সাধ্যমতো সদাকাহ করুন, দোয়া করুন বেশি বেশি।
পিরিয়ড অবস্থায় থাকা আপুরা নামাজ, রোজা নেই বলে এই সময়টা হেলায় হেলিয়ে দিয়েন না। বেশি বেশি যিকির আযকার করুন, গুনাহ মাফের জন্য কাঁদুন। কোরআন পড়তে না পারলেও ইউটিউব থেকে কোরআন তিলাওয়াত শুনুন।
তাতেও সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লহ।
▪️যারা শেষ দশকের দশ দিনই সুন্নত ইতিকাফ করছেন না। তারা অন্তত বিজোড় রাতগুলোতে নফল ইতিকাফ করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।
যেহেতু মাগরিবের পর থেকেই শেষ দশক শুরু হয়ে যাবে। তাই মাগরিবের নামাজ খুশু-খুজুর সাথে পড়বেন। সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো করবেন। মাগরিবের পর সূরা ওয়াকিয়াহ পড়বেন।
আজও হয়ে যেতে পারে মহিমান্বিত ক্বদরের রাত। যারা রমজানের এই ২০ টা দিন হেলাফেলা করেছেন। তারা কোনোভাবেই শেষ দশকেও গাফেল থাকবেন না ইনশাআল্লাহ।
▪️শেষ দশকের প্রতিটা রাতেই কমপক্ষে ১ টাকা হলেও দান করবেন।
যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে শেষ দশকের প্রতিটা রাতে না পারলেও বিজোড় রাতগুলোতে একটি করে কোরআন দান করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ।
▪️বেশি বেশি কোরআন পড়বেন। সাথে বাংলা অর্থ পড়বেন, সূরা ইয়াসিন, সূরা আর রহমান, সূরা কাহাফের প্রথম ও শেষ দশ আয়াত, সূরা ক্বদর, সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত,
সূরা মুলক ইত্যাদি ফজিলতপূর্ণ সূরাগুলো শেষ দশকের রাতগুলোতে পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
▪️ শেষ দশকের প্রতিটা রাতেই অন্যান্য নফল নামাজের সাথে তওবার নামাজ পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
অনেকেই রাত ১০ টার পর থেকে আমল শুরু করতে চান বা এশার নামাজ ও তারাবির পর রাত ১১/১২ টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে নিতে চান। এমন না করে এশার নামাজ, তারাবিহ পড়ে, কোরআন তিলাওয়াত, যিকির আযকার, দোয়া করা, চোখের পানি ফেলে আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া, অন্যান্য ইবাদত বন্দেগি করে তারপর তাহাজ্জুদের আগ পর্যন্ত হাল্কা ঘুমিয়ে নেওয়া যেতে পারে। আগে ঘুমিয়ে নেওয়া বা একটু দেরিতে ইবাদত বন্দেগি শুরু করা, এমনটা না করে মাগরিবের পর থেকেই যথাসম্ভব ইবাদত আমলে মগ্ন হয়ে যাওয়াই উত্তম হবে।
▪️ শেষ দশকের রাতগুলোতে নিম্নোক্ত যিকিরগুলো করতে পারেন ইনশাআল্লাহ
১. আল্লহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউ-উন, তুহিব্বুল 'আফওয়া ফা'আফু 'আন্নী। (১০০০/২০০০/বেশি থেকে বেশি পরিমাণে)
اللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
এছাড়া,
ছোট ইস্তেগফার অর্থাৎ শুধু আস্তাগফিরুল্লহ কয়েক হাজার বার।
২. সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার (১০০ বার)
৩. যেকোনো ছোট দুরুদ কয়েক হাজার বার।
এবং,
দুরুদে ইবরাহিম কমপক্ষে ১০০ বার।
আল্লাহর পছন্দের ৪ টি বাক্য
৪. সুবহান-আল্লহ (২০০/৫০০ বার)
৫. আলহামদুলিল্লাহ (২০০/৫০০ বার)
৬. আল্লহু-আকবার (২০০/৫০০ বার)
৭) লা ইলাহা ইল্লাল্লহ (২০০/৫০০ বার)
৮. কালিমা তায়্যেবা-
লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লহ সাঃ (১০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللّٰهِ
৯. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (১০০/২০০ বার)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
১০. সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহী সুবহানাল্লহিল আযীম। (১০০/২০০ বার)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ
১১. সূরা ইখলাস (১০০ বার)
১২. লা ইলাহা ইল্লাল্লহু ওয়াহদাহু লা শারিয়-কালাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া 'আলা কুল্লি শাইয়্যিং 'ক্বদীর (১০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
১৩. জান্নাতের গুপ্তধন-
লা হাওলা ওয়ালা 'ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ (২০০/৫০০ বার)
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
১৪. দোয়া ইউনুস-
লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায য্বলিমীন (১০০/২০০ বার)
لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
১৫. ইয়া যালজালালী ওয়াল ইকরম (২০০/৩০০ বার)
يَا جل جَلاَله وَالإكْرَامُ
১৬. ইয়া আরহামার রহিমীন (২০০/৫০০ বার)
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
১৭. জান্নাত চাওয়ার দোয়া-
আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান্নার (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ اجِرْنَا مِنَ النَّارِ
১৮. জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়ার দোয়া-
আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'ঊযুবিকা মিনান্নার (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
১৯. পিতামাতার জন্য দোয়া-
রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানি ছ্বগীরা (৫০/১০০ বার)
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ رَبِّ ارْحَمْهُما كَمَا رَبَّيَانِي
صَغِيرًا
©©©
@PathwayToNoor❤️🤍
❤6❤🔥2🔥1🥰1
২০. উত্তম মৃত্যুর দোয়া-
আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকা হুসনাল খতিমাহ (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
২১. সুস্থতা কামনার দোয়া-
আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আফিয়াহ (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
২২. দ্বীনের ওপর টিকে থাকার দোয়া-
ইয়া মু'ক্বল্লিবাল 'ক্বুলূবি, সাব্বিত 'ক্বলবী 'আলা দ্বীয়নিক (৫০/১০০বার)
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَىٰ دِينِكَ
২৩. বিশ্বের সমস্ত মুসলিম নর-নারীর জন্য দোয়া -
আল্লহুম্মাগফিরলি ওয়ালিল 'মুমিনিনা ওয়াল 'মুমিনাত, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাত।
اللّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَا
অনেকেই প্রশ্ন করেন শেষ দশকের রাতগুলোতে কি কি আনল করবো?
কোরআন তিলাওয়াত, দান সদাকাহ, নফল নামাজ, যিকির আযকার, অন্যান্য ইবাদত আমল সবই করবেন। তবে, যে কোরআন পড়ে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করবেন, যে যিকির করে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি যিকির আযকার করবেন, যে নামাজ পড়ে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি নফল নামাজ পড়বেন, কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন।
আল্লাহ আমাদেরকে শেষ দশকে বেশি বেশি ইবাদত করার এবং লাইলাতুল ক্বদর পাওয়ার তৌফিক দান করুক আমিন।
সওয়াবের নিয়তে পোস্ট টা শেয়ার করে দিতে পারেন
ইনশাআল্লাহ্।
@PathwayToNoor❤️🤍
আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকা হুসনাল খতিমাহ (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
২১. সুস্থতা কামনার দোয়া-
আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আফিয়াহ (৫০/১০০ বার)
اللّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
২২. দ্বীনের ওপর টিকে থাকার দোয়া-
ইয়া মু'ক্বল্লিবাল 'ক্বুলূবি, সাব্বিত 'ক্বলবী 'আলা দ্বীয়নিক (৫০/১০০বার)
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَىٰ دِينِكَ
২৩. বিশ্বের সমস্ত মুসলিম নর-নারীর জন্য দোয়া -
আল্লহুম্মাগফিরলি ওয়ালিল 'মুমিনিনা ওয়াল 'মুমিনাত, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাত।
اللّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَا
অনেকেই প্রশ্ন করেন শেষ দশকের রাতগুলোতে কি কি আনল করবো?
কোরআন তিলাওয়াত, দান সদাকাহ, নফল নামাজ, যিকির আযকার, অন্যান্য ইবাদত আমল সবই করবেন। তবে, যে কোরআন পড়ে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করবেন, যে যিকির করে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি যিকির আযকার করবেন, যে নামাজ পড়ে স্বস্তি পান সে বেশি বেশি নফল নামাজ পড়বেন, কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন।
আল্লাহ আমাদেরকে শেষ দশকে বেশি বেশি ইবাদত করার এবং লাইলাতুল ক্বদর পাওয়ার তৌফিক দান করুক আমিন।
সওয়াবের নিয়তে পোস্ট টা শেয়ার করে দিতে পারেন
ইনশাআল্লাহ্।
@PathwayToNoor❤️🤍
❤16❤🔥2
❑ লাইলাতুল ক্বদরের রাতটি চেনার কিছু আলামত হাদিসে পাওয়া যায়। তা নিন্মরুপঃ
(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
.
.
রেফারেন্স: [সহীহ ইবনু খুযাইমাহঃ ২১৯০, সহীহ বুখারীঃ ২০২১, সহীহ মুসলিমঃ ৭৬২]
©©©©
@PathwayToNoor
(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।
(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।
(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।
(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।
(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
.
.
রেফারেন্স: [সহীহ ইবনু খুযাইমাহঃ ২১৯০, সহীহ বুখারীঃ ২০২১, সহীহ মুসলিমঃ ৭৬২]
©©©©
@PathwayToNoor
❤19❤🔥2🔥1🥰1