নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🥰5❤3🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🥰1🤣1
🌼🌸🌷জেনে নিন রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের আমল-🌸🌼🌷
১. তওবা ও ইস্তিগফার বৃদ্ধি করা
রমজানের দ্বিতীয় দশক হলো মাগফিরাত বা আল্লাহর ক্ষমা লাভের বিশেষ সময়। এই সময়ে আমাদের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য তাঁর দরবারে প্রার্থনা করা।
তওবা করার পদ্ধতি:
প্রথমে নিজের কৃত গুনাহ সম্পর্কে অনুতপ্ত হওয়া
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
১. তওবা ও ইস্তিগফার বৃদ্ধি করা
রমজানের দ্বিতীয় দশক হলো মাগফিরাত বা আল্লাহর ক্ষমা লাভের বিশেষ সময়। এই সময়ে আমাদের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য তাঁর দরবারে প্রার্থনা করা।
তওবা করার পদ্ধতি:
প্রথমে নিজের কৃত গুনাহ সম্পর্কে অনুতপ্ত হওয়া
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
❤13🔥1🥰1🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🥰1🤣1
ইফতারের সময় রোযাদারের দো‘আ:
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ
উচ্চারণ: যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হ
অর্থ: পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ্ চান তো সওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭)
©️
@PathwayToNoor...🍁
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللّٰهُ
উচ্চারণ: যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হ
অর্থ: পিপাসা মিটেছে, শিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহ্ চান তো সওয়াব সাব্যস্ত হয়েছে।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২৩৫৭)
©️
@PathwayToNoor...🍁
❤14🔥1🤣1
রোজা রেখেও যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা,অশ্লী'লতা ছাড়তে পারল না তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহ তায়ালার কিছুই যায় আসে না
(সহীহ্ বুখারী,৬০৫৭)
@PathwayToNoor
(সহীহ্ বুখারী,৬০৫৭)
@PathwayToNoor
😢25❤7❤🔥1🤣1
বৃহস্পতিবার মাগরিব থেকে জুমু'আর দিনের মাগরিবের আগ পর্যন্ত প্রতিটি সেকেন্ড নেকি ও সওয়াবের একেকটি ভান্ডার।
অতএব (পুরো সময়টাতে যত বেশি সম্ভব) রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি দরুদ পাঠ করুন।
— ইমাম ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লাহ
📌اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد (ﷺ)
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ (ﷺ)কে রহমত ও শান্তি দান করুন।
@PathwayToNoor🌼🦋💌
অতএব (পুরো সময়টাতে যত বেশি সম্ভব) রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রতি দরুদ পাঠ করুন।
— ইমাম ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লাহ
📌اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد (ﷺ)
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ (ﷺ)কে রহমত ও শান্তি দান করুন।
@PathwayToNoor🌼🦋💌
❤12❤🔥1🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤4❤🔥1🥰1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বংস করে দিন, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤2❤🔥1
📌📌 শুক্রবার বেশি বেশি দুরুদ শরীফ ও সূরা কাহফ রিমাইন্ডারঃ
আজ অন্য দিনের তুলনায় অধিক পরিমাণে দুরুদ শরীফ পড়া। সবথেকে উত্তম দুরুদ হলো দুরুদে ইবরাহিম।
اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَ إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ،
اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা ছ্বল্লাইতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।
আল্লহুম্মা বারিক 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা বারকতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।
এছাড়া যেকোনো ছোট বিশুদ্ধ দুরুদ ও পড়তে পারেন।
✅ ছ্বল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
✅ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মাদ।
✅ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
এগুলো সবচেয়ে ছোট দুরুদ। মাগরিবের আগেই কমপক্ষে ১০০০/২০০০/৫০০০/১০,০০০ বার পড়ে নিবেন ইনশাআল্লহ। খুব বেশি সময় লাগবে না পড়তে। ১০০০ বার ছোট দুরুদ পড়তে সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ মিনিট লাগবে।
যত বেশি পড়বেন ততই ফায়দা হবে।
যেহেতু আজ শুক্রবার, অর্থাৎ বেশি থেকে বেশি দুরুদ শরীফ পড়ার দিন।
তাই কয়েক হাজার বার ছোট দুরুদ পড়ার পাশাপাশি অন্তত ১০০/২০০/৩০০ বার হলেও দুরুদে ইবরাহিম পড়বেন ইনশাআল্লাহ্। ওটাই হলো শ্রেষ্ঠ এবং উত্তম দুরুদ।
দুরুদের ফজিলত 👇
একবার দুরুদ শরীফ পড়লে ১০ টি নেকি পাওয়া যায়, ১০ টি গুনাহ মাফ হয়, ১০ টি রহমত নাজিল হয়, মর্যাদা ১০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়। আপনি যদি সর্বাবস্থায় দুরুদ কে আঁকড়ে ধরেন। তাহলে আপনার যাবতীয় দুশ্চিন্তা, পেরেশানি থেকে বের হওয়ার জন্য এই দুরুদই আপনার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। আপনার সমস্ত কবুল না হওয়া দোয়া আস্তে আস্তে কবুল হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। দুরুদের ফজিলত বলে শেষ করা যাবে না।
এবং বিশেষ ফজিলত,
বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরিবের আগ পর্যন্ত যতবার দুরুদ পড়বেন তা শুক্রবার
মাগরিবের পর রাসুল সাঃ এর কাছে আপনার নাম ধরে পেশ করা হবে যে আপনি এতবার দুরুদ শরীফ পাঠ করেছেন।
সুবহানআল্লাহ্ এর থেকে উত্তম আর কি হতে পারে?
তাই অনবরত দুরুদ পড়তেই থাকুন এবং মাগরিবের আগেই সুরা কাহফ পাঠ করতে ভুলবেন না ইনশাআল্লহ্।
যেসকল আপুরা পিরিয়ড অবস্থায় আছেন, সূরা কাহ্ফ তিলাওয়াত করতে পারছেন না। তারা ইউটিউব দেখে পুরো সূরা কাহ্ফ টা তিলাওয়াত শুনে নিবেন।
তাতেও সমপরিমাণ সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ্
@PathwayToNoor❤️🦋🌸
আজ অন্য দিনের তুলনায় অধিক পরিমাণে দুরুদ শরীফ পড়া। সবথেকে উত্তম দুরুদ হলো দুরুদে ইবরাহিম।
اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَ إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ،
اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى اٰلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى اٰلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ
উচ্চারণঃ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা ছ্বল্লাইতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।
আল্লহুম্মা বারিক 'আলা মুহাম্মদ। ওয়া 'আলা আলি মুহাম্মদ। কামা বারকতা 'আলা ইবরহিম। ওয়া 'আলা আলি ইবরহিম। ইন্নাকা হামিয়দুম মাজীদ।
এছাড়া যেকোনো ছোট বিশুদ্ধ দুরুদ ও পড়তে পারেন।
✅ ছ্বল্লাল্লহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
✅ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি 'আলা মুহাম্মাদ।
✅ আল্লহুম্মা ছ্বল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।
এগুলো সবচেয়ে ছোট দুরুদ। মাগরিবের আগেই কমপক্ষে ১০০০/২০০০/৫০০০/১০,০০০ বার পড়ে নিবেন ইনশাআল্লহ। খুব বেশি সময় লাগবে না পড়তে। ১০০০ বার ছোট দুরুদ পড়তে সর্বোচ্চ ৩৫/৪০ মিনিট লাগবে।
যত বেশি পড়বেন ততই ফায়দা হবে।
যেহেতু আজ শুক্রবার, অর্থাৎ বেশি থেকে বেশি দুরুদ শরীফ পড়ার দিন।
তাই কয়েক হাজার বার ছোট দুরুদ পড়ার পাশাপাশি অন্তত ১০০/২০০/৩০০ বার হলেও দুরুদে ইবরাহিম পড়বেন ইনশাআল্লাহ্। ওটাই হলো শ্রেষ্ঠ এবং উত্তম দুরুদ।
দুরুদের ফজিলত 👇
একবার দুরুদ শরীফ পড়লে ১০ টি নেকি পাওয়া যায়, ১০ টি গুনাহ মাফ হয়, ১০ টি রহমত নাজিল হয়, মর্যাদা ১০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়। আপনি যদি সর্বাবস্থায় দুরুদ কে আঁকড়ে ধরেন। তাহলে আপনার যাবতীয় দুশ্চিন্তা, পেরেশানি থেকে বের হওয়ার জন্য এই দুরুদই আপনার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। আপনার সমস্ত কবুল না হওয়া দোয়া আস্তে আস্তে কবুল হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। দুরুদের ফজিলত বলে শেষ করা যাবে না।
এবং বিশেষ ফজিলত,
বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরিবের আগ পর্যন্ত যতবার দুরুদ পড়বেন তা শুক্রবার
মাগরিবের পর রাসুল সাঃ এর কাছে আপনার নাম ধরে পেশ করা হবে যে আপনি এতবার দুরুদ শরীফ পাঠ করেছেন।
সুবহানআল্লাহ্ এর থেকে উত্তম আর কি হতে পারে?
তাই অনবরত দুরুদ পড়তেই থাকুন এবং মাগরিবের আগেই সুরা কাহফ পাঠ করতে ভুলবেন না ইনশাআল্লহ্।
যেসকল আপুরা পিরিয়ড অবস্থায় আছেন, সূরা কাহ্ফ তিলাওয়াত করতে পারছেন না। তারা ইউটিউব দেখে পুরো সূরা কাহ্ফ টা তিলাওয়াত শুনে নিবেন।
তাতেও সমপরিমাণ সওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ্
@PathwayToNoor❤️🦋🌸
❤8❤🔥3