নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🤣1
Forwarded from Pathway To Noor
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
[“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”]
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
[“আস্তাগফিরুল্লা-হ”]
অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন।
আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো ধ্বংস করে দিন, আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤10🔥1🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🥰1🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🥰5❤3🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3🤣1
নিয়মিত মেনে চলার চেষ্টা করুন..
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤5🥰1🤣1
🌼🌸🌷জেনে নিন রমজানের দ্বিতীয় ১০ দিনের আমল-🌸🌼🌷
১. তওবা ও ইস্তিগফার বৃদ্ধি করা
রমজানের দ্বিতীয় দশক হলো মাগফিরাত বা আল্লাহর ক্ষমা লাভের বিশেষ সময়। এই সময়ে আমাদের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য তাঁর দরবারে প্রার্থনা করা।
তওবা করার পদ্ধতি:
প্রথমে নিজের কৃত গুনাহ সম্পর্কে অনুতপ্ত হওয়া
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
১. তওবা ও ইস্তিগফার বৃদ্ধি করা
রমজানের দ্বিতীয় দশক হলো মাগফিরাত বা আল্লাহর ক্ষমা লাভের বিশেষ সময়। এই সময়ে আমাদের উচিত আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য তাঁর দরবারে প্রার্থনা করা।
তওবা করার পদ্ধতি:
প্রথমে নিজের কৃত গুনাহ সম্পর্কে অনুতপ্ত হওয়া
সত্যিকারের মন থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া
ভবিষ্যতে ওই গুনাহ পুনরায় না করার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা
যদি গুনাহের কারণে কারো প্রতি অন্যায় করা হয়ে থাকে, তবে তাকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া বা তার হক ফিরিয়ে দেওয়া
🌹🌷💌💌ইস্তিগফারের দোয়া-
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’আফু ‘আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে ভালোবাসো, তাই আমাকে ক্ষমা করো।
🌹🌷💌💌অন্য একটি ইস্তিগফারের দোয়া-
أستغفر الله الذي لا إله إلا هو الحي القيوم وأتوب إليه
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহাল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া কোনো সত্যিকারের উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বত্র বিরাজমান। আমি তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
💌💌🌼🌸২. তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা-
তাহাজ্জুদ নামাজ হলো রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। এটি আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অর্জনের শ্রেষ্ঠ উপায়। বিশেষত রমজানের দ্বিতীয় দশকে এই নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত, কারণ এটি গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটবর্তী আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন— `কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার দোয়া কবুল করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করবো?’ (বুখারি, মুসলিম)
💌💌🌼🌸৩. কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা
রমজান হলো কুরআন নাজিলের মাস। তাই এই মাসে আমাদের বেশি বেশি কুরআন পড়া উচিত, অর্থ বুঝে পড়া উচিত এবং কুরআনের শিক্ষা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করা উচিত।
কুরআন তিলাওয়াতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক-
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের অর্থ ও ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করা
কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনের চেষ্টা করা
তিলাওয়াতের পর কুরআনের দোয়া ও জিকির করা
উত্তম আমল-
প্রতিদিন অন্তত এক পারা কুরআন তিলাওয়াত করা
কুরআনের ছোট ছোট সূরা মুখস্থ করার অভ্যাস গড়ে তোলা
💌💌🌸🌼৪. দোয়া ও জিকির করা-
রমজানের দ্বিতীয় দশক দোয়া ও জিকিরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটি মাগফিরাতের সময়, তাই এই সময় বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।
১.ইস্তেগফার -১০০০ বার(উপরে ২টা দেওয়া আছে)
২.দরুদ -১০০বার
৩.দোয়া ইউনুস -১০০বার
৪.ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম-১০০বার
৫.সুবহানাল্লাহ -১০০ বার
৬. আলহামদুলিল্লাহ -১০০বার
৭.আল্লাহ আকবর -১০০বার
৮.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা
বিল্লাহ -১০০বার
৯.সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি
সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম
১০.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির -১০০বার
১১.সুরা ফাতিহা -৭বার
১২. সুরা ইখলাস -৩ বার
১৩.সুরা ফালাক-৩বার
১৪.সুরা নাস-৩ বার
১৫.সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন
-৭ বার
১৬.হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম - ৭ বার
১৭.আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭
১৮.আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার" -৭বার
১৯.লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ -১০০বার
*যতবেশি সম্ভব হয় পড়বেন.****......
@PathwayToNoor....🌼🦋
❤13🔥1🥰1🤣1