Notes Hour
3.75K subscribers
73 photos
2 files
91 links
একাডেমিক নোট শেয়ারের উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম!

📲 𝐒𝐞𝐧𝐝 𝐔𝐬 𝐅𝐞𝐞𝐝𝐁𝐚𝐜𝐤: @pHFeedBackBot

✅ 𝗔𝗿𝗿𝗮𝗻𝗴𝗲𝗱 𝗯𝘆: @Study_on_Telegram

©️একটি 𝗘ɴᴄʀʏᴘᴛᴇᴅ 𝗘ᴅᴜ প্রতিষ্টান
Download Telegram
✦ Notes Hour ✦ [Join:https://t.me/NotesHour]
রক্তে হিম ও গ্লোবিনের অনুপাত কত?
Anonymous Quiz
22%
১:২৫
44%
২৫:১
33%
১:১
0%
১০:১
✦ Notes Hour ✦ [Join:https://t.me/NotesHour]
লোহিত রক্তকণিকার প্রধান উৎসস্থল কোনটি?
Anonymous Quiz
10%
প্লীহা
80%
লাল অস্থিমজ্জা
10%
যকৃত
0%
লসিকা গ্রন্থি
✦ Notes Hour ✦ [Join:https://t.me/NotesHour]
রক্তে RBC ও WBC এর অনুপাত কত?
Anonymous Quiz
0%
১০০:১
75%
৬০০:১
25%
২৫:১
0%
১০:১
✦ Notes Hour ✦ [Join:https://t.me/NotesHour]
একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের RBC এর স্বাভাবিক সংখ্যা কত?
Anonymous Quiz
0%
৪৪–৪৯ লক্ষ
38%
৬০–৭০ লক্ষ
38%
৫০–৫৪ লক্ষ
25%
৮০–৯০ লক্ষ
?/১৫
আজকের টপিক : "তোমায় হৃদ মাঝারে রাখবো, ছেড়ে দেবো না"

জ্বি
,ঠিকই পড়েছেন। আজকের কথাবার্তা রক্ততঞ্চন নিয়ে। ক্ষতস্থান থেকে রক্ত ঝড়লে অণুচক্রিকা ও প্লাজমা প্রোটিন কীভাবে তা বন্ধের কাজ করে, তা নিয়েই আজকের এই নোট।

আমরা জানি, যখনি আমাদের শরীরের কোথাও কেটে যায়, তখন দেহের রক্তে থাকা অণুচক্রিকা(platelate)গুলো উক্ত ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধের জন্য কাজ শুরু করে।
এ প্রক্রিয়াকে বলে রক্ত তঞ্চন(blood clotting).
এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অনুচক্রিকা ও রক্তরসে থাকা ১৩ টি ক্লটিং ফ্যাক্টর। এই নোটটিতে এসব ফ্যাক্টর নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হবে।

এসব ক্লটিং ফ্যাক্টরের ভিতর প্রথম ৪ টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।


১.ফাইব্রিনোজেন : গ্লোবিউলিন জাতীয় প্রোটিন, যা ফাইব্রিন জালকে পরিণত হয়।

২. প্রোথ্রম্বিন : vit-k এর উপস্থিতিতে থ্রম্বিনে পরিণত হয়।

৩.থম্ব্রোপ্লাস্টিন : ভাঙ্গা অনুচক্রিকা থেকে নিঃসৃত এই ফ্যাক্টর(এক ধরনের লিপো প্রোটিন) সহায়তায় ক্যালসিয়ামের
সহায়তায় প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে পরিনত করে।

৪.ক্যালসিয়াম : থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সহায়তা ও থ্রম্বিন রূপান্তর।

৫. ল্যাবাইল ফ্যাক্টর বা প্রো অ্যাকসেলারিং: প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রুপান্তরে কাজ করে।

৬.অ্যাকসেলারিন: প্রকল্পিত।

৭.স্টেবল ফ্যাক্টর /প্রো কনভার্টিন: থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।

৮.অ্যান্টিহিমোফিলিক ফ্যাক্টর : থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।

৯.ক্রিস্টমাস ফ্যাক্টর :থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।

P.O.V: এই ৮ নং ফ্যাক্টরের অভাবে হিমোফিলিয়া A এবং ৯ নং ফ্যাক্টরের অভাবে হিমোফিলিয়া B রোগ হয়ে থাকে।

১০. স্টুয়ার্ট ফ্যাক্টর: এর রাসায়নিক উপাদান VII এর মতোই। এর অভাবে রক্ত তঞ্চন ব্যাহত হয়।

১১.প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিন: থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।

১২.হ্যাগম্যান ফ্যাক্টর: ক্যালিক্রেইন(kallikrein)সক্রিয় করে প্লাজমাকাইনিন তৈরি করে রক্তনালীর সম্প্রসারণশীলতা ও ভেদ্যতা বাড়ায়।

১৩.ফাইব্রিন স্টেবিলাইজিং ফ্যাক্টর: ক্যালসিয়াম আয়নের সহায়তায় নরম রক্ত পিণ্ডকে অদ্রবনীয় কঠিন পিন্ডে পরিণত করে।
লক্ষনীয় যে, ৩ থেকে ৫ পর্যন্ত ফ্যাক্টর গুলো প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রুপান্তর করে আর ৭ থেকে ১১ পর্যন্ত ফ্যাক্টর গুলো থ্রম্বোপ্লাস্টিন উৎপাদনে সাহায্য করে।


ক্ষত নিরাময়ের উদ্দেশ্যে যেকোনো উপায়ে রক্তপাত ধীরকরণ এবং বন্ধের প্রক্রিয়া হলো হিমোস্ট্যাসিস(hemostasis).


রক্ত জমাট বাধা শেষ হলে জমাট থেকে যে হলুদ তরল বেরিয়ে আসে তাকে সিরাম (serum)বলে।

রক্ত বাহিকার পুনর্গঠন হলে প্লাজমিন এনজাইম ফাইব্রিন জালক ধ্বংস করে।


দেহটাকে নিয়ে গত রক্ত জমাট বাধার সময়কালকে রক্ত তঞ্চন কাল বলে।
রক্ত তঞ্চল কাল ৩-৮ মিনিট।


রক্তক্ষরণ কাল ➤ ১-৪ মিনিট( গাজী আজমল স্যার) অথবা ৪-৫ মিনিট (আলিম স্যার)।


সংগৃহীত : প্রাণিবিজ্ঞান by গাজী আজমল স্যার।
❤5
পোলাপান, আজকে কোন বিষ্যের উপর নোট চাই তোমাদের? কমেন্টে জানাও।

আজ ডিশিসন তোমরা দাও। @all
আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করি ভালো আছো।

আজকে তোমাদের একটা গল্প বলবো। গল্পটা জাহিদ নামক এক যুবককে নিয়ে। সে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে। আজকেও কোনো ব্যতিক্রম হয় নি। সে উঠলো, ফ্রেশ হলো, নামাজ পড়লো। এরপর তার আজকের কাজ গুলোর পরিকল্পনা করে নিলো। আজকে সে কাজ সেরে শপিংমলে যাবে। কিন্তু আজ বাহিরে অনেক গরম। তাই যখন সে তার কাজ সেরে কেনাকাটা করতে যাচ্ছে, তখন আবার দুপুর হয়ে গেছে। একে তো তীব্র রোদে ঘেমে একাকার, সাথে তৃষ্ণা ও ক্ষুদায় কাহিল সে। এর মাঝে জ্যাম এ আটকে তো তার মেজাজ সপ্তমে। রাস্তায় এক অ্যাক্সিডেন্টের কারনে এই দীর্ঘ জ্যাম। তার এইসব বেপোরোয়া চালকদের উপর ঘৃণা জন্মালো। এইদিকে বসে থাকতে থাকতে তার শরীর ব্যাথা করা(পীড়ন)শুরু করলো।
যাইহোক, সে শেষমেশ শপিংমলে গিয়ে পৌছালো। শপিংমলের এসির বাতাসে তার সব রাগ মুছে গেলো এবং ভালোলাগা শুরু করলো। গরমে তার রক্তচাপ(blood pressure)বেড়ে গিয়েছিল, যা এখন নরমাল হয়ে এসেছে।

কী? এতক্ষণ ধরে কী আজব ও বোরিং গল্প বললাম, তাই না?

এটার ভিতরেই আছে ম্যাজিক। এই গল্পে বোল্ড অক্ষরে মূলত আমাদের অগ্রমস্তিস্কের হাইপোথ্যালামাসের কাজগুলো উল্লেখ করা আছে।

আজকের নোট: হাইপোথ্যালামাস ও এর কাজ।


✘ হাইপোথ্যালামাস কি?

⇨হাইপোথ্যালামাস (hypothallamus) হচ্ছে থ্যালামাসের নিচে অবস্থিত, গ্রে-ম্যাটার নির্মিত একটি অংশ, যা অন্তত ১২ টি খন্ডে /অংশে বিভক্ত থাকে। এসব অংশ সুনির্দিষ্ট কাজে নিযুক্ত থাকে।এটি লিম্বিক সিস্টেমের মুল অংশ। {লিম্বিক সিস্টেম:(limbic system; আচরণগত ও আবেগ সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ন্ত্রণ করে।)}

কাজ :
(i)স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র করে (স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্র : যে সকল স্নায়ুকেন্দ্র কাজ করে নিজে নিজে,কোন ঐচ্ছিক শক্তি প্রয়োজন পড়ে না )।
(ii) দেহ তাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
(iii)ক্ষুদা, তৃষ্ণা, ঘাম,ঘুম, পীড়ন, ঘৃণা, উদ্বেগ,ভালোলাগা ইত্যাদির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
(iv)রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
(v)অন্তক্ষরা গ্রন্থির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
(vi)bhasopresen ও Oxytocin নামক নিউরো হরমোন সরাসরি ক্ষরিত হয়। এটি পশ্চাৎ পিটুইটারিতে জমা থাকে।

সাধারণত হরমোন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হচ্ছে ভ্যাসোপ্রেসিন ও অক্সিটোসিন। এরা হাইপোথ্যালামাস থেকে নিঃসৃত হয়।


সংগৃহীত : প্রাণিবিজ্ঞান, গাজী আজমল স্যার।
অধ্যায় : ০৮( মানব শরীরতত্ত্ব: সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ)।
দুঃখিত। আজকে নোট দিতে দেরি হয়ে গেলো।
লসিকাতন্ত্র (Lymphatic System) — HSC পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নোট

ভূমিকা:
লসিকাতন্ত্র হলো দেহের একটি সহায়ক সঞ্চালনতন্ত্র, যা লসিকা (Lymph) নামক বর্ণহীন তরল, লসিকানালি, লসিকাগ্রন্থি ও কিছু অঙ্গ নিয়ে গঠিত। এটি দেহের প্রতিরক্ষা, তরল ভারসাম্য রক্ষা ও চর্বি শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. লসিকা (Lymph)
সংজ্ঞা
রক্তের প্লাজমা কৈশিক নালির প্রাচীর দিয়ে বের হয়ে টিস্যুর ফাঁকে যে তরল তৈরি করে, তার একাংশ লসিকানালিতে প্রবেশ করলে তাকে লসিকা বলে।
বৈশিষ্ট্য:
বর্ণহীন বা হালকা হলুদ
RBC নেই
WBC (বিশেষত লিম্ফোসাইট) আছে
প্রোটিন কম
জমাট বাঁধার ক্ষমতা কম

উপাদান:
পানি,লবণ,গ্লুকোজ,কিছু প্রোটিন,লিম্ফোসাইট,চর্বিকণা (বিশেষত ক্ষুদ্রান্ত্রে)।

২. লসিকাতন্ত্রের অংশসমূহ
ক) লসিকানালি (Lymph vessels):সূক্ষ্ম নালি যা লসিকা বহন করে,একমুখী ভালভ থাকে,শেষে শিরায় গিয়ে মিশে।
খ) লসিকাগ্রন্থি (Lymph nodes):
ছোট গোলাকার গঠন
ঘাড়, বগল, কুঁচকি ইত্যাদিতে বেশি থাকে
জীবাণু ছেঁকে ফেলে
গ) প্রধান লসিকানালি
১. Thoracic duct
দেহের অধিকাংশ অংশের লসিকা বহন করে
২. Right lymphatic duct:ডান হাত, ডান বক্ষ ও ডান মাথার অংশের লসিকা বহন করে।
৩. লসিকাতন্ত্রের অঙ্গসমূহ:
Primary lymphoid organs
ক) Bone marrow:লিম্ফোসাইট উৎপন্ন হয়।
খ) Thymus:T-lymphocyte পরিপক্ব হয়।
Secondary lymphoid organs:
ক) Spleen (প্লীহা):পুরাতন RBC ধ্বংস করে
রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
খ) Tonsil:মুখ ও গলার জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে।
গ) Peyer’s patches:ক্ষুদ্রান্ত্রে থাকে।

৪. লসিকাতন্ত্রের কাজ:
(i) টিস্যু তরল রক্তে ফেরত পাঠানো:অতিরিক্ত টিস্যু তরল সংগ্রহ করে রক্তে ফিরিয়ে দেয়।
(ii) রোগ প্রতিরোধ:লিম্ফোসাইট তৈরি করে অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে।
(iii)চর্বি শোষণ:ক্ষুদ্রান্ত্রের lacteal দ্বারা চর্বি শোষণ করে।
৪. বর্জ্য অপসারণে সহায়তা।

৫. লসিকা ও রক্তের পার্থক্য:

বৈশিষ্ট্য লসিকা রক্ত
রঙ বর্ণহীন লাল
RBC নেই আছে
WBC আছে আছে
প্রোটিন কম বেশি
প্রবাহ ধীর দ্রুত

৬. গুরুত্বপূর্ণ রোগ:
Elephantiasis (ফাইলেরিয়াসিস):
ফাইলেরিয়া কৃমি লসিকানালি বন্ধ করে দেয়।
অঙ্গ ফুলে যায়।
Lymphadenitis:লসিকাগ্রন্থির প্রদাহ।
Tonsillitis:টনসিলের প্রদাহ।

৭. HSC পরীক্ষার জন্য মুখস্থযোগ্য তথ্য
লসিকার প্রধান কোষ = লিম্ফোসাইট
লসিকা চর্বি শোষণ করে = ক্ষুদ্রান্ত্রের lacteal
T-cell পরিপক্ব হয় = Thymus
পুরাতন RBC ধ্বংস হয় = Spleen
লসিকা শেষে মিশে = Subclavian vein

৮. সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন(খ এর জন্য)
লসিকা কী?
লসিকাগ্রন্থির কাজ কী?
থাইমাসের কাজ কী?
প্লীহার দুটি কাজ লিখ।
Elephantiasis কীভাবে হয়?
৯. এক লাইনের ট্রিক
Lymph = Defence + Drainage + Fat absorption
(প্রতিরক্ষা + অতিরিক্ত তরল অপসারণ + চর্বি শোষণ)
❤2
দুঃখিত ভাইয়েরা, এই দুইদিন ঝড়ো বৃষ্টির জন্য বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ায় ঠিকভাবে নোটস পৌছাতে পারি নি তোমাদের নিকট। ইনশাআল্লাহ, কাল থেকে চেষ্টায় থাকবো সময়মতো নোটস provide করতে।
❤2😢2
তাপগতিবিদ্যা (Thermodynamics) — HSC + Admission Focused Note:
(আমির হোসেন স্যারের বইভিত্তিক)

১. তাপগতিবিদ্যা কী?
পদার্থবিজ্ঞানের যে শাখায় তাপ, কাজ, শক্তি ও এদের পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা করা হয় তাকে তাপগতিবিদ্যা বলে।

২. মৌলিক ধারণা:
➤সিস্টেম (System):যে নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সিস্টেম বলে।
➤পরিবেশ (Surroundings):সিস্টেমের বাইরে যা কিছু আছে।
➤সীমানা (Boundary):সিস্টেম ও পরিবেশের বিভাজক রেখা/পৃষ্ঠ।

৩. সিস্টেমের প্রকারভেদ:
➤উন্মুক্ত সিস্টেম (Open System):ভর ও শক্তি উভয় আদান-প্রদান করতে পারে।
➤বন্ধ সিস্টেম (Closed System):শুধু শক্তি আদান-প্রদান করে, ভর নয়।
➤বিচ্ছিন্ন সিস্টেম (Isolated System):না ভর, না শক্তি—কিছুই আদান-প্রদান করে না।

৪. তাপগতীয় চলক (Thermodynamic Variables)
চাপ (P)
আয়তন (V)
তাপমাত্রা (T)
ভর (m)

৫. সমীকরণ অবস্থা (Equation of State)
আদর্শ গ্যাসের জন্য:
যেখানে,
P = চাপ
V = আয়তন
n = মোল সংখ্যা
R = গ্যাস ধ্রুবক
T = তাপমাত্রা

৬. অভ্যন্তরীণ শক্তি (Internal Energy)
অণুসমূহের মোট গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সমষ্টি হলো অভ্যন্তরীণ শক্তি।
চিহ্ন: U

৭. কাজ (Work Done)
গ্যাস প্রসারিত হলে কাজ করে।
W=PΔV
শুধু স্থির চাপে প্রযোজ্য।

৮. তাপ (Heat)
তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে যে শক্তি সঞ্চালিত হয় তাকে তাপ বলে।
চিহ্ন: Q

৯. তাপগতিবিদ্যার শূন্যতম সূত্র
যদি A ও B পৃথকভাবে C এর সাথে তাপীয় সাম্যাবস্থায় থাকে, তবে A ও B পরস্পরের সাথেও সাম্যাবস্থায় থাকবে।
ব্যবহার: তাপমাত্রা নির্ণয়, থার্মোমিটার।

১০. তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র
শক্তির নিত্যতা সূত্রের তাপীয় রূপ।
সিস্টেমে সরবরাহকৃত তাপ = অভ্যন্তরীণ শক্তির বৃদ্ধি + সিস্টেম কর্তৃক কৃত কাজ
Q= ΔU+W

অথবা,
ΔU=Q-W

১১. প্রথম সূত্রের বিশেষ অবস্থা

সমআয়তন প্রক্রিয়া (Isochoric)

আয়তন স্থির,
তাই
ΔV = 0, W = 0
সুতরাং,
Q=ΔU
সমচাপ প্রক্রিয়া (Isobaric)
চাপ স্থির।
W=PΔV
সমতাপ প্রক্রিয়া (Isothermal)
তাপমাত্রা স্থির।
আদর্শ গ্যাসের জন্য:
U=0
তাই,
Q=W
রুদ্ধতাপ প্রক্রিয়া (Adiabatic)
কোন তাপ আদান-প্রদান হয় না।
Q=0
তাই,
�
ΔU= -W


১২. তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র
তাপ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুর দিকে যায়, বিপরীত দিকে নয়।
Kelvin-Planck Statement
একটি ইঞ্জিন প্রাপ্ত সব তাপকে সম্পূর্ণ কাজে রূপান্তর করতে পারে না।
Clausius Statement
শীতল বস্তু থেকে উষ্ণ বস্তুর দিকে তাপ নিজে নিজে যেতে পারে না।

১৩. তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine)
উষ্ণ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে কিছু কাজ করে, বাকিটা শীতল উৎসে ত্যাগ করে।
দক্ষতা,

�
(tau)= W/Qh =(Qh-Qc)/Qh


১৪. রেফ্রিজারেটর
বাহ্যিক কাজের সাহায্যে ঠান্ডা স্থান থেকে গরম স্থানে তাপ স্থানান্তর করে।

COP=Qc/W

১৫. কার্নো ইঞ্জিন
আদর্শ সর্বোচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন তাপ ইঞ্জিন।
দক্ষতা:
�
(tau)=1-Tc/Th.

(T কেলভিনে)

১৬. গুরুত্বপূর্ণ গ্রাফ
P-V graph এর নিচের ক্ষেত্রফল = কাজ
সমচাপ রেখা = অনুভূমিক
সমআয়তন রেখা = উল্লম্ব
সমতাপ রেখা = Hyperbola
১৭. HSC পরীক্ষায় বেশি আসা প্রশ্ন
প্রথম সূত্র লিখ।
Adiabatic process কী?
Isothermal এ ΔU = 0 কেন?
Heat engine efficiency নির্ণয় কর।
Carnot engine কী?
PV graph থেকে কাজ নির্ণয় কর।

১৮. Admission Shortcut:
Monoatomic gas:
�
U= 3/2nRT

Diatomic gas:
�
U=5/2nRT

1st law মনে রাখো: Heat in = Increase U + Work out
Isothermal: temperature fixed
Adiabatic: heat fixed at zero

১৯. Common Confusion
Q = 0 মানে তাপ নেই না, তাপ আদান-প্রদান নেই।
ΔU = 0 মানে internal energy change নেই।
W = 0 মানে volume change নেই।

২০. শেষ মুহূর্তের রিভিশন
শূন্যতম সূত্র → তাপমাত্রা
প্রথম সূত্র → শক্তি সংরক্ষণ
দ্বিতীয় সূত্র → তাপ প্রবাহের দিক
Carnot → সর্বোচ্চ efficiency
PV graph area → Work

https://t.me/NotesHour
❤4
Dry Test (শুষ্ক পরীক্ষা)

(ক) রং দেখে শনাক্তকরণ:
লবণের রং সম্ভাব্য আয়ন
নীল ⇨ Cu²⁺
সবুজ       ⇨Fe²⁺ / Ni²⁺
হলুদ-বাদামি⇨Fe³⁺
গোলাপি ⇨Mn²⁺
সাদা ⇨Zn²⁺, Al³⁺, Na⁺

(খ) গন্ধ:
গন্ধ সম্ভাব্য আয়ন
পচা ডিম Sulfide (S²⁻)
ভিনেগার Acetate

(গ) উত্তাপে আচরণ:
CO₃²⁻ → CO₂ নির্গত
NH₄⁺ → NH₃ গ্যাস

৫. Flame Test

আয়ন শিখার রং
Na⁺ সোনালি হলুদ।
K⁺ বেগুনি।
Ca²⁺ ইট লাল।
Ba²⁺ আপেল সবুজ।
Cu²⁺ নীল-সবুজ।
Sr²⁺ Crimson red.
Admission Tip: Na এর হলুদ রং খুব common একটি MCQ.
সংগৃহীত :গুণগত রসায়ন, রসায়ন প্রথম পত্র by হাজারী ও নাগ।
📌 ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি এক্সাম ব্যাচ

✨DCU তে যারা এক্সাম দিবে, মাত্র ৭০ টাকায় এক্সাম ব্যাচ হতে পারে তোমার জন্য সেরা সিদ্ধান্ত


বিস্তারিত:
https://t.me/Study_on_Telegram/16971
Baro-receptor (রক্তচাপ গ্রাহক) — HSC + Admission Note

১. সংজ্ঞা:
বারোরিসেপ্টর হলো বিশেষ ধরনের স্ট্রেচ-সংবেদনশীল রিসেপ্টর যা রক্তনালীর দেয়ালে থাকে এবং রক্তচাপের পরিবর্তন শনাক্ত করে। এগুলো মূলত negative feedback mechanism এর মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

২. অবস্থান (Location):
মানবদেহে প্রধান বারোরিসেপ্টর দুটি স্থানে থাকে—
1)Carotid sinus (internal carotid artery-এর শুরুতে)
2)Aortic arch (মহাধমনী ধনুক অংশে)

৩. কাজের নীতি (Working Mechanism):

যখন রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়:
⇨রক্তনালীর দেয়াল বেশি প্রসারিত হয়
⇨বারোরিসেপ্টর উত্তেজিত হয়
⇨সংকেত যায় medulla oblongata (cardiac center)-এ
ফলাফল:
⇨হৃদস্পন্দন কমে (↓ heart rate)
⇨রক্তনালী প্রসারিত হয় (vasodilation)
⇨রক্তচাপ কমে

যখন রক্তচাপ কমে:
⇨রিসেপ্টরের উত্তেজনা কমে যায়
⇨medulla-তে কম সংকেত যায়
ফলাফল:
⇨হৃদস্পন্দন বাড়ে (↑ heart rate)
⇨রক্তনালী সংকুচিত হয় (vasoconstriction)
⇨রক্তচাপ বাড়ে

৪. স্নায়বিক সংযোগ (Nerve Pathway):
Carotid sinus → Glossopharyngeal nerve (CN IX)
Aortic arch → Vagus nerve (CN X)

৫. গুরুত্ব (Importance):
√তাৎক্ষণিকভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
√মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ স্থিতিশীল রাখে
√হঠাৎ দাঁড়ালে (postural change) মাথা ঘোরা প্রতিরোধ করে

৬. Clinical / Admission Point:
Baroreceptor reflex খুব দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী BP নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা kidney (RAAS system) নেয়
Hypertension হলে baroreceptor sensitivity কমে যেতে পারে
Syncope (অজ্ঞান হওয়া) অনেক সময় baroreceptor reflex-এর সাথে সম্পর্কিত

৭. Quick Revision (MAT Shortcut)
“Stretch receptor → BP control”
High BP → ↓ HR, vasodilation
Low BP → ↑ HR, vasoconstriction
Location → Carotid sinus + Aortic arch
Nerve → CN IX + CN X
❤1
বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যবহার (HSC + Admission প্রস্তুতির জন্য)

১. রেডিও তরঙ্গ (Radio Waves):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: সবচেয়ে বেশি (≈ 10³ m – 10⁻¹ m)
ব্যবহার:
রেডিও ও টেলিভিশন সম্প্রচার
মোবাইল যোগাযোগ
স্যাটেলাইট যোগাযোগ
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
শক্তি কম, দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে বেশি।

২. মাইক্রোওয়েভ (Microwaves):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ≈ 10⁻¹ m – 10⁻³ m
ব্যবহার:
মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করা
রাডার (Radar) সিস্টেম
স্যাটেলাইট ও ওয়্যারলেস যোগাযোগ
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
পানি অণুকে উত্তেজিত করে তাপ উৎপন্ন করে।

৩. অবলোহিত রশ্মি (Infrared Rays):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ≈ 10⁻³ m – 7×10⁻⁷ m
ব্যবহার:
রিমোট কন্ট্রোল (TV, AC)
নাইট ভিশন ক্যামেরা
থেরাপিতে (Heat therapy)
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
তাপ বহন করে।

৪. দৃশ্যমান আলো (Visible Light):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ≈ 400 nm – 700 nm
ব্যবহার:
মানব চোখে দেখা
ফটোগ্রাফি
অপটিক্যাল যন্ত্র (microscope, telescope)
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
একমাত্র অংশ যা চোখে দেখা যায়।

৫. অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Rays):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ≈ 400 nm – 10 nm
ব্যবহার:
জীবাণুনাশক (Sterilization)
ভিটামিন D উৎপাদনে সহায়তা
নোট যাচাই (Fake note detection)
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
বেশি শক্তি, ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. এক্স-রে (X-rays):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ≈ 10 nm – 0.01 nm
ব্যবহার:
চিকিৎসায় হাড় পরীক্ষা (X-ray imaging)
বিমানবন্দরে নিরাপত্তা স্ক্যান
ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার নির্ণয়
বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
দেহ ভেদ করতে পারে

৭. গামা রশ্মি (Gamma Rays):
তরঙ্গদৈর্ঘ্য: সবচেয়ে কম (< 0.01 nm)
ব্যবহার:
ক্যান্সার চিকিৎসা (Radiotherapy)
খাদ্য সংরক্ষণ (Food irradiation)
জীবাণু ধ্বংস

বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
সর্বোচ্চ শক্তি, অত্যন্ত বিপজ্জনক
দ্রুত মনে রাখার ট্রিক (MAT/Admission)
ক্রম (বড় থেকে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্য):
Radio → Microwave → Infrared → Visible → Ultraviolet → X-ray → Gamma

মনে রাখার উপায়:
"R M I V U X G"
গুরুত্বপূর্ণ কনসেপ্ট (Admission ফোকাস)
তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম ⇒ শক্তি বেশি
সম্পর্ক:
�
গামা রশ্মি সর্বোচ্চ শক্তিসম্পন্ন, রেডিও তরঙ্গ সর্বনিম্ন।

এই নোটটা HSC পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট ক্লিয়ার, আর admission preparation এর জন্যও দরকারি key points কভার করবে বলে আশা করি।
ক্রোমাটোগ্রাফি (Chromatography)

সংজ্ঞা:

যে পদ্ধতিতে কোনো মিশ্রণের উপাদানগুলোকে স্থির দশা (Stationary phase) ও গতিশীল দশা (Mobile phase)-এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন বণ্টনের মাধ্যমে পৃথক করা হয়, তাকে ক্রোমাটোগ্রাফি বলে।
“Chromatography” শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে:
Chroma = রং
Graphy = লেখা
প্রথম ব্যবহার করেন Mikhail Tsvet উদ্ভিদের রঞ্জক পৃথক করার জন্য।

মূল নীতি:
মিশ্রণের বিভিন্ন উপাদান স্থির ও গতিশীল দশার প্রতি ভিন্ন আকর্ষণ দেখায়।
যে উপাদান স্থির দশার প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, তা ধীরে অগ্রসর হয়।
আর যে উপাদান গতিশীল দশার প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, তা দ্রুত অগ্রসর হয়।
ফলে উপাদানগুলো আলাদা হয়ে যায়।

প্রধান অংশ:

১. স্থির দশা (Stationary Phase)
যে মাধ্যম স্থির থাকে।
উদাহরণ:
কাগজ
সিলিকা জেল
অ্যালুমিনা

২. গতিশীল দশা (Mobile Phase)
যে দ্রাবক বা গ্যাস চলমান থাকে।
উদাহরণ:
পানি
অ্যালকোহল
বেনজিন
গ্যাস
ক্রোমাটোগ্রাফির প্রকারভেদ:

১. কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি (Paper Chromatography):
স্থির দশা: বিশেষ ফিল্টার পেপার
গতিশীল দশা: দ্রাবক
ব্যবহার:
কালির রং পৃথক করা
অ্যামিনো অ্যাসিড শনাক্তকরণ
ধাপ
কাগজে নমুনা দাগ দেওয়া হয়।
কাগজ দ্রাবকে ডুবানো হয়।
দ্রাবক উপরে উঠতে থাকে।
বিভিন্ন উপাদান আলাদা স্থানে চলে যায়।

২. পাতলা স্তর ক্রোমাটোগ্রাফি (TLC):
পূর্ণরূপ: Thin Layer Chromatography
স্থির দশা: সিলিকা জেল/অ্যালুমিনা
গতিশীল দশা: দ্রাবক
ব্যবহার:
ওষুধ বিশ্লেষণ
জৈব যৌগ পৃথককরণ
সুবিধা:
দ্রুত কাজ করে
সংবেদনশীল
কম নমুনা লাগে

৩. কলাম ক্রোমাটোগ্রাফি (Column Chromatography):
কাচের কলামে adsorbent ভরা থাকে।
বিভিন্ন উপাদান ভিন্ন গতিতে নিচে নামে।
ব্যবহার:
জৈব যৌগ বিশুদ্ধকরণ

৪. গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি (Gas Chromatography)
গতিশীল দশা: গ্যাস
উদ্বায়ী পদার্থ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত

ব্যবহার:
পেট্রোলিয়াম শিল্প
ফরেনসিক পরীক্ষা
Rf মান (Retention Factor)
কাগজ বা TLC ক্রোমাটোগ্রাফিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ মান।
�
বৈশিষ্ট্য:
Rf এর মান সবসময় 0 থেকে 1 এর মধ্যে।
একই অবস্থায় নির্দিষ্ট পদার্থের Rf নির্দিষ্ট থাকে।

ক্রোমাটোগ্রাফির ব্যবহার:
রঞ্জক পৃথককরণ
ঔষধ বিশ্লেষণ
খাদ্যে ভেজাল নির্ণয়
রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা
জৈব যৌগ বিশুদ্ধকরণ
ফরেনসিক পরীক্ষায়

HSC ও Admission এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
গুরুত্বপূর্ণ MCQ পয়েন্ট:
Chromatography শব্দের অর্থ → রং লেখা
আবিষ্কারক → Mikhail Tsvet
Rf এর মান → 0 থেকে 1
TLC এর স্থির দশা → Silica gel/Alumina
Gas chromatography তে mobile phase → গ্যাস

শর্ট ট্রিক
Stationary phase = স্থির
Mobile phase = চলমান
বেশি adsorption → ধীরে চলবে
কম adsorption → দ্রুত চলবে

এক লাইনে মনে রাখো
“Different attraction causes different movement, and thus separation occurs.”
❤1
পরিপাকে গুরুত্বপূর্ণ হরমোনসমূহ

১. গ্যাস্ট্রিন (Gastrin)
উৎসস্থল: পাকস্থলী
কাজ:
গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণ বৃদ্ধি করে
HCl ক্ষরণ উদ্দীপিত করে
পাকস্থলীর গতি বৃদ্ধি করে
মনে রাখো:“গ্যাস্ট্রিন → Gastric juice + HCl”


২. সিক্রেটিন (Secretin)
উৎসস্থল: ডুওডেনাম
কাজ:
অগ্ন্যাশয় থেকে ক্ষারীয় রস ক্ষরণ উদ্দীপিত করে
পাকস্থলীর HCl ক্ষরণ কমায়
গুরুত্ব:
ক্ষুদ্রান্ত্রকে অতিরিক্ত অম্লতা থেকে রক্ষা করে

৩. কোলেসিস্টোকাইনিন / CCK (Cholecystokinin)
উৎসস্থল: ক্ষুদ্রান্ত্র
কাজ:
পিত্তথলিকে সংকুচিত করে
পিত্তরস নিঃসরণ ঘটায়
অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরণ বৃদ্ধি করে

মনে রাখো:“CCK → Chole অর্থ bile”


৪. সোমাটোস্ট্যাটিন (Somatostatin)
উৎসস্থল: পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়
কাজ:
পাকস্থলী ও অগ্ন্যাশয়ের রস ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে
অনেক হরমোনের ক্ষরণ দমন করে

৫. এন্টারোগ্যাস্ট্রোন (Enterogastrone)
উৎসস্থল: ক্ষুদ্রান্ত্র
কাজ:
পাকস্থলীর গতি কমায়
গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণ কমায়

৬. Peptide YY
উৎসস্থল: ক্ষুদ্রান্ত্র
কাজ:
খাদ্য গ্রহণ ধীর করে
ক্ষুধা কমায়
পরিপাকের গতি নিয়ন্ত্রণ করে

৭. Pancreatic Polypeptide (PP)
উৎসস্থল: অগ্ন্যাশয়
কাজ:
অগ্ন্যাশয়ের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে

৮. ভিলিকাইনিন (Villikinin)
কাজ:
ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাই-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে

৯. GLP (Glucagon-like Peptide)
কাজ:
ইনসুলিন ক্ষরণ বৃদ্ধি করে
রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
❤5
রাসায়নিক পরিবর্তন (Short Note)
​বিক্রিয়ার তাপ ও দিক:
• একমুখী: বিক্রিয়া কেবল একদিকে ঘটে।
• উভমুখী: উভয় দিকে ঘটে।
• তাপোৎপাদী (ΔH = -ve): তাপ উৎপন্ন হয়।
• তাপহারী (ΔH = +ve): তাপ শোষিত হয়।
​জারণ-বিজারণ (Redox):
• জারণ (Oxidation): ইলেকট্রন ত্যাগ | জারণ সংখ্যা বাড়ে।
• বিজারণ (Reduction): ইলেকট্রন গ্রহণ | জারণ সংখ্যা কমে।
• OIL RIG: Oxidation Is Loss, Reduction Is Gain.
​ জারক ও বিজারক:
• জারক: ইলেকট্রন গ্রহণ করে, নিজে বিজারিত হয়। (KMnO4, K2Cr2O7)
• বিজারক: ইলেকট্রন ত্যাগ করে, নিজে জারিত হয়। (FeSO4, H2S)
​ জারণ সংখ্যা (Rules):
• মুক্ত মৌল = 0
• H = +1 (ধাতব হাইড্রাইডে -1)
• O = -2 (পারক্সাইডে -1)
• Group-1 = +1 | Group-2 = +2
• অণুর মোট জারণ সংখ্যা = 0
​ প্রভাবক (Catalyst):
• ধনাত্মক: গতি বাড়ায় (MnO2)
• ঋণাত্মক: গতি কমায় (গ্লিসারিন)
• স্ব-প্রভাবক: বিক্রিয়াজাত পদার্থই প্রভাবক (Mn2+)
​ লা-শাতেলিঁয়ে নীতি (সাম্যাবস্থা):
• তাপমাত্রা বৃদ্ধি: তাপোৎপাদীতে উৎপাদ কমে, তাপহারীতে উৎপাদ বাড়ে।
• চাপ বৃদ্ধি: যেদিকে মোল সংখ্যা কম, সাম্য সেদিকে সরবে।
• ঘনমাত্রা বৃদ্ধি: বিক্রিয়ক বাড়ালে উৎপাদ বাড়বে।
​⇨ মনে রেখো:
• জারণ সংখ্যা বাড়লে = জারণ = বিজারক।
• জারণ সংখ্যা কমলে = বিজারণ = জারক।
• Kp ও Kc এর মান কেবল তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।