মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯ - ১৯৪৮ খ্রি.)
অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।
পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.
বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।
মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।
সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)
হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।
নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে
মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।
.সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'
বাংলায় ব্রিটিশ শাসনামল:
.বাংলার প্রথম ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড ক্লাইভ।
.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড কার্ডিয়ার।
.বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন-ওয়ারেন হেস্টিংস।
.বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেছিলেন-লর্ড কর্নওয়ালিশ (১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ)
.ভারতবর্ষের রেল যোগাযোগে ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন-লর্ড হেনরি হার্ডিঞ্জ।
.কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ করেন-লর্ড কার্জন।
.১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন-লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ - ১৯৪৮)।
..ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের গ্রহণ করে কত সালে?১৭৬০ সালে ।
.বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?১৯০৫ সালে ।
.ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়েছিল যে পরিকল্পনা মোতাবেক-১৯৪৭ এর র্যাডক্লিফ কমিশন।
.স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন-লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
.১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র্যাডক্লিফ লাইন।
অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।
পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.
বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।
মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।
সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)
হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।
নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে
মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।
.সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'
বাংলায় ব্রিটিশ শাসনামল:
.বাংলার প্রথম ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড ক্লাইভ।
.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড কার্ডিয়ার।
.বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন-ওয়ারেন হেস্টিংস।
.বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেছিলেন-লর্ড কর্নওয়ালিশ (১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ)
.ভারতবর্ষের রেল যোগাযোগে ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন-লর্ড হেনরি হার্ডিঞ্জ।
.কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ করেন-লর্ড কার্জন।
.১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন-লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ - ১৯৪৮)।
..ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের গ্রহণ করে কত সালে?১৭৬০ সালে ।
.বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?১৯০৫ সালে ।
.ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়েছিল যে পরিকল্পনা মোতাবেক-১৯৪৭ এর র্যাডক্লিফ কমিশন।
.স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন-লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
.১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র্যাডক্লিফ লাইন।
❤4
হাইড্রার সাধারণ পরিচিতি
আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
পূর্ব নাম: Zoophyta
নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
এরা মুক্তজীবী।
সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
মাংসাশী (Carnivorous)।
কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য
ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡Zygomycota
➡Ascomycota
➡Basidiomycota
➡Deuteromycota
➡Mycophycophyta
আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
পূর্ব নাম: Zoophyta
নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
এরা মুক্তজীবী।
সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
মাংসাশী (Carnivorous)।
কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য
ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡Zygomycota
➡Ascomycota
➡Basidiomycota
➡Deuteromycota
➡Mycophycophyta
❤8
আজকের বিষয়: রসায়ন ২য় পত্র।
অধ্যায়:তড়িৎ রসায়ন।
আর
★কেন এমন হয়?
=>(κ)/kappa (আপেক্ষিক পরিবাহিতা): এটি প্রতি unit আয়তনে উপস্থিত আয়নের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে। যখন পানি যোগ করা হয় (লঘুকরন), তখন প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে আয়নের সংখ্যা কমে যায়, তাই (κ)/kappa-ও কমে।
=>(Λ)/Lambda (মোলার পরিবাহিতা): এটি নির্ভর করে আয়নের গতিশীলতা (mobility) এবং মোট আয়নের ওপর। লঘুতা বাড়ালে আয়নগুলোর নড়াচড়া করার জায়গা বেড়ে যায় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কমে যায়, যার ফলে পরিবাহিতা বেড়ে যায়।
পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে এই দুটির প্রভাব উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। তাই মনে রাখবে, লঘুতা বাড়লে Specific (আপেক্ষিক) পরিবাহিতা ছাড়া বাকি সব (Molar, Equivalent, Total) সাধারণত বাড়ে।
লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
অধ্যায়:তড়িৎ রসায়ন।
পরিবাহী বনাম লঘুতা( conductivity vs dilution)
আপেক্ষিক পরিবাহিতা (Specific conductance (κ)/(kappa) : লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
আর
মোলার / তুল্য পরিবাহিতা (Molar / Equivalent conductance (Λ)/Lambda): লঘুতা বাড়লে এটি বাড়ে।
মনে রাখার কৌশল (Trick):
“লঘু করলে (κ) কমে, কিন্তু(Λ) বাড়ে”
★কেন এমন হয়?
=>(κ)/kappa (আপেক্ষিক পরিবাহিতা): এটি প্রতি unit আয়তনে উপস্থিত আয়নের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে। যখন পানি যোগ করা হয় (লঘুকরন), তখন প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে আয়নের সংখ্যা কমে যায়, তাই (κ)/kappa-ও কমে।
=>(Λ)/Lambda (মোলার পরিবাহিতা): এটি নির্ভর করে আয়নের গতিশীলতা (mobility) এবং মোট আয়নের ওপর। লঘুতা বাড়ালে আয়নগুলোর নড়াচড়া করার জায়গা বেড়ে যায় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কমে যায়, যার ফলে পরিবাহিতা বেড়ে যায়।
সতর্কবার্তা:
পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে এই দুটির প্রভাব উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। তাই মনে রাখবে, লঘুতা বাড়লে Specific (আপেক্ষিক) পরিবাহিতা ছাড়া বাকি সব (Molar, Equivalent, Total) সাধারণত বাড়ে।
লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
❤3
🥀Notes Hour🥀
ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার জন্য দায়ী—
ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার জন্য দায়ী—
Anonymous Quiz
9%
অণু
55%
আয়ন
9%
প্রোটন
27%
ইলেকট্রন
🥀Notes Hour🥀
নির্দিষ্ট পরিবাহিতা (κ)-এর একক—
নির্দিষ্ট পরিবাহিতা (κ)-এর একক—
Anonymous Quiz
50%
ohm⁻¹ cm⁻¹
25%
ohm cm
8%
volt
17%
ampere
🥀Notes Hour🥀
কোহলরাউশ সূত্র প্রযোজ্য—
কোহলরাউশ সূত্র প্রযোজ্য—
Anonymous Quiz
10%
শক্তিশালী ইলেক্ট্রোলাইট
50%
দুর্বল ইলেক্ট্রোলাইট
40%
অসীম লঘুতায়
0%
কঠিন পদার্থ
🥀Notes Hour🥀
দুর্বল ইলেক্ট্রোলাইটের আয়নীকরণ—
দুর্বল ইলেক্ট্রোলাইটের আয়নীকরণ—
Anonymous Quiz
9%
সম্পূর্ণ
82%
আংশিক
9%
শূন্য
0%
অপরিবর্তিত
🥀Notes Hour🥀
Equivalent conductance বৃদ্ধি পায় যখন—
Equivalent conductance বৃদ্ধি পায় যখন—
Anonymous Quiz
25%
concentration বাড়ে
25%
dilution বাড়ে
50%
চাপ বাড়ে
0%
তাপমাত্রা কমে
🥀Notes Hour🥀
Strong electrolyte-এর conductance—
Strong electrolyte-এর conductance—
Anonymous Quiz
0%
কম
80%
বেশি
20%
শূন্য
0%
পরিবর্তন হয় না
🥀Notes Hour🥀
Equivalent conductance নির্ভর করে—
Equivalent conductance নির্ভর করে—
Anonymous Quiz
33%
dilution
11%
আয়নের প্রকৃতি
11%
তাপমাত্রা
44%
সবগুলো
🥀Notes Hour🥀
পরিবাহিতা নির্ভর করে—
পরিবাহিতা নির্ভর করে—
Anonymous Quiz
17%
আয়নের সংখ্যা
33%
আয়নের গতিশীলতা
33%
তাপমাত্রা
17%
সবগুলো
🥀Notes Hour🥀
নির্দিষ্ট পরিবাহিতা কমে যখন—
নির্দিষ্ট পরিবাহিতা কমে যখন—
Anonymous Quiz
25%
dilution বাড়ে
50%
concentration বাড়ে
25%
তাপমাত্রা বাড়ে
0%
আয়নের সংখ্যা বাড়ে
আজকের বিষয় : প্রাণীবিজ্ঞান
অধ্যায় : ৪ (মানব শরীরতত্ত্ব :রক্ত ও সঞ্চালন)
বই : গাজী আজমল স্যার
১.লোহিত রক্তকণিকা :
➤উৎসস্থল : লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা :
☞ ভ্রুণ : ৮০-৯০ লক্ষ
☞ শিশু : ৬০-৭০ লক্ষ
☞ পুরুষ :৫০-৫৪ লক্ষ
☞ নারী :৪৪-৪৯ লক্ষ
➤কাজ: অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবহন।
➤আয়ুষ্কাল: ১২০ দিন।
গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট হরমোন: erythropoietin, যা বৃক্কে উৎপন্ন হয়।
২.শ্বেত রক্ত কণিকা :
➤ উৎসস্থল :
গ্রানোলোসাইট: লাল অস্থিমজ্জা।
আগ্রানোলোসাইট: প্লীহা,লসিকা,লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা : ৪-১১ হাজার [গড় ৭৫০০]
➤কাজ :রোগ প্রতিরোধ।
➤আয়ুষ্কাল: ২-১৫ দিন।
৩.অনুচক্রিকা / প্লেইটলেট(platelets) /থ্রম্বোসাইট (thrombocytes):
➤উৎস স্থল : লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা : ১.৫-৪ লক্ষ।
➤কাজ : রক্ত জমাটে সহায়তা করে(রক্ত তঞ্চন)
➤আয়ুষ্কাল: ৫-৯ দিন।
অধ্যায় : ৪ (মানব শরীরতত্ত্ব :রক্ত ও সঞ্চালন)
বই : গাজী আজমল স্যার
বিভিন্ন ধরনের রক্ত কণিকা
১.লোহিত রক্তকণিকা :
➤উৎসস্থল : লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা :
☞ ভ্রুণ : ৮০-৯০ লক্ষ
☞ শিশু : ৬০-৭০ লক্ষ
☞ পুরুষ :৫০-৫৪ লক্ষ
☞ নারী :৪৪-৪৯ লক্ষ
➤কাজ: অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবহন।
➤আয়ুষ্কাল: ১২০ দিন।
রক্তের হিমে ৩৩.৩৩%লৌহ থাকে।
রক্তের ৪-৫গ্রাম হচ্ছে লৌহ।
রক্তে হিম ও গ্লোবিনের অনুপাত= ২৫:১
লোহিত কণিকার সংখ্যা ৫০ লক্ষ্যের ২৫% এর কম হলে তা অ্যানিমিয়া (anaemia) রক্তাল্পতা। আবার ৬৫ লক্ষ্যের বেশি হলে পলিসাইথেমিয়া।
গুরুত্বপূর্ণ সংশ্লিষ্ট হরমোন: erythropoietin, যা বৃক্কে উৎপন্ন হয়।
২.শ্বেত রক্ত কণিকা :
➤ উৎসস্থল :
গ্রানোলোসাইট: লাল অস্থিমজ্জা।
আগ্রানোলোসাইট: প্লীহা,লসিকা,লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা : ৪-১১ হাজার [গড় ৭৫০০]
➤কাজ :রোগ প্রতিরোধ।
➤আয়ুষ্কাল: ২-১৫ দিন।
রক্তে লোহিত ও শ্বেত রক্ত কণিকার অনুপাত=৬০০:১
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে নিউকোসাইটোসিস এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে তাকে লিউকোপেনিয়া বলে।
লিউকেমিয়া হলো রক্তের শ্বেত রক্ত কণিকা সংশ্লিষ্ট ক্যান্সার, যেখানে অস্বাভাবিক হারে শ্বেত রক্ত কণিকার বৃদ্ধি ঘটে।
৩.অনুচক্রিকা / প্লেইটলেট(platelets) /থ্রম্বোসাইট (thrombocytes):
➤উৎস স্থল : লাল অস্থিমজ্জা।
➤সংখ্যা : ১.৫-৪ লক্ষ।
➤কাজ : রক্ত জমাটে সহায়তা করে(রক্ত তঞ্চন)
➤আয়ুষ্কাল: ৫-৯ দিন।
রক্ত তঞ্চন এর ক্লটিং ফ্যাক্টর ১৩ টি, যার মাঝে প্রথম চারটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
❤3
আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করি ভালো আছেন। আজকের দেয়া নোটটি আশা করি সকলে পড়েছেন। আর তা যাচাই করার জন্য আজকের নোটটির উপরে পোল দেয়া হবে সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে।
সকলের অংশগ্রহণ কামনা করছি।
(P.O.V: দুঃখিত। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে সময় মতো poll দিতে পারি নি। এজন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।)
সকলের অংশগ্রহণ কামনা করছি।
(P.O.V: দুঃখিত। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে সময় মতো poll দিতে পারি নি। এজন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।)
❤4
✦ Notes Hour ✦ [Join:https://t.me/NotesHour]
শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যা কত?
শ্বেত রক্তকণিকার স্বাভাবিক সংখ্যা কত?
Anonymous Quiz
11%
১.৫–৪ লক্ষ
67%
৪–১১ হাজার
11%
৫০–৫৪ লক্ষ
11%
৬০–৭০ লক্ষ