স্বভাবতই 'ণ' হয় যেসব শব্দে
চাণক্য মাণিক্য গণ
বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা।
কল্যাণ শোণিত মণি
স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা।
আপণ লাবণ্য বাণী
নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ।
চিক্কণ নিক্কণ তূণ
কফণি বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ।
📍Notes Hour 📜
চাণক্য মাণিক্য গণ
বাণিজ্য লবণ মণ
বেণু বীণা কঙ্কণ কণিকা।
কল্যাণ শোণিত মণি
স্থাণু গুণ পুণ্য বেণী
ফণী অণু বিপণি গণিকা।
আপণ লাবণ্য বাণী
নিপুণ ভণিতা পাণি
গৌণ কোণ ভাণ পণ শাণ।
চিক্কণ নিক্কণ তূণ
কফণি বণিক গুণ
গণনা পিণাক পণ্য বাণ।
📍Notes Hour 📜
❤17
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
• রাষ্ট্রপতি
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
• উপরাষ্ট্রপতি
৩. তাজউদ্দীন আহমদ
• প্রধানমন্ত্রী
• প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
• তথ্য ও বেতার এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
• অর্থনৈতিক বিষয়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়
• শিক্ষা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
• সংস্থাপন ও প্রশাসন মন্ত্রণালয়
(যেসব বিষয়ের দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদের অন্য কোনো সদস্যকে প্রদান করা হয়নি)
৪. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
• পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
• আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৫. এম মনসুর আলী
• অর্থ ও জাতীয় রাজস্ব মন্ত্রণালয়
• বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
• পরিবহন মন্ত্রণালয়
৬. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
• স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
• সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়
• কৃষি মন্ত্রণালয়
📍Notes Hour 📜
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
• রাষ্ট্রপতি
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
• উপরাষ্ট্রপতি
৩. তাজউদ্দীন আহমদ
• প্রধানমন্ত্রী
• প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
• তথ্য ও বেতার এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
• অর্থনৈতিক বিষয়, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়
• শিক্ষা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
• সংস্থাপন ও প্রশাসন মন্ত্রণালয়
(যেসব বিষয়ের দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদের অন্য কোনো সদস্যকে প্রদান করা হয়নি)
৪. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
• পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
• আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
৫. এম মনসুর আলী
• অর্থ ও জাতীয় রাজস্ব মন্ত্রণালয়
• বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
• পরিবহন মন্ত্রণালয়
৬. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
• স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়
• সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়
• কৃষি মন্ত্রণালয়
📍Notes Hour 📜
❤5
গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাধারণ:
• জাতীয় পতাকা দিবস— ২ মার্চ
• বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস— ১০ জানুয়ারি
• বাংলাদেশে কৃষি দিবস— পহেলা অগ্রহায়ণ
• 'আসাদের শার্ট' -এর লেখক— শামসুর রাহমান
• জেলহত্যা সংঘটিত হয়— ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
• শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়— ১৪ ডিসেম্বর
• বাংলাদেশের জাতীয় দিবস— ২৬শে মার্চ
• মুজিবনগর দিবস— ১৭ এপ্রিল
• রোকেয়া দিবস— ৯ ডিসেম্বর
• সংবিধান দিবস— ৪ নভেম্বর
• স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়— ১০ এপ্রিল ১৯৭১
• কক-বরক ভাষায় কারা কথা বলে— ত্রিপুরা
• ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব— বৈসুক
•খাসিয়া উপজাতি বাস করে— সিলেটে
• ত্রিপুরাদের জাতিসত্ত্বা কতটি গোত্রতে বিভক্ত— ৩৬টি
• বাংলাদেশে ২য় সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি— মারমা
• বাংলাদেশে উপজাতীয় ভাষার সংখ্যা— ৩২টি
• বাংলাদেশে গারো উপজাতি বাস করে— ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও নেত্রকোনায়
• 'গারোদের ঘর বসতি' গল্পটির লেখক— শাবলু শাহাবউদ্দিন
• বাংলাদেশে চাকমা উপজাতি বাস করে প্রধানত— রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে
• সবচেয়ে বেশি লোক বাস করে— ঢাকা জেলায়
• বাংলাদেশের কোন উপজাতি মুসলমান— পাঙন
• রাজবংশী উপজাতিরা বাস করে— রংপুরে
• ঢাকার পূর্বনাম— জাহাঙ্গীরনগর
• মহাস্থানগড়ের পূর্বনাম ছিল— পুণ্ড্রনগর
• ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন— জাহাঙ্গীরনগর
• লালবাগ কেল্লার আদি নাম— আওরঙ্গবাদ দূর্গ
• প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের আধিনায়ক ছিলেন— শফিকুল হক হীরা
• প্রথম বাঙালি দাবা গ্র্যান্ড মাস্টার— নিয়াজ মুর্শেদ
• বাংলাদেশের ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ— ১৯৯৭ সালে
• জাতীয় সংহতি দিবস— ৭ নভেম্বর
• শহিদ আসাদ দিবস— ২০ জানুয়ারি
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এথনিক গোষ্ঠী— চাকমা
• মারমাদের প্রধান পেশা— জুম চাষ
• সাঁওতালরা বাস করে— রাজশাহী ও দিনাজপুরে
• বরিশালের পূর্বনাম— চন্দ্রদ্বীপ
• ময়মনসিংহ জেলার পূর্বনাম— নাসিরাবাদ
• সিলেটের পূর্বনাম— জালালাবাদ
• ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের ছিল— ২ সেক্টর
📍Notes Hour 📜
• জাতীয় পতাকা দিবস— ২ মার্চ
• বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস— ১০ জানুয়ারি
• বাংলাদেশে কৃষি দিবস— পহেলা অগ্রহায়ণ
• 'আসাদের শার্ট' -এর লেখক— শামসুর রাহমান
• জেলহত্যা সংঘটিত হয়— ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
• শহিদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়— ১৪ ডিসেম্বর
• বাংলাদেশের জাতীয় দিবস— ২৬শে মার্চ
• মুজিবনগর দিবস— ১৭ এপ্রিল
• রোকেয়া দিবস— ৯ ডিসেম্বর
• সংবিধান দিবস— ৪ নভেম্বর
• স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়— ১০ এপ্রিল ১৯৭১
• কক-বরক ভাষায় কারা কথা বলে— ত্রিপুরা
• ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসব— বৈসুক
•খাসিয়া উপজাতি বাস করে— সিলেটে
• ত্রিপুরাদের জাতিসত্ত্বা কতটি গোত্রতে বিভক্ত— ৩৬টি
• বাংলাদেশে ২য় সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি— মারমা
• বাংলাদেশে উপজাতীয় ভাষার সংখ্যা— ৩২টি
• বাংলাদেশে গারো উপজাতি বাস করে— ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও নেত্রকোনায়
• 'গারোদের ঘর বসতি' গল্পটির লেখক— শাবলু শাহাবউদ্দিন
• বাংলাদেশে চাকমা উপজাতি বাস করে প্রধানত— রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে
• সবচেয়ে বেশি লোক বাস করে— ঢাকা জেলায়
• বাংলাদেশের কোন উপজাতি মুসলমান— পাঙন
• রাজবংশী উপজাতিরা বাস করে— রংপুরে
• ঢাকার পূর্বনাম— জাহাঙ্গীরনগর
• মহাস্থানগড়ের পূর্বনাম ছিল— পুণ্ড্রনগর
• ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন— জাহাঙ্গীরনগর
• লালবাগ কেল্লার আদি নাম— আওরঙ্গবাদ দূর্গ
• প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ দলের আধিনায়ক ছিলেন— শফিকুল হক হীরা
• প্রথম বাঙালি দাবা গ্র্যান্ড মাস্টার— নিয়াজ মুর্শেদ
• বাংলাদেশের ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ— ১৯৯৭ সালে
• জাতীয় সংহতি দিবস— ৭ নভেম্বর
• শহিদ আসাদ দিবস— ২০ জানুয়ারি
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এথনিক গোষ্ঠী— চাকমা
• মারমাদের প্রধান পেশা— জুম চাষ
• সাঁওতালরা বাস করে— রাজশাহী ও দিনাজপুরে
• বরিশালের পূর্বনাম— চন্দ্রদ্বীপ
• ময়মনসিংহ জেলার পূর্বনাম— নাসিরাবাদ
• সিলেটের পূর্বনাম— জালালাবাদ
• ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের ছিল— ২ সেক্টর
📍Notes Hour 📜
❤18⚡2
Conditional Sentence
1) Zero conditional
2) First conditional
3) Second conditional
4) Third conditional
1) Zero conditional=Present /Past Indefinite (Natural/Universal truth is be Accepted)
Structure:
If + present indefinite +present indefinite
or If +past indefinite +past indefinite
Example:
• If you heat ice, it melts.
• If it is winter, it feels cool.
2) First conditional=Present/Future indefinite
Structure:
If+ present indefinite+future indefinite
or Future indefinite+If +present indefinite
Example:
• If it rains, we will play football.
• If you read, you will pass.
3) Second conditional=Past indefinite tense
Structure:
If /Had+ past indefinite, Sub+ could/might/would+verb(bese form).
Example:
• If I were you, I would take the money.
• Had I a car, I would come
4) Third conditional =past perfect tense
Structure:
If/ Had +Past perfect tense, would/could/might/+have(v.p.p)+others
Example:
• Had I known, I would have gone.
• If you had come earlier, you would found a good seat.
©
📍Notes Hour 📜
1) Zero conditional
2) First conditional
3) Second conditional
4) Third conditional
1) Zero conditional=Present /Past Indefinite (Natural/Universal truth is be Accepted)
Structure:
If + present indefinite +present indefinite
or If +past indefinite +past indefinite
Example:
• If you heat ice, it melts.
• If it is winter, it feels cool.
2) First conditional=Present/Future indefinite
Structure:
If+ present indefinite+future indefinite
or Future indefinite+If +present indefinite
Example:
• If it rains, we will play football.
• If you read, you will pass.
3) Second conditional=Past indefinite tense
Structure:
If /Had+ past indefinite, Sub+ could/might/would+verb(bese form).
Example:
• If I were you, I would take the money.
• Had I a car, I would come
4) Third conditional =past perfect tense
Structure:
If/ Had +Past perfect tense, would/could/might/+have(v.p.p)+others
Example:
• Had I known, I would have gone.
• If you had come earlier, you would found a good seat.
©
📍Notes Hour 📜
❤17❤🔥2
🏔️ বাংলাদেশীদের এভারেস্ট জয় 🏔️
● কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
উঃ ৫ জন
● এভারেস্টজয়ী পাঁচ বাংলাদেশী
○ মুসা ইব্রাহীম (২৩ মে ২০১০)
○ এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত (২১ মে ২০১১, ১৯ মে ২০১২)
○ নিশাত মজুমদার (১৯ মে ২০১২)
○ ওয়াসফিয়া নাজরীন (২৬ মে ২০১২)
○ মো: খালেদ হোসেন বা সজল খালেদ (২০মে,২০১৩ এভারেস্ট জয় করে ফিরে আসার সময় ৮৬০০ মিটার উচ্চতায় তার মৃত্যু হয়)
● প্রথম এভারেস্ট জয়ী কে?
উঃ মুসা ইব্রাহীম (ঠাকুরগাঁও)
● এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশী নারী কে?
উঃ নিশাত মজুমদার
● বাংলাদেশ কততম এভারেস্ট জয়ী দেশ?
উঃ ৬৭ তম (২৩মে ২০১০)
● ২য় নারী ও চর্তুথ বাংলাদেশী হিসেবে কে এভারেস্ট জয় করেন?
উঃ ওয়াসাফিয়া নাজরীন (ফেনী)
● বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি দুইবার (দুই পথে) এভারেস্ট জয় করেন?
উঃ এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত (ভোলা)
● ২০মে ২০১৩ বাংলাদেশী ৫ম হিসেবে এভারেস্ট জয় করে ফেরার পথে মারা যান কে?
উঃ মোঃ খালেদ হোসেন (যিনি সজল খালেদ নামেও পরিচিত)
📍Notes Hour 📜
● কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
উঃ ৫ জন
● এভারেস্টজয়ী পাঁচ বাংলাদেশী
○ মুসা ইব্রাহীম (২৩ মে ২০১০)
○ এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত (২১ মে ২০১১, ১৯ মে ২০১২)
○ নিশাত মজুমদার (১৯ মে ২০১২)
○ ওয়াসফিয়া নাজরীন (২৬ মে ২০১২)
○ মো: খালেদ হোসেন বা সজল খালেদ (২০মে,২০১৩ এভারেস্ট জয় করে ফিরে আসার সময় ৮৬০০ মিটার উচ্চতায় তার মৃত্যু হয়)
● প্রথম এভারেস্ট জয়ী কে?
উঃ মুসা ইব্রাহীম (ঠাকুরগাঁও)
● এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশী নারী কে?
উঃ নিশাত মজুমদার
● বাংলাদেশ কততম এভারেস্ট জয়ী দেশ?
উঃ ৬৭ তম (২৩মে ২০১০)
● ২য় নারী ও চর্তুথ বাংলাদেশী হিসেবে কে এভারেস্ট জয় করেন?
উঃ ওয়াসাফিয়া নাজরীন (ফেনী)
● বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি দুইবার (দুই পথে) এভারেস্ট জয় করেন?
উঃ এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত (ভোলা)
● ২০মে ২০১৩ বাংলাদেশী ৫ম হিসেবে এভারেস্ট জয় করে ফেরার পথে মারা যান কে?
উঃ মোঃ খালেদ হোসেন (যিনি সজল খালেদ নামেও পরিচিত)
📍Notes Hour 📜
❤19❤🔥5⚡2
শেখ মুজিবুর রহমান -এর উপাধিসমূহ:
বঙ্গবন্ধু:
⭒তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ
⭒২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
জাতির জনক:
⭒আ. স. ম. আবদুর রহমান
⭒৩ মার্চ, ১৯৭১
রাজনীতির কবি (Poet of Politics):
⭒সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স
⭒মার্কিন সাপ্তাহিক 'Newsweek’
⭒এপ্রিল, ১৯৭১
জুলিও কুরি শান্তি পদক:
⭒ফ্রান্স থেকে ভূষিত হন ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
⭒গ্রহণ করেন ২৩ মে, ১৯৭৩
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি:
⭒বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত হন
⭒২০০৪ সালে
বিশ্ববন্ধু:
⭒জাতিসংঘের সাবেক সচিব জেনারেল আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
⭒১৬ আগস্ট, ২০১৯
গান্ধী শান্তি পুরস্কার:
⭒২০২০ সালে
Ref: GK-Master Book (DMC Scholar)
📍Notes Hour 📜
বঙ্গবন্ধু:
⭒তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ
⭒২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
জাতির জনক:
⭒আ. স. ম. আবদুর রহমান
⭒৩ মার্চ, ১৯৭১
রাজনীতির কবি (Poet of Politics):
⭒সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স
⭒মার্কিন সাপ্তাহিক 'Newsweek’
⭒এপ্রিল, ১৯৭১
জুলিও কুরি শান্তি পদক:
⭒ফ্রান্স থেকে ভূষিত হন ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
⭒গ্রহণ করেন ২৩ মে, ১৯৭৩
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি:
⭒বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত হন
⭒২০০৪ সালে
বিশ্ববন্ধু:
⭒জাতিসংঘের সাবেক সচিব জেনারেল আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
⭒১৬ আগস্ট, ২০১৯
গান্ধী শান্তি পুরস্কার:
⭒২০২০ সালে
Ref: GK-Master Book (DMC Scholar)
📍Notes Hour 📜
❤35❤🔥2🔥1
একুশে পদক ২০২৪
● একুশে পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এককালীন অর্থ (চেক) ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা, ভাষা ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ‘একুশে পদক-২০২৪’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
▪ পদকের জন্য মনোনীত বিশিষ্টজনেরা হলেন:
● ভাষা আন্দোলনে:
⭒ মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর) ও
⭒বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
● শিল্পকলার সংগীতে
⭒ জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর),
⭒বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ,
⭒বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর),
⭒এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও
⭒শুভ্র দেব।
● নৃত্যকলায়
⭒ শিবলী মহম্মদ।
● অভিনয়ে
⭒ ডলি জহুর ও
⭒এম এ আলমগীর।
●আবৃত্তিতে
⭒ খান মো. মুস্তফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তফা) ও
⭒রূপা চক্রবর্তী।
● চিত্রকলায়
⭒ শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
● মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে
⭒ কাওসার চৌধুরী।
● সমাজসেবায়
⭒ মো. জিয়াউল হক ও
⭒আলহাজ রফিক আহামদ।
● ভাষা ও সাহিত্যে
⭒ মুহাম্মদ সামাদ,
⭒লুৎফর রহমান রিটন,
⭒মিনার মনসুর ও
⭒রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)
এবং
● শিক্ষায়
⭒ অধ্যাপক জিনবোধি ভিক্ষু
📍Notes Hour 📜
● একুশে পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এককালীন অর্থ (চেক) ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।
ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা, ভাষা ও সাহিত্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ‘একুশে পদক-২০২৪’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
▪ পদকের জন্য মনোনীত বিশিষ্টজনেরা হলেন:
● ভাষা আন্দোলনে:
⭒ মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর) ও
⭒বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
● শিল্পকলার সংগীতে
⭒ জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর),
⭒বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ,
⭒বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর),
⭒এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও
⭒শুভ্র দেব।
● নৃত্যকলায়
⭒ শিবলী মহম্মদ।
● অভিনয়ে
⭒ ডলি জহুর ও
⭒এম এ আলমগীর।
●আবৃত্তিতে
⭒ খান মো. মুস্তফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তফা) ও
⭒রূপা চক্রবর্তী।
● চিত্রকলায়
⭒ শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
● মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে
⭒ কাওসার চৌধুরী।
● সমাজসেবায়
⭒ মো. জিয়াউল হক ও
⭒আলহাজ রফিক আহামদ।
● ভাষা ও সাহিত্যে
⭒ মুহাম্মদ সামাদ,
⭒লুৎফর রহমান রিটন,
⭒মিনার মনসুর ও
⭒রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)
এবং
● শিক্ষায়
⭒ অধ্যাপক জিনবোধি ভিক্ষু
📍Notes Hour 📜
❤19
⭕বৃহত্তম-ক্ষুদ্রতম বিষয়াবলি
বৃহত্তম মহাদেশ—এশিয়া
ক্ষুদ্রতম মহাদেশ–অষ্ট্রেলিয়া
বৃহত্তম দেশ-রাশিয়া
ক্ষুদ্রতম দেশ– ভ্যাটিকান।
বৃহত্তম গ্রহ– বৃহস্পতি
ক্ষুদ্রতম গ্রহ– বুধ
বৃহত্তম মহাসাগর -প্রশান্ত মহাসাগর
ক্ষুদ্রতম মহাসাগর–উত্তর মহাসাগর
বৃহত্তম পাখি–ভোরোম্বে টাইটান
ক্ষুদ্রতম পাখি–হামিং বার্ড
বৃহত্তম মহাসাগর–প্রশান্ত মহাসাগর।
বৃহত্তম শহর – লন্ডন (আয়তনে)
বৃহত্তম শহর – টোকিও (জনসংখ্যায়)
বৃহত্তম ব-দ্বীপ –বাংলাদেশ।
বৃহত্তম যাদুঘর –বিটিশ মিউজিয়াম।
বৃহত্তম বিমান বন্দর –জেদ্দা বিমানবন্দর।
বৃহত্তম গ্রন্থাগার লাইব্রেরী অব দ্য কংগ্রেস।
বৃহত্তম ঘড়ি –মক্কা ক্লক (সৌদি আরব)।
উচ্চতম সেতু — জর্জ সেতু
উচ্চতম প্রাণী -জিরাফ
উচ্চতম হ্রদ – টিটিকাকা
উচ্চতম মূর্তি– মাদার ল্যান্ড (মস্কো)
উচ্চতম মালভূমি –পামির মালভূমি
উচ্চতম জলপ্রপাত –অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত
উচ্চতম পিরািমিড -খুফুর পিরামিড
উচ্চতম আগ্নেয়গিরি –গুয়ালটিবি আগ্নেয়গিরি
উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ– এভারেস্ট
উচ্চতম বাঁধ –রােগেন বাঁধ
উচ্চতম স্ট্যাচু — স্ট্যাচু অব লিবার্টি
📍Notes Hour 📜
বৃহত্তম মহাদেশ—এশিয়া
ক্ষুদ্রতম মহাদেশ–অষ্ট্রেলিয়া
বৃহত্তম দেশ-রাশিয়া
ক্ষুদ্রতম দেশ– ভ্যাটিকান।
বৃহত্তম গ্রহ– বৃহস্পতি
ক্ষুদ্রতম গ্রহ– বুধ
বৃহত্তম মহাসাগর -প্রশান্ত মহাসাগর
ক্ষুদ্রতম মহাসাগর–উত্তর মহাসাগর
বৃহত্তম পাখি–ভোরোম্বে টাইটান
ক্ষুদ্রতম পাখি–হামিং বার্ড
বৃহত্তম মহাসাগর–প্রশান্ত মহাসাগর।
বৃহত্তম শহর – লন্ডন (আয়তনে)
বৃহত্তম শহর – টোকিও (জনসংখ্যায়)
বৃহত্তম ব-দ্বীপ –বাংলাদেশ।
বৃহত্তম যাদুঘর –বিটিশ মিউজিয়াম।
বৃহত্তম বিমান বন্দর –জেদ্দা বিমানবন্দর।
বৃহত্তম গ্রন্থাগার লাইব্রেরী অব দ্য কংগ্রেস।
বৃহত্তম ঘড়ি –মক্কা ক্লক (সৌদি আরব)।
উচ্চতম সেতু — জর্জ সেতু
উচ্চতম প্রাণী -জিরাফ
উচ্চতম হ্রদ – টিটিকাকা
উচ্চতম মূর্তি– মাদার ল্যান্ড (মস্কো)
উচ্চতম মালভূমি –পামির মালভূমি
উচ্চতম জলপ্রপাত –অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত
উচ্চতম পিরািমিড -খুফুর পিরামিড
উচ্চতম আগ্নেয়গিরি –গুয়ালটিবি আগ্নেয়গিরি
উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ– এভারেস্ট
উচ্চতম বাঁধ –রােগেন বাঁধ
উচ্চতম স্ট্যাচু — স্ট্যাচু অব লিবার্টি
📍Notes Hour 📜
❤36⚡2
❑ বাংলাদেশ ব্যাংক:
● বাংলাদেশ ব্যাংক হচ্ছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আর্থিক কর্তৃপক্ষ। এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
● বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং কার্যত ব্যাংকসমূহের ব্যাংক। রাষ্ট্রের পক্ষে এটি দেশের ব্যাংক এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। দেশের মুদ্রানীতি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিরূপিত ও পরিচালিত হয়।
❑ কার্যালয়:
● বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়-
মতিঝিল, ঢাকা।
❑ গভর্নর:
এই ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।
● বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। ইতিপূর্বে আরো এগারো জন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এই পদ অলংকৃত করেছেন।
● ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি তারিখ এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হিসাবে নিয়োগ লাভ করেন।
● এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত গভর্নর।
● মোঃ নূরুল ইসলাম হচ্ছেন সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্বপালনকারী গভর্নর।
📍Notes Hour 📜
● বাংলাদেশ ব্যাংক হচ্ছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আর্থিক কর্তৃপক্ষ। এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
● বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং কার্যত ব্যাংকসমূহের ব্যাংক। রাষ্ট্রের পক্ষে এটি দেশের ব্যাংক এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। দেশের মুদ্রানীতি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিরূপিত ও পরিচালিত হয়।
❑ কার্যালয়:
● বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়-
মতিঝিল, ঢাকা।
❑ গভর্নর:
এই ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।
● বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। ইতিপূর্বে আরো এগারো জন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এই পদ অলংকৃত করেছেন।
● ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি তারিখ এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হিসাবে নিয়োগ লাভ করেন।
● এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ ছিলেন সবচেয়ে স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত গভর্নর।
● মোঃ নূরুল ইসলাম হচ্ছেন সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্বপালনকারী গভর্নর।
📍Notes Hour 📜
❤24⚡2🔥1😱1
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
ব্যারোরিসেপ্টর: মানুষের রক্তবাহিকার প্রাচীরে যে বিশেষ সংবেদী স্নায়ু প্রান্ত বা রিসেপ্টর থাকে, যেগুলো রক্তের চাপের উদ্দীপনা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে, রক্তচাপ পরিবর্তনে বিশেষভাবে সাড়া দেয় এবং দেহের রক্তচাপের ভারসাম্যও রক্ষা করে, সেই প্রান্তগুলোকে বা রিসেপ্টরগুলোকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে।
ব্যারোরিসেপ্টর মূলত দুই প্রকার।
১. উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর
২. নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর
১. উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর: যা রক্তের চাপকে গ্রহণ করে মস্তিষ্কের মেডুলা অংশে প্রেরণ করে এবং ভ্যাসোমোটর (যা ভ্যাসেলের উপর কাজ করে, যেমন- রক্তবাহিকা, হৃদপিণ্ড ইত্যাদি) সেন্টারকে দমন করে (যার কাজ হলো মূলত রক্তবাহিকা সংকোচনে উদ্দীপনা দেওয়া, হৃৎপেশি ও পেসমেকারকে উদ্দীপ্ত করে)।
এই ব্যারোরিসেপ্টর আবার দুই ধরনের।
১. ক্যারোটিড,
২. অ্যাওর্টিক (স্বরবর্ণ ও ব্যাঞ্জনবর্ণের প্রথম বর্ণ)
ক্যারোটিড রিসেপ্টর থেকে গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল স্নায়ু এবং অ্যাওর্টিক রিসেপ্টর ভেগাস স্নায়ুর মাধ্যমে উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। (মনে রাখার উপায়: কঅ ৯,১০। অর্থাৎ ক্যারোটিড- ৯ নং স্নায়ু এবং অ্যাওর্টিক- ১০ নং স্নায়ু। এরজন্য কোন স্নায়ু কত নম্বর সেটি জানা থাকতে হবে।)
এই স্নায়ুগুলো অবস্থান করে মূলত দুই ধমনী, অ্যাওর্টিক আর্চ এবং ক্যারোটিড ধমনীতে।
২. নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর: যা সাধারণত ইনফেরিয়র ভেনাক্যাভা ও সুপেরিয়র ভেনাক্যাভা বা দুই বড় বড় সিস্টেমিক শিরা, পালমোনারি রক্তবাহিকা (মূলত পালমোনারি শিরা), ডান অ্যাট্রিয়াম ও ডান ভেন্ট্রিকলের প্রাচীরে থাকে। এই রিসেপ্টর রক্তের আয়তন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে আয়তন ব্যারোরিসেপ্টর বা ভলিউম ব্যারোরিসেপ্টরও বলে। এই সংবেদী স্নায়ু প্রান্তগুলো স্নায়ুকে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে প্রেরণ করে পিটুইটারি গ্রন্থির নিউরোহাইপোফাইসিস ক্ষরিত অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন (ADH) বা ভ্যাসোপ্রেসিন এর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থাৎ, উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টরগুলো থাকে ধমনীগাত্রে এবং নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টরগুলো থাকে শিরাগাত্রে ও হৃদপিণ্ডের ডান অলিন্দ ও নিলয়ের প্রাচীরে।
📝 Notes Hour
ব্যারোরিসেপ্টর: মানুষের রক্তবাহিকার প্রাচীরে যে বিশেষ সংবেদী স্নায়ু প্রান্ত বা রিসেপ্টর থাকে, যেগুলো রক্তের চাপের উদ্দীপনা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করে, রক্তচাপ পরিবর্তনে বিশেষভাবে সাড়া দেয় এবং দেহের রক্তচাপের ভারসাম্যও রক্ষা করে, সেই প্রান্তগুলোকে বা রিসেপ্টরগুলোকে ব্যারোরিসেপ্টর বলে।
ব্যারোরিসেপ্টর মূলত দুই প্রকার।
১. উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর
২. নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর
১. উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর: যা রক্তের চাপকে গ্রহণ করে মস্তিষ্কের মেডুলা অংশে প্রেরণ করে এবং ভ্যাসোমোটর (যা ভ্যাসেলের উপর কাজ করে, যেমন- রক্তবাহিকা, হৃদপিণ্ড ইত্যাদি) সেন্টারকে দমন করে (যার কাজ হলো মূলত রক্তবাহিকা সংকোচনে উদ্দীপনা দেওয়া, হৃৎপেশি ও পেসমেকারকে উদ্দীপ্ত করে)।
এই ব্যারোরিসেপ্টর আবার দুই ধরনের।
১. ক্যারোটিড,
২. অ্যাওর্টিক (স্বরবর্ণ ও ব্যাঞ্জনবর্ণের প্রথম বর্ণ)
ক্যারোটিড রিসেপ্টর থেকে গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল স্নায়ু এবং অ্যাওর্টিক রিসেপ্টর ভেগাস স্নায়ুর মাধ্যমে উদ্দীপনা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে। (মনে রাখার উপায়: কঅ ৯,১০। অর্থাৎ ক্যারোটিড- ৯ নং স্নায়ু এবং অ্যাওর্টিক- ১০ নং স্নায়ু। এরজন্য কোন স্নায়ু কত নম্বর সেটি জানা থাকতে হবে।)
এই স্নায়ুগুলো অবস্থান করে মূলত দুই ধমনী, অ্যাওর্টিক আর্চ এবং ক্যারোটিড ধমনীতে।
২. নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টর: যা সাধারণত ইনফেরিয়র ভেনাক্যাভা ও সুপেরিয়র ভেনাক্যাভা বা দুই বড় বড় সিস্টেমিক শিরা, পালমোনারি রক্তবাহিকা (মূলত পালমোনারি শিরা), ডান অ্যাট্রিয়াম ও ডান ভেন্ট্রিকলের প্রাচীরে থাকে। এই রিসেপ্টর রক্তের আয়তন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে আয়তন ব্যারোরিসেপ্টর বা ভলিউম ব্যারোরিসেপ্টরও বলে। এই সংবেদী স্নায়ু প্রান্তগুলো স্নায়ুকে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে প্রেরণ করে পিটুইটারি গ্রন্থির নিউরোহাইপোফাইসিস ক্ষরিত অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন (ADH) বা ভ্যাসোপ্রেসিন এর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থাৎ, উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টরগুলো থাকে ধমনীগাত্রে এবং নিম্নচাপ ব্যারোরিসেপ্টরগুলো থাকে শিরাগাত্রে ও হৃদপিণ্ডের ডান অলিন্দ ও নিলয়ের প্রাচীরে।
📝 Notes Hour
❤24🥰1
বর্ণমালা সমাচার:
⍟ বর্ণমালা- ১টি
⍟ মোট বর্ণ- ৫০টি
⭒স্বরবর্ণ- ১১টি,
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৩৯টি
⍟ পূর্ণমাত্রার মোট বর্ণ- ৩২টি
⭒স্বরবর্ণ- ৬টি,
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ২৬টি
⍟ অর্ধমাত্রার মোট বর্ণ- ৮টি
⭒স্বরবর্ণ- ১টি (ঋ),
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)
⍟ মাত্রাহীন মোট বর্ণ- ১০টি
⭒স্বরবর্ণ- ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)
📝 Notes Hour
⍟ বর্ণমালা- ১টি
⍟ মোট বর্ণ- ৫০টি
⭒স্বরবর্ণ- ১১টি,
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৩৯টি
⍟ পূর্ণমাত্রার মোট বর্ণ- ৩২টি
⭒স্বরবর্ণ- ৬টি,
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ২৬টি
⍟ অর্ধমাত্রার মোট বর্ণ- ৮টি
⭒স্বরবর্ণ- ১টি (ঋ),
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)
⍟ মাত্রাহীন মোট বর্ণ- ১০টি
⭒স্বরবর্ণ- ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ)
⭒ব্যঞ্জনবর্ণ- ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)
📝 Notes Hour
❤🔥29❤11🔥5
কনফিউশন ক্লিয়ার
'পদ্মাবতী' সমাচার
• পদ্মাবতী
ধরন: কাব্য
রচয়িতা: আলাওল
• পদ্মাবতী
ধরন: নাটক
রচয়িতা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
• পদ্মাবতী
ধরন: প্রবন্ধ
রচয়িতা: সৈয়দ আলী আহসান
'মানুষ' সমাচার
• মানুষ
ধরন: কবিতা
রচয়িতা: কাজী নজরুল ইসলাম
• মানুষ
ধরন: কবিতা
রচয়িতা: নির্মলেন্দু গুণ
• মানুষ
ধরন: নাটক
রচয়িতা: মুনীর চৌধুরী
['মানুষ' কবিতার রচয়িতার ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলাম এবং নির্মলেন্দু গুণ এর মধ্যে অপশনে যেটা থাকবে সেটাই উত্তর। একসাথে দু'টোই অপশনে থাকবে না।]
📝 Notes Hour
'পদ্মাবতী' সমাচার
• পদ্মাবতী
ধরন: কাব্য
রচয়িতা: আলাওল
• পদ্মাবতী
ধরন: নাটক
রচয়িতা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
• পদ্মাবতী
ধরন: প্রবন্ধ
রচয়িতা: সৈয়দ আলী আহসান
'মানুষ' সমাচার
• মানুষ
ধরন: কবিতা
রচয়িতা: কাজী নজরুল ইসলাম
• মানুষ
ধরন: কবিতা
রচয়িতা: নির্মলেন্দু গুণ
• মানুষ
ধরন: নাটক
রচয়িতা: মুনীর চৌধুরী
['মানুষ' কবিতার রচয়িতার ক্ষেত্রে কাজী নজরুল ইসলাম এবং নির্মলেন্দু গুণ এর মধ্যে অপশনে যেটা থাকবে সেটাই উত্তর। একসাথে দু'টোই অপশনে থাকবে না।]
📝 Notes Hour
❤31🥰5🔥1
আজকের নোট :
বিষয় : জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র
টপিক: রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন (Blood & Circulation)
বই : প্রাণিবিজ্ঞান by গাজী আজমল।
১. রক্ত (Blood)
রক্ত হলো একটি তরল সংযোজক টিস্যু যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন, পুষ্টি ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।
➤ রক্তের উপাদান:
প্লাজমা (Plasma) – হালকা হলুদ তরল অংশ (≈ 55%)
গঠিত উপাদান (Formed elements) – (≈ 45%)
লোহিত রক্তকণিকা (RBC)
শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)
অণুচক্রিকা (Platelets)
২. প্লাজমা (Plasma)
৯০–৯২% পানি
প্রোটিন (অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন)
লবণ, হরমোন, বর্জ্য পদার্থ
👉 কাজ:
পুষ্টি পরিবহন
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্য
৩. লোহিত রক্তকণিকা (RBC)
আকৃতি: দ্বি-অবতল (biconcave)
নিউক্লিয়াস নেই (মানুষে)
হিমোগ্লোবিন থাকে
👉 কাজ:
অক্সিজেন পরিবহন
কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন
৪. শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)
নিউক্লিয়াস আছে
বিভিন্ন ধরনের (নিউট্রোফিল, লিম্ফোসাইট ইত্যাদি)
👉 কাজ:
রোগ প্রতিরোধ (ইমিউনিটি)
জীবাণু ধ্বংস
৫. অণুচক্রিকা (Platelets)
ক্ষুদ্র ও অনিয়মিত আকৃতির
👉কাজ:
রক্ত জমাট বাঁধা (Blood clotting)
৬. হৃদপিণ্ড (Heart)
একটি পেশিবহুল অঙ্গ
চারটি প্রকোষ্ঠ:
ডান অলিন্দ (Right atrium)
ডান নিলয় (Right ventricle)
বাম অলিন্দ (Left atrium)
বাম নিলয় (Left ventricle)
কাজ:
রক্ত পাম্প করা
৭. রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া (Blood Circulation)
➤ (ক) ক্ষুদ্র সঞ্চালন (Pulmonary circulation)
হৃদপিণ্ড → ফুসফুস → হৃদপিণ্ড
রক্তে অক্সিজেন যোগ হয়
➤ (খ) বৃহৎ সঞ্চালন (Systemic circulation)
হৃদপিণ্ড → শরীর → হৃদপিণ্ড
কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায়
৮. রক্তনালী (Blood Vessels)
➤ ধমনী (Artery)
হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত বহন করে
প্রাচীর পুরু
➤ শিরা (Vein)
হৃদপিণ্ডে রক্ত নিয়ে আসে
ভালভ থাকে
➤ কৈশিক নালী (Capillary)
খুব সূক্ষ্ম
গ্যাস ও পুষ্টি বিনিময় হয়
৯. রক্তচাপ (Blood Pressure)
ধমনীর দেয়ালে রক্তের চাপ
স্বাভাবিক: 120/80 mmHg
১০. রক্তের কাজ (Functions of Blood)
গ্যাস পরিবহন (O₂, CO₂)
পুষ্টি পরিবহন
বর্জ্য অপসারণ
রোগ প্রতিরোধ
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
১১. রক্ত জমাট বাঁধা (Blood Clotting)
প্লেটলেট ও ফাইব্রিনের মাধ্যমে ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে
রক্তক্ষরণ বন্ধ করে
১২. রক্তের গ্রুপ (Blood Group)
ABO system (A, B, AB, O)
Rh factor (+ / -)
✨ Quick Tip (Exam Ready):
RBC → Oxygen
WBC → Immunity
Platelet → Clotting
Heart → Pump
Artery vs Vein → Direction + Wall difference
বিষয় : জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র
টপিক: রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন (Blood & Circulation)
বই : প্রাণিবিজ্ঞান by গাজী আজমল।
১. রক্ত (Blood)
রক্ত হলো একটি তরল সংযোজক টিস্যু যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন, পুষ্টি ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন করে।
➤ রক্তের উপাদান:
প্লাজমা (Plasma) – হালকা হলুদ তরল অংশ (≈ 55%)
গঠিত উপাদান (Formed elements) – (≈ 45%)
লোহিত রক্তকণিকা (RBC)
শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)
অণুচক্রিকা (Platelets)
২. প্লাজমা (Plasma)
৯০–৯২% পানি
প্রোটিন (অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন)
লবণ, হরমোন, বর্জ্য পদার্থ
👉 কাজ:
পুষ্টি পরিবহন
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্য
৩. লোহিত রক্তকণিকা (RBC)
আকৃতি: দ্বি-অবতল (biconcave)
নিউক্লিয়াস নেই (মানুষে)
হিমোগ্লোবিন থাকে
👉 কাজ:
অক্সিজেন পরিবহন
কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন
৪. শ্বেত রক্তকণিকা (WBC)
নিউক্লিয়াস আছে
বিভিন্ন ধরনের (নিউট্রোফিল, লিম্ফোসাইট ইত্যাদি)
👉 কাজ:
রোগ প্রতিরোধ (ইমিউনিটি)
জীবাণু ধ্বংস
৫. অণুচক্রিকা (Platelets)
ক্ষুদ্র ও অনিয়মিত আকৃতির
👉কাজ:
রক্ত জমাট বাঁধা (Blood clotting)
৬. হৃদপিণ্ড (Heart)
একটি পেশিবহুল অঙ্গ
চারটি প্রকোষ্ঠ:
ডান অলিন্দ (Right atrium)
ডান নিলয় (Right ventricle)
বাম অলিন্দ (Left atrium)
বাম নিলয় (Left ventricle)
কাজ:
রক্ত পাম্প করা
৭. রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া (Blood Circulation)
➤ (ক) ক্ষুদ্র সঞ্চালন (Pulmonary circulation)
হৃদপিণ্ড → ফুসফুস → হৃদপিণ্ড
রক্তে অক্সিজেন যোগ হয়
➤ (খ) বৃহৎ সঞ্চালন (Systemic circulation)
হৃদপিণ্ড → শরীর → হৃদপিণ্ড
কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায়
৮. রক্তনালী (Blood Vessels)
➤ ধমনী (Artery)
হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত বহন করে
প্রাচীর পুরু
➤ শিরা (Vein)
হৃদপিণ্ডে রক্ত নিয়ে আসে
ভালভ থাকে
➤ কৈশিক নালী (Capillary)
খুব সূক্ষ্ম
গ্যাস ও পুষ্টি বিনিময় হয়
৯. রক্তচাপ (Blood Pressure)
ধমনীর দেয়ালে রক্তের চাপ
স্বাভাবিক: 120/80 mmHg
১০. রক্তের কাজ (Functions of Blood)
গ্যাস পরিবহন (O₂, CO₂)
পুষ্টি পরিবহন
বর্জ্য অপসারণ
রোগ প্রতিরোধ
শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ
১১. রক্ত জমাট বাঁধা (Blood Clotting)
প্লেটলেট ও ফাইব্রিনের মাধ্যমে ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে
রক্তক্ষরণ বন্ধ করে
১২. রক্তের গ্রুপ (Blood Group)
ABO system (A, B, AB, O)
Rh factor (+ / -)
✨ Quick Tip (Exam Ready):
RBC → Oxygen
WBC → Immunity
Platelet → Clotting
Heart → Pump
Artery vs Vein → Direction + Wall difference
❤6
⚡ Full % Error Trick Chart (MAT / HSC)
🔷 Basic Rule (সবকিছুর মা Rule 👑)
👉 গুণ/ভাগ/Power থাকলে:
�
👉 Power থাকলে:
�
⚡ Standard Quick Tricks:
1. Length (L)
👉 % error = as given
2. Area (A ∝ L²)
👉 % error = 2 × (% error in L)
3. Volume (V ∝ L³)
👉 % error = 3 × (% error in L)
4. Density (ρ = M / V)
👉 % error = (% in M) + (% in V)
5. Force (F = m × a)
👉 % error = (% in m) + (% in a)
6. Pressure (P = F / A)
👉 % error = (% in F) + (% in A)
7. Kinetic Energy (E = ½mv²)
👉 % error =
= (% in m) + 2 × (% in v)
8. Potential Energy (PE = mgh)
👉 % error =
= (% in m) + (% in g) + (% in h)
📌 Usually g constant → ignore
👉 So ≈ (% in m) + (% in h)
9. Electrical Power (P = VI)
👉 % error = (% in V) + (% in I)
🔌 10. Ohm’s Law (V = IR)
👉 % error in V = (% in I) + (% in R)
🌊 11. Wave Speed (v = fλ)
👉 % error = (% in f) + (% in λ)
12. Work (W = F × d)
👉 % error = (% in F) + (% in d)
13. Momentum (p = mv)
👉 % error = (% in m) + (% in v)
14. Acceleration (a = v / t)
👉 % error = (% in v) + (% in t)
15. Time Period (T ∝ √L)
👉 % error = ½ × (% in L)
16. Gravity Relation (g ∝ 1/R²)
👉 % error = 2 × (% in R)
17. Escape Velocity (v ∝ √M / R)
👉 % error =
= ½(% in M) + (% in R)
18. Resistance (R = ρL/A)
👉 % error =
= (% in ρ) + (% in L) + (% in A)
19. Ideal Gas (PV = nRT)
👉 % error =
= (% in P) + (% in V)
(If T varies → add % in T)
🔷 Basic Rule (সবকিছুর মা Rule 👑)
👉 গুণ/ভাগ/Power থাকলে:
�
👉 Power থাকলে:
�
⚡ Standard Quick Tricks:
1. Length (L)
👉 % error = as given
2. Area (A ∝ L²)
👉 % error = 2 × (% error in L)
3. Volume (V ∝ L³)
👉 % error = 3 × (% error in L)
4. Density (ρ = M / V)
👉 % error = (% in M) + (% in V)
5. Force (F = m × a)
👉 % error = (% in m) + (% in a)
6. Pressure (P = F / A)
👉 % error = (% in F) + (% in A)
7. Kinetic Energy (E = ½mv²)
👉 % error =
= (% in m) + 2 × (% in v)
8. Potential Energy (PE = mgh)
👉 % error =
= (% in m) + (% in g) + (% in h)
📌 Usually g constant → ignore
👉 So ≈ (% in m) + (% in h)
9. Electrical Power (P = VI)
👉 % error = (% in V) + (% in I)
🔌 10. Ohm’s Law (V = IR)
👉 % error in V = (% in I) + (% in R)
🌊 11. Wave Speed (v = fλ)
👉 % error = (% in f) + (% in λ)
12. Work (W = F × d)
👉 % error = (% in F) + (% in d)
13. Momentum (p = mv)
👉 % error = (% in m) + (% in v)
14. Acceleration (a = v / t)
👉 % error = (% in v) + (% in t)
15. Time Period (T ∝ √L)
👉 % error = ½ × (% in L)
16. Gravity Relation (g ∝ 1/R²)
👉 % error = 2 × (% in R)
17. Escape Velocity (v ∝ √M / R)
👉 % error =
= ½(% in M) + (% in R)
18. Resistance (R = ρL/A)
👉 % error =
= (% in ρ) + (% in L) + (% in A)
19. Ideal Gas (PV = nRT)
👉 % error =
= (% in P) + (% in V)
(If T varies → add % in T)
🔥4
আসসালামু আলাইকুম। এখানে আজকে দেয়া ত্রুটি নির্ণয়ের ট্রিকস সম্পর্কিত নোটটি চ্যাট জিপিটি এর সাহায্য নিয়ে চার্ট আকারে তৈরি করা হয়েছে। এই চার্টে দেয়া ট্রিক্স গুলো মোটামুটি আত্মস্থ করতে পারলে আশা করি ত্রুটি সম্পর্কিত ম্যাথগুলো সহজেই সলভ করতে পারবে।
🔥4
আজকের নোট:
বিষয়: রসায়ন ২য় পত্র
বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রোড ও তাদের ব্যবহার
বই: হাজারী ও নাগ।
১. ক্যালোমেল ইলেক্ট্রোড (Calomel Electrode)
গঠন: Hg | Hg₂Cl₂ | KCl
ধরন: Reference electrode
ব্যবহার:
অন্যান্য ইলেক্ট্রোডের বিভব নির্ণয় করতে
pH মাপার সেটআপে reference হিসেবে
ল্যাবরেটরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত reference electrode.
২. স্ট্যান্ডার্ড হাইড্রোজেন ইলেক্ট্রোড (SHE)
গঠন: Pt | H₂ (1 atm) | H⁺ (1M)
বিভব: 0 V (reference standard)
ব্যবহার:
সব ইলেক্ট্রোডের স্ট্যান্ডার্ড বিভব নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। তত্ত্বগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ reference.
৩. গ্লাস ইলেক্ট্রোড (Glass Electrode)
ধরন: Indicator electrode
ব্যবহার:
দ্রবণের pH নির্ণয়
অ্যাসিড-বেস টাইট্রেশনে end point নির্ণয়
আধুনিক pH মিটারে ব্যবহৃত।
৪. প্লাটিনাম ইলেক্ট্রোড (Platinum Electrode)
ধরন: Inert electrode
ব্যবহার:
যেসব বিক্রিয়ায় কঠিন ইলেক্ট্রোড নেই (যেমন: Fe³⁺/Fe²⁺)
Redox reaction-এ ইলেকট্রন আদান-প্রদান মাধ্যম হিসেবে
গ্যাস ইলেক্ট্রোড (যেমন SHE)-এ সহায়।
৫. সিলভার/সিলভার ক্লোরাইড ইলেক্ট্রোড (Ag/AgCl)
গঠন: Ag | AgCl | KCl
ধরন: Reference electrode
ব্যবহার:
pH মিটার ও বায়োমেডিক্যাল যন্ত্রে
ক্যালোমেলের বিকল্প হিসেবে (কম toxic)
স্থিতিশীল ও সহজ ব্যবহারযোগ্য।
৬. কুইনহাইড্রোন ইলেক্ট্রোড (Quinhydrone Electrode)
ধরন: Indicator electrode
ব্যবহার:
pH নির্ণয় (বিশেষ করে acidic medium)
সহজ ও দ্রুত pH পরিমাপে
তবে strong alkaline solution-এ কাজ করে না।
৭. মেটাল-মেটাল আয়ন ইলেক্ট্রোড (Metal-Metal Ion Electrode)
উদাহরণ: Zn | Zn²⁺, Cu | Cu²⁺
ব্যবহার:
ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সেলে বিভব তৈরি
Daniell cell-এ ব্যবহৃত হয়।
ধাতুর reactivity তুলনায়।
৮. গ্যাস ইলেক্ট্রোড (Gas Electrode)
উদাহরণ: Hydrogen electrode
ব্যবহার:
গ্যাস জড়িত redox reaction এ।
Reference হিসেবে (SHE)।
তাপগতীয় হিসাবে।
বিষয়: রসায়ন ২য় পত্র
বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রোড ও তাদের ব্যবহার
বই: হাজারী ও নাগ।
১. ক্যালোমেল ইলেক্ট্রোড (Calomel Electrode)
গঠন: Hg | Hg₂Cl₂ | KCl
ধরন: Reference electrode
ব্যবহার:
অন্যান্য ইলেক্ট্রোডের বিভব নির্ণয় করতে
pH মাপার সেটআপে reference হিসেবে
ল্যাবরেটরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত reference electrode.
২. স্ট্যান্ডার্ড হাইড্রোজেন ইলেক্ট্রোড (SHE)
গঠন: Pt | H₂ (1 atm) | H⁺ (1M)
বিভব: 0 V (reference standard)
ব্যবহার:
সব ইলেক্ট্রোডের স্ট্যান্ডার্ড বিভব নির্ণয়ের মূল ভিত্তি। তত্ত্বগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ reference.
৩. গ্লাস ইলেক্ট্রোড (Glass Electrode)
ধরন: Indicator electrode
ব্যবহার:
দ্রবণের pH নির্ণয়
অ্যাসিড-বেস টাইট্রেশনে end point নির্ণয়
আধুনিক pH মিটারে ব্যবহৃত।
৪. প্লাটিনাম ইলেক্ট্রোড (Platinum Electrode)
ধরন: Inert electrode
ব্যবহার:
যেসব বিক্রিয়ায় কঠিন ইলেক্ট্রোড নেই (যেমন: Fe³⁺/Fe²⁺)
Redox reaction-এ ইলেকট্রন আদান-প্রদান মাধ্যম হিসেবে
গ্যাস ইলেক্ট্রোড (যেমন SHE)-এ সহায়।
৫. সিলভার/সিলভার ক্লোরাইড ইলেক্ট্রোড (Ag/AgCl)
গঠন: Ag | AgCl | KCl
ধরন: Reference electrode
ব্যবহার:
pH মিটার ও বায়োমেডিক্যাল যন্ত্রে
ক্যালোমেলের বিকল্প হিসেবে (কম toxic)
স্থিতিশীল ও সহজ ব্যবহারযোগ্য।
৬. কুইনহাইড্রোন ইলেক্ট্রোড (Quinhydrone Electrode)
ধরন: Indicator electrode
ব্যবহার:
pH নির্ণয় (বিশেষ করে acidic medium)
সহজ ও দ্রুত pH পরিমাপে
তবে strong alkaline solution-এ কাজ করে না।
৭. মেটাল-মেটাল আয়ন ইলেক্ট্রোড (Metal-Metal Ion Electrode)
উদাহরণ: Zn | Zn²⁺, Cu | Cu²⁺
ব্যবহার:
ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সেলে বিভব তৈরি
Daniell cell-এ ব্যবহৃত হয়।
ধাতুর reactivity তুলনায়।
৮. গ্যাস ইলেক্ট্রোড (Gas Electrode)
উদাহরণ: Hydrogen electrode
ব্যবহার:
গ্যাস জড়িত redox reaction এ।
Reference হিসেবে (SHE)।
তাপগতীয় হিসাবে।
❤7
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯ - ১৯৪৮ খ্রি.)
অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।
পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.
বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।
মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।
সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)
হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।
নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে
মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।
.সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'
বাংলায় ব্রিটিশ শাসনামল:
.বাংলার প্রথম ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড ক্লাইভ।
.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড কার্ডিয়ার।
.বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন-ওয়ারেন হেস্টিংস।
.বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেছিলেন-লর্ড কর্নওয়ালিশ (১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ)
.ভারতবর্ষের রেল যোগাযোগে ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন-লর্ড হেনরি হার্ডিঞ্জ।
.কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ করেন-লর্ড কার্জন।
.১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন-লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ - ১৯৪৮)।
..ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের গ্রহণ করে কত সালে?১৭৬০ সালে ।
.বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?১৯০৫ সালে ।
.ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়েছিল যে পরিকল্পনা মোতাবেক-১৯৪৭ এর র্যাডক্লিফ কমিশন।
.স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন-লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
.১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র্যাডক্লিফ লাইন।
অন্য নাম:মহাত্মা,বাপুজি।
পরিচিতি : ভারতীয় জাতির জনক কিন্তু ভারতের কোনোরাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় 'Indian Opinion' নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'The Story of My Experiments with Truth'.
বাংলাদেশ ভ্রমণ : ১৯৪৬ সালে নোয়াখালী ভ্রমণ করেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' স্থাপিত হয়েছে।
মৃত্যু: দিল্লিতে পথসভা চলাকালে হিন্দু মৌলবাদী নাথুরাম গডসে গুলি করে গান্ধীজীকে হত্যা করে।
সাধারণ জ্ঞান(নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলন)
হাজী মুহম্মদ মুহসীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি শহরে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।গরিব মেধাবী ছাত্রদের জন্য তিনি 'মুহসীন তহবিল' গঠন করেন। দানশীলতার জন্য তিনি ‘দানবীর' বা ‘বাংলার হাতেম তাই' নামে পরিচিত।
নওয়াব আবদুল লতিফ এর প্রচেষ্টায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি বিভাগ খোলা হয় ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে। ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান মুসলমানদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী করে তোলে
মুনশি মোহাম্মদ মেহেরুল্লাহ ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের জন্য যশোরের মনোহরপুর গ্রামে ‘মাদ্রাসায়ে কারামাতিয়া' স্থাপন করেন।
.সৈয়দ আমীর আলী মুসলমানদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The spirit of Islam' এবং ‘A Short History of Saracens'
বাংলায় ব্রিটিশ শাসনামল:
.বাংলার প্রথম ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড ক্লাইভ।
.ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ব্রিটিশ গভর্নর ছিলেন-লর্ড কার্ডিয়ার।
.বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন-ওয়ারেন হেস্টিংস।
.বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু করেছিলেন-লর্ড কর্নওয়ালিশ (১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ)
.ভারতবর্ষের রেল যোগাযোগে ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন-লর্ড হেনরি হার্ডিঞ্জ।
.কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ করেন-লর্ড কার্জন।
.১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন-লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯৪৭ - ১৯৪৮)।
..ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চট্টগ্রামের গ্রহণ করে কত সালে?১৭৬০ সালে ।
.বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?১৯০৫ সালে ।
.ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়েছিল যে পরিকল্পনা মোতাবেক-১৯৪৭ এর র্যাডক্লিফ কমিশন।
.স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন-লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
.১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের বিভক্তির সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরূপিত সীমারেখা-র্যাডক্লিফ লাইন।
❤4
হাইড্রার সাধারণ পরিচিতি
আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
পূর্ব নাম: Zoophyta
নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
এরা মুক্তজীবী।
সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
মাংসাশী (Carnivorous)।
কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য
ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡Zygomycota
➡Ascomycota
➡Basidiomycota
➡Deuteromycota
➡Mycophycophyta
আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
পূর্ব নাম: Zoophyta
নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
এরা মুক্তজীবী।
সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
মাংসাশী (Carnivorous)।
কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য
ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡Zygomycota
➡Ascomycota
➡Basidiomycota
➡Deuteromycota
➡Mycophycophyta
❤8
আজকের বিষয়: রসায়ন ২য় পত্র।
অধ্যায়:তড়িৎ রসায়ন।
আর
★কেন এমন হয়?
=>(κ)/kappa (আপেক্ষিক পরিবাহিতা): এটি প্রতি unit আয়তনে উপস্থিত আয়নের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে। যখন পানি যোগ করা হয় (লঘুকরন), তখন প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে আয়নের সংখ্যা কমে যায়, তাই (κ)/kappa-ও কমে।
=>(Λ)/Lambda (মোলার পরিবাহিতা): এটি নির্ভর করে আয়নের গতিশীলতা (mobility) এবং মোট আয়নের ওপর। লঘুতা বাড়ালে আয়নগুলোর নড়াচড়া করার জায়গা বেড়ে যায় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কমে যায়, যার ফলে পরিবাহিতা বেড়ে যায়।
পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে এই দুটির প্রভাব উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। তাই মনে রাখবে, লঘুতা বাড়লে Specific (আপেক্ষিক) পরিবাহিতা ছাড়া বাকি সব (Molar, Equivalent, Total) সাধারণত বাড়ে।
লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
অধ্যায়:তড়িৎ রসায়ন।
পরিবাহী বনাম লঘুতা( conductivity vs dilution)
আপেক্ষিক পরিবাহিতা (Specific conductance (κ)/(kappa) : লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
আর
মোলার / তুল্য পরিবাহিতা (Molar / Equivalent conductance (Λ)/Lambda): লঘুতা বাড়লে এটি বাড়ে।
মনে রাখার কৌশল (Trick):
“লঘু করলে (κ) কমে, কিন্তু(Λ) বাড়ে”
★কেন এমন হয়?
=>(κ)/kappa (আপেক্ষিক পরিবাহিতা): এটি প্রতি unit আয়তনে উপস্থিত আয়নের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে। যখন পানি যোগ করা হয় (লঘুকরন), তখন প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে আয়নের সংখ্যা কমে যায়, তাই (κ)/kappa-ও কমে।
=>(Λ)/Lambda (মোলার পরিবাহিতা): এটি নির্ভর করে আয়নের গতিশীলতা (mobility) এবং মোট আয়নের ওপর। লঘুতা বাড়ালে আয়নগুলোর নড়াচড়া করার জায়গা বেড়ে যায় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কমে যায়, যার ফলে পরিবাহিতা বেড়ে যায়।
সতর্কবার্তা:
পরীক্ষায় প্রায়ই অপশনে এই দুটির প্রভাব উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। তাই মনে রাখবে, লঘুতা বাড়লে Specific (আপেক্ষিক) পরিবাহিতা ছাড়া বাকি সব (Molar, Equivalent, Total) সাধারণত বাড়ে।
লঘুতা (তরলীকরণ) বাড়লে এটি কমে।
❤3
🥀Notes Hour🥀
ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার জন্য দায়ী—
ইলেক্ট্রোলাইট দ্রবণে বিদ্যুৎ পরিবাহিতার জন্য দায়ী—
Anonymous Quiz
9%
অণু
55%
আয়ন
9%
প্রোটন
27%
ইলেকট্রন