👉বাংলা ১ম পত্র(বায়ান্নর দিনগুলো)
👉বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
⏩১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ- গোপালগঞ্জ
জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়েরা খাতুন।
⏩শেখ মুজিবুর রহমান 'জাতির পিতা' উপাধিতে ভূষিত হন- ৩ মার্চ ১৯৭১ ।
⏩শেখ মুজিবুর রহমান জেলে ছিলেন- সাতাশ আটাশ মাস।
⏩তিনি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন- ছয় দফা দাবির মাধ্যমে।
⏩১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
⏩বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন- ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পরে।
⏩তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত
⏩আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি দেশেফেরেন- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
⏩তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদ কর্তৃক 'জুলিও কুরি' পুরস্কারে ভূষিত হন- ১৯৭২সালের ১৮ অক্টোবর।
⏩বিশ্বশান্তি পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল রমেশচন্দ্রের হাত থেকে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে- 'জুলিও কুরি' পুরস্কার গ্রহণ করেন।
⏩বঙ্গবন্ধু 'জুলিও কুরি' পুরস্কার গ্রহণ করেন- ১৯৭৩ সালের ২৩ মে।
⏩১০ জানুয়ারি পালিত হয়- বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
©️Jhinuk
🇧🇩Bangla Hour🇧🇩
📍Notes Hour 📜
👉বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
⏩১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ- গোপালগঞ্জ
জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়েরা খাতুন।
⏩শেখ মুজিবুর রহমান 'জাতির পিতা' উপাধিতে ভূষিত হন- ৩ মার্চ ১৯৭১ ।
⏩শেখ মুজিবুর রহমান জেলে ছিলেন- সাতাশ আটাশ মাস।
⏩তিনি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন- ছয় দফা দাবির মাধ্যমে।
⏩১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
⏩বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন- ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পরে।
⏩তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত
⏩আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে তিনি দেশেফেরেন- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
⏩তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদ কর্তৃক 'জুলিও কুরি' পুরস্কারে ভূষিত হন- ১৯৭২সালের ১৮ অক্টোবর।
⏩বিশ্বশান্তি পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল রমেশচন্দ্রের হাত থেকে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে- 'জুলিও কুরি' পুরস্কার গ্রহণ করেন।
⏩বঙ্গবন্ধু 'জুলিও কুরি' পুরস্কার গ্রহণ করেন- ১৯৭৩ সালের ২৩ মে।
⏩১০ জানুয়ারি পালিত হয়- বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
©️Jhinuk
🇧🇩Bangla Hour🇧🇩
📍Notes Hour 📜
❤5
👉বাংলা সহপাঠ(লালসালু)
👉সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
⏩জন্মগ্রহণ করেন- ১৫ আগস্ট ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ; ষোলশহর, চট্টগ্রাম। পিতা : সৈয়দ আহমদউল্লাহ (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন)। মাতা : নাসিম আরা খাতুন।
⏩তিনি মারা যান- ১০ অক্টোবর ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ; প্যারিস, ফ্রান্স।
⏩সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ছোটগল্প- নয়নচারা, দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
⏩তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস- লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো, দি আগলি এশিয়ান (ইংরেজি ভাষায়; রচনা ১৯৬৩)। 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
⏩'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৬ সালে ৷
⏩সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ নাটক- বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানে মৃত্যু। তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পের নাম- হঠাৎ আলোর ঝলকানি। (প্রকাশ : ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে)।
⏩পি. ই. এন. পুরস্কার পান- 'বহিপীর' নাটকের জন্য।
⏩১৯৬৫-তে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন- 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প' গ্রন্থের জন্য।
⏩'লালসালু' প্রথম প্রকাশিত হয়- ১৯৪৮ সালে।
⏩'লালসালু' উপন্যাসের অনুবাদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
⏩ বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ:
উর্দু-Lal Shalu-কলিমুল্লাহ-১৯৬০
ফরাসি-L'arbre sans racines-অ্যান-মারি থিবো-১৯৬১
ইংরেজি-Tree without Roots-সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্-১৯৬৭
©️Jhinuk
👉সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
⏩জন্মগ্রহণ করেন- ১৫ আগস্ট ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ; ষোলশহর, চট্টগ্রাম। পিতা : সৈয়দ আহমদউল্লাহ (অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন)। মাতা : নাসিম আরা খাতুন।
⏩তিনি মারা যান- ১০ অক্টোবর ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ; প্যারিস, ফ্রান্স।
⏩সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ছোটগল্প- নয়নচারা, দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
⏩তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস- লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো, দি আগলি এশিয়ান (ইংরেজি ভাষায়; রচনা ১৯৬৩)। 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
⏩'নয়নচারা' গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৬ সালে ৷
⏩সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ নাটক- বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানে মৃত্যু। তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পের নাম- হঠাৎ আলোর ঝলকানি। (প্রকাশ : ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে)।
⏩পি. ই. এন. পুরস্কার পান- 'বহিপীর' নাটকের জন্য।
⏩১৯৬৫-তে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন- 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প' গ্রন্থের জন্য।
⏩'লালসালু' প্রথম প্রকাশিত হয়- ১৯৪৮ সালে।
⏩'লালসালু' উপন্যাসের অনুবাদ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
⏩ বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ:
উর্দু-Lal Shalu-কলিমুল্লাহ-১৯৬০
ফরাসি-L'arbre sans racines-অ্যান-মারি থিবো-১৯৬১
ইংরেজি-Tree without Roots-সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্-১৯৬৭
©️Jhinuk
🔥4❤🔥1❤1
👉 বাংলা প্রথম পত্র (আঠারো বছর বয়স)
👉সুকান্ত ভট্টাচার্য
জন্মগ্রহণ করেন-১৫ আগস্ট ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ (৩০ শ্রাবণ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ); মাতুলালয়, মহিম হালদার স্ট্রিট, কালীঘাট, কলকাতায়।
⏩সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয়- কিশোর কবি।
⏩সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য ছাড়পত্র (১৯৪৮), ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান, হরতাল, গীতিগুচ্ছ।
⏩সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ- আকাল।
⏩পঞ্চাশের মন্বন্তর উপলক্ষ করে তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ- আকাল।
⏩ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের পক্ষে- 'আকাল (১৩৫১) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন । 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর 'ছাড়পত্র'কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
⏩“আঠারো বছর বয়স" কবিতাটি- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
©️Jhinuk
📍Notes Hour 📜
👉সুকান্ত ভট্টাচার্য
জন্মগ্রহণ করেন-১৫ আগস্ট ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ (৩০ শ্রাবণ ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ); মাতুলালয়, মহিম হালদার স্ট্রিট, কালীঘাট, কলকাতায়।
⏩সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয়- কিশোর কবি।
⏩সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্য ছাড়পত্র (১৯৪৮), ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান, হরতাল, গীতিগুচ্ছ।
⏩সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ- আকাল।
⏩পঞ্চাশের মন্বন্তর উপলক্ষ করে তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ- আকাল।
⏩ফ্যাসিবাদ বিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের পক্ষে- 'আকাল (১৩৫১) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন । 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাঁর 'ছাড়পত্র'কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
⏩“আঠারো বছর বয়স" কবিতাটি- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
©️Jhinuk
📍Notes Hour 📜
❤🔥2❤1🔥1
👉মুঘল আমলে নির্মিত বাংলাদেশের স্থাপত্য
⏩লালবাগ কেনা
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: লালবাগ, ঢাকা নির্মাণ কাজ শুরু করেন শাহজাদা আযম নির্মাণ কাজ শেষ করেন শায়েস্তা খান।
⏩লাল কেল্লা
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: দিল্লি
⏭️ছোট কাটরা
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: চকবাজার, ঢাকা
⏭️বড় কাটরা
নির্মাতা: শাহজাদা সুজা অবস্থান: চকবাজার, ঢাকা
⏭️আফগান দূর্গ।
নির্মাতা: শেরশাহ
অবস্থান: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
⏩সাত গম্বুজ মসজিদ
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
⏩তারা মসজিদ
নির্মাতা: মীর্জা গোলাম পীর
অবস্থান:আরমানিটোলা, ঢাকা।
⏩ঢাকা গেইট
নির্মাতা: মীর জুমলা
অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
⏩তাজমহল
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: আগ্রা, দিল্লি
⏩ময়ূর সিংহাসন
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: আগ্রা, দিল্লি
⏩ফতেহপুর সিক্রি
নির্মাতা: আকবর
অবস্থান: দিল্লি স্বর্ণমন্দির
⏩ইদ্রাকপুর দূর্গ
নির্মাতা: মীর জুমলা
অবস্থান: বিক্রমপুর
⏩বিনত বিবির মসজিদ
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: ঢাকা
⏩গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
নির্মাতা:শেরশাহ
©️Jhinuk
📍Notes Hour 📜
⏩লালবাগ কেনা
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: লালবাগ, ঢাকা নির্মাণ কাজ শুরু করেন শাহজাদা আযম নির্মাণ কাজ শেষ করেন শায়েস্তা খান।
⏩লাল কেল্লা
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: দিল্লি
⏭️ছোট কাটরা
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: চকবাজার, ঢাকা
⏭️বড় কাটরা
নির্মাতা: শাহজাদা সুজা অবস্থান: চকবাজার, ঢাকা
⏭️আফগান দূর্গ।
নির্মাতা: শেরশাহ
অবস্থান: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
⏩সাত গম্বুজ মসজিদ
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: মোহাম্মদপুর, ঢাকা
⏩তারা মসজিদ
নির্মাতা: মীর্জা গোলাম পীর
অবস্থান:আরমানিটোলা, ঢাকা।
⏩ঢাকা গেইট
নির্মাতা: মীর জুমলা
অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
⏩তাজমহল
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: আগ্রা, দিল্লি
⏩ময়ূর সিংহাসন
নির্মাতা: সম্রাট শাহজাহান
অবস্থান: আগ্রা, দিল্লি
⏩ফতেহপুর সিক্রি
নির্মাতা: আকবর
অবস্থান: দিল্লি স্বর্ণমন্দির
⏩ইদ্রাকপুর দূর্গ
নির্মাতা: মীর জুমলা
অবস্থান: বিক্রমপুর
⏩বিনত বিবির মসজিদ
নির্মাতা: শায়েস্তা খান
অবস্থান: ঢাকা
⏩গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড
নির্মাতা:শেরশাহ
©️Jhinuk
📍Notes Hour 📜
🔥3❤🔥1❤1
Forwarded from Encrypted Edu
”تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنكُم“
❝তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম❞
❝তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম❞
❤15
নিয়মিত মেডিকেল স্ট্যান্ডার্ড নোট Medi Notes Hour এ দেওয়া হচ্ছে!
❤3
Forwarded from English Hour (Sam!ha)
●Listed words এর আগে A/An বসলে Singular Noun হয় ।
●Listed words Two/Three বসলে Plural Noun হয় ।
♡ A piece of bread - Two pieces of bread
♡ A piece of toast - Two pieces of toast
♡ A piece of jewelry - Two pieces of jewelry
♡ A loaf of bread - Two loafs of bread
♡ A piece of news - Two pieces of news
♡ A piece of information - Two pieces of information
♡ A clap of thunder - Two claps of thunder
♡A piece of equipment - Two pieces of equipment
♡ A bolt of lighting - Two bolts of lighting
♡ A piece of music - Two pieces of music
♡ A piece of furniture - Two pieces of furniture
♡ A piece of luggage - Two pieces of luggage
♡ A piece of mail - Two pieces of mail
♡ A slice of bread - Two slices of bread
♡ A gust of wind - Two gusts of wind
♡ A bar of soap - Two bars of soap
♡ An ear of corn - Two ears of corn
■ too many, many, few + Noun (Countable)
■ too much, much , little + Noun (Uncountable)
♤ Countable Noun
A man, Men, A jobs, Jobs, A traffic jam, Traffic jams, A person, Persons, A climate Climate, A laugh, Laughs, A human being, Human beings
♤ Uncountable Noun
Mankind, Man, Milk, Work, Traffic, Luggage, People, Weather, Laughter, Humanity
∎English Hour∎
●Listed words Two/Three বসলে Plural Noun হয় ।
♡ A piece of bread - Two pieces of bread
♡ A piece of toast - Two pieces of toast
♡ A piece of jewelry - Two pieces of jewelry
♡ A loaf of bread - Two loafs of bread
♡ A piece of news - Two pieces of news
♡ A piece of information - Two pieces of information
♡ A clap of thunder - Two claps of thunder
♡A piece of equipment - Two pieces of equipment
♡ A bolt of lighting - Two bolts of lighting
♡ A piece of music - Two pieces of music
♡ A piece of furniture - Two pieces of furniture
♡ A piece of luggage - Two pieces of luggage
♡ A piece of mail - Two pieces of mail
♡ A slice of bread - Two slices of bread
♡ A gust of wind - Two gusts of wind
♡ A bar of soap - Two bars of soap
♡ An ear of corn - Two ears of corn
■ too many, many, few + Noun (Countable)
■ too much, much , little + Noun (Uncountable)
♤ Countable Noun
A man, Men, A jobs, Jobs, A traffic jam, Traffic jams, A person, Persons, A climate Climate, A laugh, Laughs, A human being, Human beings
♤ Uncountable Noun
Mankind, Man, Milk, Work, Traffic, Luggage, People, Weather, Laughter, Humanity
∎English Hour∎
Forwarded from Medi Notes Hour
📌 সাধারণ জ্ঞান
টপিক:স্বাস্থ্য
⏩ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⏩রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (Institute of Epidemiology Disease Control & Research IEDCR) ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।
⏩বাংলাদেশে মানসিক রুগীদের জন্য ২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে। যথা- মানসিক হাসপাতাল,পাবনা ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
⏩বাংলাদেশে ৩টি কুষ্ঠরোগ হাসপাতাল রয়েছে। কুষ্ঠরোগ হাসপাতালগুলো ঢাকা, নীলফামারী এবং সিলেটে অবস্থিত।
⏩ট্রমা সেন্টার হলো দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র। ট্রমা সেন্টারে মূলত হাড় ভাঙ্গা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
⏩আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh মহাখালীতে অবস্থিত। ১৯৭৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি 'কলেরা হাসপাতাল' নামেও পরিচিত। আইসিডিডিআর,বি 'খাবার স্যালাইন' উদ্ভাবন করে - যা ডায়রিয়া রোগীর দেহে পানি ও লবণের স্বল্পতা পূরণে ব্যবহৃত হয়। প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের (< ৫ বছর) উদরাময় রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত 'বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট" উদ্ভাবন করে যা শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
⏩স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের প্রতীক সবুজ ছাতা।
⏩NIPORT-National Institute of Population Research.
⏩জনসংখ্যা দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।
🖋️Medi Notes Hour💉
টপিক:স্বাস্থ্য
⏩ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⏩রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (Institute of Epidemiology Disease Control & Research IEDCR) ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।
⏩বাংলাদেশে মানসিক রুগীদের জন্য ২টি বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে। যথা- মানসিক হাসপাতাল,পাবনা ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
⏩বাংলাদেশে ৩টি কুষ্ঠরোগ হাসপাতাল রয়েছে। কুষ্ঠরোগ হাসপাতালগুলো ঢাকা, নীলফামারী এবং সিলেটে অবস্থিত।
⏩ট্রমা সেন্টার হলো দুর্ঘটনাজনিত কারণে আহতদের চিকিৎসার্থে মহাসড়কের পার্শ্বে নির্মিত চিকিৎসা কেন্দ্র। ট্রমা সেন্টারে মূলত হাড় ভাঙ্গা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
⏩আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh মহাখালীতে অবস্থিত। ১৯৭৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি 'কলেরা হাসপাতাল' নামেও পরিচিত। আইসিডিডিআর,বি 'খাবার স্যালাইন' উদ্ভাবন করে - যা ডায়রিয়া রোগীর দেহে পানি ও লবণের স্বল্পতা পূরণে ব্যবহৃত হয়। প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের (< ৫ বছর) উদরাময় রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত 'বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট" উদ্ভাবন করে যা শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
⏩স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের প্রতীক সবুজ ছাতা।
⏩NIPORT-National Institute of Population Research.
⏩জনসংখ্যা দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।
🖋️Medi Notes Hour💉
⚡1
Forwarded from Medi Notes Hour
📌হাইড্রার সাধারণ পরিচিতি
⏩আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
⏩নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
⏩সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
⏩অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
⏩পূর্ব নাম: Zoophyta
⏩নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
⏩ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
⏩হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
⏩এরা মুক্তজীবী।
⏩সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
⏩মাংসাশী (Carnivorous)।
⏩কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
⏩কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
⏩দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
⏩অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
⏩পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩আবিষ্কারক: আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
⏩নামকরণ ক্যারোলাস লিনিয়াস।
⏩সর্বপ্রথম পুনরুৎপত্তি বর্ণনা করেন- আব্রাহাম ট্রেম্বলে।
⏩অমর প্রাণী হিসেবে আখ্যা দেন- ব্রায়েন।
⏩পূর্ব নাম: Zoophyta
⏩নিডারিয়া পর্বভূক্ত প্রাণী।
⏩ডিপ্লোব্লাস্টিক (Diploblastic) বা দ্বিস্তরী প্রাণী (প্রাণী জগতের দুটি পর্ব দ্বিস্তরী নিডারিয়া এবং টিনোফোরা)
⏩হাইড্রাকে স্বাদুপানির পলিপ বলা হয়।
⏩এরা মুক্তজীবী।
⏩সার্বজনীন মিঠাপানির প্রাণী।
⏩মাংসাশী (Carnivorous)।
⏩কর্ষিকার সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করে।
⏩কর্ষিকা ও দেহের সংকোচন প্রসারণের মাধ্যমে চলন সম্পন্ন করে।
⏩দেহ প্রাচীরের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে।
⏩অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে।
⏩পুনরুৎপত্তি ক্ষমতা প্রচন্ড।
🖋️Medi Notes Hour💉
❤8⚡1
📌Group Verb(ABC)
⏩Act on or upon (affect,ক্ষতি করা) – Such hard work will act upon your health.
⏩Act up to (act according to,অনুসারে কাজ কর) – He always acts up to my advice.
⏩Bear away, off (win,জয় করিয়া লওয়া) – He bore away (off) four prizes in the Annual sports.
⏩Bear out (support,সমর্থন করা) – His evidence does not bear out the charge.
⏩Bear with (tolerate,সহ্য করা) – I cannot bear with such insult.
⏩Blow out (extinguish,নেভানো) – Blow out the lamp.
⏩Break away (get away,ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা) – The convict broke away from the prison.
⏩Break down (decline,ভাঙিয়া পড়াবা দুর্বল হইয়া পড়া) – His health broke down for hard work.
⏩Break into (enter by force,ভাঙ্গিয়া প্রবেশ করা) – The robber broke into the house in midnight.
⏩Break out (spread suddenly,হঠাৎ থামিয়া যাওয়া) – Cholera broke out in the through the enemy’s line.
⏩Bring about (cause to happen,ঘটানো) – He tried to bring about a quarrel between them.
⏩Bring forth (Produce,উৎপাদন করা) – The timely rain brings forth good corps.
⏩Bring off (rescue,রক্ষা করা) – He brought off the passengers on the wrecked ship.
⏩Bring out (publish,ছাপাইয়া প্রকাশ করা) – The publisher has brought out a new book.
⏩Bring through (cure,আরোগ্য লাভ করা) – The new medicine has brought the patient through.
⏩Bring up (rear,প্রতিপালন করা) – She is brought up by her mother
⏩Burst into (express emotion,হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করা) – She burst into tears to see her dead son.
⏩Burst out (begin suddenly,ফাটিয়া পড়া) – He burst out laughing.
⏩Call for (demand,চাওয়া) – He called for an explanation from me.
⏩Call forth (use,কাজে লাগানো) – You have to call forth all your energy in the ensuring examination.
⏩Call off (withdraw,উঠাইয়া লওয়া) – The strike was called off.
⏩Call on upon, (meet,কাহারও সহিত দেখা করা) – He called on (upon) me in my office.
⏩Call up (remember,স্মরণ করা) – I cannot called over the name.
⏩Carry away (cause death to,মৃত্যু ঘটানো) – The was carried away by the current.
⏩Carry off (win,জিতিয়া লওয়া) – He carried off all the prizes.
⏩Carry out (obey,মান্য করা) – You must carry out my order.
⏩carry through (bring success,ফলপ্রসূ হওয়া) – His hard labour will carry him through.
⏩Cast about (move about,কোন কিছুর সন্ধানে ঘোরা) – He is casting about for an opportunity.
⏩Cast aside (throw off,ছড়িয়া ফেলা) – He cast aside (or, cast away, or cast off) his old shoes.
⏩Cast out (reject,পরিত্যাগ করা)) – As he is my friend, I shall not cast him out.
⏩Catch up (come up with,নাগাল ধরা) – India is trying to catch up with the advanced countries.
⏩Come about (happen,ঘটা) – How did the accident come about?
⏩Come across (meet,দেখিতে পাওয়া) – I came across the lame man on the way.
⏩Come by (get, পাওয়া) – How did you come by this picture?
⏩Come down (decrease,কমিয়া যাওয়া) – The price of rice has come down.
⏩Come out (be known,প্রকাশিত হওয়া) – The result will come out soon.
⏩Come round (recover,আরোগ্য লাভ করা) – The patient will come round soon.
⏩Come up to (be equal to,সমান হওয়া) – His word did not come up to our expectation.
⏩Cry down (decry,নিন্দা করা) – Do not cry down anything without considering the pros and cons of it.
⏩Cry for (demand,দাবী করা)– They are crying for a master plan for the prevention of flood.
⏩Cry out (Shout,চিৎকার করা) – He cried out for help.
⏩Cut off (dislocate,বিচ্ছিন্ন করা) – The robbers cut off the telephone connection.
🖋️Medi Notes Hour💉
📍Notes Hour 📜
⏩Act on or upon (affect,ক্ষতি করা) – Such hard work will act upon your health.
⏩Act up to (act according to,অনুসারে কাজ কর) – He always acts up to my advice.
⏩Bear away, off (win,জয় করিয়া লওয়া) – He bore away (off) four prizes in the Annual sports.
⏩Bear out (support,সমর্থন করা) – His evidence does not bear out the charge.
⏩Bear with (tolerate,সহ্য করা) – I cannot bear with such insult.
⏩Blow out (extinguish,নেভানো) – Blow out the lamp.
⏩Break away (get away,ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা) – The convict broke away from the prison.
⏩Break down (decline,ভাঙিয়া পড়াবা দুর্বল হইয়া পড়া) – His health broke down for hard work.
⏩Break into (enter by force,ভাঙ্গিয়া প্রবেশ করা) – The robber broke into the house in midnight.
⏩Break out (spread suddenly,হঠাৎ থামিয়া যাওয়া) – Cholera broke out in the through the enemy’s line.
⏩Bring about (cause to happen,ঘটানো) – He tried to bring about a quarrel between them.
⏩Bring forth (Produce,উৎপাদন করা) – The timely rain brings forth good corps.
⏩Bring off (rescue,রক্ষা করা) – He brought off the passengers on the wrecked ship.
⏩Bring out (publish,ছাপাইয়া প্রকাশ করা) – The publisher has brought out a new book.
⏩Bring through (cure,আরোগ্য লাভ করা) – The new medicine has brought the patient through.
⏩Bring up (rear,প্রতিপালন করা) – She is brought up by her mother
⏩Burst into (express emotion,হঠাৎ আবেগ প্রকাশ করা) – She burst into tears to see her dead son.
⏩Burst out (begin suddenly,ফাটিয়া পড়া) – He burst out laughing.
⏩Call for (demand,চাওয়া) – He called for an explanation from me.
⏩Call forth (use,কাজে লাগানো) – You have to call forth all your energy in the ensuring examination.
⏩Call off (withdraw,উঠাইয়া লওয়া) – The strike was called off.
⏩Call on upon, (meet,কাহারও সহিত দেখা করা) – He called on (upon) me in my office.
⏩Call up (remember,স্মরণ করা) – I cannot called over the name.
⏩Carry away (cause death to,মৃত্যু ঘটানো) – The was carried away by the current.
⏩Carry off (win,জিতিয়া লওয়া) – He carried off all the prizes.
⏩Carry out (obey,মান্য করা) – You must carry out my order.
⏩carry through (bring success,ফলপ্রসূ হওয়া) – His hard labour will carry him through.
⏩Cast about (move about,কোন কিছুর সন্ধানে ঘোরা) – He is casting about for an opportunity.
⏩Cast aside (throw off,ছড়িয়া ফেলা) – He cast aside (or, cast away, or cast off) his old shoes.
⏩Cast out (reject,পরিত্যাগ করা)) – As he is my friend, I shall not cast him out.
⏩Catch up (come up with,নাগাল ধরা) – India is trying to catch up with the advanced countries.
⏩Come about (happen,ঘটা) – How did the accident come about?
⏩Come across (meet,দেখিতে পাওয়া) – I came across the lame man on the way.
⏩Come by (get, পাওয়া) – How did you come by this picture?
⏩Come down (decrease,কমিয়া যাওয়া) – The price of rice has come down.
⏩Come out (be known,প্রকাশিত হওয়া) – The result will come out soon.
⏩Come round (recover,আরোগ্য লাভ করা) – The patient will come round soon.
⏩Come up to (be equal to,সমান হওয়া) – His word did not come up to our expectation.
⏩Cry down (decry,নিন্দা করা) – Do not cry down anything without considering the pros and cons of it.
⏩Cry for (demand,দাবী করা)– They are crying for a master plan for the prevention of flood.
⏩Cry out (Shout,চিৎকার করা) – He cried out for help.
⏩Cut off (dislocate,বিচ্ছিন্ন করা) – The robbers cut off the telephone connection.
🖋️Medi Notes Hour💉
📍Notes Hour 📜
❤🔥5❤3⚡1🔥1
প্রাণীর_পরিচিতি_হাইড্রা.pdf
5.4 MB
❤4❤🔥1🔥1
Forwarded from Medi Notes Hour
📌ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য
⏩ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
⏩সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
⏩সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
⏩কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
⏩জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
⏩স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
⏩হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
⏩জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
⏩অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
⏩শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
⏩ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
⏩এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
⏩অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
⏩ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
⏩মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡️Zygomycota
➡️Ascomycota
➡️Basidiomycota
➡️Deuteromycota
➡️Mycophycophyta
🖋️Medi Notes Hour💉
⏩ছত্রাক মৃতজীবী (Saprophytic), পরজীবী (Parasitic),বা মিথোজীবী (Symbiotic) হিসেবে বাস করে
⏩সুকেন্দ্রিক কোষ বিদ্যমান।অর্থাৎ এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও বিভিন্ন অঙ্গাণু বিদ্যমান ।
⏩সঞ্চিত খাদ্য প্ৰধানত গ্লাইকোজেন (Glycogen), তৈলবিন্দু, কখনো কখনো কিছু পরিমাণ ভলিউটিন ও চর্বি থাকতে পার
⏩কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত।
⏩ভাস্কুলার টিস্যু নেই।
⏩জননাঙ্গ এককোষী (unicellular), জননাঙ্গের বাইরে বন্ধ্যা কোষাবরণী অনুপস্থিত ।
⏩স্ত্রী জননাঙ্গে থাকা অবস্থায় জাইগোট বহুকোষী ভ্রুণে পরিণত হয় না।
⏩হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবিস্তার করে।
⏩জাইগোট এ মায়োসিস হয়। তাই থ্যালাস হ্যাপ্লয়েড (n)।
⏩অভিযোজন ক্ষমতা তীব্র (কতক ৫° সে. এর নিম্ন তাপমাত্রায় এবং কতক ৫০° সে. এর উপর তাপমাত্রায় জন্মাতে পারে)
⏩শোষণ (Absorption) প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।
⏩ছত্রাক থ্যালোফাইটা জাতীয় উদ্ভিদ।
⏩এককোষী ছাড়া সব ছত্রাকের দেহ হাইফি দিয়ে গঠিত।
⏩অধিকাংশ ছত্রাকই বহুকোষী।
দেহ সূত্রাকার,শাখান্বিত এবং আণুবীক্ষণিক।
⏩ছত্রাকের সূত্রাকার শাখাকে একবচনে হাইফা বহুবচনে হাইফি বলা হয়।
⏩মার্গুলিস কিংডম ফানজাইকে পাঁচটি ফাইলামে বিভক্ত করেছেন। ফাইলাম পাঁচটি হলো :
➡️Zygomycota
➡️Ascomycota
➡️Basidiomycota
➡️Deuteromycota
➡️Mycophycophyta
🖋️Medi Notes Hour💉
❤1
Forwarded from Medi Notes Hour
🌬️মানুষের শ্বসনতন্ত্রের অঙ্গসমূহ
⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।
⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি
⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।
⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।
⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।
⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।
⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।
⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি
⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।
⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।
⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।
⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।
⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।
✍️Medi Notes Hour✍️
⏩শ্বাস নালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস প্রায় দুই সেন্টিমিটার।
⏩শ্বাসনালীতে তরুণাস্থি আছে ১৬-২০ টি
⏩ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়ার শেষ প্রান্ত দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে দুই ফুসফুসে প্রবেশ করে এদেরকেই ব্রঙ্কাস (বহুবচনে ব্রংকাই) বলে।
⏩হাইলাম:ফুসফুসের যে অংশের ভিতর দিয়ে ব্রঙ্কাস ও রক্তনালী প্রবেশ করে তাকে হাইলাম বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:ফুসফুসের অভ্যন্তরে প্রতিটি ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়ে যে অসংখ্য ক্ষুদ্র নালি গঠন করে সেগুলোকে ব্রঙ্কিওল বলে।
⏩ফুসফুস:ডান ফুসফুস বড়। তার মধ্যে আছে ৩ টি লোব। বাম ফুসফুস ছোট। তার মধ্যে আছে ২ টি লোব।
⏩ফুসফুসের প্রতিটি লোব কতগুলো সেগমেন্টে বিভক্ত। ডান ফুসফুস আছে ১০ টি সেগমেন্ট। বাম ফুসফুসে আছে ৮ টি সেগমেন্ট।প্রতিটি সেগমেন্ট আবার অসংখ্য লোবিওলে বিভক্ত।
⏩ফুসফুসের গাঠনিক এককের নাম অ্যালভিওলাস।
⏩দুই ফুসফুসে মোট অ্যালভিওলাস প্রায় ৭০ কোটি
⏩ফুসফুসে মোট লোব ৫টি, ডান ফুসফুসে ৩টি এবং বাম ফুসফুসে ২ টি।
⏩শ্বসন বৃক্ষ:বায়ু নালী সিস্টেমকে দেখতে একটি উল্টানো বৃক্ষের মত দেখায় বলে একে ব্রংকিয়াল বৃক্ষ বা শ্বসন বৃক্ষ বলে।
⏩প্রাইমারি ব্রঙ্কাস:ট্রাকিয়া বিভক্ত হয়ে যে দুটি সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রাইমারি ব্রঙ্কাস। প্রাইমারি ব্রঙ্কাস ফুসফুসে প্রবেশ করে।
⏩সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস:লোবার ব্রঙ্কাস:প্রাইমারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো কে বলা হয় সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস।ডান ফুসফুস লোবার ব্রংকাস ৩ টি এবং বাম ফুসফুসে লোবার ব্রংকাস ২ টি।
⏩টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস : সেকেন্ডারি ব্রঙ্কাস বিভক্ত হয়ে যে শাখাগুলো সৃষ্টি হয় বলা হয় টারশিয়ারি ব্রঙ্কাস বা সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বলে।
⏩ব্রঙ্কিওল:সেগমেন্টাল ব্রঙ্কাস বারবার বিভক্ত হয়েছে সূক্ষ্ম নালীর সৃষ্টি হয় সেগুলো কে ব্রঙ্কিওল বলে। প্রতিটি ব্রঙ্কিওল একেকটি লোবিওলে প্রবেশ করে।
⏩সারফ্যাকট্যান্ট:অ্যালভিওলাসের ভিতরের দেয়াল থেকে নিঃসৃত ডিটারজেন্ট এর ন্যায় ফসফোলিপিড জাতীয় পদার্থকে সারফ্যাকট্যান্ট বলে । সারফেকট্যান্ট ক্ষরিত হয় সেপ্টাল কোষ থেকে।
✍️Medi Notes Hour✍️
❤7
Forwarded from Chemistry Hour (Nusrat Mamun Labonno)
#Important_topic
ইলেকট্রন বিন্যাস অনুসারে মৌলসমূহের শ্রেনিবিভাগ
💠s ব্লক মৌল
• সর্বশেষ ইলেকট্রনটি s অরবিটালে যায়।
• গ্রুপ-1 ও 2 (IA ক্ষার ধাতু ও IIA মৃৎক্ষার ধাতু) মৌলসমূহ এবং গ্রুপ-18 এর He এ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
• মৌলের সংখ্যা হলো 14টি।
• সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর বা যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস হলো ns¹ বা ns².
• গ্রুপ সংখ্যা = সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনের সংখ্যা।
🧪Chemistry Hour🧪
ইলেকট্রন বিন্যাস অনুসারে মৌলসমূহের শ্রেনিবিভাগ
💠s ব্লক মৌল
• সর্বশেষ ইলেকট্রনটি s অরবিটালে যায়।
• গ্রুপ-1 ও 2 (IA ক্ষার ধাতু ও IIA মৃৎক্ষার ধাতু) মৌলসমূহ এবং গ্রুপ-18 এর He এ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।
• মৌলের সংখ্যা হলো 14টি।
• সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর বা যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস হলো ns¹ বা ns².
• গ্রুপ সংখ্যা = সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনের সংখ্যা।
🧪Chemistry Hour🧪
❤5