Voice of News
200 subscribers
65 photos
38 videos
3 links
সকল ধরনের নিউজ পেতে আমাদের নিউজ অফ বয়েজ সবাই সাবস্ক্রাইব করেন
Download Telegram
- কাল দুপুরে দেশে ফিরছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে আজ নয়াদিল্লি গেছে ২০৫ যাত্রী
- এবার দেশ ছাড়ল সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের পরিবার
🤣81
ইউনূস সেন্টার থেকে প্রেস রিলিজ দিয়ে মাত্রই জানানো হয়েছে—
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল ৮ আগস্ট ২০২৪ বৃহস্পতিবার দুবাই থেকে এমিরেটস ফ্লাইট (EK-582) যোগে ঢাকা সময় (GMT+6) দুপুর ২:১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকায় পৌঁছাবেন।
👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
টাকার বস্তা সহ গাড়ী আটক, উত্তরা, ঢাকা।
আজ বিকেলে সেনাসদরে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।
8
ঢাকায় কোথাও ডাকাতি লুটপাট হলে আমাদের খবর দিন। আমরা ১২ টা বাইক এবং ৩ টা অটোরিক্সা নিয়ে টহলে আছি।
কল🫵🫵
01627332001 noornobi
01756187154 mahin
+880 1516-101363

©NoorNobi
👍1
বাংলাদেশে হাসিনার পতনের পর মণিপুরে কারফিউ জারি

বাংলাদেশ থেকে মানুষের অনুপ্রবেশ রোধে ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্য সরকার আজ বুধবার আসাম সীমান্তবর্তী দুই জেলা ফেরজাওল ও জিরিবামে কারফিউ (সান্ধ্য আইন) জারি করেছে। ওই জেলার ম্যাজিস্ট্রেটরা এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে মণিপুরের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই, তবে মণিপুরের সঙ্গে দক্ষিণ আসামের সীমানা রয়েছে। যেহেতু আসামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, তাই এই কারফিউ জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গত সোমবার উত্তর-পূর্ব ভারতের আরেক রাজ্য মেঘালয়ও রাতের কারফিউ জারি করেছিল। মেঘালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।

অর্থাৎ আ.লীগের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত পলাতক আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিতে চাচ্ছেনা!
বিচারবিভাগের ফ্যাসিবাদ বিলোপ করতে হবে

আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি,
বিচারবিভাগে এখনো ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার শরিক বিচারপতিরা বিচরণ করছেন। আমরা শুনতে পেলাম, অভ্যুত্থানের আগে আমাদের যেভাবে আদালতের নামে টালবাহানা করা হত, ঠিক একই কায়দায় অভ্যুত্থান পরবর্তী ছাত্র-জনতার সরকার ব্যাহত করার প্রচেষ্টা চলমান। 

আমরা অচিরেই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার সক্রিয় শরিক প্রধান বিচারপতি, আপিল বিভাগের বিচারপতিবৃন্দের অপসারণ দাবি করছি। অনতিবিলম্বে দেশপ্রেমিক এবং জনগণের পক্ষের  বিচারপতিদের উক্ত শুন্য পদসমূহে নিয়োগ করে দেশে ছাত্র-জনতার সরকার প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম দ্রুততর করা হোক। আশা করবো সকালের মধ্যেই বিচারপতিগণ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন। অন্যথায় আমাদের কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে হবে।
এছাড়াও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি বিচারবিভাগকে স্বাধীন ও কার্যকর ভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় পলিসি বাস্তবায়ন করার আহ্বান থাকবে।

এছাড়াও দেশের সকল পর্যায়েই ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী, সহযোগীদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান করা যাচ্ছে।

আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
2
👍1
সেনেগালের রাষ্ট্রপতি:

আমি সত্যিই অফিসে আমার ছবি চাই না কারণ আমি ঈশ্বর নই;  আমি জাতির সেবক।

#SENEGAL

বাংলাদেশে তো ক্ষমতায় আসলেই সরকারী অফিসে নেতার ছবি টাঙ্গানো আবশ্যক করে দেয়!
👍7
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, শিক্ষক, ছাত্র প্রতিনিধি, সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেই গঠিত হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
@AsifMahmud
5
দেশ ছেড়ে পালানোর সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফিকে আটক করে গোয়েন্দা সংশ্লিষ্টরা।
👍13
কাশিমপুর কারাগারে নিহতদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসা ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শান্তি নিশ্চিত করতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এমন আমিনুল ইসলাম এর সাথে আজ সকাল ১০ টায় তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন।
উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও অর্থসম্পদ মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী।
আইজি প্রিজন দাবি সমূহ দ্রুত কার্যকর করার আশ্বাস দিয়েছেন।
আমাকে প্রয়োজন মনে না করলে বলেন আমি চলে যাবো, কিন্তু যেহেতু আমাকে ডেকেছেন তাহলে অমার কথা শুনতে হবে : ড. মুহাম্মদ ইউনূস
6
সোমবার সকালে ঢাকা অভিমুখে ব্যাপক জনসমাগম শুরু হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভঙ্গ করছিল এবং ইতোমধ্যেই সহিংসতা শুরু হয়েছিল। ঢাকার কিছু অংশ থেকে পুলিশ প্রত্যাহার করা হয় এবং সেনাপ্রধান সতর্ক করে বলেছিলেন, তারা গণভবনে পৌঁছানো থেকে জনতার ভিড়কে বেশি সময় আটকে রাখতে পারবে না, হয়ত সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা।

দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই মুহূর্তে সামরিক প্রধানরা সাহায্যের জন্য শেখ হাসিনার পরিবারের সাথে কথা বলেন। তারা শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার সাথে কথা বলে বড় বোনকে চলে যেতে রাজি করাতে বলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা থাকার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

পরবর্তীতে তার ছেলে সজীব এবং মেয়ে সায়মা (দুজনেই বিদেশে থাকেন) ফোনে জোর দিয়ে বলেছিলেন যে তাকে যেতে হবে। এসব আলোচনার সময় হাসিনার সাথে বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান উপস্থিত ছিলেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় বিবিসিকে বলেন, "আমার মা মোটেও দেশ ছেড়ে যেতে চাননি। আমাদের তাকে রাজি করাতে হয়েছিল।"

তিনি জানিয়েছেন, তার মা শনিবার সন্ধ্যায় পদত্যাগ করার কথা ভাবতে শুরু করেছিলেন। হাসিনার পরিবার তাকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল কারণ তাদের ভয় ছিল, জনতা হিংস্র হয়ে উঠবে এবং তাকে হত্যা করবে। অবশেষে, তিনি কোন প্রস্তুতি ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে চলে গেলেন।

জয় বলেন, "আমি তাকে পরে দিল্লিতে ফোন দিয়েছিলাম। সেখানে তিনি নিরাপদ। কিন্তু তিনি হতাশ এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি গভীরভাবে আশাহত হয়েছেন।"

সোমবার (৫ আগস্ট) সকালে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধ জানাতে দিল্লিতে কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন। দীর্ঘদিনের মিত্র ভারত তাকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল।

আগের দিন (৪ আগস্ট) ওয়াশিংটন ভারতকে জানিয়েছিল, হাসিনার সময় শেষ হয়ে গেছে এবং তার কাছে কোনো বিকল্প নেই।

সেনাবাহিনী তাকে আর সমর্থন করছে না বুঝতে পেরে এবং ঢাকায় জনতার সমাগম হবে বুঝতে পেরে হাসিনা অনিচ্ছায় পদত্যাগ করতে রাজি হন। প্রক্রিয়াটি গোপন রাখা হয়েছিল, শুধু কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা তার প্রস্থান সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় তার গতিবিধির খবর যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তার নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করার জন্য কর্তৃপক্ষ হাসিনাকে সড়কের পরিবর্তে হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। তিনি হেলিকপ্টারে চড়তে ইতস্তত বোধ করেছিলেন, এমনকি তার বোনকে তার পরিবর্তে চলে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে তাকে যেতে রাজি করান।

তাদেরকে তার বাসভবন থেকে একটি অপেক্ষমাণ সামরিক বিমানে তোলা হয় যেটি বিকেলে হাসিনা, তার বোন এবং আওয়ামী লীগের একজন এমপিকে দিল্লিতে নিয়ে যায়।

শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসানের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে উদযাপন শুরু হয়। জনতা গণভবনে প্রবেশ করে এবং তাদের অনেককেই বিভিন্ন জিনিস লুটপাট করতে দেখা গেছে।

ক্ষমতাচ্যুত হলেন একসময়ের গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন শেখ হাসিনা, যিনি সেদিন একজন স্বৈরশাসক হয়ে নিজ দেশ থেকে পালিয়েছেন।

দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
👍2
নতুন অ্যাটার্নি জেনারেল হলেন
মানবাধিকার সম্পাদক। "আসাদুজ্জামান"

সোর্স:যমুনা টিভি
রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে বাহিনীপ্রধানদের বিশ্বাসঘাতক বলেন হাসিনা, কাঁদতে কাঁদতে দেশ ছাড়েন।
😁6
দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে জরুরি আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শপথ গ্রহণ রাতেই।
6
6