চাঁদাবাজ-লুটপাটকারীরা কোন দলের না। এরা সবসময় সুবিধাভোগী। সময়ের ব্যবধানে এরা শুধু এদের নেতা ও শ্লোগান পরিবর্তন করেছে। এদেরকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।
সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতির সুযোগ নিয়ে এলাকায় এলাকায় কারা কারা লুটপাট, হামলা, ভাংচুর ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছেন তাদেরকে চিনে রাখছে ছাত্র-জনতা। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের উপর ছাত্র-জনতার এই কারণেই কিন্তু আক্রোশ ছিল। এই আক্রোশটা এখন নিজেদের গায়ে টেনে নিয়েন না। সবকিছু আইনসম্মত ভাবে সঠিক পন্থায় হতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে যেন কেউ একচুল পরিমাণও জুলুমের শিকার না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
আপনার এলাকায় এমন কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হতে দেখলে প্রমাণসহ আমাদের ইনবক্স করুন। এখন থেকে আমরা এদেরকে চিহ্নিত করে রাখবো।
সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতির সুযোগ নিয়ে এলাকায় এলাকায় কারা কারা লুটপাট, হামলা, ভাংচুর ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছেন তাদেরকে চিনে রাখছে ছাত্র-জনতা। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের উপর ছাত্র-জনতার এই কারণেই কিন্তু আক্রোশ ছিল। এই আক্রোশটা এখন নিজেদের গায়ে টেনে নিয়েন না। সবকিছু আইনসম্মত ভাবে সঠিক পন্থায় হতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে যেন কেউ একচুল পরিমাণও জুলুমের শিকার না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
আপনার এলাকায় এমন কোন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হতে দেখলে প্রমাণসহ আমাদের ইনবক্স করুন। এখন থেকে আমরা এদেরকে চিহ্নিত করে রাখবো।
বাংলাদেশ ব্যাংকে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে। বিক্ষুধ্ব একদল কর্মকর্তা ও কর্মচারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, চার ডেপুটি গভর্নর, উপদেষ্টা ও আর্থিক গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে মিছিল করেন। এক পর্যায়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল ভবনে অবস্থিত গভর্নরের ফ্লোরে ঢুকে পড়েন এবং একজন ডেপুটি গভর্নরকে সাদা কাগজে সই করতে বাধ্য করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চার ডেপুটি গভর্নর এবং আর্থিক গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান বিক্ষুধ্ব কর্মকর্তাদের দাবির মুখে ‘পদত্যাগ’ করেছেন এবং যারা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেরিয়ে গেছেন। এ সময় সেনাসদস্যরা তাঁদের নিরাপত্তা দেন। তবে ঘটনার সময় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার কার্যালয়ে ছিলেন না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চার ডেপুটি গভর্নর এবং আর্থিক গোয়েন্দা দপ্তরের প্রধান বিক্ষুধ্ব কর্মকর্তাদের দাবির মুখে ‘পদত্যাগ’ করেছেন এবং যারা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেরিয়ে গেছেন। এ সময় সেনাসদস্যরা তাঁদের নিরাপত্তা দেন। তবে ঘটনার সময় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার কার্যালয়ে ছিলেন না।
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ভিডিওটি ইতিমধ্যেই একাধিকবার পোস্ট হয়েছে। আবারও দেখেন ভাল করে। এটা গতকাল যাত্রাবাড়ির থানার সামনে। যেখানে প্রায় ৩০+ মানুষকে এভাবে সরাসরি ব্রাশফায়ার করে হত্যা করেছিল পুলিশলীগের সন্ত্রাসীরা।
এদেরকে কিভাবে ক্ষমা করবেন?
এদেরকে কিভাবে ক্ষমা করবেন?
😢1
রাজধানীর খিলগাঁও থানা থেকে লুট হওয়া শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র খিলগাঁও ঈমানবাগ জামে মসজিদে উদ্ধার করে এলাবাসীর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এমন দেশপ্রেমিক আলেমরাই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দেশজুড়েই এমন ভূমিকা রেখে চলেছে। সারাদেশের মসজিদগুলো হোক এমন শান্তি ও শৃঙ্খলার প্রধানতম হাতিয়ার।
❤2
