হিদায়াহ _هداية
229 subscribers
14 photos
20 videos
2 links
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
كُلُّ نَفۡسٍ ذَآئِقَۃُ الۡمَوۡتِ ؕ وَ اِنَّمَا تُوَفَّوۡنَ اُجُوۡرَكُمۡ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ ؕ فَمَنۡ زُحۡزِحَ عَنِ النَّارِ وَ اُدۡخِلَ الۡجَنَّۃَ فَقَدۡ فَازَ ؕ وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ

প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। আর ‘অবশ্যই কিয়ামতের দিনে তাদের প্রতিদান পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে। সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে সে-ই সফলতা পাবে। আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী।


আল ইমরান আয়াত:১৮৫
3
বিশ্বস্ত, সত্যবাদী মুসলিম ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন শহীদগণের সঙ্গে থাকবেন।

ইবনে মাজাহ; ২১৩৯
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নিশ্চয়ই শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।
সূরা নিসা, ৭৬


"নিশ্চয়ই নারীর চক্রান্ত ভয়ংকর।"
সূরা ইউসুফ, ২৮
😢7
"মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, মাটিতেই আমি তোমাদের ফিরিয়ে নেব এবং এ মাটি থেকেই
তোমাদেরকে পুনরায় বের করে আনব।”

— [সূরাঃ- তা'হাঃ: ৫৫]
5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন পালন/শুভেচ্ছা জানানোর অর্থ হলো – আপনি সাক্ষ্য দিচ্ছেন আল্লাহ তা'আলা এই দিনে পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছে!
নাউজুবিল্লাহ
মু’মিনদের বল তাদের দৃষ্টি অবনমিত করতে আর তাদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করতে, এটাই তাদের জন্য বেশি পবিত্র, তারা যা কিছু করে সে সম্পর্কে আল্লাহ খুব ভালভাবেই অবগত।


সূরা নূর আয়াত ৩০
2
আর ঈমানদার নারীদেরকে বলে দাও তাদের দৃষ্টি অবনমিত করতে আর তাদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করতে, আর তাদের শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ না করতে যা এমনিতেই প্রকাশিত হয় তা ব্যতীত। তাদের ঘাড় ও বুক যেন মাথার কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়। তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাই-এর ছেলে, বোনের ছেলে, নিজেদের মহিলাগণ, স্বীয় মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনামুক্ত পুরুষ আর নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া অন্যের কাছে নিজেদের শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন নিজেদের গোপন শোভা সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবাহ কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।


সূরা নূর আয়াত ৩১
3
কোনো মুসলিমকে কাফের বলে অভিহিত করা কবিরা গুনাহ।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- "যাকে কাফের বলা হবে সে সত্যিকারে কাফের না হলে যে কাফের বলল তার দিকেই সেটা ফিরে আসবে।
"

তিরমিজি ২৬৩৭
বুখারি ৬১০৩
2
আনাস বিন মালিক (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায় খুতবাতে বলতেন-

"যার আমানতদারী নেই, তার ঈমান নেই। আর যে অঙ্গীকার পালন করে না, তার দ্বীন নেই।
"

মুসনাদে আহমদ ১২৩৮২
1
অতঃপর সালাত সমাপ্ত হলে তোমারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর।

সূরা আল জুমা-আ, ১০
1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
১৫টি সুন্নাত মুখস্ত রাখতে হবে।

-মিজানুর রহমান আজহারী।
রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেনঃ
তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়।


আবু দাউদ - ১০৪৭
1
“হে নবী তুমি তোমার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বল, তারা যেন তাদের উড়না বা চাদরের কিছু অংশ নিজেদের (চেহারা ও বুকের) উপর টেনে দেয়, এতে তাদের চেনা সহজতর হবে, (বুঝা যাবে যে তারা স্বাধীন ও সম্ভ্রান্ত) ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
[সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৯]
3
তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে, প্রাচীন জাহেলী যুগের মতো তোমরা সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়াবে না।”
[সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]
1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আর তোমরা ব্যভিচারের কাছে যেয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ।
- সূরা: আল ইসরা, আয়াত: ৩২।
3
সালাত শুধু একটা নিয়ম নয়, এটা আল্লাহর সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। যে ব্যক্তি দিনে পাঁচবার সালাত আদায় করে, সে যেন বারবার আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে, নিজের ভুলগুলো শোধরানোর সুযোগ পায়।

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, অনেকেই সালাতকে গুরুত্ব দেয় না। তারা মনে করে, সময় থাকলে পড়বে, না হলে পড়বে না! অথচ
আল্লাহ নিজেই বলেছেন—

"নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
(সুরা আল-আনকাবূত, আয়াত নং ৪৫)

সালাত আমাদের জীবনে বরকত আনে, মনকে প্রশান্ত করে, গুনাহ থেকে দূরে রাখে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন—

"তোমাদের কেউ যদি কোনো নদীর মাঝে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তার শরীরে কোনো ময়লা থাকবে?" সাহাবিরা বললেন, "না, কোনো ময়লা থাকবে না।" তখন তিনি বললেন, "এটাই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ। আল্লাহ এর মাধ্যমে বান্দার গুনাহ মুছে দেন।"
(বুখারি ৫২৮, মুসলিম ৬৬৭)

অথচ আমরা কতটা উদাসীন! দুনিয়ার কাজ, ব্যস্ততা, অলসতা— এগুলো কি আমাদের রবের সামনে দাঁড়ানো থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? একদিন যখন এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যাব, তখন কি কোনো অজুহাত আমাদের বাঁচাতে পারবে?
আসুন, আজ থেকেই নিজেদের প্রশ্ন করি— আমি কি সত্যিই আল্লাহর বান্দা, নাকি দুনিয়ার কাজের দাস?

©
2
"নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত করেন এবং তিনি তাদের জন্য রেখেছেন অপমানজনক শাস্তি।"

সূরা আহযাব, আয়াত নং ৫৭
1