ইসলামে হাদিয়া (উপহার) গ্রহণ করা বৈধ এবং এটি পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"তোমরা একে অপরকে উপহার দাও, তাহলে পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।"
(আবু দাউদ, হাদিস: ৫১৩৮)
"তোমরা একে অপরকে উপহার দাও, তাহলে পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।"
(আবু দাউদ, হাদিস: ৫১৩৮)
❤8😱1
Net Explain
ইসলামে হাদিয়া (উপহার) গ্রহণ করা বৈধ এবং এটি পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "তোমরা একে অপরকে উপহার দাও, তাহলে পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে।" (আবু দাউদ, হাদিস: ৫১৩৮)
ভাই, ভাবি ও বন্ধুরা সবাই ঈদ সালামি পাঠান আমার বিকাশে ~ মেইল করুন বিকাশ নম্বর দিচ্ছি 🙈🙈
princeakashhelp@gmail.com
princeakashhelp@gmail.com
🥴10🤪3😁2
আমাদের পাশের এলাকায় একটা মেয়ে পালিয়ে গেলো একটা গাঁজা খোরের সাথে, ছেলে ক্লাস - 10 মেয়ে ও 9 !!
বিষয়টা হচ্ছে মেয়েটা সুন্দরী কিন্তু ছেলেটা নেশাখোর এবং খুবই বাজে !!
আমি কিন্তু আগেই বলছিলাম, নেশাখোরেরাই শুধু সফল হয় !!
ভালো গুলোরা কখনোও সফল হবে না, কারণ নেশাখোরের কাছে যা আছে তা আমাগো কাছে নাই 😑
এখন বলি যারা রিলেশনে সফল হতে চাও তারা প্রেম করো আর উরাধুরা নেশা করো ১০০% গ্যারান্টি তুমি সফল হবা !!
নেশা করার টাকা না থাকলে আমার থেকে নিও তবুও মেয়ে গুলারে একটু শিক্ষা দাও 🙂
ভাই এমন পরিবারে পালিয়ে গেলো ঐ মেয়ের কষ্টে থাকতে হবে সারাজীবন 🙂
যাদের ছোট বা বড় বোন আছে এমন চুনকালি মাখার আগেই বিয়ে দিয়ে দাও ভালো ছেলে দেখে !!
আমি যা বলি তাই কিন্তু সত্যি ❤️
বিষয়টা হচ্ছে মেয়েটা সুন্দরী কিন্তু ছেলেটা নেশাখোর এবং খুবই বাজে !!
আমি কিন্তু আগেই বলছিলাম, নেশাখোরেরাই শুধু সফল হয় !!
ভালো গুলোরা কখনোও সফল হবে না, কারণ নেশাখোরের কাছে যা আছে তা আমাগো কাছে নাই 😑
এখন বলি যারা রিলেশনে সফল হতে চাও তারা প্রেম করো আর উরাধুরা নেশা করো ১০০% গ্যারান্টি তুমি সফল হবা !!
নেশা করার টাকা না থাকলে আমার থেকে নিও তবুও মেয়ে গুলারে একটু শিক্ষা দাও 🙂
ভাই এমন পরিবারে পালিয়ে গেলো ঐ মেয়ের কষ্টে থাকতে হবে সারাজীবন 🙂
যাদের ছোট বা বড় বোন আছে এমন চুনকালি মাখার আগেই বিয়ে দিয়ে দাও ভালো ছেলে দেখে !!
আমি যা বলি তাই কিন্তু সত্যি ❤️
😁8🤣4👍1
Net Explain
আমাদের পাশের এলাকায় একটা মেয়ে পালিয়ে গেলো একটা গাঁজা খোরের সাথে, ছেলে ক্লাস - 10 মেয়ে ও 9 !! বিষয়টা হচ্ছে মেয়েটা সুন্দরী কিন্তু ছেলেটা নেশাখোর এবং খুবই বাজে !! আমি কিন্তু আগেই বলছিলাম, নেশাখোরেরাই শুধু সফল হয় !! ভালো গুলোরা কখনোও সফল হবে না, কারণ নেশাখোরের…
এবার ঈদে নেশাখোর দের জন্য থাকছে ৫০০ টাকা করে সালামি ❤️
😁14🤣2
হে রোজাদার 🙂
আজকের রাতটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় ❤️
আমি দূঃখিত ২১,২৩,২৫,২৭,২৯ এই রাত গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এই রাতের অনেক আমল ছিলো যা সেয়ার করতে পারিনি !!
মনে ছিলো না সরি 🙏
আজকের রাতটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় ❤️
আমি দূঃখিত ২১,২৩,২৫,২৭,২৯ এই রাত গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এই রাতের অনেক আমল ছিলো যা সেয়ার করতে পারিনি !!
মনে ছিলো না সরি 🙏
🥰8❤4
ঈদের আর বেশি সময় নেই
আপনারা চাইলে ঈদের নামাজ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা সেয়ার করতে পারি !!
এতে করে সবারই উপকার হবে ❤️
প্রথমে নিয়ত ও নিয়ম আজকে ৫ মিনিট সময় দিয়ে মুখস্থ করলে ঈদের দিন আর পস্তাতে হবে না যে আমি পারি না 🙂
আপনারা চাইলে ঈদের নামাজ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা সেয়ার করতে পারি !!
এতে করে সবারই উপকার হবে ❤️
প্রথমে নিয়ত ও নিয়ম আজকে ৫ মিনিট সময় দিয়ে মুখস্থ করলে ঈদের দিন আর পস্তাতে হবে না যে আমি পারি না 🙂
👍2
ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম-
১. ইমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে উভয় হাত বাঁধা।
২. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া-
'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।
৩. এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৪. এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া
৮. সুরা ফাতেহা পড়া
৯. সুরা মিলানো। এরপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ করা।
দ্বিতীয় রাকাত-
১. বিসমিল্লাহ পড়া
২. সুরা ফাতেহা পড়া
৩. সুরা মেলানো।
৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. এরপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া।
৮. সেজদা আদায় করা।
৯. বৈঠকে বসা; তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।
১০. নামাজের সালাম ফেরানোর পর তাকবির পড়া-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’
১১. নামাজের পর ইমাম সাহেবের দুটি খুতবা দেয়া।
ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবেন। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন।
অতিরিক্ত তাকবির:
অতিরিক্ত তাকবিরের ক্ষেত্রে অন্যান্য মাজহাবসহ অনেকেই প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমাসহ ৭ তাকবির আর দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ তাকবির দিয়ে থাকেন। যদি কেউ অতিরিক্ত ৬ তাকবির দেয় কিংবা অতিরিক্ত এগারো তাকবির দেয় তাতে নামাজের অসুবিধা হবে না বরং নামাজ হয়ে যাবে।
ঈদের নামাজের তাকবির পড়া:
ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে অর্থাৎ ৩০ রমজান ইফতারের পর প্রথম কাজই হচ্ছে তাকবির তথা আল্লাহর কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করা। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাকবির পড়া। এটিই ঈদের প্রথম কাজ। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমেও তাকবির পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-
وَلِتُكْمِلُواْ الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُواْ اللّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
‘আর তোমাদের আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।’( সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)
তাকবির হলো:
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’
আল্লাহ তাআলা রোজাদার মুমিন মুসলমানকে ঈদের নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
১. ইমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে উভয় হাত বাঁধা।
২. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া-
'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।
৩. এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৪. এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া
৮. সুরা ফাতেহা পড়া
৯. সুরা মিলানো। এরপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ করা।
দ্বিতীয় রাকাত-
১. বিসমিল্লাহ পড়া
২. সুরা ফাতেহা পড়া
৩. সুরা মেলানো।
৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।
৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া।
৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।
৭. এরপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া।
৮. সেজদা আদায় করা।
৯. বৈঠকে বসা; তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।
১০. নামাজের সালাম ফেরানোর পর তাকবির পড়া-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’
১১. নামাজের পর ইমাম সাহেবের দুটি খুতবা দেয়া।
ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবেন। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন।
অতিরিক্ত তাকবির:
অতিরিক্ত তাকবিরের ক্ষেত্রে অন্যান্য মাজহাবসহ অনেকেই প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমাসহ ৭ তাকবির আর দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ তাকবির দিয়ে থাকেন। যদি কেউ অতিরিক্ত ৬ তাকবির দেয় কিংবা অতিরিক্ত এগারো তাকবির দেয় তাতে নামাজের অসুবিধা হবে না বরং নামাজ হয়ে যাবে।
ঈদের নামাজের তাকবির পড়া:
ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে অর্থাৎ ৩০ রমজান ইফতারের পর প্রথম কাজই হচ্ছে তাকবির তথা আল্লাহর কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করা। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাকবির পড়া। এটিই ঈদের প্রথম কাজ। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমেও তাকবির পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-
وَلِتُكْمِلُواْ الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُواْ اللّهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
‘আর তোমাদের আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।’( সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)
তাকবির হলো:
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’
আল্লাহ তাআলা রোজাদার মুমিন মুসলমানকে ঈদের নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
❤7👍4
Net Explain
ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম- ১. ইমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে উভয় হাত বাঁধা। ২. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া- 'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। ৩. এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া।…
ঈদুল ফিতর নামাজের নিয়ত-
نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ
বাংলা উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ইদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াঝিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াঝঝিহান ইলা ঝিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি ‘আল্লাহু আকবার’।’
বাংলা নিয়ত : আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এ ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি- ‘আল্লাহু আকবার’।
نَوَيْتُ أنْ أصَلِّي للهِ تَعَالىَ رَكْعَتَيْنِ صَلَاةِ الْعِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ التَكْبِيْرَاتِ وَاجِبُ اللهِ تَعَالَى اِقْتَضَيْتُ بِهَذَا الْاِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اللهُ اَكْبَرْ
বাংলা উচ্চারণ: ‘নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ইদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াঝিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াঝঝিহান ইলা ঝিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি ‘আল্লাহু আকবার’।’
বাংলা নিয়ত : আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এ ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি- ‘আল্লাহু আকবার’।
❤12👍1