রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন—
‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৭৫২)
রোজার আরবি নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
রোজার নিয়তের বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
রোজার নিয়তের অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
َ ইফতারের দোয়া আরবি উচ্চারণ
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
ইফতারের দোয়া বাংলা উচ্চারণ :
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
ইফতারের দোয়ার বাংলা অর্থ :
হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিজিজের মাধ্যমে ইফতার করছি। (মুআজ ইবনে জাহরা থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)
‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না: ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৭৫২)
রোজার আরবি নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
রোজার নিয়তের বাংলা উচ্চারণ : নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
রোজার নিয়তের অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা পোষণ (নিয়্যত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে (আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে) কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
َ ইফতারের দোয়া আরবি উচ্চারণ
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
ইফতারের দোয়া বাংলা উচ্চারণ :
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
ইফতারের দোয়ার বাংলা অর্থ :
হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিজিজের মাধ্যমে ইফতার করছি। (মুআজ ইবনে জাহরা থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)
❤9🥰2
রোজার নিয়ত যারা পারেন না বা মুখস্থ নেই তারা সেহরি ও ইফতারের সময় এখান থেকে দেখে পড়বেন, ব্যাচ হয়ে যাবে !!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের পথে চলার তৌফিক দান করুন আমিন ❤️
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনের পথে চলার তৌফিক দান করুন আমিন ❤️
❤12👍3🥰1
যে যত কথাই বলুক 🙃
তারাবির নামাজ ২০ রাকাত
৮ রাকাত তারাবির নামাজ পড়ে তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই, সারাদিন রোজা থাকতে যখন পারছেন তখন নামাজও পড়তে পারবেন !!
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ২০ রাকাত তারাবি পড়া হতো। সেই সিলসিলা অনুযায়ী সাহাবায়ে কেরামগণ ২০ রাকাত তারাবি নামাজ পড়তেন। এবং সেই সুচনালগ্ন থেকেই মক্কা ও মদিনায় ২০ রাকাত তারাবির নামাজ পড়া হয়ে থাকে ❤️
তারাবির নামাজ ২০ রাকাত
৮ রাকাত তারাবির নামাজ পড়ে তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই, সারাদিন রোজা থাকতে যখন পারছেন তখন নামাজও পড়তে পারবেন !!
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ২০ রাকাত তারাবি পড়া হতো। সেই সিলসিলা অনুযায়ী সাহাবায়ে কেরামগণ ২০ রাকাত তারাবি নামাজ পড়তেন। এবং সেই সুচনালগ্ন থেকেই মক্কা ও মদিনায় ২০ রাকাত তারাবির নামাজ পড়া হয়ে থাকে ❤️
👍14
نويت أن أصلي لله تعالى ركعتي صلوة التراويح سنة رسول الله متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
তারাবির নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ:
নাওয়াইতু আন অসল্লিয়া লিল্লা-হি তা’আ-লা- রাক’আতাই সলাতিত তারাবীহি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তা’আ-লা-। মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার ।
তারাবির নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ:
নাওয়াইতু আন অসল্লিয়া লিল্লা-হি তা’আ-লা- রাক’আতাই সলাতিত তারাবীহি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তা’আ-লা-। মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার ।
👍12
Net Explain
نويت أن أصلي لله تعالى ركعتي صلوة التراويح سنة رسول الله متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر তারাবির নামাজের নিয়ত বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন অসল্লিয়া লিল্লা-হি তা’আ-লা- রাক’আতাই সলাতিত তারাবীহি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তা’আ-লা-। মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল…
তারাবির নামাজের বাংলা নিয়তঃ
আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশে দু রাক’আত তারাবীহ্ সুন্নাত নামাজ আদায় করার নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার।
আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশে দু রাক’আত তারাবীহ্ সুন্নাত নামাজ আদায় করার নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার।
👍6🥰2❤1
Net Explain
তারাবির নামাজের বাংলা নিয়তঃ আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশে দু রাক’আত তারাবীহ্ সুন্নাত নামাজ আদায় করার নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার।
জামায়া‘আতের সাথে আদায় করলেঃ (এ ইমামের পিছনে একতেদা করলাম) বলবে।
👍4
যারা কোরআন পড়তে পারেন তারা রোজা রেখে যতটুকু পারেন তিলাওয়াত করুন এই মাসে ফজিলত বেশি 🙂
👍8❤4
Net Explain
আর এই যে ~ বিড়িখোর যারা বিড়ি, সিগারেট খাও সেই সব ভন্ডরা একটু শোনো 🙃
সিগারেট হারাম হওয়ার কিছু কারণ
১. এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম।
২. এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম।
৩. বেশি পরিমাণ পান করলে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম।
৪. এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।
১. এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম।
২. এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম।
৩. বেশি পরিমাণ পান করলে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম।
৪. এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।
❤11
ধূমপান করা কি নাজায়েজ
ধূমপান করা নাজায়েজ। এতে আর্থিক অপচয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত ক্ষতিও রয়েছে। জেনেশুনে নিজের জানমালের ক্ষতি করা গুনাহ। অধিকন্তু ধূমপায়ীর মুখের দুর্গন্ধে অন্যের কষ্ট হয়, যা আলাদা একটি গুনাহ। তাই ধূমপান থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
আর দুর্গন্ধযুক্ত অবস্থায় নামাজে দাঁড়ানো মাকরুহে তাহরিমি। বরং এ অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করাও মাকরুহ। হাদিস শরিফে ধূমপানের চেয়ে অনেক কম দুর্গন্ধ বস্তু কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন খেয়ে মসজিদে প্রবেশ করতেও নিষেধ করা হয়েছে।
ধূমপান করা নাজায়েজ। এতে আর্থিক অপচয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত ক্ষতিও রয়েছে। জেনেশুনে নিজের জানমালের ক্ষতি করা গুনাহ। অধিকন্তু ধূমপায়ীর মুখের দুর্গন্ধে অন্যের কষ্ট হয়, যা আলাদা একটি গুনাহ। তাই ধূমপান থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
আর দুর্গন্ধযুক্ত অবস্থায় নামাজে দাঁড়ানো মাকরুহে তাহরিমি। বরং এ অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ করাও মাকরুহ। হাদিস শরিফে ধূমপানের চেয়ে অনেক কম দুর্গন্ধ বস্তু কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন খেয়ে মসজিদে প্রবেশ করতেও নিষেধ করা হয়েছে।
👍12
ম্যাসেজ দেখবো ঠিকই কিন্তু রিপ্লাই দিবো না, রাগ যতদিন থাকবে !!
😁25👍6🤬5😢3❤2