আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন," রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি আমার বান্দার কাছে তার ধারণা অনুযায়ী। যখন সে আমার যিকর করে তখন আমি তার সঙ্গে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী (তার মনে মনে) স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী স্মরণ করি। আর যদি সে কোন মজলিসে আমার যিকর (স্মরণ) করে তাহলে আমি তাকে তাদের চাইতে উত্তম মজলিসে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক হাত নিকটবর্তী (অগ্রসর) হই। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তার দিকে অতি দ্রুত আসি।"
~সহীহ মুসলিম
~সহীহ মুসলিম
❤6
Motivation [By Practice Channel]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন," রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমি আমার বান্দার কাছে তার ধারণা অনুযায়ী। যখন সে আমার যিকর করে তখন আমি তার সঙ্গে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী (তার মনে মনে) স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী…
উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন," আমাদের উট চরানোর দায়িত্ব নিজেদের উপরে ছিল। আমার পালা এলে আমি উট চরিয়ে বিকেলে ফিরিয়ে নিয়ে এলাম। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পেলাম, তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের সঙ্গে কথা বলছেন। তখন আমি তাঁর এ কথা শুনতে পেলাম, “যে মুসলিম সুন্দর রুপে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে তারপর দাঁড়িয়ে দেহ ও মনকে পুরোপুরি তার প্রতি নিবদ্ধ রেখে দুই রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।”
উক্বা বলেন," কথাটি শুনে আমি বলে উঠলাম ওহ, কথাটি কত উত্তম! তখন আমার সামনের একজন বলতে লাগলেন, আগের কথাটি আরো উত্তম। আমি সে দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনি উমর (রাঃ)। তিনি আমাকে বললেন তোমাকে দেখেছি, এইমাত্র এসেছা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগে বলেছেন, তোমাদের যে ব্যাক্তি কামিল বা পূর্ণরূপে উযূ করে এই দু’আ পাঠ করবে,
"" আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নাই, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল”"
তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যাবে এবং যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা সে জান্নাতের প্রবেশ করতে পারবে।"
~সহীহ মুসলিম
উক্বা বলেন," কথাটি শুনে আমি বলে উঠলাম ওহ, কথাটি কত উত্তম! তখন আমার সামনের একজন বলতে লাগলেন, আগের কথাটি আরো উত্তম। আমি সে দিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনি উমর (রাঃ)। তিনি আমাকে বললেন তোমাকে দেখেছি, এইমাত্র এসেছা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগে বলেছেন, তোমাদের যে ব্যাক্তি কামিল বা পূর্ণরূপে উযূ করে এই দু’আ পাঠ করবে,
"" আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নাই, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল”"
তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যাবে এবং যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা সে জান্নাতের প্রবেশ করতে পারবে।"
~সহীহ মুসলিম
❤3
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
📌
১।তাফসীর কিনলে কোন বই?
উঃ তাফসীরে ফী যিলালিল কুরআন(বাধ্যতামূলক নয়, কিনতে চাইলে কিনতে পারেন)
২।সীরাতের জন্য কোন বই?
উঃ সীরাহ(রেইনড্রপস)
৩।হিফজ কতটুকু পড়া দেওয়া হবে?
উঃ ৫ লাইন করে।
৪।কখন পড়া নেওয়া হবে?
উঃ রাত ৯-১০ টা
৫।কতদিনের টার্গেট?
উঃ ৫ বছর
🕡Main class time:5:15 am to 6:00 am
Only for girls
মেয়েরা যারা যুক্ত হতে চাও, তারা মেসেজ করো 👇🏻
@Practice_Channel1
১।তাফসীর কিনলে কোন বই?
উঃ তাফসীরে ফী যিলালিল কুরআন(বাধ্যতামূলক নয়, কিনতে চাইলে কিনতে পারেন)
২।সীরাতের জন্য কোন বই?
উঃ সীরাহ(রেইনড্রপস)
৩।হিফজ কতটুকু পড়া দেওয়া হবে?
উঃ ৫ লাইন করে।
৪।কখন পড়া নেওয়া হবে?
উঃ রাত ৯-১০ টা
৫।কতদিনের টার্গেট?
উঃ ৫ বছর
🕡Main class time:5:15 am to 6:00 am
Only for girls
মেয়েরা যারা যুক্ত হতে চাও, তারা মেসেজ করো 👇🏻
@Practice_Channel1
❤2
Forwarded from Admission group[ MAT, DAT,GST]
STRIKE FOR "GAZA 🇵🇸"
আগামীকাল ০৭ এপ্রিল।
জাগো মুসলিম উম্মাহ।
নিজের বিবেক কে জাগ্রত করো।
তোমার ভাইবোনদের পাশে দাঁড়াও।
আল্লাহর কসম আমাদের নীরবতার জন্য আমাদের জবাবদিহি করতে হবে।
হে গাযযা!
আমি আছি!
তোমার সাথেই আছি!
আ জীবন থাকব ইনশাআল্লাহ!
#SaveGaza #SavePalestine #TANCA
❤2👌1
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আযান শুনে দু’আ করেঃ ’’’’হে আল্লাহ-এ পরিপূর্ণ আহবান ও সালাতের প্রতিষ্ঠিত মালিক, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওয়াসীলা ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী করুন এবং তাঁকে সে মাকেমে মাহমূদে পৌছিয়ে দিন যার অঙ্গিকার আপনি করেছেন’’’’’- কিয়ামতের দিন সে আমার শাফা’আত লাভের অধিকারী হবে।
সহীহ বুখারী,৬১৪
সহীহ বুখারী,৬১৪
❤2
অনর্থক কাজে সময়ের বরকত থাকে না-
মারুফ কারখি (রহ.) বলেন, অহেতুক কথাবার্তা বলার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে যায়। (জামেউল উলুম ওয়াল হিকাম : ৩১৭)
লুকমান হাকিম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি না অমুক গোত্রের একজন দাস ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি না অমুক পাহাড়ের পাদদেশে ছাগল চরাতেন? জবাব দিলেন, তাই করতাম। তারপর জিজ্ঞেস করা হলো, কিসের কারণে আপনি এত বড় সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হলেন। লুকমান হাকিম বললেন, ‘সত্য কথা বলা, আমানতদারিতা এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে। (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস : ১৮৫৮)
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক কাজ পরিহার করা। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৩১৭)
এ হাদীস সম্পর্কে বলা হয়-
ইবনু হাজার আল-হায়তামী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, ‘আবূ দাঊদ রাহিমাহুল্লাহ-এর ভাষ্য অনুযায়ী এটি ইসলামের এক-চতুর্থাংশ। আর আমি বলি, এটি ইসলামের অর্ধেক বরং ইসলামের সম্পূর্ণ আদর্শ ও শিক্ষা এই একটিমাত্র হাদীসে নিহিত আছে’।[ফাতহুল মুবীন, পৃ. ১২৮] আল্লামা ছানআনী রাহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, ‘হাদীসটি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যাপক অর্থবোধক বাণীর অন্তর্ভুক্ত, যা তাঁর বাণী ও কর্মকে শামিল করে’। ইবনুল ক্বাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমগ্র ধার্মিকতাকে একটি মাত্র বাক্যে একত্রিত করেছেন। তাঁর বাণী, ‘একজন সুন্দর মুসলিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অনর্থক বিষয় বর্জন করা’। এই হাদীসোর অর্থ অনর্থক সবকিছুর বর্জনকে শামিল করে। যেমন— কথা বলা, দেখা, শোনা, ধরা, হাঁটাচলা, চিন্তা করা এবং অন্যান্য দৃশ্যমান ও অভ্যন্তরীণ গতিবিধি। এটি ধর্মপরায়ণতার একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ’।[ইবনুল ক্বাইয়িম, মাদারিজুস সালিক্বীন, ২/২২।]
©
✨✨
Motivation
মারুফ কারখি (রহ.) বলেন, অহেতুক কথাবার্তা বলার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে যায়। (জামেউল উলুম ওয়াল হিকাম : ৩১৭)
লুকমান হাকিম (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি না অমুক গোত্রের একজন দাস ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি না অমুক পাহাড়ের পাদদেশে ছাগল চরাতেন? জবাব দিলেন, তাই করতাম। তারপর জিজ্ঞেস করা হলো, কিসের কারণে আপনি এত বড় সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হলেন। লুকমান হাকিম বললেন, ‘সত্য কথা বলা, আমানতদারিতা এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে। (মুয়াত্তা মালিক, হাদিস : ১৮৫৮)
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক কাজ পরিহার করা। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৩১৭)
এ হাদীস সম্পর্কে বলা হয়-
ইবনু হাজার আল-হায়তামী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, ‘আবূ দাঊদ রাহিমাহুল্লাহ-এর ভাষ্য অনুযায়ী এটি ইসলামের এক-চতুর্থাংশ। আর আমি বলি, এটি ইসলামের অর্ধেক বরং ইসলামের সম্পূর্ণ আদর্শ ও শিক্ষা এই একটিমাত্র হাদীসে নিহিত আছে’।[ফাতহুল মুবীন, পৃ. ১২৮] আল্লামা ছানআনী রাহিমাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, ‘হাদীসটি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ব্যাপক অর্থবোধক বাণীর অন্তর্ভুক্ত, যা তাঁর বাণী ও কর্মকে শামিল করে’। ইবনুল ক্বাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমগ্র ধার্মিকতাকে একটি মাত্র বাক্যে একত্রিত করেছেন। তাঁর বাণী, ‘একজন সুন্দর মুসলিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অনর্থক বিষয় বর্জন করা’। এই হাদীসোর অর্থ অনর্থক সবকিছুর বর্জনকে শামিল করে। যেমন— কথা বলা, দেখা, শোনা, ধরা, হাঁটাচলা, চিন্তা করা এবং অন্যান্য দৃশ্যমান ও অভ্যন্তরীণ গতিবিধি। এটি ধর্মপরায়ণতার একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ’।[ইবনুল ক্বাইয়িম, মাদারিজুস সালিক্বীন, ২/২২।]
©
✨✨
Motivation
❤1
বিদ্যা মানে জ্ঞান, শিক্ষা মানে আচরণে পরিবর্তন। সব শিক্ষাই বিদ্যা কিন্তু সব বিদ্যা শিক্ষা নয়; যদি তা কার্যকরী বা বাস্তবায়ন করা না হয়। জ্ঞান যেকোনো মাধ্যমেই অর্জন করা যায়, অধ্যয়ন জ্ঞানার্জনের একটি পন্থা মাত্র। অধ্যয়ন তথা জ্ঞানচর্চা বা বিদ্যার্জন সব সময় শিক্ষার সমার্থক নয়।
ইসলামে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো আদম সন্তানকে মানুষরূপে গড়ে তোলা। যে শিক্ষা আত্মপরিচয় দান করে, মানুষকে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গঠন করে এবং পরোপকারী, কল্যাণকামী ও আল্লাহর প্রতি অনুরাগী হতে সাহায্য করে, সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত করে, দূরদর্শিতা সৃষ্টি করে। তাই আল্লাহ তাআলা বাবা আদম (আ.) কে সৃষ্টি করে প্রথমে তাঁর শিক্ষাব্যবস্থা করলেন। কোরআনের বর্ণনায়, ‘আর আল্লাহ তাআলা আদমকে সকল বস্তুর পরিণতি শেখালেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৩১)। যে জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের অন্তর হিংসা, বিদ্বেষ ও ঘৃণা থেকে মুক্ত হয়ে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়, তা–ই ইসলামি শিক্ষা।
🖤
©সুরমী
Click here for more
ইসলামে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো আদম সন্তানকে মানুষরূপে গড়ে তোলা। যে শিক্ষা আত্মপরিচয় দান করে, মানুষকে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গঠন করে এবং পরোপকারী, কল্যাণকামী ও আল্লাহর প্রতি অনুরাগী হতে সাহায্য করে, সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত করে, দূরদর্শিতা সৃষ্টি করে। তাই আল্লাহ তাআলা বাবা আদম (আ.) কে সৃষ্টি করে প্রথমে তাঁর শিক্ষাব্যবস্থা করলেন। কোরআনের বর্ণনায়, ‘আর আল্লাহ তাআলা আদমকে সকল বস্তুর পরিণতি শেখালেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ৩১)। যে জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষের অন্তর হিংসা, বিদ্বেষ ও ঘৃণা থেকে মুক্ত হয়ে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়, তা–ই ইসলামি শিক্ষা।
🖤
©সুরমী
Click here for more
❤2🤩1
❤3
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর পূন্যতায় ছুটে চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে (হযরত আলী রা.)। ✨✨
Motivation
Motivation
❤3
"যে আল্লাহকে ভুলে যায়, সে সবকিছু পেয়ে হারায়।
আর যে আল্লাহকে স্মরণে রাখে, সে সবকিছু হারিয়ে পেয়েও যায়।"
- ইবনে কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
"যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।"
[সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩]
✨✨
Motivation
আর যে আল্লাহকে স্মরণে রাখে, সে সবকিছু হারিয়ে পেয়েও যায়।"
- ইবনে কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
"যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।"
[সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩]
✨✨
Motivation
❤3
Abu Huraira reported Allah's Messenger (ﷺ) as saying:
Look at those who stand at a lower level than you but don't look at those who stand at a higher level than you, for that is better-suited that you do not disparage Allah's favors.
Sahih Muslim 2963
Look at those who stand at a lower level than you but don't look at those who stand at a higher level than you, for that is better-suited that you do not disparage Allah's favors.
Sahih Muslim 2963
❤3
বই থেকে শেখা
ইট দ্যাট ফ্রগ বই থেকে ৮ শিক্ষা
ব্রায়ান ট্রেসি একজন কানাডিয়ান-আমেরিকান আত্মোন্নয়নমূলক বক্তা
ও লেখক। তাঁর রচিত 'ইট দ্যাট ফ্রগ' বইটি ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়। বইটি এখন পর্যন্ত ৪২টিরবেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এ বইয়ের শিক্ষা বাস্তবজীবনে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
বইটি পড়ে শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
এই বইতে লেখক গুরুত্বপূর্ণ কাজকে রূপক অর্থে ব্যাঙ খাওয়ার সঙ্গে
তুলনা করেছেন। কারণ, ব্যাঙ খাওয়া যেমন কঠিন ও বিরক্তিকর, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্নকরাও কঠিন। শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কাজটি সম্পন্ন করতে পারলে সহজ বা পছন্দের কাজ
করতে সমস্যা হয় না। সবচেয়ে প্রয়োজনীয় থেকে শুরু করে সব কাজ সহজে সম্পন্ন হয়। এভাবেকাজ করলে কোনো কাজ জমা পড়ে থাকে না। তাই সবার আগে ব্যাঙগুলো তথা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
কাজগুলো চিহ্নিত করতে হবে। আর সেগুলো দিনের শুরুতে করতে হবে। কোনো গড়িমসি করা যাবেনা। বইটিতে গড়িমসি করাকে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
১. লক্ষ্য নির্ধারণ হোক স্পষ্ট
সফলতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়। সেই লক্ষ্য হতে হবে খুবই
স্পষ্ট এবং বাস্তবায়নযোগ্য। লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে কাজ করার ক্ষেত্রে কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনাসহজ হয়। ব্রায়ান ট্রেসি পাঠকদের লক্ষ্যগুলো লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আর সেই লক্ষ্য
পূরণের জন্য দিকনির্দেশনার আলোকে মনোযোগের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
২. অগ্রাধিকার দিন কাজকে
আমাদের সব কাজ সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কাজগুলোকে এ, বি,
সি ও ডি পদ্ধতিতে শ্রেণিবদ্ধ করুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এ শ্রেণিতে, এরপরের গুরুত্বপূর্ণকাজ বি শ্রেণিতে, মাঝারি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সি এবং সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ডি শ্রেণিতে
রেখে সেগুলো সম্পন্ন করতে হবে। প্রথমে এ শ্রেণির কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে। তারপর পর্যায়ক্রমেবি, সি এবং ডি শ্রেণির কাজ শেষ করতে হবে।
৩. আগের রাতে হোক দিনের পরিকল্পনা
আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলোর পরিকল্পনা আগের রাতে
করে ফেলতে হবে। তাহলে নতুন দিনের শুরুতে আপনি পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।কোন কাজ দিনের প্রথমে শুরু করতে হবে, সেটা আপনি জানবেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনার
সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। এতে সময় নষ্ট হবে না। গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজও বাদ পড়বে না।
৪. কাজে নেমে পড়ুন
শুধু স্বপ্ন দেখে আর পরিকল্পনা করে বসে থাকলে সফলতা আসবে না।
সফলতার জন্য লেখক বইয়ে কাজে নেমে পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। আপনি কাজ না করে যতগড়িমসি করবেন, ততই আপনার মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা ভর করবে। ফলে কাজগুলো করা হয়ে উঠবে না।
তাই যত কঠিন মনে হোক না কেন, কাজ শুরু করতে হবে; তবেই সফলতা আসবে।
৫. আত্মশৃঙ্খলা বাড়ান
কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনার জন্য আত্মশৃঙ্খলা বাড়ানো অপরিহার্য।ব্রায়ান ট্রেসি পাঠকদের জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অনুশীলন করতে বলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ
যত বোরিং হোক না কেন, তা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে উৎসাহিত করেছেন।
৬. বিভ্রান্তি দূর করুন
কাজ করার ক্ষেত্রে নানা বিভ্রান্তি আসে, যেমন পড়তে বসলে মোবাইলটিপতে মন চায়। কাজের ক্ষেত্রে যত বিভ্রান্তি আছে, সব দূর করে কাজে মনোনিবেশ করলে ভালো
ফল আশা করা যায়।
৭. প্রযুক্তিকে বিজ্ঞতার সঙ্গে ব্যবহার করুন
উৎপাদন বাড়াতে প্রযুক্তি কাজে লাগান। তবে এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলহওয়া এড়িয়ে চলুন। কাজ করার সময় প্রয়োজনে প্রযুক্তির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং অ্যাপস ব্যবহার
করুন। কিন্তু যেসব প্রযুক্তি এবং অ্যাপস কাজে বিভ্রান্তি ঘটায়, সেগুলো দূরে রাখতে হবে;যেমন পড়াশোনার সময় মোবাইল।
৮. নিজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করুন
শুধু কাজ করলে হবে না, নিয়মিত নিজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে
হবে। যথাযথ অগ্রগতি না হলে কাজের কৌশল পরিবর্তন করতে হবে। কেননা জীবনে সফলতা শুধু পরিশ্রমকরলে যদি পাওয়া যেত, তাহলে গাধা হতো বনের রাজা। তাই কাজের পরিশ্রমের পাশাপাশি কৌশলী
হতে হবে। প্রয়োজনে কৌশল পরিবর্তন করে একই কাজ নতুনভাবে বা একই স্থান থেকে শুরু করাযেতে পারে।
©
Motivation
ইট দ্যাট ফ্রগ বই থেকে ৮ শিক্ষা
ব্রায়ান ট্রেসি একজন কানাডিয়ান-আমেরিকান আত্মোন্নয়নমূলক বক্তা
ও লেখক। তাঁর রচিত 'ইট দ্যাট ফ্রগ' বইটি ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়। বইটি এখন পর্যন্ত ৪২টিরবেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এ বইয়ের শিক্ষা বাস্তবজীবনে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
বইটি পড়ে শিক্ষামূলক বিষয় নিয়ে লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
এই বইতে লেখক গুরুত্বপূর্ণ কাজকে রূপক অর্থে ব্যাঙ খাওয়ার সঙ্গে
তুলনা করেছেন। কারণ, ব্যাঙ খাওয়া যেমন কঠিন ও বিরক্তিকর, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্নকরাও কঠিন। শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কাজটি সম্পন্ন করতে পারলে সহজ বা পছন্দের কাজ
করতে সমস্যা হয় না। সবচেয়ে প্রয়োজনীয় থেকে শুরু করে সব কাজ সহজে সম্পন্ন হয়। এভাবেকাজ করলে কোনো কাজ জমা পড়ে থাকে না। তাই সবার আগে ব্যাঙগুলো তথা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
কাজগুলো চিহ্নিত করতে হবে। আর সেগুলো দিনের শুরুতে করতে হবে। কোনো গড়িমসি করা যাবেনা। বইটিতে গড়িমসি করাকে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
১. লক্ষ্য নির্ধারণ হোক স্পষ্ট
সফলতার জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়। সেই লক্ষ্য হতে হবে খুবই
স্পষ্ট এবং বাস্তবায়নযোগ্য। লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে কাজ করার ক্ষেত্রে কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনাসহজ হয়। ব্রায়ান ট্রেসি পাঠকদের লক্ষ্যগুলো লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। আর সেই লক্ষ্য
পূরণের জন্য দিকনির্দেশনার আলোকে মনোযোগের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
২. অগ্রাধিকার দিন কাজকে
আমাদের সব কাজ সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই কাজগুলোকে এ, বি,
সি ও ডি পদ্ধতিতে শ্রেণিবদ্ধ করুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এ শ্রেণিতে, এরপরের গুরুত্বপূর্ণকাজ বি শ্রেণিতে, মাঝারি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সি এবং সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ডি শ্রেণিতে
রেখে সেগুলো সম্পন্ন করতে হবে। প্রথমে এ শ্রেণির কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে। তারপর পর্যায়ক্রমেবি, সি এবং ডি শ্রেণির কাজ শেষ করতে হবে।
৩. আগের রাতে হোক দিনের পরিকল্পনা
আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলোর পরিকল্পনা আগের রাতে
করে ফেলতে হবে। তাহলে নতুন দিনের শুরুতে আপনি পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।কোন কাজ দিনের প্রথমে শুরু করতে হবে, সেটা আপনি জানবেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আপনার
সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। এতে সময় নষ্ট হবে না। গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজও বাদ পড়বে না।
৪. কাজে নেমে পড়ুন
শুধু স্বপ্ন দেখে আর পরিকল্পনা করে বসে থাকলে সফলতা আসবে না।
সফলতার জন্য লেখক বইয়ে কাজে নেমে পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। আপনি কাজ না করে যতগড়িমসি করবেন, ততই আপনার মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা ভর করবে। ফলে কাজগুলো করা হয়ে উঠবে না।
তাই যত কঠিন মনে হোক না কেন, কাজ শুরু করতে হবে; তবেই সফলতা আসবে।
৫. আত্মশৃঙ্খলা বাড়ান
কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনার জন্য আত্মশৃঙ্খলা বাড়ানো অপরিহার্য।ব্রায়ান ট্রেসি পাঠকদের জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অনুশীলন করতে বলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ
যত বোরিং হোক না কেন, তা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে উৎসাহিত করেছেন।
৬. বিভ্রান্তি দূর করুন
কাজ করার ক্ষেত্রে নানা বিভ্রান্তি আসে, যেমন পড়তে বসলে মোবাইলটিপতে মন চায়। কাজের ক্ষেত্রে যত বিভ্রান্তি আছে, সব দূর করে কাজে মনোনিবেশ করলে ভালো
ফল আশা করা যায়।
৭. প্রযুক্তিকে বিজ্ঞতার সঙ্গে ব্যবহার করুন
উৎপাদন বাড়াতে প্রযুক্তি কাজে লাগান। তবে এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলহওয়া এড়িয়ে চলুন। কাজ করার সময় প্রয়োজনে প্রযুক্তির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং অ্যাপস ব্যবহার
করুন। কিন্তু যেসব প্রযুক্তি এবং অ্যাপস কাজে বিভ্রান্তি ঘটায়, সেগুলো দূরে রাখতে হবে;যেমন পড়াশোনার সময় মোবাইল।
৮. নিজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করুন
শুধু কাজ করলে হবে না, নিয়মিত নিজের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে
হবে। যথাযথ অগ্রগতি না হলে কাজের কৌশল পরিবর্তন করতে হবে। কেননা জীবনে সফলতা শুধু পরিশ্রমকরলে যদি পাওয়া যেত, তাহলে গাধা হতো বনের রাজা। তাই কাজের পরিশ্রমের পাশাপাশি কৌশলী
হতে হবে। প্রয়োজনে কৌশল পরিবর্তন করে একই কাজ নতুনভাবে বা একই স্থান থেকে শুরু করাযেতে পারে।
©
Motivation
❤1