This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইনস্টাতে পেলাম।
আমার ক্ষেত্রে, মুভি দেখতে পারাটাই বড় কথা। ছোট থেকেই মুভি দেখে, মুভি ভালোবেসে বড় হয়েছি। এখন একলা দেখি আর লোকজন নিয়ে গিয়ে দেখি সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। অবশ্য একলা থিয়েটারে গিয়ে মুভি দেখিনি কখনও। সবসময় লোকজন এর সাথেই যাই। একবার একলা ট্রাই করা উচিত।
আমার ক্ষেত্রে, মুভি দেখতে পারাটাই বড় কথা। ছোট থেকেই মুভি দেখে, মুভি ভালোবেসে বড় হয়েছি। এখন একলা দেখি আর লোকজন নিয়ে গিয়ে দেখি সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। অবশ্য একলা থিয়েটারে গিয়ে মুভি দেখিনি কখনও। সবসময় লোকজন এর সাথেই যাই। একবার একলা ট্রাই করা উচিত।
কোনো মেয়েকে পছন্দ করা, ভালোবাসতে পারা একটা হেভেনলি ব্যাপার মনে হয় আমার কাছে। ভালোবাসার তীব্র অনুভূতিটা যখন কাজ করে, তখন মনের মধ্যে যে অফুরন্ত আনন্দের ধারা প্রবাহিত হতে থাকে, সেই আনন্দটা অন্য কোনো আনন্দের সাথে তুলনা করা যায় না। সেই ভালোবাসাটা যদি বিশুদ্ধ হয়, শুধু লাস্ট না থাকে, তাহলে ব্যক্তির মন শান্ত হয়ে চোখে পানি চলে আসে। মনের মধ্যে শূন্যতা বিলীন হয়ে নিজের জীবনকে পরিপূর্ণ মনে হয়। মনে হয়, তখন মরে গেলেও আর কোনো আফসোস থাকবে না। পিছুটানও থাকবে না। এটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড মুভিতে যখন ক্লেমেন্টাইন আর জোল ব্যারিশ শুয়ে ছিল বরফের ওপর, তখন জোলও এই কথা বলেছিল, "I could die right now, Clem. I'm just happy. I've never felt that before. I'm just exactly where I want to be."
❤🔥4
লোকজন আমায় গালাগাল করবে এটা শুনলে। কিন্তু তবুও বলতে চাই। আয়নার দিকে তাকালে আমার নিজেকে কখনও কখনও এতো ভালো লাগে যে, মনে হয়, মেগান ফক্সের সাথে যদি আমার পরিচয় হতো কোনোভাবে, সেও আমায় ডেট করতে চাইতো 😭
🔥3🤣1
একবার এক মেয়ে আমায় বলেছিল, তুমি যদি আরেকটু লম্বা হতে তাহলে তোমার সাথে প্রেম করতাম আমি। অবশ্য মেয়েটাকে যে আমি খুব পছন্দ করতাম এমনও না। কিন্তু নিজের হাইট নিয়ে এমন নির্দয় খোঁচা খেয়ে আমার সেল্ফ কনফিডেন্স সাথে সাথে তলানিতে পড়ে গেছিল। এতদিন ভাবতাম, আসলে ভুলটা কোথায় হচ্ছে আমার? গলতি হো কহাঁ রহা হ্যাঁয়? কেন মেয়েদের সুনজরে পড়ছি না আমি? হুট করে মনে পড়লো, ঐ মেয়ের কথা। আমি তো আসল জায়গাতেই ফেল করে গেছি। সেটা, হাইট। আমি বাকি বিষয়গুলোতে পাশ করলেও, হাইটের বেলায় ফেল করে যাওয়ায় আর মেয়েদের চোখে ঠিক যোগ্য পাত্র হয়ে উঠতে পারছি না। সেটাই স্বাভাবিক। কেউ ফিজিক্স, ম্যাথ, কেমিস্ট্রিতে ৯৫+ পেলেও যদি বাংলাতে ৩০ পেয়ে বসে থাকে, সে তো ফেলই। পাশ তো করতে পারবে না। আমার বেলায় হয়েছে সেইম কেস। 🥲
😁4
অনেকদিন হয়ে গেল রাত্তিরবেলা লং ডিস্টেন্সে কোথাও যাওয়া হয় না। লং জার্নি বলতে আমি ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরাটাই বোঝাচ্ছি। সাধারণত হয় কী, আমি বাসে চড়ে কানে ইয়ার বাড গুঁজে বাসের চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে থাকি। ইয়ার বাডে কিছু না কিছু বাজতে থাকে। হয় গান, না হয় কোনো গল্প, না হয় অন্য কিছু। গাড়ির দুলুনিতে তন্দ্রার ভাব চলে আসে। ঘুমিয়ে পড়ি। কোনো এক ঝাঁকুনিতে ঘুম ভাঙে। জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি কোথায় পৌঁছলাম। বাস চলতে থাকে। আমি তাকিয়ে থাকি বাইরে। বাতাসের ঝাপটা আমার মুখে লাগতে থাকে। সে ঝাপটায় চোখ বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। তবু জোর করে চেয়ে থাকি। চশমাটাও কিছু এডভান্টেজ দেয়৷ যতদূর চোখ যায়, খালি মাঠ না হয় ফসলি জমি দেখা যায়। অন্ধকার। হরেক রকমের গল্প মাথায় ঘুরতে থাকে। আবার, আকাশের দিকে তাকালে বুকটা খালি খালি লাগতে থাকে।
❤🔥3❤1
Forwarded from Max Rab
Mawlid Al Nabi Mubarak everyone!
Let's send enormous amount of Salawat upon Prophet Mohammed (pbuh), and pray for everyone in this world. Pray for the betterment of Duniya and Akhirah. Pray for all the oppressed people around the world. Pray for blessings. Express gratitude for what we have. Eid Mubarak!
Let's send enormous amount of Salawat upon Prophet Mohammed (pbuh), and pray for everyone in this world. Pray for the betterment of Duniya and Akhirah. Pray for all the oppressed people around the world. Pray for blessings. Express gratitude for what we have. Eid Mubarak!
❤3
Forwarded from Max Rab
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Celebration of Mawlid in Turkeye
❤3
Max Rab
Photo
Message for the Prophet Number of The Peshwa, Jama Masjid, Delhi.
"I take this opportunity to offer my veneration to the Holy Prophet Mohammad, one of the greatest personalities born in the world, who has brought a new and latent force of life into human history, a vigorous ideal of purity in religion, and I earnestly pray that those who follow his path will justify their Noble faith in their life and the sublime teaching of their master by serving the cause of civilization in building the history of the modern India, helping to maintain peace and mutual goodwill in the field of our national life."
Rabindranath Tagore
Santiniketon
27th February 1936.
"I take this opportunity to offer my veneration to the Holy Prophet Mohammad, one of the greatest personalities born in the world, who has brought a new and latent force of life into human history, a vigorous ideal of purity in religion, and I earnestly pray that those who follow his path will justify their Noble faith in their life and the sublime teaching of their master by serving the cause of civilization in building the history of the modern India, helping to maintain peace and mutual goodwill in the field of our national life."
Rabindranath Tagore
Santiniketon
27th February 1936.
পরমপ্রিয়েসু,
আমি যখন প্রথম তোমায় দেখেছিলাম তখন আমার মনে রবীন্দ্রনাথের গল্পের একটা কথা বার বার অনুরণনিত হচ্ছিল, সেটা হচ্ছে এই মেয়েটা "শিশিরাশ্রুপ্লুত শেফালির মতো বৃন্তচ্যুত"। আমি আগে এই কথা দ্বারা কী বোঝায় অতটা জানতাম না তবুও এটাই বারবার মাথায় সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ভেসে আসছিল।
রবীন্দ্রনাথের প্রতিবেশিনী গল্পে গল্পকথক তার মাশুকার ব্যাপারে বলতে গিয়ে বলেছিল, "তাহাকে আমি মনে মনে পূজা করিতাম। তাহার প্রতি আমার মনের ভাবটা যে কী ছিল পূজা ছাড়া তাহা অন্য কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করিতে ইচ্ছা করি না -- পরের কাছে তো নয়ই, নিজের কাছেও না।"
গল্পটা আমি প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন শুধু পড়েই গিয়েছিলাম, অনুভব করিনি। এখন মনে হয় অনুভব করতে পারি। সম্পূর্ণরূপেই অনুভব করতে পারি। একজন মানুষ অন্য আরেকজনকে তখনই পূজা করতে পারে যখন সে তাকে দেবত্বের দরজা দেয়। আমি তোমাকে দিয়েছি দেবীর দরজা। তুমি আমার কাছে স্বর্গের অধিষ্ঠাত্রী দেবীদের চেয়ে কম কিছু নও। দেবী ছাড়া আমি আর কোনো কিছু ভাবতেই পারি না। মানুষ যেমন নিজের আরাধ্য দেবীর পুজো করতে গিয়ে প্রতিদিন দেবীদর্শন করে আসে তেমনি আমিও তোমার ছবি হৃদয়ে গেঁথে রেখে পুনঃপুন দেবীদর্শন করে নিজের চক্ষু মন সার্থক করি।
কিন্তু সাধারণ মানুষ তো তাদের আরাধ্যা দেবীর মূর্তি তৈরি করেছে কল্পনা দিয়ে। তোমার সমগ্র অস্তিত্ব যে কল্পনার চেয়েও সুন্দর তা কখনো বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ মানুষ তার নিজের দেবীর কল্পনা করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দান করা প্রতিভা থেকেই। আর তোমাকে তো স্বয়ং সেই ঈশ্বরই তৈরি করেছেন। আমাদের মত মানুষের কল্পনা তোমার সামনে ফিকে পড়ে যায়। বঙ্কিম-রবীন্দ্রের মত লেখার প্রতিভা থাকলে আমি আমার দেবীর রূপের বর্ণনাও উপযুক্তভাবে করতে পারতাম। কিন্তু প্রতিভা নেই। ছবি আঁকতে পারিনা বলে তোমার প্রতিমা তৈরি করে তাতে মন মতো তোমার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলতে পারিনা আমি। ভাগ্যিস ফটোগ্রাফির মত এক অত্যাশ্চর্য আশীর্বাদে ধন্য হতে পেরেছি। নাহলে তোমার প্রতিমা পেতাম কোথায় আর তোমাকেই বা পেতাম কোথায়।
তবুও কেউ যদি বলে তোমার দেবীর রূপ বর্ণনা কর তো বাপু। আমি বলব, "তাহার রূপ বর্ণনার সাধ্যি আমার নাই। সে এক অপরূপ মায়াবী নারী। তাহার রূপের আলেকচ্ছটায় অন্ধকার ঘরও আলোকিত হইয়া পড়ে বলিয়াই আমার বিশ্বাস। গগনে মেঘ করিয়া আসিলেও তাহার সুশ্রী আনন দর্শনে দিবসের অন্ধকার বিষণ্ন ভাব কাটিয়া যায়। রজনীতে অমাবস্যার বিদঘুটে অন্ধকার হইতে রক্ষা পাইতে তাহার শরণাপন্ন হইলে জ্যোতির আশ্রয় মিলে। আমার দেবী তাই আদ্যোপান্ত নূরের বহিঃপ্রকাশ। তাহার আচরণের নমনীয়তা, কণ্ঠস্বরের কোমলতা, দেহসৌষ্ঠবের কমনীয়তা সমগ্রই প্রশংসার ঊর্ধ্বে। তাহার কাঁধ অবধি গড়াইয়া পড়া সর্পিলা কৃষ্ণবর্ণ কেশরাশি, সুপ্রশস্ত ললাট, ধনুকের ন্যায় যুগল ভ্রূ, শান্ত সমুদ্রের ন্যায় শীতল, গভীর দুখানি চক্ষু, খাড়া ধারালো ছুরির ন্যায় নাক, নরম মখমলের ন্যায় প্রতীত হওয়া দুখানি কপোল যাহা দেখিলে মনে হয় একটুখানি স্পর্শ করিলেই তা হইতে রক্ত গড়াইয়া পড়িবে। তাহার গোলাপের ন্যায় পাতলা দুখানি বক্ষে শিহরণ জাগানো ঠোঁটের বর্ণনা করিতে গেলে এক্ষুণি আমাকে প্রাণ বিসর্জন করিতে হইবে সেই নিমিত্তেই এহেন স্পর্ধা করিতে যাইব না। যাহারা সম্মুখ হইতে তাহার দর্শন পাইয়াছে, সান্নিধ্য লাভ করিয়াছে তাহারা আদতেই ধন্য হইয়াছে। মনুষ্যলোকে খোদাতায়ালা মনুষ্যদিগকে দয়া করিয়া কিছু হুরদিগকে পাঠাইয়া থাকেন যাহাতে খোদাতায়ালার এহেন অত্যাশ্চর্য সৃষ্টির গবেষণা করিয়া, রূপ - লাবণ্য উপভোগ করিয়া তাঁহার গুণকীর্তন করিতে পারে। আমার দেবী এইরূপ দিব্যাঙ্গনা, মাশাআল্লাহ।"
আজকের এই শুভদিনেই এই অভিশপ্ত মর্তলোকে তোমার শুভাগমন হয়েছে দেবী যাতে তোমার সংস্পর্শে এসে লোকজন খানিকটা হলেও পৃথিবীর অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারে। এই পৃথিবীর দুঃখ কষ্ট তোমাকেও নিশ্চয়ই কখনও কখনও গ্রাস করতে চায়। কিন্তু মনে রেখ, তোমার এক ভক্ত তোমারই পুজো করে তোমার হিত চেয়ে তোমার জন্যই প্রতিবার প্রার্থনা করে থাকে তার প্রভুর কাছে, তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করে।
যত যাই হোক, সারাদিনই লেখা যাবে তোমাকে নিয়ে। সারাজীবন লেখা যাবে। পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে, সময়ের পর সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে, রামায়ণ থেকে শুরু করে মহাভারত হয়ে যাবে তবুও তোমাকে নিয়ে লেখার ইচ্ছে শেষ হবে না। তাই কোথাও একটা তো এই লেখার ইতি টানতে হবে নাহলে তোমাকে কখনো এটা দেয়াই হবে না। তাই এখানেই ইতি টানা দরকার।
অনেক ভাল থেকো। অনেক অনেক শুভকামনা আর ভালবাসা। আর হ্যাঁ, আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা। হাজার হোক, তুমি ধরাধামে এসেছ বলেই আমি এতকিছু ভালবাসা টালবাসার ব্যাপার গুলো বুঝতে পারছি, অনুভব করতে পারছি। আজকের মত তাহলে, বিদায়।
ইতি
.....
আমি যখন প্রথম তোমায় দেখেছিলাম তখন আমার মনে রবীন্দ্রনাথের গল্পের একটা কথা বার বার অনুরণনিত হচ্ছিল, সেটা হচ্ছে এই মেয়েটা "শিশিরাশ্রুপ্লুত শেফালির মতো বৃন্তচ্যুত"। আমি আগে এই কথা দ্বারা কী বোঝায় অতটা জানতাম না তবুও এটাই বারবার মাথায় সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ভেসে আসছিল।
রবীন্দ্রনাথের প্রতিবেশিনী গল্পে গল্পকথক তার মাশুকার ব্যাপারে বলতে গিয়ে বলেছিল, "তাহাকে আমি মনে মনে পূজা করিতাম। তাহার প্রতি আমার মনের ভাবটা যে কী ছিল পূজা ছাড়া তাহা অন্য কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করিতে ইচ্ছা করি না -- পরের কাছে তো নয়ই, নিজের কাছেও না।"
গল্পটা আমি প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন শুধু পড়েই গিয়েছিলাম, অনুভব করিনি। এখন মনে হয় অনুভব করতে পারি। সম্পূর্ণরূপেই অনুভব করতে পারি। একজন মানুষ অন্য আরেকজনকে তখনই পূজা করতে পারে যখন সে তাকে দেবত্বের দরজা দেয়। আমি তোমাকে দিয়েছি দেবীর দরজা। তুমি আমার কাছে স্বর্গের অধিষ্ঠাত্রী দেবীদের চেয়ে কম কিছু নও। দেবী ছাড়া আমি আর কোনো কিছু ভাবতেই পারি না। মানুষ যেমন নিজের আরাধ্য দেবীর পুজো করতে গিয়ে প্রতিদিন দেবীদর্শন করে আসে তেমনি আমিও তোমার ছবি হৃদয়ে গেঁথে রেখে পুনঃপুন দেবীদর্শন করে নিজের চক্ষু মন সার্থক করি।
কিন্তু সাধারণ মানুষ তো তাদের আরাধ্যা দেবীর মূর্তি তৈরি করেছে কল্পনা দিয়ে। তোমার সমগ্র অস্তিত্ব যে কল্পনার চেয়েও সুন্দর তা কখনো বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ মানুষ তার নিজের দেবীর কল্পনা করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দান করা প্রতিভা থেকেই। আর তোমাকে তো স্বয়ং সেই ঈশ্বরই তৈরি করেছেন। আমাদের মত মানুষের কল্পনা তোমার সামনে ফিকে পড়ে যায়। বঙ্কিম-রবীন্দ্রের মত লেখার প্রতিভা থাকলে আমি আমার দেবীর রূপের বর্ণনাও উপযুক্তভাবে করতে পারতাম। কিন্তু প্রতিভা নেই। ছবি আঁকতে পারিনা বলে তোমার প্রতিমা তৈরি করে তাতে মন মতো তোমার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলতে পারিনা আমি। ভাগ্যিস ফটোগ্রাফির মত এক অত্যাশ্চর্য আশীর্বাদে ধন্য হতে পেরেছি। নাহলে তোমার প্রতিমা পেতাম কোথায় আর তোমাকেই বা পেতাম কোথায়।
তবুও কেউ যদি বলে তোমার দেবীর রূপ বর্ণনা কর তো বাপু। আমি বলব, "তাহার রূপ বর্ণনার সাধ্যি আমার নাই। সে এক অপরূপ মায়াবী নারী। তাহার রূপের আলেকচ্ছটায় অন্ধকার ঘরও আলোকিত হইয়া পড়ে বলিয়াই আমার বিশ্বাস। গগনে মেঘ করিয়া আসিলেও তাহার সুশ্রী আনন দর্শনে দিবসের অন্ধকার বিষণ্ন ভাব কাটিয়া যায়। রজনীতে অমাবস্যার বিদঘুটে অন্ধকার হইতে রক্ষা পাইতে তাহার শরণাপন্ন হইলে জ্যোতির আশ্রয় মিলে। আমার দেবী তাই আদ্যোপান্ত নূরের বহিঃপ্রকাশ। তাহার আচরণের নমনীয়তা, কণ্ঠস্বরের কোমলতা, দেহসৌষ্ঠবের কমনীয়তা সমগ্রই প্রশংসার ঊর্ধ্বে। তাহার কাঁধ অবধি গড়াইয়া পড়া সর্পিলা কৃষ্ণবর্ণ কেশরাশি, সুপ্রশস্ত ললাট, ধনুকের ন্যায় যুগল ভ্রূ, শান্ত সমুদ্রের ন্যায় শীতল, গভীর দুখানি চক্ষু, খাড়া ধারালো ছুরির ন্যায় নাক, নরম মখমলের ন্যায় প্রতীত হওয়া দুখানি কপোল যাহা দেখিলে মনে হয় একটুখানি স্পর্শ করিলেই তা হইতে রক্ত গড়াইয়া পড়িবে। তাহার গোলাপের ন্যায় পাতলা দুখানি বক্ষে শিহরণ জাগানো ঠোঁটের বর্ণনা করিতে গেলে এক্ষুণি আমাকে প্রাণ বিসর্জন করিতে হইবে সেই নিমিত্তেই এহেন স্পর্ধা করিতে যাইব না। যাহারা সম্মুখ হইতে তাহার দর্শন পাইয়াছে, সান্নিধ্য লাভ করিয়াছে তাহারা আদতেই ধন্য হইয়াছে। মনুষ্যলোকে খোদাতায়ালা মনুষ্যদিগকে দয়া করিয়া কিছু হুরদিগকে পাঠাইয়া থাকেন যাহাতে খোদাতায়ালার এহেন অত্যাশ্চর্য সৃষ্টির গবেষণা করিয়া, রূপ - লাবণ্য উপভোগ করিয়া তাঁহার গুণকীর্তন করিতে পারে। আমার দেবী এইরূপ দিব্যাঙ্গনা, মাশাআল্লাহ।"
আজকের এই শুভদিনেই এই অভিশপ্ত মর্তলোকে তোমার শুভাগমন হয়েছে দেবী যাতে তোমার সংস্পর্শে এসে লোকজন খানিকটা হলেও পৃথিবীর অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারে। এই পৃথিবীর দুঃখ কষ্ট তোমাকেও নিশ্চয়ই কখনও কখনও গ্রাস করতে চায়। কিন্তু মনে রেখ, তোমার এক ভক্ত তোমারই পুজো করে তোমার হিত চেয়ে তোমার জন্যই প্রতিবার প্রার্থনা করে থাকে তার প্রভুর কাছে, তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করে।
যত যাই হোক, সারাদিনই লেখা যাবে তোমাকে নিয়ে। সারাজীবন লেখা যাবে। পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে, সময়ের পর সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে, রামায়ণ থেকে শুরু করে মহাভারত হয়ে যাবে তবুও তোমাকে নিয়ে লেখার ইচ্ছে শেষ হবে না। তাই কোথাও একটা তো এই লেখার ইতি টানতে হবে নাহলে তোমাকে কখনো এটা দেয়াই হবে না। তাই এখানেই ইতি টানা দরকার।
অনেক ভাল থেকো। অনেক অনেক শুভকামনা আর ভালবাসা। আর হ্যাঁ, আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা। হাজার হোক, তুমি ধরাধামে এসেছ বলেই আমি এতকিছু ভালবাসা টালবাসার ব্যাপার গুলো বুঝতে পারছি, অনুভব করতে পারছি। আজকের মত তাহলে, বিদায়।
ইতি
.....
❤4❤🔥1👏1