https://youtu.be/TFlro1X7-vA?si=hFsM0oJa1DNpF6Ji
এই চ্যানেলটা আমার ইউটিউবের অন্যতম পছন্দের চ্যানেল। বেশ কয়েকবছর ধরে ফলো করে আসছি। একসময় ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই চ্যানেলের ভিডিয়ো দেখা একটা রুটিন ওয়ার্কের মতো ছিল। এখন আর ফ্রিকুয়েন্টলি দেখা না হলেও মাঝেমধ্যে ঢুঁ মেরে আসি।
এই চ্যানেলটা আমার ইউটিউবের অন্যতম পছন্দের চ্যানেল। বেশ কয়েকবছর ধরে ফলো করে আসছি। একসময় ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই চ্যানেলের ভিডিয়ো দেখা একটা রুটিন ওয়ার্কের মতো ছিল। এখন আর ফ্রিকুয়েন্টলি দেখা না হলেও মাঝেমধ্যে ঢুঁ মেরে আসি।
YouTube
Smosan Kuthir Pret - Horror Story| Ghost Story of a Cinema Hall| Bhuter Golpo| Scary Crematorium|JAS
At the beginning of the story, the main character is seen cooking at night in his rented house when his friend Subimal suddenly comes there. Subimal was feeling very scared. From Subimal, he learned that he used to work in a cinema hall and one night he met…
❤2🔥2
One of the blessed month has arrived. Let's spend this month praying for the whole mankind, wishing good to each other. Let's practice kindness, mindfulness and love.
Let's spend this month chanting name of the Holy Prophet (Peace be upon him) and Almighty Lord.
Wishing you a very very happy and blessed Rabi Al Awwal!!
Let's spend this month chanting name of the Holy Prophet (Peace be upon him) and Almighty Lord.
Wishing you a very very happy and blessed Rabi Al Awwal!!
❤4
Mawlid Al Nabi Mubarak everyone!
Let's send enormous amount of Salawat upon Prophet Mohammed (pbuh), and pray for everyone in this world. Pray for the betterment of Duniya and Akhirah. Pray for all the oppressed people around the world. Pray for blessings. Express gratitude for what we have. Eid Mubarak!
Let's send enormous amount of Salawat upon Prophet Mohammed (pbuh), and pray for everyone in this world. Pray for the betterment of Duniya and Akhirah. Pray for all the oppressed people around the world. Pray for blessings. Express gratitude for what we have. Eid Mubarak!
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Celebration of Mawlid in Turkeye
কাঠমিস্ত্রীর ঘর
ছুটিতে বাড়ি আসা ইস্তক দিনের বেলাটা খুব একঘেয়ে লাগতে শুরু করায় মাঝে একদিন বেরিয়ে পড়লাম বাসা থেকে। গন্তব্য নির্দিষ্ট কোথাও নয়। শুধু হাঁটতে থাকব আর দেখতে থাকব চারিদিক। কখনো কোনো বন্ধু জোটাতে পারিনি বলে একলাই চলতে হল।
হাঁটতে হাঁটতে বেলা বেশ গড়ালো। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে খিদেও পেল বেশ। অনেক হাঁটা হয়ে গিয়েছিল। যে জায়গাতে এসে পড়েছি সেখানে এর আগে আসা হয়নি কখনো। কোথাও যাওয়ার সময় গাড়িতে বসে শুধু দেখতে পেতাম একটা রাস্তা চলে গেছে একটা গ্রামের ভেতর দিয়ে। কখনো এই রাস্তায় পা ফেলা হয়নি। আমার অবচেতন তাই আমাকে এইদিকেই নিয়ে এসেছে। ছোটবেলায় রাস্তাটা পাকা করা ছিল না। এখন হয়েছে।
খাওয়ার মতো কোনো রেস্তোরাঁ চোখে পড়লো না কোথাও। একটা লোককে জিজ্ঞেস করতে রাস্তা বাতলে দিলো। ডিরেকশন অনুসরণ করে একটা লোকাল ভাতের হোটেল দেখতে পেলাম। সেখানে বিভিন্ন ওয়ার্কিং ক্লাসের লোকজন খাবার খাচ্ছিলেন। আমিও ঢুকে পড়ে একটা অমলেট আর বেগুন ভর্তা দিয়ে লাঞ্চটা সেরে নিলাম।
লাঞ্চ সেরে নিয়ে বেশ চাঙ্গা অনুভব করলাম।দিনটা খারাপ কাটেনি। প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসতে পারা গেছে, ফোন থেকে দূরে থাকতে পারা গেছে। এরকম মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যহীন ভাবে বেরোলে মন্দ হয় না। এইবার বাড়ির পথে পা বাড়ানো যাক। পা বাড়ানো গেলেও বেশিক্ষণ পা চলতে পারল না। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। ভোরবেলা এক পশলা বৃষ্টি হয়েছিল বটে। কিন্তু সকাল দশটা নাগাদ যখন আমি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম, তখন দিব্যি রোদ ছিল। দুপুর নাগাদ রোদ স্তিমিত হয়ে ফের মেঘলা হতে শুরু করেছিল। এখন ঝম ঝম বৃষ্টি নামা শুরু হলো।
আমি কোথাও একটা আশ্রয় খোঁজার জন্য চারিদিকে চোখ ঘোরাতে লাগলাম। আমি যে জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম সেখানে আমার হাতের ডাইনে একটা ঝুপড়ি গোছের বাড়ি বা দোকান জাতীয় কিছু চোখে পড়লো। দূর থেকে অতো ভালো ঠাহর হলো না। আমি সেদিকে ছুট দিলাম। গিয়ে দেখি সেটা একটা কাঠমিস্ত্রীর ঘর। দুজন বৃদ্ধ সেখানে কাজ করছেন। আমি ঘরের বাইরে ছাউনিটায় দাঁড়ালাম যাতে বৃষ্টি গায়ে না পড়ে।
যে দুজন বৃদ্ধ কাজ করছিলেন, তাঁদের একজনের বয়েস একটু বেশি। ঐ ষাট-সত্তর হবে। মাথা ভর্তি সাদা চুল আর গাল ভর্তি সাদা দাড়ি। পরনে কালো শার্ট আর লুঙ্গি। অপরজনের বয়েস প্রথমজনের চেয়ে খানিকটা কম। পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন হবে। কিন্তু দেখতে বেশ শক্ত সমর্থ। হাতের শিরা ভাসমান, শক্ত চোয়াল। মাথায় একগাছি চুল নেই, কিন্তু মুখে দাড়ি আছে। পরনে একটা স্যান্ডো গেঞ্জি আর লুঙ্গি।
দুজন বৃদ্ধই বেশ অমায়িক। আমি যেজনের বয়েস বেশি তাঁকে বড়জন বলে আর যেজনের বয়েস কম তাঁকে ছোটজন বলে সম্বোধন করছি। আমাকে ছাউনির নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বড়জন বললেন, "বাবা, ওখানে দাঁড়িয়ে থেকো না। ভেতরে এসো। ঐ টুলটায় বসো। বৃষ্টি কমুক। যাবে'খন।" আমি বললাম, "না, না। ঠিক আছে। আমি এখানেই ঠিক আছি।" এইবার ছোটজন বললেন, "আরে, এসো তো। এসো। বসো এখানে আরাম করে।" আমি আর কথা না বাড়িয়ে ভেতরে ওনাদের দেখানো টুলটায় গিয়ে বসলাম। আমি ওনাদের কেউ হইনা। ওনারাও আমাকে চেনেন না। তাও তাঁদের আহ্বানে কত আত্মীয়তার টান ছিল!
আমি ভেতরে বসতেই দুজন দুজনার মতো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বড়জন মেঝেতে বসে ঝুঁকে পড়ে কীসব করতে লাগলেন। আর ছোটজন ইস্ত্রী করার মতো একটা যন্ত্র দিয়ে একটা টেবিলের ওপর রাখা কাঠের একটা বড়সড় টুকরোকে পলিশ করতে লাগলেন। যন্ত্রটা থেকে ভীষণ রকম বিরক্তিকর একটা আওয়াজ হচ্ছিল। আমার কানে তালা দিতে থাকলো আওয়াজটা। কিন্তু নিজেই নিজের ওপর অবাক হয়ে দেখলাম, অল্প সময় পড়েই আওয়াজটা আর আমার কানে বাজছে না। স্বাভাবিকই লাগতে লাগলো।
ঘরটার চারদিকে হরেক রকমের ছোট-বড় কাঠের টুকরো। জায়গায় জায়গায় স্তুপাকারে কাঠের তক্তা রাখা। এক জায়গায় এক অতিকায় কাঠের আলামারি রাখা। বড় অর্ডার ছিল মনে হয়। কাজ হয়ে গেছে, এবার বোধহয় শুধু রঙটা দেবার পালা। আরেক কোণায় একটা মাঝারি সাইজের ডাইনিং টেবিল রাখা। সেটার কাজও শেষ হয়ে গেছে দেখে বোঝা যাচ্ছে।
দুজন বৃদ্ধ কাজ করার সাথে সাথে অনবরত গল্প করে যাচ্ছেন। বড়জন কার ব্যাপারে যেন বলছিলেন, যে ঐ লোকটা তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠাবে বলে যে জমিটা ওনার কাছে বিক্রি করতে চাইছিলেন, সেই জমি অন্য একজন নাকি দখলে নিয়ে রেখেছে। তাই কোনোমতেই জমির দখল ছাড়ানো যাচ্ছে না। কোর্টকাছারি করতে গেলে অনেক সময় আর অর্থের দরকার। অতো সময় হাতে নেই। ছোটজন খুব বেশি কিছু বলছিলেন না, শুধু "হুম", " হাঁ" করে যাচ্ছিলেন। আমার ওনাদের ভাষা শুনতে খুবই ভালো লাগছিল। ওনারা খাঁটি সিলেটি ভাষায় কথা বলছিলেন। ভাষার কৃত্রিমতা ওনাদের মাঝে নেই। পড়াশোনা করেননি বলেই বাংলার আগ্রাসন ওনাদের গ্রাস করতে পারেনি সেটা বেশ বুঝতে পারলাম। তাই স্বচ্ছন্দে নিজের মাতৃভাষায় কথা বলে যাচ্ছিলেন। ভাষার এই রূপটা এ'রম গ্রাম্য এলাকায় এসে না পড়লে শুনতে পাওয়া যায় না। আজকালকার জেনারেশনের ছেলেপুলেরা বাংলাকেই "শুদ্ধ ভাষা"র মর্যাদা দিয়ে নিজের ভাষাকে বিকৃত করতে শুরু করেছে দেখে দুঃখ হয়।
[ বাকিটুকু নিচে ]
©® Max Rab
ছুটিতে বাড়ি আসা ইস্তক দিনের বেলাটা খুব একঘেয়ে লাগতে শুরু করায় মাঝে একদিন বেরিয়ে পড়লাম বাসা থেকে। গন্তব্য নির্দিষ্ট কোথাও নয়। শুধু হাঁটতে থাকব আর দেখতে থাকব চারিদিক। কখনো কোনো বন্ধু জোটাতে পারিনি বলে একলাই চলতে হল।
হাঁটতে হাঁটতে বেলা বেশ গড়ালো। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে খিদেও পেল বেশ। অনেক হাঁটা হয়ে গিয়েছিল। যে জায়গাতে এসে পড়েছি সেখানে এর আগে আসা হয়নি কখনো। কোথাও যাওয়ার সময় গাড়িতে বসে শুধু দেখতে পেতাম একটা রাস্তা চলে গেছে একটা গ্রামের ভেতর দিয়ে। কখনো এই রাস্তায় পা ফেলা হয়নি। আমার অবচেতন তাই আমাকে এইদিকেই নিয়ে এসেছে। ছোটবেলায় রাস্তাটা পাকা করা ছিল না। এখন হয়েছে।
খাওয়ার মতো কোনো রেস্তোরাঁ চোখে পড়লো না কোথাও। একটা লোককে জিজ্ঞেস করতে রাস্তা বাতলে দিলো। ডিরেকশন অনুসরণ করে একটা লোকাল ভাতের হোটেল দেখতে পেলাম। সেখানে বিভিন্ন ওয়ার্কিং ক্লাসের লোকজন খাবার খাচ্ছিলেন। আমিও ঢুকে পড়ে একটা অমলেট আর বেগুন ভর্তা দিয়ে লাঞ্চটা সেরে নিলাম।
লাঞ্চ সেরে নিয়ে বেশ চাঙ্গা অনুভব করলাম।দিনটা খারাপ কাটেনি। প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসতে পারা গেছে, ফোন থেকে দূরে থাকতে পারা গেছে। এরকম মাঝে মাঝে উদ্দেশ্যহীন ভাবে বেরোলে মন্দ হয় না। এইবার বাড়ির পথে পা বাড়ানো যাক। পা বাড়ানো গেলেও বেশিক্ষণ পা চলতে পারল না। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। ভোরবেলা এক পশলা বৃষ্টি হয়েছিল বটে। কিন্তু সকাল দশটা নাগাদ যখন আমি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম, তখন দিব্যি রোদ ছিল। দুপুর নাগাদ রোদ স্তিমিত হয়ে ফের মেঘলা হতে শুরু করেছিল। এখন ঝম ঝম বৃষ্টি নামা শুরু হলো।
আমি কোথাও একটা আশ্রয় খোঁজার জন্য চারিদিকে চোখ ঘোরাতে লাগলাম। আমি যে জায়গায় দাঁড়িয়েছিলাম সেখানে আমার হাতের ডাইনে একটা ঝুপড়ি গোছের বাড়ি বা দোকান জাতীয় কিছু চোখে পড়লো। দূর থেকে অতো ভালো ঠাহর হলো না। আমি সেদিকে ছুট দিলাম। গিয়ে দেখি সেটা একটা কাঠমিস্ত্রীর ঘর। দুজন বৃদ্ধ সেখানে কাজ করছেন। আমি ঘরের বাইরে ছাউনিটায় দাঁড়ালাম যাতে বৃষ্টি গায়ে না পড়ে।
যে দুজন বৃদ্ধ কাজ করছিলেন, তাঁদের একজনের বয়েস একটু বেশি। ঐ ষাট-সত্তর হবে। মাথা ভর্তি সাদা চুল আর গাল ভর্তি সাদা দাড়ি। পরনে কালো শার্ট আর লুঙ্গি। অপরজনের বয়েস প্রথমজনের চেয়ে খানিকটা কম। পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন হবে। কিন্তু দেখতে বেশ শক্ত সমর্থ। হাতের শিরা ভাসমান, শক্ত চোয়াল। মাথায় একগাছি চুল নেই, কিন্তু মুখে দাড়ি আছে। পরনে একটা স্যান্ডো গেঞ্জি আর লুঙ্গি।
দুজন বৃদ্ধই বেশ অমায়িক। আমি যেজনের বয়েস বেশি তাঁকে বড়জন বলে আর যেজনের বয়েস কম তাঁকে ছোটজন বলে সম্বোধন করছি। আমাকে ছাউনির নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বড়জন বললেন, "বাবা, ওখানে দাঁড়িয়ে থেকো না। ভেতরে এসো। ঐ টুলটায় বসো। বৃষ্টি কমুক। যাবে'খন।" আমি বললাম, "না, না। ঠিক আছে। আমি এখানেই ঠিক আছি।" এইবার ছোটজন বললেন, "আরে, এসো তো। এসো। বসো এখানে আরাম করে।" আমি আর কথা না বাড়িয়ে ভেতরে ওনাদের দেখানো টুলটায় গিয়ে বসলাম। আমি ওনাদের কেউ হইনা। ওনারাও আমাকে চেনেন না। তাও তাঁদের আহ্বানে কত আত্মীয়তার টান ছিল!
আমি ভেতরে বসতেই দুজন দুজনার মতো কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বড়জন মেঝেতে বসে ঝুঁকে পড়ে কীসব করতে লাগলেন। আর ছোটজন ইস্ত্রী করার মতো একটা যন্ত্র দিয়ে একটা টেবিলের ওপর রাখা কাঠের একটা বড়সড় টুকরোকে পলিশ করতে লাগলেন। যন্ত্রটা থেকে ভীষণ রকম বিরক্তিকর একটা আওয়াজ হচ্ছিল। আমার কানে তালা দিতে থাকলো আওয়াজটা। কিন্তু নিজেই নিজের ওপর অবাক হয়ে দেখলাম, অল্প সময় পড়েই আওয়াজটা আর আমার কানে বাজছে না। স্বাভাবিকই লাগতে লাগলো।
ঘরটার চারদিকে হরেক রকমের ছোট-বড় কাঠের টুকরো। জায়গায় জায়গায় স্তুপাকারে কাঠের তক্তা রাখা। এক জায়গায় এক অতিকায় কাঠের আলামারি রাখা। বড় অর্ডার ছিল মনে হয়। কাজ হয়ে গেছে, এবার বোধহয় শুধু রঙটা দেবার পালা। আরেক কোণায় একটা মাঝারি সাইজের ডাইনিং টেবিল রাখা। সেটার কাজও শেষ হয়ে গেছে দেখে বোঝা যাচ্ছে।
দুজন বৃদ্ধ কাজ করার সাথে সাথে অনবরত গল্প করে যাচ্ছেন। বড়জন কার ব্যাপারে যেন বলছিলেন, যে ঐ লোকটা তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠাবে বলে যে জমিটা ওনার কাছে বিক্রি করতে চাইছিলেন, সেই জমি অন্য একজন নাকি দখলে নিয়ে রেখেছে। তাই কোনোমতেই জমির দখল ছাড়ানো যাচ্ছে না। কোর্টকাছারি করতে গেলে অনেক সময় আর অর্থের দরকার। অতো সময় হাতে নেই। ছোটজন খুব বেশি কিছু বলছিলেন না, শুধু "হুম", " হাঁ" করে যাচ্ছিলেন। আমার ওনাদের ভাষা শুনতে খুবই ভালো লাগছিল। ওনারা খাঁটি সিলেটি ভাষায় কথা বলছিলেন। ভাষার কৃত্রিমতা ওনাদের মাঝে নেই। পড়াশোনা করেননি বলেই বাংলার আগ্রাসন ওনাদের গ্রাস করতে পারেনি সেটা বেশ বুঝতে পারলাম। তাই স্বচ্ছন্দে নিজের মাতৃভাষায় কথা বলে যাচ্ছিলেন। ভাষার এই রূপটা এ'রম গ্রাম্য এলাকায় এসে না পড়লে শুনতে পাওয়া যায় না। আজকালকার জেনারেশনের ছেলেপুলেরা বাংলাকেই "শুদ্ধ ভাষা"র মর্যাদা দিয়ে নিজের ভাষাকে বিকৃত করতে শুরু করেছে দেখে দুঃখ হয়।
[ বাকিটুকু নিচে ]
©® Max Rab
❤1
ছোটজন আমার দিকে তাকালেন একবার। জিজ্ঞেস করলেন, "তা বাবা, তুমি আসছো কোথা থেকে?" আমি জবাব দিলাম, "খুব বেশি দূর নয়। এখান থেকে সিএনজি নিলে দশ টাকার ভাড়া।"
"কারো বাড়ি উঠেছো?"
"নাহ! হাঁটতে হাঁটতে চলে এসেছি।"
"পড়াশোনা করা হয়?"
"তা করা হয়।"
"বেশ, বেশ। পড়াশোনা ঠিকমতো করতে থাকো বাবা। তোমার চশমা দেখেই বোঝা যাচ্ছে খুব পড়াশোনা করো। আমার ছেলেটাকেও খুব পড়াতে চাইছিলাম। কিন্তু মনই ছিল না কখনো। এখন ইতালি পাঠিয়ে দিয়েছি। কাজবাজ করুক। পয়সা কামাক অন্তত। হা হা।"
আমি ছোটজনের হাসির সাথে হাসি মেলালাম।
আমার এই জায়গাটা খুব ভালো লাগতে লাগলো। আমার মনে হচ্ছিল, বৃদ্ধদের বলি, আমাকে এখানে কাজে রেখে দিতে। এখানে থেকে সারাদিন কাঠমিস্ত্রীর কাজ করব আর বৃদ্ধদের গল্প শুনবো। আমার আর ইউনিভার্সিটিতে ফিরে গিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে নেই। কী হবে এত পড়াশোনা করে? ছোটজনের ছেলেও তো পড়েনি। অথচ দিব্যি ইউরোপ গিয়ে বসে আছে।
এদিকটার পরিবেশ খুব স্বচ্ছ আর প্রশান্তিময়। কোলাহল নেই। আর কাঠমিস্ত্রীর কাজও খুব বেশি কঠিন মনে হলো না দেখে। ও শিখে নিলে আমিও করতে পারব মনে হলো। কাঠমিস্ত্রীরাও তো শিল্পী। কত নিঁখুতভাবে মনোযোগের সাথে কাজ করতে হয় তাঁদের। ওনাদের প্রতি সম্মান বেড়ে যেতে লাগলো আমার। আগে কখনো এমন কাছ থেকে বসে কাঠের কাজ করতে দেখিনি আমি।
ঘন্টাখানেক পর বৃষ্টি থেমে গেল। আমাকেও যেতে হবে। চাইলেও থেকে যাওয়া যাবে না। অনেক কিছু ফেলে আসা হয়েছে। সেগুলোর রাশ আলগা হয়ে ছড়িয়ে পড়বে এদিক ওদিক। শক্ত করে ধরে রেখে জীবনের পৃষ্ঠাগুলো একের পর এক ওল্টাতে হবে। অনেক কাজ সামনে। অনেক।
[ যবনিকা ]
©® Max Rab
"কারো বাড়ি উঠেছো?"
"নাহ! হাঁটতে হাঁটতে চলে এসেছি।"
"পড়াশোনা করা হয়?"
"তা করা হয়।"
"বেশ, বেশ। পড়াশোনা ঠিকমতো করতে থাকো বাবা। তোমার চশমা দেখেই বোঝা যাচ্ছে খুব পড়াশোনা করো। আমার ছেলেটাকেও খুব পড়াতে চাইছিলাম। কিন্তু মনই ছিল না কখনো। এখন ইতালি পাঠিয়ে দিয়েছি। কাজবাজ করুক। পয়সা কামাক অন্তত। হা হা।"
আমি ছোটজনের হাসির সাথে হাসি মেলালাম।
আমার এই জায়গাটা খুব ভালো লাগতে লাগলো। আমার মনে হচ্ছিল, বৃদ্ধদের বলি, আমাকে এখানে কাজে রেখে দিতে। এখানে থেকে সারাদিন কাঠমিস্ত্রীর কাজ করব আর বৃদ্ধদের গল্প শুনবো। আমার আর ইউনিভার্সিটিতে ফিরে গিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে নেই। কী হবে এত পড়াশোনা করে? ছোটজনের ছেলেও তো পড়েনি। অথচ দিব্যি ইউরোপ গিয়ে বসে আছে।
এদিকটার পরিবেশ খুব স্বচ্ছ আর প্রশান্তিময়। কোলাহল নেই। আর কাঠমিস্ত্রীর কাজও খুব বেশি কঠিন মনে হলো না দেখে। ও শিখে নিলে আমিও করতে পারব মনে হলো। কাঠমিস্ত্রীরাও তো শিল্পী। কত নিঁখুতভাবে মনোযোগের সাথে কাজ করতে হয় তাঁদের। ওনাদের প্রতি সম্মান বেড়ে যেতে লাগলো আমার। আগে কখনো এমন কাছ থেকে বসে কাঠের কাজ করতে দেখিনি আমি।
ঘন্টাখানেক পর বৃষ্টি থেমে গেল। আমাকেও যেতে হবে। চাইলেও থেকে যাওয়া যাবে না। অনেক কিছু ফেলে আসা হয়েছে। সেগুলোর রাশ আলগা হয়ে ছড়িয়ে পড়বে এদিক ওদিক। শক্ত করে ধরে রেখে জীবনের পৃষ্ঠাগুলো একের পর এক ওল্টাতে হবে। অনেক কাজ সামনে। অনেক।
[ যবনিকা ]
©® Max Rab
❤3
Girl,
I have fallen in love with you.
And now, my thoughts can no longer wander
Beyond the horizon of you.
Tell me, girl,
Could your heart ever learn to love me?
I don't know…
And if not, that will be a great misfortune for me to bear.
Girl,
Have you ever watched a river gliding in quiet grace?
Have you ever felt the tender whisper of a breeze
That soothes the restless soul?
Then you would know
You are that river, that breeze,
To me.
Girl,
You have wrapped yourself around the deepest corners of my being.
You surely did.
Your spell binds me gently, yet completely;
I cannot break free. nor do I wish to.
Girl,
Will you grant me a little refuge?
I ask for nothing grand.
Only the peace of resting my head upon your lap,
And the silence where love breathes without words.
Is it too much to ask, love?
©® Max Rab
I have fallen in love with you.
And now, my thoughts can no longer wander
Beyond the horizon of you.
Tell me, girl,
Could your heart ever learn to love me?
I don't know…
And if not, that will be a great misfortune for me to bear.
Girl,
Have you ever watched a river gliding in quiet grace?
Have you ever felt the tender whisper of a breeze
That soothes the restless soul?
Then you would know
You are that river, that breeze,
To me.
Girl,
You have wrapped yourself around the deepest corners of my being.
You surely did.
Your spell binds me gently, yet completely;
I cannot break free. nor do I wish to.
Girl,
Will you grant me a little refuge?
I ask for nothing grand.
Only the peace of resting my head upon your lap,
And the silence where love breathes without words.
Is it too much to ask, love?
©® Max Rab
🔥3⚡1