Hum jab zindagi se tang aa jaate hain,
tab tumhari yaad hi dil ko sukoon pahunchhaati hai...
tab tumhari yaad hi dil ko sukoon pahunchhaati hai...
❤2🔥1
Dil ki baatein lafzon mein baya nahi kar pata main,
Aap to kabhi samajh liya karo.
Gawa baitha hoon khudka har chain,
Aap zara mere aankhon mein to dekhliya karo.
Aap to kabhi samajh liya karo.
Gawa baitha hoon khudka har chain,
Aap zara mere aankhon mein to dekhliya karo.
🔥3
জীবন এমন হওয়ার কথা ছিল না। আমার নিজের কথাই বলছি। এমনটা নিজের জন্য কখনো ভাবিনি। যা হচ্ছে, তা ভাবার প্রশ্নই ওঠে না। আমি মাঝে মাঝে খুবই অদ্ভুত স্বপ্ন দেখি। সেই স্বপ্নগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে ইচ্ছে করে না আমার। ঘুম ভাঙলে খুবই রাগ হতে থাকে নিজের ওপর।
এমনই একটা স্বপ্নের কথা বলি তোমাদের।
দেখলাম আমি একটা লম্বা পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছি। দিগন্ত দেখা যায় না।
গ্রামের পথ। পথের দুধারে ক্ষেত-জমি দেখা যাচ্ছে। দূরে দূরে ইতস্তত ভিটে চোখে পড়ছিল। ছোট-বড় অনেক রকমের গাছ দেখা যাচ্ছিল।
একেবারে ছবির মতো পরিবেশ।
একটা মাঠের পাশে গিয়ে দেখলাম, এক রাখাল একটা বিশাল গাছের নিচে হেলান দিয়ে বসে আছে। অদূরে গরু-ছাগল ঘাস খাচ্ছে। সে রাখাল যেন কোনো সাধারণ রাখাল নয়। সে যেন কোনো সাধু। তার চোখ দুটো এমনভাবে নিষ্প্রাণ লাগছিল যে, দেখে মনে হচ্ছিল সে আর এই জগতে নেই। যেন কোনো এক অজানা জগতে তার আত্মা বিচরণ করছে। সেখানে তার আত্মা হয়তো এমন কোনো কিছুর দেখা পেয়েছে যাতে সম্পূর্ণ পরিতৃপ্ত। আর তার সেই তৃপ্তির ছাপ তার চোখে মুখে ক্রমশ ফুটে উঠছিল।
আমার তার ধ্যান ভাঙাতে ইচ্ছে হল না। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ডাকল। আমি গিয়ে তার পাশে বসলাম। সে একটা বাঁশি বের করল যেন কোথা থেকে। বেশ লম্বা দেখতে বাঁশিটা। তারপর সেটা বাজাতে শুরু করলো। আমি তার পাশে বসে শুনতে থাকলাম সেই বাঁশির সুর। সেই সুরে অপার্থিব কিছু একটা ছিল। আমি সেই সুরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়তে লাগলাম। সেটা বুঝতে পেরে রাখাল বাজানো থামায়। বলে, "তোমার তো কোথাও একটা যাওয়ার আছে। যাও। বসে থাকলে চলবে না।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তোমার নাম কী?" রাখাল বললো, "জালাল।"
তারপর আমি উঠে চলে এলাম। উঠে হাঁটতে থাকলাম পথের পর পথ। যেতে যেতে আমার সামনে একটা নদী পড়লো। আমাকে সেটা পার হতে হবে।
কিন্তু কোনো নৌকা নেই। ভাগ্যক্রমে একটা লোককে পেয়েও গেলাম যে, নৌকা বাইছিল। আমি হাঁক পেড়ে তাকে আমাকে নদী পার করে দিতে বললাম। সে রাজি হলো। আমি নৌকায় উঠে বসলাম। তখনই নদীর তলদেশ থেকে একটা বিশাল কৃষ্ণকায় সাপ উঠে এল। এসে আমাদের দিকে তার বিশাল মুখগহ্বর প্রদর্শনপূর্বক অসহ্যকর একটা গর্জন করলো। এই সাপ পৃথিবীর হতেই পারে না।
আমাকে অবাক করে দিয়ে মাঝি সাপকে ধমক দিলো। বললো, "এই ভদ্রলোক জালালের বাঁশি শুনে এসেছেন। এনাকে কিছু করো না। যাও।" আমি চমকে উঠলাম। আমাকে ফের অবাক করে দিয়ে সেই অতিকায় সরীসৃপটাও আবার নদীর তলদেশে অদৃশ্য হয়ে গেল। আমি মাঝিকে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি কে ভাই?" সে নিজের পরিচয় না দিয়ে শুধু হাসলো। আমার যেন মনে হতে লাগলো আমি সেই রাখালকেও চিনি আর এই মাঝিকেও চিনি। নদী পার হয়ে মাঝিকে টাকা দিতে গেলেও মাঝি তা নিল না। আমি অগত্যা সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করে দিলাম ফের।
হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছলাম একটা লোকালয়ে। সেই লোকালয়ে একটা প্রকান্ড অট্টালিকা দেখতে পেলাম । সেখানে আশেপাশে লোকজন খুবই তাড়াহুড়ো করে চলাচল করছে। সবাই খুব ব্যস্ত। কোলাহল থেকে বাঁচতে আমি অট্টালিকার ভেতরে প্রবেশ করলাম। ভেতরে প্রবেশ করে অনেক লোককে একসাথে জড়ো হয়ে আমোদ করতে দেখলাম। সেখানেও কেউ নিশ্চুপ নেই। কিন্তু সেই কোলাহলে বিরক্তি নেই। শান্তি আছে।
সেখানে দেখলাম সবাই নিজেদের মতো কথা বলছে। আশেপাশে অনেকগুলো টেবিল। লোকে পরিপূর্ণ। একটাও খালি নেই। কিছু কিছু টেবিলে লোকজনকে একসাথে বসে মদপান করতে দেখলাম। কাউকে শুধু আড্ডা আর হুল্লোড়ে মেতে থাকতে দেখলাম। কাউকে দেখলাম দাবা খেলছে। কেউ তাস খেলছে। কেউ বা নেহাত কোনো পিয়ানোর সামনে বসে পিয়ানোয় সুর তুলছে আর তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে আরও অনেক লোক। কেউ খুবই গম্ভীর মুখে কথা বলছে। কেউ খুবই উত্তেজিত হয়ে তর্ক করছে। কেউ কেউ গলার আওয়াজ নিচু করে নিজেদের মাঝে কী যেন গোপনীয় কথা বলছে।
আমি এক কক্ষ ছেড়ে অন্য কক্ষে গিয়ে এভাবে একের পর এক দৃশ্য অবলোকন করছি। এক জায়গায় হঠাৎ আমার চোখ আটকে গেল। এক পরিচিতাকে দেখলাম। ঘরের এক কোণে চুপ করে বসে আছে। তার হাতে একটা বই। কিছু পড়ছে মনে হচ্ছে। আমি সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি এখানে!" সে যেন আমাকে দেখে অবাক হল না। সে বললো, "এখন এলে? আমি সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি।" আমিও যেন কেন কোনো প্রশ্ন না করে মেনে নিলাম সবকিছু। আমার মনে হচ্ছিল, এসব যেন হওয়ারই ছিল। সেজন্যই হচ্ছে। আমি বললাম, "ভালোবাসা পাওয়ার রাস্তা অতিক্রম করতে একটু সময় লাগেই।"
সে হেসে বললো, "অজুহাতের কোনো শেষ নেই তোমার।" আমি ওর থেকে বইটা ছিনিয়ে নিয়ে বললাম, "অনেক হয়েছে। আর বই পড়তে হবে না। এবার আমি এসে গেছি। আমাকে
পড়ো।"
তারপর যে কী হল আমার মনে নেই। ঘুমটাই হয়তো ভেঙে গেছিল। জীবনটা যদি এরকম স্বপ্নের মতো হতো!
©® Max Rab
এমনই একটা স্বপ্নের কথা বলি তোমাদের।
দেখলাম আমি একটা লম্বা পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছি। দিগন্ত দেখা যায় না।
গ্রামের পথ। পথের দুধারে ক্ষেত-জমি দেখা যাচ্ছে। দূরে দূরে ইতস্তত ভিটে চোখে পড়ছিল। ছোট-বড় অনেক রকমের গাছ দেখা যাচ্ছিল।
একেবারে ছবির মতো পরিবেশ।
একটা মাঠের পাশে গিয়ে দেখলাম, এক রাখাল একটা বিশাল গাছের নিচে হেলান দিয়ে বসে আছে। অদূরে গরু-ছাগল ঘাস খাচ্ছে। সে রাখাল যেন কোনো সাধারণ রাখাল নয়। সে যেন কোনো সাধু। তার চোখ দুটো এমনভাবে নিষ্প্রাণ লাগছিল যে, দেখে মনে হচ্ছিল সে আর এই জগতে নেই। যেন কোনো এক অজানা জগতে তার আত্মা বিচরণ করছে। সেখানে তার আত্মা হয়তো এমন কোনো কিছুর দেখা পেয়েছে যাতে সম্পূর্ণ পরিতৃপ্ত। আর তার সেই তৃপ্তির ছাপ তার চোখে মুখে ক্রমশ ফুটে উঠছিল।
আমার তার ধ্যান ভাঙাতে ইচ্ছে হল না। কিন্তু সে নিজেই আমাকে ডাকল। আমি গিয়ে তার পাশে বসলাম। সে একটা বাঁশি বের করল যেন কোথা থেকে। বেশ লম্বা দেখতে বাঁশিটা। তারপর সেটা বাজাতে শুরু করলো। আমি তার পাশে বসে শুনতে থাকলাম সেই বাঁশির সুর। সেই সুরে অপার্থিব কিছু একটা ছিল। আমি সেই সুরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়তে লাগলাম। সেটা বুঝতে পেরে রাখাল বাজানো থামায়। বলে, "তোমার তো কোথাও একটা যাওয়ার আছে। যাও। বসে থাকলে চলবে না।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তোমার নাম কী?" রাখাল বললো, "জালাল।"
তারপর আমি উঠে চলে এলাম। উঠে হাঁটতে থাকলাম পথের পর পথ। যেতে যেতে আমার সামনে একটা নদী পড়লো। আমাকে সেটা পার হতে হবে।
কিন্তু কোনো নৌকা নেই। ভাগ্যক্রমে একটা লোককে পেয়েও গেলাম যে, নৌকা বাইছিল। আমি হাঁক পেড়ে তাকে আমাকে নদী পার করে দিতে বললাম। সে রাজি হলো। আমি নৌকায় উঠে বসলাম। তখনই নদীর তলদেশ থেকে একটা বিশাল কৃষ্ণকায় সাপ উঠে এল। এসে আমাদের দিকে তার বিশাল মুখগহ্বর প্রদর্শনপূর্বক অসহ্যকর একটা গর্জন করলো। এই সাপ পৃথিবীর হতেই পারে না।
আমাকে অবাক করে দিয়ে মাঝি সাপকে ধমক দিলো। বললো, "এই ভদ্রলোক জালালের বাঁশি শুনে এসেছেন। এনাকে কিছু করো না। যাও।" আমি চমকে উঠলাম। আমাকে ফের অবাক করে দিয়ে সেই অতিকায় সরীসৃপটাও আবার নদীর তলদেশে অদৃশ্য হয়ে গেল। আমি মাঝিকে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি কে ভাই?" সে নিজের পরিচয় না দিয়ে শুধু হাসলো। আমার যেন মনে হতে লাগলো আমি সেই রাখালকেও চিনি আর এই মাঝিকেও চিনি। নদী পার হয়ে মাঝিকে টাকা দিতে গেলেও মাঝি তা নিল না। আমি অগত্যা সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করে দিলাম ফের।
হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছলাম একটা লোকালয়ে। সেই লোকালয়ে একটা প্রকান্ড অট্টালিকা দেখতে পেলাম । সেখানে আশেপাশে লোকজন খুবই তাড়াহুড়ো করে চলাচল করছে। সবাই খুব ব্যস্ত। কোলাহল থেকে বাঁচতে আমি অট্টালিকার ভেতরে প্রবেশ করলাম। ভেতরে প্রবেশ করে অনেক লোককে একসাথে জড়ো হয়ে আমোদ করতে দেখলাম। সেখানেও কেউ নিশ্চুপ নেই। কিন্তু সেই কোলাহলে বিরক্তি নেই। শান্তি আছে।
সেখানে দেখলাম সবাই নিজেদের মতো কথা বলছে। আশেপাশে অনেকগুলো টেবিল। লোকে পরিপূর্ণ। একটাও খালি নেই। কিছু কিছু টেবিলে লোকজনকে একসাথে বসে মদপান করতে দেখলাম। কাউকে শুধু আড্ডা আর হুল্লোড়ে মেতে থাকতে দেখলাম। কাউকে দেখলাম দাবা খেলছে। কেউ তাস খেলছে। কেউ বা নেহাত কোনো পিয়ানোর সামনে বসে পিয়ানোয় সুর তুলছে আর তাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে আরও অনেক লোক। কেউ খুবই গম্ভীর মুখে কথা বলছে। কেউ খুবই উত্তেজিত হয়ে তর্ক করছে। কেউ কেউ গলার আওয়াজ নিচু করে নিজেদের মাঝে কী যেন গোপনীয় কথা বলছে।
আমি এক কক্ষ ছেড়ে অন্য কক্ষে গিয়ে এভাবে একের পর এক দৃশ্য অবলোকন করছি। এক জায়গায় হঠাৎ আমার চোখ আটকে গেল। এক পরিচিতাকে দেখলাম। ঘরের এক কোণে চুপ করে বসে আছে। তার হাতে একটা বই। কিছু পড়ছে মনে হচ্ছে। আমি সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি এখানে!" সে যেন আমাকে দেখে অবাক হল না। সে বললো, "এখন এলে? আমি সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছি।" আমিও যেন কেন কোনো প্রশ্ন না করে মেনে নিলাম সবকিছু। আমার মনে হচ্ছিল, এসব যেন হওয়ারই ছিল। সেজন্যই হচ্ছে। আমি বললাম, "ভালোবাসা পাওয়ার রাস্তা অতিক্রম করতে একটু সময় লাগেই।"
সে হেসে বললো, "অজুহাতের কোনো শেষ নেই তোমার।" আমি ওর থেকে বইটা ছিনিয়ে নিয়ে বললাম, "অনেক হয়েছে। আর বই পড়তে হবে না। এবার আমি এসে গেছি। আমাকে
পড়ো।"
তারপর যে কী হল আমার মনে নেই। ঘুমটাই হয়তো ভেঙে গেছিল। জীবনটা যদি এরকম স্বপ্নের মতো হতো!
©® Max Rab
❤2
Har roz nayi uljhan,
Suljhana na janoon main,
Beech dariya mein gir chuka hoon,
Tairna na janoon main...
Suljhana na janoon main,
Beech dariya mein gir chuka hoon,
Tairna na janoon main...
❤2
Izzat bhi hum kisse kare?
Jisko dekho khudgarz hai.
Aisi jagah le chalo koi,
Khudayi ho jaha, khudgarzi nahi
Jisko dekho khudgarz hai.
Aisi jagah le chalo koi,
Khudayi ho jaha, khudgarzi nahi
❤🔥2🔥2