আমরা কাউকে কোন ব্যাপারে নসিহত করার আগে এইটা কখনোই চিন্তা করি না, আমি কি সেই কাজটা করছি? বা আমি কি সেই কাজে একদম সঠিক, আল্লাহ যেভাবে বলেছেন একদম আদেশ~নিষেধ মেনে করতে পারছি তো!
এইটা না ভেবেই আমরা কাউকে নসিহত করে বসি!
কিন্তু অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, যে ব্যাপারে আমি কাউকে নসিহত করবো সেই ব্যাপারে আমি কতোটা অভিজ্ঞ বা কতোটা মেনে চলি!
যদি সর্বদা মেনে না চলি তো সেক্ষেত্রে নসিহত করবো না,তবে যদি চেষ্টা করেন তো সেভাবে বলতে পারেন যে "এইটা আপনি চেষ্টা করবেন কারন আমিও চেষ্টা করছি"! কিন্তু কখনোই বলবেন না যে এইটা করুন!
এইটা না ভেবেই আমরা কাউকে নসিহত করে বসি!
কিন্তু অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, যে ব্যাপারে আমি কাউকে নসিহত করবো সেই ব্যাপারে আমি কতোটা অভিজ্ঞ বা কতোটা মেনে চলি!
যদি সর্বদা মেনে না চলি তো সেক্ষেত্রে নসিহত করবো না,তবে যদি চেষ্টা করেন তো সেভাবে বলতে পারেন যে "এইটা আপনি চেষ্টা করবেন কারন আমিও চেষ্টা করছি"! কিন্তু কখনোই বলবেন না যে এইটা করুন!
❤2
সারা দুনিয়ার সকল সম্পদের মালিক যদি কেউ হয়ে যায়, আর এগুলো আল্লাহর রাস্তায় দান করে, তাহলে যে পরিমাণ সওয়াব পাবে।
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে তারচেয়ে বেশি সওয়াব। রাসুল ﷺ বলেন :
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা আছে, তারচেয়ে উত্তম। (সহিহ মুসলিম : কিতাবুস সাতাত)
এবার ভাবুন, সুন্নতের এত মূল্য হলে ফরজের মূল্য কত? জাস্ট ইমাজিন!
#আমলি_টিপস
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে তারচেয়ে বেশি সওয়াব। রাসুল ﷺ বলেন :
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা আছে, তারচেয়ে উত্তম। (সহিহ মুসলিম : কিতাবুস সাতাত)
এবার ভাবুন, সুন্নতের এত মূল্য হলে ফরজের মূল্য কত? জাস্ট ইমাজিন!
#আমলি_টিপস
🔥2
"কার্পণ্য হচ্ছে দারিদ্র্যের পোশাক। অনেক সময় দানশীল ব্যক্তি তার দানশীলতার কারণেই জান্নাতে প্রবেশ করবে"।
.
~ আলী [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ৩/৩১২]
.
~ আলী [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ৩/৩১২]
👍2
পছন্দ বড়ই বৈচিত্র্যময়!
কেউ আপনাকে পছন্দ করে না বলে মন খারাপ করবেন না। কেন ভুলে যান, আপনারও তো সব মানুষকে পছন্দ হয় না।
বই—মন খারাপের দিনে।
কেউ আপনাকে পছন্দ করে না বলে মন খারাপ করবেন না। কেন ভুলে যান, আপনারও তো সব মানুষকে পছন্দ হয় না।
বই—মন খারাপের দিনে।
👍3❤1
আগামী সোমবার (১৮/০৫/২৬) জিলক্বদ মাসের ২৯ তারিখ।
সকলে হাত পায়ের নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ইংরেজি ১৮ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই পরিষ্কার করে নিবেন। যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে একদিন বেশী অর্থাৎ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কারের সময় পাওয়া যাবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ فَإِذَا أُهِلَّ هِلَالُ ذِي الْحِجَّةِ، فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ، وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئًا حَتَّى يُضَحِّيَ.
‘যে ব্যক্তির কুরবানীর পশু আছে যা সে কুরবানী করবে যিলহজে¦র চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।
-সহীহ মুসলিম ,হাদীস ১৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯১; মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/৩০৬; বাযলুল মাজহূদ ১৩/১২
বান্দা মুনীর বিন কারীম
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৭ হিজরি
১৫ মে ২০২৬
শুক্রবার।
সকলে হাত পায়ের নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ইংরেজি ১৮ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই পরিষ্কার করে নিবেন। যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে একদিন বেশী অর্থাৎ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কারের সময় পাওয়া যাবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ فَإِذَا أُهِلَّ هِلَالُ ذِي الْحِجَّةِ، فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ، وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئًا حَتَّى يُضَحِّيَ.
‘যে ব্যক্তির কুরবানীর পশু আছে যা সে কুরবানী করবে যিলহজে¦র চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।
-সহীহ মুসলিম ,হাদীস ১৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯১; মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/৩০৬; বাযলুল মাজহূদ ১৩/১২
বান্দা মুনীর বিন কারীম
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৭ হিজরি
১৫ মে ২০২৬
শুক্রবার।
❤3🔥1
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.) ছিলেন তাবেয়ীদের মধ্যে বড় ইমাম। সাহাবীদের পরের প্রজন্মের বিখ্যাত একজন ব্যক্তিত্ব।
.
মানুষটার জীবনী পড়তে গিয়ে বেশ অবাক হয়েছি। এত বিদ্বান, এত গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রভাবশালী মানুষ হবার পরেও তিনি কিনা নারী ফিতনাকে ভয় করতেন!
.
তিনি বলেছেন, “শয়তান যখনই কারো ব্যাপারে হতাশ হয়ে যায় (অর্থাৎ তাকে কোনোভাবে গোমরাহ করতে না পারে), তখন সে নারীদের মাধ্যমে তার কাছে আসে। আমার বয়স এখন আশি বছর; আমার একটি চোখ হারিয়েছি এবং অন্যটি দিয়েও খুব ঝাপসা দেখি—তবুও নিজের ব্যাপারে আমি যে জিনিসটিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো নারীর ফিতনা।” [আল-কাশশাফ: ১/৫০১]
.
আমি ১৩-১৪ সাল থেকে দ্বীনি কমিউনিটির সাথে চলি। এই ১২-১৩ বছরে প্রচুর দ্বীনি ভাইয়ের সাথে উঠাবসা হয়েছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তাদের মধ্যে যারা ইয়াং তারা অনেকেই কমবেশি নারী ফিতনার ফাঁদের সামনে পড়েছে। সবাই ফিতনাগ্রস্ত না হলেও ফিতনার হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কেউ কেউ তো নারী ফিতনায় এতটাই মোহগ্রস্ত ছিল যে, এখন তাদের অনেকে নামাজও পড়ে না।
.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.)-এর কথাটা কোনো সাধারণ কথা না। বারসিসার কাহিনীটাই দেখুন, এত ইবাদতগুজার, পরহেজগার হবার পরেও শেষ পরিণতি কী হলো? আপনারা অনেকেই এই গল্প পড়েছেন, কিংবা শুনেছেন। শেষ পরিণতি ঈমানহারা—তাও আবার নারী ফিতনায় পড়ে।
.
আসলে এটা একটা বাস্তব সত্য, শয়তান পরহেজগারদের সামনে সকল টোপ ফেলে যখন ব্যর্থ হয়, তখন সে নারী ফিতনার টোপ ফেলে। তবে এজন্য নারীরা যে সবসময় দোষী তা নয়। বরং আমাদের পুরুষদের 'খামখেয়ালিপনাই' মূলত দায়ী। আমরা মনে করি, "এটা কোনো বিষয়? সামান্য একটু হেল্প করতে পারলে হয়তো এই উসিলায় সওয়াবও পাব।" কিন্তু এই সওয়াব পাওয়ার বাসনা যে খায়েশ পূরণের বাসনা হতে বেশি সময় লাগে না, এটা ভুলে যাই।
.
আপনি নিজেকে যতই সুপারম্যান মনে করুন, আপনার নফস ক্ষুধার্ত বাঘের মতোই হয়ে থাকে। আপনি যখন হারামে জড়ান না, ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে বিরত রাখেন, মুভি-সিরিয়াল দেখেন না, তখন নফসের ক্ষুধাও বেশি থাকে।
.
নফসের এই ক্ষুধাকে হালাল দ্বারা প্রশমিত না করলে হারামের প্রতি তার লোলুপ চাহিদা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন। এজন্য বিয়ে করুন। বিয়ে করতে না পারলে অনলাইনে, অফলাইনে নারীদের সাথে কোনো অ্যাক্টিভিটিতে একদমই জড়াবেন না।
.
একান্তই কোনো হেল্প করতে হলে ঘরের নারীদের অ্যাসাইন করে দিন। কিংবা ওই নারীর মাহরাম পুরুষদের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছান।
.
আর যদি অনলাইনের কথা বলি, আপনার এলাকায় বহু গাফেল, গুনাহগার বান্দা আছে, আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যেই আছে—তারা বেশি দাওয়াহ পাওয়ার হকদার।
.
অফলাইনে 'ঘরকুনো পুরুষ' আর অনলাইনে 'সমাজ সচেতন নাগরিক'—এমন নীতি আপনার জন্যই ক্ষতিকর। এই দাওয়াতি নীতিতে যারা চলেছে, তাদের অধিকাংশই এখন হারিয়ে গেছে।
.
সোশ্যাল মিডিয়াকে স্রেফ কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স বোঝার মাধ্যমে, এবং ক্যারিয়ারে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে 'পার্সোনাল ব্রান্ডিং' এর একটি টুল হিসেবে ইউজ করুন। তাহলে ফিতনা থেকে যেমন বাঁচবেন, সময়টাও প্রোডাক্টিভ হবে ইনশাআল্লাহ।
© মহিউদ্দিন রূপম
.
মানুষটার জীবনী পড়তে গিয়ে বেশ অবাক হয়েছি। এত বিদ্বান, এত গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রভাবশালী মানুষ হবার পরেও তিনি কিনা নারী ফিতনাকে ভয় করতেন!
.
তিনি বলেছেন, “শয়তান যখনই কারো ব্যাপারে হতাশ হয়ে যায় (অর্থাৎ তাকে কোনোভাবে গোমরাহ করতে না পারে), তখন সে নারীদের মাধ্যমে তার কাছে আসে। আমার বয়স এখন আশি বছর; আমার একটি চোখ হারিয়েছি এবং অন্যটি দিয়েও খুব ঝাপসা দেখি—তবুও নিজের ব্যাপারে আমি যে জিনিসটিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো নারীর ফিতনা।” [আল-কাশশাফ: ১/৫০১]
.
আমি ১৩-১৪ সাল থেকে দ্বীনি কমিউনিটির সাথে চলি। এই ১২-১৩ বছরে প্রচুর দ্বীনি ভাইয়ের সাথে উঠাবসা হয়েছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তাদের মধ্যে যারা ইয়াং তারা অনেকেই কমবেশি নারী ফিতনার ফাঁদের সামনে পড়েছে। সবাই ফিতনাগ্রস্ত না হলেও ফিতনার হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কেউ কেউ তো নারী ফিতনায় এতটাই মোহগ্রস্ত ছিল যে, এখন তাদের অনেকে নামাজও পড়ে না।
.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.)-এর কথাটা কোনো সাধারণ কথা না। বারসিসার কাহিনীটাই দেখুন, এত ইবাদতগুজার, পরহেজগার হবার পরেও শেষ পরিণতি কী হলো? আপনারা অনেকেই এই গল্প পড়েছেন, কিংবা শুনেছেন। শেষ পরিণতি ঈমানহারা—তাও আবার নারী ফিতনায় পড়ে।
.
আসলে এটা একটা বাস্তব সত্য, শয়তান পরহেজগারদের সামনে সকল টোপ ফেলে যখন ব্যর্থ হয়, তখন সে নারী ফিতনার টোপ ফেলে। তবে এজন্য নারীরা যে সবসময় দোষী তা নয়। বরং আমাদের পুরুষদের 'খামখেয়ালিপনাই' মূলত দায়ী। আমরা মনে করি, "এটা কোনো বিষয়? সামান্য একটু হেল্প করতে পারলে হয়তো এই উসিলায় সওয়াবও পাব।" কিন্তু এই সওয়াব পাওয়ার বাসনা যে খায়েশ পূরণের বাসনা হতে বেশি সময় লাগে না, এটা ভুলে যাই।
.
আপনি নিজেকে যতই সুপারম্যান মনে করুন, আপনার নফস ক্ষুধার্ত বাঘের মতোই হয়ে থাকে। আপনি যখন হারামে জড়ান না, ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে বিরত রাখেন, মুভি-সিরিয়াল দেখেন না, তখন নফসের ক্ষুধাও বেশি থাকে।
.
নফসের এই ক্ষুধাকে হালাল দ্বারা প্রশমিত না করলে হারামের প্রতি তার লোলুপ চাহিদা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন। এজন্য বিয়ে করুন। বিয়ে করতে না পারলে অনলাইনে, অফলাইনে নারীদের সাথে কোনো অ্যাক্টিভিটিতে একদমই জড়াবেন না।
.
একান্তই কোনো হেল্প করতে হলে ঘরের নারীদের অ্যাসাইন করে দিন। কিংবা ওই নারীর মাহরাম পুরুষদের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছান।
.
আর যদি অনলাইনের কথা বলি, আপনার এলাকায় বহু গাফেল, গুনাহগার বান্দা আছে, আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যেই আছে—তারা বেশি দাওয়াহ পাওয়ার হকদার।
.
অফলাইনে 'ঘরকুনো পুরুষ' আর অনলাইনে 'সমাজ সচেতন নাগরিক'—এমন নীতি আপনার জন্যই ক্ষতিকর। এই দাওয়াতি নীতিতে যারা চলেছে, তাদের অধিকাংশই এখন হারিয়ে গেছে।
.
সোশ্যাল মিডিয়াকে স্রেফ কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স বোঝার মাধ্যমে, এবং ক্যারিয়ারে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে 'পার্সোনাল ব্রান্ডিং' এর একটি টুল হিসেবে ইউজ করুন। তাহলে ফিতনা থেকে যেমন বাঁচবেন, সময়টাও প্রোডাক্টিভ হবে ইনশাআল্লাহ।
© মহিউদ্দিন রূপম
❤2
আছিয়া থেকে রামিসা—
এভাবেই ঘটে চলেছে অসংখ্য নির্মম হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা!
গণতন্ত্র নামক সেকুলার শাসনব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতির কি এখনো বোধোদয় হবে না?
তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ইসলামী শরিয়াহ...?
এভাবেই ঘটে চলেছে অসংখ্য নির্মম হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা!
গণতন্ত্র নামক সেকুলার শাসনব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতির কি এখনো বোধোদয় হবে না?
তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ইসলামী শরিয়াহ...?
😢5
হাফেজ ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন-
أُصُولُ الخَطَايَا كُلَّهَا ثَلاثَةٌ
الكِبْرُ: وَهُوَ الَّذِي صَارَ إِبْلِيسُ إِلَى مَا صَارَ إِلَيْهِ
والْحِرْصُ: وَهُوَ الَّذِي أَخْرَجَ آدَمَ مِنَ الجَنَّةِ
والحَسَدُ: وَهُوَ الَّذِي جَرَّ ابْنَ آدَمَ عَلَى أَخِيهِ
মানুষ যত ধরনের অপরাধ, অন্যায় বা ভুল করে, সবকিছুর মূল উৎস এই তিনটি।
০১। অহংকার; যার কারণে ইবলিস লানতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
০২। লোভ; যার কারণে আদম আ. জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন।
০৩। হিংসা; যার কারণে হাবিলের ভাই কাবিল তাকে হত্যা করেছিল। [ফাওয়ায়িদ : ১০৬]
এই তিনটিকে একসাথে বলা হয়, (المُهلِكَاتُ الثَّلَاثَة) ‘আল-মুহলিকাতুস সালাসা’ অর্থাৎ মানুষকে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ভয়ানক তিনটি আত্মিক ব্যাধি।
এ কারণেই আমাদের উচিত, এই তিনটি মারাত্মক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো থেকে বাঁচতে পারলেই আমরা অধিকাংশ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে পার, ইনশাআল্লাহ।
أُصُولُ الخَطَايَا كُلَّهَا ثَلاثَةٌ
الكِبْرُ: وَهُوَ الَّذِي صَارَ إِبْلِيسُ إِلَى مَا صَارَ إِلَيْهِ
والْحِرْصُ: وَهُوَ الَّذِي أَخْرَجَ آدَمَ مِنَ الجَنَّةِ
والحَسَدُ: وَهُوَ الَّذِي جَرَّ ابْنَ آدَمَ عَلَى أَخِيهِ
মানুষ যত ধরনের অপরাধ, অন্যায় বা ভুল করে, সবকিছুর মূল উৎস এই তিনটি।
০১। অহংকার; যার কারণে ইবলিস লানতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
০২। লোভ; যার কারণে আদম আ. জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন।
০৩। হিংসা; যার কারণে হাবিলের ভাই কাবিল তাকে হত্যা করেছিল। [ফাওয়ায়িদ : ১০৬]
এই তিনটিকে একসাথে বলা হয়, (المُهلِكَاتُ الثَّلَاثَة) ‘আল-মুহলিকাতুস সালাসা’ অর্থাৎ মানুষকে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ভয়ানক তিনটি আত্মিক ব্যাধি।
এ কারণেই আমাদের উচিত, এই তিনটি মারাত্মক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো থেকে বাঁচতে পারলেই আমরা অধিকাংশ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে পার, ইনশাআল্লাহ।
👍2❤1
এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
— আম্মারুল হক (হাফি.)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
— আম্মারুল হক (হাফি.)
❤5
আগামীকালের রোজা খুবই ফাজিলপূর্ণ। যথাসাধ্য তা যেনো আমাদের কারো থেকে না ছুটে যায়, সেই বিষয়ে চেষ্টা করি। একটু হিম্মত করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ.
আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২
এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ.
আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২
❤2
তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার!
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
সংগৃহীত_
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
সংগৃহীত_
❤3
আজ ফজর নামাজের পর থেকে আগামি রবিবার আছর নামাজ পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার করে তাকবীরে তাশরিক আদায় করা ওয়াজিব। পুরুষরা নামাজ শেষে উচ্চ আওয়াজে পাঠ করবে, মহিলা নিন্ম স্বরে পাঠ করবে।
তাকবীরে তাশরিক:
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
তাকবীরে তাশরিক:
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
❤2
মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন একটি পবিত্র ও ইবাদতের দিন। এদিন শুধু উৎসবের নয়। আনন্দের পাশাপাশি ইবাদতটাই মূখ্য এ দিনে। কুরবানির ঈদের দিনের আমলসমূহ :
১। ভোরে ঘুম উঠে নিজ এলাকার মসজিদে ফজরের সালাত জামাআতে আদায় করে দৈহিক ও মানসিকভাবে ঈদের সালাত আদায় করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
২। মিসওয়াক করাসহ ভালোভাবে গোসল করা। সুগন্ধি (আতর) ব্যবহার করা।
৩। শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। সাধ্যানুযায়ী সুন্দর, পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৪। ঈদের সালাতের পূর্বে কিছু না খাওয়া; বরং কুরবানির গােশত দ্বারা দিনের খাবারের সূচনা করা উত্তম। (সহিহ ইবনু হিব্বান : ২৮১৪)
৫। ঈদগাহে দ্রুত আগে যাওয়া। ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। এবং যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা।
৬। পায়ে হেঁটে ধীর স্থিরভাবে ঈদগাহে যাওয়া।
৭। উচ্চস্বরে তাকবির বলতে বলতে ঈদগাহে যাওয়া। তাকবির :
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
(আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; ওয়ালিল্লাহিল হামদ্)
অনুবাদ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নাই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান এবং আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।
৮। খোতবা শোনা (ওয়াজিব)।
৯। সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সাদাকাহ করা।
১০। চলতে ফিরতে এই বাক্যটি বলে অপর মুসলমানকে শুভেচ্ছা জানানো -
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
(তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
অর্থ : আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
১১। আল্লাহ প্রদত্ত এ খুশির দিনকে বৈধ বিনোদনের মাধ্যমে উদযাপন করা এবং হারাম বিনোদন থেকে বিরত থাকা।
১২। যারা কুরবানি করবেন– তারা কুরবানির গোশত প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, গরিব-মিসকিনকে বিতরণ করে খাবেন। এবং খেয়াল রাখবেন– কুরবানির পশুর র*ক্ত ও বর্জ্য যেন মানুষের চলার পথে অসুবিধা না করে।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই (সুন্নাহ) আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
১। ভোরে ঘুম উঠে নিজ এলাকার মসজিদে ফজরের সালাত জামাআতে আদায় করে দৈহিক ও মানসিকভাবে ঈদের সালাত আদায় করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা।
২। মিসওয়াক করাসহ ভালোভাবে গোসল করা। সুগন্ধি (আতর) ব্যবহার করা।
৩। শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। সাধ্যানুযায়ী সুন্দর, পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৪। ঈদের সালাতের পূর্বে কিছু না খাওয়া; বরং কুরবানির গােশত দ্বারা দিনের খাবারের সূচনা করা উত্তম। (সহিহ ইবনু হিব্বান : ২৮১৪)
৫। ঈদগাহে দ্রুত আগে যাওয়া। ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। এবং যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা।
৬। পায়ে হেঁটে ধীর স্থিরভাবে ঈদগাহে যাওয়া।
৭। উচ্চস্বরে তাকবির বলতে বলতে ঈদগাহে যাওয়া। তাকবির :
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
(আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার; ওয়ালিল্লাহিল হামদ্)
অনুবাদ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নাই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান এবং আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।
৮। খোতবা শোনা (ওয়াজিব)।
৯। সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সাদাকাহ করা।
১০। চলতে ফিরতে এই বাক্যটি বলে অপর মুসলমানকে শুভেচ্ছা জানানো -
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
(তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
অর্থ : আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
১১। আল্লাহ প্রদত্ত এ খুশির দিনকে বৈধ বিনোদনের মাধ্যমে উদযাপন করা এবং হারাম বিনোদন থেকে বিরত থাকা।
১২। যারা কুরবানি করবেন– তারা কুরবানির গোশত প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, গরিব-মিসকিনকে বিতরণ করে খাবেন। এবং খেয়াল রাখবেন– কুরবানির পশুর র*ক্ত ও বর্জ্য যেন মানুষের চলার পথে অসুবিধা না করে।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই (সুন্নাহ) আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
👍3❤1
মুসল্লায় (ঈদগাহে) গিয়ে ঈদের সলাতের পূর্বে অথবা পরে কোন নফল সলাত। আদায় করা মাকরূহ। এমনকি আজকের দিনের ইশরাক নামায পড়াও মাকরূহ।
অবশ্য কারো ইচ্ছে হলে ঈদের নামাযের পর বাসায় ফিরে ইশরাক পড়তে পারবে।
অবশ্য কারো ইচ্ছে হলে ঈদের নামাযের পর বাসায় ফিরে ইশরাক পড়তে পারবে।
❤2
বুরাইদা রাযি. থেকে বর্ণিত,
নবী করীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না, আর ঈদুল আজহার দিনে ঈদের নামাজের পূর্বে খেতেন না। সালাত থেকে ফিরে এসে কুরবানীর গোশত খেতেন।
(আহমদ : ১৪২২)
নবী করীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না, আর ঈদুল আজহার দিনে ঈদের নামাজের পূর্বে খেতেন না। সালাত থেকে ফিরে এসে কুরবানীর গোশত খেতেন।
(আহমদ : ১৪২২)
👍3
ঈদের দিনে সাক্ষাতের সময় সাহাবিরা একে অপরকে এই দোয়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতেন:
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
উচ্চারণ: তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
অর্থ: আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেক আমলগুলো কবুল করুন।
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
উচ্চারণ: তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম
অর্থ: আল্লাহ তাআলা আমাদের ও আপনার নেক আমলগুলো কবুল করুন।
👍4❤1
একাধিক ব্যক্তি জবাই করতে গেলে সাবধান।
অনেক সময় জবাইকারীর জবাই সম্পন্ন হয় না, তখন কসাই বা অন্য কেউ জবাই সম্পন্ন করে থাকে। এক্ষেত্রে অবশ্যই উভয়কেই নিজ নিজ যবাইয়ের আগে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ পড়তে হবে। যদি কোনো একজন না পড়ে তবে ওই কুরবানী সহীহ হবে না এবং জবাইকৃত পশুও হালাল হবে না।
মাসিক আলকাউসার
অনেক সময় জবাইকারীর জবাই সম্পন্ন হয় না, তখন কসাই বা অন্য কেউ জবাই সম্পন্ন করে থাকে। এক্ষেত্রে অবশ্যই উভয়কেই নিজ নিজ যবাইয়ের আগে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ পড়তে হবে। যদি কোনো একজন না পড়ে তবে ওই কুরবানী সহীহ হবে না এবং জবাইকৃত পশুও হালাল হবে না।
মাসিক আলকাউসার
❤3
কোনো সফরে যাবার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ সবার শেষে কার সাথে দেখা করতেন? আর ফেরার পর সবার আগে কার সাথে দেখা করতেন?
❤3
মেয়েদের জন্য ছয়টি সাজ হারাম।
১। ঘন্টাযুক্ত নুপুর পড়া।
ঘন্টি বাজা ঘুঙুর শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।
(সহীহ মুসলিম:২১১৪)
২। কপালে টিপ পড়া।
ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়ে পতীতার মেয়েরা কপালে চিন্থ দিতো, যা এখন টিপ হিসেবে পরিচিত।আস্তাগফিরুল্লাহ।
৩। পরচুল বা নকল চুল লাগানো।
(সহীহ বোখারি ৫৯৩৩)
৪। ভ্রু প্লাগ।
রাসুলের অভিশাপ পায় ঐসব নারী যারা চোখের উপরের লোম উঠায়, চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।
(বুখারি হাদিস ৪৮৮৬)
৫। শরীরে ট্যাটু করা।
আল্লাহর লানত ঐসকল নারী পুরুষদের উপর যারা শরীরে উল্কি আঁকে (ট্যাটু) এবং অন্যদের এঁকে দেয়।(আবু দাউদ ৪১৭০)
৬। পারফিউম ব্যবহার।
কোনো নারী যদি (কোন প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে যায় তবে সে নারী ব্যাভিচারিণী। আস্তাগফিরুল্লাহ।
(আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ,সহীহুল জামে,৪৫৪০নং)
.
১। ঘন্টাযুক্ত নুপুর পড়া।
ঘন্টি বাজা ঘুঙুর শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।
(সহীহ মুসলিম:২১১৪)
২। কপালে টিপ পড়া।
ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়ে পতীতার মেয়েরা কপালে চিন্থ দিতো, যা এখন টিপ হিসেবে পরিচিত।আস্তাগফিরুল্লাহ।
৩। পরচুল বা নকল চুল লাগানো।
(সহীহ বোখারি ৫৯৩৩)
৪। ভ্রু প্লাগ।
রাসুলের অভিশাপ পায় ঐসব নারী যারা চোখের উপরের লোম উঠায়, চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।
(বুখারি হাদিস ৪৮৮৬)
৫। শরীরে ট্যাটু করা।
আল্লাহর লানত ঐসকল নারী পুরুষদের উপর যারা শরীরে উল্কি আঁকে (ট্যাটু) এবং অন্যদের এঁকে দেয়।(আবু দাউদ ৪১৭০)
৬। পারফিউম ব্যবহার।
কোনো নারী যদি (কোন প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে যায় তবে সে নারী ব্যাভিচারিণী। আস্তাগফিরুল্লাহ।
(আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ,সহীহুল জামে,৪৫৪০নং)
.
❤4