তাহাজ্জুদ জীবনের গতিপথ পাল্টে দেয়। কেন বললাম গতিপথ? দুআ কবুলের যত সময় আছে তার মধ্যে তাহাজ্জুদ শুধু কবুলের জন্যই নয় বরং বান্দার নীরবে নিভৃতে আল্লাহর কাছে সঁপে দেয়ার মত এমন আমল আর নেই... আমরা একটু চেষ্টা করি, পারব ইন শা আল্লাহ। জীবনে ত বিপদে পরে কত কিছুই না করলাম, এবার না হয় তাহাজ্জুদেই আল্লাহ কে বলি?
❤2
ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন-
"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো— দৃষ্টি সংযত রাখা, অতিরিক্ত কথা ও খাবার পরিহার করা এবং মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা। শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”
(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)
"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো— দৃষ্টি সংযত রাখা, অতিরিক্ত কথা ও খাবার পরিহার করা এবং মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা। শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”
(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)
👍3
নিজ মেয়ের প্রতি আপনি যেমন ব্যবহার করা হোক বলে আশা করেন, আপনার স্ত্রীর প্রতি আপনি তেমন ব্যবহার করুন।
— শায়খ ইবনে উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আশ-শারহুল মুমতি, ১২/৩৮১]
— শায়খ ইবনে উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আশ-শারহুল মুমতি, ১২/৩৮১]
❤3
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
لَيْسَ صَلَاةٌ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَالْعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا
মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযের চেয়ে ভারী নামায আর নেই। যদি তারা এই দুই নামাযের ফজিলত জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (মসজিদে) উপস্থিত হতো। [সহীহ বুখারী : ৬৫৭]
এই হাদিস আমাদের সামনে মানুষের ঈমানের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। কারণ ফজর ও এশার নামায এমন সময়ের নামায, যখন মানুষ সাধারণত ঘুমে থাকে বা বিশ্রামে থাকে। তখন আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাওয়া সহজ নয়। তাই এই সময়েই বোঝা যায়—কার ঈমান শক্ত, আর কার অন্তরে গাফলত বেশি।
আপনি যদি একটু লক্ষ্য করেন, ফজরের এক-দুই ঘণ্টা পরে, ধরুন সকাল সাতটার দিকে—রাস্তা ভরে যায় মানুষের ভিড়ে। সড়কগুলো কোলাহলে ভরে ওঠে, যানজট শুরু হয়। চারদিকে ব্যস্ততা। হাজার হাজার মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কেন? কারণ তারা তাদের কর্মস্থলে যাচ্ছে, দুনিয়ার দায়িত্ব পালনের জন্য বের হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো—এক-দুই ঘণ্টা আগে কি এই ঘরগুলো খালি ছিল? তখন কি মানুষ ছিল না? তখন কি মুসলমান ছিল না, যারা ফজরের নামায পড়তে পারত?
বাস্তবতা হলো—মানুষ ছিল, ঘরও ভরা ছিল, কিন্তু তখন অনেকেই ঘুমিয়ে ছিল। দুনিয়ার কাজের জন্য যখন সময় হয়, তখন তারা ঘর থেকে বের হতে দেরি করে না। কিন্তু ফজরের নামাযের সময় মসজিদে দেখা যায়—মাত্র অর্ধেক কাতার, কখনো তারও কম।
এই দৃশ্যই যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সেই কথাকে সত্য প্রমাণ করে। তিনি বলেছেন, ‘মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযই সবচেয়ে ভারী।’ কারণ এখানে মানুষের অন্তরের অবস্থা প্রকাশ পায়। যে মানুষ দুনিয়ার কাজের জন্য ঘুম ভেঙে দ্রুত বের হতে পারে, সে যদি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে অলসতা করে, তবে বুঝতে হবে তার অন্তরে মুনাফেকি আছে।
এজন্য হাসান বসরী বহ. বলতেন
لَوْلَا الْمُنَافِقُونَ لَاسْتَوْحَشْتُمْ فِي الطُّرُقِ
মুনাফিকরা না থাকলে রাস্তা-ঘাট জনশূন্য মনে হতো। [আল-ইবানাতুল কুবরা : ৯৩৪]
#খুতুবাত
জয়েন : Let's get to know Islam 🥰
https://t.me/Islamicproverbs07
لَيْسَ صَلَاةٌ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَالْعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا
মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযের চেয়ে ভারী নামায আর নেই। যদি তারা এই দুই নামাযের ফজিলত জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (মসজিদে) উপস্থিত হতো। [সহীহ বুখারী : ৬৫৭]
এই হাদিস আমাদের সামনে মানুষের ঈমানের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। কারণ ফজর ও এশার নামায এমন সময়ের নামায, যখন মানুষ সাধারণত ঘুমে থাকে বা বিশ্রামে থাকে। তখন আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাওয়া সহজ নয়। তাই এই সময়েই বোঝা যায়—কার ঈমান শক্ত, আর কার অন্তরে গাফলত বেশি।
আপনি যদি একটু লক্ষ্য করেন, ফজরের এক-দুই ঘণ্টা পরে, ধরুন সকাল সাতটার দিকে—রাস্তা ভরে যায় মানুষের ভিড়ে। সড়কগুলো কোলাহলে ভরে ওঠে, যানজট শুরু হয়। চারদিকে ব্যস্ততা। হাজার হাজার মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কেন? কারণ তারা তাদের কর্মস্থলে যাচ্ছে, দুনিয়ার দায়িত্ব পালনের জন্য বের হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো—এক-দুই ঘণ্টা আগে কি এই ঘরগুলো খালি ছিল? তখন কি মানুষ ছিল না? তখন কি মুসলমান ছিল না, যারা ফজরের নামায পড়তে পারত?
বাস্তবতা হলো—মানুষ ছিল, ঘরও ভরা ছিল, কিন্তু তখন অনেকেই ঘুমিয়ে ছিল। দুনিয়ার কাজের জন্য যখন সময় হয়, তখন তারা ঘর থেকে বের হতে দেরি করে না। কিন্তু ফজরের নামাযের সময় মসজিদে দেখা যায়—মাত্র অর্ধেক কাতার, কখনো তারও কম।
এই দৃশ্যই যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সেই কথাকে সত্য প্রমাণ করে। তিনি বলেছেন, ‘মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযই সবচেয়ে ভারী।’ কারণ এখানে মানুষের অন্তরের অবস্থা প্রকাশ পায়। যে মানুষ দুনিয়ার কাজের জন্য ঘুম ভেঙে দ্রুত বের হতে পারে, সে যদি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে অলসতা করে, তবে বুঝতে হবে তার অন্তরে মুনাফেকি আছে।
এজন্য হাসান বসরী বহ. বলতেন
لَوْلَا الْمُنَافِقُونَ لَاسْتَوْحَشْتُمْ فِي الطُّرُقِ
মুনাফিকরা না থাকলে রাস্তা-ঘাট জনশূন্য মনে হতো। [আল-ইবানাতুল কুবরা : ৯৩৪]
#খুতুবাত
জয়েন : Let's get to know Islam 🥰
https://t.me/Islamicproverbs07
Telegram
❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
Let's get to know Islam 🥰
https://t.me/Islamicproverbs07
https://t.me/Islamicproverbs07
❤1
কোনো ঔষধ দ্রুত কাজ করলে আমরা বলি, ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে। তেমনি একটি বিস্ময়কর আমল রয়েছে। যা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
সালাতুল হাজত। হাজত মানে প্রয়োজন। আপনার যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই আমলটি করে দেখতে পারেন।
একজন অন্ধ সাহাবিকে রাসুল ﷺ এই আমল শিখিয়েছিলেন। সালাতুল হাজত পড়ার সাথেসাথে সেই সাহাবীর দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছিলো। (সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫)
কেন সালাতুল হাজত?
প্রয়োজন ছোট হোক কিংবা বড়, সেটা একমাত্র আল্লাহ ই পূরণ করতে পারেন। সালাফে সালিহীন যেকোনো প্রয়োজন দেখা দিলে আগে নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।
কখন পড়তে হয়?
যেকোনো সময়। শুধু নিষিদ্ধ ওয়াক্ত বাদ দিয়ে।
কোন সুরা দিয়ে পড়তে হয়?
যেকোনো সুরা দিয়ে।
কত রাকাত? নিম্নে দুই রাকাত।
নিয়ত কীভাবে করতে হয়?
মনে মনে প্রয়োজন কে স্মরণ করে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে নফল নামাজ। এটুকুই যথেষ্ট।
বারবার কিংবা প্রতিদিন পড়া যায়?
জ্বি, বারবার ও প্রতিদিন পড়া যায়।
সালাতুল হাজত পড়লে প্রয়োজন পূরণ হয়,
এটার গ্যারান্টি কী?
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে বলেছেন। রাসুল ﷺ সাহাবীদেরকে সালাতুল হাজত শিখিয়েছেন।
সুতরাং ফলাফল নির্ভর করবে আপনার একিনের উপর। আপনার একিন শতভাগ থাকলে ফলাফল শতভাগ নিশ্চিত। আল্লাহু আ'লাম।
টাইমলাইনে সেইভ রাখুন। প্রচার করে ছড়িয়ে দিন।
#আমলি_টিপস
সালাতুল হাজত। হাজত মানে প্রয়োজন। আপনার যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই আমলটি করে দেখতে পারেন।
একজন অন্ধ সাহাবিকে রাসুল ﷺ এই আমল শিখিয়েছিলেন। সালাতুল হাজত পড়ার সাথেসাথে সেই সাহাবীর দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছিলো। (সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫)
কেন সালাতুল হাজত?
প্রয়োজন ছোট হোক কিংবা বড়, সেটা একমাত্র আল্লাহ ই পূরণ করতে পারেন। সালাফে সালিহীন যেকোনো প্রয়োজন দেখা দিলে আগে নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।
কখন পড়তে হয়?
যেকোনো সময়। শুধু নিষিদ্ধ ওয়াক্ত বাদ দিয়ে।
কোন সুরা দিয়ে পড়তে হয়?
যেকোনো সুরা দিয়ে।
কত রাকাত? নিম্নে দুই রাকাত।
নিয়ত কীভাবে করতে হয়?
মনে মনে প্রয়োজন কে স্মরণ করে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে নফল নামাজ। এটুকুই যথেষ্ট।
বারবার কিংবা প্রতিদিন পড়া যায়?
জ্বি, বারবার ও প্রতিদিন পড়া যায়।
সালাতুল হাজত পড়লে প্রয়োজন পূরণ হয়,
এটার গ্যারান্টি কী?
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে বলেছেন। রাসুল ﷺ সাহাবীদেরকে সালাতুল হাজত শিখিয়েছেন।
সুতরাং ফলাফল নির্ভর করবে আপনার একিনের উপর। আপনার একিন শতভাগ থাকলে ফলাফল শতভাগ নিশ্চিত। আল্লাহু আ'লাম।
টাইমলাইনে সেইভ রাখুন। প্রচার করে ছড়িয়ে দিন।
#আমলি_টিপস
❤3❤🔥1
আমরা কাউকে কোন ব্যাপারে নসিহত করার আগে এইটা কখনোই চিন্তা করি না, আমি কি সেই কাজটা করছি? বা আমি কি সেই কাজে একদম সঠিক, আল্লাহ যেভাবে বলেছেন একদম আদেশ~নিষেধ মেনে করতে পারছি তো!
এইটা না ভেবেই আমরা কাউকে নসিহত করে বসি!
কিন্তু অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, যে ব্যাপারে আমি কাউকে নসিহত করবো সেই ব্যাপারে আমি কতোটা অভিজ্ঞ বা কতোটা মেনে চলি!
যদি সর্বদা মেনে না চলি তো সেক্ষেত্রে নসিহত করবো না,তবে যদি চেষ্টা করেন তো সেভাবে বলতে পারেন যে "এইটা আপনি চেষ্টা করবেন কারন আমিও চেষ্টা করছি"! কিন্তু কখনোই বলবেন না যে এইটা করুন!
এইটা না ভেবেই আমরা কাউকে নসিহত করে বসি!
কিন্তু অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, যে ব্যাপারে আমি কাউকে নসিহত করবো সেই ব্যাপারে আমি কতোটা অভিজ্ঞ বা কতোটা মেনে চলি!
যদি সর্বদা মেনে না চলি তো সেক্ষেত্রে নসিহত করবো না,তবে যদি চেষ্টা করেন তো সেভাবে বলতে পারেন যে "এইটা আপনি চেষ্টা করবেন কারন আমিও চেষ্টা করছি"! কিন্তু কখনোই বলবেন না যে এইটা করুন!
❤2
সারা দুনিয়ার সকল সম্পদের মালিক যদি কেউ হয়ে যায়, আর এগুলো আল্লাহর রাস্তায় দান করে, তাহলে যে পরিমাণ সওয়াব পাবে।
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে তারচেয়ে বেশি সওয়াব। রাসুল ﷺ বলেন :
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা আছে, তারচেয়ে উত্তম। (সহিহ মুসলিম : কিতাবুস সাতাত)
এবার ভাবুন, সুন্নতের এত মূল্য হলে ফরজের মূল্য কত? জাস্ট ইমাজিন!
#আমলি_টিপস
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে তারচেয়ে বেশি সওয়াব। রাসুল ﷺ বলেন :
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা আছে, তারচেয়ে উত্তম। (সহিহ মুসলিম : কিতাবুস সাতাত)
এবার ভাবুন, সুন্নতের এত মূল্য হলে ফরজের মূল্য কত? জাস্ট ইমাজিন!
#আমলি_টিপস
🔥2
"কার্পণ্য হচ্ছে দারিদ্র্যের পোশাক। অনেক সময় দানশীল ব্যক্তি তার দানশীলতার কারণেই জান্নাতে প্রবেশ করবে"।
.
~ আলী [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ৩/৩১২]
.
~ আলী [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ৩/৩১২]
👍2
পছন্দ বড়ই বৈচিত্র্যময়!
কেউ আপনাকে পছন্দ করে না বলে মন খারাপ করবেন না। কেন ভুলে যান, আপনারও তো সব মানুষকে পছন্দ হয় না।
বই—মন খারাপের দিনে।
কেউ আপনাকে পছন্দ করে না বলে মন খারাপ করবেন না। কেন ভুলে যান, আপনারও তো সব মানুষকে পছন্দ হয় না।
বই—মন খারাপের দিনে।
👍3❤1
আগামী সোমবার (১৮/০৫/২৬) জিলক্বদ মাসের ২৯ তারিখ।
সকলে হাত পায়ের নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ইংরেজি ১৮ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই পরিষ্কার করে নিবেন। যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে একদিন বেশী অর্থাৎ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কারের সময় পাওয়া যাবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ فَإِذَا أُهِلَّ هِلَالُ ذِي الْحِجَّةِ، فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ، وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئًا حَتَّى يُضَحِّيَ.
‘যে ব্যক্তির কুরবানীর পশু আছে যা সে কুরবানী করবে যিলহজে¦র চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।
-সহীহ মুসলিম ,হাদীস ১৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯১; মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/৩০৬; বাযলুল মাজহূদ ১৩/১২
বান্দা মুনীর বিন কারীম
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৭ হিজরি
১৫ মে ২০২৬
শুক্রবার।
সকলে হাত পায়ের নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ইংরেজি ১৮ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই পরিষ্কার করে নিবেন। যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে একদিন বেশী অর্থাৎ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কারের সময় পাওয়া যাবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ فَإِذَا أُهِلَّ هِلَالُ ذِي الْحِجَّةِ، فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ، وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئًا حَتَّى يُضَحِّيَ.
‘যে ব্যক্তির কুরবানীর পশু আছে যা সে কুরবানী করবে যিলহজে¦র চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।
-সহীহ মুসলিম ,হাদীস ১৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯১; মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/৩০৬; বাযলুল মাজহূদ ১৩/১২
বান্দা মুনীর বিন কারীম
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৭ হিজরি
১৫ মে ২০২৬
শুক্রবার।
❤3🔥1
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.) ছিলেন তাবেয়ীদের মধ্যে বড় ইমাম। সাহাবীদের পরের প্রজন্মের বিখ্যাত একজন ব্যক্তিত্ব।
.
মানুষটার জীবনী পড়তে গিয়ে বেশ অবাক হয়েছি। এত বিদ্বান, এত গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রভাবশালী মানুষ হবার পরেও তিনি কিনা নারী ফিতনাকে ভয় করতেন!
.
তিনি বলেছেন, “শয়তান যখনই কারো ব্যাপারে হতাশ হয়ে যায় (অর্থাৎ তাকে কোনোভাবে গোমরাহ করতে না পারে), তখন সে নারীদের মাধ্যমে তার কাছে আসে। আমার বয়স এখন আশি বছর; আমার একটি চোখ হারিয়েছি এবং অন্যটি দিয়েও খুব ঝাপসা দেখি—তবুও নিজের ব্যাপারে আমি যে জিনিসটিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো নারীর ফিতনা।” [আল-কাশশাফ: ১/৫০১]
.
আমি ১৩-১৪ সাল থেকে দ্বীনি কমিউনিটির সাথে চলি। এই ১২-১৩ বছরে প্রচুর দ্বীনি ভাইয়ের সাথে উঠাবসা হয়েছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তাদের মধ্যে যারা ইয়াং তারা অনেকেই কমবেশি নারী ফিতনার ফাঁদের সামনে পড়েছে। সবাই ফিতনাগ্রস্ত না হলেও ফিতনার হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কেউ কেউ তো নারী ফিতনায় এতটাই মোহগ্রস্ত ছিল যে, এখন তাদের অনেকে নামাজও পড়ে না।
.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.)-এর কথাটা কোনো সাধারণ কথা না। বারসিসার কাহিনীটাই দেখুন, এত ইবাদতগুজার, পরহেজগার হবার পরেও শেষ পরিণতি কী হলো? আপনারা অনেকেই এই গল্প পড়েছেন, কিংবা শুনেছেন। শেষ পরিণতি ঈমানহারা—তাও আবার নারী ফিতনায় পড়ে।
.
আসলে এটা একটা বাস্তব সত্য, শয়তান পরহেজগারদের সামনে সকল টোপ ফেলে যখন ব্যর্থ হয়, তখন সে নারী ফিতনার টোপ ফেলে। তবে এজন্য নারীরা যে সবসময় দোষী তা নয়। বরং আমাদের পুরুষদের 'খামখেয়ালিপনাই' মূলত দায়ী। আমরা মনে করি, "এটা কোনো বিষয়? সামান্য একটু হেল্প করতে পারলে হয়তো এই উসিলায় সওয়াবও পাব।" কিন্তু এই সওয়াব পাওয়ার বাসনা যে খায়েশ পূরণের বাসনা হতে বেশি সময় লাগে না, এটা ভুলে যাই।
.
আপনি নিজেকে যতই সুপারম্যান মনে করুন, আপনার নফস ক্ষুধার্ত বাঘের মতোই হয়ে থাকে। আপনি যখন হারামে জড়ান না, ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে বিরত রাখেন, মুভি-সিরিয়াল দেখেন না, তখন নফসের ক্ষুধাও বেশি থাকে।
.
নফসের এই ক্ষুধাকে হালাল দ্বারা প্রশমিত না করলে হারামের প্রতি তার লোলুপ চাহিদা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন। এজন্য বিয়ে করুন। বিয়ে করতে না পারলে অনলাইনে, অফলাইনে নারীদের সাথে কোনো অ্যাক্টিভিটিতে একদমই জড়াবেন না।
.
একান্তই কোনো হেল্প করতে হলে ঘরের নারীদের অ্যাসাইন করে দিন। কিংবা ওই নারীর মাহরাম পুরুষদের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছান।
.
আর যদি অনলাইনের কথা বলি, আপনার এলাকায় বহু গাফেল, গুনাহগার বান্দা আছে, আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যেই আছে—তারা বেশি দাওয়াহ পাওয়ার হকদার।
.
অফলাইনে 'ঘরকুনো পুরুষ' আর অনলাইনে 'সমাজ সচেতন নাগরিক'—এমন নীতি আপনার জন্যই ক্ষতিকর। এই দাওয়াতি নীতিতে যারা চলেছে, তাদের অধিকাংশই এখন হারিয়ে গেছে।
.
সোশ্যাল মিডিয়াকে স্রেফ কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স বোঝার মাধ্যমে, এবং ক্যারিয়ারে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে 'পার্সোনাল ব্রান্ডিং' এর একটি টুল হিসেবে ইউজ করুন। তাহলে ফিতনা থেকে যেমন বাঁচবেন, সময়টাও প্রোডাক্টিভ হবে ইনশাআল্লাহ।
© মহিউদ্দিন রূপম
.
মানুষটার জীবনী পড়তে গিয়ে বেশ অবাক হয়েছি। এত বিদ্বান, এত গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রভাবশালী মানুষ হবার পরেও তিনি কিনা নারী ফিতনাকে ভয় করতেন!
.
তিনি বলেছেন, “শয়তান যখনই কারো ব্যাপারে হতাশ হয়ে যায় (অর্থাৎ তাকে কোনোভাবে গোমরাহ করতে না পারে), তখন সে নারীদের মাধ্যমে তার কাছে আসে। আমার বয়স এখন আশি বছর; আমার একটি চোখ হারিয়েছি এবং অন্যটি দিয়েও খুব ঝাপসা দেখি—তবুও নিজের ব্যাপারে আমি যে জিনিসটিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো নারীর ফিতনা।” [আল-কাশশাফ: ১/৫০১]
.
আমি ১৩-১৪ সাল থেকে দ্বীনি কমিউনিটির সাথে চলি। এই ১২-১৩ বছরে প্রচুর দ্বীনি ভাইয়ের সাথে উঠাবসা হয়েছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তাদের মধ্যে যারা ইয়াং তারা অনেকেই কমবেশি নারী ফিতনার ফাঁদের সামনে পড়েছে। সবাই ফিতনাগ্রস্ত না হলেও ফিতনার হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কেউ কেউ তো নারী ফিতনায় এতটাই মোহগ্রস্ত ছিল যে, এখন তাদের অনেকে নামাজও পড়ে না।
.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.)-এর কথাটা কোনো সাধারণ কথা না। বারসিসার কাহিনীটাই দেখুন, এত ইবাদতগুজার, পরহেজগার হবার পরেও শেষ পরিণতি কী হলো? আপনারা অনেকেই এই গল্প পড়েছেন, কিংবা শুনেছেন। শেষ পরিণতি ঈমানহারা—তাও আবার নারী ফিতনায় পড়ে।
.
আসলে এটা একটা বাস্তব সত্য, শয়তান পরহেজগারদের সামনে সকল টোপ ফেলে যখন ব্যর্থ হয়, তখন সে নারী ফিতনার টোপ ফেলে। তবে এজন্য নারীরা যে সবসময় দোষী তা নয়। বরং আমাদের পুরুষদের 'খামখেয়ালিপনাই' মূলত দায়ী। আমরা মনে করি, "এটা কোনো বিষয়? সামান্য একটু হেল্প করতে পারলে হয়তো এই উসিলায় সওয়াবও পাব।" কিন্তু এই সওয়াব পাওয়ার বাসনা যে খায়েশ পূরণের বাসনা হতে বেশি সময় লাগে না, এটা ভুলে যাই।
.
আপনি নিজেকে যতই সুপারম্যান মনে করুন, আপনার নফস ক্ষুধার্ত বাঘের মতোই হয়ে থাকে। আপনি যখন হারামে জড়ান না, ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে বিরত রাখেন, মুভি-সিরিয়াল দেখেন না, তখন নফসের ক্ষুধাও বেশি থাকে।
.
নফসের এই ক্ষুধাকে হালাল দ্বারা প্রশমিত না করলে হারামের প্রতি তার লোলুপ চাহিদা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন। এজন্য বিয়ে করুন। বিয়ে করতে না পারলে অনলাইনে, অফলাইনে নারীদের সাথে কোনো অ্যাক্টিভিটিতে একদমই জড়াবেন না।
.
একান্তই কোনো হেল্প করতে হলে ঘরের নারীদের অ্যাসাইন করে দিন। কিংবা ওই নারীর মাহরাম পুরুষদের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছান।
.
আর যদি অনলাইনের কথা বলি, আপনার এলাকায় বহু গাফেল, গুনাহগার বান্দা আছে, আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যেই আছে—তারা বেশি দাওয়াহ পাওয়ার হকদার।
.
অফলাইনে 'ঘরকুনো পুরুষ' আর অনলাইনে 'সমাজ সচেতন নাগরিক'—এমন নীতি আপনার জন্যই ক্ষতিকর। এই দাওয়াতি নীতিতে যারা চলেছে, তাদের অধিকাংশই এখন হারিয়ে গেছে।
.
সোশ্যাল মিডিয়াকে স্রেফ কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স বোঝার মাধ্যমে, এবং ক্যারিয়ারে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে 'পার্সোনাল ব্রান্ডিং' এর একটি টুল হিসেবে ইউজ করুন। তাহলে ফিতনা থেকে যেমন বাঁচবেন, সময়টাও প্রোডাক্টিভ হবে ইনশাআল্লাহ।
© মহিউদ্দিন রূপম
❤2
আছিয়া থেকে রামিসা—
এভাবেই ঘটে চলেছে অসংখ্য নির্মম হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা!
গণতন্ত্র নামক সেকুলার শাসনব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতির কি এখনো বোধোদয় হবে না?
তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ইসলামী শরিয়াহ...?
এভাবেই ঘটে চলেছে অসংখ্য নির্মম হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা!
গণতন্ত্র নামক সেকুলার শাসনব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতির কি এখনো বোধোদয় হবে না?
তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ইসলামী শরিয়াহ...?
😢5
হাফেজ ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন-
أُصُولُ الخَطَايَا كُلَّهَا ثَلاثَةٌ
الكِبْرُ: وَهُوَ الَّذِي صَارَ إِبْلِيسُ إِلَى مَا صَارَ إِلَيْهِ
والْحِرْصُ: وَهُوَ الَّذِي أَخْرَجَ آدَمَ مِنَ الجَنَّةِ
والحَسَدُ: وَهُوَ الَّذِي جَرَّ ابْنَ آدَمَ عَلَى أَخِيهِ
মানুষ যত ধরনের অপরাধ, অন্যায় বা ভুল করে, সবকিছুর মূল উৎস এই তিনটি।
০১। অহংকার; যার কারণে ইবলিস লানতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
০২। লোভ; যার কারণে আদম আ. জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন।
০৩। হিংসা; যার কারণে হাবিলের ভাই কাবিল তাকে হত্যা করেছিল। [ফাওয়ায়িদ : ১০৬]
এই তিনটিকে একসাথে বলা হয়, (المُهلِكَاتُ الثَّلَاثَة) ‘আল-মুহলিকাতুস সালাসা’ অর্থাৎ মানুষকে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ভয়ানক তিনটি আত্মিক ব্যাধি।
এ কারণেই আমাদের উচিত, এই তিনটি মারাত্মক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো থেকে বাঁচতে পারলেই আমরা অধিকাংশ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে পার, ইনশাআল্লাহ।
أُصُولُ الخَطَايَا كُلَّهَا ثَلاثَةٌ
الكِبْرُ: وَهُوَ الَّذِي صَارَ إِبْلِيسُ إِلَى مَا صَارَ إِلَيْهِ
والْحِرْصُ: وَهُوَ الَّذِي أَخْرَجَ آدَمَ مِنَ الجَنَّةِ
والحَسَدُ: وَهُوَ الَّذِي جَرَّ ابْنَ آدَمَ عَلَى أَخِيهِ
মানুষ যত ধরনের অপরাধ, অন্যায় বা ভুল করে, সবকিছুর মূল উৎস এই তিনটি।
০১। অহংকার; যার কারণে ইবলিস লানতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
০২। লোভ; যার কারণে আদম আ. জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন।
০৩। হিংসা; যার কারণে হাবিলের ভাই কাবিল তাকে হত্যা করেছিল। [ফাওয়ায়িদ : ১০৬]
এই তিনটিকে একসাথে বলা হয়, (المُهلِكَاتُ الثَّلَاثَة) ‘আল-মুহলিকাতুস সালাসা’ অর্থাৎ মানুষকে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ভয়ানক তিনটি আত্মিক ব্যাধি।
এ কারণেই আমাদের উচিত, এই তিনটি মারাত্মক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো থেকে বাঁচতে পারলেই আমরা অধিকাংশ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে পার, ইনশাআল্লাহ।
👍2❤1
এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
— আম্মারুল হক (হাফি.)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
.
— আম্মারুল হক (হাফি.)
❤5
আগামীকালের রোজা খুবই ফাজিলপূর্ণ। যথাসাধ্য তা যেনো আমাদের কারো থেকে না ছুটে যায়, সেই বিষয়ে চেষ্টা করি। একটু হিম্মত করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ.
আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২
এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ.
আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২
❤2
তাকবীরে তাশরীক পাঠের রিমাইন্ডার!
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
সংগৃহীত_
اَللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، لَآ إِلٰهَ إِلَّا اَللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُ أَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ •
অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে এবং নারীদের জন্য নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
সংগৃহীত_
❤3
আজ ফজর নামাজের পর থেকে আগামি রবিবার আছর নামাজ পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার করে তাকবীরে তাশরিক আদায় করা ওয়াজিব। পুরুষরা নামাজ শেষে উচ্চ আওয়াজে পাঠ করবে, মহিলা নিন্ম স্বরে পাঠ করবে।
তাকবীরে তাশরিক:
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
তাকবীরে তাশরিক:
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
❤2