❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
654 subscribers
102 photos
23 videos
144 links
Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
Download Telegram
নফসকে নিয়ন্ত্রণের চারটি মূলনীতি রয়েছে:
১. মুশারতা (مشارطہ)
নিজের নফসের সাথে “শর্ত” করা আমি গুনাহ করব না।
২. মুরাকাবা (مراقبہ)
নির্জনে বসে চিন্তা করা আমি কোনো “গুনাহ” করেছি কি না।
৩. মুহাসাবা (محاسبہ)
নিজের “হিসাব নেওয়া” কতগুলো গুনাহ করেছি এবং কতগুলো নেক আমল করেছি।
৪. মুআখাযা (مؤاخذہ)
নফস সারাদিন যে “অবাধ্যতা” করেছে, তার জন্য তাকে “শাস্তি” দেওয়া।
আর সেই শাস্তি হলো নিজের উপর “ইবাদতের” বোঝা চাপিয়ে দেওয়া।

ইসলামী খুতবা: শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকি উসমানী দাঃবাঃ ।
ভাষান্তর জাবের কাসেমী
❤‍🔥21
প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সা. কি দোআ করতেন?
.
■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন,

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ

নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪

■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন,

اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به

আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮
.
■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়!

প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।

✍️ - মাসিক আল কাউসার
2❤‍🔥2
"যে আল্লাহ তাআলার তাকওয়া অবলম্বন করে আল্লাহ তাকে হেফাজত করেন এবং তাকে অপরের হাতে ছেড়ে দেন না। আল্লাহ তাআলা বলেন,
.
وَإِنْ تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئاً
.
'আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কিছু ক্ষতি করবে না।'[১]
.
আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনু আব্বাসকে [রা.] বলেছিলেন,
احفظ الله يحفظك
.
'তুমি আল্লাহর আদেশ নিষেধের হেফাজত কর, তিনি তোমাকে হেফাজত করবেন।[২]"[৩]
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১২০;
২) ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২৫১৬, ইমাম তিরমিযীর মতে হাদিসটি হাসান সহীহ;
৩) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আত তাফসিরুল কাইয়্যিম, পৃ: ৬৪৮]
3
👉সওয়াবের আশা দুঃখ-কষ্ট লঘু করে
✍️আবু রুশায়দ


সব মানুষেরই দুঃখ কষ্ট হয়। নানান রকমের পেরেশানী থাকে। আল্লাহ তাআলা এভাবেই ইহজীবনের রীতিনীতি সাজিয়েছেন। মুসলমান কাফের সবাই এই নিয়মের অধীন।

কিন্তু মুসলমান ও কাফেরের মধ্যে এই ক্ষেত্রে একটা বিরাট পার্থক্য আছে। মুসলমানের জীবন যেহেতু আখেরাতমুখী, তাই মুসলমানের জীবনে দুঃখ-কষ্টের একটা পরকালীন ফলাফলও আছে। দুঃখ-কষ্টে মুসলমান যে সবর করে ও আল্লাহমুখী হয়, সেজন্য আখেরাতে সে বিপুল সওয়াব পাবে।

উহুদ যুদ্ধের পরে সাহাবীগণ যখন ক্লান্তশ্রান্ত, সেসময় কাফেররা আবার তাদের ওপর আক্রমণ করার ফন্দি করল। তখন আল্লাহ মুসলমানদের বললেন, তোমরাই আগে বেড়ে তাদের পশ্চাদ্ধাবন কর।

আরও বললেন–

اِنْ تَكُوْنُوْا تَاْلَمُوْنَ فَاِنَّهُمْ یَاْلَمُوْنَ كَمَا تَاْلَمُوْنَ وَ تَرْجُوْنَ مِنَ اللهِ مَا لَا یَرْجُوْنَ .

তোমাদের যদি কষ্ট হয়ে থাকে, তবে তাদেরও তো তোমাদেরই মতো কষ্ট হয়। আর তোমরা আল্লাহর কাছে এমন জিনিসের আশা কর, যার আশা তারা করে না। –সূরা নিসা (০৪) : ১০৪

অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশ পালন করতে গেলে হয়তো তোমাদের কষ্ট হবে। তো এই জাগতিক কষ্ট তো তারাও ভোগ করে। কিন্তু এর বিনিময়ে তোমরা আখেরাতে যে বিপুল প্রতিদান পাওয়ার আশা কর এবং তা তোমরা পাবেও, সেটা তারা পাবে না। তাদের তো সেই বিশ্বাসই নেই।

সূরা বাকারার ১৫৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা বিপদাপদে সবরের পরিচয় দেবে, আল্লাহমুখী হবে তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহর বিশেষ করুণা, দয়া ও পুরস্কার।

সূরা হাদীদের ২৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, তোমাদের যে বিপদ-মসিবত দেখা দেয়, তা পূর্ব নির্ধারিত তাকদীর অনুযায়ীই হয়। এটা এই জন্য জানালাম, যাতে তোমরা যা হারিয়েছ তার জন্য দুঃখিতও না হও এবং যা পেয়েছ তার জন্য উল্লসিতও না হও।

সুতরাং বিপদ-মসিবতে এতটা দুঃখিত হওয়া উচিত নয় যে, তা বহুমাত্রিক অশান্তি ও পেরেশানীর কারণ হয়ে যায়। বরং এই ভেবে সান্ত্বনা লাভ করা উচিত, এটা তাকদীরে ছিল, তাই হয়েছে। এ কষ্ট দুনিয়ার নিয়ম অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। এখন যদি আমি আল্লাহমুখী হই, তাহলে আখেরাতে এর বিনিময়ে অনেক সওয়াব ও অজস্র নিআমত লাভ করব। এভাবে চিন্তা করলে দুনিয়ার কষ্ট লঘু হয়ে যাবে। ঈমানও সুদৃঢ় হবে।

- মাসিক আল কাউসার
3
তাহাজ্জুদ জীবনের গতিপথ পাল্টে দেয়। কেন বললাম গতিপথ? দুআ কবুলের যত সময় আছে তার মধ্যে তাহাজ্জুদ শুধু কবুলের জন্যই নয় বরং বান্দার নীরবে নিভৃতে আল্লাহর কাছে সঁপে দেয়ার মত এমন আমল আর নেই... আমরা একটু চেষ্টা করি, পারব ইন শা আল্লাহ। জীবনে ত বিপদে পরে কত কিছুই না করলাম, এবার না হয় তাহাজ্জুদেই আল্লাহ কে বলি?
2
ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন-

"শয়তান থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো— দৃষ্টি সংযত রাখা, অতিরিক্ত কথা ও খাবার পরিহার করা এবং মানুষের সাথে মাত্রাতিরিক্ত মেলামেশা বর্জন করা। শয়তান আদমসন্তানের ওপর এই চারটি প্রবেশপথ দিয়েই আধিপত্য বিস্তার করে।”

(আল-ওয়াবিলুস সয়্যিব-৭৩)
👍3
আজ জুমাবার, সকলেই বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার চেষ্টা করি।
2
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ﷺﷺﷺ
1
নিজ মেয়ের প্রতি আপনি যেমন ব্যবহার করা হোক বলে আশা করেন, আপনার স্ত্রীর প্রতি আপনি তেমন ব্যবহার করুন।

— শায়খ ইবনে উসাইমিন (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : আশ-শারহুল মুমতি, ১২/৩৮১]
3
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন
لَيْسَ صَلَاةٌ أَثْقَلَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَالْعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا
মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযের চেয়ে ভারী নামায আর নেই। যদি তারা এই দুই নামাযের ফজিলত জানত, তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (মসজিদে) উপস্থিত হতো। [সহীহ বুখারী : ৬৫৭]

এই হাদিস আমাদের সামনে মানুষের ঈমানের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। কারণ ফজর ও এশার নামায এমন সময়ের নামায, যখন মানুষ সাধারণত ঘুমে থাকে বা বিশ্রামে থাকে। তখন আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে মসজিদে যাওয়া সহজ নয়। তাই এই সময়েই বোঝা যায়—কার ঈমান শক্ত, আর কার অন্তরে গাফলত বেশি।

আপনি যদি একটু লক্ষ্য করেন, ফজরের এক-দুই ঘণ্টা পরে, ধরুন সকাল সাতটার দিকে—রাস্তা ভরে যায় মানুষের ভিড়ে। সড়কগুলো কোলাহলে ভরে ওঠে, যানজট শুরু হয়। চারদিকে ব্যস্ততা। হাজার হাজার মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কেন? কারণ তারা তাদের কর্মস্থলে যাচ্ছে, দুনিয়ার দায়িত্ব পালনের জন্য বের হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো—এক-দুই ঘণ্টা আগে কি এই ঘরগুলো খালি ছিল? তখন কি মানুষ ছিল না? তখন কি মুসলমান ছিল না, যারা ফজরের নামায পড়তে পারত?

বাস্তবতা হলো—মানুষ ছিল, ঘরও ভরা ছিল, কিন্তু তখন অনেকেই ঘুমিয়ে ছিল। দুনিয়ার কাজের জন্য যখন সময় হয়, তখন তারা ঘর থেকে বের হতে দেরি করে না। কিন্তু ফজরের নামাযের সময় মসজিদে দেখা যায়—মাত্র অর্ধেক কাতার, কখনো তারও কম।

এই দৃশ্যই যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সেই কথাকে সত্য প্রমাণ করে। তিনি বলেছেন, ‘মুনাফিকদের কাছে ফজর ও এশার নামাযই সবচেয়ে ভারী।’ কারণ এখানে মানুষের অন্তরের অবস্থা প্রকাশ পায়। যে মানুষ দুনিয়ার কাজের জন্য ঘুম ভেঙে দ্রুত বের হতে পারে, সে যদি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে অলসতা করে, তবে বুঝতে হবে তার অন্তরে মুনাফেকি আছে।

এজন্য হাসান বসরী বহ. বলতেন
لَوْلَا الْمُنَافِقُونَ لَاسْتَوْحَشْتُمْ فِي الطُّرُقِ
মুনাফিকরা না থাকলে রাস্তা-ঘাট জনশূন্য মনে হতো। [আল-ইবানাতুল কুবরা : ৯৩৪]
#খুতুবাত

জয়েন : Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
1
কোনো ঔষধ দ্রুত কাজ করলে আমরা বলি, ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে। তেমনি একটি বিস্ময়কর আমল রয়েছে। যা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

সালাতুল হাজত। হাজত মানে প্রয়োজন। আপনার যেকোনো প্রয়োজন পূরণ করার জন্য এই আমলটি করে দেখতে পারেন।

একজন অন্ধ সাহাবিকে রাসুল ﷺ এই আমল শিখিয়েছিলেন। সালাতুল হাজত পড়ার সাথেসাথে সেই সাহাবীর দৃষ্টিশক্তি ফিরে এসেছিলো। (সহিহ ইবনু খুযাইমা: ২/২২৫)

কেন সালাতুল হাজত?
প্রয়োজন ছোট হোক কিংবা বড়, সেটা একমাত্র আল্লাহ ই পূরণ করতে পারেন। সালাফে সালিহীন যেকোনো প্রয়োজন দেখা দিলে আগে নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।

কখন পড়তে হয়?
যেকোনো সময়। শুধু নিষিদ্ধ ওয়াক্ত বাদ দিয়ে।

কোন সুরা দিয়ে পড়তে হয়?
যেকোনো সুরা দিয়ে।

কত রাকাত? নিম্নে দুই রাকাত।

নিয়ত কীভাবে করতে হয়?
মনে মনে প্রয়োজন কে স্মরণ করে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে নফল নামাজ। এটুকুই যথেষ্ট।

বারবার কিংবা প্রতিদিন পড়া যায়?
জ্বি, বারবার ও প্রতিদিন পড়া যায়।

সালাতুল হাজত পড়লে প্রয়োজন পূরণ হয়,
এটার গ্যারান্টি কী?

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাইতে বলেছেন। রাসুল ﷺ সাহাবীদেরকে সালাতুল হাজত শিখিয়েছেন।

সুতরাং ফলাফল নির্ভর করবে আপনার একিনের উপর। আপনার একিন শতভাগ থাকলে ফলাফল শতভাগ নিশ্চিত। আল্লাহু আ'লাম।

টাইমলাইনে সেইভ রাখুন। প্রচার করে ছড়িয়ে দিন।

#আমলি_টিপস
3❤‍🔥1
আমরা কাউকে কোন ব্যাপারে নসিহত করার আগে এইটা কখনোই চিন্তা করি না, আমি কি সেই কাজটা করছি? বা আমি কি সেই কাজে একদম সঠিক, আল্লাহ যেভাবে বলেছেন একদম আদেশ~নিষেধ মেনে করতে পারছি তো!

এইটা না ভেবেই আমরা কাউকে নসিহত করে বসি!
কিন্তু অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত, যে ব্যাপারে আমি কাউকে নসিহত করবো সেই ব্যাপারে আমি কতোটা অভিজ্ঞ বা কতোটা মেনে চলি!

যদি সর্বদা মেনে না চলি তো সেক্ষেত্রে নসিহত করবো না,তবে যদি চেষ্টা করেন তো সেভাবে বলতে পারেন যে "এইটা আপনি চেষ্টা করবেন কারন আমিও চেষ্টা করছি"! কিন্তু কখনোই বলবেন না যে এইটা করুন!
2
সারা দুনিয়ার সকল সম্পদের মালিক যদি কেউ হয়ে যায়, আর এগুলো আল্লাহর রাস্তায় দান করে, তাহলে যে পরিমাণ সওয়াব পাবে।

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজে তারচেয়ে বেশি সওয়াব। রাসুল ﷺ বলেন :

رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا ‏
ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ, দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা আছে, তারচেয়ে উত্তম। (সহিহ মুসলিম : কিতাবুস সাতাত)

এবার ভাবুন, সুন্নতের এত মূল্য হলে ফরজের মূল্য কত? জাস্ট ইমাজিন!

#আমলি_টিপস
🔥2
"কার্পণ্য হচ্ছে দারিদ্র্যের পোশাক। অনেক সময় দানশীল ব্যক্তি তার দানশীলতার কারণেই জান্নাতে প্রবেশ করবে"।
.
~ আলী [রা.]
.
[ ইমাম ইবনু মুফলিহ (রাহ.), আল আদাবুশ শারঈয়্যাহ: ৩/৩১২]
👍2
পছন্দ বড়ই বৈচিত্র্যময়!

কেউ আপনাকে পছন্দ করে না বলে মন খারাপ করবেন না। কেন ভুলে যান, আপনারও তো সব মানুষকে পছন্দ হয় না।

বই—মন খারাপের দিনে।
👍31
বিস্তারিত কমেন্টে দেয়া হলো। সকলেই পড়বেন।
4
আগামী সোমবার (১৮/০৫/২৬) জিলক্বদ মাসের ২৯ তারিখ।

সকলে হাত পায়ের নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম ইংরেজি ১৮ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই পরিষ্কার করে নিবেন। যদি জিলক্বদ মাস ৩০ দিনে সম্পন্ন হয় তাহলে একদিন বেশী অর্থাৎ মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পূর্বমূহুর্ত পর্যন্ত নখ, চুল ও শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কারের সময় পাওয়া যাবে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

مَنْ كَانَ لَهُ ذِبْحٌ يَذْبَحُهُ فَإِذَا أُهِلَّ هِلَالُ ذِي الْحِجَّةِ، فَلَا يَأْخُذَنَّ مِنْ شَعْرِهِ، وَلَا مِنْ أَظْفَارِهِ شَيْئًا حَتَّى يُضَحِّيَ.

‘যে ব্যক্তির কুরবানীর পশু আছে যা সে কুরবানী করবে যিলহজে¦র চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।

-সহীহ মুসলিম ,হাদীস ১৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯১; মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/৩০৬; বাযলুল মাজহূদ ১৩/১২

বান্দা মুনীর বিন কারীম
২৬ জিলক্বদ ১৪৪৭ হিজরি
১৫ মে ২০২৬
শুক্রবার।
3🔥1
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.) ছিলেন তাবেয়ীদের মধ্যে বড় ইমাম। সাহাবীদের পরের প্রজন্মের বিখ্যাত একজন ব্যক্তিত্ব।
.
মানুষটার জীবনী পড়তে গিয়ে বেশ অবাক হয়েছি। এত বিদ্বান, এত গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রভাবশালী মানুষ হবার পরেও তিনি কিনা নারী ফিতনাকে ভয় করতেন!
.
তিনি বলেছেন, “শয়তান যখনই কারো ব্যাপারে হতাশ হয়ে যায় (অর্থাৎ তাকে কোনোভাবে গোমরাহ করতে না পারে), তখন সে নারীদের মাধ্যমে তার কাছে আসে। আমার বয়স এখন আশি বছর; আমার একটি চোখ হারিয়েছি এবং অন্যটি দিয়েও খুব ঝাপসা দেখি—তবুও নিজের ব্যাপারে আমি যে জিনিসটিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তা হলো নারীর ফিতনা।” [আল-কাশশাফ: ১/৫০১]
.
আমি ১৩-১৪ সাল থেকে দ্বীনি কমিউনিটির সাথে চলি। এই ১২-১৩ বছরে প্রচুর দ্বীনি ভাইয়ের সাথে উঠাবসা হয়েছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, তাদের মধ্যে যারা ইয়াং তারা অনেকেই কমবেশি নারী ফিতনার ফাঁদের সামনে পড়েছে। সবাই ফিতনাগ্রস্ত না হলেও ফিতনার হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কেউ কেউ তো নারী ফিতনায় এতটাই মোহগ্রস্ত ছিল যে, এখন তাদের অনেকে নামাজও পড়ে না।
.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব (রহ.)-এর কথাটা কোনো সাধারণ কথা না। বারসিসার কাহিনীটাই দেখুন, এত ইবাদতগুজার, পরহেজগার হবার পরেও শেষ পরিণতি কী হলো? আপনারা অনেকেই এই গল্প পড়েছেন, কিংবা শুনেছেন। শেষ পরিণতি ঈমানহারা—তাও আবার নারী ফিতনায় পড়ে।
.
আসলে এটা একটা বাস্তব সত্য, শয়তান পরহেজগারদের সামনে সকল টোপ ফেলে যখন ব্যর্থ হয়, তখন সে নারী ফিতনার টোপ ফেলে। তবে এজন্য নারীরা যে সবসময় দোষী তা নয়। বরং আমাদের পুরুষদের 'খামখেয়ালিপনাই' মূলত দায়ী। আমরা মনে করি, "এটা কোনো বিষয়? সামান্য একটু হেল্প করতে পারলে হয়তো এই উসিলায় সওয়াবও পাব।" কিন্তু এই সওয়াব পাওয়ার বাসনা যে খায়েশ পূরণের বাসনা হতে বেশি সময় লাগে না, এটা ভুলে যাই।
.
আপনি নিজেকে যতই সুপারম্যান মনে করুন, আপনার নফস ক্ষুধার্ত বাঘের মতোই হয়ে থাকে। আপনি যখন হারামে জড়ান না, ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে বিরত রাখেন, মুভি-সিরিয়াল দেখেন না, তখন নফসের ক্ষুধাও বেশি থাকে।
.
নফসের এই ক্ষুধাকে হালাল দ্বারা প্রশমিত না করলে হারামের প্রতি তার লোলুপ চাহিদা সম্পূর্ণ দূর করা কঠিন। এজন্য বিয়ে করুন। বিয়ে করতে না পারলে অনলাইনে, অফলাইনে নারীদের সাথে কোনো অ্যাক্টিভিটিতে একদমই জড়াবেন না।
.
একান্তই কোনো হেল্প করতে হলে ঘরের নারীদের অ্যাসাইন করে দিন। কিংবা ওই নারীর মাহরাম পুরুষদের মাধ্যমে সাহায্য পৌঁছান।
.
আর যদি অনলাইনের কথা বলি, আপনার এলাকায় বহু গাফেল, গুনাহগার বান্দা আছে, আপনার প্রতিবেশীদের মধ্যেই আছে—তারা বেশি দাওয়াহ পাওয়ার হকদার।
.
অফলাইনে 'ঘরকুনো পুরুষ' আর অনলাইনে 'সমাজ সচেতন নাগরিক'—এমন নীতি আপনার জন্যই ক্ষতিকর। এই দাওয়াতি নীতিতে যারা চলেছে, তাদের অধিকাংশই এখন হারিয়ে গেছে।
.
সোশ্যাল মিডিয়াকে স্রেফ কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স বোঝার মাধ্যমে, এবং ক্যারিয়ারে যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে 'পার্সোনাল ব্রান্ডিং' এর একটি টুল হিসেবে ইউজ করুন। তাহলে ফিতনা থেকে যেমন বাঁচবেন, সময়টাও প্রোডাক্টিভ হবে ইনশাআল্লাহ।

© মহিউদ্দিন রূপম
2
আছিয়া থেকে রামিসা—
এভাবেই ঘটে চলেছে অসংখ্য নির্মম হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা!

গণতন্ত্র নামক সেকুলার শাসনব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট এই জাতির কি এখনো বোধোদয় হবে না?

তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ ইসলামী শরিয়াহ...?
😢5
হাফেজ ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন-

أُصُولُ الخَطَايَا كُلَّهَا ثَلاثَةٌ
الكِبْرُ: وَهُوَ الَّذِي صَارَ إِبْلِيسُ إِلَى مَا صَارَ إِلَيْهِ
والْحِرْصُ: وَهُوَ الَّذِي أَخْرَجَ آدَمَ مِنَ الجَنَّةِ
والحَسَدُ: وَهُوَ الَّذِي جَرَّ ابْنَ آدَمَ عَلَى أَخِيهِ

মানুষ যত ধরনের অপরাধ, অন্যায় বা ভুল করে, সবকিছুর মূল উৎস এই তিনটি।
০১। অহংকার; যার কারণে ইবলিস লানতপ্রাপ্ত হয়েছিল।
০২। লোভ; যার কারণে আদম আ. জান্নাত থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন।
০৩। হিংসা; যার কারণে হাবিলের ভাই কাবিল তাকে হত্যা করেছিল। [ফাওয়ায়িদ : ১০৬]

এই তিনটিকে একসাথে বলা হয়, (المُهلِكَاتُ الثَّلَاثَة) ‘আল-মুহলিকাতুস সালাসা’ অর্থাৎ মানুষকে ধ্বংস করে দেওয়ার মত ভয়ানক তিনটি আত্মিক ব্যাধি।

এ কারণেই আমাদের উচিত, এই তিনটি মারাত্মক ব্যাধি থেকে বেঁচে থাকা। কারণ এগুলো থেকে বাঁচতে পারলেই আমরা অধিকাংশ গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে পার, ইনশাআল্লাহ।
👍21
আরাফার দিনের দু'আ
1