পুরুষ চাঁদ টুকরোর মতো অপরূপা এক নারীকে বিয়ে করে মনে করতে পারে, সে এক মহান বিজয় এভারেস্ট জয়/অর্জন করেছে। কিন্তু মাস দুয়েকের মধ্যেই সেই রূপ চেনা হয়ে যায়, যার সৌন্দর্যে একসময় সে মুগ্ধ ছিল, তা ধীরে ধীরে তার কাছে ম্লান হয়ে যায়।
কিন্তু যে নারী সত্যিকার অর্থে ধর্মপরায়ণা, তার সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না। তার দ্বীনের সৌন্দর্য প্রতিদিন নতুনভাবে ঝলমল করে, আর তার বরকত ছড়িয়ে পড়ে স্বামীর হৃদয়ে, ঘরের শান্তিতে, সন্তানদের আচার-আচরণে।
তাই, ধর্মপরায়ণা নারীকেই আপন করে নাওয়া—এটাই হবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
রব্ব আমাদের বুঝার তাওফিক দিক। আমীন!
#জীবন_ও_নারী
কিন্তু যে নারী সত্যিকার অর্থে ধর্মপরায়ণা, তার সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না। তার দ্বীনের সৌন্দর্য প্রতিদিন নতুনভাবে ঝলমল করে, আর তার বরকত ছড়িয়ে পড়ে স্বামীর হৃদয়ে, ঘরের শান্তিতে, সন্তানদের আচার-আচরণে।
তাই, ধর্মপরায়ণা নারীকেই আপন করে নাওয়া—এটাই হবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
রব্ব আমাদের বুঝার তাওফিক দিক। আমীন!
#জীবন_ও_নারী
❤11
যিকির বৃদ্ধি করুন।
ইমাম আয-যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: রমযানে একবার “সুবহানাল্লাহ” বলা অন্য মাসে এক হাজারবার তাসবীহ বলার চেয়েও উত্তম।
.
(মাওসু‘আহ ইবন আবি দুনইয়া ৮৫৯৩)
ইমাম আয-যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: রমযানে একবার “সুবহানাল্লাহ” বলা অন্য মাসে এক হাজারবার তাসবীহ বলার চেয়েও উত্তম।
.
(মাওসু‘আহ ইবন আবি দুনইয়া ৮৫৯৩)
❤4
রমজান মাস, ইবাদতের মাস। দোয়া কবুলের মাস। আপনার সমস্যা, অসুখ, বিপদ আপদ, সবকিছু আপনার রব আল্লাহর কাছে বলুন।
রমজান মাসে প্রতিদিন প্রতিরাতে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় চাইতে থাকুন। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, আল্লাহর হুকুমের কাছে সেটা খুবই সামান্য ব্যাপার। তাই চাইতে থাকুন।
শেষ দশ দিনে চেষ্টা করুন ইতেকাফ করতে, রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে, বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার করে দোয়া করতে। জোড় বেজোড় সব রাতেই দোয়া করতে থাকুন।
হাদীসে আছে, প্রতি রাতেই দোয়া কবুলের একটা মুহূর্ত আছে, ওই সময় মানুষ দোয়া করলে আল্লাহ দিয়ে দেয়।
নিজের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি অন্য মুসলিম ভাইদের জন্য, এই জমিনে ইসলাম দায়েম-কায়েম হওয়ার জন্যও দোয়া করুন। দোয়ার আগে পরে দরুদ, ইস্তেগফার, হামদ ও সানা পড়ুন (কমেন্টে দোয়ার আদবের বিস্তারিত থাকবে।)
দোয়া কবুল হয় তিনভাবে, কিছু বিষয়ে চাওয়ার পর আল্লাহ তায়াল নগদে দিয়ে দেন, কিছু বিষয়ে দেরিতে দেন (এমনকি কয়েক বছর পরও দিতে পারে আরও উত্তমভাবে), আর কিছু বিষয় আল্লাহ দুনিয়াতে দেন না বরং আখিরাতে এর বদলে অনেক অনেক বেশি প্রতিদান দেন, গুনাহ মাফ করেন বা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই দোয়া করলে লস নাই।
--
এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদতের পাশাপাশি দোয়া করেছে, আর আল্লাহ তাআলা সারাবছর তাদেরকে একেরপর এক নিয়ামত দিয়ে ভরে রেখেছেন, একেরপর এক প্রয়োজন পুরা করে দিয়েছেন। এত সহজে যা পূরণ হওয়া তাদের চিন্তারও অতীত ছিল...
- আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
রমজান মাসে প্রতিদিন প্রতিরাতে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় চাইতে থাকুন। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, আল্লাহর হুকুমের কাছে সেটা খুবই সামান্য ব্যাপার। তাই চাইতে থাকুন।
শেষ দশ দিনে চেষ্টা করুন ইতেকাফ করতে, রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে, বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার করে দোয়া করতে। জোড় বেজোড় সব রাতেই দোয়া করতে থাকুন।
হাদীসে আছে, প্রতি রাতেই দোয়া কবুলের একটা মুহূর্ত আছে, ওই সময় মানুষ দোয়া করলে আল্লাহ দিয়ে দেয়।
নিজের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি অন্য মুসলিম ভাইদের জন্য, এই জমিনে ইসলাম দায়েম-কায়েম হওয়ার জন্যও দোয়া করুন। দোয়ার আগে পরে দরুদ, ইস্তেগফার, হামদ ও সানা পড়ুন (কমেন্টে দোয়ার আদবের বিস্তারিত থাকবে।)
দোয়া কবুল হয় তিনভাবে, কিছু বিষয়ে চাওয়ার পর আল্লাহ তায়াল নগদে দিয়ে দেন, কিছু বিষয়ে দেরিতে দেন (এমনকি কয়েক বছর পরও দিতে পারে আরও উত্তমভাবে), আর কিছু বিষয় আল্লাহ দুনিয়াতে দেন না বরং আখিরাতে এর বদলে অনেক অনেক বেশি প্রতিদান দেন, গুনাহ মাফ করেন বা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই দোয়া করলে লস নাই।
--
এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদতের পাশাপাশি দোয়া করেছে, আর আল্লাহ তাআলা সারাবছর তাদেরকে একেরপর এক নিয়ামত দিয়ে ভরে রেখেছেন, একেরপর এক প্রয়োজন পুরা করে দিয়েছেন। এত সহজে যা পূরণ হওয়া তাদের চিন্তারও অতীত ছিল...
- আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
❤1
লাইলাতুল ক্বদর চেনার উপায় :
০১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
০২. নাতিশীতোষ্ণ হবে।
(অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।)
০৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত থাকবে।
০৪. কোন ইমানদার ব্যক্তির স্বপ্নে আল্লাহ হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারে।
০৫. অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে মানুষ সে রাতে ইবাদত করে।
০৬. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যদ্বয় হবে, যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো।
০৭. লাইলাতুল ক্বদরের রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
[ সহীহ মুসলিম : ৭৬২ ]
০১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
০২. নাতিশীতোষ্ণ হবে।
(অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।)
০৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত থাকবে।
০৪. কোন ইমানদার ব্যক্তির স্বপ্নে আল্লাহ হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারে।
০৫. অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে মানুষ সে রাতে ইবাদত করে।
০৬. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যদ্বয় হবে, যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো।
০৭. লাইলাতুল ক্বদরের রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
[ সহীহ মুসলিম : ৭৬২ ]
❤2
যদি লাইলাতুল কদরের তালাশকৃত বিজোড় রাতটি জুম’আর রাতের মাঝে পড়ে যায়, তাহলে অন্যান্য বিজোড় রাতের তুলনায় এই রাতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়।
— ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহি.)
[সূত্র : লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব, পৃ.২০৩]
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
— ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।
— ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহি.)
[সূত্র : লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব, পৃ.২০৩]
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
— ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।
❤3
আজ ২৮ রমজান…
কত দ্রুত চলে গেল এই বরকতময় দিনগুলো! মনে হয় সেদিনই তো শুরু হয়েছিল—প্রথম সাহরি, প্রথম রোজা, প্রথম তারাবীহ। আর আজ… বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে প্রিয় রমজান।
রমজান মাস ছিল যেন ২৯/৩০ পৃষ্ঠার চেকবই। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটি দিন—প্রতিটি দিন এক একটি স্বর্ণালী সুযোগ।
চেকবইয়ের প্রায় সব পৃষ্ঠাই পূর্ণ হয়ে গেছে—শেষের দু/একটি এখনো আমাদের হাতে।
এই চেকবইয়ের কত পৃষ্ঠা আমরা পূর্ণ করেছি?
কতগুলো পৃষ্ঠা হয়তো অবহেলায় ফাঁকা রেখে দিয়েছি…
কতগুলো পৃষ্ঠায় হয়তো ছোট অংক লিখেছি—যেখানে বড় কিছু লেখার সুযোগ ছিল!
আজ ২৮ রমজান—এটা শুধু একটি দিন নয়, এটা যেন শেষ সুযোগের আহ্বান।
শেষ পাতাগুলোয় কী লিখব আমরা?
আজও তো দরজা খোলা…
আজও তো রহমত নাযিল হচ্ছে…
আজও তো সেই মহান রব অপেক্ষা করছেন—
কোনো বান্দা ফিরে আসবে কি না!
হয়তো আজ রাতই হতে পারে লাইলাতুল কদর…
হয়তো এই রাতেই আমাদের তাকদীর লেখা হবে নতুন করে…
আজ শেষ পৃষ্ঠা…
এটা যেন ফাঁকা না থাকে!
আসুন—
আজকের দিনটিকে আমরা ভরে তুলি তাওবা দিয়ে,
ভরে তুলি ইস্তিগফার দিয়ে,
ভরে তুলি কুরআনের তিলাওয়াত দিয়ে,
ভরে তুলি দো‘আর অশ্রু দিয়ে।
হয়তো এটাই আমাদের জীবনের শেষ রমজান…
হয়তো আগামী বছর আমরা আর এই চেকবই হাতে পাব না…
তাই আজ—শেষ সুযোগটুকু হাতছাড়া না করি।
হে আল্লাহ!
আমাদের অপূর্ণতাকে আপনি পূর্ণ করে দিন,
আমাদের অল্প আমলকে আপনি কবুল করে নিন,
আমাদের এই রমজানকে নাজাতের সনদ বানিয়ে দিন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
কত দ্রুত চলে গেল এই বরকতময় দিনগুলো! মনে হয় সেদিনই তো শুরু হয়েছিল—প্রথম সাহরি, প্রথম রোজা, প্রথম তারাবীহ। আর আজ… বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে প্রিয় রমজান।
রমজান মাস ছিল যেন ২৯/৩০ পৃষ্ঠার চেকবই। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটি দিন—প্রতিটি দিন এক একটি স্বর্ণালী সুযোগ।
চেকবইয়ের প্রায় সব পৃষ্ঠাই পূর্ণ হয়ে গেছে—শেষের দু/একটি এখনো আমাদের হাতে।
এই চেকবইয়ের কত পৃষ্ঠা আমরা পূর্ণ করেছি?
কতগুলো পৃষ্ঠা হয়তো অবহেলায় ফাঁকা রেখে দিয়েছি…
কতগুলো পৃষ্ঠায় হয়তো ছোট অংক লিখেছি—যেখানে বড় কিছু লেখার সুযোগ ছিল!
আজ ২৮ রমজান—এটা শুধু একটি দিন নয়, এটা যেন শেষ সুযোগের আহ্বান।
শেষ পাতাগুলোয় কী লিখব আমরা?
আজও তো দরজা খোলা…
আজও তো রহমত নাযিল হচ্ছে…
আজও তো সেই মহান রব অপেক্ষা করছেন—
কোনো বান্দা ফিরে আসবে কি না!
হয়তো আজ রাতই হতে পারে লাইলাতুল কদর…
হয়তো এই রাতেই আমাদের তাকদীর লেখা হবে নতুন করে…
আজ শেষ পৃষ্ঠা…
এটা যেন ফাঁকা না থাকে!
আসুন—
আজকের দিনটিকে আমরা ভরে তুলি তাওবা দিয়ে,
ভরে তুলি ইস্তিগফার দিয়ে,
ভরে তুলি কুরআনের তিলাওয়াত দিয়ে,
ভরে তুলি দো‘আর অশ্রু দিয়ে।
হয়তো এটাই আমাদের জীবনের শেষ রমজান…
হয়তো আগামী বছর আমরা আর এই চেকবই হাতে পাব না…
তাই আজ—শেষ সুযোগটুকু হাতছাড়া না করি।
হে আল্লাহ!
আমাদের অপূর্ণতাকে আপনি পূর্ণ করে দিন,
আমাদের অল্প আমলকে আপনি কবুল করে নিন,
আমাদের এই রমজানকে নাজাতের সনদ বানিয়ে দিন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
❤1
রমাদান এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এই ২ ঘণ্টাও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাধ্যম হতে পারে। সময়টা অবহেলা না করি।
#Selfreminder
#Selfreminder
👍6
“অতিরিক্ত কথা বলা- মস্তিষ্কের বিচক্ষণতা কমিয়ে দেয়, মস্তিষ্ককে দুর্বল করে ফেলে এবং দ্রুত বার্ধক্য ডেকে আনে।”
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : যাদুল মা’আদ, পৃ. ৪/৩৭৬]
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : যাদুল মা’আদ, পৃ. ৪/৩৭৬]
👍6😢1
আবু যার [রা.] বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাকে ওয়সিয়ত করুন।
রাসূলুল্লাহﷺ বললেন,
إِذَا عَمِلْتَ سَيِّئَةً فَأَتْبِعْهَا حَسَنَةً تَمْحُهَا
.
"তুমি যখন কোনো পাপ কাজ করবে তখন এর পরে কোনো নেক কাজ করে ফেলবে। তাহলে তা (নেক কাজটি) পাপকর্মটিকে মিটিয়ে ফেলবে"।
.
আবু যার [রা.] পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন,
ইয়া রাসূলাল্লাহ, «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ» বলাও কি নেক কাজ?
.
রাসূলুল্লাহﷺ বললেন,
«هِيَ أَفْضَلُ الْحَسَنَاتِ
.
"তা তো সর্বোত্তম নেক কাজ"।
.
[ইমাম আহমাদ (রাহ.), আয যুহদ, হা: ১৪৩, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ, সহীহুত তারগীব, হা: ৩১৬২]
রাসূলুল্লাহﷺ বললেন,
إِذَا عَمِلْتَ سَيِّئَةً فَأَتْبِعْهَا حَسَنَةً تَمْحُهَا
.
"তুমি যখন কোনো পাপ কাজ করবে তখন এর পরে কোনো নেক কাজ করে ফেলবে। তাহলে তা (নেক কাজটি) পাপকর্মটিকে মিটিয়ে ফেলবে"।
.
আবু যার [রা.] পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন,
ইয়া রাসূলাল্লাহ, «لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ» বলাও কি নেক কাজ?
.
রাসূলুল্লাহﷺ বললেন,
«هِيَ أَفْضَلُ الْحَسَنَاتِ
.
"তা তো সর্বোত্তম নেক কাজ"।
.
[ইমাম আহমাদ (রাহ.), আয যুহদ, হা: ১৪৩, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ, সহীহুত তারগীব, হা: ৩১৬২]
❤1
দুনিয়ার ব্যস্ততায় আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছি না তো?
.
নতুন মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন, চাকরির টার্গেট, সন্তানের ভবিষ্যৎ, বাজারের দাম, বাসার ভাড়া—প্রতিদিন আমাদের জীবনে চলতে থাকা এসব কিছু নিয়ে ব্যস্ত আমরা। ব্যস্ত এতটাই, যে মাঝে মাঝে মনে হয়, এই দুনিয়াটা যেন আমাদের দৌড়ের মঞ্চ, আর আমরা প্রতিযোগীর মতো দৌড়াচ্ছি।
.
আমরা কী আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছি না? হ্যাঁ, কঠিন হলেও সত্যি, আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষতির দিকটা আমরা অনেক সময় টেরই পাই না। দুনিয়ার ব্যস্ততায় ধীরে ধীরে আল্লাহ আমাদের হৃদয় থেকে সরে যাচ্ছেন। নামাজ দেরিতে পড়ি, কখনো পড়িই না; কুরআন মাসের পর মাস খুলি না; অন্তরে আল্লাহর ভয় কমে গেছে; গুনাহ এখন আর গুনাহ মনে হয় না।
.
অথচ নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের শিখিয়েছেন; “যে ব্যক্তি দুনিয়াকে তার সমস্ত চিন্তার কেন্দ্র বানায়, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, এবং তার সব কাজ বিশৃঙ্খল করে দেন। অথচ যে ব্যক্তি আখিরাতকে তার উদ্দেশ্য বানায়, আল্লাহ তার অন্তরে সম্পদপূর্ণতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সুসংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়াও তার কাছে দাস হয়ে আসে।” (তিরমিযী, হাদিস: ২৪৬৫)
.
এটি আমাদের জীবনের গাইডলাইন হওয়া উচিত। আমরা যতটা সময় ইনস্টাগ্রামে দেই, যদি ততটুকু সময়ও প্রতিদিন আল্লাহর কথা ভাবতাম, তাহলে হয়তো আমাদের আত্মা ক্ষুধার্ত হয়ে মরত না।
.
আমাদের ‘উন্নত জীবন’ মানে এখন অনেকটাই দুনিয়ার চাহিদা পূরণ—ভালো গাড়ি, বাড়ি, শিক্ষা, পোশাক, পদবী। এগুলো অবশ্যই খারাপ নয়, তবে এগুলোকে কেন্দ্র করে যদি আল্লাহ হারিয়ে যান, তবে সে উন্নয়ন আত্মা-শূন্য উন্নয়ন।
.
যখন ফজরের আজান হয়, তখন আমরা ঘুমাই; অথচ অফিসের ঘড়ি বেজে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ি। কখনো কি ভাবি, আল্লাহ আমাদেরকে কতটা ভালোবাসেন, যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ডাকেন, অথচ আমরা তাঁকে সময় দেই না?
.
আমাদের প্রতিদিনের জীবনে একটা ছোট পরিবর্তন আনলেই বড় ফল আসতে পারে: দিনের সূচনা হোক আল্লাহর নাম নিয়ে। কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতিতে আল্লাহর যিকির করি:
.
— "সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার"
— অন্তত এক আয়াত হলেও প্রতিদিন কুরআন পড়া শুরু করি।
— পরিবারের সবাই মিলে একসাথে নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ি।
— সামাজিক মাধ্যমে ইসলামিক কনটেন্টের অংশ হই।
.
“হে মুমিনগণ! আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যখন তোমাদের এমন বিষয়ের প্রতি আহ্বান করেন, যা তোমাদের জীবন দান করে, তখন তোমরা সাড়া দাও।”(সূরা আল-আনফাল, ৮:২৪)
.
এই আয়াত যেন আমাদের হৃদয়ের দরজায় কড়া নাড়ে। দুনিয়ায় আমাদের ব্যস্ততা শেষ হবে একদিন— আমরা সবাই আল্লাহর সামনে দাঁড়াব। তখন কী নিয়ে যাব আমরা?
লেখা : সংগৃহীত
.
নতুন মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন, চাকরির টার্গেট, সন্তানের ভবিষ্যৎ, বাজারের দাম, বাসার ভাড়া—প্রতিদিন আমাদের জীবনে চলতে থাকা এসব কিছু নিয়ে ব্যস্ত আমরা। ব্যস্ত এতটাই, যে মাঝে মাঝে মনে হয়, এই দুনিয়াটা যেন আমাদের দৌড়ের মঞ্চ, আর আমরা প্রতিযোগীর মতো দৌড়াচ্ছি।
.
আমরা কী আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছি না? হ্যাঁ, কঠিন হলেও সত্যি, আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষতির দিকটা আমরা অনেক সময় টেরই পাই না। দুনিয়ার ব্যস্ততায় ধীরে ধীরে আল্লাহ আমাদের হৃদয় থেকে সরে যাচ্ছেন। নামাজ দেরিতে পড়ি, কখনো পড়িই না; কুরআন মাসের পর মাস খুলি না; অন্তরে আল্লাহর ভয় কমে গেছে; গুনাহ এখন আর গুনাহ মনে হয় না।
.
অথচ নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের শিখিয়েছেন; “যে ব্যক্তি দুনিয়াকে তার সমস্ত চিন্তার কেন্দ্র বানায়, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, এবং তার সব কাজ বিশৃঙ্খল করে দেন। অথচ যে ব্যক্তি আখিরাতকে তার উদ্দেশ্য বানায়, আল্লাহ তার অন্তরে সম্পদপূর্ণতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সুসংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়াও তার কাছে দাস হয়ে আসে।” (তিরমিযী, হাদিস: ২৪৬৫)
.
এটি আমাদের জীবনের গাইডলাইন হওয়া উচিত। আমরা যতটা সময় ইনস্টাগ্রামে দেই, যদি ততটুকু সময়ও প্রতিদিন আল্লাহর কথা ভাবতাম, তাহলে হয়তো আমাদের আত্মা ক্ষুধার্ত হয়ে মরত না।
.
আমাদের ‘উন্নত জীবন’ মানে এখন অনেকটাই দুনিয়ার চাহিদা পূরণ—ভালো গাড়ি, বাড়ি, শিক্ষা, পোশাক, পদবী। এগুলো অবশ্যই খারাপ নয়, তবে এগুলোকে কেন্দ্র করে যদি আল্লাহ হারিয়ে যান, তবে সে উন্নয়ন আত্মা-শূন্য উন্নয়ন।
.
যখন ফজরের আজান হয়, তখন আমরা ঘুমাই; অথচ অফিসের ঘড়ি বেজে উঠলে সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ি। কখনো কি ভাবি, আল্লাহ আমাদেরকে কতটা ভালোবাসেন, যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ডাকেন, অথচ আমরা তাঁকে সময় দেই না?
.
আমাদের প্রতিদিনের জীবনে একটা ছোট পরিবর্তন আনলেই বড় ফল আসতে পারে: দিনের সূচনা হোক আল্লাহর নাম নিয়ে। কাজের মাঝে ছোট ছোট বিরতিতে আল্লাহর যিকির করি:
.
— "সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার"
— অন্তত এক আয়াত হলেও প্রতিদিন কুরআন পড়া শুরু করি।
— পরিবারের সবাই মিলে একসাথে নামাজ পড়ার অভ্যাস গড়ি।
— সামাজিক মাধ্যমে ইসলামিক কনটেন্টের অংশ হই।
.
“হে মুমিনগণ! আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যখন তোমাদের এমন বিষয়ের প্রতি আহ্বান করেন, যা তোমাদের জীবন দান করে, তখন তোমরা সাড়া দাও।”(সূরা আল-আনফাল, ৮:২৪)
.
এই আয়াত যেন আমাদের হৃদয়ের দরজায় কড়া নাড়ে। দুনিয়ায় আমাদের ব্যস্ততা শেষ হবে একদিন— আমরা সবাই আল্লাহর সামনে দাঁড়াব। তখন কী নিয়ে যাব আমরা?
লেখা : সংগৃহীত
🔥1
দোয়া কবুলের ১০০℅ পরীক্ষিত আমল।
প্রতি সপ্তাহে তাহাজ্জুদের সাথে দুই দিন রোজা রাখবেন (সোম+ বৃহস্পতিবার)
আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এই আমলগুলো করবেন।
সূরা আল-বাকারা (শেষ তিন আয়াত: ২৮৪–২৮৬) ৩বার
﴿لِّلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ وَإِن تُبْدُوا مَا فِي أَنفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُم بِهِ اللَّهُ ۖ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾
﴿آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ﴾
﴿لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ﴾
🌿 দরূদ শরীফ ১০০ বার
صَلَّى اللَّهُ عَلَىٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِهِ وَأَصْحَابِهِ وَسَلَّمَ
🌿 তাসবীহ ১০০ বার
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
🌿 দোয়া ১০০বার
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِن فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ
প্রতি সপ্তাহে তাহাজ্জুদের সাথে দুই দিন রোজা রাখবেন (সোম+ বৃহস্পতিবার)
আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এই আমলগুলো করবেন।
সূরা আল-বাকারা (শেষ তিন আয়াত: ২৮৪–২৮৬) ৩বার
﴿لِّلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ وَإِن تُبْدُوا مَا فِي أَنفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُم بِهِ اللَّهُ ۖ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾
﴿آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ ۚ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ﴾
﴿لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا ۚ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا ۚ أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ﴾
🌿 দরূদ শরীফ ১০০ বার
صَلَّى اللَّهُ عَلَىٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِهِ وَأَصْحَابِهِ وَسَلَّمَ
🌿 তাসবীহ ১০০ বার
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
🌿 দোয়া ১০০বার
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِن فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ
❤4
❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞ pinned «দোয়া কবুলের ১০০℅ পরীক্ষিত আমল। প্রতি সপ্তাহে তাহাজ্জুদের সাথে দুই দিন রোজা রাখবেন (সোম+ বৃহস্পতিবার) আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এই আমলগুলো করবেন। সূরা আল-বাকারা (শেষ তিন আয়াত: ২৮৪–২৮৬) ৩বার ﴿لِّلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ وَإِن تُبْدُوا…»
এক তওবাকারীকে জিজ্ঞেস করা হলো– তুমি রাতে ঘুমাও না কেন?
সে বলল– আমি আমার গুনাহ স্মরণ করি। কল্পনায় নিজেকে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো দেখি— তখন আমার হৃদয় কেঁপে ওঠে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরে, আর সেই অশ্রুতেই আমি ঘুমিয়ে পড়ি।
এক রাতে, মানুষ তাকে তার সিজদার জায়গায় পড়ে থাকতে দেখল— রুহ আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়েছিল। আর তার চোখের অশ্রু তখনও শুকায়নি…!
[আত-তওবিন, ইবন কুদামাহ; পৃ. ৪৬৭]
সে বলল– আমি আমার গুনাহ স্মরণ করি। কল্পনায় নিজেকে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো দেখি— তখন আমার হৃদয় কেঁপে ওঠে, চোখ থেকে অশ্রু ঝরে, আর সেই অশ্রুতেই আমি ঘুমিয়ে পড়ি।
এক রাতে, মানুষ তাকে তার সিজদার জায়গায় পড়ে থাকতে দেখল— রুহ আল্লাহর কাছে ফিরে গিয়েছিল। আর তার চোখের অশ্রু তখনও শুকায়নি…!
[আত-তওবিন, ইবন কুদামাহ; পৃ. ৪৬৭]
❤8
“সবচেয়ে বড় সুন্নত হইলো গুনাহ থেকে বাঁচা
তথা তাকওয়া অবলম্বন করা।”
- হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহঃ)
তথা তাকওয়া অবলম্বন করা।”
- হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহঃ)
❤5❤🔥1
নসীবকে ত্বরান্বিত করা যায় না। তা আল্লাহর নির্ধারিত সময়েই আসে, আপনার দুশ্চিন্তায় নয়। ✨ আপনার জন্য যা লেখা আছে, তা আপনার কাছে ঠিকই পৌঁছাবে, এমনকি যদি পুরো পৃথিবীও মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। 🌍 তাই তাঁর উপর ভরসা রাখুন, আপনার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করুন এবং নিজের মানকে উন্নত রাখুন। 🧡 আল্লাহ আপনার জন্য যা লিখে রেখেছেন, তা অপেক্ষার যোগ্য। ⏳
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
❤7🔥1
এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহার আমল-
এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহা (পাঠ করে ফুঁ দেওয়া) সেই ব্যক্তির জন্য অভিনন্দন, যে এটিকে তার দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করেছে। এটি আপনার জীবনে আপনার আত্মার মাঝে এক মহান ও অভাবনীয় প্রশান্তি যোগ করবে।
সূরা আল-ফাতিহা সকল কঠিন কাজকে সহজ করে দেয়। আল্লাহর ইচ্ছায় এটি প্রতিটি সমস্যার সমাধান; হোক সেটি স্বামীর সাথে কোনো সমস্যা কিংবা সন্তানদের নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা। এমনকি স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।
এই আমলটি কীভাবে করবেন?
এক গ্লাস পরিষ্কার পানযোগ্য পানি নিন। পূর্ণ মনোযোগ ও বিশ্বাসের সাথে সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করুন (আপনি ১, ৩ বা ৭ বার পাঠ করতে পারেন)।
পানিতে হালকা ফুঁ দিন এবং সেটি পান করুন। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের সদস্যদেরও এই পানি পান করাতে পারেন।
> Raqi Tarek Jamil
এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহা (পাঠ করে ফুঁ দেওয়া) সেই ব্যক্তির জন্য অভিনন্দন, যে এটিকে তার দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করেছে। এটি আপনার জীবনে আপনার আত্মার মাঝে এক মহান ও অভাবনীয় প্রশান্তি যোগ করবে।
সূরা আল-ফাতিহা সকল কঠিন কাজকে সহজ করে দেয়। আল্লাহর ইচ্ছায় এটি প্রতিটি সমস্যার সমাধান; হোক সেটি স্বামীর সাথে কোনো সমস্যা কিংবা সন্তানদের নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা। এমনকি স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।
এই আমলটি কীভাবে করবেন?
এক গ্লাস পরিষ্কার পানযোগ্য পানি নিন। পূর্ণ মনোযোগ ও বিশ্বাসের সাথে সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করুন (আপনি ১, ৩ বা ৭ বার পাঠ করতে পারেন)।
পানিতে হালকা ফুঁ দিন এবং সেটি পান করুন। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের সদস্যদেরও এই পানি পান করাতে পারেন।
> Raqi Tarek Jamil
❤🔥2❤1
নফসকে নিয়ন্ত্রণের চারটি মূলনীতি রয়েছে:
১. মুশারতা (مشارطہ)
নিজের নফসের সাথে “শর্ত” করা আমি গুনাহ করব না।
২. মুরাকাবা (مراقبہ)
নির্জনে বসে চিন্তা করা আমি কোনো “গুনাহ” করেছি কি না।
৩. মুহাসাবা (محاسبہ)
নিজের “হিসাব নেওয়া” কতগুলো গুনাহ করেছি এবং কতগুলো নেক আমল করেছি।
৪. মুআখাযা (مؤاخذہ)
নফস সারাদিন যে “অবাধ্যতা” করেছে, তার জন্য তাকে “শাস্তি” দেওয়া।
আর সেই শাস্তি হলো নিজের উপর “ইবাদতের” বোঝা চাপিয়ে দেওয়া।
ইসলামী খুতবা: শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকি উসমানী দাঃবাঃ ।
ভাষান্তর জাবের কাসেমী
১. মুশারতা (مشارطہ)
নিজের নফসের সাথে “শর্ত” করা আমি গুনাহ করব না।
২. মুরাকাবা (مراقبہ)
নির্জনে বসে চিন্তা করা আমি কোনো “গুনাহ” করেছি কি না।
৩. মুহাসাবা (محاسبہ)
নিজের “হিসাব নেওয়া” কতগুলো গুনাহ করেছি এবং কতগুলো নেক আমল করেছি।
৪. মুআখাযা (مؤاخذہ)
নফস সারাদিন যে “অবাধ্যতা” করেছে, তার জন্য তাকে “শাস্তি” দেওয়া।
আর সেই শাস্তি হলো নিজের উপর “ইবাদতের” বোঝা চাপিয়ে দেওয়া।
ইসলামী খুতবা: শাইখুল ইসলাম আল্লামা তাকি উসমানী দাঃবাঃ ।
ভাষান্তর জাবের কাসেমী
❤🔥2❤1
প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সা. কি দোআ করতেন?
.
■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন,
اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ
নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪
■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন,
اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به
আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮
.
■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়!
প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।
✍️ - মাসিক আল কাউসার
.
■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন,
اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ
নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪
■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন,
اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به
আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮
.
■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়!
প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।
✍️ - মাসিক আল কাউসার
❤2❤🔥2
"যে আল্লাহ তাআলার তাকওয়া অবলম্বন করে আল্লাহ তাকে হেফাজত করেন এবং তাকে অপরের হাতে ছেড়ে দেন না। আল্লাহ তাআলা বলেন,
.
وَإِنْ تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئاً
.
'আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কিছু ক্ষতি করবে না।'[১]
.
আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনু আব্বাসকে [রা.] বলেছিলেন,
احفظ الله يحفظك
.
'তুমি আল্লাহর আদেশ নিষেধের হেফাজত কর, তিনি তোমাকে হেফাজত করবেন।[২]"[৩]
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১২০;
২) ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২৫১৬, ইমাম তিরমিযীর মতে হাদিসটি হাসান সহীহ;
৩) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আত তাফসিরুল কাইয়্যিম, পৃ: ৬৪৮]
.
وَإِنْ تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئاً
.
'আর যদি তোমরা ধৈর্য ধর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কিছু ক্ষতি করবে না।'[১]
.
আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনু আব্বাসকে [রা.] বলেছিলেন,
احفظ الله يحفظك
.
'তুমি আল্লাহর আদেশ নিষেধের হেফাজত কর, তিনি তোমাকে হেফাজত করবেন।[২]"[৩]
.
~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.]
.
[১) সূরা আলে ইমরান: ১২০;
২) ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২৫১৬, ইমাম তিরমিযীর মতে হাদিসটি হাসান সহীহ;
৩) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আত তাফসিরুল কাইয়্যিম, পৃ: ৬৪৮]
❤3