রমাদ্বান এসে গেছে। আমরা সবকিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনের ডামাডোলে রমাদ্বানকে কতটুকু স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। যাদের নামাজের ব্যাপারে যত্ন নেই তারা কি নামাজকে নিয়ে ভাবছি?
সাবিত আল বুনানী রহ. বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইরকে নামাজে দাঁড়াতে দেখেছি। যেন একটা কাঠের টুকরোর মত নিশ্চল। স্থির। সাহাবায়ে আজমায়ীনের নামাজ ছিলো এমন। পাখি এসে মাথার উপর বসত গাছ মনে করে।
আল্লাহ তায়ালা পাঁচটা জিনিসের উপর ইসলামকে স্থির করেছেন। কালিমা আমরা পড়ে ঈমান আনি। এরপর অসুস্থা থাকলে রোযাও মাফ। টাকা পয়সা না থাকলে হজ্ব-যাকাতও মাফ। বাকী থাকে শুধু নামাজটাই। এইটাও যদি রমাদ্বানে ঠিক করে না ফেলি জীবনে আর মুসলমান বলার মত পরিচিতি আর আছে কী!
এবারের রমাদ্বান হোক নামাজকে আপন করার!
সাবিত আল বুনানী রহ. বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইরকে নামাজে দাঁড়াতে দেখেছি। যেন একটা কাঠের টুকরোর মত নিশ্চল। স্থির। সাহাবায়ে আজমায়ীনের নামাজ ছিলো এমন। পাখি এসে মাথার উপর বসত গাছ মনে করে।
আল্লাহ তায়ালা পাঁচটা জিনিসের উপর ইসলামকে স্থির করেছেন। কালিমা আমরা পড়ে ঈমান আনি। এরপর অসুস্থা থাকলে রোযাও মাফ। টাকা পয়সা না থাকলে হজ্ব-যাকাতও মাফ। বাকী থাকে শুধু নামাজটাই। এইটাও যদি রমাদ্বানে ঠিক করে না ফেলি জীবনে আর মুসলমান বলার মত পরিচিতি আর আছে কী!
এবারের রমাদ্বান হোক নামাজকে আপন করার!
❤5
আমাদের রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিকটতম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, ‘কে আছো যে আমার কাছে দোয়া করবে, আমি তার দোয়া কবুল করব?
কে আছো যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দেব?
কে আছো যে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
তাহাজ্জুদ আসলে শুধু নামাজ নয়, এটা আল্লাহর সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ।
এটা ইবাদতের নান্দনিকতা—নীরব রাত, সেজদায় অশ্রু, আর একান্ত কথোপকথন।
রমজানের প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ কত সহজ! সেহরির জন্য তো এমনিতেই উঠা হয়। সেই সময় আপনার কান্না, আপনার অপ্রকাশিত দুঃখ, বুকের গভীরের ভার—সবচেয়ে নিরাপদ ঠিকানা হলো আল্লাহর দরবার।
আজ রাতেই চেষ্টা করুন:
২ রাকাত দিয়ে শুরু করুন
তাহাজ্জুদ পড়ে দোয়া করুন
দোয়ায় কাঁদতে পারলে কাঁদুন, না পারলে কাঁদার চেষ্টা করুন
হয়তো সত্যিই—
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় দরজা খুলে যাবে আজ রাতেই।
আল্লাহ আমাদেরকে তাহাজ্জুদের মিষ্টতা দান করুন। আমিন।
- শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.
কালেক্টেড
কে আছো যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দেব?
কে আছো যে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
তাহাজ্জুদ আসলে শুধু নামাজ নয়, এটা আল্লাহর সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ।
এটা ইবাদতের নান্দনিকতা—নীরব রাত, সেজদায় অশ্রু, আর একান্ত কথোপকথন।
রমজানের প্রতি রাতে তাহাজ্জুদ কত সহজ! সেহরির জন্য তো এমনিতেই উঠা হয়। সেই সময় আপনার কান্না, আপনার অপ্রকাশিত দুঃখ, বুকের গভীরের ভার—সবচেয়ে নিরাপদ ঠিকানা হলো আল্লাহর দরবার।
আজ রাতেই চেষ্টা করুন:
২ রাকাত দিয়ে শুরু করুন
তাহাজ্জুদ পড়ে দোয়া করুন
দোয়ায় কাঁদতে পারলে কাঁদুন, না পারলে কাঁদার চেষ্টা করুন
হয়তো সত্যিই—
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় দরজা খুলে যাবে আজ রাতেই।
আল্লাহ আমাদেরকে তাহাজ্জুদের মিষ্টতা দান করুন। আমিন।
- শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.
কালেক্টেড
❤3
রামাযানে গুনাহ করতে ইচ্ছে হলে এই কল্পনা করবে-
আল্লাহ যদি জিজ্ঞেস করেন, আমি তোমার জন্য শয়*তানকে পর্যন্ত বেঁধে রাখলাম! সামান্য চেষ্টা করলেই গুনাহের থেকে বাঁচতে পারতে। আমার সন্তুষ্টির জন্য এই সামান্য চেষ্টাটুকু করতে পারো নি?? আমার হুকুম তোমার কাছে এতটাই তুচ্ছ ছিল??
কী জওয়াব দিবে??
~ মুফতি আবু সালেহ মুহাম্মাদুল্লাহ (হাফি:)
আল্লাহ যদি জিজ্ঞেস করেন, আমি তোমার জন্য শয়*তানকে পর্যন্ত বেঁধে রাখলাম! সামান্য চেষ্টা করলেই গুনাহের থেকে বাঁচতে পারতে। আমার সন্তুষ্টির জন্য এই সামান্য চেষ্টাটুকু করতে পারো নি?? আমার হুকুম তোমার কাছে এতটাই তুচ্ছ ছিল??
কী জওয়াব দিবে??
~ মুফতি আবু সালেহ মুহাম্মাদুল্লাহ (হাফি:)
❤4
৩০ দিন রোজা রাখার পর, যদি জানতে পারেন - আপনার একটা রোজাও কবুল হয়নি, কেমন লাগবে তখন?
>বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে!
>বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে!
❤2
রমাদানের একটা বিশেষ আমল হল “ইস্তিগফার”।
ইস্তিগফারের ২০ টি উপকারিতা আছেঃ-
১) আল্লাহ তায়ালার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।
২) রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় আমল।
৩) গুনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ার মাধ্যম।
৪) জান্নাত লাভের মাধ্যম।
৫) অন্তরের অন্ধকার দূর করে।
৬) এর দ্বারা আত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়।
৭) আল্লাহ তা'য়ালার রহমত নাজিল হয়।
৮) কবরের সর্বোত্তম প্রতিবেশী।
৯) এর দ্বারা সবরকম শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ হয়।
১০) হালাল রিজক বৃদ্ধি হওয়ার বিশাল আমল।
১১) নফসকে দুশ্চিন্তা, পেরেশানি, হতাশা, অবৈধ যৌনক্ষুধা, কুমন্ত্রণা গুনাহের আবর্জনা থেকে পবিত্র করে।
১২) নেক সন্তান লাভের মাধ্যম।
১৩) সর্বরোগের চিকিৎসা।
১৪) এর দ্বারা দুনিয়ায় মানুষের সর্বোত্তম জীবন লাভ হয়।
১৫) এটা গ্রহণযোগ্য আমলের নিরাপত্তা।
১৬) এর দ্বারা বিপদাপদ দূর হয়।
১৭) এর বরকতে মানুষের নিজস্ব আসল মর্যাদা এবং ফজিলত লাভ হয়।
১৮) উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ হয়।
১৯) অন্তর চক্ষু খুলে যায়।
২০) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল - আল্লাহ তা'য়ালার সাথে বান্দার সম্পর্ক ঠিক হয়।
[ ইলা মাগফিরাহঃ পৃষ্ঠা ৩২২,৩২৩ ]
ইস্তিগফারের ২০ টি উপকারিতা আছেঃ-
১) আল্লাহ তায়ালার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।
২) রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় আমল।
৩) গুনাহ থেকে ক্ষমা পাওয়ার মাধ্যম।
৪) জান্নাত লাভের মাধ্যম।
৫) অন্তরের অন্ধকার দূর করে।
৬) এর দ্বারা আত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়।
৭) আল্লাহ তা'য়ালার রহমত নাজিল হয়।
৮) কবরের সর্বোত্তম প্রতিবেশী।
৯) এর দ্বারা সবরকম শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক শক্তি লাভ হয়।
১০) হালাল রিজক বৃদ্ধি হওয়ার বিশাল আমল।
১১) নফসকে দুশ্চিন্তা, পেরেশানি, হতাশা, অবৈধ যৌনক্ষুধা, কুমন্ত্রণা গুনাহের আবর্জনা থেকে পবিত্র করে।
১২) নেক সন্তান লাভের মাধ্যম।
১৩) সর্বরোগের চিকিৎসা।
১৪) এর দ্বারা দুনিয়ায় মানুষের সর্বোত্তম জীবন লাভ হয়।
১৫) এটা গ্রহণযোগ্য আমলের নিরাপত্তা।
১৬) এর দ্বারা বিপদাপদ দূর হয়।
১৭) এর বরকতে মানুষের নিজস্ব আসল মর্যাদা এবং ফজিলত লাভ হয়।
১৮) উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ হয়।
১৯) অন্তর চক্ষু খুলে যায়।
২০) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল - আল্লাহ তা'য়ালার সাথে বান্দার সম্পর্ক ঠিক হয়।
[ ইলা মাগফিরাহঃ পৃষ্ঠা ৩২২,৩২৩ ]
❤7
একটা সিক্রেট ঘটনা বলি। অনেকসময় আমরা দেখি কেউ মারা যাওয়ার আগে অনেক ভালো ভালো কাজ করতে থাকে। এমন অনেক ইশারা দিতে থাকে মৃত্যুর যেগুলো আমরা শুনে বুঝি না। কিন্তু তার মৃত্যুর পর আমরা বুঝি। আরে! সে তো আগেই জানতো সে মারা যাচ্ছে!
আমরা শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর তার বায়োতে দেখেছিলাম সেখানে লেখা: 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবার শহীদ হাদিকে দেখতাম শাহাদাতের আগে এমনসব কথা বলছেন যেন তিনি তার মৃত্যু হবে আগেই জানতেন। আবার অনেকেই দেখা যায় মৃত্যুর আগে গুনাহ আরো বেশি শুরু করে দেয়। এমনকি সে গুনাহের উপর মারা যায়। কিন্তু এগুলো কি কাকতালীয় নাকি আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে আগেই ইশারা দেন? এনিয়ে সুন্দর একটা হাদিস আছে। সেই হাদিসটাই আজকের সিক্রেট ঘটনা।
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
إن الله إذا أراد بعبده خيرا قيض له ملكا قبل موته بعام فسدده ويسره حتى يموت وهو خير ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من الجنة فجعل يتهوع نفسه ود أنها خرجت، فعند ذلك أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه، وإذا أراد بعبد سوءا قيض له شيطانا قبل موته بعام فصده وأضله وفتنه حتى يموت شر ما كان، ويقول الناس مات فلان وهو شر ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من النار جعل يتبلع نفسه ود أنه لا يخرج، فعند ذلك كره لقاء الله وكره الله لقاءه
আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। সেই ফেরেশতা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তার জন্য নেক আমল করা সহজ করে দেয়। এমনকি সে তার জীবনের সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে জান্নাতে তার প্রতিদান দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন বের হয়ে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তার রূহ দ্রুত বের হয়ে যাক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালোবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালোবাসেন।
আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একটা শয়তানকে তার উপর নিয়োজিত করে দেন। সে তাকে সত্য পথ থেকে ফিরিয়ে দেয়। গোমরাহ করে এবং বিভ্রান্তিতে ফেলে রাখে। এমনকি সে জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। মানুষ বলতে থাকে: অমুক ব্যক্তি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মারা গেছে। যখন মৃত্যুর সময় আসে এবং সে জাহান্নামে তার শাস্তি দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন ভিতরে ঢুকে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তা বের না হোক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন। [মুসান্নাফে আবি শায়বা]
আপনি কোনটা চান? আল্লাহর সাক্ষাৎ পাওয়ার অসীম কামনা নাকি শয়তানের সাথে দোস্তি?
মালিক! তোমার দীদার আমাদের নসীব করো।
—Ammarul Hoque Hafi.
আমরা শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর তার বায়োতে দেখেছিলাম সেখানে লেখা: 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবার শহীদ হাদিকে দেখতাম শাহাদাতের আগে এমনসব কথা বলছেন যেন তিনি তার মৃত্যু হবে আগেই জানতেন। আবার অনেকেই দেখা যায় মৃত্যুর আগে গুনাহ আরো বেশি শুরু করে দেয়। এমনকি সে গুনাহের উপর মারা যায়। কিন্তু এগুলো কি কাকতালীয় নাকি আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে আগেই ইশারা দেন? এনিয়ে সুন্দর একটা হাদিস আছে। সেই হাদিসটাই আজকের সিক্রেট ঘটনা।
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
إن الله إذا أراد بعبده خيرا قيض له ملكا قبل موته بعام فسدده ويسره حتى يموت وهو خير ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من الجنة فجعل يتهوع نفسه ود أنها خرجت، فعند ذلك أحب لقاء الله فأحب الله لقاءه، وإذا أراد بعبد سوءا قيض له شيطانا قبل موته بعام فصده وأضله وفتنه حتى يموت شر ما كان، ويقول الناس مات فلان وهو شر ما كان، فإذا حضر فرأى ثوابه من النار جعل يتبلع نفسه ود أنه لا يخرج، فعند ذلك كره لقاء الله وكره الله لقاءه
আল্লাহ যখন কোনো বান্দার কল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন। সেই ফেরেশতা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। তার জন্য নেক আমল করা সহজ করে দেয়। এমনকি সে তার জীবনের সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে জান্নাতে তার প্রতিদান দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন বের হয়ে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তার রূহ দ্রুত বের হয়ে যাক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে ভালোবাসে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে ভালোবাসেন।
আর আল্লাহ যখন কোনো বান্দার অকল্যাণ চান তখন তার মৃত্যুর এক বছর আগে একটা শয়তানকে তার উপর নিয়োজিত করে দেন। সে তাকে সত্য পথ থেকে ফিরিয়ে দেয়। গোমরাহ করে এবং বিভ্রান্তিতে ফেলে রাখে। এমনকি সে জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। মানুষ বলতে থাকে: অমুক ব্যক্তি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মারা গেছে। যখন মৃত্যুর সময় আসে এবং সে জাহান্নামে তার শাস্তি দেখতে পায় তখন তার প্রাণ যেন ভিতরে ঢুকে যেতে চায়। সে কামনা করে যে তা বের না হোক। তখন সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে আর আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন। [মুসান্নাফে আবি শায়বা]
আপনি কোনটা চান? আল্লাহর সাক্ষাৎ পাওয়ার অসীম কামনা নাকি শয়তানের সাথে দোস্তি?
মালিক! তোমার দীদার আমাদের নসীব করো।
—Ammarul Hoque Hafi.
❤7
“যে ব্যক্তি কুরআন তেলাওয়াত মন দিয়ে শুনে, সে তেলাওয়াতকারীর সাওয়াবে অংশীদার হয়ে যায়। অর্থাৎ তেলাওয়াতকারির মতো সেও প্রতিটি হরফের বিনিময়ে সমান সাওয়াব পেতে থাকে। আর হরফ-প্রতি সাওয়াব দশ গুণ।”
— শায়খ বিন বায (রহি.)
[সূত্র : ফাতাওয়া নূর আলা দারব, ২৬/৩৫০]
— শায়খ বিন বায (রহি.)
[সূত্র : ফাতাওয়া নূর আলা দারব, ২৬/৩৫০]
❤6
সাহরি আমাদের শেখায়, আমরা ফজরের নামাজের জন্য উঠতে পারি।
তারাবিহ আমাদের শেখায়, আমরা রাতভর নামাজ পড়তে পারি।
রোজা আমাদের শেখায়, আমরা আমাদের ইচ্ছা ও লোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
রমজান কেবল আমাদের ঈমানের সাময়িক বৃদ্ধি নয়; এটি শেখায়—আমরা প্রতিদিনই এগুলো করতে সক্ষম।
তাই, জীবনকে রমজান মনে করে বাঁচো, তবে আখেরাত হবে ঈদের মতো আনন্দের।
- মাহমুদ বিন নূর
তারাবিহ আমাদের শেখায়, আমরা রাতভর নামাজ পড়তে পারি।
রোজা আমাদের শেখায়, আমরা আমাদের ইচ্ছা ও লোভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
রমজান কেবল আমাদের ঈমানের সাময়িক বৃদ্ধি নয়; এটি শেখায়—আমরা প্রতিদিনই এগুলো করতে সক্ষম।
তাই, জীবনকে রমজান মনে করে বাঁচো, তবে আখেরাত হবে ঈদের মতো আনন্দের।
- মাহমুদ বিন নূর
❤7👍1
একবার এক সাহাবী রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন:
ইয়া রাসূলাল্লাহ! কেউ একজন গুনাহ করল। এখন কী হবে?
আল্লাহর রাসূল বললেন: يكتب عليه - তার গুনাহ লিখে রাখা হবে।
এরপর সে আবার বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে এরপর তাওবা করে ফেলল আর ইস্তিগফারও করল। এখন কী হবে?
হুযুর বললেন: يُغْفَرُ له ويتابُ عليه - তাকে মাফ করে দেয়া হবে তার তাওবাও কবুল করা হবে।
সাহাবীর মনের মধ্যে এখনো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি ভাবছেন: আচ্ছা! গুনাহ তো মাফ হলো। তাওবাও কবুল হলো। আবার যদি গুনাহ করে তাহলে কী হবে? মনের মাঝে প্রশ্ন এসেছে আর নবী আলাইহিস সালামও তো বিরক্ত হবেন না। যাই! জিজ্ঞেস করেই আসি। তিনি আবার বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে যদি আবার গুনাহ করে। এখন?
আল্লাহর নবী তো! তিনি তো জানেন কী উত্তর দিতে হবে। বললেন: হ্যাঁ! তার গুনাহ আবার লেখা হবে।
সাহাবী ভাবলেন: গুনাহ যদি আবার লেখা হয় তাহলে তো আবার তাওবা ইস্তিগফার করতে হবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: হুযুর! সে আবার তাওবা করল এবং আবারো গুনাহ মাফ চাইলে কি আল্লাহ মাফ করবেন?
এবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উত্তরটা দিলেন তা শোনার সাথে সাথে আপনার মুখ দিয়ে বের হবে 'ওয়াহ'। আল্লাহ তায়ালা এত দয়ালু!
হুযুর এবার বললেন:
يُغْفَرُ له ويتابُ عليه ويثاب على توبته ولا يمَلُّ اللهُ حتَّى تمَلُّوا
তাকে মাফ করে দেয়া হবে। তার তাওবা কবুল করা হবে। তার তাওবার কারণে তাকে সাওয়াবও দেয়া হবে। এখানেই শেষ নয়। তোমরা ক্ষমা চাইতে চাইতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারো কিন্তু আল্লাহু আযযা ওয়াজাল্লাহ মাফ করতে করতে ক্লান্ত হবেন না। [তাবারানী]
এজন্যই তো বলেছেন সেই মালিক:
اِلَّا مَنۡ تَابَ وَ اٰمَنَ وَ عَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰٓئِكَ یُبَدِّلُ اللّٰهُ سَیِّاٰتِهِمۡ حَسَنٰتٍ ؕ
তবে যে তাওবা করে ও ঈমান আনে এবং নেক আমল করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের গুনাহগুলো সাওয়াবে পরিবর্তন করে দেবেন।
ভাবা যায়! আমরা কেমন মালিকের গোলাম। যে মালিক তার বান্দাকে কাছে টেনে নিতে যেন সবসময় প্রস্তুত হয়েই আছেন। কিন্তু বান্দা তো যায় না। আমরা ভাবি বা অনেকসময় বলেও ফেলি: আল্লাহ তো আমার অকল্যাণই চায় তাইলে আমি মাফ চেয়ে কী হবে? আরে! আপনি গুনাহকে তো গুনাহই মনে করেন না। গুনাহ যদি মনে করতেন তবে আপনি মালিকের দরবারে লুটোপুটি করে কাঁদতেন। আর আপনার মালিকের রহমে জোয়ার এসে যেত।
এজন্যই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إنَّ المؤمنَ يرَى ذنوبَه كأنه في أصلِ جبلٍ يخافُ أنْ يقعَ عليه وإنَّ الفاجرَ يرَى ذنوبَه كذبابٍ وقع على أنفِه قال به هكذا ، فطار .
নিশ্চয়ই মুমিনের কোনো গুনাহ হয়ে গেলে সে তার গুনাহকে এমনভাবে দেখে যেন সে পাহাড়ের গোড়ায় বসে আছে এবং ভয় পাচ্ছে এই বুঝি পাহাড়টা তার উপর ধ্বসে পড়ল বলে! আর পাপাচারী যখন গুনাহ করে সে তার গুনাহকে দেখে যেন একটা মাছি তার নাকে এসে বসল আর সে 'হুশ' করে তাড়িয়ে দিলো। আর মাছিটা উড়ে গেলো। [তিরমিযী]
গুনাহ করার পর যদি আপনার অস্বস্তি না লাগে। আপনার মনে ভয় না ধরে। তাহলে আপনি কীভাবে আশা করেন যে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তাওবা নসীব করবেন। ইস্তিগফারের তাওফিক দেবেন। আপনি তো গুনাহকে মাছির মত হালকা মনে করেন আর নিজের গুনাহের ব্যাপারে বাহানা দেয়া শুরু করেন। এটাই তো আল্লাহ তায়াল বলেছেন:
بل الإنسان على نفسه بصيرة ولو ألقى معاذيرة
মানুষ নিজের ব্যাপারে খুব ভালোমতই জানে। যদিও সে নানা বাহানা দিতে থাকে।
এবার আপনিই ঠিক করুন আপনি কোন কাতারে থাকবেন। আল্লাহর কাছে ভেঙে পড়া মুমিনের কাতারে নাকি সেই মুনাফিকের কাতারে যে কিনা কোনোদিন মালিকের কাছে ফিরে আসে না আবার অভিযোগ করে কেন তাকে মালিক মাফ করলো না। বলুন!
ইয়া রাসূলাল্লাহ! কেউ একজন গুনাহ করল। এখন কী হবে?
আল্লাহর রাসূল বললেন: يكتب عليه - তার গুনাহ লিখে রাখা হবে।
এরপর সে আবার বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে এরপর তাওবা করে ফেলল আর ইস্তিগফারও করল। এখন কী হবে?
হুযুর বললেন: يُغْفَرُ له ويتابُ عليه - তাকে মাফ করে দেয়া হবে তার তাওবাও কবুল করা হবে।
সাহাবীর মনের মধ্যে এখনো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি ভাবছেন: আচ্ছা! গুনাহ তো মাফ হলো। তাওবাও কবুল হলো। আবার যদি গুনাহ করে তাহলে কী হবে? মনের মাঝে প্রশ্ন এসেছে আর নবী আলাইহিস সালামও তো বিরক্ত হবেন না। যাই! জিজ্ঞেস করেই আসি। তিনি আবার বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে যদি আবার গুনাহ করে। এখন?
আল্লাহর নবী তো! তিনি তো জানেন কী উত্তর দিতে হবে। বললেন: হ্যাঁ! তার গুনাহ আবার লেখা হবে।
সাহাবী ভাবলেন: গুনাহ যদি আবার লেখা হয় তাহলে তো আবার তাওবা ইস্তিগফার করতে হবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: হুযুর! সে আবার তাওবা করল এবং আবারো গুনাহ মাফ চাইলে কি আল্লাহ মাফ করবেন?
এবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উত্তরটা দিলেন তা শোনার সাথে সাথে আপনার মুখ দিয়ে বের হবে 'ওয়াহ'। আল্লাহ তায়ালা এত দয়ালু!
হুযুর এবার বললেন:
يُغْفَرُ له ويتابُ عليه ويثاب على توبته ولا يمَلُّ اللهُ حتَّى تمَلُّوا
তাকে মাফ করে দেয়া হবে। তার তাওবা কবুল করা হবে। তার তাওবার কারণে তাকে সাওয়াবও দেয়া হবে। এখানেই শেষ নয়। তোমরা ক্ষমা চাইতে চাইতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারো কিন্তু আল্লাহু আযযা ওয়াজাল্লাহ মাফ করতে করতে ক্লান্ত হবেন না। [তাবারানী]
এজন্যই তো বলেছেন সেই মালিক:
اِلَّا مَنۡ تَابَ وَ اٰمَنَ وَ عَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰٓئِكَ یُبَدِّلُ اللّٰهُ سَیِّاٰتِهِمۡ حَسَنٰتٍ ؕ
তবে যে তাওবা করে ও ঈমান আনে এবং নেক আমল করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের গুনাহগুলো সাওয়াবে পরিবর্তন করে দেবেন।
ভাবা যায়! আমরা কেমন মালিকের গোলাম। যে মালিক তার বান্দাকে কাছে টেনে নিতে যেন সবসময় প্রস্তুত হয়েই আছেন। কিন্তু বান্দা তো যায় না। আমরা ভাবি বা অনেকসময় বলেও ফেলি: আল্লাহ তো আমার অকল্যাণই চায় তাইলে আমি মাফ চেয়ে কী হবে? আরে! আপনি গুনাহকে তো গুনাহই মনে করেন না। গুনাহ যদি মনে করতেন তবে আপনি মালিকের দরবারে লুটোপুটি করে কাঁদতেন। আর আপনার মালিকের রহমে জোয়ার এসে যেত।
এজন্যই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إنَّ المؤمنَ يرَى ذنوبَه كأنه في أصلِ جبلٍ يخافُ أنْ يقعَ عليه وإنَّ الفاجرَ يرَى ذنوبَه كذبابٍ وقع على أنفِه قال به هكذا ، فطار .
নিশ্চয়ই মুমিনের কোনো গুনাহ হয়ে গেলে সে তার গুনাহকে এমনভাবে দেখে যেন সে পাহাড়ের গোড়ায় বসে আছে এবং ভয় পাচ্ছে এই বুঝি পাহাড়টা তার উপর ধ্বসে পড়ল বলে! আর পাপাচারী যখন গুনাহ করে সে তার গুনাহকে দেখে যেন একটা মাছি তার নাকে এসে বসল আর সে 'হুশ' করে তাড়িয়ে দিলো। আর মাছিটা উড়ে গেলো। [তিরমিযী]
গুনাহ করার পর যদি আপনার অস্বস্তি না লাগে। আপনার মনে ভয় না ধরে। তাহলে আপনি কীভাবে আশা করেন যে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তাওবা নসীব করবেন। ইস্তিগফারের তাওফিক দেবেন। আপনি তো গুনাহকে মাছির মত হালকা মনে করেন আর নিজের গুনাহের ব্যাপারে বাহানা দেয়া শুরু করেন। এটাই তো আল্লাহ তায়াল বলেছেন:
بل الإنسان على نفسه بصيرة ولو ألقى معاذيرة
মানুষ নিজের ব্যাপারে খুব ভালোমতই জানে। যদিও সে নানা বাহানা দিতে থাকে।
এবার আপনিই ঠিক করুন আপনি কোন কাতারে থাকবেন। আল্লাহর কাছে ভেঙে পড়া মুমিনের কাতারে নাকি সেই মুনাফিকের কাতারে যে কিনা কোনোদিন মালিকের কাছে ফিরে আসে না আবার অভিযোগ করে কেন তাকে মালিক মাফ করলো না। বলুন!
❤4
আবুল জাওযা আর রাবি' রহিমাহুল্লাহ বলেন,
" মু না ফি কের জন্য বড় পাথর সরানো থেকেও কুরআন পাঠ কঠিনতর।"
[ হিলইয়াতুল আউলিয়া - ৩/৮০ ]
" মু না ফি কের জন্য বড় পাথর সরানো থেকেও কুরআন পাঠ কঠিনতর।"
[ হিলইয়াতুল আউলিয়া - ৩/৮০ ]
😢1
দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমলঃ
বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান এবং মহানবী ﷺ-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
বিয়ে করা শুধু মহানবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর সুন্নাহই নয়; বরং তা অন্যান্য নবীগণেরও সুন্নাহ। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلاً مِنْ قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجاً وَذُرِّيَّةً
আমি আপনার পূর্বে অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি। (সূরা রাদ : ৩৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: "নিশ্চয়ই আমি নারীদের বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে, সে আমার (উম্মাহর) অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(সহিহ বুখারী : ৫০৬৩;
সহিহ মুসলিম : ১৪০১)
দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমলঃ
(প্রতিদিন ফজর এবং মাগরীবের ফরয সালাতের পর পড়বেন)
দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর রহমত নাযিল করুন।
كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি রহমত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর বরকত দিন।
كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি বরকত দিয়েছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
(বুখারী : ৩৩৭০)
• সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
আয়াতের অর্থঃ
হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
কখন, কোন পরিস্থিতিতে মূসা (আঃ) এই দু'আ করেছিলেন তা বুঝতে সূরা কাসাস এর (১৫-২৪) নাম্বার আয়াত পড়তে পারেন এখান থেকে– লিংক প্রথম কমেন্টে
• সূরা তাওবাহ্ ১২৯ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
حَسْبِيَ اللّٰهُ ﻵ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
আয়াতের অর্থঃ
আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই । আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা’আরশের রব।
ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু'আ (৭ বার)
اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي
"আল্লহুম্মা খিরলী ওয়াখ তারলী।"
(আরবি পড়া উত্তম, বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
আয়াতের অর্থঃ
হে আল্লাহ্! আমার জন্য যেটা মঙ্গল সে দিকে আমাকে চালিত করুন।
(সুনান তিরমিযী : ৩৫১৬;
সুনান ইবনু মাজাহ্ : ১৫৫৭)
দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
- মুফতি আরিফুল ইসলাম উস্তায কর্তৃক আমলকৃত এবং বর্ণনাকৃত (ইরানের একজন শায়েখ থেকে সংগৃহীত)
.
এই আমলটি করার পর এক গ্লাস পানি নিন। তাতে নিয়্যাত সহ সাত বার করে সূরা ফাতিহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা ইখলাস, সূরা কাফিরুন এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে ফুঁ দিন। প্রতিবার সূরা পড়ার পর একবার করে পানিতে ফুঁ দিবেন। এরপর এই পড়া পানিটুকু নিয়্যাত অনুযায়ী পান করবেন।
নিয়্যাতঃ বিয়ের উপর থাকা সকল বাঁধা অথবা যাদু, নজর, হাসাদ ও জ্বীনকে ধ্বংস করা।
• দ্রুত বিয়ের আমল হিসেবে শায়খ আতিক উল্লাহ হুজুরের লিখাটি নিচে সংযুক্ত করে দেওয়া হলো–
১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
২. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
৩. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও যেন দোয়াবিহীন না যায়।
৪. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।
৫. অনেক সময় জাদু-সিহর করে বিয়ে আটকে রাখা হয়। এজন্য রুকইয়া করা।
৬. নিয়মিত সদকা করা।
রেজওয়ান আলম ভাই
বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান এবং মহানবী ﷺ-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
বিয়ে করা শুধু মহানবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর সুন্নাহই নয়; বরং তা অন্যান্য নবীগণেরও সুন্নাহ। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلاً مِنْ قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجاً وَذُرِّيَّةً
আমি আপনার পূর্বে অনেক রাসূল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি। (সূরা রাদ : ৩৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: "নিশ্চয়ই আমি নারীদের বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে, সে আমার (উম্মাহর) অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(সহিহ বুখারী : ৫০৬৩;
সহিহ মুসলিম : ১৪০১)
দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমলঃ
(প্রতিদিন ফজর এবং মাগরীবের ফরয সালাতের পর পড়বেন)
দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর রহমত নাযিল করুন।
كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি রহমত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর বরকত দিন।
كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি বরকত দিয়েছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
(বুখারী : ৩৩৭০)
• সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
আয়াতের অর্থঃ
হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
কখন, কোন পরিস্থিতিতে মূসা (আঃ) এই দু'আ করেছিলেন তা বুঝতে সূরা কাসাস এর (১৫-২৪) নাম্বার আয়াত পড়তে পারেন এখান থেকে– লিংক প্রথম কমেন্টে
• সূরা তাওবাহ্ ১২৯ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
حَسْبِيَ اللّٰهُ ﻵ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
আয়াতের অর্থঃ
আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই । আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা’আরশের রব।
ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু'আ (৭ বার)
اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي
"আল্লহুম্মা খিরলী ওয়াখ তারলী।"
(আরবি পড়া উত্তম, বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)
আয়াতের অর্থঃ
হে আল্লাহ্! আমার জন্য যেটা মঙ্গল সে দিকে আমাকে চালিত করুন।
(সুনান তিরমিযী : ৩৫১৬;
সুনান ইবনু মাজাহ্ : ১৫৫৭)
দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
- মুফতি আরিফুল ইসলাম উস্তায কর্তৃক আমলকৃত এবং বর্ণনাকৃত (ইরানের একজন শায়েখ থেকে সংগৃহীত)
.
এই আমলটি করার পর এক গ্লাস পানি নিন। তাতে নিয়্যাত সহ সাত বার করে সূরা ফাতিহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা ইখলাস, সূরা কাফিরুন এবং আয়াতুল কুরসী পড়ে ফুঁ দিন। প্রতিবার সূরা পড়ার পর একবার করে পানিতে ফুঁ দিবেন। এরপর এই পড়া পানিটুকু নিয়্যাত অনুযায়ী পান করবেন।
নিয়্যাতঃ বিয়ের উপর থাকা সকল বাঁধা অথবা যাদু, নজর, হাসাদ ও জ্বীনকে ধ্বংস করা।
• দ্রুত বিয়ের আমল হিসেবে শায়খ আতিক উল্লাহ হুজুরের লিখাটি নিচে সংযুক্ত করে দেওয়া হলো–
১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
২. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
৩. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও যেন দোয়াবিহীন না যায়।
৪. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।
৫. অনেক সময় জাদু-সিহর করে বিয়ে আটকে রাখা হয়। এজন্য রুকইয়া করা।
৬. নিয়মিত সদকা করা।
রেজওয়ান আলম ভাই
❤7
পুরুষ চাঁদ টুকরোর মতো অপরূপা এক নারীকে বিয়ে করে মনে করতে পারে, সে এক মহান বিজয় এভারেস্ট জয়/অর্জন করেছে। কিন্তু মাস দুয়েকের মধ্যেই সেই রূপ চেনা হয়ে যায়, যার সৌন্দর্যে একসময় সে মুগ্ধ ছিল, তা ধীরে ধীরে তার কাছে ম্লান হয়ে যায়।
কিন্তু যে নারী সত্যিকার অর্থে ধর্মপরায়ণা, তার সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না। তার দ্বীনের সৌন্দর্য প্রতিদিন নতুনভাবে ঝলমল করে, আর তার বরকত ছড়িয়ে পড়ে স্বামীর হৃদয়ে, ঘরের শান্তিতে, সন্তানদের আচার-আচরণে।
তাই, ধর্মপরায়ণা নারীকেই আপন করে নাওয়া—এটাই হবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
রব্ব আমাদের বুঝার তাওফিক দিক। আমীন!
#জীবন_ও_নারী
কিন্তু যে নারী সত্যিকার অর্থে ধর্মপরায়ণা, তার সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না। তার দ্বীনের সৌন্দর্য প্রতিদিন নতুনভাবে ঝলমল করে, আর তার বরকত ছড়িয়ে পড়ে স্বামীর হৃদয়ে, ঘরের শান্তিতে, সন্তানদের আচার-আচরণে।
তাই, ধর্মপরায়ণা নারীকেই আপন করে নাওয়া—এটাই হবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
রব্ব আমাদের বুঝার তাওফিক দিক। আমীন!
#জীবন_ও_নারী
❤11
যিকির বৃদ্ধি করুন।
ইমাম আয-যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: রমযানে একবার “সুবহানাল্লাহ” বলা অন্য মাসে এক হাজারবার তাসবীহ বলার চেয়েও উত্তম।
.
(মাওসু‘আহ ইবন আবি দুনইয়া ৮৫৯৩)
ইমাম আয-যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: রমযানে একবার “সুবহানাল্লাহ” বলা অন্য মাসে এক হাজারবার তাসবীহ বলার চেয়েও উত্তম।
.
(মাওসু‘আহ ইবন আবি দুনইয়া ৮৫৯৩)
❤4
রমজান মাস, ইবাদতের মাস। দোয়া কবুলের মাস। আপনার সমস্যা, অসুখ, বিপদ আপদ, সবকিছু আপনার রব আল্লাহর কাছে বলুন।
রমজান মাসে প্রতিদিন প্রতিরাতে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় চাইতে থাকুন। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, আল্লাহর হুকুমের কাছে সেটা খুবই সামান্য ব্যাপার। তাই চাইতে থাকুন।
শেষ দশ দিনে চেষ্টা করুন ইতেকাফ করতে, রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে, বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার করে দোয়া করতে। জোড় বেজোড় সব রাতেই দোয়া করতে থাকুন।
হাদীসে আছে, প্রতি রাতেই দোয়া কবুলের একটা মুহূর্ত আছে, ওই সময় মানুষ দোয়া করলে আল্লাহ দিয়ে দেয়।
নিজের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি অন্য মুসলিম ভাইদের জন্য, এই জমিনে ইসলাম দায়েম-কায়েম হওয়ার জন্যও দোয়া করুন। দোয়ার আগে পরে দরুদ, ইস্তেগফার, হামদ ও সানা পড়ুন (কমেন্টে দোয়ার আদবের বিস্তারিত থাকবে।)
দোয়া কবুল হয় তিনভাবে, কিছু বিষয়ে চাওয়ার পর আল্লাহ তায়াল নগদে দিয়ে দেন, কিছু বিষয়ে দেরিতে দেন (এমনকি কয়েক বছর পরও দিতে পারে আরও উত্তমভাবে), আর কিছু বিষয় আল্লাহ দুনিয়াতে দেন না বরং আখিরাতে এর বদলে অনেক অনেক বেশি প্রতিদান দেন, গুনাহ মাফ করেন বা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই দোয়া করলে লস নাই।
--
এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদতের পাশাপাশি দোয়া করেছে, আর আল্লাহ তাআলা সারাবছর তাদেরকে একেরপর এক নিয়ামত দিয়ে ভরে রেখেছেন, একেরপর এক প্রয়োজন পুরা করে দিয়েছেন। এত সহজে যা পূরণ হওয়া তাদের চিন্তারও অতীত ছিল...
- আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
রমজান মাসে প্রতিদিন প্রতিরাতে আপনার প্রয়োজনীয় বিষয় চাইতে থাকুন। আপনার কাছে যেটা অসম্ভব মনে হচ্ছে, আল্লাহর হুকুমের কাছে সেটা খুবই সামান্য ব্যাপার। তাই চাইতে থাকুন।
শেষ দশ দিনে চেষ্টা করুন ইতেকাফ করতে, রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে, বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার করে দোয়া করতে। জোড় বেজোড় সব রাতেই দোয়া করতে থাকুন।
হাদীসে আছে, প্রতি রাতেই দোয়া কবুলের একটা মুহূর্ত আছে, ওই সময় মানুষ দোয়া করলে আল্লাহ দিয়ে দেয়।
নিজের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি অন্য মুসলিম ভাইদের জন্য, এই জমিনে ইসলাম দায়েম-কায়েম হওয়ার জন্যও দোয়া করুন। দোয়ার আগে পরে দরুদ, ইস্তেগফার, হামদ ও সানা পড়ুন (কমেন্টে দোয়ার আদবের বিস্তারিত থাকবে।)
দোয়া কবুল হয় তিনভাবে, কিছু বিষয়ে চাওয়ার পর আল্লাহ তায়াল নগদে দিয়ে দেন, কিছু বিষয়ে দেরিতে দেন (এমনকি কয়েক বছর পরও দিতে পারে আরও উত্তমভাবে), আর কিছু বিষয় আল্লাহ দুনিয়াতে দেন না বরং আখিরাতে এর বদলে অনেক অনেক বেশি প্রতিদান দেন, গুনাহ মাফ করেন বা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তাই দোয়া করলে লস নাই।
--
এমন অসংখ্য মানুষ আছে, যারা রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদতের পাশাপাশি দোয়া করেছে, আর আল্লাহ তাআলা সারাবছর তাদেরকে একেরপর এক নিয়ামত দিয়ে ভরে রেখেছেন, একেরপর এক প্রয়োজন পুরা করে দিয়েছেন। এত সহজে যা পূরণ হওয়া তাদের চিন্তারও অতীত ছিল...
- আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
❤1
লাইলাতুল ক্বদর চেনার উপায় :
০১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
০২. নাতিশীতোষ্ণ হবে।
(অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।)
০৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত থাকবে।
০৪. কোন ইমানদার ব্যক্তির স্বপ্নে আল্লাহ হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারে।
০৫. অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে মানুষ সে রাতে ইবাদত করে।
০৬. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যদ্বয় হবে, যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো।
০৭. লাইলাতুল ক্বদরের রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
[ সহীহ মুসলিম : ৭৬২ ]
০১. রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।
০২. নাতিশীতোষ্ণ হবে।
(অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।)
০৩. মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত থাকবে।
০৪. কোন ইমানদার ব্যক্তির স্বপ্নে আল্লাহ হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারে।
০৫. অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে মানুষ সে রাতে ইবাদত করে।
০৬. সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যদ্বয় হবে, যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মতো।
০৭. লাইলাতুল ক্বদরের রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।
[ সহীহ মুসলিম : ৭৬২ ]
❤2
যদি লাইলাতুল কদরের তালাশকৃত বিজোড় রাতটি জুম’আর রাতের মাঝে পড়ে যায়, তাহলে অন্যান্য বিজোড় রাতের তুলনায় এই রাতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়।
— ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহি.)
[সূত্র : লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব, পৃ.২০৩]
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
— ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।
— ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহি.)
[সূত্র : লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব, পৃ.২০৩]
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যদি কদরের রাত পেয়ে যাই তবে কী দু'আ পড়বো? তিঁনি বলেন, তুমি বলবে—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
— ইবনে মাজাহ : ৩৮৫০, সুনান আত-তিরমিজি : ৩৫১৩।
❤3
আজ ২৮ রমজান…
কত দ্রুত চলে গেল এই বরকতময় দিনগুলো! মনে হয় সেদিনই তো শুরু হয়েছিল—প্রথম সাহরি, প্রথম রোজা, প্রথম তারাবীহ। আর আজ… বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে প্রিয় রমজান।
রমজান মাস ছিল যেন ২৯/৩০ পৃষ্ঠার চেকবই। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটি দিন—প্রতিটি দিন এক একটি স্বর্ণালী সুযোগ।
চেকবইয়ের প্রায় সব পৃষ্ঠাই পূর্ণ হয়ে গেছে—শেষের দু/একটি এখনো আমাদের হাতে।
এই চেকবইয়ের কত পৃষ্ঠা আমরা পূর্ণ করেছি?
কতগুলো পৃষ্ঠা হয়তো অবহেলায় ফাঁকা রেখে দিয়েছি…
কতগুলো পৃষ্ঠায় হয়তো ছোট অংক লিখেছি—যেখানে বড় কিছু লেখার সুযোগ ছিল!
আজ ২৮ রমজান—এটা শুধু একটি দিন নয়, এটা যেন শেষ সুযোগের আহ্বান।
শেষ পাতাগুলোয় কী লিখব আমরা?
আজও তো দরজা খোলা…
আজও তো রহমত নাযিল হচ্ছে…
আজও তো সেই মহান রব অপেক্ষা করছেন—
কোনো বান্দা ফিরে আসবে কি না!
হয়তো আজ রাতই হতে পারে লাইলাতুল কদর…
হয়তো এই রাতেই আমাদের তাকদীর লেখা হবে নতুন করে…
আজ শেষ পৃষ্ঠা…
এটা যেন ফাঁকা না থাকে!
আসুন—
আজকের দিনটিকে আমরা ভরে তুলি তাওবা দিয়ে,
ভরে তুলি ইস্তিগফার দিয়ে,
ভরে তুলি কুরআনের তিলাওয়াত দিয়ে,
ভরে তুলি দো‘আর অশ্রু দিয়ে।
হয়তো এটাই আমাদের জীবনের শেষ রমজান…
হয়তো আগামী বছর আমরা আর এই চেকবই হাতে পাব না…
তাই আজ—শেষ সুযোগটুকু হাতছাড়া না করি।
হে আল্লাহ!
আমাদের অপূর্ণতাকে আপনি পূর্ণ করে দিন,
আমাদের অল্প আমলকে আপনি কবুল করে নিন,
আমাদের এই রমজানকে নাজাতের সনদ বানিয়ে দিন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
কত দ্রুত চলে গেল এই বরকতময় দিনগুলো! মনে হয় সেদিনই তো শুরু হয়েছিল—প্রথম সাহরি, প্রথম রোজা, প্রথম তারাবীহ। আর আজ… বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে প্রিয় রমজান।
রমজান মাস ছিল যেন ২৯/৩০ পৃষ্ঠার চেকবই। প্রতিটি পৃষ্ঠা একটি দিন—প্রতিটি দিন এক একটি স্বর্ণালী সুযোগ।
চেকবইয়ের প্রায় সব পৃষ্ঠাই পূর্ণ হয়ে গেছে—শেষের দু/একটি এখনো আমাদের হাতে।
এই চেকবইয়ের কত পৃষ্ঠা আমরা পূর্ণ করেছি?
কতগুলো পৃষ্ঠা হয়তো অবহেলায় ফাঁকা রেখে দিয়েছি…
কতগুলো পৃষ্ঠায় হয়তো ছোট অংক লিখেছি—যেখানে বড় কিছু লেখার সুযোগ ছিল!
আজ ২৮ রমজান—এটা শুধু একটি দিন নয়, এটা যেন শেষ সুযোগের আহ্বান।
শেষ পাতাগুলোয় কী লিখব আমরা?
আজও তো দরজা খোলা…
আজও তো রহমত নাযিল হচ্ছে…
আজও তো সেই মহান রব অপেক্ষা করছেন—
কোনো বান্দা ফিরে আসবে কি না!
হয়তো আজ রাতই হতে পারে লাইলাতুল কদর…
হয়তো এই রাতেই আমাদের তাকদীর লেখা হবে নতুন করে…
আজ শেষ পৃষ্ঠা…
এটা যেন ফাঁকা না থাকে!
আসুন—
আজকের দিনটিকে আমরা ভরে তুলি তাওবা দিয়ে,
ভরে তুলি ইস্তিগফার দিয়ে,
ভরে তুলি কুরআনের তিলাওয়াত দিয়ে,
ভরে তুলি দো‘আর অশ্রু দিয়ে।
হয়তো এটাই আমাদের জীবনের শেষ রমজান…
হয়তো আগামী বছর আমরা আর এই চেকবই হাতে পাব না…
তাই আজ—শেষ সুযোগটুকু হাতছাড়া না করি।
হে আল্লাহ!
আমাদের অপূর্ণতাকে আপনি পূর্ণ করে দিন,
আমাদের অল্প আমলকে আপনি কবুল করে নিন,
আমাদের এই রমজানকে নাজাতের সনদ বানিয়ে দিন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।
❤1
রমাদান এখনও শেষ হয়ে যায়নি। এই ২ ঘণ্টাও জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাধ্যম হতে পারে। সময়টা অবহেলা না করি।
#Selfreminder
#Selfreminder
👍6
“অতিরিক্ত কথা বলা- মস্তিষ্কের বিচক্ষণতা কমিয়ে দেয়, মস্তিষ্ককে দুর্বল করে ফেলে এবং দ্রুত বার্ধক্য ডেকে আনে।”
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : যাদুল মা’আদ, পৃ. ৪/৩৭৬]
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : যাদুল মা’আদ, পৃ. ৪/৩৭৬]
👍6😢1