ঘুমের মিষ্টি আহ্বান আর শ'য়তানের প্ররোচনাকে জয় করে, মুমিন যখন ফজরের সালাতে দাঁড়ায়— তখন সেটিই হয়ে ওঠে তার স্বীয় নফস এবং শয়তানের বিরুদ্ধে দিনের প্রথম বিজয়!
লেখা : মাহমুদুল হাছান
লেখা : মাহমুদুল হাছান
❤8🔥3👍2
মুসলমান — কোনো জাতিগত পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক পরিচয় না।
এটা দ্বীনের উপর ঈমান আনয়ন করেছে এমন লোকদের পরিচয়। একসাথে তাওহীদের সম্পর্ক। বাকিগুলো বাই প্রোডাক্ট।
মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করতে গিয়ে তাওহীদের এই ভিত্তিতে ইগনোর করলে আখেরে ঈমান নিয়ে টানাটানি না লাগে!
এটা দ্বীনের উপর ঈমান আনয়ন করেছে এমন লোকদের পরিচয়। একসাথে তাওহীদের সম্পর্ক। বাকিগুলো বাই প্রোডাক্ট।
মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করতে গিয়ে তাওহীদের এই ভিত্তিতে ইগনোর করলে আখেরে ঈমান নিয়ে টানাটানি না লাগে!
🔥3
প্রশ্ন:
আমার জীবনে অলসতাবশত অনেক নামায ছুটে গেছে। এজন্য আমি অনুতপ্ত ও লজ্জিত এবং আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা-ইস্তেগফার করছি।
জানার বিষয় হল, আমি কি প্রত্যেক নামাযের আগে-পরে কাযা নামাযগুলো পড়তে পারব? যদি পারা যায় সেক্ষেত্রে আসর ও ফজরের নামাযের পরও কি পারব?
উত্তর:
হাঁ, যে কোনো ফরয নামাযেরই আগে-পরে কাযা নামায পড়তে পারবেন। এমনকি আসর ও ফজরের নামাযের পরও কাযা নামায পড়া যাবে। ফজর ও আসর নামাযের পর ওই ওয়াক্তের ভেতর নফল নামায পড়া মাকরূহ। কিন্তু তখন কাযা পড়া জায়েয আছে। তাতে সমস্যা নেই।
কাযা নামায কেবল তিন সময় পড়া নিষেধ–
১. সূর্যোদয়ের সময় থেকে সূর্য কিছুটা ওপরে ওঠা পর্যন্ত।
২. সূর্য যখন লালবর্ণ ও নিস্তেজ হয়ে যায় তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. ঠিক মধ্যাহ্নের সময়।
এই তিন সময় ছাড়া দিন-রাতের অন্য যে কোনো সময় কাযা নামায পড়া যায়।
তবে উল্লেখ্য যে, কাযা নামায যথাসম্ভব মানুষের অগোচরে পড়াই ভালো। বিশেষত আসর ও ফজরের নামাযের পর। কেননা তখন প্রকাশ্যে নামায পড়লে মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে।
* كتاب >الأصل< للشيباني ১/১২৬-১২৭ : قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكرها بعدما صلى الفجر قبل أن تطلع الشمس، أو ذكرها بعدما صلى العصر قبل أن تتغير الشمس؟
قال: عليه أن يقضيها ساعة ذكرها. ...
قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكره حين طلعت الشمس أو حين انتصف النهار، أو ذكرها حين تغيب الشمس؟ قال: لا يصليها في هذه الساعات الثلاث.
قلت: وكذلك لو كانت الصلاة هي الوتر أو المكتوبة أو غيرها؟ قال: نعم، لا يصلي في هذه الثلاث ساعات ما خلا العصر، فإنه إذا ذكر العصر من يومه ذلك قبل غروب الشمس، صلاها.
–খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৬৮; তুহফাতুল ফুকাহা ১/১০৬; আলহাবিল কুদসী ১/১৫১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৫২; আলবাহরুর রায়েক ১/২৫৩; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৭৫; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৬৯
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
(আপনি যা জানতে চেয়েছেন অংশ হতে)
আমার জীবনে অলসতাবশত অনেক নামায ছুটে গেছে। এজন্য আমি অনুতপ্ত ও লজ্জিত এবং আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা-ইস্তেগফার করছি।
জানার বিষয় হল, আমি কি প্রত্যেক নামাযের আগে-পরে কাযা নামাযগুলো পড়তে পারব? যদি পারা যায় সেক্ষেত্রে আসর ও ফজরের নামাযের পরও কি পারব?
উত্তর:
হাঁ, যে কোনো ফরয নামাযেরই আগে-পরে কাযা নামায পড়তে পারবেন। এমনকি আসর ও ফজরের নামাযের পরও কাযা নামায পড়া যাবে। ফজর ও আসর নামাযের পর ওই ওয়াক্তের ভেতর নফল নামায পড়া মাকরূহ। কিন্তু তখন কাযা পড়া জায়েয আছে। তাতে সমস্যা নেই।
কাযা নামায কেবল তিন সময় পড়া নিষেধ–
১. সূর্যোদয়ের সময় থেকে সূর্য কিছুটা ওপরে ওঠা পর্যন্ত।
২. সূর্য যখন লালবর্ণ ও নিস্তেজ হয়ে যায় তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. ঠিক মধ্যাহ্নের সময়।
এই তিন সময় ছাড়া দিন-রাতের অন্য যে কোনো সময় কাযা নামায পড়া যায়।
তবে উল্লেখ্য যে, কাযা নামায যথাসম্ভব মানুষের অগোচরে পড়াই ভালো। বিশেষত আসর ও ফজরের নামাযের পর। কেননা তখন প্রকাশ্যে নামায পড়লে মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে।
* كتاب >الأصل< للشيباني ১/১২৬-১২৭ : قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكرها بعدما صلى الفجر قبل أن تطلع الشمس، أو ذكرها بعدما صلى العصر قبل أن تتغير الشمس؟
قال: عليه أن يقضيها ساعة ذكرها. ...
قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكره حين طلعت الشمس أو حين انتصف النهار، أو ذكرها حين تغيب الشمس؟ قال: لا يصليها في هذه الساعات الثلاث.
قلت: وكذلك لو كانت الصلاة هي الوتر أو المكتوبة أو غيرها؟ قال: نعم، لا يصلي في هذه الثلاث ساعات ما خلا العصر، فإنه إذا ذكر العصر من يومه ذلك قبل غروب الشمس، صلاها.
–খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৬৮; তুহফাতুল ফুকাহা ১/১০৬; আলহাবিল কুদসী ১/১৫১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৫২; আলবাহরুর রায়েক ১/২৫৩; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৭৫; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৬৯
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
(আপনি যা জানতে চেয়েছেন অংশ হতে)
❤🔥5
যখন ই নিজের ঈমান কমজোর মনে হবে এবং জীবনে বিভিন্ন পেরেশানি চারদিক থেকে চেপে ধরবে দুটি আমল কখনো ছাড়বেন না:
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
সম্ভব হলে হাজারবার পড়ার চেষ্টা করুন।
--- ত হা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
সম্ভব হলে হাজারবার পড়ার চেষ্টা করুন।
--- ত হা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
💯6👍4
শহীদরা মৃত নয়—তারা ইতিহাসের বুকেই বেঁচে থাকে,
আর একটি রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে তাদের রক্তের উপর।
— সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহ।
আর একটি রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে তাদের রক্তের উপর।
— সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহ।
👍10
রজব মাসের করণীয় ও বর্জনীয়
---------------------------------------------
কুরআনে কারীমে যে চারটি মাসকে আল্লাহ পাক বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন, তন্মধ্যে রজব মাস অন্যতম। (সূরা তাওবা ৩৬)
আয়াতটির ব্যাখ্যায় অনেক মুফাসসির বলেছেন, জুলুম ও গুনাহের কাজ সবসময় অপরাধ হলেও উক্ত চার মাস তথা রজব, জিলকাদ, জিলহজ ও মুহাররম এ তা আরো মস্তবড়। তদ্রূপ এ চার মাসে নেক-আমলের প্রতিদানও অনেক বেশি। (দেখুন আয়াতটির ব্যাখ্যায়, তাফসীরে কাবীর, কুরতুবী, ইবনে কাসীর, রুহুল মা’আনী এবং মোল্লা আলী কারী রাহ. রচিত আল-আদব ফী রজব, পৃ. ২৫)
প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. (মৃত্যু ৮৫২ হি.) ‘তাবয়ীনুল আজব’ রিসালায় লিখেন,
لم يرد في فضل شهر رجب، ولا في صيامه، ولا في صيام شيء منه معين، ولا في قيام ليلة مخصوصة فيه حديث صحيح يصلح للحجة.
‘রজব মাসের ফযীলত ও রোযা অথবা এ মাসের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখে রোযা কিংবা বিশেষ কোনো রাত্রি উদযাপন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোন হাদীস বর্ণিত হয় নি।’ (তাবয়ীনুল আজব বিমা ওরাদা ফী ফাযলি রজব, পৃ. ১১)
সুতরাং নির্ভরযোগ্য হাদীসে রজব মাস অথবা এর কোনো দিন বা রাতের কোনো ফযীলত নেই।
#️⃣ কমেন্টে দেয়া আছে পুরো লেখা টা।
---------------------------------------------
কুরআনে কারীমে যে চারটি মাসকে আল্লাহ পাক বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন, তন্মধ্যে রজব মাস অন্যতম। (সূরা তাওবা ৩৬)
আয়াতটির ব্যাখ্যায় অনেক মুফাসসির বলেছেন, জুলুম ও গুনাহের কাজ সবসময় অপরাধ হলেও উক্ত চার মাস তথা রজব, জিলকাদ, জিলহজ ও মুহাররম এ তা আরো মস্তবড়। তদ্রূপ এ চার মাসে নেক-আমলের প্রতিদানও অনেক বেশি। (দেখুন আয়াতটির ব্যাখ্যায়, তাফসীরে কাবীর, কুরতুবী, ইবনে কাসীর, রুহুল মা’আনী এবং মোল্লা আলী কারী রাহ. রচিত আল-আদব ফী রজব, পৃ. ২৫)
প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. (মৃত্যু ৮৫২ হি.) ‘তাবয়ীনুল আজব’ রিসালায় লিখেন,
لم يرد في فضل شهر رجب، ولا في صيامه، ولا في صيام شيء منه معين، ولا في قيام ليلة مخصوصة فيه حديث صحيح يصلح للحجة.
‘রজব মাসের ফযীলত ও রোযা অথবা এ মাসের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখে রোযা কিংবা বিশেষ কোনো রাত্রি উদযাপন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোন হাদীস বর্ণিত হয় নি।’ (তাবয়ীনুল আজব বিমা ওরাদা ফী ফাযলি রজব, পৃ. ১১)
সুতরাং নির্ভরযোগ্য হাদীসে রজব মাস অথবা এর কোনো দিন বা রাতের কোনো ফযীলত নেই।
#️⃣ কমেন্টে দেয়া আছে পুরো লেখা টা।
❤1
“একজন স্বামীর জন্য নেককার স্ত্রীর দৃষ্টান্ত হলো এমন, যেমন রাজার মাথায় স্বর্ণখচিত মুকুট। আর নেককার স্বামীর কাছে একজন বদকার স্ত্রীর দৃষ্টান্ত হলো এমন, যেমন বৃদ্ধের কাঁধে ভারী বোঝা।”
~আব্দুর-রাহমান ইবনে আবযা (রহ.)
সূত্র: [মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ৩/৫৫৯]
~আব্দুর-রাহমান ইবনে আবযা (রহ.)
সূত্র: [মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ৩/৫৫৯]
❤2
গণত|ন্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রকাশ্যে খু*নের বিচারের জন্যও আন্দোলন করতে হয়।
ইয়েস এটাই গণ'তন্ত্রের সৌন্দর্য।
ইয়েস এটাই গণ'তন্ত্রের সৌন্দর্য।
😭5🔥1
২০২৫ সালের প্রায় ১২ মাস শেষ, নতুন বছর চলে এসেছে, মির্জা গালিব ঠিকই বলেছিলেন, জীবন বড়ই বিচিত্র, সন্ধ্যা কাটেনা অথচ দিব্যি বছর কেটে যাচ্ছে!
😢1😭1
মিসওয়াক বলতে আমরা বুঝি, দাঁত পরিষ্কার করার জন্য গাছের ডাল ব্যবহার করা। আরবদেশে সাধারণত দাঁত পরিষ্কার ‘আরাক’ নামক গাছের ডাল দিয়ে করা হতো। তবে মিসওয়াক হিসেবে পিলু, নিম, জায়তুন, জাতীয় তেঁতো গাছের নরম ডালও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
মিসওয়াক করা রাসূল (সা.) এর দৈনন্দিন সুন্নাহ্ সমূহের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু বর্তমানে আমাদের মাঝে এই সুন্নাতটি তেমন পালন করতে দেখা যায় না।
রাসূল (সা.) তাঁর অসংখ্য হাদিসে মিসওয়াকের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। যেমন-
'আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম তাহলে তাদেরকে প্রতি ওয়াক্ত সালাতের আগে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।' (বুখারী : ৮৮৭, মুসলিম : ২৫২)
আয়িশাহ্ (রা.)-কে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, রাসূল (সা.) যখন গৃহে প্রবেশ করতেন তখন কোন কাজটি সর্বপ্রথম করতেন? তিনি বলেন, মিসওয়াক করতেন। (মুসলিম : ৪৯৮)।
ইসলামিক স্কলাররা দিনের বিভিন্ন সময়ে মেসওয়াক করার কথা বলেছেন। তবে অধিকাংশের মতে যেসব সময় উত্তম-
- ঘুম থেকে ওঠার পরপর (বুখারি ও মুসিলম)
- ওজু করার সময় কুলি করার আগে (মুসলিম)
- কোনো মজলিশে যাওয়ার আগে
- কুরআন ও হাদিস পড়ার আগে (মুস্তাহাব)
মিসওয়াকের মাধ্যমে শুধু সওয়াব লাভ হয় তাই না, মনীষীগণ বলেছেন- এর ফলে স্মরণশক্তি বারে ও ইবাদতে বাড়তি শক্তি পাওয়া যায়। আর মিসওয়াক না করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু মুখ না, পুরো শরীর।
বর্তমান গবেষকরা বলেন, যেহেতু প্রায় ৮০ শতাংশ রোগ পাকস্থলী ও দাঁতের সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই নিয়মিত মিসওয়াক না করলে বহু রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন:
১. খাবারের ছোট-ছোট কণা দাঁতের ফাঁকে জমতে থাকে, যা সাধারণত কুলি করার দ্বারা দূর হয় না। ফলে দুর্গন্ধ, বদহজম ও বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনা বাড়ে।
২. মুখ দীর্ঘদিন অপরিষ্কার থাকলে মাড়ি ও চোয়ালে পুঁজ সৃষ্টি হয়। এর সাথে মস্তিষ্কের নানা রোগ ও হার্টের ঝিল্লিতে পুঁজ (pericardial pus) এরও সম্পর্ক আছে।
৩. প্যাথলজিস্টদের মতে, সর্দি ও কাশির জন্য মিসওয়াক প্রতিষেধকের কাজ করে। যার কফ আটকে গেছে, সে যদি মিসওয়াক করে তবে ওই কফ ভেতর থেকে বের হতে শুরু করে। নিয়মিত মিসওয়াক ব্যবহার করলে টনসিলের রোগও কম হয়।
৪. দাঁত আক্রান্ত হলে চোখও আক্রান্ত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে।
৫. দাঁত ও মাড়ির সমস্যার কারণে কানের প্রদাহ, পুঁজ ও ব্যথা হতে পারে। নিয়মিত তাজা মিসওয়াক করা হলে কানও ভালো থাকে।
অনেকে টুথব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার করাকে মিসওয়াক এর সমতুল্য মনে করে। অথচ এটি পুরোপুরি সঠিক না।
বিভিন্ন পরীক্ষা ও অভিজ্ঞা থেকে এ কথা প্রমাণিত, যে টুথব্রাশ বারবার ব্যবহার করা হয় তারমধ্যে জীবাণু জমা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পরিষ্কার করলেও জীবাণু ধ্বংস হয় না। এছাড়া ব্রাশ এর ব্যবহারে দাঁতের ওপরের সাদা আবরণ উঠে যায় মাড়ির মাঝের ফাঁকও বেড়ে যায় এবং মাড়ির স্থান ছুটে যেতে থাকে।
তাছাড়া বর্তমানে যেসব টুথপেস্ট ব্যবহার করা হয় এতে ক্ষতিকর নানা কেমিক্যাল থাকে যা দাঁত সাময়িক উজ্জ্বল করলেও দীর্ঘমেয়াদে নানা ক্ষতি করে। এজন্য ডেন্টিস্টরাই দিনে দুবারের বেশি ব্যবহার করতে নিষেধ করেন।
পক্ষান্তরে মিসওয়াকে যে ভেষজ পদার্থ থাকে তা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত।
তাছাড়া আমাদের মুখে এমন কিছু জীবাণু সৃষ্টি হয়, যা প্রচলিত ব্রাশ এবং পেস্ট দ্বারাও দূর হয় না। সেগুলোকে শুধুমাত্র মিসওয়াকের মাধ্যমেই ধ্বংস করা যেতে পারে।
সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলেছে যে, ডেন্টাল স্বাস্থ্য বিধির ক্ষেত্রে মিসওয়াক ব্যবহার খুবই উপযোগী। বর্তমানে পশ্চিমেও 'অর্গানিক টুথব্রাশ' হিসেবে মিসওয়াকের খ্যাতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো এই মিসওয়াক গ্লোবাল ট্রেন্ডেও পরিণত হবে!
এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, সেই ট্রেন্ডের জন্য অপেক্ষা করবেন, নাকি আজ থেকেই সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত সুন্নাহ ট্রেন্ড ফলো করা শুরু করবেন!
©Nashita Wellness
মিসওয়াক করা রাসূল (সা.) এর দৈনন্দিন সুন্নাহ্ সমূহের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু বর্তমানে আমাদের মাঝে এই সুন্নাতটি তেমন পালন করতে দেখা যায় না।
রাসূল (সা.) তাঁর অসংখ্য হাদিসে মিসওয়াকের প্রতি উৎসাহ প্রদান করেছেন। যেমন-
'আমি যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম তাহলে তাদেরকে প্রতি ওয়াক্ত সালাতের আগে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।' (বুখারী : ৮৮৭, মুসলিম : ২৫২)
আয়িশাহ্ (রা.)-কে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, রাসূল (সা.) যখন গৃহে প্রবেশ করতেন তখন কোন কাজটি সর্বপ্রথম করতেন? তিনি বলেন, মিসওয়াক করতেন। (মুসলিম : ৪৯৮)।
ইসলামিক স্কলাররা দিনের বিভিন্ন সময়ে মেসওয়াক করার কথা বলেছেন। তবে অধিকাংশের মতে যেসব সময় উত্তম-
- ঘুম থেকে ওঠার পরপর (বুখারি ও মুসিলম)
- ওজু করার সময় কুলি করার আগে (মুসলিম)
- কোনো মজলিশে যাওয়ার আগে
- কুরআন ও হাদিস পড়ার আগে (মুস্তাহাব)
মিসওয়াকের মাধ্যমে শুধু সওয়াব লাভ হয় তাই না, মনীষীগণ বলেছেন- এর ফলে স্মরণশক্তি বারে ও ইবাদতে বাড়তি শক্তি পাওয়া যায়। আর মিসওয়াক না করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু মুখ না, পুরো শরীর।
বর্তমান গবেষকরা বলেন, যেহেতু প্রায় ৮০ শতাংশ রোগ পাকস্থলী ও দাঁতের সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তাই নিয়মিত মিসওয়াক না করলে বহু রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন:
১. খাবারের ছোট-ছোট কণা দাঁতের ফাঁকে জমতে থাকে, যা সাধারণত কুলি করার দ্বারা দূর হয় না। ফলে দুর্গন্ধ, বদহজম ও বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনা বাড়ে।
২. মুখ দীর্ঘদিন অপরিষ্কার থাকলে মাড়ি ও চোয়ালে পুঁজ সৃষ্টি হয়। এর সাথে মস্তিষ্কের নানা রোগ ও হার্টের ঝিল্লিতে পুঁজ (pericardial pus) এরও সম্পর্ক আছে।
৩. প্যাথলজিস্টদের মতে, সর্দি ও কাশির জন্য মিসওয়াক প্রতিষেধকের কাজ করে। যার কফ আটকে গেছে, সে যদি মিসওয়াক করে তবে ওই কফ ভেতর থেকে বের হতে শুরু করে। নিয়মিত মিসওয়াক ব্যবহার করলে টনসিলের রোগও কম হয়।
৪. দাঁত আক্রান্ত হলে চোখও আক্রান্ত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে।
৫. দাঁত ও মাড়ির সমস্যার কারণে কানের প্রদাহ, পুঁজ ও ব্যথা হতে পারে। নিয়মিত তাজা মিসওয়াক করা হলে কানও ভালো থাকে।
অনেকে টুথব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার করাকে মিসওয়াক এর সমতুল্য মনে করে। অথচ এটি পুরোপুরি সঠিক না।
বিভিন্ন পরীক্ষা ও অভিজ্ঞা থেকে এ কথা প্রমাণিত, যে টুথব্রাশ বারবার ব্যবহার করা হয় তারমধ্যে জীবাণু জমা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পরিষ্কার করলেও জীবাণু ধ্বংস হয় না। এছাড়া ব্রাশ এর ব্যবহারে দাঁতের ওপরের সাদা আবরণ উঠে যায় মাড়ির মাঝের ফাঁকও বেড়ে যায় এবং মাড়ির স্থান ছুটে যেতে থাকে।
তাছাড়া বর্তমানে যেসব টুথপেস্ট ব্যবহার করা হয় এতে ক্ষতিকর নানা কেমিক্যাল থাকে যা দাঁত সাময়িক উজ্জ্বল করলেও দীর্ঘমেয়াদে নানা ক্ষতি করে। এজন্য ডেন্টিস্টরাই দিনে দুবারের বেশি ব্যবহার করতে নিষেধ করেন।
পক্ষান্তরে মিসওয়াকে যে ভেষজ পদার্থ থাকে তা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত।
তাছাড়া আমাদের মুখে এমন কিছু জীবাণু সৃষ্টি হয়, যা প্রচলিত ব্রাশ এবং পেস্ট দ্বারাও দূর হয় না। সেগুলোকে শুধুমাত্র মিসওয়াকের মাধ্যমেই ধ্বংস করা যেতে পারে।
সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলেছে যে, ডেন্টাল স্বাস্থ্য বিধির ক্ষেত্রে মিসওয়াক ব্যবহার খুবই উপযোগী। বর্তমানে পশ্চিমেও 'অর্গানিক টুথব্রাশ' হিসেবে মিসওয়াকের খ্যাতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো এই মিসওয়াক গ্লোবাল ট্রেন্ডেও পরিণত হবে!
এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, সেই ট্রেন্ডের জন্য অপেক্ষা করবেন, নাকি আজ থেকেই সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত সুন্নাহ ট্রেন্ড ফলো করা শুরু করবেন!
©Nashita Wellness
❤6
১১:৫৭ বাজলো, ঠিক ১২ টায় আতশবাজি ফুটাবেন অনেকে, এটা না ফুটালে হয় না, এটা করলে পাখিদের কষ্ট হয়, এবং মানুষেরও কষ্ট হয়, শিশুদের কষ্ট হয়, মুরুব্বিদের কষ্ট হয়, কেউ কেউ মারাও যায়!
❤1
যাইদ ইবনু রুফাই রাহিমাহুল্লাহু বলেন- 'জাহান্নামের অধিবাসীরা জাহান্নামে এক যুগ রক্তাশ্রু ঝরাবে। আরেক যুগ পুঁজ ঝরাবে।
জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক তাদেরকে বলবে, 'হে দূর্ভাগার দল! দুনিয়ায় তোমরা কান্না থেকে বিমুখ ছিলে, অথচ দুনিয়া হলো কান্নার আসল জায়গা। আজ এই কষ্টের দিনে কোন সাহায্যকারী পাবে না যে, তোমাকে সাহায্য করবে?
রাবি বলেন, এরপরে তারা উচ্চ আওয়াজে ডাক দিয়ে বলবে, 'হে পিতা-মাতা, ছেলে-সন্তান ও জান্নাতের অধিবাসীগণ! আমরা তৃষ্ণার্ত হয়ে দুনিয়া ছেড়েছি।
কবর থেকে তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠে এসেছি। হাশরের দীর্ঘদিনের অবস্থান তৃষ্ণার্ত অবস্থায় অতিবাহিত করেছে। জাহান্নামেও তৃষ্ণার্ত হয়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছি। আজও আমরা তৃষ্ণার্ত, আমাদের উপর ঢেলে দাও কিছু পানি অথবা তা থেকে যা আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে জীবিকারূপে দান করেছেন। [কিন্তু তারা তা দিবে না। এবং তাদের আওয়াজই তারা শুনতে পাবে না।]
তারা এভাবে আল্লাহ তা'আলাকে চল্লিশ বছর ডাকার পরেও তিনি তাদের ডাকে সাড়া দিবেন না।
আল্লাহ তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে বলবেন,
إِنَّكُمْ مَاكِثُونَ
"তোমরা এখানেই থাকবে।”
অবশেষে তারা সকল কল্যাণ থেকে আশাহত হয়ে জাহান্নামে অবস্থান করতে থাকবে।'
#jahannam #Azab
জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক তাদেরকে বলবে, 'হে দূর্ভাগার দল! দুনিয়ায় তোমরা কান্না থেকে বিমুখ ছিলে, অথচ দুনিয়া হলো কান্নার আসল জায়গা। আজ এই কষ্টের দিনে কোন সাহায্যকারী পাবে না যে, তোমাকে সাহায্য করবে?
রাবি বলেন, এরপরে তারা উচ্চ আওয়াজে ডাক দিয়ে বলবে, 'হে পিতা-মাতা, ছেলে-সন্তান ও জান্নাতের অধিবাসীগণ! আমরা তৃষ্ণার্ত হয়ে দুনিয়া ছেড়েছি।
কবর থেকে তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠে এসেছি। হাশরের দীর্ঘদিনের অবস্থান তৃষ্ণার্ত অবস্থায় অতিবাহিত করেছে। জাহান্নামেও তৃষ্ণার্ত হয়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছি। আজও আমরা তৃষ্ণার্ত, আমাদের উপর ঢেলে দাও কিছু পানি অথবা তা থেকে যা আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে জীবিকারূপে দান করেছেন। [কিন্তু তারা তা দিবে না। এবং তাদের আওয়াজই তারা শুনতে পাবে না।]
তারা এভাবে আল্লাহ তা'আলাকে চল্লিশ বছর ডাকার পরেও তিনি তাদের ডাকে সাড়া দিবেন না।
আল্লাহ তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে বলবেন,
إِنَّكُمْ مَاكِثُونَ
"তোমরা এখানেই থাকবে।”
অবশেষে তারা সকল কল্যাণ থেকে আশাহত হয়ে জাহান্নামে অবস্থান করতে থাকবে।'
#jahannam #Azab
😢3
বিয়ে করার দ্বারা শুধু যৌনতাড়নাই নয়, বরং অন্যান্য বড় বড় গুনাহ থেকে বাঁচাও সহজ হয়ে যায়। উপকরণ হিসেবে গুনাহ থেকে পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার জন্য বিয়ে করা অত্যাবশ্যকীয়।
অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়।
-শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী
[বই : এখন যৌবন যার]
অবিবাহিত ব্যক্তি মেহনত-মুজাহাদার দ্বারা নিজেকে গুনাহমুক্ত রাখতে সক্ষম হলেও তার মন-মস্তিষ্ককে জৈবিক কল্পনা-জল্পনা থেকে মুক্ত রাখতে পারে না। এ কারণে যেকোনো সময় তার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বিবাহের পর গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে চলে না গেলেও অবশ্যই তা অনেকটাই হ্রাস পায়। মোটকথা, বিবাহের দ্বারা স্বীয় যৌনতাড়নাকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। অর্থাৎ বৈধ পন্থায় প্রয়োজন পূরণের মাধ্যমে হারাম থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়।
-শায়খ জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী
[বই : এখন যৌবন যার]
❤3
ইস্তিগফারের উপকারিতাসমূহের একটি হলো —
বেকারত্ব দূর হয়।
[নাদ্বরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূল, ২/৩০২]
বেকারত্ব দূর হয়।
[নাদ্বরতুন নাঈম ফি মাকারিমি আখলাকির রাসূল, ২/৩০২]
❤4❤🔥1
খলিফা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবীদের নিয়ে একটা মিটিংয়ে বসা।
তখন একজন বায়ু ত্যাগ করলো। অনেকেই নাকে হাত দিচ্ছে, দুর্গন্ধ লাগছে।
একপর্যায়ে খলিফা নির্দেশ দিলেন, যিনি এই কাজটি করেছেন, তিনি যেন অজু করে আসেন (একটু পরেই তো নামাজ)।
তখন আরেকজন সাহাবী অন্য পরামর্শ দিলেন। তাঁর নাম জারির ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তিনি বললেন, আমরা এক কাজ করি। সবাই মিলেই অজু করতে যাই। কারণ, যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি একা উঠে গেলে তার অস্বস্তি হবে, অন্যরা তাকে নিয়ে মজা নিবে। তারচেয়ে আমরা সবাই মিলে অজু করতে গেলে তার ইজ্জত রক্ষা পাবে।
খলিফা সেই সাহাবীর পরামর্শ গ্রহণ করলেন। সবাই মিলে অজু করতে গেলেন।
.
পাবলিক প্লেইসে একজন মানুষের ইজ্জতের মূল্য সাহাবীদের কাছে কেমন ছিলো এই ঘটনা তারই এক প্রমাণ। তাদের মধ্যে কী ধরণের ইম্প্যাথি ছিলো চিন্তা করুন!
রেফারেন্স:
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবী, উমর ইবনুল খাত্তাব: ১/৩২০
তখন একজন বায়ু ত্যাগ করলো। অনেকেই নাকে হাত দিচ্ছে, দুর্গন্ধ লাগছে।
একপর্যায়ে খলিফা নির্দেশ দিলেন, যিনি এই কাজটি করেছেন, তিনি যেন অজু করে আসেন (একটু পরেই তো নামাজ)।
তখন আরেকজন সাহাবী অন্য পরামর্শ দিলেন। তাঁর নাম জারির ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
তিনি বললেন, আমরা এক কাজ করি। সবাই মিলেই অজু করতে যাই। কারণ, যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি একা উঠে গেলে তার অস্বস্তি হবে, অন্যরা তাকে নিয়ে মজা নিবে। তারচেয়ে আমরা সবাই মিলে অজু করতে গেলে তার ইজ্জত রক্ষা পাবে।
খলিফা সেই সাহাবীর পরামর্শ গ্রহণ করলেন। সবাই মিলে অজু করতে গেলেন।
.
পাবলিক প্লেইসে একজন মানুষের ইজ্জতের মূল্য সাহাবীদের কাছে কেমন ছিলো এই ঘটনা তারই এক প্রমাণ। তাদের মধ্যে কী ধরণের ইম্প্যাথি ছিলো চিন্তা করুন!
রেফারেন্স:
ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবী, উমর ইবনুল খাত্তাব: ১/৩২০
🥰5❤3
ঈমান দুর্বল হবার একটা লক্ষণ হল হারাম-হালালের ব্যাপারে শিথিলতা চলে আসা। উত্তম-অনুত্তমকে উপেক্ষা করা। নিজেকে 'না' বলার অভ্যাস চলে যাওয়া। ক্রমাগত চলতে থাকলে গুনাহ খুব সহজ এবং আমল খুব কঠিন হয়ে যায়।
.
গতো কয়েক বছর ধরে প্রগেসিভলি এমন অনেক আচরণ অনলাইনে প্র্যাকটিসিং বলে পরিচিতদের মধ্যে বাড়তে দেখছি। বেপর্দা নারীর খবর, ছবি, লিঙ্ক শেয়ার থেকে শুরু করে, খুব সহজে অশ্লীল বা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা, গালি দেয়া, অপ্রয়োজনে ছবি দেয়া, স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে উচ্ছাস ইত্যাদি। এগুলো অনলাইনে পাবলিকলি পোস্ট বা প্রচার করা হচ্ছে। অফলাইনের অবস্থা এর চেয়ে ভাল হবার কথা না।
.
এই আপাত ছোট ছোট বিষয়গুলো একসময় ছোট থাকে না। বরং ঈমান, আমল ও আখিরাতের জন্য অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
.
আল্লাহ্র রাসূল ﷺ বলেছেন,
অবশ্যই তোমাদের হৃদয়ে ঈমান জীর্ণ হয়; যেমন জীর্ণ হয় পুরনো কাপড়। সুতরাং তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা কর, যাতে তিনি তোমাদের হৃদয়ে তোমাদের ঈমান নবায়ন করে দেন। [তরজমা, ত্বাবারানী, হাকেম ৫, সহীহুল জামে’ ১৫৯০নং]
.
আমাদের উচিৎ ছিল নিজেদের দুর্বলতা স্বীকার করে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের বড় একটা অংশ দুর্বলতাকে জাস্টিফাই করার দিকে মনোযোগী হয়েছি।
— Asif Adnan
.
গতো কয়েক বছর ধরে প্রগেসিভলি এমন অনেক আচরণ অনলাইনে প্র্যাকটিসিং বলে পরিচিতদের মধ্যে বাড়তে দেখছি। বেপর্দা নারীর খবর, ছবি, লিঙ্ক শেয়ার থেকে শুরু করে, খুব সহজে অশ্লীল বা ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা, গালি দেয়া, অপ্রয়োজনে ছবি দেয়া, স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে উচ্ছাস ইত্যাদি। এগুলো অনলাইনে পাবলিকলি পোস্ট বা প্রচার করা হচ্ছে। অফলাইনের অবস্থা এর চেয়ে ভাল হবার কথা না।
.
এই আপাত ছোট ছোট বিষয়গুলো একসময় ছোট থাকে না। বরং ঈমান, আমল ও আখিরাতের জন্য অনেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
.
আল্লাহ্র রাসূল ﷺ বলেছেন,
অবশ্যই তোমাদের হৃদয়ে ঈমান জীর্ণ হয়; যেমন জীর্ণ হয় পুরনো কাপড়। সুতরাং তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা কর, যাতে তিনি তোমাদের হৃদয়ে তোমাদের ঈমান নবায়ন করে দেন। [তরজমা, ত্বাবারানী, হাকেম ৫, সহীহুল জামে’ ১৫৯০নং]
.
আমাদের উচিৎ ছিল নিজেদের দুর্বলতা স্বীকার করে মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের বড় একটা অংশ দুর্বলতাকে জাস্টিফাই করার দিকে মনোযোগী হয়েছি।
— Asif Adnan
❤2
গোপন গুনাহের ভয়াবহতা-
-
আমাদের অনেকের অবস্থা হলো, মানুষের সামনে খুব ভাল ভাল কাজ করি, অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলি, নিজেকে পরহেজগার হিসেবে প্রকাশের চেষ্টা করি। কিন্তু যখন নির্জনে বা একাকী থাকি তখন বিভিন্ন ধরণের গুনাহের কাজে লিপ্ত হই। চোখের গুনাহ, হাতের গুনাহ, পায়ের গুনাহ, লজ্জাস্থানের গুনাহ সহ নানান ধরণের গুনাহের কাজে নিজেকে জড়াই।
অনেকে এগুলোকে খুব হালকা চোখে দেখে, মনে করে এখন অল্প একটুই তো, পরে ভাল হয়ে যাবো। কিন্তু ভাইয়েরা! এগুলোকে হালকা চোখে দেখার কোন সুযোগ নেই। কেননা এর প্রভাব ও ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। গোপন গুনাহে লিপ্ত লোকদের অন্তর থেকে প্রশান্তি ও স্থিরতা বিদায় নেয়। নিজের সাথে ধোঁকাবাজি করার কারনে অন্তরে সর্বদা এক ধরণের অশান্তি বিরাজ করে। কেউ দেখে ফেলল কিনা সবসময় এই ভয়ে ভীত থাকে।
এ তো গেল দুনিয়াবী নগদ শাস্তি। আর আখিরাতে যা অপেক্ষা করছে তা আরো ভয়াবহ। হাদীসে এসেছে,
عَنْ ثَوْبَانَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ قَالَ : لأَعْلَمَنَّ أَقْوَامًا مِنْ أُمَّتِي يَأْتُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِحَسَنَاتٍ أَمْثَالِ جِبَالِ تِهَامَةَ بِيضًا فَيَجْعَلُهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ هَبَاءً مَنْثُورًا " . قَالَ ثَوْبَانُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ صِفْهُمْ لَنَا جَلِّهِمْ لَنَا أَنْ لاَ نَكُونَ مِنْهُمْ وَنَحْنُ لاَ نَعْلَمُ . قَالَ : " أَمَا إِنَّهُمْ إِخْوَانُكُمْ وَمِنْ جِلْدَتِكُمْ وَيَأْخُذُونَ مِنَ اللَّيْلِ كَمَا تَأْخُذُونَ وَلَكِنَّهُمْ أَقْوَامٌ إِذَا خَلَوْا بِمَحَارِمِ اللَّهِ انْتَهَكُوهَا
সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি আমার উম্মাতের এমন কিছু মানুষের সম্পর্কে জানি যারা কিয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমলসহ উপস্থিত হবে। অর্থাৎ তারা অনেক বেশি নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে।
কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাদের সেই নেক আমলগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। (অর্থাৎ তাদের পাহাড়সম নেক আমলগুলোকে বিনষ্ট করে দেবেন,ফলে এসব নেক আমল তাদের কোন কাজে আসবেনা।)
তখন সাহাবী আরয করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের নিকট তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করুন, যেন অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। উত্তরে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- তারা তোমাদেরই ভাই এবং দেখতেও তোমাদের মতই। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। (অর্থাৎ তাদের বাহ্যিক আমল দেখে মনে হবে তারা অনেক বড় আল্লাহওয়ালা এবং মুত্তাকী পরহেজগার। এবং তাদের চলাফেরাও হবে সমাজের ভাল মানুষদের সাথেই।)
কিন্তু তারা যখনই নির্জনে থাকে, তখনই আল্লাহ যেসব বিষয়কে হারাম করেছেন সেসবে লিপ্ত হয়। ইবনে মাজাহ ৪২৪৫
ইন্নালিল্লাহ! কত ভয়ানক কথা! আশা করি এই একটি হাদিসই গোপন গুনাহে লিপ্ত ভাইদেরকে সতর্ক করার জন্য যথেষ্ট।
প্রিয় ভাইয়েরা! আসুন আজ থেকে সব ধরণের গোপন গুনাহ ছেড়ে দেয়ার সংকল্প করি। নির্জনতার সুযোগে গুনাহ হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকলে নির্জনতা এড়িয়ে চলি। প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাবহার বর্জন করি। একান্ত প্রয়োজন হলে অন্যদের সামনে ব্যাবহার করার চেষ্টা করি। যাদের সাথে থাকলে আল্লাহর কথা মনে হয় এমন লোকদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলি। ইসলাহের জন্য রব্বানী আলেমদের সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটানোর চেষ্টা করি। আর এই দোয়াটা বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করি-
اللَّهُمَّ اجْعَلْ سَرِيرَتِي خَيْرًا مِنْ عَلاَنِيَتِي وَاجْعَلْ عَلاَنِيَتِي صَالِحَةً اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِي النَّاسَ مِنَ الْمَالِ وَالأَهْلِ وَالْوَلَدِ غَيْرِ الضَّالِّ وَلاَ الْمُضِلِّ
হে আল্লাহ! আমার বাহিরের অবস্থার চেয়ে ভিতরের অবস্থাকে বেশি ভাল করে দিন এবং আমার বাহিরের অবস্থাকেও ভাল বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনি মানুষকে যে ধন-দৌলত, পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্তুতি দান করেন তাদের মধ্য থেকে আমাকে উত্তমগুলো দিন, যারা নিজেরা গোমরাহ নয় এবং অন্যদেরকেও গোমরাহকারী নয়। - (জামে' তিরমিজি, ৩৫৮৬ নং হাদীস)
এই দোয়াটি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে শিখিয়েছিলেন, দোয়াটির অর্থ ও মর্ম অত্যন্ত সুন্দর। এজন্য আমরা সময় সুযোগ করে বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে গোপন গুনাহ থেকে হেফাজত করুন এবং পরিপূর্ণ ইসলাহ করে দিন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন
-
আমাদের অনেকের অবস্থা হলো, মানুষের সামনে খুব ভাল ভাল কাজ করি, অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলি, নিজেকে পরহেজগার হিসেবে প্রকাশের চেষ্টা করি। কিন্তু যখন নির্জনে বা একাকী থাকি তখন বিভিন্ন ধরণের গুনাহের কাজে লিপ্ত হই। চোখের গুনাহ, হাতের গুনাহ, পায়ের গুনাহ, লজ্জাস্থানের গুনাহ সহ নানান ধরণের গুনাহের কাজে নিজেকে জড়াই।
অনেকে এগুলোকে খুব হালকা চোখে দেখে, মনে করে এখন অল্প একটুই তো, পরে ভাল হয়ে যাবো। কিন্তু ভাইয়েরা! এগুলোকে হালকা চোখে দেখার কোন সুযোগ নেই। কেননা এর প্রভাব ও ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। গোপন গুনাহে লিপ্ত লোকদের অন্তর থেকে প্রশান্তি ও স্থিরতা বিদায় নেয়। নিজের সাথে ধোঁকাবাজি করার কারনে অন্তরে সর্বদা এক ধরণের অশান্তি বিরাজ করে। কেউ দেখে ফেলল কিনা সবসময় এই ভয়ে ভীত থাকে।
এ তো গেল দুনিয়াবী নগদ শাস্তি। আর আখিরাতে যা অপেক্ষা করছে তা আরো ভয়াবহ। হাদীসে এসেছে,
عَنْ ثَوْبَانَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ قَالَ : لأَعْلَمَنَّ أَقْوَامًا مِنْ أُمَّتِي يَأْتُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِحَسَنَاتٍ أَمْثَالِ جِبَالِ تِهَامَةَ بِيضًا فَيَجْعَلُهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ هَبَاءً مَنْثُورًا " . قَالَ ثَوْبَانُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ صِفْهُمْ لَنَا جَلِّهِمْ لَنَا أَنْ لاَ نَكُونَ مِنْهُمْ وَنَحْنُ لاَ نَعْلَمُ . قَالَ : " أَمَا إِنَّهُمْ إِخْوَانُكُمْ وَمِنْ جِلْدَتِكُمْ وَيَأْخُذُونَ مِنَ اللَّيْلِ كَمَا تَأْخُذُونَ وَلَكِنَّهُمْ أَقْوَامٌ إِذَا خَلَوْا بِمَحَارِمِ اللَّهِ انْتَهَكُوهَا
সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি আমার উম্মাতের এমন কিছু মানুষের সম্পর্কে জানি যারা কিয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমলসহ উপস্থিত হবে। অর্থাৎ তারা অনেক বেশি নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে।
কিন্তু আল্লাহ তাআলা তাদের সেই নেক আমলগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। (অর্থাৎ তাদের পাহাড়সম নেক আমলগুলোকে বিনষ্ট করে দেবেন,ফলে এসব নেক আমল তাদের কোন কাজে আসবেনা।)
তখন সাহাবী আরয করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের নিকট তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করুন, যেন অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। উত্তরে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- তারা তোমাদেরই ভাই এবং দেখতেও তোমাদের মতই। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। (অর্থাৎ তাদের বাহ্যিক আমল দেখে মনে হবে তারা অনেক বড় আল্লাহওয়ালা এবং মুত্তাকী পরহেজগার। এবং তাদের চলাফেরাও হবে সমাজের ভাল মানুষদের সাথেই।)
কিন্তু তারা যখনই নির্জনে থাকে, তখনই আল্লাহ যেসব বিষয়কে হারাম করেছেন সেসবে লিপ্ত হয়। ইবনে মাজাহ ৪২৪৫
ইন্নালিল্লাহ! কত ভয়ানক কথা! আশা করি এই একটি হাদিসই গোপন গুনাহে লিপ্ত ভাইদেরকে সতর্ক করার জন্য যথেষ্ট।
প্রিয় ভাইয়েরা! আসুন আজ থেকে সব ধরণের গোপন গুনাহ ছেড়ে দেয়ার সংকল্প করি। নির্জনতার সুযোগে গুনাহ হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকলে নির্জনতা এড়িয়ে চলি। প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাবহার বর্জন করি। একান্ত প্রয়োজন হলে অন্যদের সামনে ব্যাবহার করার চেষ্টা করি। যাদের সাথে থাকলে আল্লাহর কথা মনে হয় এমন লোকদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলি। ইসলাহের জন্য রব্বানী আলেমদের সান্নিধ্যে কিছু সময় কাটানোর চেষ্টা করি। আর এই দোয়াটা বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করি-
اللَّهُمَّ اجْعَلْ سَرِيرَتِي خَيْرًا مِنْ عَلاَنِيَتِي وَاجْعَلْ عَلاَنِيَتِي صَالِحَةً اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ صَالِحِ مَا تُؤْتِي النَّاسَ مِنَ الْمَالِ وَالأَهْلِ وَالْوَلَدِ غَيْرِ الضَّالِّ وَلاَ الْمُضِلِّ
হে আল্লাহ! আমার বাহিরের অবস্থার চেয়ে ভিতরের অবস্থাকে বেশি ভাল করে দিন এবং আমার বাহিরের অবস্থাকেও ভাল বানিয়ে দিন। হে আল্লাহ! আপনি মানুষকে যে ধন-দৌলত, পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্তুতি দান করেন তাদের মধ্য থেকে আমাকে উত্তমগুলো দিন, যারা নিজেরা গোমরাহ নয় এবং অন্যদেরকেও গোমরাহকারী নয়। - (জামে' তিরমিজি, ৩৫৮৬ নং হাদীস)
এই দোয়াটি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে শিখিয়েছিলেন, দোয়াটির অর্থ ও মর্ম অত্যন্ত সুন্দর। এজন্য আমরা সময় সুযোগ করে বেশি বেশি পড়ার চেষ্টা করি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে গোপন গুনাহ থেকে হেফাজত করুন এবং পরিপূর্ণ ইসলাহ করে দিন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন
❤2😭2
❝ইস্তেগফার (استغفار) এর শক্তি❞
১১ মে ২০২৫ থেকে আমি একটি সিদ্ধান্ত নেই—প্রতিদিন ৩,০০০ বার ইস্তেগফার (আসতাগফিরুল্লাহ) পাঠ করব, একমাত্র উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছে আমার গুনাহ মাফ করানো।
এর পাশাপাশি আমি নিয়মিত দরুদ শরীফও পড়তাম—৫০০, কখনো ১০০ বার করে। নামাজ তো পড়তামই, কিন্তু শুধু নিজেই নয়—আমি আমার আম্মাকেও শেখাতাম আল্লাহ্ ও দীন সম্পর্কে যতটা পারি।
আম্মা খুব সরল ও মনোযোগী। আমি তাকে যা শিখাতাম, তিনি তা মন দিয়ে শুনতেন, নামাজে আমার সাথে দাঁড়াতেন। আমি তাকে ইস্তেগফারের ফজিলত বলার পর, তিনিও শুরু করলেন—প্রতিদিন ৫,০০০-৬,০০০ বার ইস্তেগফার! আমরা মা-মেয়ে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইস্তেগফার পড়ি। আর এই ক’দিনের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন এসেছে আমাদের জীবনে, যা আমাদের চোখে পানি এনে দিয়েছে।
আমার আব্বা একজন সাংবাদিক। গত ৭-৮ মাস ধরে কোনো বিজ্ঞাপন পাচ্ছিলেন না, সংসার চলছিল কষ্টে। কিন্তু ইস্তেগফার শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ৪-৫ টি বিজ্ঞাপন পেয়েছেন—২৫ হাজার, ২০ হাজার টাকার মতো! একেকটা বিজ্ঞাপন।
আলহামদুলিল্লাহ!
আমার একমাত্র ভাই স্কুলে যেত না, কখনো আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এখন সে একটি কাজে হাতেখড়ি নিচ্ছে এবং অন্য দেশে যাওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য বিশাল স্বস্তি।
আলহামদুলিল্লাহ! সবই আল্লাহ্র দয়ায়।
আমি ইন শা আল্লাহ সবসময় ইস্তেগফার ও দরুদ পড়তে থাকব।
যারা এই লেখা পড়ছেন, আপনাদের সবার প্রতি অনুরোধ— আপনারাও শুরু করুন ইস্তেগফার ও দুরুদ পড়া। দেখবেন— সমস্যার সমাধান আসবে, রিজিকের দরজা খুলে যাবে, আর আল্লাহ্ আপনাকে ভালোবাসবেন ইন শা আল্লাহ্।
- হাবিবা
১১ মে ২০২৫ থেকে আমি একটি সিদ্ধান্ত নেই—প্রতিদিন ৩,০০০ বার ইস্তেগফার (আসতাগফিরুল্লাহ) পাঠ করব, একমাত্র উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছে আমার গুনাহ মাফ করানো।
এর পাশাপাশি আমি নিয়মিত দরুদ শরীফও পড়তাম—৫০০, কখনো ১০০ বার করে। নামাজ তো পড়তামই, কিন্তু শুধু নিজেই নয়—আমি আমার আম্মাকেও শেখাতাম আল্লাহ্ ও দীন সম্পর্কে যতটা পারি।
আম্মা খুব সরল ও মনোযোগী। আমি তাকে যা শিখাতাম, তিনি তা মন দিয়ে শুনতেন, নামাজে আমার সাথে দাঁড়াতেন। আমি তাকে ইস্তেগফারের ফজিলত বলার পর, তিনিও শুরু করলেন—প্রতিদিন ৫,০০০-৬,০০০ বার ইস্তেগফার! আমরা মা-মেয়ে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইস্তেগফার পড়ি। আর এই ক’দিনের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন এসেছে আমাদের জীবনে, যা আমাদের চোখে পানি এনে দিয়েছে।
আমার আব্বা একজন সাংবাদিক। গত ৭-৮ মাস ধরে কোনো বিজ্ঞাপন পাচ্ছিলেন না, সংসার চলছিল কষ্টে। কিন্তু ইস্তেগফার শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ৪-৫ টি বিজ্ঞাপন পেয়েছেন—২৫ হাজার, ২০ হাজার টাকার মতো! একেকটা বিজ্ঞাপন।
আলহামদুলিল্লাহ!
আমার একমাত্র ভাই স্কুলে যেত না, কখনো আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। এখন সে একটি কাজে হাতেখড়ি নিচ্ছে এবং অন্য দেশে যাওয়ারও সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য বিশাল স্বস্তি।
আলহামদুলিল্লাহ! সবই আল্লাহ্র দয়ায়।
আমি ইন শা আল্লাহ সবসময় ইস্তেগফার ও দরুদ পড়তে থাকব।
যারা এই লেখা পড়ছেন, আপনাদের সবার প্রতি অনুরোধ— আপনারাও শুরু করুন ইস্তেগফার ও দুরুদ পড়া। দেখবেন— সমস্যার সমাধান আসবে, রিজিকের দরজা খুলে যাবে, আর আল্লাহ্ আপনাকে ভালোবাসবেন ইন শা আল্লাহ্।
- হাবিবা
❤4