This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Surah Ankabut | Maher Al-Mu’aiqly
ولئن سألتهم من نزل من السماء ماء ||
[سورة العنكبوت] ||
القارئ ماهر المعيقلي
#allah@Islamicproverbs07
ولئن سألتهم من نزل من السماء ماء ||
[سورة العنكبوت] ||
القارئ ماهر المعيقلي
#allah@Islamicproverbs07
❤4
আমি এমন অনেক মানুষকে দেখি, যারা সীমাহীন গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহের মধ্যে লিপ্ত। তারা গোনাহ করতে করতে যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে। তাদের এগুলো করার কারণ হলো, তারা আল্লাহ তাআলার পাকড়াওয়ের বিষয়টি হালকাভাবে নিয়েছে। তারা ধারণা করছে, তারা যে ভালো কাজগুলো করে যাচ্ছে, এগুলোই সেই গোনাহের সমপরিমাণ ও সমতুল্য হয়ে যাবে। এভাবেই তাদের ধারণার জাহাজ চলতে থেকেছে। কিন্তু কখন যে এখানে আল্লাহর কৌশলের পানি ঢুকে পড়েছে এবং জাহাজকে ডুবিয়েছে— তাদের কোনো খবরই নেই।
[বই : হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ. ২৪০]
[বই : হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ. ২৪০]
😢10👍1😭1
সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “তুমি যদি এমন যুগে বাস করো যখন লোকেরা কাজের চেয়ে কোথায় বেশি মুগ্ধ হয়, আমলের চেয়ে জ্ঞান নিয়ে বাকবিতণ্ড বেশি পছন্দ করে; তাহলে বুঝে নিয়ো— তুমি সবচেয়ে নিকৃষ্ট সময়ে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষদের সাথে বাস করছো।”
সূত্র: [ইবতাল আল-হিয়াল ১/৩৪]
সূত্র: [ইবতাল আল-হিয়াল ১/৩৪]
❤6
"কুরআনের সাথে বন্ধুত্ব করুন।
এর সাথে আপনার বন্ধুত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি এর গোপন রহস্যগুলো উদ্ধার করতে পারবেন।
প্রথম দেখাতে কোনো বন্ধুই তার গোপন জিনিস প্রকাশ করে দেয় না। "
.
- শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল হাফিজাহুল্লাহ
এর সাথে আপনার বন্ধুত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি এর গোপন রহস্যগুলো উদ্ধার করতে পারবেন।
প্রথম দেখাতে কোনো বন্ধুই তার গোপন জিনিস প্রকাশ করে দেয় না। "
.
- শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল হাফিজাহুল্লাহ
👍5❤2
অবিশ্বাস্য এ ঘটনা দুটি পড়লে আপনার বিবেক নাড়া দেবে!
বুখারাতে একজন দোকানদার বাস করতেন। তার স্ত্রী খুব সুন্দরী ও নেককার ছিল। তার ঘরে প্রায় বারো-পনেরো বছর ধরে এক ছেলে পানি দিয়ে যেত। একদিন পানি দিতে এসে সে ঐ মহিলার হাত ধরে ফেলল। এরপর কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে বেরিয়ে গেল।
মহিলা খুবই বিচলিত হলেন এই ভেবে যে, ছেলেটা প্রায় পনেরো বছর আমাদের ঘরে আসা-যাওয়া করছে। অথচ শেষ পর্যন্ত এমন করতে পারল সে! এটা ভেবে মহিলা কেঁদে দিল এবং খুব গম্ভীর হয়ে রইল।
ইতোমধ্যে স্বামী ঘরে এসে দেখল তার স্ত্রী কাঁদছে। সে তাকে কারণ জিজ্ঞেস করল। জানতে চাইল, কেন সে কাঁদছে? মহিলা স্বামীর কাছে সব খুলে বলল।
এবার স্বামীও কাঁদতে শুরু করল। স্ত্রী বলল, ‘তোমার আবার কী হলো? তুমি কাঁদছ কেন?’ স্বামী বলল, ‘দোষ ঐ ছেলের না, আমার।’
স্ত্রী বলল, ‘কীভাবে?’
স্বামী উত্তর দিল, ‘আজ এক মহিলা চুড়ি কিনতে এসেছিল। সে চুড়ি পছন্দ করে আমাকে বলল তার হাতে পরিয়ে দিতে। চুড়ি পরাতে গিয়ে অনুভব হলো, তার হাত খুব মোলায়েম ও সুন্দর। তাই আমি কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে দিয়েছিলাম। এর বদলা হিসেবে ঐ ছেলে তোমার হাত চটকিয়েছে।’
এরপর ঐ লোক বলল, ‘আমি তাওবা করছি। আর জীবনেও এমন গুনাহ করব না।’ এরপর বলল, ‘আজকের পর ঐ ছেলে যদি কখনো এমন করে তাহলে অবশ্যই আমকে জানাবে।’
পরের দিন সেই ছেলে আবার আসল। এসেই মহিলার সামনে কাচুমাচু হয়ে বলল, ‘গতকাল আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গিয়েছিলাম। তাই আমার দ্বারা এমন গুনাহ হয়ে গেছে। খালিস দিলে তাওবা করেছি। আর কক্ষনো এমন হবে না। আপনি দয়া করে আমাকে মাফ করে দিন।’
.
এখন দেখুন, ঐ ব্যক্তি পরনারীর সাথে যেমন আচরণ করেছে তার স্ত্রীর সাথেও আরেকজন তেমন আচরণ করেছে। আবার সে যখন তাওবা করেছে তখন অন্যজনও সাথে সাথে তাওবা করেছে।
.
.
এই ঘটনা এক আলিম জনৈক বাদশাকে শুনানোর পর বাদশা বলল, ‘আমি এটা বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখতে চাই।’ বাদশা কখনও কারও সাথে এমন অনাকাঙ্খিত কিছু করেনি। তাই সে তার মেয়েকে বলল, ‘তুমি শাহী পোশাক খুলে সাধারণ পোশাক পরিধান করে শহর থেকে একটু ঘুরে আসো।’ একজন দাসীকেও তার সাথে দিল। যাতে করে কী কী ঘটনা ঘটে এটা সে বলতে পারে।
শাহজাদী পুরো শহর ঘুরে এল। কেউ তার দিকে চোখ তুলেও তাকাল না। প্রাসাদে ফিরে এসে সে নিজের কামরার দিকে যাচ্ছিল। তার গায়ে তখন সাধারণ পোশাক। দেখে বুঝাই যাচ্ছিল না যে, এ শাহজাদী। তাই একজন কাজের ছেলে তাকে প্রাসাদের দাসী মনে করে চুমো দিয়ে বসল এবং মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে কেটে পড়ল।
শাহজাদী এসে তার বাবাকে সব খুলে বলল। বাদশা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, ‘সেই আলিম ঠিকই বলেছিল। আমার এখন স্মরণে এসেছে। যৌবনের শুরুতে এক মেয়ের সাথে আমি ঠিক এই রকম একটা ব্যবহার করেছিলাম। আমি যে কাজ করেছিলাম আমার মেয়ের সাথেও তাই ঘটেছে।’ এটাই হলো কিসাস বা শোধ।
.
অনেক সময় দেখা যায় ব্যভিচার করে ভাই কিন্তু তার মুল্য দিতে হয় বোনকে। অর্থাৎ অন্য কেউ তার বোনের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এমনিভাবে অপরাধ করে বাবা বা স্বামী আর তার মুল্য চুকাতে হয় মেয়ে বা স্ত্রীকে। এর উল্টাটাও হয়। এটা আল্লাহ তাআলার একটা নেজাম।
এই কারণে যেসব যুবকেরা সব সময় এসব নোংরা কাজের চিন্তায় থাকে তাদের মনে রাখা উচিত যে, তাদেরও বোন আছে, মেয়ে আছে, স্ত্রী আছে। তারা যদি অন্যের ইজ্জত-আব্রুর দিকে চোখ তুলে তাকায় তাহলে তাদের ইজ্জত-আব্রুর দিকেও অন্যরা চোখ তুলে তাকাবে। তাই এইসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত।
ইমাম শাফিয়ি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যিনা হলো বান্দার জন্য কর্য স্বরূপ। এই কর্য তার নিকটাত্মীয় কারও মাধ্যমেই শোধ করা হয়।’
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
ঘটনাটি নেওয়া হয়েছে 'দরদমাখা আহ্বান' বই থেকে
মূল-'মাওলানা যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দি'
অনুবাদক- আবদুল্লাহ আল মাসউদ
🔻
অনেকে তালাকের পর বউয়ের সাথে যেনা করতে থাকেন, বউ থাকতে পরকিয়ার যেনা করতে থাকেন, অন্যের বউয়ের সাথে ফস্টিনষ্টি করেন। মাথায় রাখবেন, আপনার বোন বা আত্মীয়েরও কিন্তু তালাক হয়ে যেনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, কারণ যেরার কর্য পরিশোধ হিসেবে। আবার বোন বা আত্মীয়ের স্বামীও অথবা বোন নিজে অন্যের সাথে ফস্টিনষ্টি করে পরকিয়ার যেনায় লিপ্ত হয়ে তাদের সংসার ভাঙবে কর্য পরিশোধ হিসেবে। সুতরাং আসুন সবাই তওবা করে ক্ষমা পেয়ে সুন্দর জীবনযাপন করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফীক দিন। আমীন।
,©
বুখারাতে একজন দোকানদার বাস করতেন। তার স্ত্রী খুব সুন্দরী ও নেককার ছিল। তার ঘরে প্রায় বারো-পনেরো বছর ধরে এক ছেলে পানি দিয়ে যেত। একদিন পানি দিতে এসে সে ঐ মহিলার হাত ধরে ফেলল। এরপর কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে বেরিয়ে গেল।
মহিলা খুবই বিচলিত হলেন এই ভেবে যে, ছেলেটা প্রায় পনেরো বছর আমাদের ঘরে আসা-যাওয়া করছে। অথচ শেষ পর্যন্ত এমন করতে পারল সে! এটা ভেবে মহিলা কেঁদে দিল এবং খুব গম্ভীর হয়ে রইল।
ইতোমধ্যে স্বামী ঘরে এসে দেখল তার স্ত্রী কাঁদছে। সে তাকে কারণ জিজ্ঞেস করল। জানতে চাইল, কেন সে কাঁদছে? মহিলা স্বামীর কাছে সব খুলে বলল।
এবার স্বামীও কাঁদতে শুরু করল। স্ত্রী বলল, ‘তোমার আবার কী হলো? তুমি কাঁদছ কেন?’ স্বামী বলল, ‘দোষ ঐ ছেলের না, আমার।’
স্ত্রী বলল, ‘কীভাবে?’
স্বামী উত্তর দিল, ‘আজ এক মহিলা চুড়ি কিনতে এসেছিল। সে চুড়ি পছন্দ করে আমাকে বলল তার হাতে পরিয়ে দিতে। চুড়ি পরাতে গিয়ে অনুভব হলো, তার হাত খুব মোলায়েম ও সুন্দর। তাই আমি কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে দিয়েছিলাম। এর বদলা হিসেবে ঐ ছেলে তোমার হাত চটকিয়েছে।’
এরপর ঐ লোক বলল, ‘আমি তাওবা করছি। আর জীবনেও এমন গুনাহ করব না।’ এরপর বলল, ‘আজকের পর ঐ ছেলে যদি কখনো এমন করে তাহলে অবশ্যই আমকে জানাবে।’
পরের দিন সেই ছেলে আবার আসল। এসেই মহিলার সামনে কাচুমাচু হয়ে বলল, ‘গতকাল আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গিয়েছিলাম। তাই আমার দ্বারা এমন গুনাহ হয়ে গেছে। খালিস দিলে তাওবা করেছি। আর কক্ষনো এমন হবে না। আপনি দয়া করে আমাকে মাফ করে দিন।’
.
এখন দেখুন, ঐ ব্যক্তি পরনারীর সাথে যেমন আচরণ করেছে তার স্ত্রীর সাথেও আরেকজন তেমন আচরণ করেছে। আবার সে যখন তাওবা করেছে তখন অন্যজনও সাথে সাথে তাওবা করেছে।
.
.
এই ঘটনা এক আলিম জনৈক বাদশাকে শুনানোর পর বাদশা বলল, ‘আমি এটা বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখতে চাই।’ বাদশা কখনও কারও সাথে এমন অনাকাঙ্খিত কিছু করেনি। তাই সে তার মেয়েকে বলল, ‘তুমি শাহী পোশাক খুলে সাধারণ পোশাক পরিধান করে শহর থেকে একটু ঘুরে আসো।’ একজন দাসীকেও তার সাথে দিল। যাতে করে কী কী ঘটনা ঘটে এটা সে বলতে পারে।
শাহজাদী পুরো শহর ঘুরে এল। কেউ তার দিকে চোখ তুলেও তাকাল না। প্রাসাদে ফিরে এসে সে নিজের কামরার দিকে যাচ্ছিল। তার গায়ে তখন সাধারণ পোশাক। দেখে বুঝাই যাচ্ছিল না যে, এ শাহজাদী। তাই একজন কাজের ছেলে তাকে প্রাসাদের দাসী মনে করে চুমো দিয়ে বসল এবং মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে কেটে পড়ল।
শাহজাদী এসে তার বাবাকে সব খুলে বলল। বাদশা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, ‘সেই আলিম ঠিকই বলেছিল। আমার এখন স্মরণে এসেছে। যৌবনের শুরুতে এক মেয়ের সাথে আমি ঠিক এই রকম একটা ব্যবহার করেছিলাম। আমি যে কাজ করেছিলাম আমার মেয়ের সাথেও তাই ঘটেছে।’ এটাই হলো কিসাস বা শোধ।
.
অনেক সময় দেখা যায় ব্যভিচার করে ভাই কিন্তু তার মুল্য দিতে হয় বোনকে। অর্থাৎ অন্য কেউ তার বোনের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এমনিভাবে অপরাধ করে বাবা বা স্বামী আর তার মুল্য চুকাতে হয় মেয়ে বা স্ত্রীকে। এর উল্টাটাও হয়। এটা আল্লাহ তাআলার একটা নেজাম।
এই কারণে যেসব যুবকেরা সব সময় এসব নোংরা কাজের চিন্তায় থাকে তাদের মনে রাখা উচিত যে, তাদেরও বোন আছে, মেয়ে আছে, স্ত্রী আছে। তারা যদি অন্যের ইজ্জত-আব্রুর দিকে চোখ তুলে তাকায় তাহলে তাদের ইজ্জত-আব্রুর দিকেও অন্যরা চোখ তুলে তাকাবে। তাই এইসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত।
ইমাম শাফিয়ি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যিনা হলো বান্দার জন্য কর্য স্বরূপ। এই কর্য তার নিকটাত্মীয় কারও মাধ্যমেই শোধ করা হয়।’
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
ঘটনাটি নেওয়া হয়েছে 'দরদমাখা আহ্বান' বই থেকে
মূল-'মাওলানা যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দি'
অনুবাদক- আবদুল্লাহ আল মাসউদ
🔻
অনেকে তালাকের পর বউয়ের সাথে যেনা করতে থাকেন, বউ থাকতে পরকিয়ার যেনা করতে থাকেন, অন্যের বউয়ের সাথে ফস্টিনষ্টি করেন। মাথায় রাখবেন, আপনার বোন বা আত্মীয়েরও কিন্তু তালাক হয়ে যেনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, কারণ যেরার কর্য পরিশোধ হিসেবে। আবার বোন বা আত্মীয়ের স্বামীও অথবা বোন নিজে অন্যের সাথে ফস্টিনষ্টি করে পরকিয়ার যেনায় লিপ্ত হয়ে তাদের সংসার ভাঙবে কর্য পরিশোধ হিসেবে। সুতরাং আসুন সবাই তওবা করে ক্ষমা পেয়ে সুন্দর জীবনযাপন করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফীক দিন। আমীন।
,©
❤1
পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,
وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,
وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,
وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,
وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে
وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,
وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,
وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,
وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,
وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,
وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,
وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,
وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,
وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,
وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,
فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ "
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১।
~ মাওলানা আরিফ বিন হাবিব হাফিজাহুল্লাহ।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,
وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,
وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,
وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,
وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে
وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,
وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,
وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,
وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,
وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,
وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,
وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,
وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,
وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,
وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,
فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ "
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১।
~ মাওলানা আরিফ বিন হাবিব হাফিজাহুল্লাহ।
😢8
ক্যা'ন্সার আক্রান্ত এক যুবকের শেষ স্ট্যাটাস:
"যদি তোমার শরীর সুস্থ থাকে, তবে রবের কাছে আর কিছুই চেয়ো না" আলহামদুলিল্লাহ।
"যদি তোমার শরীর সুস্থ থাকে, তবে রবের কাছে আর কিছুই চেয়ো না" আলহামদুলিল্লাহ।
❤10😢1
এনসিপিকে ভালো করে ধরা দরকার।
তারা অফিসিয়ালি আল্লাহর নামে কটুক্তিকারী পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এর আগে তারা পশ্চাৎদেশের নাগরিকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো,
তারা এর আগেও আল্লাহ ও রসূলের নামে কটুক্তির ইস্যুতে চুপ ছিলো।
এনসিপিতে যেসব আলেম আছে লজ্জা থাকলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত, অথবা মেরুদণ্ড থাকলে অফিসিয়ালি মাফ চাইতে বাধ্য করা উচিত।
মেহেদী ভাইয়ের ওয়াল থেকে কপি করে দিলাম, কারণ এটাই আমার বক্তব্য।
তারা অফিসিয়ালি আল্লাহর নামে কটুক্তিকারী পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এর আগে তারা পশ্চাৎদেশের নাগরিকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো,
তারা এর আগেও আল্লাহ ও রসূলের নামে কটুক্তির ইস্যুতে চুপ ছিলো।
এনসিপিতে যেসব আলেম আছে লজ্জা থাকলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত, অথবা মেরুদণ্ড থাকলে অফিসিয়ালি মাফ চাইতে বাধ্য করা উচিত।
মেহেদী ভাইয়ের ওয়াল থেকে কপি করে দিলাম, কারণ এটাই আমার বক্তব্য।
👍5
জীবন থেকে একটু একটু করে মুহূর্তের হারিয়ে যাওয়া যদি তোমার দৃষ্টিগোচর হতো, তবে তুমি দেখতে মুহূর্তের দরিয়ায় কি উত্তাল ঢেউ। শব্দহীন স্রোতে কি অবলীলায়ই না সময় হারিয়ে যাচ্ছে।
দু-পাশে স্মৃতির পাহাড় দাঁড় করিয়ে মুহূর্তের অতীত ধ্বসে পড়ার শব্দ যদি তুমি শুনতে পেতে, তবে তুমি বুঝতে একটা জীবন ঠিক কতটা দামি। যেখানে প্রতি সেকেন্ডের জন্য শতকোটি প্রাণের বাঁচামরার নির্বাক লড়াই চলে। তুমি বুঝতে, হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলো কতটা প্রাসঙ্গিক ছিল। ঝরে পড়া নৈঃশব্দের দীর্ঘশ্বাস ভাঙার শব্দ তোমার উদ্দেশ্যহীন জীবনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিতে পারত। কিন্তু আফসোস, মুহূর্তের বুদবুদ তুমি চিনেও চেননি। দেখেও দেখনি। অথচ তুমি জানতে, জীবন হচ্ছে সময়ের বুদবুদ।
দু-পাশে স্মৃতির পাহাড় দাঁড় করিয়ে মুহূর্তের অতীত ধ্বসে পড়ার শব্দ যদি তুমি শুনতে পেতে, তবে তুমি বুঝতে একটা জীবন ঠিক কতটা দামি। যেখানে প্রতি সেকেন্ডের জন্য শতকোটি প্রাণের বাঁচামরার নির্বাক লড়াই চলে। তুমি বুঝতে, হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলো কতটা প্রাসঙ্গিক ছিল। ঝরে পড়া নৈঃশব্দের দীর্ঘশ্বাস ভাঙার শব্দ তোমার উদ্দেশ্যহীন জীবনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিতে পারত। কিন্তু আফসোস, মুহূর্তের বুদবুদ তুমি চিনেও চেননি। দেখেও দেখনি। অথচ তুমি জানতে, জীবন হচ্ছে সময়ের বুদবুদ।
বই: মুঠো মুঠো রোদ্দুর
: এনামুল হক ইবনে ইউসুফ
❤7
– অন্তরে মরিচা পড়ে দুই ভাবে।
১. গাফিলতির মাধ্যমে।
২. গুনাহের মাধ্যমে।
– আর এই মরিচা দূর করার পদ্ধতিও দুটি।
১. ইস্তিগফার করার মাধ্যমে।
২. আল্লাহ'র জিকিরের মাধ্যমে।
• [আল ওয়াবিলুস সায়্যিবঃ ১০৬]
১. গাফিলতির মাধ্যমে।
২. গুনাহের মাধ্যমে।
– আর এই মরিচা দূর করার পদ্ধতিও দুটি।
১. ইস্তিগফার করার মাধ্যমে।
২. আল্লাহ'র জিকিরের মাধ্যমে।
• [আল ওয়াবিলুস সায়্যিবঃ ১০৬]
👍11
কত মানুষ যে আছে, যার নৌকা নাজাতের তীরে
পৌঁছে গিয়েছিল, তারপর যখন সে তীরে নামবে, হঠাৎ প্রবৃত্তির ঢেউ তার উপর আছড়ে পড়ল, সে ডুবে গেল।
.
- ইবন রজব (রাহিমাহুল্লাহ)
[লাত্বায়েফুল মা’আরিফ: পৃ. ৩৪০]
পৌঁছে গিয়েছিল, তারপর যখন সে তীরে নামবে, হঠাৎ প্রবৃত্তির ঢেউ তার উপর আছড়ে পড়ল, সে ডুবে গেল।
.
- ইবন রজব (রাহিমাহুল্লাহ)
[লাত্বায়েফুল মা’আরিফ: পৃ. ৩৪০]
❤6👍2
ঘুমের মিষ্টি আহ্বান আর শ'য়তানের প্ররোচনাকে জয় করে, মুমিন যখন ফজরের সালাতে দাঁড়ায়— তখন সেটিই হয়ে ওঠে তার স্বীয় নফস এবং শয়তানের বিরুদ্ধে দিনের প্রথম বিজয়!
লেখা : মাহমুদুল হাছান
লেখা : মাহমুদুল হাছান
❤8🔥3👍2
মুসলমান — কোনো জাতিগত পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক পরিচয় না।
এটা দ্বীনের উপর ঈমান আনয়ন করেছে এমন লোকদের পরিচয়। একসাথে তাওহীদের সম্পর্ক। বাকিগুলো বাই প্রোডাক্ট।
মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করতে গিয়ে তাওহীদের এই ভিত্তিতে ইগনোর করলে আখেরে ঈমান নিয়ে টানাটানি না লাগে!
এটা দ্বীনের উপর ঈমান আনয়ন করেছে এমন লোকদের পরিচয়। একসাথে তাওহীদের সম্পর্ক। বাকিগুলো বাই প্রোডাক্ট।
মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করতে গিয়ে তাওহীদের এই ভিত্তিতে ইগনোর করলে আখেরে ঈমান নিয়ে টানাটানি না লাগে!
🔥3
প্রশ্ন:
আমার জীবনে অলসতাবশত অনেক নামায ছুটে গেছে। এজন্য আমি অনুতপ্ত ও লজ্জিত এবং আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা-ইস্তেগফার করছি।
জানার বিষয় হল, আমি কি প্রত্যেক নামাযের আগে-পরে কাযা নামাযগুলো পড়তে পারব? যদি পারা যায় সেক্ষেত্রে আসর ও ফজরের নামাযের পরও কি পারব?
উত্তর:
হাঁ, যে কোনো ফরয নামাযেরই আগে-পরে কাযা নামায পড়তে পারবেন। এমনকি আসর ও ফজরের নামাযের পরও কাযা নামায পড়া যাবে। ফজর ও আসর নামাযের পর ওই ওয়াক্তের ভেতর নফল নামায পড়া মাকরূহ। কিন্তু তখন কাযা পড়া জায়েয আছে। তাতে সমস্যা নেই।
কাযা নামায কেবল তিন সময় পড়া নিষেধ–
১. সূর্যোদয়ের সময় থেকে সূর্য কিছুটা ওপরে ওঠা পর্যন্ত।
২. সূর্য যখন লালবর্ণ ও নিস্তেজ হয়ে যায় তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. ঠিক মধ্যাহ্নের সময়।
এই তিন সময় ছাড়া দিন-রাতের অন্য যে কোনো সময় কাযা নামায পড়া যায়।
তবে উল্লেখ্য যে, কাযা নামায যথাসম্ভব মানুষের অগোচরে পড়াই ভালো। বিশেষত আসর ও ফজরের নামাযের পর। কেননা তখন প্রকাশ্যে নামায পড়লে মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে।
* كتاب >الأصل< للشيباني ১/১২৬-১২৭ : قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكرها بعدما صلى الفجر قبل أن تطلع الشمس، أو ذكرها بعدما صلى العصر قبل أن تتغير الشمس؟
قال: عليه أن يقضيها ساعة ذكرها. ...
قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكره حين طلعت الشمس أو حين انتصف النهار، أو ذكرها حين تغيب الشمس؟ قال: لا يصليها في هذه الساعات الثلاث.
قلت: وكذلك لو كانت الصلاة هي الوتر أو المكتوبة أو غيرها؟ قال: نعم، لا يصلي في هذه الثلاث ساعات ما خلا العصر، فإنه إذا ذكر العصر من يومه ذلك قبل غروب الشمس، صلاها.
–খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৬৮; তুহফাতুল ফুকাহা ১/১০৬; আলহাবিল কুদসী ১/১৫১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৫২; আলবাহরুর রায়েক ১/২৫৩; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৭৫; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৬৯
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
(আপনি যা জানতে চেয়েছেন অংশ হতে)
আমার জীবনে অলসতাবশত অনেক নামায ছুটে গেছে। এজন্য আমি অনুতপ্ত ও লজ্জিত এবং আল্লাহ তাআলার কাছে তওবা-ইস্তেগফার করছি।
জানার বিষয় হল, আমি কি প্রত্যেক নামাযের আগে-পরে কাযা নামাযগুলো পড়তে পারব? যদি পারা যায় সেক্ষেত্রে আসর ও ফজরের নামাযের পরও কি পারব?
উত্তর:
হাঁ, যে কোনো ফরয নামাযেরই আগে-পরে কাযা নামায পড়তে পারবেন। এমনকি আসর ও ফজরের নামাযের পরও কাযা নামায পড়া যাবে। ফজর ও আসর নামাযের পর ওই ওয়াক্তের ভেতর নফল নামায পড়া মাকরূহ। কিন্তু তখন কাযা পড়া জায়েয আছে। তাতে সমস্যা নেই।
কাযা নামায কেবল তিন সময় পড়া নিষেধ–
১. সূর্যোদয়ের সময় থেকে সূর্য কিছুটা ওপরে ওঠা পর্যন্ত।
২. সূর্য যখন লালবর্ণ ও নিস্তেজ হয়ে যায় তখন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
৩. ঠিক মধ্যাহ্নের সময়।
এই তিন সময় ছাড়া দিন-রাতের অন্য যে কোনো সময় কাযা নামায পড়া যায়।
তবে উল্লেখ্য যে, কাযা নামায যথাসম্ভব মানুষের অগোচরে পড়াই ভালো। বিশেষত আসর ও ফজরের নামাযের পর। কেননা তখন প্রকাশ্যে নামায পড়লে মানুষের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা রয়েছে।
* كتاب >الأصل< للشيباني ১/১২৬-১২৭ : قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكرها بعدما صلى الفجر قبل أن تطلع الشمس، أو ذكرها بعدما صلى العصر قبل أن تتغير الشمس؟
قال: عليه أن يقضيها ساعة ذكرها. ...
قلت: أرأيت رجلا نسي صلاة مكتوبة، فذكره حين طلعت الشمس أو حين انتصف النهار، أو ذكرها حين تغيب الشمس؟ قال: لا يصليها في هذه الساعات الثلاث.
قلت: وكذلك لو كانت الصلاة هي الوتر أو المكتوبة أو غيرها؟ قال: نعم، لا يصلي في هذه الثلاث ساعات ما خلا العصر، فإنه إذا ذكر العصر من يومه ذلك قبل غروب الشمس، صلاها.
–খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/৬৮; তুহফাতুল ফুকাহা ১/১০৬; আলহাবিল কুদসী ১/১৫১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৫২; আলবাহরুর রায়েক ১/২৫৩; আদ্দুররুল মুখতার ১/৩৭৫; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৬৯
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
(আপনি যা জানতে চেয়েছেন অংশ হতে)
❤🔥5
যখন ই নিজের ঈমান কমজোর মনে হবে এবং জীবনে বিভিন্ন পেরেশানি চারদিক থেকে চেপে ধরবে দুটি আমল কখনো ছাড়বেন না:
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
সম্ভব হলে হাজারবার পড়ার চেষ্টা করুন।
--- ত হা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
সম্ভব হলে হাজারবার পড়ার চেষ্টা করুন।
--- ত হা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
💯6👍4
শহীদরা মৃত নয়—তারা ইতিহাসের বুকেই বেঁচে থাকে,
আর একটি রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে তাদের রক্তের উপর।
— সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহ।
আর একটি রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে তাদের রক্তের উপর।
— সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহ।
👍10
রজব মাসের করণীয় ও বর্জনীয়
---------------------------------------------
কুরআনে কারীমে যে চারটি মাসকে আল্লাহ পাক বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন, তন্মধ্যে রজব মাস অন্যতম। (সূরা তাওবা ৩৬)
আয়াতটির ব্যাখ্যায় অনেক মুফাসসির বলেছেন, জুলুম ও গুনাহের কাজ সবসময় অপরাধ হলেও উক্ত চার মাস তথা রজব, জিলকাদ, জিলহজ ও মুহাররম এ তা আরো মস্তবড়। তদ্রূপ এ চার মাসে নেক-আমলের প্রতিদানও অনেক বেশি। (দেখুন আয়াতটির ব্যাখ্যায়, তাফসীরে কাবীর, কুরতুবী, ইবনে কাসীর, রুহুল মা’আনী এবং মোল্লা আলী কারী রাহ. রচিত আল-আদব ফী রজব, পৃ. ২৫)
প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. (মৃত্যু ৮৫২ হি.) ‘তাবয়ীনুল আজব’ রিসালায় লিখেন,
لم يرد في فضل شهر رجب، ولا في صيامه، ولا في صيام شيء منه معين، ولا في قيام ليلة مخصوصة فيه حديث صحيح يصلح للحجة.
‘রজব মাসের ফযীলত ও রোযা অথবা এ মাসের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখে রোযা কিংবা বিশেষ কোনো রাত্রি উদযাপন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোন হাদীস বর্ণিত হয় নি।’ (তাবয়ীনুল আজব বিমা ওরাদা ফী ফাযলি রজব, পৃ. ১১)
সুতরাং নির্ভরযোগ্য হাদীসে রজব মাস অথবা এর কোনো দিন বা রাতের কোনো ফযীলত নেই।
#️⃣ কমেন্টে দেয়া আছে পুরো লেখা টা।
---------------------------------------------
কুরআনে কারীমে যে চারটি মাসকে আল্লাহ পাক বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন, তন্মধ্যে রজব মাস অন্যতম। (সূরা তাওবা ৩৬)
আয়াতটির ব্যাখ্যায় অনেক মুফাসসির বলেছেন, জুলুম ও গুনাহের কাজ সবসময় অপরাধ হলেও উক্ত চার মাস তথা রজব, জিলকাদ, জিলহজ ও মুহাররম এ তা আরো মস্তবড়। তদ্রূপ এ চার মাসে নেক-আমলের প্রতিদানও অনেক বেশি। (দেখুন আয়াতটির ব্যাখ্যায়, তাফসীরে কাবীর, কুরতুবী, ইবনে কাসীর, রুহুল মা’আনী এবং মোল্লা আলী কারী রাহ. রচিত আল-আদব ফী রজব, পৃ. ২৫)
প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রাহ. (মৃত্যু ৮৫২ হি.) ‘তাবয়ীনুল আজব’ রিসালায় লিখেন,
لم يرد في فضل شهر رجب، ولا في صيامه، ولا في صيام شيء منه معين، ولا في قيام ليلة مخصوصة فيه حديث صحيح يصلح للحجة.
‘রজব মাসের ফযীলত ও রোযা অথবা এ মাসের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখে রোযা কিংবা বিশেষ কোনো রাত্রি উদযাপন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোন হাদীস বর্ণিত হয় নি।’ (তাবয়ীনুল আজব বিমা ওরাদা ফী ফাযলি রজব, পৃ. ১১)
সুতরাং নির্ভরযোগ্য হাদীসে রজব মাস অথবা এর কোনো দিন বা রাতের কোনো ফযীলত নেই।
#️⃣ কমেন্টে দেয়া আছে পুরো লেখা টা।
❤1
“একজন স্বামীর জন্য নেককার স্ত্রীর দৃষ্টান্ত হলো এমন, যেমন রাজার মাথায় স্বর্ণখচিত মুকুট। আর নেককার স্বামীর কাছে একজন বদকার স্ত্রীর দৃষ্টান্ত হলো এমন, যেমন বৃদ্ধের কাঁধে ভারী বোঝা।”
~আব্দুর-রাহমান ইবনে আবযা (রহ.)
সূত্র: [মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ৩/৫৫৯]
~আব্দুর-রাহমান ইবনে আবযা (রহ.)
সূত্র: [মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ৩/৫৫৯]
❤2
গণত|ন্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রকাশ্যে খু*নের বিচারের জন্যও আন্দোলন করতে হয়।
ইয়েস এটাই গণ'তন্ত্রের সৌন্দর্য।
ইয়েস এটাই গণ'তন্ত্রের সৌন্দর্য।
😭5🔥1