❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
653 subscribers
102 photos
23 videos
144 links
Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
Download Telegram
ফজরের নামাজের ১০ টি উপকারিতা:-
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلاةُ ، فَإِنْ صَلَحَتْ صَلَحَ لَهُ سَائِرُ عَمَلِهِ ، وَإِنْ فَسَدَتْ فَسَدَ سَائِرُ عَمَلِهِ
কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। যদি নামাজ ঠিক হয় তবে তার সকল আমল সঠিক বিবেচিত হবে। আর যদি নামাজ বিনষ্ট হয় তবে তার সকল আমলই বিনষ্ট বিবেচিত হবে। - তাবরানি ১৯২৯।
মূলত নামাজ এমন ইবাদত যা সারা বছর দৈনিক পাঁচ বার আদায় করতে হয়। মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অবস্থাতেই নামাজ মাফ হয় না। এমনকি মৃত্যুশয্যাতেও নামাজ হতে বিরত থাকার কোনো বিধান নেই।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজর নামাজের গুরুত্ব আরো বেশি। হাদিসে এর এত বেশি গুরুত্ব এসেছে যে, যদি একজন মুমিন তন্মধ্য থেকে মাত্র একটিও মনে রাখে তাহলেও এক্ষেত্রে তার গাফলতি অনায়াসে দূর হয়ে যাবে। তার হিম্মত বেড়ে যাবে। ঘুম ও অলসতা কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে। নব প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে সে ফজরের জামায়াতে শরিক হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টায় ব্রতী হবে- ইনশা আল্লাহ।
এ লক্ষে ফজরের নামাজ আদায়ে বিশেষ ১০টি উপকারী দিক আপনাদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরলাম।
০১. ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান।
>> উসমান ইবন আফফান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا قَامَ نِصْفَ اللَّيْلِ ، وَمَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا صَلَّى اللَّيْلَ كُلَّهُ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ঈশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো। - মুসলিম ১০৯৬।
০২. ওই দিনের পুরোটা আল্লাহর জিম্মায় থাকার দুর্লভ সৌভাগ্য।
>> ফজরের নামাজ পড়লেই শুধু এ-ঈর্ষণীয় সৌভাগ্য লাভ করা যাবে। যুনদব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুফইয়ান আলবাজালি রাযি. বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلَا يُتْبِعَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِنْ ذِمَّتِهِ
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল। অতএব আল্লাহ যেন তার জিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনোরূপ অভিযুক্ত না করেন। - তিরমিযি ২১৮৪।
০৩. ফজরের নামাজ কেয়ামতের দিন নূর হয়ে দেখা দেবে।
>> বুরাইদা আল আসলামি রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
بَشِّرِ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যারা আঁধারে (ফজর নামাযে) মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদের কেয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নূর প্রাপ্তির সুসংবাদ দাও। - আবু দাউদ ৪৯৪।
০৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাত প্রাপ্তির সুসংবাদ।
>> আবূ যুহাইর ‘উমারাহ ইবনে রুআইবাহ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে,
لَنْ يَلِجَ النَّارَ أَحَدٌ صَلَّى قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا» يعني: الفَجْرَ والعَصْرَ
যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে (অর্থাৎ ফজরের ও আসরের নামাজ) আদায় করবে, সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। - মুসলিম ৬৩৪, নাসায়ি ৪৭১, ৪৮৭, আবু দাউদ ৪২৭।
০৫. মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
لَيْسَ صَلاَةٌ أَثْقَلَ عَلَى المُنَافِقِينَ مِنْ صَلاَةِ الفَجْرِ وَالعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْواً
মুনাফিকদের উপর ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। যদি তারা এর ফজিলত ও গুরুত্ব জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছার ভরে অবশ্যই (মসজিদে) উপস্থিত হত। - বুখারি ৬৫৭, ৬৪৪, ৬৫৭, ২৪২০, ৭২২৪, মুসলিম ৬৫১।
০৬. সরাসরি আল্লাহর দরবারে নিজের নাম আলোচিত হবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
يَتَعَاقَبُونَ فِيكُمْ مَلاَئِكَةٌ بِاللَّيْلِ وَمَلاَئِكَةٌ بِالنَّهَارِ ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلاَةِ الفَجْرِ وَصَلاَةِ العَصْرِ ، ثُمَّ يَعْرُجُ الَّذِينَ بَاتُوا فِيكُمْ ، فَيَسْأَلُهُمْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ : كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي ؟ فَيَقُولُونَ : تَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ ، وَأَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ
তোমাদের কাছে পালাক্রমে দিনে ও রাতে ফেরেশতারা আসে। তারা আসর ও ফজরের সময় একত্রিত হয়। যারা রাতের কর্তব্যে ছিল তারা ওপরে উঠে যায়। আল্লাহ তো সব জানেন, তবুও ফিরিশতাদেরকে প্রশ্ন করেন, আমার বান্দাদেরকে কেমন রেখে এলে? ফেরেশতারা বলে, আমরা তাদেরকে নামাজরত রেখে এসেছি। যখন গিয়েছিলাম, তখনো তারা নামাজরত ছিল। - বুখারি ৫৪০।
4
০৭. দুনিয়া আখেরাতের সেরা বস্তু অর্জিত হয়ে যাবে।
>> আয়েশা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। - মুসলিম ১২৪০।
০৮. পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে, যদি সে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকে।
>> আনাস ইবন মালিক রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْغَدَاةَ فِي جَمَاعَةٍ ثُمَّ قَعَدَ يَذْكُرُ اللَّهَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ، كَانَتْ لَهُ كَأَجْرِ حَجَّةٍ ، وَعُمْرَةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায়ান্তে বসে আল্লাহর যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য উদয় হওয়ার পর দুই রাকাত নফল নামাজ (ইশরাক) আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে। ‘পরিপূর্ণ’ এ শব্দটি তিনি তিনবার বলেছেন। - তিরমিযি ৫৮৬।
০৯. তুলনাহীন গণিমত লাভ করবে।
>> উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ নাজদের দিকে এক অভিযানে একটি সেনাদল পাঠান। তারা প্রচুর গণিমতের সম্পদ অর্জন করে এবং তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। তাদের সাথে যায়নি এমন এক লোক বলল, অল্প সময়ের মধ্যে এত পরিমাণে উত্তম গণিমত নিয়ে এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি আর কোন সেনাদলকে আমরা ফিরে আসতে দেখি নি। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى قَوْمٍ أَفْضَلُ غَنِيمَةً وَأَسْرَعُ رَجْعَةً ؟ قَوْمٌ شَهِدُوا صَلَاةَ الصُّبْحِ ثُمَّ جَلَسُوا يَذْكُرُونَ اللَّهَ حَتَّى طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأُولَئِكَ أَسْرَعُ رَجْعَةً وَأَفْضَلُ غَنِيمَةً
আমি কি তোমাদেরকে এমন এক দলের কথা বলব না যারা এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তম গণিমত নিয়ে ফিরে আসে? যারা ফজরের নামাজের জামা’আতে হাযির হয়, (নামাজ শেষে) সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহ্ তা’আলার যিকির করতে থাকে, তারাই অল্প সময়ের মধ্যে উত্তম গণিমতসহ প্রত্যাবর্তনকারী। - তিরমিযি ৩৬৪১।
১০. কেয়ামতের দিন সরাসরি আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য লাভ।
>> এটি হচ্ছে সর্বোত্তম পুরস্কার। জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল বাজলী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ তিনি পূর্ণিমার রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন,
أَمَا إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا، لاَ تُضَامُّونَ ـ أَوْ لاَ تُضَاهُونَ ـ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ‏”‌‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏”‏ فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا
শোন! নিশ্চয় তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে তেমনি স্পষ্ট দেখতে পাবে, যেমন স্পষ্ট ঐ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই তোমরা যদি সূর্য উঠার আগের নামাজ ও সূর্য ডুবার আগের নামাজ আদায়ে সমর্থ হও, তাহলে তাই কর। তারপর তিনি এ আয়াত তেলাওয়াত করলেন, “সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ করুন।” - বুখারি ৫৭৩।
আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে যথা নিয়মে জামাআতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত, মর্যাদা ও উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন,আমিন ৷
6
গুনাহ বেড়ে গেলে কুরআন তিলাওয়াতের মতো দামী ইবাদত অনেক ভারী হয়ে যায়।
😢9
একটি বিয়ের অসাধারণ কাহিনী!
.
সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর পিতা নাজমুদ্দীন আইয়ুব দীর্ঘদিন পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন। তিনি তিকরীতের আমীর থাকাকালীন সময়ে তার ভাই আসাদুদ্দীন শেরকুহ জিজ্ঞেস করলেন,
-হে আমার ভাই! তুমি বিয়ে করছো না কেনো?
– ভাইজান! আমি নিজের জন্যে কোনো উপযুক্ত মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না!
— আমি কী তোমার জন্যে কোনো মেয়েকে প্রস্তাব দেবো?
– কাকে?
– বাদশাহ মালিকশাহের কন্যা অথবা প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে।
নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, এরা কেউই আমার জন্যে উপযুক্ত নয়!
শেরকুহ অবাক হয়ে বললেন,
– তাহলে কে তোমার জন্যে উপযুক্ত হবে?
– আমি এমন নেককার নারী চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন সন্তান জন্ম দিবে যার উত্তম লালন-পালন সে করবে, এমতাবস্থায় সে যুবক হবে এবং হবে একজন অশ্বারোহী। আর মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ফিরিয়ে আনবে। (নাজমুদ্দীনের সহজ জবাব)
.
এটাই ছিলো নাজমুদ্দীনের স্বপ্ন। তাঁর ভাইয়ের এ কথা পছন্দ হলো না, বললেন, তোমার জন্যে এ রকম মেয়ে কোথায় পাবে? নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, যে আল্লাহর জন্যে ইখলাসের সাথে নিয়ত করে, আল্লাহ তার নিয়ত পূর্ণ করেন।
.
এর কয়েকদিন পর নাজমুদ্দীন তিকরীতের এক শায়খের সাথে বসে কোনো এক মসজিদে আলাপ করছিলেন। তখন এক যুবতী মেয়ে আসলো এবং পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে ডাকলো। তখন শায়খ ওই যুবতী মেয়ের সাথে আলাপ করার জন্যে নাজমুদ্দীনের কাছ থেকে অনুমতি চাইলেন।
.
অনুমতি পেয়ে শায়খ ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,
– কেনো তুমি ওই যুবকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে যাকে আমি তোমাদের ঘরে পাঠিয়েছিলাম?
– হে শায়খ! এ কথা সত্য যে, এই যুবক সৌন্দর্য্যে এবং বংশমর্যাদায় পরিপূর্ণ, কিন্তু সে আমার উপযুক্ত নয়!
– তাহলে তুমি কী চাও?
– হে প্রিয় শায়খ! আমি এমন যুবক চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন একটি সন্তান জন্ম দিবে, যার লালনপালন সে উত্তমভাবে করবে; এমতাবস্থায় যখন সন্তানটি যুবক হবে, আমি তাকে দেখতে পাবো একজন তাজাদম অশ্বারোহীর রূপে।
আর সে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে দখলদার খৃষ্টানদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনবে!
.
আল্লাহু আকবার!
এটাতো সেই বাক্য, যা নাজমুদ্দীন তাঁর ভাইকে বলেছিলেন।
নাজমুদ্দীন বাদশাহের মেয়ে এবং মন্ত্রীর মেয়েকে ত্যাগ করলেন।
আর এই মেয়ে সুন্দর-অভিজাত বংশের ছেলেকে ত্যাগ করলো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য!
আর আল্লাহ তাদের এই এখলাসের বদৌলতে জোড়া মিলিয়ে দিলেন!
.
ভাইকে খুশিমতো পাত্রী মিলে যাবার খবর জানিয়ে নাজমুদ্দীন বিয়ে করে ফেললেন।
তাঁদেরই ঔরসে জন্ম নিলেন গাজী সালাউদ্দীন আইয়ুবী রাহিমাহুল্লাহ।
যিনি সারাটা জীবনই আল্লাহর রাস্তায় ওয়াক্বফ্ করে দিয়েছিলেন। তিনি খৃষ্টানদেরকে পরাজিত  করে ফিরিয়ে এনেছিলেন মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ক্বিবলা- মাসজিদে আক্বসা।

এই কাহিনী টা আমার নিজের চিন্তা ভাবনার সাথে এতটাই মিলে গেছে।আমি নিজে'ও সবসময় এরকম স্বপ্ন দেখি,আমি এরকম কাউকে'ই আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই যে আমাকে বীর মুজাহিদ সন্তান উপহার দিতে পারবে, সে সন্তান যখন যুবক হবে তখন সে মুসলিম উম্মাহর ক্লান্তি কালে মুসলিমদের ঢাল হয়ে ইহুদী, খ্রিষ্টান, কাফির,মুশরিকদের বুকে ভয় ও আতংক ঢুকিয়ে দিবে এবং অন্যায়,অত্যাচারের রিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে ইনশাআল্লাহ ।  আমি এমন জীবনসঙ্গী  চাই যে আমার হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। হে আমার রব আপনি আমার চাওয়া গুলোকে পূর্ণতায় রুপ দিয়েন।। (আমিন) ©
12
"বয়স আমার ৮০ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো আমার সবচেয়ে বেশি ভয় লাগে নারীর ফিতনাকে।" [১]

-প্রখ্যাত তাবেয়ি সাঈদ ইবনুল মুসায়িব (রহ.)
.
"গায়রে মাহরাম নারীর সাথে একান্তে অবস্থান করো না। এমনকি তাকে তুমি আল্লাহর কালাম শেখাবে—এই অজুহাতেও না।" [২]

-মায়মুন বিন মিহরান (রহ.)
.
[১] হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/১৬৬
[২] আল-আদাবুশ শারইয়াহ, ২/১৮
😢84👍3
অন্তরে গুনাহর অবস্থান হচ্ছে কাপড়ে তেল লেগে যাবার মত ব্যাপার। আপনি যদি তা ধুয়ে ফেলার জন্য তাড়াহুড়া না করেন তাহলে তা বিস্তার লাভ করবে।

~ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহ.) 
সুত্র: [আল মুদহিশ, পৃ: ৩৫৭]
😢4
চট্টগ্রাম বিপ্লব উদ্যান যেনো একটি ভ্রাম্যমান প_তি-তা-লয়...!

চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর ২ নং গেইট এলাকার বিপ্লব উদ্যান বা জিয়া উদ্যান এখন পরিবার নিয়ে ঘুরার মতো পরিবেশ নেই বললেই চলে।এটি এখন হয়ে গেছে প_তি-তা-দের অভয়ারণ্য।ওখানে সন্ধ্যা বেলা কতগুলো পতিতা সবার সামনে প্রকাশ্যে সে_*ক্স করার অফার দেয়।

তারা উঠতি বয়সের ছেলেদের টার্গেট করে তাদেরকে কুপ্রস্তাব দেয়। যার ফলে অধিকাংশ ছেলেরাই তাদের দ্বারা প্ররো-চিত হয়ে বি-পথে যাচ্ছে।

প_তি-তা নামক এই মহিলাগুলো স্ত্রীর সামনে স্বামীকে পর্যন্ত খদ্দের হওয়ার প্রস্তাব দেয়।

চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের এই ব্যাপারে প্রতি-বাদ এবং প্রতি-রোধ গড়ে তোলার জন্য অনুরোধ করছি।

চট্টগ্রাম-এী ইসলামী দলগুলোর নেতৃবৃন্দরা এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিলে আমাদের যুব সমাজ প_তি-তা-দের নোং-রা থা-বা থেকে বাঁচবে।

সবাই এগিয়ে আসুন। প্রতি-রোধ করুন এদের নিজ সন্তানের স্বার্থে হলেও। ©

Join : https://t.me/Islamicproverbs07
😢5👍1
وہ مسلمان تھا جو تھا شان سے جیتا تھا مر کر
اور آج وہ مسلمان ہے جو شرم سے جیتا ہے مر کر

যে মুসলমান একসময় মরে গিয়েও মর্যাদা নিয়ে বাঁচত,
আজ সেই মুসলমান বেঁচে থেকেও লজ্জায় মরে যায়।

- বিশ্বকবি আল্লামা ইকবাল
👍7
সফলকাম ওই সব মুমিন, যারা তাদের নামাজে খুশু-খুজু (পূর্ণ মনোযোগ) অবলম্বন করে।

— সুরা মুমিনুন : ১-২
10👍1
হাসান বসরী রহিমাহুল্লাহ একবার এক লোকের জানাযায় গেলেন। সেখানে আরেক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন:

আচ্ছা! বলো তো এই লোক যদি আবার দুনিয়ার ফেরত আসতে পারতো তাহলে সে কী আশা করতো বলে মনে হয় তোমার?

সে জবাব দিলো: শাইখ! সে অবশ্যই চাইতো তার জীবন যেন বিগত জীবনের চেয়ে ভালো হয় ও আমল-ইখলাস যেন আরো উত্তম হয় সেটাই আশা করতো।

হাসান বসরী রহিমাহুল্লাহ বললেন: সে যা চাইতো বলে তোমার মনে হয় তুমিই তা হও তোমার মৃত্যু আসার আগে আগেই।

কী ভারী নসীহাহ কল্পনা করা যায়!
9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Surah Ankabut | Maher Al-Mu’aiqly

ولئن سألتهم من نزل من السماء ماء ||
[سورة العنكبوت] ||
القارئ ماهر المعيقلي

#allah@Islamicproverbs07
4
আমি এমন অনেক মানুষকে দেখি, যারা সীমাহীন গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহের মধ্যে লিপ্ত। তারা গোনাহ করতে করতে যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে। তাদের এগুলো করার কারণ হলো, তারা আল্লাহ তাআলার পাকড়াওয়ের বিষয়টি হালকাভাবে নিয়েছে। তারা ধারণা করছে, তারা যে ভালো কাজগুলো করে যাচ্ছে, এগুলোই সেই গোনাহের সমপরিমাণ ও সমতুল্য হয়ে যাবে। এভাবেই তাদের ধারণার জাহাজ চলতে থেকেছে। কিন্তু কখন যে এখানে আল্লাহর কৌশলের পানি ঢুকে পড়েছে এবং জাহাজকে ডুবিয়েছে— তাদের কোনো খবরই নেই।

[বই : হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ. ২৪০]
😢10👍1😭1
সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “তুমি যদি এমন যুগে বাস করো যখন লোকেরা কাজের চেয়ে কোথায় বেশি মুগ্ধ হয়, আমলের চেয়ে জ্ঞান নিয়ে বাকবিতণ্ড বেশি পছন্দ করে; তাহলে বুঝে নিয়ো— তুমি সবচেয়ে নিকৃষ্ট সময়ে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষদের সাথে বাস করছো।”

সূত্র: [ইবতাল আল-হিয়াল ১/৩৪]
6
"কুরআনের সাথে বন্ধুত্ব করুন।

এর সাথে আপনার বন্ধুত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি এর গোপন রহস্যগুলো উদ্ধার করতে পারবেন।

প্রথম দেখাতে কোনো বন্ধুই তার গোপন জিনিস প্রকাশ করে দেয় না। "
.
- শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল হাফিজাহুল্লাহ
👍52
অবিশ্বাস্য এ ঘটনা দুটি পড়লে আপনার বিবেক নাড়া দেবে!
বুখারাতে একজন দোকানদার বাস করতেন। তার স্ত্রী খুব সুন্দরী ও নেককার ছিল। তার ঘরে প্রায় বারো-পনেরো বছর ধরে এক ছেলে পানি দিয়ে যেত। একদিন পানি দিতে এসে সে ঐ মহিলার হাত ধরে ফেলল। এরপর কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে বেরিয়ে গেল।

মহিলা খুবই বিচলিত হলেন এই ভেবে যে, ছেলেটা প্রায় পনেরো বছর আমাদের ঘরে আসা-যাওয়া করছে। অথচ শেষ পর্যন্ত এমন করতে পারল সে! এটা ভেবে মহিলা কেঁদে দিল এবং খুব গম্ভীর হয়ে রইল।

ইতোমধ্যে স্বামী ঘরে এসে দেখল তার স্ত্রী কাঁদছে। সে তাকে কারণ জিজ্ঞেস করল। জানতে চাইল, কেন সে কাঁদছে? মহিলা স্বামীর কাছে সব খুলে বলল।

এবার স্বামীও কাঁদতে শুরু করল। স্ত্রী বলল, ‘তোমার আবার কী হলো? তুমি কাঁদছ কেন?’ স্বামী বলল, ‘দোষ ঐ ছেলের না, আমার।’

স্ত্রী বলল, ‘কীভাবে?’

স্বামী উত্তর দিল, ‘আজ এক মহিলা চুড়ি কিনতে এসেছিল। সে চুড়ি পছন্দ করে আমাকে বলল তার হাতে পরিয়ে দিতে। চুড়ি পরাতে গিয়ে অনুভব হলো, তার হাত খুব মোলায়েম ও সুন্দর। তাই আমি কামভাব নিয়ে তার হাত চটকিয়ে দিয়েছিলাম। এর বদলা হিসেবে ঐ ছেলে তোমার হাত চটকিয়েছে।’

এরপর ঐ লোক বলল, ‘আমি তাওবা করছি। আর জীবনেও এমন গুনাহ করব না।’ এরপর বলল, ‘আজকের পর ঐ ছেলে যদি কখনো এমন করে তাহলে অবশ্যই আমকে জানাবে।’

পরের দিন সেই ছেলে আবার আসল। এসেই মহিলার সামনে কাচুমাচু হয়ে বলল, ‘গতকাল আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গিয়েছিলাম। তাই আমার দ্বারা এমন গুনাহ হয়ে গেছে। খালিস দিলে তাওবা করেছি। আর কক্ষনো এমন হবে না। আপনি দয়া করে আমাকে মাফ করে দিন।’
.
এখন দেখুন, ঐ ব্যক্তি পরনারীর সাথে যেমন আচরণ করেছে তার স্ত্রীর সাথেও আরেকজন তেমন আচরণ করেছে। আবার সে যখন তাওবা করেছে তখন অন্যজনও সাথে সাথে তাওবা করেছে।
.

.
এই ঘটনা এক আলিম জনৈক বাদশাকে শুনানোর পর বাদশা বলল, ‘আমি এটা বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখতে চাই।’ বাদশা কখনও কারও সাথে এমন অনাকাঙ্খিত কিছু করেনি। তাই সে তার মেয়েকে বলল, ‘তুমি শাহী পোশাক খুলে সাধারণ পোশাক পরিধান করে শহর থেকে একটু ঘুরে আসো।’ একজন দাসীকেও তার সাথে দিল। যাতে করে কী কী ঘটনা ঘটে এটা সে বলতে পারে।

শাহজাদী পুরো শহর ঘুরে এল। কেউ তার দিকে চোখ তুলেও তাকাল না। প্রাসাদে ফিরে এসে সে নিজের কামরার দিকে যাচ্ছিল। তার গায়ে তখন সাধারণ পোশাক। দেখে বুঝাই যাচ্ছিল না যে, এ শাহজাদী। তাই একজন কাজের ছেলে তাকে প্রাসাদের দাসী মনে করে চুমো দিয়ে বসল এবং মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে কেটে পড়ল।

শাহজাদী এসে তার বাবাকে সব খুলে বলল। বাদশা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, ‘সেই আলিম ঠিকই বলেছিল। আমার এখন স্মরণে এসেছে। যৌবনের শুরুতে এক মেয়ের সাথে আমি ঠিক এই রকম একটা ব্যবহার করেছিলাম। আমি যে কাজ করেছিলাম আমার মেয়ের সাথেও তাই ঘটেছে।’ এটাই হলো কিসাস বা শোধ।
.
অনেক সময় দেখা যায় ব্যভিচার করে ভাই কিন্তু তার মুল্য দিতে হয় বোনকে। অর্থাৎ অন্য কেউ তার বোনের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। এমনিভাবে অপরাধ করে বাবা বা স্বামী আর তার মুল্য চুকাতে হয় মেয়ে বা স্ত্রীকে। এর উল্টাটাও হয়। এটা আল্লাহ তাআলার একটা নেজাম।

এই কারণে যেসব যুবকেরা সব সময় এসব নোংরা কাজের চিন্তায় থাকে তাদের মনে রাখা উচিত যে, তাদেরও বোন আছে, মেয়ে আছে, স্ত্রী আছে। তারা যদি অন্যের ইজ্জত-আব্রুর দিকে চোখ তুলে তাকায় তাহলে তাদের ইজ্জত-আব্রুর দিকেও অন্যরা চোখ তুলে তাকাবে। তাই এইসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা উচিত।

ইমাম শাফিয়ি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘যিনা হলো বান্দার জন্য কর্য স্বরূপ। এই কর্য তার নিকটাত্মীয় কারও মাধ্যমেই শোধ করা হয়।’

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

ঘটনাটি নেওয়া হয়েছে 'দরদমাখা আহ্বান' বই থেকে
মূল-'মাওলানা যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দি'
অনুবাদক- আবদুল্লাহ আল মাসউদ

🔻
অনেকে তালাকের পর বউয়ের সাথে যেনা করতে থাকেন, বউ থাকতে পরকিয়ার যেনা করতে থাকেন, অন্যের বউয়ের সাথে ফস্টিনষ্টি করেন। মাথায় রাখবেন, আপনার বোন বা আত্মীয়েরও কিন্তু তালাক হয়ে যেনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, কারণ যেরার কর্য পরিশোধ হিসেবে। আবার বোন বা আত্মীয়ের স্বামীও অথবা বোন নিজে অন্যের সাথে ফস্টিনষ্টি করে পরকিয়ার যেনায় লিপ্ত হয়ে তাদের সংসার ভাঙবে কর্য পরিশোধ হিসেবে। সুতরাং আসুন সবাই তওবা করে ক্ষমা পেয়ে সুন্দর জীবনযাপন করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফীক দিন। আমীন।
,©
1
পনেরটি অপরাধের কারণে ভুমিকম্প আসবে, সবগুলোই আমাদের মাঝে বিরাজমান। তাই পাপ থেকে ফিরে আসা সময়ের দাবি।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

إِذَا اتُّخِذَ الْفَىْءُ دُوَلاً
যখন গানীমাতের (যুদ্বলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে,

وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا
আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে,

وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا
যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে,

وَتُعُلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ
ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে,

وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ
পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে

وَعَقَّ أُمَّهُ
কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে,

وَأَدْنَى صَدِيقَهُ
বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে,

وَأَقْصَى أَبَاهُ
কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে,

وَظَهَرَتِ الأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ
মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে,

وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ
পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে,

وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ
নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে,

وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ
কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে,

وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَازِفُ
গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে,

وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ
মদ পান করা হবে,

وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَوَّلَهَا
এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে,

فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْرَاءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ ‏"‏
তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে।

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১।

~ মাওলানা আরিফ বিন হাবিব হাফিজাহুল্লাহ।
😢8
ক্যা'ন্সার আক্রান্ত এক যুবকের শেষ স্ট্যাটাস:
"যদি তোমার শরীর সুস্থ থাকে, তবে রবের কাছে আর কিছুই চেয়ো না" আলহামদুলিল্লাহ।
10😢1
এনসিপিকে ভালো করে ধরা দরকার।

তারা অফিসিয়ালি আল্লাহর নামে কটুক্তিকারী পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

এর আগে তারা পশ্চাৎদেশের নাগরিকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো,

তারা এর আগেও আল্লাহ ও রসূলের নামে কটুক্তির ইস্যুতে চুপ ছিলো।

এনসিপিতে যেসব আলেম আছে লজ্জা থাকলে তাদের পদত্যাগ করা উচিত, অথবা মেরুদণ্ড থাকলে অফিসিয়ালি মাফ চাইতে বাধ্য করা উচিত।

মেহেদী ভাইয়ের ওয়াল থেকে কপি করে দিলাম, কারণ এটাই আমার বক্তব্য।
👍5
জীবন থেকে একটু একটু করে মুহূর্তের হারিয়ে যাওয়া যদি তোমার দৃষ্টিগোচর হতো, তবে তুমি দেখতে মুহূর্তের দরিয়ায় কি উত্তাল ঢেউ। শব্দহীন স্রোতে কি অবলীলায়ই না সময় হারিয়ে যাচ্ছে।

দু-পাশে স্মৃতির পাহাড় দাঁড় করিয়ে মুহূর্তের অতীত ধ্বসে পড়ার শব্দ যদি তুমি শুনতে পেতে, তবে তুমি বুঝতে একটা জীবন ঠিক কতটা দামি। যেখানে প্রতি সেকেন্ডের জন্য শতকোটি প্রাণের বাঁচামরার নির্বাক লড়াই চলে। তুমি বুঝতে, হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলো কতটা প্রাসঙ্গিক ছিল। ঝরে পড়া নৈঃশব্দের দীর্ঘশ্বাস ভাঙার শব্দ তোমার উদ্দেশ্যহীন জীবনটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দিতে পারত। কিন্তু আফসোস, মুহূর্তের বুদবুদ তুমি চিনেও চেননি। দেখেও দেখনি। অথচ তুমি জানতে, জীবন হচ্ছে সময়ের বুদবুদ।

বই: মুঠো মুঠো রোদ্দুর
: এনামুল হক ইবনে ইউসুফ
7
– অন্তরে মরিচা পড়ে দুই ভাবে।
১. গাফিলতির মাধ্যমে।
২. গুনাহের মাধ্যমে।

– আর এই মরিচা দূর করার পদ্ধতিও দুটি।
১. ইস্তিগফার করার মাধ্যমে।
২. আল্লাহ'র জিকিরের মাধ্যমে।

• [আল ওয়াবিলুস সায়্যিবঃ ১০৬]
👍11
কত মানুষ যে আছে, যার নৌকা নাজাতের তীরে
পৌঁছে গিয়েছিল, তারপর যখন সে তীরে নামবে, হঠাৎ প্রবৃত্তির ঢেউ তার উপর আছড়ে পড়ল, সে ডুবে গেল।
.
- ইবন রজব (রাহিমাহুল্লাহ)
[লাত্বায়েফুল মা’আরিফ: পৃ. ৩৪০]
6👍2