*إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى*
*النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا*
*عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ♥️.*
*النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا*
*عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ♥️.*
❤🔥4❤1
যখন একাকিত্বে তোমার অন্তর গুনাহের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন দুটি আশ্রয়ে ফিরে যাও—
১. নামাজ। কারণ নামাজ হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগিয়ে তোলে, আর সেই স্মরণ তোমাকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।
২. কুরআন তিলাওয়াত। কারণ কুরআন এমন পথ দেখায়, যা মানুষকে সত্য, শান্তি ও সঠিকতার পথে পরিচালিত করে।
বি.দ্র.: এই বাণীটি ড. আলী সাল্লাবীর একটি পোস্ট থেকে নেওয়া।
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
১. নামাজ। কারণ নামাজ হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগিয়ে তোলে, আর সেই স্মরণ তোমাকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।
২. কুরআন তিলাওয়াত। কারণ কুরআন এমন পথ দেখায়, যা মানুষকে সত্য, শান্তি ও সঠিকতার পথে পরিচালিত করে।
বি.দ্র.: এই বাণীটি ড. আলী সাল্লাবীর একটি পোস্ট থেকে নেওয়া।
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
❤10🔥3
যখন তুমি দেখবে তোমার হৃদয় কুরআন থেকে দূরে যাচ্ছে, ইবাদতে অলসতা আসছে, আর গুনাহের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এখন তোমার কর্তব্য হলো তাওবা করা, কান্না করা, আর নিজের নফসের সাথে জিহাদ করা।
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
😭6❤1
প্রশ্ন :
একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
আসরের পর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাযা নামায পড়া জায়েয। এ সময় কাযা নামায পড়া মাকরূহ নয়। হাঁ, এ সময় কোনো নফল নামায পড়া মাকরূহ।কেননা, হাদিস শরিফে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -ﷺ- نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ
রাসূল ﷺ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ১৯৫৭)।
তবে এ সময় মসজিদে কাযা নামায পড়বে না। কারণ এতে অন্য কেউ ভুল বুঝতে পারে। তাই আসরের পর কাযা আদায় করতে চাইলে তা ঘরে পড়াই ভাল হবে। আর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে গেলে কাযা নামায বা যে কোনো নফল পড়া নাজায়েয।
একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
আসরের পর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাযা নামায পড়া জায়েয। এ সময় কাযা নামায পড়া মাকরূহ নয়। হাঁ, এ সময় কোনো নফল নামায পড়া মাকরূহ।কেননা, হাদিস শরিফে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -ﷺ- نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ
রাসূল ﷺ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ১৯৫৭)।
তবে এ সময় মসজিদে কাযা নামায পড়বে না। কারণ এতে অন্য কেউ ভুল বুঝতে পারে। তাই আসরের পর কাযা আদায় করতে চাইলে তা ঘরে পড়াই ভাল হবে। আর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে গেলে কাযা নামায বা যে কোনো নফল পড়া নাজায়েয।
-শরহু মুখতাসারিত তহাবী ১/৫৪৩; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৬৫৫; আলমুহীতুল বুরহানী ২/১০; আলবাহরুর রায়েক ২/২৫১; রদ্দুল মুহতার ১/৩৭৫
❤4
প্রশ্ন :
নামাযে সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি কী? উভয় সালাম কোত্থেকে শুরু করবে এবং কোথায় শেষ করবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা ডানদিকে ফেরাবে। তেমনিভাবে দ্বিতীয় সালামের ক্ষেত্রেও চেহারা সামনের দিকে এনে কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা বাম দিকে ফেরাবে।
* >الكوكب الدري< ١/১৪০ : (تحت حديث عائشة رضي الله عنها أن رسول الله ‘صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه، ثم يميل إلى الشق الأيمن شيئاً) أي يأخذ فيها من تلقاء وجهه ويختمها إذا مال وجهه إلى اليمين. وكذا الحكم في تسليم اليسار. لكنها اكتفت بذكر تسليمة؛ لما أن مقصودها بالذكر إنما هو بيان التسليمة، من أين تبتدأ وبيان كيفيتها كيف هي.
–আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৩/৪৫৮; লামিউদ দারারী ১/১৪০; মাআরিফুস সুনান ৩/
১১০
নামাযে সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি কী? উভয় সালাম কোত্থেকে শুরু করবে এবং কোথায় শেষ করবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা ডানদিকে ফেরাবে। তেমনিভাবে দ্বিতীয় সালামের ক্ষেত্রেও চেহারা সামনের দিকে এনে কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা বাম দিকে ফেরাবে।
* >الكوكب الدري< ١/১৪০ : (تحت حديث عائشة رضي الله عنها أن رسول الله ‘صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه، ثم يميل إلى الشق الأيمن شيئاً) أي يأخذ فيها من تلقاء وجهه ويختمها إذا مال وجهه إلى اليمين. وكذا الحكم في تسليم اليسار. لكنها اكتفت بذكر تسليمة؛ لما أن مقصودها بالذكر إنما هو بيان التسليمة، من أين تبتدأ وبيان كيفيتها كيف هي.
–আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৩/৪৫৮; লামিউদ দারারী ১/১৪০; মাআরিফুস সুনান ৩/
১১০
❤5
🌿 আমলের পথে এক শিক্ষা 🌿
দরুদ শরীফের ফজিলত শুনে এক হাজার বার পড়ার নিয়ত করেছিলাম। আল্লাহ তায়ালা এমন এক মুমিন বান্দার সঙ্গে দেখা করালেন, যিনি মাঝে মাঝে ৫,০০০ বার পর্যন্ত পড়েন।
কয়েকদিনে হাজার হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর মনে একধরনের বুজুর্গি ভাব জেগে উঠল। ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা এমন এক বান্দার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যিনি একদিনেই ১৭,৫০০ বার ইস্তিগফার শেষ করেন।
সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পড়ার পর ভাবলাম, এমন আমল আর কয়জন করে? পরক্ষণেই আল্লাহ তায়ালা এমন একজন ভাইয়ের সাক্ষাৎ দিলেন, যিনি বললেন, “ভাই, আমি অন্য জিকির করতে পারি না, তাই প্রতিদিন ১,০০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পড়ার চেষ্টা করি — এতে কোনো সমস্যা হবে?”
একদিন আধা পারা কুরআন তিলাওয়াত করে নিজেকে খুব সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। বাইরে বের হয়েই এমন একজনের কথা শুনলাম, যিনি প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ পারা নিয়মিত তিলাওয়াত করেন, আর একটু বেশি না পারার আফসোস করেন।
সপ্তাহে এক-দুই দিন কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতাম। পরে আল্লাহ তায়ালা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যার পুরো বছরে তাহাজ্জুদ বাদ যায় না বললেই চলে।
আমাদের আশেপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আমল কল্পনারও অতীত।
একবার চিন্তা করি— হাশরের মাঠে আমাদের আমলগুলো সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আমলের সঙ্গে তুলনা করা হবে!
তাই এখনই সচেতন হই, নিজের আমলগুলো পরিশুদ্ধ করি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাই। 🌸
দরুদ শরীফের ফজিলত শুনে এক হাজার বার পড়ার নিয়ত করেছিলাম। আল্লাহ তায়ালা এমন এক মুমিন বান্দার সঙ্গে দেখা করালেন, যিনি মাঝে মাঝে ৫,০০০ বার পর্যন্ত পড়েন।
কয়েকদিনে হাজার হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর মনে একধরনের বুজুর্গি ভাব জেগে উঠল। ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা এমন এক বান্দার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যিনি একদিনেই ১৭,৫০০ বার ইস্তিগফার শেষ করেন।
সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পড়ার পর ভাবলাম, এমন আমল আর কয়জন করে? পরক্ষণেই আল্লাহ তায়ালা এমন একজন ভাইয়ের সাক্ষাৎ দিলেন, যিনি বললেন, “ভাই, আমি অন্য জিকির করতে পারি না, তাই প্রতিদিন ১,০০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পড়ার চেষ্টা করি — এতে কোনো সমস্যা হবে?”
একদিন আধা পারা কুরআন তিলাওয়াত করে নিজেকে খুব সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। বাইরে বের হয়েই এমন একজনের কথা শুনলাম, যিনি প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ পারা নিয়মিত তিলাওয়াত করেন, আর একটু বেশি না পারার আফসোস করেন।
সপ্তাহে এক-দুই দিন কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতাম। পরে আল্লাহ তায়ালা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যার পুরো বছরে তাহাজ্জুদ বাদ যায় না বললেই চলে।
আমাদের আশেপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আমল কল্পনারও অতীত।
একবার চিন্তা করি— হাশরের মাঠে আমাদের আমলগুলো সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আমলের সঙ্গে তুলনা করা হবে!
তাই এখনই সচেতন হই, নিজের আমলগুলো পরিশুদ্ধ করি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাই। 🌸
❤9👍1
- কষ্টের সবচেয়ে বড় নিয়ামাহ হচ্ছে! উপলব্ধি করা!
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই! কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই! ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!
- আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই! আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
- কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!
- যাইনাব আল গাযী!
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই! কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই! ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!
- আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই! আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
- কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!
- যাইনাব আল গাযী!
❤8
"দ্বীন ও দুনিয়ার সকল প্রয়োজন পূরা হওয়ার মাধ্যম হলো ইস্তিগফার, তথা আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা।"
[মাআসিরে হাকীমুল উম্মত, ৫২১]
[মাআসিরে হাকীমুল উম্মত, ৫২১]
❤5
"হে আদম সন্তান! কুরআন পড়ে তোমার অন্তর কীভাবে নরম হবে, যেখানে তোমার উদ্দেশ্যই থাকে সূরাটা দ্রুত শেষ করা?"
— হাসান আল-বসরি (রহ.)
[মুখতাসারু কিয়ামিল্লাইল, মারওয়াযী, পৃ. ১৫০]
— হাসান আল-বসরি (রহ.)
[মুখতাসারু কিয়ামিল্লাইল, মারওয়াযী, পৃ. ১৫০]
😭5
যি*না কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জা*হা*ন্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!‼️
■ যি*না কাকে বলে?
কোন কাজ গুলো যি*না?
যি*না সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যি*না করার পূর্বে এই হাদীসটি একবার পড়ে নিন!!
যি*না কী?
শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যি-না বলা হয়?
— না!!
হাদীসের ভাষায় যি*না বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমন :
১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যি*না!
২। যৌ*নতা সম্পর্কিত অ*শ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যি*না!
৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যি*না!
৪। ব্যা*ভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যি*না!
৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যি*না।
৬। যি*নার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যি*না!
৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!
(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!
অথচ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যি*না মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?
যি*না স্পষ্ট হারাম :
আল্লাহ তা'আলা যি*নাকে হারাম ঘোষণা করে বলেন– "তোমরা যি*নার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
(সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত : ৩২)
যি*নার শা*স্তি :
যি*নার শা*স্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"..... আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এ অবস্থা (এমন) চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা???"
জিবরাঈল (আ.) বললেন, "তারা হলো অবৈধ যৌ"ন*চারকারী নারী ও পুরুষ!"
(বুখারী)
যি*না কারীর ল*জ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!
সেদিন যি*না কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!
তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়"তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।
আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুনাহ থেকে দুরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
লেখা : সংগৃহীত
■ যি*না কাকে বলে?
কোন কাজ গুলো যি*না?
যি*না সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যি*না করার পূর্বে এই হাদীসটি একবার পড়ে নিন!!
যি*না কী?
শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যি-না বলা হয়?
— না!!
হাদীসের ভাষায় যি*না বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমন :
১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যি*না!
২। যৌ*নতা সম্পর্কিত অ*শ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যি*না!
৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যি*না!
৪। ব্যা*ভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যি*না!
৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যি*না।
৬। যি*নার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যি*না!
৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!
(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!
অথচ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যি*না মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?
যি*না স্পষ্ট হারাম :
আল্লাহ তা'আলা যি*নাকে হারাম ঘোষণা করে বলেন– "তোমরা যি*নার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
(সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত : ৩২)
যি*নার শা*স্তি :
যি*নার শা*স্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"..... আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এ অবস্থা (এমন) চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা???"
জিবরাঈল (আ.) বললেন, "তারা হলো অবৈধ যৌ"ন*চারকারী নারী ও পুরুষ!"
(বুখারী)
যি*না কারীর ল*জ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!
সেদিন যি*না কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!
তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়"তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।
আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুনাহ থেকে দুরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
লেখা : সংগৃহীত
😢7😭2
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন;
‘আল্লাহর একটি অপরিবর্তনীয় বিধান হল, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর সৃষ্টির সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ সেই সৃষ্টিকেই তার উপর অসন্তুষ্ট করে দেন, যার সন্তুষ্টি সে চেয়েছিল। সে সেই সৃষ্টির দ্বারাই পরিত্যক্ত হয় এবং তার বিপদ সেই সৃষ্টির হাতেই ঘটে। ফলে যে তার প্রশংসাকারী ছিল, সেই তার নিন্দাকারীতে পরিণত হয়। অবশেষে সে না সৃষ্টির কাছ থেকে নিজের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, না তার রবের সন্তুষ্টির পুরস্কার লাভ করতে পারে। এরূপ ব্যক্তিই হল সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে অক্ষম ও নির্বোধ’।
[মাদারিজুস সালেকীন, ২/২৮৬]
‘আল্লাহর একটি অপরিবর্তনীয় বিধান হল, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর সৃষ্টির সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ সেই সৃষ্টিকেই তার উপর অসন্তুষ্ট করে দেন, যার সন্তুষ্টি সে চেয়েছিল। সে সেই সৃষ্টির দ্বারাই পরিত্যক্ত হয় এবং তার বিপদ সেই সৃষ্টির হাতেই ঘটে। ফলে যে তার প্রশংসাকারী ছিল, সেই তার নিন্দাকারীতে পরিণত হয়। অবশেষে সে না সৃষ্টির কাছ থেকে নিজের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, না তার রবের সন্তুষ্টির পুরস্কার লাভ করতে পারে। এরূপ ব্যক্তিই হল সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে অক্ষম ও নির্বোধ’।
[মাদারিজুস সালেকীন, ২/২৮৬]
🔥7👍1
কঠিন বিপদ থেকে মুক্তির আমলঃ
যখন তোমরা কোন বিপদে পড়,
কোন পেরেশানি আসে
আর এর থেকে উদ্ধার পাওয়ার কোন রাস্তা নজরে আসেনা,
তখন সূরা কাহফের ১০ নং আয়াতে বর্ণিত দুয়া করতে থাকো। এটি ছিল আসহাবে কাহফের যুবকদের দুয়া।
যদি দুয়ার হক আদায় করে, ইহতিমামের সাথে দুয়া করতে পারো তবে আল্লাহ তা'আলার কুদরত নিজ চোখে দেখতে পাবে এবং হতবাক হয়ে যাবে।
--------- মুফতি তাকি উসমানী হাফিযাহুল্লাহ
যখন তোমরা কোন বিপদে পড়,
কোন পেরেশানি আসে
আর এর থেকে উদ্ধার পাওয়ার কোন রাস্তা নজরে আসেনা,
তখন সূরা কাহফের ১০ নং আয়াতে বর্ণিত দুয়া করতে থাকো। এটি ছিল আসহাবে কাহফের যুবকদের দুয়া।
যদি দুয়ার হক আদায় করে, ইহতিমামের সাথে দুয়া করতে পারো তবে আল্লাহ তা'আলার কুদরত নিজ চোখে দেখতে পাবে এবং হতবাক হয়ে যাবে।
--------- মুফতি তাকি উসমানী হাফিযাহুল্লাহ
❤11
ফজরের নামাজের ১০ টি উপকারিতা:-
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلاةُ ، فَإِنْ صَلَحَتْ صَلَحَ لَهُ سَائِرُ عَمَلِهِ ، وَإِنْ فَسَدَتْ فَسَدَ سَائِرُ عَمَلِهِ
কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। যদি নামাজ ঠিক হয় তবে তার সকল আমল সঠিক বিবেচিত হবে। আর যদি নামাজ বিনষ্ট হয় তবে তার সকল আমলই বিনষ্ট বিবেচিত হবে। - তাবরানি ১৯২৯।
মূলত নামাজ এমন ইবাদত যা সারা বছর দৈনিক পাঁচ বার আদায় করতে হয়। মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অবস্থাতেই নামাজ মাফ হয় না। এমনকি মৃত্যুশয্যাতেও নামাজ হতে বিরত থাকার কোনো বিধান নেই।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজর নামাজের গুরুত্ব আরো বেশি। হাদিসে এর এত বেশি গুরুত্ব এসেছে যে, যদি একজন মুমিন তন্মধ্য থেকে মাত্র একটিও মনে রাখে তাহলেও এক্ষেত্রে তার গাফলতি অনায়াসে দূর হয়ে যাবে। তার হিম্মত বেড়ে যাবে। ঘুম ও অলসতা কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে। নব প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে সে ফজরের জামায়াতে শরিক হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টায় ব্রতী হবে- ইনশা আল্লাহ।
এ লক্ষে ফজরের নামাজ আদায়ে বিশেষ ১০টি উপকারী দিক আপনাদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরলাম।
০১. ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান।
>> উসমান ইবন আফফান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا قَامَ نِصْفَ اللَّيْلِ ، وَمَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا صَلَّى اللَّيْلَ كُلَّهُ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ঈশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো। - মুসলিম ১০৯৬।
০২. ওই দিনের পুরোটা আল্লাহর জিম্মায় থাকার দুর্লভ সৌভাগ্য।
>> ফজরের নামাজ পড়লেই শুধু এ-ঈর্ষণীয় সৌভাগ্য লাভ করা যাবে। যুনদব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুফইয়ান আলবাজালি রাযি. বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلَا يُتْبِعَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِنْ ذِمَّتِهِ
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল। অতএব আল্লাহ যেন তার জিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনোরূপ অভিযুক্ত না করেন। - তিরমিযি ২১৮৪।
০৩. ফজরের নামাজ কেয়ামতের দিন নূর হয়ে দেখা দেবে।
>> বুরাইদা আল আসলামি রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
بَشِّرِ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যারা আঁধারে (ফজর নামাযে) মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদের কেয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নূর প্রাপ্তির সুসংবাদ দাও। - আবু দাউদ ৪৯৪।
০৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাত প্রাপ্তির সুসংবাদ।
>> আবূ যুহাইর ‘উমারাহ ইবনে রুআইবাহ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে,
لَنْ يَلِجَ النَّارَ أَحَدٌ صَلَّى قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا» يعني: الفَجْرَ والعَصْرَ
যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে (অর্থাৎ ফজরের ও আসরের নামাজ) আদায় করবে, সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। - মুসলিম ৬৩৪, নাসায়ি ৪৭১, ৪৮৭, আবু দাউদ ৪২৭।
০৫. মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
لَيْسَ صَلاَةٌ أَثْقَلَ عَلَى المُنَافِقِينَ مِنْ صَلاَةِ الفَجْرِ وَالعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْواً
মুনাফিকদের উপর ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। যদি তারা এর ফজিলত ও গুরুত্ব জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছার ভরে অবশ্যই (মসজিদে) উপস্থিত হত। - বুখারি ৬৫৭, ৬৪৪, ৬৫৭, ২৪২০, ৭২২৪, মুসলিম ৬৫১।
০৬. সরাসরি আল্লাহর দরবারে নিজের নাম আলোচিত হবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
يَتَعَاقَبُونَ فِيكُمْ مَلاَئِكَةٌ بِاللَّيْلِ وَمَلاَئِكَةٌ بِالنَّهَارِ ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلاَةِ الفَجْرِ وَصَلاَةِ العَصْرِ ، ثُمَّ يَعْرُجُ الَّذِينَ بَاتُوا فِيكُمْ ، فَيَسْأَلُهُمْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ : كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي ؟ فَيَقُولُونَ : تَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ ، وَأَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ
তোমাদের কাছে পালাক্রমে দিনে ও রাতে ফেরেশতারা আসে। তারা আসর ও ফজরের সময় একত্রিত হয়। যারা রাতের কর্তব্যে ছিল তারা ওপরে উঠে যায়। আল্লাহ তো সব জানেন, তবুও ফিরিশতাদেরকে প্রশ্ন করেন, আমার বান্দাদেরকে কেমন রেখে এলে? ফেরেশতারা বলে, আমরা তাদেরকে নামাজরত রেখে এসেছি। যখন গিয়েছিলাম, তখনো তারা নামাজরত ছিল। - বুখারি ৫৪০।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلاةُ ، فَإِنْ صَلَحَتْ صَلَحَ لَهُ سَائِرُ عَمَلِهِ ، وَإِنْ فَسَدَتْ فَسَدَ سَائِرُ عَمَلِهِ
কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার নামাজের হিসাব হবে। যদি নামাজ ঠিক হয় তবে তার সকল আমল সঠিক বিবেচিত হবে। আর যদি নামাজ বিনষ্ট হয় তবে তার সকল আমলই বিনষ্ট বিবেচিত হবে। - তাবরানি ১৯২৯।
মূলত নামাজ এমন ইবাদত যা সারা বছর দৈনিক পাঁচ বার আদায় করতে হয়। মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অবস্থাতেই নামাজ মাফ হয় না। এমনকি মৃত্যুশয্যাতেও নামাজ হতে বিরত থাকার কোনো বিধান নেই।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ফজর নামাজের গুরুত্ব আরো বেশি। হাদিসে এর এত বেশি গুরুত্ব এসেছে যে, যদি একজন মুমিন তন্মধ্য থেকে মাত্র একটিও মনে রাখে তাহলেও এক্ষেত্রে তার গাফলতি অনায়াসে দূর হয়ে যাবে। তার হিম্মত বেড়ে যাবে। ঘুম ও অলসতা কাটিয়ে ওঠতে সক্ষম হবে। নব প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে সে ফজরের জামায়াতে শরিক হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টায় ব্রতী হবে- ইনশা আল্লাহ।
এ লক্ষে ফজরের নামাজ আদায়ে বিশেষ ১০টি উপকারী দিক আপনাদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরলাম।
০১. ফজরের নামাজে দাঁড়ানো, সারা রাত দাঁড়িয়ে নামায পড়ার সমান।
>> উসমান ইবন আফফান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا قَامَ نِصْفَ اللَّيْلِ ، وَمَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فِي جَمَاعَةٍ فَكَأَنَّمَا صَلَّى اللَّيْلَ كُلَّهُ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ঈশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়লো। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়লো, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়লো। - মুসলিম ১০৯৬।
০২. ওই দিনের পুরোটা আল্লাহর জিম্মায় থাকার দুর্লভ সৌভাগ্য।
>> ফজরের নামাজ পড়লেই শুধু এ-ঈর্ষণীয় সৌভাগ্য লাভ করা যাবে। যুনদব ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুফইয়ান আলবাজালি রাযি. বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ فَلَا يُتْبِعَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِنْ ذِمَّتِهِ
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় চলে গেল। অতএব আল্লাহ যেন তার জিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনোরূপ অভিযুক্ত না করেন। - তিরমিযি ২১৮৪।
০৩. ফজরের নামাজ কেয়ামতের দিন নূর হয়ে দেখা দেবে।
>> বুরাইদা আল আসলামি রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
بَشِّرِ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلَمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ بِالنُّورِ التَّامِّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যারা আঁধারে (ফজর নামাযে) মসজিদের দিকে হেঁটে যায়, তাদের কেয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নূর প্রাপ্তির সুসংবাদ দাও। - আবু দাউদ ৪৯৪।
০৪. জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং জান্নাত প্রাপ্তির সুসংবাদ।
>> আবূ যুহাইর ‘উমারাহ ইবনে রুআইবাহ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি যে,
لَنْ يَلِجَ النَّارَ أَحَدٌ صَلَّى قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا» يعني: الفَجْرَ والعَصْرَ
যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে (অর্থাৎ ফজরের ও আসরের নামাজ) আদায় করবে, সে কখনো জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। - মুসলিম ৬৩৪, নাসায়ি ৪৭১, ৪৮৭, আবু দাউদ ৪২৭।
০৫. মুনাফেকি থেকে মুক্তি পাবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
لَيْسَ صَلاَةٌ أَثْقَلَ عَلَى المُنَافِقِينَ مِنْ صَلاَةِ الفَجْرِ وَالعِشَاءِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْواً
মুনাফিকদের উপর ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। যদি তারা এর ফজিলত ও গুরুত্ব জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছার ভরে অবশ্যই (মসজিদে) উপস্থিত হত। - বুখারি ৬৫৭, ৬৪৪, ৬৫৭, ২৪২০, ৭২২৪, মুসলিম ৬৫১।
০৬. সরাসরি আল্লাহর দরবারে নিজের নাম আলোচিত হবে।
>> আবূ হুরাইরা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
يَتَعَاقَبُونَ فِيكُمْ مَلاَئِكَةٌ بِاللَّيْلِ وَمَلاَئِكَةٌ بِالنَّهَارِ ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلاَةِ الفَجْرِ وَصَلاَةِ العَصْرِ ، ثُمَّ يَعْرُجُ الَّذِينَ بَاتُوا فِيكُمْ ، فَيَسْأَلُهُمْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ : كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي ؟ فَيَقُولُونَ : تَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ ، وَأَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ
তোমাদের কাছে পালাক্রমে দিনে ও রাতে ফেরেশতারা আসে। তারা আসর ও ফজরের সময় একত্রিত হয়। যারা রাতের কর্তব্যে ছিল তারা ওপরে উঠে যায়। আল্লাহ তো সব জানেন, তবুও ফিরিশতাদেরকে প্রশ্ন করেন, আমার বান্দাদেরকে কেমন রেখে এলে? ফেরেশতারা বলে, আমরা তাদেরকে নামাজরত রেখে এসেছি। যখন গিয়েছিলাম, তখনো তারা নামাজরত ছিল। - বুখারি ৫৪০।
❤4
০৭. দুনিয়া আখেরাতের সেরা বস্তু অর্জিত হয়ে যাবে।
>> আয়েশা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। - মুসলিম ১২৪০।
০৮. পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে, যদি সে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকে।
>> আনাস ইবন মালিক রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْغَدَاةَ فِي جَمَاعَةٍ ثُمَّ قَعَدَ يَذْكُرُ اللَّهَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ، كَانَتْ لَهُ كَأَجْرِ حَجَّةٍ ، وَعُمْرَةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায়ান্তে বসে আল্লাহর যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য উদয় হওয়ার পর দুই রাকাত নফল নামাজ (ইশরাক) আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে। ‘পরিপূর্ণ’ এ শব্দটি তিনি তিনবার বলেছেন। - তিরমিযি ৫৮৬।
০৯. তুলনাহীন গণিমত লাভ করবে।
>> উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ নাজদের দিকে এক অভিযানে একটি সেনাদল পাঠান। তারা প্রচুর গণিমতের সম্পদ অর্জন করে এবং তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। তাদের সাথে যায়নি এমন এক লোক বলল, অল্প সময়ের মধ্যে এত পরিমাণে উত্তম গণিমত নিয়ে এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি আর কোন সেনাদলকে আমরা ফিরে আসতে দেখি নি। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى قَوْمٍ أَفْضَلُ غَنِيمَةً وَأَسْرَعُ رَجْعَةً ؟ قَوْمٌ شَهِدُوا صَلَاةَ الصُّبْحِ ثُمَّ جَلَسُوا يَذْكُرُونَ اللَّهَ حَتَّى طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأُولَئِكَ أَسْرَعُ رَجْعَةً وَأَفْضَلُ غَنِيمَةً
আমি কি তোমাদেরকে এমন এক দলের কথা বলব না যারা এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তম গণিমত নিয়ে ফিরে আসে? যারা ফজরের নামাজের জামা’আতে হাযির হয়, (নামাজ শেষে) সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহ্ তা’আলার যিকির করতে থাকে, তারাই অল্প সময়ের মধ্যে উত্তম গণিমতসহ প্রত্যাবর্তনকারী। - তিরমিযি ৩৬৪১।
১০. কেয়ামতের দিন সরাসরি আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য লাভ।
>> এটি হচ্ছে সর্বোত্তম পুরস্কার। জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল বাজলী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ তিনি পূর্ণিমার রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন,
أَمَا إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا، لاَ تُضَامُّونَ ـ أَوْ لاَ تُضَاهُونَ ـ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ”. ثُمَّ قَالَ ” فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا
শোন! নিশ্চয় তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে তেমনি স্পষ্ট দেখতে পাবে, যেমন স্পষ্ট ঐ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই তোমরা যদি সূর্য উঠার আগের নামাজ ও সূর্য ডুবার আগের নামাজ আদায়ে সমর্থ হও, তাহলে তাই কর। তারপর তিনি এ আয়াত তেলাওয়াত করলেন, “সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ করুন।” - বুখারি ৫৭৩।
আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে যথা নিয়মে জামাআতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত, মর্যাদা ও উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন,আমিন ৷
>> আয়েশা রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
ফজরের দুই রাকাত দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। - মুসলিম ১২৪০।
০৮. পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে, যদি সে সূর্য ওঠা পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকে।
>> আনাস ইবন মালিক রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلَّى الْغَدَاةَ فِي جَمَاعَةٍ ثُمَّ قَعَدَ يَذْكُرُ اللَّهَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ، كَانَتْ لَهُ كَأَجْرِ حَجَّةٍ ، وَعُمْرَةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ ، تَامَّةٍ
যে ব্যক্তি জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায়ান্তে বসে আল্লাহর যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য উদয় হওয়ার পর দুই রাকাত নফল নামাজ (ইশরাক) আদায় করবে, সে পরিপূর্ণ এক হজ্জ ও ওমরার সওয়াব পাবে। ‘পরিপূর্ণ’ এ শব্দটি তিনি তিনবার বলেছেন। - তিরমিযি ৫৮৬।
০৯. তুলনাহীন গণিমত লাভ করবে।
>> উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ নাজদের দিকে এক অভিযানে একটি সেনাদল পাঠান। তারা প্রচুর গণিমতের সম্পদ অর্জন করে এবং তাড়াতাড়ি ফিরে আসে। তাদের সাথে যায়নি এমন এক লোক বলল, অল্প সময়ের মধ্যে এত পরিমাণে উত্তম গণিমত নিয়ে এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি আর কোন সেনাদলকে আমরা ফিরে আসতে দেখি নি। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى قَوْمٍ أَفْضَلُ غَنِيمَةً وَأَسْرَعُ رَجْعَةً ؟ قَوْمٌ شَهِدُوا صَلَاةَ الصُّبْحِ ثُمَّ جَلَسُوا يَذْكُرُونَ اللَّهَ حَتَّى طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَأُولَئِكَ أَسْرَعُ رَجْعَةً وَأَفْضَلُ غَنِيمَةً
আমি কি তোমাদেরকে এমন এক দলের কথা বলব না যারা এদের চেয়ে তাড়াতাড়ি উত্তম গণিমত নিয়ে ফিরে আসে? যারা ফজরের নামাজের জামা’আতে হাযির হয়, (নামাজ শেষে) সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহ্ তা’আলার যিকির করতে থাকে, তারাই অল্প সময়ের মধ্যে উত্তম গণিমতসহ প্রত্যাবর্তনকারী। - তিরমিযি ৩৬৪১।
১০. কেয়ামতের দিন সরাসরি আল্লাহকে দেখার সৌভাগ্য লাভ।
>> এটি হচ্ছে সর্বোত্তম পুরস্কার। জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল বাজলী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে ছিলাম। হঠাৎ তিনি পূর্ণিমার রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন,
أَمَا إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هَذَا، لاَ تُضَامُّونَ ـ أَوْ لاَ تُضَاهُونَ ـ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ، وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ”. ثُمَّ قَالَ ” فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا
শোন! নিশ্চয় তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে তেমনি স্পষ্ট দেখতে পাবে, যেমন স্পষ্ট ঐ চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই তোমরা যদি সূর্য উঠার আগের নামাজ ও সূর্য ডুবার আগের নামাজ আদায়ে সমর্থ হও, তাহলে তাই কর। তারপর তিনি এ আয়াত তেলাওয়াত করলেন, “সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ করুন।” - বুখারি ৫৭৩।
আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মাহকে যথা নিয়মে জামাআতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত, মর্যাদা ও উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন,আমিন ৷
❤6
গুনাহ বেড়ে গেলে কুরআন তিলাওয়াতের মতো দামী ইবাদত অনেক ভারী হয়ে যায়।
😢9
একটি বিয়ের অসাধারণ কাহিনী!
.
সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর পিতা নাজমুদ্দীন আইয়ুব দীর্ঘদিন পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন। তিনি তিকরীতের আমীর থাকাকালীন সময়ে তার ভাই আসাদুদ্দীন শেরকুহ জিজ্ঞেস করলেন,
-হে আমার ভাই! তুমি বিয়ে করছো না কেনো?
– ভাইজান! আমি নিজের জন্যে কোনো উপযুক্ত মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না!
— আমি কী তোমার জন্যে কোনো মেয়েকে প্রস্তাব দেবো?
– কাকে?
– বাদশাহ মালিকশাহের কন্যা অথবা প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে।
নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, এরা কেউই আমার জন্যে উপযুক্ত নয়!
শেরকুহ অবাক হয়ে বললেন,
– তাহলে কে তোমার জন্যে উপযুক্ত হবে?
– আমি এমন নেককার নারী চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন সন্তান জন্ম দিবে যার উত্তম লালন-পালন সে করবে, এমতাবস্থায় সে যুবক হবে এবং হবে একজন অশ্বারোহী। আর মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ফিরিয়ে আনবে। (নাজমুদ্দীনের সহজ জবাব)
.
এটাই ছিলো নাজমুদ্দীনের স্বপ্ন। তাঁর ভাইয়ের এ কথা পছন্দ হলো না, বললেন, তোমার জন্যে এ রকম মেয়ে কোথায় পাবে? নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, যে আল্লাহর জন্যে ইখলাসের সাথে নিয়ত করে, আল্লাহ তার নিয়ত পূর্ণ করেন।
.
এর কয়েকদিন পর নাজমুদ্দীন তিকরীতের এক শায়খের সাথে বসে কোনো এক মসজিদে আলাপ করছিলেন। তখন এক যুবতী মেয়ে আসলো এবং পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে ডাকলো। তখন শায়খ ওই যুবতী মেয়ের সাথে আলাপ করার জন্যে নাজমুদ্দীনের কাছ থেকে অনুমতি চাইলেন।
.
অনুমতি পেয়ে শায়খ ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,
– কেনো তুমি ওই যুবকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে যাকে আমি তোমাদের ঘরে পাঠিয়েছিলাম?
– হে শায়খ! এ কথা সত্য যে, এই যুবক সৌন্দর্য্যে এবং বংশমর্যাদায় পরিপূর্ণ, কিন্তু সে আমার উপযুক্ত নয়!
– তাহলে তুমি কী চাও?
– হে প্রিয় শায়খ! আমি এমন যুবক চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন একটি সন্তান জন্ম দিবে, যার লালনপালন সে উত্তমভাবে করবে; এমতাবস্থায় যখন সন্তানটি যুবক হবে, আমি তাকে দেখতে পাবো একজন তাজাদম অশ্বারোহীর রূপে।
আর সে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে দখলদার খৃষ্টানদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনবে!
.
আল্লাহু আকবার!
এটাতো সেই বাক্য, যা নাজমুদ্দীন তাঁর ভাইকে বলেছিলেন।
নাজমুদ্দীন বাদশাহের মেয়ে এবং মন্ত্রীর মেয়েকে ত্যাগ করলেন।
আর এই মেয়ে সুন্দর-অভিজাত বংশের ছেলেকে ত্যাগ করলো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য!
আর আল্লাহ তাদের এই এখলাসের বদৌলতে জোড়া মিলিয়ে দিলেন!
.
ভাইকে খুশিমতো পাত্রী মিলে যাবার খবর জানিয়ে নাজমুদ্দীন বিয়ে করে ফেললেন।
তাঁদেরই ঔরসে জন্ম নিলেন গাজী সালাউদ্দীন আইয়ুবী রাহিমাহুল্লাহ।
যিনি সারাটা জীবনই আল্লাহর রাস্তায় ওয়াক্বফ্ করে দিয়েছিলেন। তিনি খৃষ্টানদেরকে পরাজিত করে ফিরিয়ে এনেছিলেন মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ক্বিবলা- মাসজিদে আক্বসা।
এই কাহিনী টা আমার নিজের চিন্তা ভাবনার সাথে এতটাই মিলে গেছে।আমি নিজে'ও সবসময় এরকম স্বপ্ন দেখি,আমি এরকম কাউকে'ই আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই যে আমাকে বীর মুজাহিদ সন্তান উপহার দিতে পারবে, সে সন্তান যখন যুবক হবে তখন সে মুসলিম উম্মাহর ক্লান্তি কালে মুসলিমদের ঢাল হয়ে ইহুদী, খ্রিষ্টান, কাফির,মুশরিকদের বুকে ভয় ও আতংক ঢুকিয়ে দিবে এবং অন্যায়,অত্যাচারের রিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে ইনশাআল্লাহ । আমি এমন জীবনসঙ্গী চাই যে আমার হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। হে আমার রব আপনি আমার চাওয়া গুলোকে পূর্ণতায় রুপ দিয়েন।। (আমিন) ©
.
সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর পিতা নাজমুদ্দীন আইয়ুব দীর্ঘদিন পর্যন্ত অবিবাহিত ছিলেন। তিনি তিকরীতের আমীর থাকাকালীন সময়ে তার ভাই আসাদুদ্দীন শেরকুহ জিজ্ঞেস করলেন,
-হে আমার ভাই! তুমি বিয়ে করছো না কেনো?
– ভাইজান! আমি নিজের জন্যে কোনো উপযুক্ত মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না!
— আমি কী তোমার জন্যে কোনো মেয়েকে প্রস্তাব দেবো?
– কাকে?
– বাদশাহ মালিকশাহের কন্যা অথবা প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে।
নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, এরা কেউই আমার জন্যে উপযুক্ত নয়!
শেরকুহ অবাক হয়ে বললেন,
– তাহলে কে তোমার জন্যে উপযুক্ত হবে?
– আমি এমন নেককার নারী চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন সন্তান জন্ম দিবে যার উত্তম লালন-পালন সে করবে, এমতাবস্থায় সে যুবক হবে এবং হবে একজন অশ্বারোহী। আর মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে ফিরিয়ে আনবে। (নাজমুদ্দীনের সহজ জবাব)
.
এটাই ছিলো নাজমুদ্দীনের স্বপ্ন। তাঁর ভাইয়ের এ কথা পছন্দ হলো না, বললেন, তোমার জন্যে এ রকম মেয়ে কোথায় পাবে? নাজমুদ্দীন জবাব দিলেন, যে আল্লাহর জন্যে ইখলাসের সাথে নিয়ত করে, আল্লাহ তার নিয়ত পূর্ণ করেন।
.
এর কয়েকদিন পর নাজমুদ্দীন তিকরীতের এক শায়খের সাথে বসে কোনো এক মসজিদে আলাপ করছিলেন। তখন এক যুবতী মেয়ে আসলো এবং পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে ডাকলো। তখন শায়খ ওই যুবতী মেয়ের সাথে আলাপ করার জন্যে নাজমুদ্দীনের কাছ থেকে অনুমতি চাইলেন।
.
অনুমতি পেয়ে শায়খ ওই মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন,
– কেনো তুমি ওই যুবকের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে যাকে আমি তোমাদের ঘরে পাঠিয়েছিলাম?
– হে শায়খ! এ কথা সত্য যে, এই যুবক সৌন্দর্য্যে এবং বংশমর্যাদায় পরিপূর্ণ, কিন্তু সে আমার উপযুক্ত নয়!
– তাহলে তুমি কী চাও?
– হে প্রিয় শায়খ! আমি এমন যুবক চাই, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে, আমার জন্যে এমন একটি সন্তান জন্ম দিবে, যার লালনপালন সে উত্তমভাবে করবে; এমতাবস্থায় যখন সন্তানটি যুবক হবে, আমি তাকে দেখতে পাবো একজন তাজাদম অশ্বারোহীর রূপে।
আর সে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাসকে দখলদার খৃষ্টানদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনবে!
.
আল্লাহু আকবার!
এটাতো সেই বাক্য, যা নাজমুদ্দীন তাঁর ভাইকে বলেছিলেন।
নাজমুদ্দীন বাদশাহের মেয়ে এবং মন্ত্রীর মেয়েকে ত্যাগ করলেন।
আর এই মেয়ে সুন্দর-অভিজাত বংশের ছেলেকে ত্যাগ করলো শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য!
আর আল্লাহ তাদের এই এখলাসের বদৌলতে জোড়া মিলিয়ে দিলেন!
.
ভাইকে খুশিমতো পাত্রী মিলে যাবার খবর জানিয়ে নাজমুদ্দীন বিয়ে করে ফেললেন।
তাঁদেরই ঔরসে জন্ম নিলেন গাজী সালাউদ্দীন আইয়ুবী রাহিমাহুল্লাহ।
যিনি সারাটা জীবনই আল্লাহর রাস্তায় ওয়াক্বফ্ করে দিয়েছিলেন। তিনি খৃষ্টানদেরকে পরাজিত করে ফিরিয়ে এনেছিলেন মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া প্রথম ক্বিবলা- মাসজিদে আক্বসা।
এই কাহিনী টা আমার নিজের চিন্তা ভাবনার সাথে এতটাই মিলে গেছে।আমি নিজে'ও সবসময় এরকম স্বপ্ন দেখি,আমি এরকম কাউকে'ই আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই যে আমাকে বীর মুজাহিদ সন্তান উপহার দিতে পারবে, সে সন্তান যখন যুবক হবে তখন সে মুসলিম উম্মাহর ক্লান্তি কালে মুসলিমদের ঢাল হয়ে ইহুদী, খ্রিষ্টান, কাফির,মুশরিকদের বুকে ভয় ও আতংক ঢুকিয়ে দিবে এবং অন্যায়,অত্যাচারের রিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে ইনশাআল্লাহ । আমি এমন জীবনসঙ্গী চাই যে আমার হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। হে আমার রব আপনি আমার চাওয়া গুলোকে পূর্ণতায় রুপ দিয়েন।। (আমিন) ©
❤12
"বয়স আমার ৮০ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো আমার সবচেয়ে বেশি ভয় লাগে নারীর ফিতনাকে।" [১]
-প্রখ্যাত তাবেয়ি সাঈদ ইবনুল মুসায়িব (রহ.)
.
"গায়রে মাহরাম নারীর সাথে একান্তে অবস্থান করো না। এমনকি তাকে তুমি আল্লাহর কালাম শেখাবে—এই অজুহাতেও না।" [২]
-মায়মুন বিন মিহরান (রহ.)
.
[১] হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/১৬৬
[২] আল-আদাবুশ শারইয়াহ, ২/১৮
-প্রখ্যাত তাবেয়ি সাঈদ ইবনুল মুসায়িব (রহ.)
.
"গায়রে মাহরাম নারীর সাথে একান্তে অবস্থান করো না। এমনকি তাকে তুমি আল্লাহর কালাম শেখাবে—এই অজুহাতেও না।" [২]
-মায়মুন বিন মিহরান (রহ.)
.
[১] হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/১৬৬
[২] আল-আদাবুশ শারইয়াহ, ২/১৮
😢8❤4👍3
অন্তরে গুনাহর অবস্থান হচ্ছে কাপড়ে তেল লেগে যাবার মত ব্যাপার। আপনি যদি তা ধুয়ে ফেলার জন্য তাড়াহুড়া না করেন তাহলে তা বিস্তার লাভ করবে।
~ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহ.)
সুত্র: [আল মুদহিশ, পৃ: ৩৫৭]
~ইমাম ইবনুল জাওযী (রাহ.)
সুত্র: [আল মুদহিশ, পৃ: ৩৫৭]
😢4
চট্টগ্রাম বিপ্লব উদ্যান যেনো একটি ভ্রাম্যমান প_তি-তা-লয়...!
চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর ২ নং গেইট এলাকার বিপ্লব উদ্যান বা জিয়া উদ্যান এখন পরিবার নিয়ে ঘুরার মতো পরিবেশ নেই বললেই চলে।এটি এখন হয়ে গেছে প_তি-তা-দের অভয়ারণ্য।ওখানে সন্ধ্যা বেলা কতগুলো পতিতা সবার সামনে প্রকাশ্যে সে_*ক্স করার অফার দেয়।
তারা উঠতি বয়সের ছেলেদের টার্গেট করে তাদেরকে কুপ্রস্তাব দেয়। যার ফলে অধিকাংশ ছেলেরাই তাদের দ্বারা প্ররো-চিত হয়ে বি-পথে যাচ্ছে।
প_তি-তা নামক এই মহিলাগুলো স্ত্রীর সামনে স্বামীকে পর্যন্ত খদ্দের হওয়ার প্রস্তাব দেয়।
চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের এই ব্যাপারে প্রতি-বাদ এবং প্রতি-রোধ গড়ে তোলার জন্য অনুরোধ করছি।
চট্টগ্রাম-এী ইসলামী দলগুলোর নেতৃবৃন্দরা এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিলে আমাদের যুব সমাজ প_তি-তা-দের নোং-রা থা-বা থেকে বাঁচবে।
সবাই এগিয়ে আসুন। প্রতি-রোধ করুন এদের নিজ সন্তানের স্বার্থে হলেও। ©
Join : https://t.me/Islamicproverbs07
চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর ২ নং গেইট এলাকার বিপ্লব উদ্যান বা জিয়া উদ্যান এখন পরিবার নিয়ে ঘুরার মতো পরিবেশ নেই বললেই চলে।এটি এখন হয়ে গেছে প_তি-তা-দের অভয়ারণ্য।ওখানে সন্ধ্যা বেলা কতগুলো পতিতা সবার সামনে প্রকাশ্যে সে_*ক্স করার অফার দেয়।
তারা উঠতি বয়সের ছেলেদের টার্গেট করে তাদেরকে কুপ্রস্তাব দেয়। যার ফলে অধিকাংশ ছেলেরাই তাদের দ্বারা প্ররো-চিত হয়ে বি-পথে যাচ্ছে।
প_তি-তা নামক এই মহিলাগুলো স্ত্রীর সামনে স্বামীকে পর্যন্ত খদ্দের হওয়ার প্রস্তাব দেয়।
চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিকদের এই ব্যাপারে প্রতি-বাদ এবং প্রতি-রোধ গড়ে তোলার জন্য অনুরোধ করছি।
চট্টগ্রাম-এী ইসলামী দলগুলোর নেতৃবৃন্দরা এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিলে আমাদের যুব সমাজ প_তি-তা-দের নোং-রা থা-বা থেকে বাঁচবে।
সবাই এগিয়ে আসুন। প্রতি-রোধ করুন এদের নিজ সন্তানের স্বার্থে হলেও। ©
Join : https://t.me/Islamicproverbs07
😢5👍1