❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
653 subscribers
102 photos
23 videos
144 links
Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
Download Telegram
হায়াত আমার কমছে প্রতিদিন,
গুনাহ আমার বাড়ছে বাধাহীন!
😭4
অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস অনেকেরই আছে। বেশিরভাগ অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস থাকা মানুষ সাধারণত স্থুল মস্তিষ্কের হয়। অতিরিক্ত ঘুমালে বুদ্ধি ভোঁতা হয়ে যায়। কাজের স্পিরিট কমে যায়। ক্রমশ মানুষ জড়তার দিকে চলে যায়। নবী আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে সাহাবা ও সালাফদের কেউই অতিরিক্ত ঘুমাতেন না। আল্লাহ তায়ালা তাদের সিফাত বয়ান করতে গিয়ে বলেছেন:

كَانُوۡا قَلِیۡلًا مِّنَ الَّیۡلِ مَا یَهۡجَعُوۡنَ وَ بِالۡاَسۡحَارِ هُمۡ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ 
রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো। আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত।

তো ঘুম কমানো আল্লাহর বান্দাদের সিফাত। প্রয়োজনমাফিক ৬/৭ ঘন্টা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য এনাফ ঘুম। তাহযিবুন নুফুস নামে একটা কিতাব আছে। সেখানে এসেছে: যখন মানুষ অতিরিক্ত ঘুমায় তখন অন্তর শক্ত হয়ে যায়। মূল্যবান সময় বরবাদ হয়ে যায়। আর যখন বান্দা কম ঘুমায় তখন সময়ের কাজ সময়ে করতে পারে।

সুলাইমান আলাইহিস সালামকে শৈশবে তার মা বলতেন: বেটা! বেশি ঘুমিওনা। অতিরিক্ত ঘুম কিয়ামতের দিন মানুষকে কপর্দকহীন বানিয়ে ছাড়বে।

ঘুম কমানোর কোনো দুয়া হাদিসে উল্লিখিত নাই তবে মুসান্নাফে আবি শাইবাতে একটা দুয়া এসেছে যেটা সালাফরা পড়তেন। সেটা পড়তে পারেন।

ﺍَﻟﻠّﻬُﻢَّ ﺍﺷْﻔِﻨِﻲْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﻮْﻡِ ﺑِﻴَﺴِﻴْﺮٍ، ﻭَﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲْ ﺳَﻬَﺮًﺍ ﻓِﻲْ ﻃَﺎﻋَﺘِﻚَ .

আল্লাহুম্মাশফিনী মিনান নাওমি বিইয়াসীর, ওয়ারযুক্বনী সাহারন ফী ত্বআতিক।

ইয়া আল্লাহ! সামান্য ঘুম দ্বারাই আমার প্রয়োজন পূরণ করুন এবং আপনার আদেশ পালনে রাত্রিজাগরণের তাওফীক দিন।
©
10
হযরত আইয়ুব আ. ১৮ বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। শয্যাশায়ী অবস্থায় তিনি দোয়া করলেন। দোয়াতে শুধু এটুক বললেন: 'مَسَّنِيَ الضُّرُّ' আমাকে দুঃখকষ্ট স্পর্শ করেছে। জাস্ট এটুক। কী বিনয় নিয়ে বললেন। অথচ, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি কষ্টে আছেন‌। কিন্তু দোয়াতে বললেন 'স্পর্শ করেছে।' যেন খুব সামান্য কষ্ট। এমন বিনয়, এমন ধৈর্য—সুবাহানাল্লাহ।

দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিছানা থেকে উঠতেই পারেন নি। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাথরুমে নিয়ে যেতেন। ফিরিয়ে আনতেন। দেখভাল করতেন।

এ সময় তিনি তাঁর সব সম্পদ হারিয়েছেন। ২১ জন সন্তানও হারিয়েছেন। রোগের কারণে সবাই তার থেকে দূরেও সরে গেছে। পুরো শহর তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে। কী ভয়ংকর বিপদ! এত কিছুর পরও তিনি বললেন— وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ : "তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।"

দেখুন, সুখে থাকতে 'আল্লাহ দয়ালু' বলাটা সহজ। কিন্তু ১৮ বছর বিপদের পরও এমনটা বলতে পারাটা সাধারণ বিষয় নয়।

আর আমরা? আমরা দু'দিনের বিপদেই আল্লাহ থেকে নিরাশ হয়ে যাই। নানান অভিযোগ করি। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বলতে থাকি— 'আল্লাহ কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসেন? তিনি কি আমায় ভুলে গেছেন? এত কষ্টে ফালায়ে রাখছেন কেন?'

-------------------------
মাহমুদ বিন নূর
7👍2
আল্লাহর দেওয়া হাজারো নেয়ামতের মাঝে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো— মুসলমান পরিচয়! তাই সর্বদা শুকরিয়া প্রকাশ করুন এই ভেবে— আল্লাহ আপনাকে মুসলিম বানিয়ে এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন এবং আপনার অন্তরে ঈমানের আলো দিয়েছেন।
ভেবে দেখুন— কোটি কোটি মানুষ আজ বিভ্রান্তির অন্ধকারে ডুবে আছে, অথচ আল্লাহ আপনাকে তাঁর তাওহীদের পথে দাঁড় করিয়েছেন। এটি এমন এক নেয়ামত— যা দুনিয়ার সব সম্পদ, খ্যাতি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তাই এই নেয়ামতের কদর করুন, রবের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করুন এবং সর্বোপরি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুন।

লেখা : মাহমুদুল হাছান
4
‎আপনি মারা গেছেন। আপনার জানাজার নামাজ শেষ। কবরে রাখা হলো। আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকিরের। জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করছেন আপনি।
‎একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। তখন আপনার মনে পড়লো- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
‎অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।

‎(তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ)
9
জিকির , জিকিরকারীকে ধনী বানায় ধন সম্পদ ছাড়া ,

সকলের প্রিয় বানায়, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছাড়া

দুনিয়া আখিরাতের যত বিপদ আসতে পারে তার সামনে ঢাল হিসাবে দাঁড়ায় আল্লাহর জিকির।

--- মুফতি মুশ্তাকুন্নবি হাফিযাহুল্লাহ
10
সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্য

১] সন্তানের সুন্দর নাম রাখা।

২] সন্তানকে জন্মের পর থেকেই দ্বীন শেখানো। আর এই শেখানোর শুরু হবে তার সামনে নিজেরা দ্বীন মোতাবেক চলাফেরা করার দ্বারা, দ্বীন মোতাবেক জীবনযাপনের দ্বারা, যা দেখে দেখে শিশু শিখতে শুরু করবে।

৩] সন্তানের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা। যারা বিভিন্ন হারাম ইনকামের সাথে জড়িত (ব্যাঙ্ক জব, সুদ, ঘুষ, দূর্নীতি, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি) তারা সন্তানের প্রতি এই কর্তব্য পালন করতে পারেন না। হারাম রিযিকের দ্বারা প্রতিপালিত সন্তান আপনার জন্য দুনিয়াতেই আপদ ও লাঞ্ছনার কারণ হবে।

৪] সন্তানকে উপযুক্ত পরিবেশে, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া এবং তার পড়াশোনার খোঁজ খবর রাখা।

৫] সন্তানকে দ্বীনের বিধানগুলো সুস্পষ্টভাবে জানানো। প্রাথমিকভাবে দ্বীন শেখানোর সাথে এটার পার্থক্য হলো, কিশোর বয়সে তাকে আবার সব বুঝিয়ে বলা। এটার বিশেষ প্রয়োজন আছে।

৬] সন্তানের নৈতিকতা ও শিষ্টাচার পর্যবেক্ষণ করা, দিকনির্দেশনা প্রদান। যদি প্রয়োজন হয় শাসন করা। অতিপ্রয়োজন ব্যতীত প্রায়শই মারধর করা বা শারিরীক শাস্তি না দেওয়া উচিত।

৭] সন্তানকে উপযুক্ত সময়ে চরিত্রবান মুসলিম   জীবনসঙ্গী খুঁজে বিয়ে দেওয়া এবং বৈবাহিক জীবনে আগত সমস্যা সমাধান করার বিষয়ে সহায়তা করা।

৮] সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ পুরুষ বা নারী হিসাবে কিভাবে সংসার পরিচালিত করতে হবে তার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান এবং সার্বক্ষণিক সহানুভূতিশীল মনোভাব রাখা।

৯] সন্তানের সন্তান হলে তাদেরকে বড় করে তুলতে সাহায্য করা, নিজের অভিজ্ঞতার থেকে পরামর্শ প্রদান করা।

১০] সন্তানের জন্য সবসময় দোয়া করা।

মনে রাখতে হবে, সন্তানের পিতা অথবা মাতা হবার দ্বারা আমরা একটি শিশুকে আল্লাহর বান্দা হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়ে ফেলি। একেকটি মানবশিশু তার পিতামাতার নিকট মহান আল্লাহর বিশেষ আমানত। হাশরের মাঠে এই বিশেষ আমানত সম্পর্কে পিতামাতাকে জবাবদিহিতা করতে হবে।


আল্লাহ আমাদের পিতামাতার ভালো সন্তান ও সন্তানের ভালো পিতামাতা হবার তাওফীক দান করুন। আমিন
5
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আকিদা সিরিজ - ১ম পর্ব - ইমানের পরিচয় ও রুকন | Shaikh Tamim Al Adnani

সকলের প্রতি অনুরোধ, সকলেই দেখবেন, শুনবেন, বুঝবেন এবং দাওয়াহ’র নিয়তে শেয়ার করবেন।
ইনশাআল্লাহ, ধাপে ধাপে সব পর্ব দেওয়া হবে।
চ্যানেল লিংক : https://t.me/Islamicproverbs07
1
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
8
*إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى*
*النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا*
*عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ۝♥️.*
❤‍🔥41
যখন একাকিত্বে তোমার অন্তর গুনাহের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন দুটি আশ্রয়ে ফিরে যাও—

১. নামাজ। কারণ নামাজ হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগিয়ে তোলে, আর সেই স্মরণ তোমাকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।

২. কুরআন তিলাওয়াত। কারণ কুরআন এমন পথ দেখায়, যা মানুষকে সত্য, শান্তি ও সঠিকতার পথে পরিচালিত করে।

বি.দ্র.: এই বাণীটি ড. আলী সাল্লাবীর একটি পোস্ট থেকে নেওয়া।

জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
10🔥3
যখন তুমি দেখবে তোমার হৃদয় কুরআন থেকে দূরে যাচ্ছে, ইবাদতে অলসতা আসছে, আর গুনাহের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে  জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এখন তোমার কর্তব্য হলো তাওবা করা, কান্না করা, আর নিজের নফসের সাথে জিহাদ করা।

~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
😭61
প্রশ্ন :
একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর :
আসরের পর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাযা নামায পড়া জায়েয। এ সময় কাযা নামায পড়া মাকরূহ নয়। হাঁ, এ সময় কোনো নফল নামায পড়া মাকরূহ।কেননা, হাদিস শরিফে এসেছে,

عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -ﷺ- نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ

রাসূল ﷺ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ১৯৫৭)।
তবে এ সময় মসজিদে কাযা নামায পড়বে না। কারণ এতে অন্য কেউ ভুল বুঝতে পারে। তাই আসরের পর কাযা আদায় করতে চাইলে তা ঘরে পড়াই ভাল হবে। আর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে গেলে কাযা নামায বা যে কোনো নফল পড়া নাজায়েয।

-শরহু মুখতাসারিত তহাবী ১/৫৪৩; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৬৫৫; আলমুহীতুল বুরহানী ২/১০; আলবাহরুর রায়েক ২/২৫১; রদ্দুল মুহতার ১/৩৭৫
4
প্রশ্ন :
নামাযে সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি কী? উভয় সালাম কোত্থেকে শুরু করবে এবং কোথায় শেষ করবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা ডানদিকে ফেরাবে। তেমনিভাবে দ্বিতীয় সালামের ক্ষেত্রেও চেহারা সামনের দিকে এনে কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা বাম দিকে ফেরাবে।
* >الكوكب الدري< ١/১৪০ : (تحت حديث عائشة رضي الله عنها أن رسول الله ‘صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه، ثم يميل إلى الشق الأيمن شيئاً) أي يأخذ فيها من تلقاء وجهه ويختمها إذا مال وجهه إلى اليمين. وكذا الحكم في تسليم اليسار. لكنها اكتفت بذكر تسليمة؛ لما أن مقصودها بالذكر إنما هو بيان التسليمة، من أين تبتدأ وبيان كيفيتها كيف هي.
–আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৩/৪৫৮; লামিউদ দারারী ১/১৪০; মাআরিফুস সুনান ৩/
১১০
5
🌿 আমলের পথে এক শিক্ষা 🌿

দরুদ শরীফের ফজিলত শুনে এক হাজার বার পড়ার নিয়ত করেছিলাম। আল্লাহ তায়ালা এমন এক মুমিন বান্দার সঙ্গে দেখা করালেন, যিনি মাঝে মাঝে ৫,০০০ বার পর্যন্ত পড়েন।

কয়েকদিনে হাজার হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর মনে একধরনের বুজুর্গি ভাব জেগে উঠল। ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা এমন এক বান্দার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যিনি একদিনেই ১৭,৫০০ বার ইস্তিগফার শেষ করেন।

সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পড়ার পর ভাবলাম, এমন আমল আর কয়জন করে? পরক্ষণেই আল্লাহ তায়ালা এমন একজন ভাইয়ের সাক্ষাৎ দিলেন, যিনি বললেন, “ভাই, আমি অন্য জিকির করতে পারি না, তাই প্রতিদিন ১,০০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পড়ার চেষ্টা করি — এতে কোনো সমস্যা হবে?”
একদিন আধা পারা কুরআন তিলাওয়াত করে নিজেকে খুব সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। বাইরে বের হয়েই এমন একজনের কথা শুনলাম, যিনি প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ পারা নিয়মিত তিলাওয়াত করেন, আর একটু বেশি না পারার আফসোস করেন।

সপ্তাহে এক-দুই দিন কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতাম। পরে আল্লাহ তায়ালা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যার পুরো বছরে তাহাজ্জুদ বাদ যায় না বললেই চলে।

আমাদের আশেপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আমল কল্পনারও অতীত।
একবার চিন্তা করি— হাশরের মাঠে আমাদের আমলগুলো সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আমলের সঙ্গে তুলনা করা হবে!
তাই এখনই সচেতন হই, নিজের আমলগুলো পরিশুদ্ধ করি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাই। 🌸
9👍1
- কষ্টের সবচেয়ে বড় নিয়ামাহ হচ্ছে! উপলব্ধি করা!
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই! কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই! ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!

- আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই! আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
- কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!

- যাইনাব আল গাযী!
8
গুনাহ হলো অন্তরের রোগ
6
"দ্বীন ও দুনিয়ার সকল প্রয়োজন পূরা হওয়ার মাধ্যম হলো ইস্তিগফার, তথা আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা।"
[মাআসিরে হাকীমুল উম্মত, ৫২১]
5
"হে আদম সন্তান! কুরআন পড়ে তোমার অন্তর কীভাবে নরম হবে, যেখানে তোমার উদ্দেশ্যই থাকে সূরাটা দ্রুত শেষ করা?"
— হাসান আল-বসরি (রহ.)
[মুখতাসারু কিয়ামিল্লাইল, মারওয়াযী, পৃ. ১৫০]
😭5
যি*না কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জা*হা*ন্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!‼️

■ যি*না কাকে বলে?
কোন কাজ গুলো যি*না?

যি*না সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যি*না করার পূর্বে এই হাদীসটি একবার পড়ে নিন!!

যি*না কী?
শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যি-না বলা হয়?
— না!!

হাদীসের ভাষায় যি*না বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমন :
১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যি*না!
২। যৌ*নতা সম্পর্কিত অ*শ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যি*না!
৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যি*না!
৪। ব্যা*ভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যি*না!
৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যি*না।
৬। যি*নার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যি*না!
৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!

(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!

অথচ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যি*না মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?

যি*না স্পষ্ট হারাম :
আল্লাহ তা'আলা যি*নাকে হারাম ঘোষণা করে বলেন– "তোমরা যি*নার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"
(সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত : ৩২)

যি*নার শা*স্তি :
যি*নার শা*স্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
"..... আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এ অবস্থা (এমন) চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা???"
জিবরাঈল (আ.) বললেন, "তারা হলো অবৈধ যৌ"ন*চারকারী নারী ও পুরুষ!"

(বুখারী)

যি*না কারীর ল*জ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!
সেদিন যি*না কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!

তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়"তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।

আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুনাহ থেকে দুরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখা : সংগৃহীত
😢7😭2
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন;
‎‘আল্লাহর একটি অপরিবর্তনীয় বিধান হল, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উপর সৃষ্টির সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ সেই সৃষ্টিকেই তার উপর অসন্তুষ্ট করে দেন, যার সন্তুষ্টি সে চেয়েছিল। সে সেই সৃষ্টির দ্বারাই পরিত্যক্ত হয় এবং তার বিপদ সেই সৃষ্টির হাতেই ঘটে। ফলে যে তার প্রশংসাকারী ছিল, সেই তার নিন্দাকারীতে পরিণত হয়। অবশেষে সে না সৃষ্টির কাছ থেকে নিজের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে, না তার রবের সন্তুষ্টির পুরস্কার লাভ করতে পারে। এরূপ ব্যক্তিই হল সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে অক্ষম ও নির্বোধ’।
‎[মাদারিজুস সালেকীন, ২/২৮৬]
🔥7👍1