'মাত্র ৩৪ দিনেই জীবনের মোড় ঘুরে গেলো। ১০০০ (নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) বার দুরুদ পাঠ ছিলো আমার টার্নিং পয়েন্ট!' এই গল্পটি এক ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা, যিনি একসময় নামাজহীন, গাফেল জীবনে ডুবে ছিলেন।
তিনি বলেন—
"আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো পড়তাম না, দ্বীন নিয়ে ভাবনাও ছিল না। জীবনে শুধু হতাশাই ছিল। চাকরি নেই, সংসারে টানাপোড়েন, আত্মীয়দের কাছে অপমান—সবমিলিয়ে হতাশার অতল গহ্বরে ডুবে যাচ্ছিলাম।
একদিন হঠাৎ করে ইউটিউবে দরুদের ফজিলত নিয়ে একটি লেকচার দেখি। ফজিলত দেখে নিয়ত করলাম, একবার চেষ্টা করে দেখি।
আমি ঠিক করলাম—প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ পড়ব, ৪০ দিন পর্যন্ত।
প্রথম কয়েকদিনেই মনে হচ্ছিল, ভেতরের ভার যেন একটু হালকা হয়ে যাচ্ছে। অজানা এক প্রশান্তি পেতাম।
দিন যেতে লাগলো। ঠিক ৩৪তম দিনে একটা কোম্পানি থেকে চাকরির কল আসে। যেই চাকরির জন্য আমি আগেও অনেকবার আবেদন করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম—এবার একেবারে ডিরেক্ট রিক্রুট!
সেদিন শুধু সেজদায় পড়ে কেঁদেছিলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে কেঁদেছিলাম। দুরুদের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমার জন্য অসম্ভব কে সম্ভব করে দিয়েছেন।
আল্লাহ দরুদকে আমার জন্য হিদায়াতের দরজা বানিয়ে দিয়েছেন।
এই দরুদই আমাকে নামাজে ফিরিয়েছে, হতাশা থেকে মুক্ত করেছে, আর প্রমাণ করেছে—দোয়া কবুল হয়, শুধু দরজা ঠিক রাখতে হয়।
আজও আমি ১০০০ (নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) দুরুদ পড়ি, তবে আর কোনো চাওয়ার জন্য নয়, বরং আল্লাহর ভালোবাসার জন্য।
- সংগৃহীত
তিনি বলেন—
"আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো পড়তাম না, দ্বীন নিয়ে ভাবনাও ছিল না। জীবনে শুধু হতাশাই ছিল। চাকরি নেই, সংসারে টানাপোড়েন, আত্মীয়দের কাছে অপমান—সবমিলিয়ে হতাশার অতল গহ্বরে ডুবে যাচ্ছিলাম।
একদিন হঠাৎ করে ইউটিউবে দরুদের ফজিলত নিয়ে একটি লেকচার দেখি। ফজিলত দেখে নিয়ত করলাম, একবার চেষ্টা করে দেখি।
আমি ঠিক করলাম—প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ পড়ব, ৪০ দিন পর্যন্ত।
প্রথম কয়েকদিনেই মনে হচ্ছিল, ভেতরের ভার যেন একটু হালকা হয়ে যাচ্ছে। অজানা এক প্রশান্তি পেতাম।
দিন যেতে লাগলো। ঠিক ৩৪তম দিনে একটা কোম্পানি থেকে চাকরির কল আসে। যেই চাকরির জন্য আমি আগেও অনেকবার আবেদন করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম—এবার একেবারে ডিরেক্ট রিক্রুট!
সেদিন শুধু সেজদায় পড়ে কেঁদেছিলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে কেঁদেছিলাম। দুরুদের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমার জন্য অসম্ভব কে সম্ভব করে দিয়েছেন।
আল্লাহ দরুদকে আমার জন্য হিদায়াতের দরজা বানিয়ে দিয়েছেন।
এই দরুদই আমাকে নামাজে ফিরিয়েছে, হতাশা থেকে মুক্ত করেছে, আর প্রমাণ করেছে—দোয়া কবুল হয়, শুধু দরজা ঠিক রাখতে হয়।
আজও আমি ১০০০ (নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই) দুরুদ পড়ি, তবে আর কোনো চাওয়ার জন্য নয়, বরং আল্লাহর ভালোবাসার জন্য।
- সংগৃহীত
❤4
"দুআ কবুল হওয়ার পথে একট বড় বাধা হল গুনাহ, এজন্য নিয়ম হল সর্বপ্রথম নিজের গুনাহর জন্যে ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া, এরপর দুআ করা। এজন্যই দেখা যায় জানাযার নামাযের দুআয় বলা হয়:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا
অর্থাৎ হে আল্লাহ, মাফ কর আমাদের জীবিতদের ও মৃতদের।
মৃতদের পূর্বেই জীবিতদের উল্লেখ করা হয়েছে। আর যে দুআ করছে সে জীবিত। তাই সে প্রথমে নিজের জন্য এবং পরে মৃতদের জন্য দুআ করে"।
~ মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম [রাহ.]
[তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/৯৮]
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا
অর্থাৎ হে আল্লাহ, মাফ কর আমাদের জীবিতদের ও মৃতদের।
মৃতদের পূর্বেই জীবিতদের উল্লেখ করা হয়েছে। আর যে দুআ করছে সে জীবিত। তাই সে প্রথমে নিজের জন্য এবং পরে মৃতদের জন্য দুআ করে"।
~ মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম [রাহ.]
[তফসীরে নূরুল কোরআন: ৯/৯৮]
👍6
একটা অতি চমৎকার দুআ শেখাব। তবে তার আগে একটু ভূমিকা টানি এই দুআর। ভূমিকাটার দরকার খুব একটা নেই। তবুও বলা আর কি...
আমার মায়ের ইন্সমনিয়া আছে। যাকে বলে অনিদ্রা রোগ। দীর্ঘ বছর যাবত ঘুম হয় না। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। কতশত চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় না। ডাক্তার-কবিরাজ সব দেখানো শেষ। শেষমেশ সারা শরীর ও মাথায় যন্ত্রপাতি বসিয়ে স্লিপ টেস্ট করে জানা গেলো আম্মু ঘুমানোর সময় তার ব্রেইনের কিছু নার্ভ জেগে থাকে। ফলে ঘুমালেও সেই ঘুম তিনি অনুভব করেন না। এমন ঘুম আসলে না ঘুমানোর মতই।
জিনগতভাবে এই রোগের কিছুটা আমিও পেয়েছি। ঘুম হয় না। এমনও হয় যে আমি টানা জার্নি করে এসে শুইলাম কিন্তু ঘুম কিছুতেই আসছে না। নার্ভ এক্টিভ থাকে। নানা পরিকল্পনা অথবা কোনো শিডিউল মাথায় ঘুরতে থাকে। অথবা কোনোকিছু জানা বা পড়া দরকার। ডিস্টার্বিং এলেমেন্টস ঘুমাতে দিচ্ছেই না। আবার ঘুমালেও ঘুমের ব্যাপারটা আয়োজন করে করতে হয়। সারা ঘর অন্ধকার করে শীতল করে গায়ে পাতলা কাঁথা টেনে পিনড্রপ সাইলেন্টে ঘুমুতে হয়। অনেক দূরের ইট ভাঙার শব্দও কানে এলে গভীর ঘুম ভেঙে যায়। এমনিতেও ঘুম যে আসে না তা না। কিন্তু সেই ঘুম হয় আধখ্যাচড়া। কিছুটা অভ্যাসজনিত কারণও আছে। বায়োলজিক্যাল ক্লক সেট হয়ে আছে এভাবেই।
তো এই লম্বা কেচ্ছা বিশেষ জরুরী না। এই যে অনিদ্রা রোগ এটা শুধু আমাদের না। সাহাবাদেরও ছিলো। তারাও তো মানুষ ছিলেন। মানসিক চাপ বা অন্যান্য কারণে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হতো। তাদের সমস্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিলো নবী আলাইহিস সালামকে খুলে বলা। আল্লাহর নবীও তাদেরকে কোনোকিছুরই সমাধান না দিয়ে ফেরাতেন না। ঠিক তেমনি ঘুমের সমস্যা নিয়ে যায়েদ ইবনে সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু গেলেন রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে। বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাতে অনেক চেষ্টা করি। ঘুম আসে না। বিছানায় শুধু গড়াগড়ি করি। কী করতে পারি?
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রিয় সাহাবীর সমস্যা শুনে কি চমৎকার একটা দুআ শেখালেন দেখুন! বললেন: যায়েদ! বলো...
اَللّٰهُمَّ غَارَتِ النُّجُوْمُ، وَهَدَأَتِ الْعُيُوْنُ، وَأَنْتَ حَيٌّ قَيُّوْمٌ، لاَ تَأْخُذُكَ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ أَهْدِئْ لَيْلِيْ، وَأَنِمْ عَيْنِيْ
আল্লা-হুম্মা গা-রাতিন নুজুম, ওয়া হাদাআতিল উ’য়ুন, ওয়া আনতা ‘হাইয়ুন ক্বাইয়ুম, লা তাঅ্খুযুকা সিনাতুউ ওয়ালা নাওম, ইয়া ‘হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়ুম, আহদিঅ্ লাইলী ওয়া আনিম ‘আইনি।
হে আল্লাহ! তারকারাজি নিভে গেছে। (মানুষের) চোখগুলো (ঘুমে) শান্ত হয়ে গেছে। আর আপনি তো চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী—তন্দ্রা ও নিদ্রা যাকে স্পর্শ করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমার রাতকে শান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম দিন।
[ইবনে হিব্বান, তাবারানী]
এরপর থেকে যায়েদ ইবনে সাবিত আর কখনোই ইন্সমনিয়ায় আক্রান্তই হননি। সীরাতে আসলে নাই কী! ঘুম না এলে কী করতে হবে তাও নবী আলাইহিস সালাম শিখিয়ে দিচ্ছেন। ভাবা যায়!
আমার মায়ের ইন্সমনিয়া আছে। যাকে বলে অনিদ্রা রোগ। দীর্ঘ বছর যাবত ঘুম হয় না। সেই ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি। কতশত চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় না। ডাক্তার-কবিরাজ সব দেখানো শেষ। শেষমেশ সারা শরীর ও মাথায় যন্ত্রপাতি বসিয়ে স্লিপ টেস্ট করে জানা গেলো আম্মু ঘুমানোর সময় তার ব্রেইনের কিছু নার্ভ জেগে থাকে। ফলে ঘুমালেও সেই ঘুম তিনি অনুভব করেন না। এমন ঘুম আসলে না ঘুমানোর মতই।
জিনগতভাবে এই রোগের কিছুটা আমিও পেয়েছি। ঘুম হয় না। এমনও হয় যে আমি টানা জার্নি করে এসে শুইলাম কিন্তু ঘুম কিছুতেই আসছে না। নার্ভ এক্টিভ থাকে। নানা পরিকল্পনা অথবা কোনো শিডিউল মাথায় ঘুরতে থাকে। অথবা কোনোকিছু জানা বা পড়া দরকার। ডিস্টার্বিং এলেমেন্টস ঘুমাতে দিচ্ছেই না। আবার ঘুমালেও ঘুমের ব্যাপারটা আয়োজন করে করতে হয়। সারা ঘর অন্ধকার করে শীতল করে গায়ে পাতলা কাঁথা টেনে পিনড্রপ সাইলেন্টে ঘুমুতে হয়। অনেক দূরের ইট ভাঙার শব্দও কানে এলে গভীর ঘুম ভেঙে যায়। এমনিতেও ঘুম যে আসে না তা না। কিন্তু সেই ঘুম হয় আধখ্যাচড়া। কিছুটা অভ্যাসজনিত কারণও আছে। বায়োলজিক্যাল ক্লক সেট হয়ে আছে এভাবেই।
তো এই লম্বা কেচ্ছা বিশেষ জরুরী না। এই যে অনিদ্রা রোগ এটা শুধু আমাদের না। সাহাবাদেরও ছিলো। তারাও তো মানুষ ছিলেন। মানসিক চাপ বা অন্যান্য কারণে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হতো। তাদের সমস্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিলো নবী আলাইহিস সালামকে খুলে বলা। আল্লাহর নবীও তাদেরকে কোনোকিছুরই সমাধান না দিয়ে ফেরাতেন না। ঠিক তেমনি ঘুমের সমস্যা নিয়ে যায়েদ ইবনে সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু গেলেন রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে। বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাতে অনেক চেষ্টা করি। ঘুম আসে না। বিছানায় শুধু গড়াগড়ি করি। কী করতে পারি?
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রিয় সাহাবীর সমস্যা শুনে কি চমৎকার একটা দুআ শেখালেন দেখুন! বললেন: যায়েদ! বলো...
اَللّٰهُمَّ غَارَتِ النُّجُوْمُ، وَهَدَأَتِ الْعُيُوْنُ، وَأَنْتَ حَيٌّ قَيُّوْمٌ، لاَ تَأْخُذُكَ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ أَهْدِئْ لَيْلِيْ، وَأَنِمْ عَيْنِيْ
আল্লা-হুম্মা গা-রাতিন নুজুম, ওয়া হাদাআতিল উ’য়ুন, ওয়া আনতা ‘হাইয়ুন ক্বাইয়ুম, লা তাঅ্খুযুকা সিনাতুউ ওয়ালা নাওম, ইয়া ‘হাইয়ু ইয়া ক্বাইয়ুম, আহদিঅ্ লাইলী ওয়া আনিম ‘আইনি।
হে আল্লাহ! তারকারাজি নিভে গেছে। (মানুষের) চোখগুলো (ঘুমে) শান্ত হয়ে গেছে। আর আপনি তো চিরঞ্জীব-চিরস্থায়ী—তন্দ্রা ও নিদ্রা যাকে স্পর্শ করতে পারে না। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমার রাতকে শান্তিময় করুন এবং আমার চোখে ঘুম দিন।
[ইবনে হিব্বান, তাবারানী]
এরপর থেকে যায়েদ ইবনে সাবিত আর কখনোই ইন্সমনিয়ায় আক্রান্তই হননি। সীরাতে আসলে নাই কী! ঘুম না এলে কী করতে হবে তাও নবী আলাইহিস সালাম শিখিয়ে দিচ্ছেন। ভাবা যায়!
❤3
অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস অনেকেরই আছে। বেশিরভাগ অতিরিক্ত ঘুমের অভ্যাস থাকা মানুষ সাধারণত স্থুল মস্তিষ্কের হয়। অতিরিক্ত ঘুমালে বুদ্ধি ভোঁতা হয়ে যায়। কাজের স্পিরিট কমে যায়। ক্রমশ মানুষ জড়তার দিকে চলে যায়। নবী আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে সাহাবা ও সালাফদের কেউই অতিরিক্ত ঘুমাতেন না। আল্লাহ তায়ালা তাদের সিফাত বয়ান করতে গিয়ে বলেছেন:
كَانُوۡا قَلِیۡلًا مِّنَ الَّیۡلِ مَا یَهۡجَعُوۡنَ وَ بِالۡاَسۡحَارِ هُمۡ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ
রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো। আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত।
তো ঘুম কমানো আল্লাহর বান্দাদের সিফাত। প্রয়োজনমাফিক ৬/৭ ঘন্টা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য এনাফ ঘুম। তাহযিবুন নুফুস নামে একটা কিতাব আছে। সেখানে এসেছে: যখন মানুষ অতিরিক্ত ঘুমায় তখন অন্তর শক্ত হয়ে যায়। মূল্যবান সময় বরবাদ হয়ে যায়। আর যখন বান্দা কম ঘুমায় তখন সময়ের কাজ সময়ে করতে পারে।
সুলাইমান আলাইহিস সালামকে শৈশবে তার মা বলতেন: বেটা! বেশি ঘুমিওনা। অতিরিক্ত ঘুম কিয়ামতের দিন মানুষকে কপর্দকহীন বানিয়ে ছাড়বে।
ঘুম কমানোর কোনো দুয়া হাদিসে উল্লিখিত নাই তবে মুসান্নাফে আবি শাইবাতে একটা দুয়া এসেছে যেটা সালাফরা পড়তেন। সেটা পড়তে পারেন।
ﺍَﻟﻠّﻬُﻢَّ ﺍﺷْﻔِﻨِﻲْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﻮْﻡِ ﺑِﻴَﺴِﻴْﺮٍ، ﻭَﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲْ ﺳَﻬَﺮًﺍ ﻓِﻲْ ﻃَﺎﻋَﺘِﻚَ .
আল্লাহুম্মাশফিনী মিনান নাওমি বিইয়াসীর, ওয়ারযুক্বনী সাহারন ফী ত্বআতিক।
ইয়া আল্লাহ! সামান্য ঘুম দ্বারাই আমার প্রয়োজন পূরণ করুন এবং আপনার আদেশ পালনে রাত্রিজাগরণের তাওফীক দিন।
©
كَانُوۡا قَلِیۡلًا مِّنَ الَّیۡلِ مَا یَهۡجَعُوۡنَ وَ بِالۡاَسۡحَارِ هُمۡ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ
রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো। আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত।
তো ঘুম কমানো আল্লাহর বান্দাদের সিফাত। প্রয়োজনমাফিক ৬/৭ ঘন্টা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য এনাফ ঘুম। তাহযিবুন নুফুস নামে একটা কিতাব আছে। সেখানে এসেছে: যখন মানুষ অতিরিক্ত ঘুমায় তখন অন্তর শক্ত হয়ে যায়। মূল্যবান সময় বরবাদ হয়ে যায়। আর যখন বান্দা কম ঘুমায় তখন সময়ের কাজ সময়ে করতে পারে।
সুলাইমান আলাইহিস সালামকে শৈশবে তার মা বলতেন: বেটা! বেশি ঘুমিওনা। অতিরিক্ত ঘুম কিয়ামতের দিন মানুষকে কপর্দকহীন বানিয়ে ছাড়বে।
ঘুম কমানোর কোনো দুয়া হাদিসে উল্লিখিত নাই তবে মুসান্নাফে আবি শাইবাতে একটা দুয়া এসেছে যেটা সালাফরা পড়তেন। সেটা পড়তে পারেন।
ﺍَﻟﻠّﻬُﻢَّ ﺍﺷْﻔِﻨِﻲْ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﻮْﻡِ ﺑِﻴَﺴِﻴْﺮٍ، ﻭَﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲْ ﺳَﻬَﺮًﺍ ﻓِﻲْ ﻃَﺎﻋَﺘِﻚَ .
আল্লাহুম্মাশফিনী মিনান নাওমি বিইয়াসীর, ওয়ারযুক্বনী সাহারন ফী ত্বআতিক।
ইয়া আল্লাহ! সামান্য ঘুম দ্বারাই আমার প্রয়োজন পূরণ করুন এবং আপনার আদেশ পালনে রাত্রিজাগরণের তাওফীক দিন।
©
❤10
হযরত আইয়ুব আ. ১৮ বছর শয্যাশায়ী ছিলেন। শয্যাশায়ী অবস্থায় তিনি দোয়া করলেন। দোয়াতে শুধু এটুক বললেন: 'مَسَّنِيَ الضُّرُّ' আমাকে দুঃখকষ্ট স্পর্শ করেছে। জাস্ট এটুক। কী বিনয় নিয়ে বললেন। অথচ, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে তিনি কষ্টে আছেন। কিন্তু দোয়াতে বললেন 'স্পর্শ করেছে।' যেন খুব সামান্য কষ্ট। এমন বিনয়, এমন ধৈর্য—সুবাহানাল্লাহ।
দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিছানা থেকে উঠতেই পারেন নি। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাথরুমে নিয়ে যেতেন। ফিরিয়ে আনতেন। দেখভাল করতেন।
এ সময় তিনি তাঁর সব সম্পদ হারিয়েছেন। ২১ জন সন্তানও হারিয়েছেন। রোগের কারণে সবাই তার থেকে দূরেও সরে গেছে। পুরো শহর তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে। কী ভয়ংকর বিপদ! এত কিছুর পরও তিনি বললেন— وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ : "তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।"
দেখুন, সুখে থাকতে 'আল্লাহ দয়ালু' বলাটা সহজ। কিন্তু ১৮ বছর বিপদের পরও এমনটা বলতে পারাটা সাধারণ বিষয় নয়।
আর আমরা? আমরা দু'দিনের বিপদেই আল্লাহ থেকে নিরাশ হয়ে যাই। নানান অভিযোগ করি। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বলতে থাকি— 'আল্লাহ কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসেন? তিনি কি আমায় ভুলে গেছেন? এত কষ্টে ফালায়ে রাখছেন কেন?'
-------------------------
মাহমুদ বিন নূর
দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিছানা থেকে উঠতেই পারেন নি। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাথরুমে নিয়ে যেতেন। ফিরিয়ে আনতেন। দেখভাল করতেন।
এ সময় তিনি তাঁর সব সম্পদ হারিয়েছেন। ২১ জন সন্তানও হারিয়েছেন। রোগের কারণে সবাই তার থেকে দূরেও সরে গেছে। পুরো শহর তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে। কী ভয়ংকর বিপদ! এত কিছুর পরও তিনি বললেন— وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ : "তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।"
দেখুন, সুখে থাকতে 'আল্লাহ দয়ালু' বলাটা সহজ। কিন্তু ১৮ বছর বিপদের পরও এমনটা বলতে পারাটা সাধারণ বিষয় নয়।
আর আমরা? আমরা দু'দিনের বিপদেই আল্লাহ থেকে নিরাশ হয়ে যাই। নানান অভিযোগ করি। শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বলতে থাকি— 'আল্লাহ কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসেন? তিনি কি আমায় ভুলে গেছেন? এত কষ্টে ফালায়ে রাখছেন কেন?'
-------------------------
মাহমুদ বিন নূর
❤7👍2
আল্লাহর দেওয়া হাজারো নেয়ামতের মাঝে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো— মুসলমান পরিচয়! তাই সর্বদা শুকরিয়া প্রকাশ করুন এই ভেবে— আল্লাহ আপনাকে মুসলিম বানিয়ে এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন এবং আপনার অন্তরে ঈমানের আলো দিয়েছেন।
ভেবে দেখুন— কোটি কোটি মানুষ আজ বিভ্রান্তির অন্ধকারে ডুবে আছে, অথচ আল্লাহ আপনাকে তাঁর তাওহীদের পথে দাঁড় করিয়েছেন। এটি এমন এক নেয়ামত— যা দুনিয়ার সব সম্পদ, খ্যাতি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তাই এই নেয়ামতের কদর করুন, রবের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করুন এবং সর্বোপরি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
ভেবে দেখুন— কোটি কোটি মানুষ আজ বিভ্রান্তির অন্ধকারে ডুবে আছে, অথচ আল্লাহ আপনাকে তাঁর তাওহীদের পথে দাঁড় করিয়েছেন। এটি এমন এক নেয়ামত— যা দুনিয়ার সব সম্পদ, খ্যাতি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তাই এই নেয়ামতের কদর করুন, রবের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করুন এবং সর্বোপরি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করুন।
লেখা : মাহমুদুল হাছান
❤4
আপনি মারা গেছেন। আপনার জানাজার নামাজ শেষ। কবরে রাখা হলো। আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকিরের। জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করছেন আপনি।
একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। তখন আপনার মনে পড়লো- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।
(তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ)
একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। তখন আপনার মনে পড়লো- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।
(তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ)
❤9
জিকির , জিকিরকারীকে ধনী বানায় ধন সম্পদ ছাড়া ,
সকলের প্রিয় বানায়, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছাড়া
দুনিয়া আখিরাতের যত বিপদ আসতে পারে তার সামনে ঢাল হিসাবে দাঁড়ায় আল্লাহর জিকির।
--- মুফতি মুশ্তাকুন্নবি হাফিযাহুল্লাহ
সকলের প্রিয় বানায়, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছাড়া
দুনিয়া আখিরাতের যত বিপদ আসতে পারে তার সামনে ঢাল হিসাবে দাঁড়ায় আল্লাহর জিকির।
--- মুফতি মুশ্তাকুন্নবি হাফিযাহুল্লাহ
❤10
সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্য
১] সন্তানের সুন্দর নাম রাখা।
২] সন্তানকে জন্মের পর থেকেই দ্বীন শেখানো। আর এই শেখানোর শুরু হবে তার সামনে নিজেরা দ্বীন মোতাবেক চলাফেরা করার দ্বারা, দ্বীন মোতাবেক জীবনযাপনের দ্বারা, যা দেখে দেখে শিশু শিখতে শুরু করবে।
৩] সন্তানের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা। যারা বিভিন্ন হারাম ইনকামের সাথে জড়িত (ব্যাঙ্ক জব, সুদ, ঘুষ, দূর্নীতি, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি) তারা সন্তানের প্রতি এই কর্তব্য পালন করতে পারেন না। হারাম রিযিকের দ্বারা প্রতিপালিত সন্তান আপনার জন্য দুনিয়াতেই আপদ ও লাঞ্ছনার কারণ হবে।
৪] সন্তানকে উপযুক্ত পরিবেশে, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া এবং তার পড়াশোনার খোঁজ খবর রাখা।
৫] সন্তানকে দ্বীনের বিধানগুলো সুস্পষ্টভাবে জানানো। প্রাথমিকভাবে দ্বীন শেখানোর সাথে এটার পার্থক্য হলো, কিশোর বয়সে তাকে আবার সব বুঝিয়ে বলা। এটার বিশেষ প্রয়োজন আছে।
৬] সন্তানের নৈতিকতা ও শিষ্টাচার পর্যবেক্ষণ করা, দিকনির্দেশনা প্রদান। যদি প্রয়োজন হয় শাসন করা। অতিপ্রয়োজন ব্যতীত প্রায়শই মারধর করা বা শারিরীক শাস্তি না দেওয়া উচিত।
৭] সন্তানকে উপযুক্ত সময়ে চরিত্রবান মুসলিম জীবনসঙ্গী খুঁজে বিয়ে দেওয়া এবং বৈবাহিক জীবনে আগত সমস্যা সমাধান করার বিষয়ে সহায়তা করা।
৮] সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ পুরুষ বা নারী হিসাবে কিভাবে সংসার পরিচালিত করতে হবে তার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান এবং সার্বক্ষণিক সহানুভূতিশীল মনোভাব রাখা।
৯] সন্তানের সন্তান হলে তাদেরকে বড় করে তুলতে সাহায্য করা, নিজের অভিজ্ঞতার থেকে পরামর্শ প্রদান করা।
১০] সন্তানের জন্য সবসময় দোয়া করা।
মনে রাখতে হবে, সন্তানের পিতা অথবা মাতা হবার দ্বারা আমরা একটি শিশুকে আল্লাহর বান্দা হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়ে ফেলি। একেকটি মানবশিশু তার পিতামাতার নিকট মহান আল্লাহর বিশেষ আমানত। হাশরের মাঠে এই বিশেষ আমানত সম্পর্কে পিতামাতাকে জবাবদিহিতা করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের পিতামাতার ভালো সন্তান ও সন্তানের ভালো পিতামাতা হবার তাওফীক দান করুন। আমিন
১] সন্তানের সুন্দর নাম রাখা।
২] সন্তানকে জন্মের পর থেকেই দ্বীন শেখানো। আর এই শেখানোর শুরু হবে তার সামনে নিজেরা দ্বীন মোতাবেক চলাফেরা করার দ্বারা, দ্বীন মোতাবেক জীবনযাপনের দ্বারা, যা দেখে দেখে শিশু শিখতে শুরু করবে।
৩] সন্তানের জন্য হালাল খাবারের ব্যবস্থা করা। যারা বিভিন্ন হারাম ইনকামের সাথে জড়িত (ব্যাঙ্ক জব, সুদ, ঘুষ, দূর্নীতি, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি) তারা সন্তানের প্রতি এই কর্তব্য পালন করতে পারেন না। হারাম রিযিকের দ্বারা প্রতিপালিত সন্তান আপনার জন্য দুনিয়াতেই আপদ ও লাঞ্ছনার কারণ হবে।
৪] সন্তানকে উপযুক্ত পরিবেশে, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া এবং তার পড়াশোনার খোঁজ খবর রাখা।
৫] সন্তানকে দ্বীনের বিধানগুলো সুস্পষ্টভাবে জানানো। প্রাথমিকভাবে দ্বীন শেখানোর সাথে এটার পার্থক্য হলো, কিশোর বয়সে তাকে আবার সব বুঝিয়ে বলা। এটার বিশেষ প্রয়োজন আছে।
৬] সন্তানের নৈতিকতা ও শিষ্টাচার পর্যবেক্ষণ করা, দিকনির্দেশনা প্রদান। যদি প্রয়োজন হয় শাসন করা। অতিপ্রয়োজন ব্যতীত প্রায়শই মারধর করা বা শারিরীক শাস্তি না দেওয়া উচিত।
৭] সন্তানকে উপযুক্ত সময়ে চরিত্রবান মুসলিম জীবনসঙ্গী খুঁজে বিয়ে দেওয়া এবং বৈবাহিক জীবনে আগত সমস্যা সমাধান করার বিষয়ে সহায়তা করা।
৮] সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ পুরুষ বা নারী হিসাবে কিভাবে সংসার পরিচালিত করতে হবে তার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান এবং সার্বক্ষণিক সহানুভূতিশীল মনোভাব রাখা।
৯] সন্তানের সন্তান হলে তাদেরকে বড় করে তুলতে সাহায্য করা, নিজের অভিজ্ঞতার থেকে পরামর্শ প্রদান করা।
১০] সন্তানের জন্য সবসময় দোয়া করা।
মনে রাখতে হবে, সন্তানের পিতা অথবা মাতা হবার দ্বারা আমরা একটি শিশুকে আল্লাহর বান্দা হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়ে ফেলি। একেকটি মানবশিশু তার পিতামাতার নিকট মহান আল্লাহর বিশেষ আমানত। হাশরের মাঠে এই বিশেষ আমানত সম্পর্কে পিতামাতাকে জবাবদিহিতা করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের পিতামাতার ভালো সন্তান ও সন্তানের ভালো পিতামাতা হবার তাওফীক দান করুন। আমিন
❤5
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আকিদা সিরিজ - ১ম পর্ব - ইমানের পরিচয় ও রুকন | Shaikh Tamim Al Adnani
সকলের প্রতি অনুরোধ, সকলেই দেখবেন, শুনবেন, বুঝবেন এবং দাওয়াহ’র নিয়তে শেয়ার করবেন।
ইনশাআল্লাহ, ধাপে ধাপে সব পর্ব দেওয়া হবে।
চ্যানেল লিংক : https://t.me/Islamicproverbs07
সকলের প্রতি অনুরোধ, সকলেই দেখবেন, শুনবেন, বুঝবেন এবং দাওয়াহ’র নিয়তে শেয়ার করবেন।
ইনশাআল্লাহ, ধাপে ধাপে সব পর্ব দেওয়া হবে।
চ্যানেল লিংক : https://t.me/Islamicproverbs07
❤1
*إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى*
*النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا*
*عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ♥️.*
*النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا*
*عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا ♥️.*
❤🔥4❤1
যখন একাকিত্বে তোমার অন্তর গুনাহের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন দুটি আশ্রয়ে ফিরে যাও—
১. নামাজ। কারণ নামাজ হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগিয়ে তোলে, আর সেই স্মরণ তোমাকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।
২. কুরআন তিলাওয়াত। কারণ কুরআন এমন পথ দেখায়, যা মানুষকে সত্য, শান্তি ও সঠিকতার পথে পরিচালিত করে।
বি.দ্র.: এই বাণীটি ড. আলী সাল্লাবীর একটি পোস্ট থেকে নেওয়া।
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
১. নামাজ। কারণ নামাজ হৃদয়ে আল্লাহর স্মরণ জাগিয়ে তোলে, আর সেই স্মরণ তোমাকে অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে দূরে রাখে।
২. কুরআন তিলাওয়াত। কারণ কুরআন এমন পথ দেখায়, যা মানুষকে সত্য, শান্তি ও সঠিকতার পথে পরিচালিত করে।
বি.দ্র.: এই বাণীটি ড. আলী সাল্লাবীর একটি পোস্ট থেকে নেওয়া।
জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
❤10🔥3
যখন তুমি দেখবে তোমার হৃদয় কুরআন থেকে দূরে যাচ্ছে, ইবাদতে অলসতা আসছে, আর গুনাহের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এখন তোমার কর্তব্য হলো তাওবা করা, কান্না করা, আর নিজের নফসের সাথে জিহাদ করা।
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
~ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
😭6❤1
প্রশ্ন :
একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
আসরের পর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাযা নামায পড়া জায়েয। এ সময় কাযা নামায পড়া মাকরূহ নয়। হাঁ, এ সময় কোনো নফল নামায পড়া মাকরূহ।কেননা, হাদিস শরিফে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -ﷺ- نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ
রাসূল ﷺ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ১৯৫৭)।
তবে এ সময় মসজিদে কাযা নামায পড়বে না। কারণ এতে অন্য কেউ ভুল বুঝতে পারে। তাই আসরের পর কাযা আদায় করতে চাইলে তা ঘরে পড়াই ভাল হবে। আর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে গেলে কাযা নামায বা যে কোনো নফল পড়া নাজায়েয।
একদিন আমি আসরের পরে মসজিদে কাযা নামায পড়ছিলাম। আমার এক প্রতিবেশী বললেন, আছরের পরে নামায পড়া মাকরূহ। তাই আসরের পরে কাযা নামায পড়া যাবে না। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি আসরের পরে কাযা নামায পড়া নিষেধ? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
আসরের পর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত কাযা নামায পড়া জায়েয। এ সময় কাযা নামায পড়া মাকরূহ নয়। হাঁ, এ সময় কোনো নফল নামায পড়া মাকরূহ।কেননা, হাদিস শরিফে এসেছে,
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -ﷺ- نَهَى عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ
রাসূল ﷺ আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত নামাজ পড়তে নিষেধ করেছেন। (সহিহ মুসলিম ১৯৫৭)।
তবে এ সময় মসজিদে কাযা নামায পড়বে না। কারণ এতে অন্য কেউ ভুল বুঝতে পারে। তাই আসরের পর কাযা আদায় করতে চাইলে তা ঘরে পড়াই ভাল হবে। আর সূর্য হলুদ বা নিস্তেজ হয়ে গেলে কাযা নামায বা যে কোনো নফল পড়া নাজায়েয।
-শরহু মুখতাসারিত তহাবী ১/৫৪৩; হালবাতুল মুজাল্লী ১/৬৫৫; আলমুহীতুল বুরহানী ২/১০; আলবাহরুর রায়েক ২/২৫১; রদ্দুল মুহতার ১/৩৭৫
❤4
প্রশ্ন :
নামাযে সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি কী? উভয় সালাম কোত্থেকে শুরু করবে এবং কোথায় শেষ করবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা ডানদিকে ফেরাবে। তেমনিভাবে দ্বিতীয় সালামের ক্ষেত্রেও চেহারা সামনের দিকে এনে কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা বাম দিকে ফেরাবে।
* >الكوكب الدري< ١/১৪০ : (تحت حديث عائشة رضي الله عنها أن رسول الله ‘صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه، ثم يميل إلى الشق الأيمن شيئاً) أي يأخذ فيها من تلقاء وجهه ويختمها إذا مال وجهه إلى اليمين. وكذا الحكم في تسليم اليسار. لكنها اكتفت بذكر تسليمة؛ لما أن مقصودها بالذكر إنما هو بيان التسليمة، من أين تبتدأ وبيان كيفيتها كيف هي.
–আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৩/৪৫৮; লামিউদ দারারী ১/১৪০; মাআরিফুস সুনান ৩/
১১০
নামাযে সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি কী? উভয় সালাম কোত্থেকে শুরু করবে এবং কোথায় শেষ করবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর :
সালাম ফেরানোর সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে, কিবলার দিকে চেহারা থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা ডানদিকে ফেরাবে। তেমনিভাবে দ্বিতীয় সালামের ক্ষেত্রেও চেহারা সামনের দিকে এনে কিবলার দিকে থাকা অবস্থায় সালাম শুরু করবে এবং সালাম বলতে বলতে চেহারা বাম দিকে ফেরাবে।
* >الكوكب الدري< ١/১৪০ : (تحت حديث عائشة رضي الله عنها أن رسول الله ‘صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه، ثم يميل إلى الشق الأيمن شيئاً) أي يأخذ فيها من تلقاء وجهه ويختمها إذا مال وجهه إلى اليمين. وكذا الحكم في تسليم اليسار. لكنها اكتفت بذكر تسليمة؛ لما أن مقصودها بالذكر إنما هو بيان التسليمة، من أين تبتدأ وبيان كيفيتها كيف هي.
–আলমাজমূ শরহুল মুহায্যাব ৩/৪৫৮; লামিউদ দারারী ১/১৪০; মাআরিফুস সুনান ৩/
১১০
❤5
🌿 আমলের পথে এক শিক্ষা 🌿
দরুদ শরীফের ফজিলত শুনে এক হাজার বার পড়ার নিয়ত করেছিলাম। আল্লাহ তায়ালা এমন এক মুমিন বান্দার সঙ্গে দেখা করালেন, যিনি মাঝে মাঝে ৫,০০০ বার পর্যন্ত পড়েন।
কয়েকদিনে হাজার হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর মনে একধরনের বুজুর্গি ভাব জেগে উঠল। ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা এমন এক বান্দার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যিনি একদিনেই ১৭,৫০০ বার ইস্তিগফার শেষ করেন।
সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পড়ার পর ভাবলাম, এমন আমল আর কয়জন করে? পরক্ষণেই আল্লাহ তায়ালা এমন একজন ভাইয়ের সাক্ষাৎ দিলেন, যিনি বললেন, “ভাই, আমি অন্য জিকির করতে পারি না, তাই প্রতিদিন ১,০০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পড়ার চেষ্টা করি — এতে কোনো সমস্যা হবে?”
একদিন আধা পারা কুরআন তিলাওয়াত করে নিজেকে খুব সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। বাইরে বের হয়েই এমন একজনের কথা শুনলাম, যিনি প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ পারা নিয়মিত তিলাওয়াত করেন, আর একটু বেশি না পারার আফসোস করেন।
সপ্তাহে এক-দুই দিন কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতাম। পরে আল্লাহ তায়ালা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যার পুরো বছরে তাহাজ্জুদ বাদ যায় না বললেই চলে।
আমাদের আশেপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আমল কল্পনারও অতীত।
একবার চিন্তা করি— হাশরের মাঠে আমাদের আমলগুলো সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আমলের সঙ্গে তুলনা করা হবে!
তাই এখনই সচেতন হই, নিজের আমলগুলো পরিশুদ্ধ করি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাই। 🌸
দরুদ শরীফের ফজিলত শুনে এক হাজার বার পড়ার নিয়ত করেছিলাম। আল্লাহ তায়ালা এমন এক মুমিন বান্দার সঙ্গে দেখা করালেন, যিনি মাঝে মাঝে ৫,০০০ বার পর্যন্ত পড়েন।
কয়েকদিনে হাজার হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর মনে একধরনের বুজুর্গি ভাব জেগে উঠল। ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা এমন এক বান্দার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যিনি একদিনেই ১৭,৫০০ বার ইস্তিগফার শেষ করেন।
সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” পড়ার পর ভাবলাম, এমন আমল আর কয়জন করে? পরক্ষণেই আল্লাহ তায়ালা এমন একজন ভাইয়ের সাক্ষাৎ দিলেন, যিনি বললেন, “ভাই, আমি অন্য জিকির করতে পারি না, তাই প্রতিদিন ১,০০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পড়ার চেষ্টা করি — এতে কোনো সমস্যা হবে?”
একদিন আধা পারা কুরআন তিলাওয়াত করে নিজেকে খুব সন্তুষ্ট মনে হচ্ছিল। বাইরে বের হয়েই এমন একজনের কথা শুনলাম, যিনি প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ পারা নিয়মিত তিলাওয়াত করেন, আর একটু বেশি না পারার আফসোস করেন।
সপ্তাহে এক-দুই দিন কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়ে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতাম। পরে আল্লাহ তায়ালা এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, যার পুরো বছরে তাহাজ্জুদ বাদ যায় না বললেই চলে।
আমাদের আশেপাশে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যাদের আমল কল্পনারও অতীত।
একবার চিন্তা করি— হাশরের মাঠে আমাদের আমলগুলো সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আমলের সঙ্গে তুলনা করা হবে!
তাই এখনই সচেতন হই, নিজের আমলগুলো পরিশুদ্ধ করি, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এগিয়ে যাই। 🌸
❤9👍1
- কষ্টের সবচেয়ে বড় নিয়ামাহ হচ্ছে! উপলব্ধি করা!
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই! কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই! ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!
- আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই! আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
- কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!
- যাইনাব আল গাযী!
আমরা জানি আমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আপন আর কেউ নাই! কিন্তু যখন কোনো পরীক্ষায় পতিত হই! ঠিক তখনই আমরা এই জানা কথাটিই মারাত্মকভাবে উপলব্ধি করি!
- আল্লাহ ছাড়া আমার আর আপন কেউই নাই! আমি আল্লাহর আল্লাহ আমার!
- কী সুকুন ভরা একটা উপলব্ধি!
- যাইনাব আল গাযী!
❤8