❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
652 subscribers
102 photos
23 videos
144 links
Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
Download Telegram
জানা-শোনা= অশান্তি!

(এক)
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো:
-তুমি কোথায় চাকুরি করো?
-একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
-স্যালারি কতো?
-৫০০০।
-মোটে পাঁচ হাজার?
-চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
.
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো। এখন যুবকটি বেকার।
.
(দুই)
-তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
-জ্বি।
-তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয়নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
-না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
-কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
.
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়াল।
.
(তিন)
-এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
-না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
-কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
-সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
-আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে, আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
.
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল:
-আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
-নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?
.
কিছু নিরীহ প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়:
-কেন আপনিও সেটা এখনো কিনেন নি?
-আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয়নি?
-এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
-ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
-ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!
.
গল্পের নির্যাস:
= ফাসাদসৃস্টিকারী হয়ো না। হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।
.
গল্পের হিতোপদেশ:
= মানুষের ঘরে অন্ধ হয়ে প্রবেশ করো। বোবা হয়ে বের হয়ে আসো!

✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
3
“খুব বেশি বিপদে আছেন, মানুষের কাছে সাহায্য পাওয়ার আশাও নেই এমন অবস্থায় তিনটি আমল করুন। আল্লাহ তা’আলা অলৌকিক ভাবে উদ্ধার করবেন সেই বিপদ থেকে।
​১) দু’আয় ইউনুস
২) ইস্তিগফার
৩) দরুদ

​ [শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি:]

চ্যানেল লিংক : https://t.me/Islamicproverbs07
3🔥1
“যদি আকাঙ্ক্ষা করেন আপনার সম্পদ বৃদ্ধি হোক এবং আপনার পাপগুলো ক্ষমা হোক, তাহলে আপনার সাদাকাহ (দান) করা উচিত।”

— শাইখ ইবনে আল-উসাইমিন

[আহকাম-উল-ক্বুরআন, ২/২৯৩]
7
দূর্বলের উদারতা কেউ ভালোবাসে না। শক্তিমানের শক্তিকেই সবাই ভয় পায়। যে বিজয়ের বহর রক্তের সমুদ্র বেয়ে আসতে হবে সেখানে পানির জাহাজের কী কাজ। *তাই সুমুদের দাম ই*j*রায়েল দেয় না। দিবেও না। তারা দাম দিবে সিনওয়ারের সেই দীপ্ত কন্ঠে বলা কবিতাকে:*

وللحرية الحمراء باب
بكل يد مضرجة يدق

রক্তস্নাত বিজয়ের দরজায়
রক্তাক্ত হাতই কড়া নেড়ে যায়...

~Ustaz Ammarul Haque (Hafi.)
6
কখনো এটা ভাবো না যে হারাম দৃশ্য দেখা শুধুই একটি গুনাহ — বরং এগুলো হৃদয়ে কালো দাগ ফেলে দেয়, ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, নামাজে দেরি করায় এবং ইবাদতের স্বাদ কেড়ে নেয়।

কেউ একবার বলেছিলেন: আমি কেবল দৃষ্টির লাগাম না ধরার কারণে পুরো কোরআন ভুলে গিয়েছিলাম।🥀

~সংগৃহীত
😢81
মৃত্যুর মিষ্টতা

মহল্লার নিয়মিত নামাযী তিনি। বয়েস আশির উর্ধে। গত বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ। একেবারে শেষ সময় উপস্থিত।
সবাই দেখতে আসছে। তাকে দেখেই মনে হচ্ছিল, তিনি আর বেশিক্ষণ বাঁচবেন না।
.
তিনি বারবার ঢোক গিলছিলেন। একজনের চোখে তা ধরা পড়াতে, পানি দেবে কিনা জানতে চাইলো। তিনি নিষেধ করলেন।
-কেন?
-আমি মুখের মিষ্টিটা নষ্ট করতে চাই না।

বৃদ্ধের কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে গেল:
-মুখে মিষ্টি কোথায় পেলেন? আমরা তো কেউ আপনাকে মিষ্টি খেতে দিইনি! আর আপনার তো এখন কষ্ট হওয়ার কথা, মিষ্টি খাওয়া কথা নয়!
.
মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধ বললেন:
-আমি একবার একটা হাদীস শুনেছিলাম। সেটাতে বলা হয়েছিল:

যে আমার ওপর বেশি বেশি দুরূদ পাঠ করবে, সে মৃত্যুর সময় কোনও কষ্ট ভোগ করবে না।
.
শোনার পর থেকেই আমি প্রতিদিন সময় পেলেই দুরূদ শরীফ পড়তাম। আলহামদুল্লিাহ, আমি সারা জীবন এর সুফল-বরকত পেয়েছি, এখনো পাচ্ছি।

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ 🩵

✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ |
9
শিরক কেনো এত ভয়াবহ ও জঘন্য অপরাধ তার দুটা খাস বাংলা উদাহরণ দেই-

[১]
আপনার স্ত্রী আপনার অবাধ্য, কথা শুনে না, অহেতুক ঝগড়াঝাটি করে। এগুলা আপনারা কাছে বিরক্তিকর এতে আপনি রাগান্বিত হোন। কিন্তু তবুও আপনি এগুলা মেনে নিবেন। কিন্তু একদিন দেখলেন আপনার স্ত্রী আরেকজন পুরুষের বিছানায় তার সাথে শুয়ে আছে! আপনি এটা কখনোই মেনে নিবেন না, কারন আপনি তার স্বামী।

[২]
আপনার সন্তান আপনার অবাধ্য, কথা শুনেনা। ডানে যেতে বললে বামে যায়। তবুও আপনি মেনে নিবেন। কিন্তু একদিন দেখলেন আপনার ওই সন্তান পাশের বাসার কাউকে বাবা বলে ডাকতেছে, তার কাছেই থাকতেছে। এটা আপনি কখনোই মেনে নিবেন না।

এবার আশা করি বুঝতে পেরেছেন- আমরা আল্লাহর অবাধ্য হই, নাফরমানি করি, শত সহস্র হুকুম অমান্য করি। তবুও তিনি আমাদেরকে ভালোবাসেন। কিন্তু তাকে ব্যাতিত আমরা যখন কাউকে খোদা ডাকি, কারো সামনে মাথা নত করি, কাউকে পূজা করি, এটা তিনি কখনোই মেনে নিবেন না। কারন তিনিই আমাদের রব।

- সুমন আহমাদ
👍52💯1
আপনার সন্তান ডিজিটাল মিডিয়ার ভয়ংকর ঝুঁকিতে

মূল্যবোধ সংক্রান্ত নতুন একটি বই লেখার জন্য প্রত্যন্ত এক গ্রামের হাইস্কুলের কয়েকশত শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ করেছি। প্রাথমিক ফলাফল দেখে রীতিমত বিস্মিত। প্রায় ৯০% শিক্ষার্থী পিতামাতার স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে। শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে মেয়েদের বেশিরভাগ (~৭০-৮০%) কোরিয়ান মিউজিক ব্যান্ড বিটিএস ভক্ত। বিটিএস নিয়ে প্রচারণা না থাকলেও এটা প্রত্যন্ত গ্রামে পৌছে গেছে।

উল্লেখ্য যে বিটিএস দলের সদস্যদের সবাই ছেলে হলেও তা বেশ-ভূষায় বুঝা যায় না। এ যুগের ঈমান বিধবংসী বিশেষ ফিতনাও বিটিএস প্রমোট করে।

পশ্চিমা সমাজের ডেটা অনুযায়ী মেয়েদের মাঝে এই ফিতনায় আকৃষ্ট হওয়ার দিক থেকে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মাঝে প্রায় ৩ গুন বেশী। একটু ঘাটাঘাটি করলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

জরীপে দেখা গেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের উঠতি বয়সীদের মাঝে ফেসবুকের চেয়ে টিকটক বেশী ব্যবহার করে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্মার্টফোনে ভিডিও দেখার ট্রেন্ড দেখে অনুমান করা যায় উঠতি বয়সীদের মধ্যে পর্ণ আসক্তির প্রাদুর্ভাব কেমন হবে। আমার প্রকাশিত #সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ বইতে পর্ণ মহামারি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত লিপিবদ্ধ করা আছে।

এ যুগে পিতামাতারা বিশেষ সচেতন না হলে আদরের সন্তান ঘর থেকেও অপরিচিত হয়ে যেতে পারে, শয়তান ছিনিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

আল্লাহ আমাদের সন্তান এবং বংশধরদের ঈমানের ওপরে টিকে থাকার তৌফিক দান করুন।

#এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ

জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
5
পাপ যদি স্বাভাবিক মনে হয়, বুঝতে হবে—আত্মার আলো নিভে যাচ্ছে
.
কখনও কি ভেবে দেখেছেন, যে পাপ শুধু একটি ভুল নয়, এটি একধরনের অন্ধকার? একটু গভীরে চোখ রাখলে দেখতে পাওয়া যায়, পাপ হলো সেই কুলশতা, যা আমাদের আত্মার আলোকে আস্তে আস্তে নিভিয়ে দেয়।
.
শুরুতে সবাই পাপকে ভয় পায়। একটি ভুল করলে বিবেক ব্যথিত হয়, হৃদয় কেঁপে ওঠে। আল্লাহর সামনে লজ্জা পায়, রাতে ঘুম হয় না। কিন্তু একটা সময়ের পর দেখা যায় সেই একই পাপ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। আগের মতো আর অস্থির ফিল হয় না।
.
আর যখন পাপ স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, তখন বুঝতে হবে, আমাদের হৃদয়ের জানালা বন্ধ হয়ে গেছে। অন্ধকার সেই জানালায় ঢুকে বসে আছে, আর আত্মার সেই উজ্জ্বল দীপটি নিভে যাচ্ছে দিনকে দিন।
.
আত্মা আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া সবচেয়ে পবিত্র উপহার। এই আত্মা আলোকিত থাকে ঈমান, তাকওয়া ও খালেস নেক আমলের মাধ্যমে। আর যখন সেই আত্মাকে ঘিরে রাখে পাপ, মিথ্যা, হিংসা, হারাম রিজিক, অপবিত্র দৃষ্টি, তখন ধীরে ধীরে নিভে যেতে থাকে সেই আলো।
.
আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেন— "না, বরং তাদের কৃতকর্ম তাদের হৃদয়ে মরিচার সৃষ্টি করেছে।" (সূরা আল-মুতাফ্ফিফীন, আয়াত ১৪) এই মরিচা ধীরে ধীরে হৃদয়কে এতটাই কালো করে দেয় যে, হক ও বাতিলের পার্থক্য আর অনুভব করা যায় না। পাপ আর পাপ মনে হয় না, বরং তা-ই হয়ে ওঠে জীবনের ‘নতুন স্বাভাবিক’।
.
আজই নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন— আমি কি সত্যিই বেঁচে আছি, নাকি আমার আত্মা নিঃশব্দে মারা যাচ্ছে? আমি কি আলোর পথে ফিরে যেতে প্রস্তুত?

- সংগৃহীত
😭10
ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না।

ছেলে প্রায় বছর তিনেক ধরে বিভিন্নভাবে পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়েটা তার প্রয়োজন। কিন্তু চাকুরী না থাকায় বিয়ের ব্যাপারে পরিবারের কোন সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে গত বছর ছেলে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী পাওয়ার পর পরিবার উঠে-পড়ে লাগে বিয়ের জন্য।

এবার ছেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আর কোনদিনই সে এই ব্যাপারে বিবেচনা করবে না এবং বাড়াবাড়ি করলে গৃহ'ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যখন প্রয়োজন ছিল, তখন যেহেতু পায়নি, আর প্রয়োজন নেই। ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছে, যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় পেরিয়ে আসার পর লোক-দেখানো বিয়ে করে এমন কোন মেয়েকে সে তার জীবনে আনতে রাজী নয়, যে মেয়ে লাখ লাখ টাকা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে মূলত তার চাকুরী ও স্ট্যাটাস দেখে আসবে।

যার কাছে টাকা মুখ্য, তার কাছে মানুষের মূল্য গৌণ। অতএব, এই প্রহসনে সে অংশ নিবে না। টাকার অংকে মানুষকে বিবেচনা করা তার দৃষ্টিতে নোংরামী।

এভাবেই প্রতিনিয়ত সমাজে বিয়ে কঠিন হওয়ায়- অনেকে আজ বিয়ের প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে।

আল্লাহ বলছেন:
> وَأَنكِحُوا ٱلۡأَيَـٰمَىٰ مِنكُمۡ وَٱلصَّـٰلِحِينَ مِنۡ عِبَادِكُمۡ وَإِمَآئِكُمۡۚ إِن يَكُونُوا۟ فُقَرَآءَ يُغۡنِهِمُ ٱللَّهُ مِن فَضۡلِهِۦۗ وَٱللَّهُ وَ ٰ⁠سِعٌ عَلِيمٞ

“তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, আর তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল তাদের বিবাহ দাও। তারা দরিদ্র হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সমৃদ্ধ করে দেবেন।” সূরা আন-নূর (২৪:৩২)

বিয়ে'তে বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি বিয়ের ব্যবস্হা করে  দেওয়া উচিত । দারিদ্র্য'তা কোনো অজুহাত নয়।
😢6👍2🔥2🥰1
নর্থ সাউথের ঘটনা স্পষ্ট বার্তা দেয়, এ ধরনের ন্যাক্কারজনক অপকর্ম রুখতে এখনই কঠোর আইন প্রণয়ন জরুরি।
👍5
ঈমাম ইবনে কুদামাহ ( رحمه الله ) বলেন,

“যদি কেউ কুরআনকে অবমাননা করে, তা ছিঁড়ে ফেলে, মাটিতে ফেলে দেয়, বা তুচ্ছ মনে করে — তবে সে কাফির। এবং এ বিষয়ে সাহাবা ও তাবেঈনদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই।”

📚 আল মুগনী ৯/৩৪
🔥8
যে ব্যক্তি তার চক্ষু হিফাজত করে না, তার দুঃখ-দূর্দশা (ক্রমাগত) বেড়ে যায়।

— ইমাম হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : জাম্মুল হাওয়া, ৮১]
3
তুমি কি নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চাও?
তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারে ইনশাআল্লাহ।

একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল।

আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো।

আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন:
"তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো।"
আমি বললাম, "বলুন।"
তিনি বললেন:
"তুমি প্রতিদিন ১০০০ বার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে।"

তিনি আরও বললেন: "দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে।
নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে।"
চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন:
"তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'।"

আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম।

এরপর ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'।

আল্লাহর কসম:
আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে।

আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি:
যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে ইনশাআল্লাহ।

কার্টেসী : শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ), মিশর।
ভাষান্তর : ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি, কায়রো।
13
একজন নারী সাহাবীর কাছে দুটো বিয়ের প্রস্তাব আসে। এই দুজনের মধ্যে তিনি কাকে বিয়ে করবেন?

পরামর্শ করার জন্য তিনি গেলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে।

তিনি তখন তালাকপ্রাপ্রা। ইদ্দত পালন শেষ হবার সাথে সাথেই তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হয়।

নারী সাহাবীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অসম্ভব রূপবতী। একইসাথে তিনি ছিলেন মেধাবী, উচ্চ ব্যক্তিত্বসম্পন্না।

মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং আবু জাহম রাদিয়াল্লাহু আনহু এই দুজন তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

দুজনই উচ্চবংশীয়। তিনি এখন কার প্রস্তাবে 'হ্যাঁ' বলবেন?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গেলে রাসূলুল্লাহ দুই পাত্রের বায়োডাটা বিশ্লেষণ করে বললেন-

- মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু এখনো যুবক, তার তেমন অর্থসম্পদ নেই।

- আর আবু জাহম রাদিয়াল্লাহু আনহুর একটি বদগুণ আছে, তাঁর রাগ অনেক; স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন!

এই দুজনের বায়োডাটা বিশ্লেষণ করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানালেন, সেই নারী যেরকম ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তাঁর সাথে ঐ দুজন সাহাবীর মিলে না।

(বিয়ের প্রস্তাবে পাত্র/পাত্রীর দোষগুণ উল্লেখ করা যে গীবত না, সেটার অন্যতম রেফারেন্স এই ঘটনা।)

.

এখন তাহলে তিনি কাকে বিয়ে করবেন?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রস্তাব দিলেন— উসামা ইবনে যায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর কথা!

এটা শুনে তো নারী সাহাবী ভীষণ অবাক হলেন।

কীভাবে? উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সামাজিক অবস্থান তো তাঁর চেয়ে নিচে। এরকম পাত্রকে তিনি কীভাবে বিয়ে করবেন?

একপর্যায়ে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রস্তাবে রাজি হয়ে উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিয়ে করেন।

.

এমনিতেই তালাকপ্রাপ্তা তিনি। বিয়ে করেন তাঁর চেয়ে নিচের সামাজিক মর্যাদার এক পাত্রকে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পরামর্শে বিয়ের পরিণতি কী হয়েছিলো?

তিনি নিজেই সেই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন— “আল্লাহ আমাদের এই দাম্পত্য জীবনের এতো বরকত দান করেন, তাতে আমি বাকিদের ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম!”

.

সেই নারী সাহাবীর নাম ফাতিমা বিনতে কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা।

.

এই গল্পের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইনসাইট আছে।

১. বিয়ের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে পরামর্শ গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা। এতো প্রস্তাবের মধ্যে কোনটা গ্রহণ করতে হবে সেটার জন্য অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নেয়া।

২. 'পাত্র/পাত্রী কেমন?' জিজ্ঞেস করলে তার সাথে সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে না, বরং সে আসলেই যেমন, তেমনটা বলা উচিত।

৩. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারী সাহাবীদেরকে অনেক গরীব পাত্রের সাথে বিয়ে দেন। এমনকি নিজের মেয়ে ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকেও।

অন্যদিকে, গরীব হবার কারণে প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা, প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতেও বলেন।

এর অন্যতম কারণ- একেক ব্যক্তির একেক পার্সোনালিটি।

ফাতিমা বিনতে কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন লাইফস্টাইলের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন। তাকে নিয়ে সংসার করার জন্য যে পরিমাণ উপার্জন থাকা দরকার সেটা না থাকায় একজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে বলেন। সাংসারিক জীবনে পাত্রের উপার্জন যে গুরুত্বপূর্ণ, এটাও একটা উদাহরণ।

৪. নিজের বুঝের চাইতে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে যে ফায়দা হয়, তার অন্যতম প্রমাণ হলো এই ঘটনা।

.

রেফারেন্স:
সুনানে আন-নাসাঈ: ৩২৩৭, সহীহ মুসলিম: ৭২৭৬, ইবনে হাজার আসকালানী, আল-ইসাবা: ৪/৩৮৪, সুনানে আন-নাসাঈ: ৩২৪৪, সুনানে আবু দাউদ: ২২৮৪
5
বিয়ের আগে পর্দার ক্ষেত্রে মেয়েদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ চাচাতো-মামাতো-খালাতো-ফুফাতো ভাইদের সামনে। আর বিয়ের পরে চ্যালেঞ্জ দে-বর ও দুলা-ভাইয়ের সামনে। এই চ্যালেঞ্জ কমপ্লিট হলেই অনেকটা সহজ হয়ে যায় পর্দা মেইনটেইন করা।

ছেলেদের পর্দার বেলায় মামি, চাচি, শা-লি, ভাবি এই ৪ টা চ্যালেঞ্জিং।
🔥71
ছবিতে যে হাদিসে কুদসী লিখা আছে তার অর্থ হলো:
"আমার বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার নিকটবর্তী হতে থাকে, যতক্ষণ না আমি তাকে ভালোবাসি।" অর্থাৎ এভাবে নফল আদায় করতে করতে আমার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যায়।
(সহিহ বুখারী : ৬৫০২)
.
এরপর ছবিতে নিচ থেকে উপরে আল্লাহর নৈকট্য লাভের ১৪ টি নফল আমলের তালিকা সিঁড়ির মতো করে দেখানো হয়েছে। তা হলো :

১. সোমবার ও বৃহস্পতিবারের রোযা
২.আইয়ামে বীয-এর রোযা (প্রতি আরবী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোযা)
৩.সুন্নতে রাতেবাহ (ফরয নামাযের আগে ও পরে নির্দিষ্ট সুন্নাত নামাযগুলো)
৪. চাশতের নামায
৫. রাতের নামায তথা তাহাজ্জুদ
৬. দু'আ করা
৭. সাদাকা বা দান-খয়রাত
৮. পিতা-মাতার প্রতি সদাচারণ
৯. বিতর নামায
১০. কুরআন তিলাওয়াত
১১. আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা
১২.আল্লাহ্ যিকির ও তাসবীহ
১৩. মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত নামায
১৪. ওযূর পরের দুই রাকাত নামায
4🔥2
- দরুদ এর আমলের ফজিলত শুনে এক হাজার টার্গেট নিয়ে শুরু করলাম, আল্লাহ তায়ালা এমন মুমিন বান্দা দেখালেন যে মাঝে মধ্যে ৫০০০ বারও পড়ে।

- দুইদিন কয়েক হাজার বার ইস্তিগফার পড়ার পর খুব বুজুর্গি ভাব যখন এলো, আল্লাহ তায়ালা এমন বান্দা দেখালেন একদিনেই ১৭৫০০ বার পড়া শেষ।

- সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি তাসবিহ সকাল সন্ধ্যা ১০০ বার পড়ে মনে হলো এমন আমল আর কয়জনে করে? এক ভাইয়ের সাথে আল্লাহ তায়ালা দেখা করিয়ে দিলেন, কথাপ্রসঙ্গে তিনি বললেন, ভাই আমি অন্য জিকির করতে পারিনা সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ১০০০ বার পড়ার চেষ্টা করি, কোন সমস্যা হবে?

- একদিন আধা পারা তিলাওয়াত করে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে যখন বাইরে বের হই, রেগুলার ৩-৫ পারা পড়া লোক আরেকটু বেশি তিলাওয়াত না করতে পারার আফসোস করে।

-- সপ্তাহে এক দুইদিন কিয়ামুল লাইল/ তাহাজ্জুদ পড়ে আত্মতুষ্টির মধ্যে থাকা আমাকে আল্লাহ তায়ালা এমন মানুষের সাক্ষাৎ লাভ করান যার বছরে কালেভদ্রে তাহাজ্জুদ মিস হয়।

আমাদের চারপাশেই এমন অনেক লোক থাকে যাদের আমল সম্পর্কে কল্পনা করাও সম্ভব না। চিন্তা করি একবার, হাশরের মাঠে সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লহু আনহুমের আমলের সাথে আমাদের গুলো মাপা হবে। আগে থাকতে সতর্ক হয়ে যাই।
9
হাসিনার হাতে গু_*ম হওয়া একজন ভিক্টিম বলেছেন, তাকে উ-ল-ঙ্গ করে তার লি_ঙ্গের সাথে ইট বেঁ-ধে ঝু-লিয়ে রেখে দিয়েছিলো৷

আরেকজন বললেন, তাকে উ-ল_ঙ্গ করে মহিলাদের সামনে নিয়ে যাওয়া হতো৷ এক বোনকে তার নিক্বাবের জন্যে শুধুমাত্র সারারাত জানালার সাথে বেঁ-ধে ঝু-লিয়ে রাখা হয়েছে। মাসিকের জন্যে প্যা-ড চাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গা-লি, বি-দ্রু-প করা হয়েছে।

বে-শ্যা-টা বুঝতো সম্ভ্রান্ত মানুষের কাছে কারো সামনে আনফিটভাবে যাওয়াটাও মানসিক য-ন্ত্রণার। নিক্বাব পরা মেয়ের ওড়না টেনে খুলে ফেলার য-ন্ত্রণা আর তাকে রে-ই_প করার য-ন্ত্রণা সেইমভাবেই অনুভূত হয়। সে জন্যে সে এতোসব অদ্ভুত অবাক করা নির্যা-তনের মহা-কারখানা খুলে বসেছিলো।

গু-*ম কমিশন এক ঘন্টার একটি বিস্তারিত ডকুমেন্টারি করেছে। আপনার হাতে অনেক সময় না থাকলেও এক ঘন্টা খরচ করে দেখেন এটা। কোন ন-র-ক থেকে মুক্তি পেয়েছেন জানা তো দরকার... তাই না?

জয়েন : https://t.me/Islamicproverbs07
😭61🔥1
"হৃদয়ে জমে থাকা কষ্টের অনুভূতিগুলো আমাদের সবসময় মনে করিয়ে দেয় যে এইটা আমাদের আসল বাড়ি নয়, আমরা এই দুনিয়ার কেউ নই!

আমরা কেবলই আল্লাহর। আমরা এই দুনিয়ার জন্য বাঁচি না, আমরা আখিরাতের জন্য বাঁচি।
.
– শাইখ আবু নাওয়ার রাহিমাহুল্লাহ
5❤‍🔥1