❝ 𝐋𝐨𝐬𝐭 𝐋𝐞𝐭𝐭𝐞𝐫 | হারানো চিঠি ❞
652 subscribers
102 photos
23 videos
144 links
Let's get to know Islam 🥰

https://t.me/Islamicproverbs07
Download Telegram
আমার বয়স যখন ৩০ বছর,
এর মধ্যেই আমি একশতের-ও অধিক সংখ্যক বার প্রিয় নবী ﷺ কে স্বপ্ন দেখেছিলাম। অধমের মতে এটা এজন্যই হয়েছিল, আমি আমার নজরের খুব হিফাযাত করতাম।

জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী দামাত বারাকাতুহুম
9
কী অদ্ভুত তাই না?
আপনি সারা রাত জাগেন, ঘুম আসে না। আবার সে আপনিই ফজর পড়তে পারেন না—কারণ আপনার ঘুম ভাঙে না।

বই—কুরআনিক নসিহা।
~আদিব সালেহ।
😢8
রাসূলুল্লাহ (সা) ফাতিমা (রা) এর জন্য পাত্র খুঁজছিলেন তখন।

একদিন আবু বকর (রা) আর উমার (রা) আলী (রা) এর সঙ্গে গল্প করছিলেন। দেখলেন, আলী (রা) কেমন যেন চুপচাপ। আবু বকর (রা) বলে উঠলেন, “আলী, তুমি ফাতিমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছ না কেন?” উমার (রা) মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ, আলী, তুমিই তো সবচেয়ে উপযুক্ত!”

আলী (রা) একটু লজ্জা পেলেন। বললেন, “আমার তো হাতে তো তেমন কিছুই নেই বিয়ে করার মত।” আবু বকর (রা) হেসে বললেন, “তুমি শুধু প্রস্তাব দাও। বাকিটা দেখা যাবে।”

আলী (রা) সাহস করে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে গেলেন। কিন্তু চুপচাপ থাকলেন। রাসূল (সা) বললেন, “আলী, তুমি কি কিছু বলতে চাও?” তখন আলী (রা) খুব রয়ে সয়ে বললেন, “আমি আপনার ফাতিমাকে বিয়ে করতে চাই।” রাসূল (সা) মুচকি হেসে বললেন, “আচ্ছা! মাহর হিসেবে কী দিতে পারবে?”

আলী (রা) বললেন, “আমার তো শুধু সেই ঢালটাই আছে।” রাসূল (সা) বললেন, “ঠিক আছে। ঢালটা বিক্রি করে মাহরের অর্থ জোগাড় করো।” আর বললেন, “যাও, আবু বকর, উমার, উসমানদের খবরটা দাও।”

আলী (রা) গিয়ে উসমান (রা) কে ঘটনা জানালেন। উসমান (রা) নিজেই সেই ঢালটা কিনে নিলেন। আবার যাবার সময় সেই ঢালটাকেই উপহার হিসেবে দিলেন। তারপর আবার আরো কিছু উপহার দিলেন। এভাবে একে একে আবু বকর (রা) এবং উমার (রা) এর কাছে যাবার পর, তারাও খুব খুশি হয়ে উপহার দিলেন। তারপর উপহার এবং ঢাল বিক্রি করা অর্থ নিয়ে আলী (রা) রাসূল (সা) এর কাছে আসলেন।

রাসূল (সা) বললেন, “এই উপহারের অর্থ দিয়ে ওয়ালিমার আয়োজন করো।”

বুখারী (৫১৫০) ও মুসলিম (১৪২৪)
5💯1
আমি এমন বহু মানুষকে দেখেছি, যাদের অনেক দোষ-ত্রুটি ও মন্দ স্বভাব ছিলো। কিন্তু তাঁরা অন্যদের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখার ফলে আল্লাহও তাঁদের দোষ-ত্রুটি গোপন রেখেছেন। অবশেষে এক সময়ে তাঁদের সেসব দোষ-ত্রুটি ও মন্দ স্বভাব বিদূরিত হয়ে যায়। আবার এমন লোকদেরকেও দেখেছি, যাদের তেমন দোষ-ত্রুটি ও মন্দ স্বভাব ছিলো না। কিন্তু তাঁরা অন্যদের দোষচর্চায় লিপ্ত হবার দরুন নিজেরাও সেসবে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

-ইবনু ইয়াযদান মাদাঈনী রাহিমাহুল্লাহ‌

বই : আত্মশুদ্ধি
লেখক : আবু আব্দুর রহমান আস সুলামী রহ.
পৃষ্ঠা : ২৪
3
আতাউল্লাহ শাহ বুখারী রহিমাহুল্লাহ বলেন,

আমি দুনিয়ায় দুটি জিনিস দেখিনি।

১. আল্লাহর রাস্তায় যে দান সদাকা করে তাকে কখনো ভিক্ষা করতে দেখিনি।

২. কোন জা লিম কে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়ায় পাকড়াও করেন নি এমন কখনো দেখিনি।

---- মুফতি মুশতাকুন্নবি হাফিযাহুল্লাহ এর বয়ান থেকে সংগৃহীত
3
ভয় পেয়ো না। ভুলে যেয়ো না—ঘনঘোর গভীর আঁধার রাতও কিন্তু এক রাতের বেশি স্থায়ী হয় না।

বই: আজ ছুটি নিক দুঃখরা!
3
হাকীমুল উম্মত থানভী রহ. বলেন, 'অন্তরের প্রভাব মানুষের কথা এবং পোশাকের ওপর পড়ে থাকে। এ কারণেই আল্লাহওয়ালাদের তাবাররুক তথা স্পর্শধন্য জিনিসের প্রভাব পড়ে। সোহবতের মাধ্যমে প্রভাব পড়ে আরও বেশি।'

[বই : প্রশান্ত অন্তর লাভের ১০০ উপায়]
3
মহিলাদের যেমন মেনোপজ-এর পর হঠাৎ করে কমে আসে সব সেক্স-হরমোন। পুরুষের তেমন না, পুরুষের টেস্টোস্টেরোন কমে ধীরে ধীরে।

১৭ বছর বয়েসে সর্বোচ্চ হয়, এরপর ২০-৩০ বছর ধরে সর্বোচ্চের আশেপাশে থাকে। ৩০-এর পর প্রতি বছর ১% হারে এই মাত্রা কমে যায়। ৭০ বছরে গিয়ে সর্বোচ্চের ৩০% এ নেমে আসে।

চিন্তা করেছেন, কী এক জীবন কাটাচ্ছি আমরা? কী এক দুনিয়া বানিয়ে রেখেছি আমরা? যে সময়টা শরীরের চাহিদা থাকে সর্বোচ্চ, সে সময়টাতেই আমরা স্ত্রী ছাড়া থাকি!

বায়োলজি-বিরুদ্ধ এক সিস্টেম বানিয়ে পশ্চিমা সভ্যতা আমাদেরকে ডাকছে তাদের মতো হবার জন্য। ঠিক কখন আমরা হতে পারব তাদের মতো — যখন ইউরোপের মত আমাদেরও ৫০% জনসংখ্যা হবে জারজ, আমাদের ৭০% মেয়েরা ১৮-এর আগেই হারাবে সতীত্ব, সতীত্ব-রক্ষা হবে মান্ধাতার আমলের ধ্যানধারণা। আর T-এর জোয়ারের এই সময়টা অপব্যবহার করে করে বাড়বে যৌনরোগের ওষুধ, সার্জারি, পর্নো-ইন্ডাস্ট্রি, সেক্স-ট্যুরিজম আর ডিপ্রেশনের ঔষুধের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজার।

হয় আমাদেরকেও ওদের পরিণতি বরণ করতে হবে, কেননা ওদের স্কীম অনুসরণের ফলও ওদের মতোই হবে। কাঁঠাল গাছ লাগাবেন, কাঁঠালই ফলবে। আর নয়তো ইউরোপের আধুনিকতা-স্বাধীনতা-প্রগতি-উন্নতির ধারণাকে ছুঁড়ে ফেলতে হবে। স্পষ্ট বলে দিতে হবে : তোমাদের পথেই আমরা হাঁটতে চাই না। আমরা আমাদের সন্তানদের বিয়ে ৩০-এর পরে না, ২৫-এর আগেই, সম্ভব হলে আরও আগে দিব।

ব্যক্তিজীবনে আপনি ইউরোপীয় প্রতিটি ধারণাকে (প্রযুক্তি না, ধ্যান-ধারণা) ছুঁড়ে ফেলতে পারলে ‘কমপক্ষে’ ‘অ্যাট লীস্ট’ আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সুখী হতে পারবেন।

© শামসুল আরেফিন শক্তি
3
কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? পর্ব ১

১.১

পরম করুনাময় এবং অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা ও শুকরিয়া আল্লাহ তায়ালার জন্যে, এবং অজস্র দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সকল নবী রাসুল গনের উপর। বেশ কিছুদিন আগে, কুয়েতী দা’য়ী মিশারী আল-খারাজ এর উপস্থাপনায় ”كيف تتلذذ بالصلاة؟” নামে একটি আরবি প্রোগ্রাম প্রচারিত হয়েছিল যার মানে হলো: “কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়?” আমা…দের প্রায় সবারই নামাজের ‘খুশু’ কমবেশি হয়ে থাকে। খুশু কী? এটা আসলে অন্তরের বা মনের একটি অবস্থা যা নামাজে প্রশান্তি, গাম্ভীর্য ও বিনম্রতা বজায় রাখে; যা হৃদয় থেকে বর্ষিত হয়ে আমাদের আল্লাহর সামনে বিনম্র ও আম্ত্মসমর্পিত করে।

কোন কোন সময় নামাজে আমাদের আরাধনা এমন হয় যেনো আমরা প্রতিটা শব্দ কে ভেতর থেকে অনুভব করি; আবার অন্য সময় নামাজ শুধু নিয়ম মেনে উঠাবসা ছাড়া আর কিছুই হয় না। ইনশা-আল্লাহ, আমরা আগামী কিছুদিন নামাজের অতিগুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা করব।

এক আনসারী ও এক মুহাজির এর কাহিনী:
সুনানে আবু দাউদ থেকে হাসান সনদে বর্ণিত; কোন একটি যুদ্ধের সময় নবী (সা:) দুজন পাহারাদার নিয়োগ করেন, তাদের একজন ছিলেন মুহাজিরীন, আরেকজন ছিলেন। একটা সময় আনসারী সাহাবী নামাজের জন্য উঠে পড়লেন অপরদিকে মুহাজিরীন সাহাবী তখন ক্লান্তিতে তন্দ্রা মতো এসেছিলেন। এই সময় প্রতিপক্ষের এক মুশরিক এই অবস্থা দেখে সুযোগ বুঝে আনসার সাহাবীর দিকে তীর ছুড়ে মারেন। এটা তাঁর গায়ে লাগে, কিন্তু তবুও কষ্ট করে তীর বের করে রক্তাক্ত অবস্থায় নামাজ চালিয়ে গেলেন। এটা দেখে ঐ মুশরিক আবার তীর নিক্ষেপ করলেন। আবারও আনসার সাহাবী তীরটি অপসারণ করে নামাজ চালিয়ে গেলেন। কিন্তু যখন তৃতীয় তীর আঘাত হানল; তিনি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেন না এবং তিনি রুকু এবং সেজদায় চলে গেলেন, এর মাঝে মুহাজিরীন সাহাবীর ঘুম ভেঙ্গে যায়(মুশরিক তা দেখে পালিয়ে যায়), এবং তাঁর সাথীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে চেঁচিয়ে উঠে বললেন “সুবহান-আল্লাহ! যখন প্রথম সে তোমাকে আঘাত করেছিলো আমাকে কেন ডাকলে না?” আনসারী সাহাবীর উত্তর ছিল, “আমি তখন এমন একটি সুরা তিলাওয়াত করছিলাম যা আমি ভালবাসি, আর আমি সেটা থামাতে চাচ্ছিলাম না।” আল্লাহ আকবার, আমাদের পক্ষে কী কল্পনা করা সম্ভব কী পরিমান আবেগ ও নিষ্ঠা ছিলো তাঁর নামাজে?

নামাজের মধুরতা:
নামাজ হল সর্বোত্তম ইবাদত। যখন কেউ নামাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে সালাম ফেরায় তখন সে নিশ্চিত ভাবেই এক প্রশান্তি লাভ করে। ইবনে আল যাওজী নামাজের ব্যাপারে বলেন: “আমরা এমন এক উদ্যানে অবস্থান করি যেখানে আমাদের খাদ্য হল খুশু আর পানীয় হল অশ্রু” যে নামাজে পূর্ণভাবে আরাধনা করে তার আত্মা তার কাছে আর থাকেনা; যেমন ইবনে তায়মিয়্যাহ বলেন, তার রুহ আসলে আল্লাহর আরশের তাওয়াফ করতে থাকে।

কেউ একথা বলতে পারেন যে এরাতো আগের জামানার মানুষ, এখন কেউ এরকম অনুভব করেন না। কিন্তু এ কথা মোটেও সত্য নয়; যে কেউ নামাজের এই অমৃতসুধার সন্ধান পেতে পারে, আর এর জন্য দরকার নামাজের গুরুত্ব অনুধাবন করা এবং খুশু অর্জনের রহস্য উন্মোচন করা। আর এর মাধ্যমেই নামাজ হতে পারে আমাদের সব কিছুর সমাধান; সব দুঃখ, কষ্ট, গ্লানি ও হতাশার ঔষুধ, এমন কিছু যার মাঝে আমরা পরম প্রশান্তি লাভ করি; এমন কিছু যা আমরা চাই কখনও শেষ না হোক।

চলুন তাহলে শুরু করি রহস্য উন্মোচন এবং আল্লাহর সাথে কথোপকথন।

১) প্রথমত আমাদের যে কাজটি করতে হবে সেটা হলো খুশু সম্পর্কে আমাদের ধারণা পরিবর্তন করতে হবে। খুশু মানে শুধু এই না যে আপনি খুবই কষ্ট করে এমন মনোনিবেশ করেছেন যে আপনাকে আর ভিন্নমুখী করা সম্ভবই নয়। একাগ্রত হৃদয় বা মন হল খুশুর প্রথম স্তর। অনেকটা এরকম যে আপনি কেবল একটি বাড়ির দরজা খুলেছেন, এখনো পুরো বাড়িটা দেখা বাকি আছে। খুশুর গভীরতা অসীম। অনেকেরই এটা মনে হয় যে মনকে একাগ্রত করা, নিজের চিন্তা চেতনাকে কেন্দ্রীভূত করা খুবই কঠিন কাজ। এই ধারনাকে নির্মূল করতে নামাজে আসার সময়ই আমাদের নামাজের ব্যাপারে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে আসতে হবে। ধরা যাক আমাদের প্রতি নামাজে ১০ মিনিট সময় লাগে। মানে দিনে ৫০ মিনিট; এক ঘন্টাও না। বাকি তেইশ ঘন্টা আমার দুনিয়ার জন্য। এই পঞ্চাশটা মিনিটও কী আমরা শুধুমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্য দিতে পারিনা? এইটুকু সময়েও কী আমরা দুনিয়ার জিনিস নিয়ে ভাববো?

নামাজ শুরুর আগে এই কথা গুলো মনে মনে ভাববেন, যাতে আমাদের নফস আমাদের এই বলে ধোঁকা দিতে না পারে যে “নামাজে মনোযোগ দেয়া খুবই কঠিন”-কারণ এটা খুবই সম্ভব একটা কাজ; মনে রাখা উচিত আল্লাহর সামনে দাড়ানোর আনন্দ/মিষ্টতা দুনিয়ার যেকোনো প্রলোভনের চেয়ে অনেক অনেক আকাঙ্ক্ষিত, অনেক সুখের শুধু একবার তা অনুভব করলে আর কিছুতেই মন উদাস হবে না।
5
২.২

এর পরের নামাজে এই পন্থা প্রয়োগ করে দেখুন। নিজের মন থেকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করুন যে আল্লাহতায়ালা আপনাকে ক্ষমা করে দিতে চান, মার্জনা করে দিতে চান এবং আপনার প্রতি করুনা বর্ষণ করতে চান। বিশ্বাস করুন এবং মনপ্রাণ দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করুন যেনো তিনি আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন, এবং শুধু তাইই না, আপনি যেনো জান্নাতে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিবেশী হোন| এগুলো আকাশচুম্বী কল্পনাপ্রসূত কোন গল্প নয়।

বরং আল্লাহ
তায়ালা বলেন: “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।” [সুরা গাফির ৪০:৬০]

নবী(সা:) বলেন: “আল্লাহর কাছ থেকে নিশ্চয়তার সাথে প্রার্থনা করো যে তিনি তোমার ডাক শুনবেন।” [সুনান আল-তিরমিজীঃ ৩৪৭৯] যদি আপনি তা করেন; আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তার থেকেও অনেক বেশী দান করবেন| কিন্তু মনে রাখবেন এসব চাইতে হবে ‘রযা’ অবস্থায় “আমানি” অবস্থায় না| পার্থক্য কোথায়?

‘রযা’ হল এতক্ষণ ধরে যা বলা হল তা সব, কিন্তু এসব করতে হবে একাগ্র চিত্তে ও পরিশ্রমের মাধ্যমে; একবারে না হলে পুনরায় চেষ্টা করতে হবে, চাইতে হবে আল্লাহর কাছে তিনি যেনো আপনার জন্য ‘রযা’ পাওয়াকে সহজ করে দেন, যদি তা না করি তাহলে সেটা হল ‘আমানি’..সঠিক একাগ্রতা আর অধ্যাবসায় ছাড়া এমনি এমনি আল্লাহর করুনা প্রার্থনা করা- তিনি(আল্লাহ) তা করা পছন্দ করেন না| আল্লাহতায়ালা বলেন: “আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।” [সুরা তাহা ২০:৮২]

আর এমন করলেই তিনি আপনাকে আপনার প্রতাশার চাইতেও বেশী কিছু দান করবেন।

আল্লাহর করুনা
আল্লাহ তাঁর করুণাকে ১০০ ভাগে ভাগ করেছেন, এবং তার মাত্র একটি ভাগ তিনি সমগ্র পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, বাকি ৯৯ ভাগ তিনি নিজের জন্যের রেখে দিয়েছেন। [সহীহ মুসলিমঃ ৬৯০৮] এই এক ভাগই এত শক্তিশালী যে তা সৃষ্টির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মায়েদের, বাবাদের, সন্তানদের, স্বামীদের, স্ত্রীদের এমনকি সকল পশু প্রানীদের মাঝে এমন ভাবে বিদ্যমান- যে সন্তান যতই যা করুক মা তাঁর সন্তানের একটু কষ্ট দেখলে কী যন্ত্রনাই না পায়; কোন বাবা তার সন্তানের জন্য কত কী না করেন; জন্ম দেয়ার পর মা কিভাবে আগলে রাখে তার সন্তান দের….আরো কত…আরেকটি উদাহরন দেই-নিজের জন্মের আগের অবস্থা কল্পনা করুন – কিছুই ছিলেন না আপনি, নয় মাস মায়ের পেটে থেকে মাকে ব্যথা দিয়েছেন, এত কষ্ট দিয়েও ক্ষান্ত হননি, পৃথিবীতে আসার মুহূর্তেও মাকে দিয়েছেন কী অসম্ভব কষ্ট, কী পরিমান কষ্ট সহ্য আপনার মা আপনাকে জন্ম দিলেন অথচ জন্মের পরপরই আপনিই হয়ে গেলেন তার নয়নমনি, আদরের ধন।…একবার কী চিন্তা করেছেন আপনি কী এমন করেছিলেন যে আপনি আপনার মার এত ভালোবাসা, দয়া, করুনার পাত্র হয়ে গেলেন? এসবি যদি সেই একটি ভাগেরই অংশ হয়ে থাকে তবে বাকি ৯৯ ভাগের কথা কী কল্পনা করা সম্ভব? কখনই না ..তার করুনা অসীম; শেষ বিচারের দিন তিনি যখন এই সমগ্র করুনা নিয়ে আমাদের বিচার করবেন তখন কী অবস্থা হতে পারে? এটা কী আমাদের আবৃত না করে পারবে? আমাদের চেয়ে অনেক পাপী মানুষ যাদের আল্লাহ তাঁর স্বীয় করুনায় ক্ষমা করে দিয়েছেন, যেমন সেই মানুষটি যে ৯৯জনকে হত্যা করেছিলো তারপর আরও একজন কে হত্যা করে ১০০ পুরো করছিলো। কিন্তু তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসার একাগ্র ইচ্ছার কারনে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। [সহীহ বুখারীঃ খন্ড ৪, অধ্যায় ৫৬, হাদীস নং ৬৭৬] তাহলে কিভাবে তিনি আমাদের ক্ষমা ও করুনা না করে থাকতে পারেন?

তাহলে আপনি আমি কী তাঁর অসীম করুনার ভাগিদার হতে পারিনা? অবশ্যই পারি। চলুন তাহলে আজ থেকেই এভাবে নামাজ পড়ি ও প্রার্থনা করি

আগের পর্ব উপরে আছে।
1
মহিলাদের যেমন মেনোপজ-এর পর হঠাৎ করে কমে আসে সব সেক্স-হরমোন। পুরুষের তেমন না, পুরুষের টেস্টোস্টেরোন (T) কমে ধীরে ধীরে।

১৭ বছর বয়েসে সর্বোচ্চ হয়, এরপর ২০-৩০ বছর ধরে সর্বোচ্চের আশেপাশে থাকে। ৩০-এর পর প্রতি বছর ১% হারে এই মাত্রা কমে যায়। ৭০ বছরে গিয়ে সর্বোচ্চের ৩০% এ নেমে আসে । [1]

চিন্তা করেছেন, কী এক জীবন কাটাচ্ছি আমরা, কী এক দুনিয়া বানিয়ে রেখেছি আমরা! যে সময়টা শরীরের চাহিদা থাকে সর্বোচ্চ, সে সময়টাতেই আমরা স্ত্রী ছাড়া থাকি। বায়োলজি-বিরুদ্ধ এক সিস্টেম বানিয়ে পশ্চিমা সভ্যতা আমাদেরকে ডাকছে তাদের মত হবার জন্য। ঠিক কখন আমরা হতে পারব তাদের মত— যখন ইউরোপের মত আমাদেরও ৫০% জনসংখ্যা হবে জারজ, আমাদের ৭০% মেয়েরা ১৮-এর আগেই হারাবে সতীত্ব, সতীত্ব-রক্ষা হবে মান্ধাতার আমলের ধ্যানধারণা। আর T-এর জোয়ারের এই সময়টা অপব্যবহার করে করে বাড়বে যৌনরোগের ওষুধ, সার্জারি, পর্নো-ইন্ডাস্ট্রি, সেক্স-ট্যুরিজম আর ডিপ্রেশনের ওষুধের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বাজার।

হয় আমাদেরকেও ওদের পরিণতি বরণ করতে হবে, কেননা ওদের স্কীম অনুসরণের ফলও ওদের মতোই হবে। কাঁঠাল গাছ লাগাবেন, কাঁঠালই ফলবে। আর নয়তো ইউরোপের আধুনিকতা-স্বাধীনতা-প্রগতি-উন্নতির ধারণাকে ছুঁড়ে ফেলতে হবে। স্পষ্ট বলে দিতে হবে: তোমাদের পথেই আমরা হাঁটতে চাই না। আমরা আমাদের সন্তানদের বিয়ে ৩০-এর পরে না, ২৫-এর আগেই, সম্ভব হলে আরও আগে দিব।

ব্যক্তিজীবনে আপনি ইউরোপীয় প্রতিটি ধারণাকে (প্রযুক্তি না, ধ্যান-ধারণা) ছুঁড়ে ফেলতে পারলে ‘কমপক্ষে’ ‘অ্যাট লীস্ট’ আপনার ব্যক্তিগত জীবনে সুখী হতে পারবেন।

✍️ শামসুল আরেফিন শক্তি
10
একটু আগে জানতে পারলাম আমার খুবই ক্লোজ এক বন্ধুর বাবা হয়তো আর কয়েক ঘন্টা দুনিয়াতে আছেন, লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হবে। আল্লাহ সহজ করুন।

এখনকার সময় প্রতি ২০-২৫ বছরের ব্যবধানে এক প্রজন্ম চলে যায়। আমরা যখন ০৪-০৫ সালে মাস্টার্সে ঢুকি তখন আমাদের দাদাদের জেনারেশনের সবাই একে একে চলে যাচ্ছিলেন। এখন চলছে বাবাদের জেনারেশন। আব্বা আর মেজো কাকা তো দুই মাসের ব্যবধানে গতবছর ইন্তেকাল করলেন। এখন ইনফ্রিকোয়েন্ট কারো ফোন আসলেই কিছুটা আতংক কাজ করে।

--

যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন, তাদের বলছি - বাবা-মায়ের ভালমতো খেদমত করুন, সময় দিন, খাবার সময় তাদের সাথে খান, না খেলেও পাশে বসতে পারেন, তাদের চাইল্ডিশ সব ডিমান্ড এর বিরোধিতা করবেন না, মেনে নেন। চলে গেলে আফসোস করবেন যে আরো কিছুদিন নাহয় থাকতো, কিছু চাইল্ডিশ ডিমান্ড নাহয় করতো-ই, তাও তো থাকতো! যারা বাবা মা থেকে অনেক দূরে থাকেন, ফ্রিকোয়েন্টলি ভিজিট করার চেষ্টা করুন, ফ্রিকোয়েন্টলি।

~এম মাহবুবুর রহমান
😭4
আর যাকে কুরআনের ইলম দেয়া হয়েছে কিন্তু সে এর দ্বারা উপকৃত হয়নি, কুরআনে আসা নিষেধাজ্ঞা সমূহ তাকে সতর্ক করা সত্ত্বেও সে পাপ থেকে বিরত হয়নি; বরং বিভিন্ন নিকৃষ্ট পা*পে ও লাঞ্ছনাদায়ক অ*পরাধে লিপ্ত হয়েছে, কুরআন তার বিরুদ্ধে (কি*য়ামতের দিন) প্রমাণ হবে এবং তাঁর (আল্লাহর) সামনে এই ব্যক্তির বিপক্ষে বিবাদী হবে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, الْقُرْآنُ حُجَّةٌ لَكَ أَوْ عَلَيْكَ
'কুরআন তোমার পক্ষে প্রমাণ হবে অথবা তোমার বিপক্ষে প্রমাণ হবে'।
হাদিসটি ইমাম মুসলিম (রহি.) উল্লেখ করেছেন।

— ইমাম আবু আব্দিল্লাহ আল কুরতুবী (রহি.)
[সূত্র : আল জামি লি-আহকামিল কুরআন, ১/২
👍5
❝বিয়ে না করা পর্যন্ত একজন যুবকের দ্বীনদারিতা পূর্ণতা পায় না।❞

~তাউস ইবনু কাইসান রহিমাহুল্লাহ

—ইমাম আবু নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া : ৪/৬
3😢1
শরিয়া আইনের দেশ সোমালিল্যান্ডে—ডানপাশে বসে ধর্মমন্ত্রী, চায়ের কাপে লেবু চিপছেন। পেছনে দাঁড়িয়ে স্পেশাল ফোর্স। ভাবা যায়? একটি রাষ্ট্রের অন্যতম ক্ষমতাধর মানুষ এতটা সাধারণভাবে এক দোকানে বসে সকালের নাশতা করছেন!

আমি খাচ্ছি প্যানকেক আর বুটের ডাল। পরে প্যানকেকের ওপর মধু ঢেলে খেলাম।

মাঝে মাঝে ভাবি—মানুষকে আসলে কী মাটির কাছাকাছি রাখে? কী তাদেরকে এমন সাদামাটা জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে?

অদ্ভুত ব্যাপার হলো, গরীব দেশের অনেক নেতাকর্মীকে দেখা যায় উল্টো পথে হাঁটতে। তারা রাজকীয় আড়ম্বর করে, জনগণ থেকে দূরে সরে যায়, যেন তাদের পা মাটিতেই পড়ে না। অথচ এই সাধারণ মানুষগুলো ক্ষমতার মাঝেও সরলতার সৌন্দর্য ধরে রাখেন।

আমরা প্রায়ই ভাবি—শরিয়া হয়তো আমাদের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে দেবে। আসলে তাই-ই করে, তবে সেটা পাপ আর অন্যায় থেকে। শরিয়া মানুষকে গোনাহ থেকে বাঁচিয়ে নেকির বাঁধনে আবদ্ধ করে, যাতে কেউ কারও ক্ষতি না করে, জীবনের নিরাপত্তা নষ্ট না করে।

কী অদ্ভুত, অথচ কত সুন্দর—এমন সাধারণ জীবন...
👍42🔥2
বিয়ের চাইতে সহজ আর কিছুই নেই।❤️‍🩹
16
সব দঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ।

-হযরত আলী (রাঃ)
7
মানুষ আসে, মানুষ চলে যায়।
কত মুখ হারিয়ে যায় স্মৃতির দুর্বোধ্য পাতায়,
কত সঙ্গীর নামও মুছে যায় সময়ের স্রোতে।
তবুও বিস্ময়ের কিছু নেই—
যতটুকু পথযাত্রা আমার সঙ্গে লিখিত ছিল, ততটুকুই সঙ্গী হয় তারা।
মাঝপথে আলাদা হয়ে গেলে কারণ খুঁজে লাভ নেই;
কারণ, প্রত্যেকেই শেষমেশ ছুটে যায় নিজের গন্তব্যের দিকে।

—বুশরা তারান্নুম
8
জানা-শোনা= অশান্তি!

(এক)
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো:
-তুমি কোথায় চাকুরি করো?
-একটা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে।
-স্যালারি কতো?
-৫০০০।
-মোটে পাঁচ হাজার?
-চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তোমার যা যোগ্যতা, হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
.
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি, বসের প্রতি বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে জুলুমের কথা জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়াতে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো। এখন যুবকটি বেকার।
.
(দুই)
-তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
-জ্বি।
-তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয়নি? উপহার বা এ জাতীয় কিছু?
-না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! টাকা দিতে হবে কেন?
-কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
.
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা। সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো। স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। লেগে গেলো দু’জনে। কথা কাটাকাটি। ঝগড়া। হাতাহাতি। শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়াল।
.
(তিন)
-এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে, বড় চাকুরি করে শুনেছি। বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
-না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে খোঁজ-খবর নেয়। নিয়মিত।
-কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-দাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
-সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই সময় চলে যায়!
-আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে, আর আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
.
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো। স্ত্রীও বাধা দিল:
-আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
-নাহ, খন্দকার সাহেব কি মিথ্যা বলতে পারেন? আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম?
.
কিছু নিরীহ প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে এক লহমায় দুঃখী করে দিতে সক্ষম। ছদ্মবেশী দরদীরা নিস্তরঙ্গ শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়:
-কেন আপনিও সেটা এখনো কিনেন নি?
-আপনাদের এখনো বাচ্চাকাচ্চা হয়নি?
-এই জীবন কিভাবে বহন করে চলেছেন?
-ছেলেকে বিশ্বাস করে বসে আছেন?
-ছেলে তো বউয়ের কেনা গোলামে পরিণত হয়েছে!
.
গল্পের নির্যাস:
= ফাসাদসৃস্টিকারী হয়ো না। হিংসুকদের ছলনায় পড়ো না।
.
গল্পের হিতোপদেশ:
= মানুষের ঘরে অন্ধ হয়ে প্রবেশ করো। বোবা হয়ে বের হয়ে আসো!

✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
3
“খুব বেশি বিপদে আছেন, মানুষের কাছে সাহায্য পাওয়ার আশাও নেই এমন অবস্থায় তিনটি আমল করুন। আল্লাহ তা’আলা অলৌকিক ভাবে উদ্ধার করবেন সেই বিপদ থেকে।
​১) দু’আয় ইউনুস
২) ইস্তিগফার
৩) দরুদ

​ [শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি:]

চ্যানেল লিংক : https://t.me/Islamicproverbs07
3🔥1
“যদি আকাঙ্ক্ষা করেন আপনার সম্পদ বৃদ্ধি হোক এবং আপনার পাপগুলো ক্ষমা হোক, তাহলে আপনার সাদাকাহ (দান) করা উচিত।”

— শাইখ ইবনে আল-উসাইমিন

[আহকাম-উল-ক্বুরআন, ২/২৯৩]
7