একদম মূর্খ মেয়েকেও বিয়ে করবেন না। আবার অতি শিক্ষিত মেয়েকেও জীবনসঙ্গিনী হিসাবে বেছে নেবেন না। কারণ মূর্খ স্ত্রী বিপদ ডেকে আনে।
আর অতি শিক্ষিত (আল্ট্রামডার্ন) মেয়ে দুর্ভাগ্য টেনে আনে। বিয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখা উচিত, জ্ঞানের দিক থেকে স্বামী যেন সবসময় স্ত্রীর থেকে উঁচুতে থাকে। (গুণীজন বলেন, আদর্শ দাম্পত্য জীবন সেটাই হয় যেখানে জ্ঞানে ও সম্পদে স্বামী থাকে ওপরে আর গুণে ও সৌন্দর্যে স্ত্রী থাকে ঊর্ধ্বে।)
-শায়খ মুসতফা আস সিবায়ী রহ.
[সুখী-জীবন সিরিজ : ৩/২৭৪]
জয়েন : @Islamicproverbs07
আর অতি শিক্ষিত (আল্ট্রামডার্ন) মেয়ে দুর্ভাগ্য টেনে আনে। বিয়ের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখা উচিত, জ্ঞানের দিক থেকে স্বামী যেন সবসময় স্ত্রীর থেকে উঁচুতে থাকে। (গুণীজন বলেন, আদর্শ দাম্পত্য জীবন সেটাই হয় যেখানে জ্ঞানে ও সম্পদে স্বামী থাকে ওপরে আর গুণে ও সৌন্দর্যে স্ত্রী থাকে ঊর্ধ্বে।)
-শায়খ মুসতফা আস সিবায়ী রহ.
[সুখী-জীবন সিরিজ : ৩/২৭৪]
জয়েন : @Islamicproverbs07
❤11
Imagine
সাল ২১২৫
আমরা ইহক।ল ত্যা গ করে পরক|লের বাসিন্দা হয়েছি।
সাল ২১২৫
আমরা ইহক।ল ত্যা গ করে পরক|লের বাসিন্দা হয়েছি।
😭10👍1
তিনটা জিনিস শরীরকে অসুস্থ করে :
(১) কথা বেশি বলা,
(২) অধিক নিদ্রা ও বিশ্রাম,
(৩) অতিরিক্ত পানাহার করা।
চারটা জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে :
(১) দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানি,
(২) দুঃখ ও হতাশা,
(৩) ক্ষুধা,
(৪) অনর্থক অধিক রাত্রি পর্যন্ত জেগে থাকা।
চারটা জিনিস চেহারাকে মলিন করে এবং আনন্দ ও সম্মান কেড়ে নেয় :
(১) মিথ্যা,
(২) ঔদ্ধত্য ও অহংকার,
(৩) ইলমি বিষয় ছাড়া অতিরিক্ত প্রশ্ন করা,
(৪) লজ্জাহীনতা ও অশ্লীলতা।
চারটা জিনিস আনন্দ ও সম্মান ফিরিয়ে আনে :
(১) তাক্বওয়া,
(২) সত্যবাদীতা,
(৩) দানশীলতা,
(৪) আত্মসম্মান রক্ষা।
চারটা জিনিস রিযিক বৃদ্ধি করে :
(১) রাত জেগে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা,
(২) সূর্যোদয়ের পূর্বে অধিক পরিমানে আল্লাহর যিকির করা,
(৩) নিয়মিত দান করা,
(৪) দিনের শুরু ও শেষে আল্লাহর যিকির করা।
চারটা জিনিস রিযিক কমিয়ে দেয় :
(১) (ফজরের পরে) সকাল বেলা ঘুমিয়ে থাকা,
(২) সালাতে ত্রুটি বা কম করা,
(৩) অলসতা,
(৪) প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা।
— ইমাম হাফিজ ইবনুল কাইয়িম (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : যাদ আল-মায়াদ; চিকিৎসা অধ্যায় : ৪/৩৭৮]
(১) কথা বেশি বলা,
(২) অধিক নিদ্রা ও বিশ্রাম,
(৩) অতিরিক্ত পানাহার করা।
চারটা জিনিস শরীরকে ধ্বংস করে :
(১) দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানি,
(২) দুঃখ ও হতাশা,
(৩) ক্ষুধা,
(৪) অনর্থক অধিক রাত্রি পর্যন্ত জেগে থাকা।
চারটা জিনিস চেহারাকে মলিন করে এবং আনন্দ ও সম্মান কেড়ে নেয় :
(১) মিথ্যা,
(২) ঔদ্ধত্য ও অহংকার,
(৩) ইলমি বিষয় ছাড়া অতিরিক্ত প্রশ্ন করা,
(৪) লজ্জাহীনতা ও অশ্লীলতা।
চারটা জিনিস আনন্দ ও সম্মান ফিরিয়ে আনে :
(১) তাক্বওয়া,
(২) সত্যবাদীতা,
(৩) দানশীলতা,
(৪) আত্মসম্মান রক্ষা।
চারটা জিনিস রিযিক বৃদ্ধি করে :
(১) রাত জেগে তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা,
(২) সূর্যোদয়ের পূর্বে অধিক পরিমানে আল্লাহর যিকির করা,
(৩) নিয়মিত দান করা,
(৪) দিনের শুরু ও শেষে আল্লাহর যিকির করা।
চারটা জিনিস রিযিক কমিয়ে দেয় :
(১) (ফজরের পরে) সকাল বেলা ঘুমিয়ে থাকা,
(২) সালাতে ত্রুটি বা কম করা,
(৩) অলসতা,
(৪) প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা।
— ইমাম হাফিজ ইবনুল কাইয়িম (রহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : যাদ আল-মায়াদ; চিকিৎসা অধ্যায় : ৪/৩৭৮]
❤8
আপনি মারা গেছেন। আপনার জানাজার নামাজ শেষ। কবরে রাখা হলো। আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকিরের। জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করছেন আপনি।
একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। তখন আপনার মনে পড়লো- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।
(তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ)
একটু পরেই কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো। তখন আপনার মনে পড়লো- 'প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই। কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই।
অতঃপর, রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন 'আলহামদুলিল্লাহ'।
(তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ)
❤14🥰4
❝অনুশোচনার আগেই আমল করো!❞
ইমাম আহমদ রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: দুনিয়া হলো আমলের স্থান, আর আখিরাত হলো প্রতিদান ও শাস্তির স্থান। যে ব্যক্তি এখানে (দুনিয়াতে) আমল করবে না, সে সেখানে (আখিরাতে) অনুশোচনা করবে।
● [আল-যুহদ, বাইহাকি ২৮২]
ইমাম আহমদ রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: দুনিয়া হলো আমলের স্থান, আর আখিরাত হলো প্রতিদান ও শাস্তির স্থান। যে ব্যক্তি এখানে (দুনিয়াতে) আমল করবে না, সে সেখানে (আখিরাতে) অনুশোচনা করবে।
● [আল-যুহদ, বাইহাকি ২৮২]
❤4
গুনাহ হলে থেমে যেও না ✨
আবার শুরু করো, আবার চেষ্টা করো।
গুনাহ আমাদের ফিতরাত—
আর ক্ষমা করা আল্লাহর ফিতরাত ❤️
আবার শুরু করো, আবার চেষ্টা করো।
গুনাহ আমাদের ফিতরাত—
আর ক্ষমা করা আল্লাহর ফিতরাত ❤️
❤6
মালিক বিন দিনার (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
নেককার ব্যক্তিবর্গেরা একে অন্যকে তিনটি (গুরুত্বপূর্ণ) নছিহত করতেন -
এক. জবানের হিফাজত
দুই. আল্লাহর কাছে আকুতি মিনতি করে প্রচুর পরিমাণে তাওবাহ ও ইস্তেগফার করা
তিন. নির্জনবাসে যাওয়া (বিশেষ করে ফিতনার সময়গুলোতে)
_ [ হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/৩৭৭]
নেককার ব্যক্তিবর্গেরা একে অন্যকে তিনটি (গুরুত্বপূর্ণ) নছিহত করতেন -
এক. জবানের হিফাজত
দুই. আল্লাহর কাছে আকুতি মিনতি করে প্রচুর পরিমাণে তাওবাহ ও ইস্তেগফার করা
তিন. নির্জনবাসে যাওয়া (বিশেষ করে ফিতনার সময়গুলোতে)
_ [ হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/৩৭৭]
❤2
গুনাহ করার পর ৪ টি জিনিস গুনাহ করার চেয়েও ভয়ংকরঃ
১। গুনাহ কে ছোট মনে করা
২। নিজেকে গুনাহের শাস্তির ব্যাপারে নির্ভীক মনে করা
৩। গুনাহ করে অনুশোচনার বদলে খুশি এবং বেপরোয়া হওয়া
৪। তওবা না করে গুনাহের উপর ই প্রতিষ্ঠিত থাকা
–হজরত আওয়াম ইবনু শা'ব রহিমাহুল্ললাহ
১। গুনাহ কে ছোট মনে করা
২। নিজেকে গুনাহের শাস্তির ব্যাপারে নির্ভীক মনে করা
৩। গুনাহ করে অনুশোচনার বদলে খুশি এবং বেপরোয়া হওয়া
৪। তওবা না করে গুনাহের উপর ই প্রতিষ্ঠিত থাকা
–হজরত আওয়াম ইবনু শা'ব রহিমাহুল্ললাহ
❤1
প্রশ্ন:
এক ব্যক্তি যোহর নামাযের পূর্বের চার রাকাত সুন্নতের প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের পর ভুলে দরূদ শরীফের ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ’ পর্যন্ত পড়েছে। এ কারণে কি তাকে সাহু সিজদা দিতে হবে?
উত্তর:
হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় তাকে সাহু সিজদা দিতে হবে। কেননা এক্ষেত্রে বিলম্ব না করে তাশাহহুদের পরপরই দাঁড়িয়ে যাওয়া জরুরি ছিল। কিন্তু তা না করে ভুলে দরূদ শরীফের এ পরিমাণ পড়ার কারণে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছে।
-আদ্দুররুল মুখতার, হা©র্শয়াতুত তহতাবী ১/২২৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৪০১; শরহুল মুনইয়াহ ৩৩১; আলবাহরুর রায়েক ২/৯৭
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
#মাসিক_আলকাউসার
এক ব্যক্তি যোহর নামাযের পূর্বের চার রাকাত সুন্নতের প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের পর ভুলে দরূদ শরীফের ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ’ পর্যন্ত পড়েছে। এ কারণে কি তাকে সাহু সিজদা দিতে হবে?
উত্তর:
হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় তাকে সাহু সিজদা দিতে হবে। কেননা এক্ষেত্রে বিলম্ব না করে তাশাহহুদের পরপরই দাঁড়িয়ে যাওয়া জরুরি ছিল। কিন্তু তা না করে ভুলে দরূদ শরীফের এ পরিমাণ পড়ার কারণে সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছে।
-আদ্দুররুল মুখতার, হা©র্শয়াতুত তহতাবী ১/২২৫; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৪০১; শরহুল মুনইয়াহ ৩৩১; আলবাহরুর রায়েক ২/৯৭
- উত্তর প্রদানে মাসিক আলকাউসার
#মাসিক_আলকাউসার
❤4
যে অন্তরে এমন কিছু আছে যা আল্লাহ অপছন্দ করেন সে অন্তরে নূর প্রবেশ করা নিষিদ্ধ থাকে।
— ইমাম সাহল বিন আব্দিল্লাহ আত তুসতারী (রাহ.)
[সূত্র : ইমাম ইবনু রাজাব হাম্বলী (রাহ.), লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ৪৪০, আল মাকতাবুল ইসলামী, বৈরুত, ২০০৭ ঈ., পৃ. ৯২৬]
@Islamicproverbs07
— ইমাম সাহল বিন আব্দিল্লাহ আত তুসতারী (রাহ.)
[সূত্র : ইমাম ইবনু রাজাব হাম্বলী (রাহ.), লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ৪৪০, আল মাকতাবুল ইসলামী, বৈরুত, ২০০৭ ঈ., পৃ. ৯২৬]
@Islamicproverbs07
🔥3
"কেউ যদি খালেস মনে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তাহলে জিন শয়তান পালিয়ে যাবে।"
— শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.)
[মাজমুঊ আল-ফাতাওয়া, ১৯/৫৫]
— শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.)
[মাজমুঊ আল-ফাতাওয়া, ১৯/৫৫]
❤5
যদি কখনো ঈমানি দুর্বলতা অনুভব করেন, দুটি আমল অধিক পরিমাণে করলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে:
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
---- তহা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
১. লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
২. ইস্তিগফার
---- তহা বিন জলিল হাফিযাহুল্লাহ
❤9
হজরত আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রদ্বিয়াল্লহু আনহু বলেন,
নেককাজের ফলেঃ
- অন্তরে নূর তৈরি হয়
- চেহারায় উজ্জ্বলতা আসে
- শরীরে শক্তি অর্জিত হয়
- রিজিক বৃদ্ধি পায় এবং
- সৃষ্টিজীবের অন্তরে ভালোবাসা তৈরি হয়
পক্ষান্তরে গুনাহ করলে,
- অন্তরে এক ধরনের অন্ধকার তৈরি হয়
- চেহারা কালো কালো হয়ে যায়
- শরীরে দুর্বলতা চলে আসে
- রিজিক কমে যায় এবং
- তার প্রতি মানুষের অন্তরে ঘৃণা তৈরি হয়
[ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ
আল ইসতিকামাহ - ১/৩৫১]
নেককাজের ফলেঃ
- অন্তরে নূর তৈরি হয়
- চেহারায় উজ্জ্বলতা আসে
- শরীরে শক্তি অর্জিত হয়
- রিজিক বৃদ্ধি পায় এবং
- সৃষ্টিজীবের অন্তরে ভালোবাসা তৈরি হয়
পক্ষান্তরে গুনাহ করলে,
- অন্তরে এক ধরনের অন্ধকার তৈরি হয়
- চেহারা কালো কালো হয়ে যায়
- শরীরে দুর্বলতা চলে আসে
- রিজিক কমে যায় এবং
- তার প্রতি মানুষের অন্তরে ঘৃণা তৈরি হয়
[ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ
আল ইসতিকামাহ - ১/৩৫১]
❤6
আল্লাহ তাআলার আয়াত কতইনা জীবন্ত, মানুষের জীবনের সাথে কতইনা প্রাসঙ্গিক। নিম্নোক্ত আয়াতটি তিলাওয়াতের সময় হঠাৎ থমকে গেলাম এবং শিক্ষা গ্রহণ করলাম।
یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّ اَرۡضِیۡ وَاسِعَۃٌ فَاِیَّایَ فَاعۡبُدُوۡنِ
'হে আমার মুমিন বান্দাগণ! নিশ্চয় আমার পৃথিবী প্রশস্ত। সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত কর। (আনকাবুত, আয়াতঃ ৫৬)
শিক্ষা: আল্লাহর যমীন তো এমন সংকীর্ণ নয় যে, কোথাও আপনাকে অবশ্যই থাকতে হবে। অতএব এমন কোন স্থানে চলে যাও, যেখানে সুন্দরভাবে দ্বীনের কাজ করতে পারবে।
یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنَّ اَرۡضِیۡ وَاسِعَۃٌ فَاِیَّایَ فَاعۡبُدُوۡنِ
'হে আমার মুমিন বান্দাগণ! নিশ্চয় আমার পৃথিবী প্রশস্ত। সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত কর। (আনকাবুত, আয়াতঃ ৫৬)
শিক্ষা: আল্লাহর যমীন তো এমন সংকীর্ণ নয় যে, কোথাও আপনাকে অবশ্যই থাকতে হবে। অতএব এমন কোন স্থানে চলে যাও, যেখানে সুন্দরভাবে দ্বীনের কাজ করতে পারবে।
❤6
❝আমি কবরের চাইতে অধিক বীভৎস দৃশ্য কখনো দেখিনি। ❞
~ রাসূলুল্লাহ ﷺ
[ ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২৩০৮, তাঁর মতে হাসান গারীব ]
~ রাসূলুল্লাহ ﷺ
[ ইমাম তিরমিযী (রাহ.), আস সুনান, হা: ২৩০৮, তাঁর মতে হাসান গারীব ]
😢3
গাইরে মাহরাম কখনোই নিরাপদ না, যদিও সে দুনিয়ার সবচেয়ে তাকওয়াবান মানুষ হয়ে থাকে। কারণ মানুষের হৃদয় দ্রুত পরিবর্তনশীল। আর শয়তান সুযোগ-সন্ধানী।
[সূত্র : শারহুল উমদাহ, ৪/৭৮ ]
[সূত্র : শারহুল উমদাহ, ৪/৭৮ ]
🔥6❤3
আমার বয়স যখন ৩০ বছর,
এর মধ্যেই আমি একশতের-ও অধিক সংখ্যক বার প্রিয় নবী ﷺ কে স্বপ্ন দেখেছিলাম। অধমের মতে এটা এজন্যই হয়েছিল, আমি আমার নজরের খুব হিফাযাত করতাম।
জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী দামাত বারাকাতুহুম
এর মধ্যেই আমি একশতের-ও অধিক সংখ্যক বার প্রিয় নবী ﷺ কে স্বপ্ন দেখেছিলাম। অধমের মতে এটা এজন্যই হয়েছিল, আমি আমার নজরের খুব হিফাযাত করতাম।
জুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী দামাত বারাকাতুহুম
❤9
কী অদ্ভুত তাই না?
আপনি সারা রাত জাগেন, ঘুম আসে না। আবার সে আপনিই ফজর পড়তে পারেন না—কারণ আপনার ঘুম ভাঙে না।
বই—কুরআনিক নসিহা।
~আদিব সালেহ।
আপনি সারা রাত জাগেন, ঘুম আসে না। আবার সে আপনিই ফজর পড়তে পারেন না—কারণ আপনার ঘুম ভাঙে না।
বই—কুরআনিক নসিহা।
~আদিব সালেহ।
😢8
রাসূলুল্লাহ (সা) ফাতিমা (রা) এর জন্য পাত্র খুঁজছিলেন তখন।
একদিন আবু বকর (রা) আর উমার (রা) আলী (রা) এর সঙ্গে গল্প করছিলেন। দেখলেন, আলী (রা) কেমন যেন চুপচাপ। আবু বকর (রা) বলে উঠলেন, “আলী, তুমি ফাতিমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছ না কেন?” উমার (রা) মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ, আলী, তুমিই তো সবচেয়ে উপযুক্ত!”
আলী (রা) একটু লজ্জা পেলেন। বললেন, “আমার তো হাতে তো তেমন কিছুই নেই বিয়ে করার মত।” আবু বকর (রা) হেসে বললেন, “তুমি শুধু প্রস্তাব দাও। বাকিটা দেখা যাবে।”
আলী (রা) সাহস করে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে গেলেন। কিন্তু চুপচাপ থাকলেন। রাসূল (সা) বললেন, “আলী, তুমি কি কিছু বলতে চাও?” তখন আলী (রা) খুব রয়ে সয়ে বললেন, “আমি আপনার ফাতিমাকে বিয়ে করতে চাই।” রাসূল (সা) মুচকি হেসে বললেন, “আচ্ছা! মাহর হিসেবে কী দিতে পারবে?”
আলী (রা) বললেন, “আমার তো শুধু সেই ঢালটাই আছে।” রাসূল (সা) বললেন, “ঠিক আছে। ঢালটা বিক্রি করে মাহরের অর্থ জোগাড় করো।” আর বললেন, “যাও, আবু বকর, উমার, উসমানদের খবরটা দাও।”
আলী (রা) গিয়ে উসমান (রা) কে ঘটনা জানালেন। উসমান (রা) নিজেই সেই ঢালটা কিনে নিলেন। আবার যাবার সময় সেই ঢালটাকেই উপহার হিসেবে দিলেন। তারপর আবার আরো কিছু উপহার দিলেন। এভাবে একে একে আবু বকর (রা) এবং উমার (রা) এর কাছে যাবার পর, তারাও খুব খুশি হয়ে উপহার দিলেন। তারপর উপহার এবং ঢাল বিক্রি করা অর্থ নিয়ে আলী (রা) রাসূল (সা) এর কাছে আসলেন।
রাসূল (সা) বললেন, “এই উপহারের অর্থ দিয়ে ওয়ালিমার আয়োজন করো।”
বুখারী (৫১৫০) ও মুসলিম (১৪২৪)
একদিন আবু বকর (রা) আর উমার (রা) আলী (রা) এর সঙ্গে গল্প করছিলেন। দেখলেন, আলী (রা) কেমন যেন চুপচাপ। আবু বকর (রা) বলে উঠলেন, “আলী, তুমি ফাতিমার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছ না কেন?” উমার (রা) মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ, আলী, তুমিই তো সবচেয়ে উপযুক্ত!”
আলী (রা) একটু লজ্জা পেলেন। বললেন, “আমার তো হাতে তো তেমন কিছুই নেই বিয়ে করার মত।” আবু বকর (রা) হেসে বললেন, “তুমি শুধু প্রস্তাব দাও। বাকিটা দেখা যাবে।”
আলী (রা) সাহস করে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে গেলেন। কিন্তু চুপচাপ থাকলেন। রাসূল (সা) বললেন, “আলী, তুমি কি কিছু বলতে চাও?” তখন আলী (রা) খুব রয়ে সয়ে বললেন, “আমি আপনার ফাতিমাকে বিয়ে করতে চাই।” রাসূল (সা) মুচকি হেসে বললেন, “আচ্ছা! মাহর হিসেবে কী দিতে পারবে?”
আলী (রা) বললেন, “আমার তো শুধু সেই ঢালটাই আছে।” রাসূল (সা) বললেন, “ঠিক আছে। ঢালটা বিক্রি করে মাহরের অর্থ জোগাড় করো।” আর বললেন, “যাও, আবু বকর, উমার, উসমানদের খবরটা দাও।”
আলী (রা) গিয়ে উসমান (রা) কে ঘটনা জানালেন। উসমান (রা) নিজেই সেই ঢালটা কিনে নিলেন। আবার যাবার সময় সেই ঢালটাকেই উপহার হিসেবে দিলেন। তারপর আবার আরো কিছু উপহার দিলেন। এভাবে একে একে আবু বকর (রা) এবং উমার (রা) এর কাছে যাবার পর, তারাও খুব খুশি হয়ে উপহার দিলেন। তারপর উপহার এবং ঢাল বিক্রি করা অর্থ নিয়ে আলী (রা) রাসূল (সা) এর কাছে আসলেন।
রাসূল (সা) বললেন, “এই উপহারের অর্থ দিয়ে ওয়ালিমার আয়োজন করো।”
বুখারী (৫১৫০) ও মুসলিম (১৪২৪)
❤5💯1