কোনো সফরে যাবার সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ সবার শেষে কার সাথে দেখা করতেন? আর ফেরার পর সবার আগে কার সাথে দেখা করতেন?
❤3
মেয়েদের জন্য ছয়টি সাজ হারাম।
১। ঘন্টাযুক্ত নুপুর পড়া।
ঘন্টি বাজা ঘুঙুর শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।
(সহীহ মুসলিম:২১১৪)
২। কপালে টিপ পড়া।
ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়ে পতীতার মেয়েরা কপালে চিন্থ দিতো, যা এখন টিপ হিসেবে পরিচিত।আস্তাগফিরুল্লাহ।
৩। পরচুল বা নকল চুল লাগানো।
(সহীহ বোখারি ৫৯৩৩)
৪। ভ্রু প্লাগ।
রাসুলের অভিশাপ পায় ঐসব নারী যারা চোখের উপরের লোম উঠায়, চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।
(বুখারি হাদিস ৪৮৮৬)
৫। শরীরে ট্যাটু করা।
আল্লাহর লানত ঐসকল নারী পুরুষদের উপর যারা শরীরে উল্কি আঁকে (ট্যাটু) এবং অন্যদের এঁকে দেয়।(আবু দাউদ ৪১৭০)
৬। পারফিউম ব্যবহার।
কোনো নারী যদি (কোন প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে যায় তবে সে নারী ব্যাভিচারিণী। আস্তাগফিরুল্লাহ।
(আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ,সহীহুল জামে,৪৫৪০নং)
.
১। ঘন্টাযুক্ত নুপুর পড়া।
ঘন্টি বাজা ঘুঙুর শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।
(সহীহ মুসলিম:২১১৪)
২। কপালে টিপ পড়া।
ইব্রাহিম (আঃ) এর সময়ে পতীতার মেয়েরা কপালে চিন্থ দিতো, যা এখন টিপ হিসেবে পরিচিত।আস্তাগফিরুল্লাহ।
৩। পরচুল বা নকল চুল লাগানো।
(সহীহ বোখারি ৫৯৩৩)
৪। ভ্রু প্লাগ।
রাসুলের অভিশাপ পায় ঐসব নারী যারা চোখের উপরের লোম উঠায়, চেঁছে সরু করে আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।
(বুখারি হাদিস ৪৮৮৬)
৫। শরীরে ট্যাটু করা।
আল্লাহর লানত ঐসকল নারী পুরুষদের উপর যারা শরীরে উল্কি আঁকে (ট্যাটু) এবং অন্যদের এঁকে দেয়।(আবু দাউদ ৪১৭০)
৬। পারফিউম ব্যবহার।
কোনো নারী যদি (কোন প্রকার) সুগন্ধি ব্যবহার করে (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে যায় তবে সে নারী ব্যাভিচারিণী। আস্তাগফিরুল্লাহ।
(আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ,সহীহুল জামে,৪৫৪০নং)
.
❤4
জমীনে তওবার অশ্রু ঝরলেই কেবল
আসমান থেকে রহমতের বৃষ্টি ঝড়বে !
অনুতপ্তের দুফোঁটা জল আগ্নেয়গিরির লাভাও নিভিয়ে দিতে পারে একনিমিষেই !
তাই , ঐ অশান্ত মনে শান্তি ফিরতে খুব বেশি কিছু দরকার নেই ; দরকার কেবল তাওবার অশ্রু।
আসমান থেকে রহমতের বৃষ্টি ঝড়বে !
অনুতপ্তের দুফোঁটা জল আগ্নেয়গিরির লাভাও নিভিয়ে দিতে পারে একনিমিষেই !
তাই , ঐ অশান্ত মনে শান্তি ফিরতে খুব বেশি কিছু দরকার নেই ; দরকার কেবল তাওবার অশ্রু।
❤5👍1
أفنيتَ عمركَ والذنوبُ تزيدُ
والكاتبُ المحصي عليكَ شهيدُ
كم قلتَ: لستُ بعائدٍ في سوأةٍ
ونذرتَ فيها، ثمّ أنتَ تعودُ
حتى متى لا ترعوي عن لذّةٍ؟
وحسابُها يومَ الحسابِ شديدُ
وكأنني بك قد أتتك منيّةٌ
لا شكّ أن سبيلَها ممدودُ
বাংলা অনুবাদ :
তুমি সারা জীবন কাটিয়ে দিলে, অথচ তোমার গুনাহগুলো ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
আর তোমার প্রতিটি কাজের হিসাব যে লিপিবদ্ধ করছে, সে তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে থাকবে।
কতবার বলেছো, “আমি আর এই পাপে ফিরব না,”
কত অঙ্গীকার ও মানত করেছো—
কিন্তু আবারও সেই পাপের পথেই ফিরে গেছো।
আর কতদিন ক্ষণিকের ভোগ-বিলাস ও প্রবৃত্তির পেছনে ছুটবে?
অথচ তার হিসাব-নিকাশ কিয়ামতের দিনে হবে অত্যন্ত কঠিন।
মনে হয় যেন আমি তোমাকে দেখছি—
মৃত্যু তোমার কাছে এসে গেছে;
যে পথ দিয়ে সে আসে, তা তো সবার জন্যই নির্ধারিত ও অবশ্যম্ভাবী।
শিক্ষা:
মানুষ বারবার ভুল করে, তাওবা করে, আবার ভুলে ফিরে যায়। এই কবিতাটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবন ক্ষণস্থায়ী, মৃত্যু অনিবার্য, আর প্রতিটি কাজের হিসাব একদিন দিতে হবে। তাই বিলম্ব না করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাই প্রকৃত প্রজ্ঞার
والكاتبُ المحصي عليكَ شهيدُ
كم قلتَ: لستُ بعائدٍ في سوأةٍ
ونذرتَ فيها، ثمّ أنتَ تعودُ
حتى متى لا ترعوي عن لذّةٍ؟
وحسابُها يومَ الحسابِ شديدُ
وكأنني بك قد أتتك منيّةٌ
لا شكّ أن سبيلَها ممدودُ
বাংলা অনুবাদ :
তুমি সারা জীবন কাটিয়ে দিলে, অথচ তোমার গুনাহগুলো ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
আর তোমার প্রতিটি কাজের হিসাব যে লিপিবদ্ধ করছে, সে তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী হয়ে থাকবে।
কতবার বলেছো, “আমি আর এই পাপে ফিরব না,”
কত অঙ্গীকার ও মানত করেছো—
কিন্তু আবারও সেই পাপের পথেই ফিরে গেছো।
আর কতদিন ক্ষণিকের ভোগ-বিলাস ও প্রবৃত্তির পেছনে ছুটবে?
অথচ তার হিসাব-নিকাশ কিয়ামতের দিনে হবে অত্যন্ত কঠিন।
মনে হয় যেন আমি তোমাকে দেখছি—
মৃত্যু তোমার কাছে এসে গেছে;
যে পথ দিয়ে সে আসে, তা তো সবার জন্যই নির্ধারিত ও অবশ্যম্ভাবী।
শিক্ষা:
মানুষ বারবার ভুল করে, তাওবা করে, আবার ভুলে ফিরে যায়। এই কবিতাটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবন ক্ষণস্থায়ী, মৃত্যু অনিবার্য, আর প্রতিটি কাজের হিসাব একদিন দিতে হবে। তাই বিলম্ব না করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাই প্রকৃত প্রজ্ঞার
❤4
মজা করেই আমি আমার ছোট্ট মেয়েকে একবার বলেছিলাম-"এখন থেকে যদি তুমি নিয়মিত নামাজ পড়ো, তাহলে প্রতিদিন ১০ টাকা করে পাবে।"
প্রথমদিকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ত। নামাজ শেষে আমার কাছ থেকে টাকাও নিত। আমি খুশি মনে দিয়ে দিতাম। জানতাম, নামাজ টাকার বিনিময়ে হয় না। কিন্তু ছোট মানুষকে নামাজের দিকে আকৃষ্ট করতেই আমার এই কৌশল অবলম্বন।
কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছিলাম, সে আমার কাছে আর টাকা চাচ্ছে না। মনে হলো, হয়তো নামাজ ছেড়ে দিয়েছে। কৌতূহল নিয়ে আমি আমার বিবিকে জিজ্ঞেস করলাম-"সাবিহা কি নামাজ ছেড়ে দিয়েছে?" সে বলল-"না, সে তো নিয়মিতই পড়ছে।" এবার আমি সরাসরি মেয়েকেই জিজ্ঞেস করলাম-"তুমি নামাজ পড়া ছেড়ে দিয়েছ?” সে বলল-"না।" আমি বললাম- "তাহলে আমার কাছে টাকা চাও না কেন?"
ও মুচকি হেসে বলল-"আব্বু, আমি তো টাকার জন্য নামাজ পড়ি না। তুমি না হয় ১০ টাকা দাও। কিন্তু আমি ইউটিউবে এক হুজুরকে বলতে শুনেছি-যে নিয়মিত নামাজ পড়বে, আল্লাহ তাকে জান্নাত দেবেন। আর জান্নাতের একটি ঘর হবে দশটা দুনিয়ার সমান বড়। বাবা, আমি যদি এত বড় একটা ঘর পাই, তখন আমি কত বড়লোক হব, বুঝতে পারছ? আর শোনো, আমি যদি জান্নাতে ঘর পাই, তাহলে তোমাকেও অর্ধেক দিয়ে দেব।"
মাত্র ৭ বছরের এক বাচ্চার মুখে এই কথা শুনে আমার চোখ বেয়ে পানি নেমে এলো।
বই: হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের কথা
প্রথমদিকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ত। নামাজ শেষে আমার কাছ থেকে টাকাও নিত। আমি খুশি মনে দিয়ে দিতাম। জানতাম, নামাজ টাকার বিনিময়ে হয় না। কিন্তু ছোট মানুষকে নামাজের দিকে আকৃষ্ট করতেই আমার এই কৌশল অবলম্বন।
কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছিলাম, সে আমার কাছে আর টাকা চাচ্ছে না। মনে হলো, হয়তো নামাজ ছেড়ে দিয়েছে। কৌতূহল নিয়ে আমি আমার বিবিকে জিজ্ঞেস করলাম-"সাবিহা কি নামাজ ছেড়ে দিয়েছে?" সে বলল-"না, সে তো নিয়মিতই পড়ছে।" এবার আমি সরাসরি মেয়েকেই জিজ্ঞেস করলাম-"তুমি নামাজ পড়া ছেড়ে দিয়েছ?” সে বলল-"না।" আমি বললাম- "তাহলে আমার কাছে টাকা চাও না কেন?"
ও মুচকি হেসে বলল-"আব্বু, আমি তো টাকার জন্য নামাজ পড়ি না। তুমি না হয় ১০ টাকা দাও। কিন্তু আমি ইউটিউবে এক হুজুরকে বলতে শুনেছি-যে নিয়মিত নামাজ পড়বে, আল্লাহ তাকে জান্নাত দেবেন। আর জান্নাতের একটি ঘর হবে দশটা দুনিয়ার সমান বড়। বাবা, আমি যদি এত বড় একটা ঘর পাই, তখন আমি কত বড়লোক হব, বুঝতে পারছ? আর শোনো, আমি যদি জান্নাতে ঘর পাই, তাহলে তোমাকেও অর্ধেক দিয়ে দেব।"
মাত্র ৭ বছরের এক বাচ্চার মুখে এই কথা শুনে আমার চোখ বেয়ে পানি নেমে এলো।
বই: হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের কথা
❤12🔥1
ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন,
«مجموع الفتاوى» (8/ 217):
وهذا الذي في فرعون وإبليس غاية الظلم والجهل، وفي نفوس سائر الإنس والجن شعبة من هذا، وهذا إن لم يعن الله العبد ويهده وإلا وقع في بعض ما وقع فيه فرعون وإبليس بحسب الإمكان، قال بعض العارفين: ما من نفس إلا وفيها ما في نفس فرعون، إلا أنه قدر فأظهر، وغيره عجز فأضمر.
প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই ফিরআউনের স্বভাবের কিছু না কিছু অংশ লুকিয়ে থাকে। তবে পার্থক্য হলো, ফিরআউন ক্ষমতা পেয়েছিল বলে তা প্রকাশ করতে পেরেছিল; আর অন্যরা ক্ষমতা না পাওয়ায় তা অন্তরে গোপন রেখেছে।
«مجموع الفتاوى» (8/ 217):
وهذا الذي في فرعون وإبليس غاية الظلم والجهل، وفي نفوس سائر الإنس والجن شعبة من هذا، وهذا إن لم يعن الله العبد ويهده وإلا وقع في بعض ما وقع فيه فرعون وإبليس بحسب الإمكان، قال بعض العارفين: ما من نفس إلا وفيها ما في نفس فرعون، إلا أنه قدر فأظهر، وغيره عجز فأضمر.
প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই ফিরআউনের স্বভাবের কিছু না কিছু অংশ লুকিয়ে থাকে। তবে পার্থক্য হলো, ফিরআউন ক্ষমতা পেয়েছিল বলে তা প্রকাশ করতে পেরেছিল; আর অন্যরা ক্ষমতা না পাওয়ায় তা অন্তরে গোপন রেখেছে।
❤4😱1
তাবিঈ রবী' ইবনু খুছাইম (রহ.) রাতভর কান্নাকাটি করতেন ও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন।
একদিন তাঁর মা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন : “হে আমার বৎস! তুমি কি কোনো মানুষকে হত্যা করেছো?”
তিঁনি বললেন : “হ্যাঁ! আমি নিজেই নিজেকে হত্যা করে ফেলেছি গুনাহ করে।”
[সূত্র : হিলয়াতুল আউলিয়া, খন্ড - ২, পৃ. ১১৩]
একদিন তাঁর মা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন : “হে আমার বৎস! তুমি কি কোনো মানুষকে হত্যা করেছো?”
তিঁনি বললেন : “হ্যাঁ! আমি নিজেই নিজেকে হত্যা করে ফেলেছি গুনাহ করে।”
[সূত্র : হিলয়াতুল আউলিয়া, খন্ড - ২, পৃ. ১১৩]
❤2😢1
বান্দা থেকে আল্লাহর মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার নিদর্শন হলো, অনর্থক কাজে তার ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়া।
— হাসান বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : জামেঊল ঊলূম ওয়াল হিকাম, ১/২৯৪]
— হাসান বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[সূত্র : জামেঊল ঊলূম ওয়াল হিকাম, ১/২৯৪]
😢5
জাস্ট একটা আয়াতাংশের অনুসরণ ঠিকমত করতে পারলে অনলাইনে যত গ্যাঞ্জাম দেখা যায় তার ম্যাক্সিমাম ইন শা আল্লাহ দূর হয়ে যাবে। সেটা হচ্ছে আল্লাহ তাআলা বলেন,
.
وَلَا تَقۡفُ مَا لَیۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٌۚ
.
❝আর সে বিষয়ের পেছনে ছুটো না, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই❞।
.
[ সূরা ইসরা: ৩৬]
.
وَلَا تَقۡفُ مَا لَیۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٌۚ
.
❝আর সে বিষয়ের পেছনে ছুটো না, যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই❞।
.
[ সূরা ইসরা: ৩৬]
👍7
সেদিন অপরাধীরা আ*যাব ভোগের বদলে চাইবে নিজের সন্তান সন্ততিদের দিয়ে দিতে।
.
চাইবে নিজের স্ত্রী, ভাইদের দিয়ে দিতে।
.
এমনকি নিজের জ্ঞাতিগোষ্ঠীকেও, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
.
বরং পৃথিবীর সবাইকে সে দিয়ে দিতে চাইবে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে বাঁচাতে পারে।
.
(সূরা মা'আরিজ, আয়াত ১১-১৪ অবলম্বনে)
.
নিজের সন্তানকে, স্ত্রীকে, আব্বা-আম্মাকে সামনে রেখে যখন এই আয়াতগুলো পড়ি, কল্পনা করতে পারি না। ভাবতে পারি না, কাল যদি আমাকে অপরাধীদের কাতারে দাঁড়াতে হয়, আমি ঠিক এই কাজ করব...!
.
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুক।
— মহিউদ্দিন রূপম
.
চাইবে নিজের স্ত্রী, ভাইদের দিয়ে দিতে।
.
এমনকি নিজের জ্ঞাতিগোষ্ঠীকেও, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
.
বরং পৃথিবীর সবাইকে সে দিয়ে দিতে চাইবে, যাতে এই মুক্তিপণ তাকে বাঁচাতে পারে।
.
(সূরা মা'আরিজ, আয়াত ১১-১৪ অবলম্বনে)
.
নিজের সন্তানকে, স্ত্রীকে, আব্বা-আম্মাকে সামনে রেখে যখন এই আয়াতগুলো পড়ি, কল্পনা করতে পারি না। ভাবতে পারি না, কাল যদি আমাকে অপরাধীদের কাতারে দাঁড়াতে হয়, আমি ঠিক এই কাজ করব...!
.
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুক।
— মহিউদ্দিন রূপম
😢5❤1
যে পুরুষের অন্তরে গায়রত (আত্মসম্মানবোধ) আছে, সে কখনোই নিজের স্ত্রী/মেয়ে/বোনের ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করতে পারে না। আত্মমর্যাদা যার জন্য মূল্যহীন, কেবল সেই ব্যক্তিই এমন কাজ করতে পারে। এরা হলো– দাইয়ুস!
লেখা : মাহমুদুল হাছান
লেখা : মাহমুদুল হাছান
❤4
আশুরার দুইটি রোজা রাখলে এক বছরের গোনাহ মাফ।
বৃহস্পতিবার+শুক্রবার
অথবা
শুক্রবার+শনিবার।
বৃহস্পতিবার+শুক্রবার
অথবা
শুক্রবার+শনিবার।
❤4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
২০১১ সালে নানুপুর মাদরাসার বার্ষিক মাহফিলে আল্লামা আহমদ শফি রহ এর মুনাজাত।
😢4
তামাশার একটি দিক এটিও যে, নারীরা বৃদ্ধ মনে করে তার সাথে পর্দা করায় গুরুত্ব দেয় না। এতে কুদৃষ্টির গুনাহ আরও সহজতর হয়ে যায়। এমন কামাসক্ত বৃদ্ধের চুল তো সাদা হতে থাকে, কিন্তু অন্তর হতে থাকে কালো। হাশরের দিন যুগের ভাষায় বলা হবে :
'না করা পাপের আফসোসও
আজ বিচারের কারণ!
হে আল্লাহ! শাস্তি হতো যদি
শুধু কৃত পাপেরই দরুন।'
হযরত থানবী রহ. বলেন, এক বৃদ্ধ লোক আমার কাছে আসত, যে অনেক বিষয়েই পরহেজ করে চলত। কিন্তু সে নিজের অবস্থা বর্ণনা করে বলল যে, সে পরনারীর দিকে কামাতুর দৃষ্টি দেয়ার গুনাহে লিপ্ত। কুদৃষ্টির কুফল কতটা ভয়াবহ যে, বৃদ্ধ ব্যক্তি কবরের কিনারায় পৌঁছে যায়, কিন্তু কামনার রোগ তার সাথে সাথেই লেগে থাকে।
[এখন যৌবন যার]
'না করা পাপের আফসোসও
আজ বিচারের কারণ!
হে আল্লাহ! শাস্তি হতো যদি
শুধু কৃত পাপেরই দরুন।'
হযরত থানবী রহ. বলেন, এক বৃদ্ধ লোক আমার কাছে আসত, যে অনেক বিষয়েই পরহেজ করে চলত। কিন্তু সে নিজের অবস্থা বর্ণনা করে বলল যে, সে পরনারীর দিকে কামাতুর দৃষ্টি দেয়ার গুনাহে লিপ্ত। কুদৃষ্টির কুফল কতটা ভয়াবহ যে, বৃদ্ধ ব্যক্তি কবরের কিনারায় পৌঁছে যায়, কিন্তু কামনার রোগ তার সাথে সাথেই লেগে থাকে।
[এখন যৌবন যার]
😢5
তুমি যে তাওবার ভরসায় গোনাহে লিপ্ত হতে চলেছো, কী নিশ্চিয়তা আছে যে, তাওবার সুযোগ তুমি পাবে। কে জানে মৃত্যুর ফিরেশতা তখন থাবা দেয়ার জন্য তৈয়ার হয়ে আছেন কি না!
.
একবার হাসান বসরী রহ. এর ছেলে বাবার কাছে এসে বলল, আব্বাজান! তীরটা ভেঙ্গে গেছে।
তিনি বললেন, দেখি, কোনটা?
ছেলে দেখাল যে, এটা। তখন তিনি দেখে বললেন
الْأَمْرُ أَسْرَعُ مِنْ ذَلِكَ
মৃত্যু এর চেয়েও দ্রুত ধাবমান। (ইবনু আবিদ্দুনয়া, ক্বাসরুল আমল : ৩৮)
-শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.
.
একবার হাসান বসরী রহ. এর ছেলে বাবার কাছে এসে বলল, আব্বাজান! তীরটা ভেঙ্গে গেছে।
তিনি বললেন, দেখি, কোনটা?
ছেলে দেখাল যে, এটা। তখন তিনি দেখে বললেন
الْأَمْرُ أَسْرَعُ مِنْ ذَلِكَ
মৃত্যু এর চেয়েও দ্রুত ধাবমান। (ইবনু আবিদ্দুনয়া, ক্বাসরুল আমল : ৩৮)
-শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি হাফি.
😢5
জেনে রেখো, বিভ্রান্তির এই সকল উচ্ছল আনন্দ কোথায় ছুটে টুটে যাবে; অবশিষ্ট থাকবে শুধু তোমার আফসোসের তিক্ত তীক্ষ্ণ শাস্তি। বিবশ অলসতার গ্লাসভরা বিলাস কোথায় পড়বে উল্টে; পড়ে থাকবে শুধুই অনুশোচনা আর অনুতাপ!
আখেরাতের অনন্তকালের তুলনায় দুনিয়ার এই সামান্য অবস্থিতির কি কোনো তুলনা চলে? তাছাড়া এই দুনিয়ার জীবনই-বা কেমন কাটে? অর্ধেক তো ঘুমে আর অর্ধেক গাফলতে। হে অলীক স্বপ্নবিলাসী! জান্নাতের হুরের প্রত্যাশা করো, অথচ দৃঢ়তার পয়সা অর্জন করো না!
অভিজ্ঞতার আলোয় চিন্তার জানালা এবার একবার খুলেই দেখো না! তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে, অথচ কোথায় তোমার উচিত ছিল দাঁড়ানো!
— ইমাম ইবনুল জাওযি (রহ.)
[বই : হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ. ৪৭৩]
আখেরাতের অনন্তকালের তুলনায় দুনিয়ার এই সামান্য অবস্থিতির কি কোনো তুলনা চলে? তাছাড়া এই দুনিয়ার জীবনই-বা কেমন কাটে? অর্ধেক তো ঘুমে আর অর্ধেক গাফলতে। হে অলীক স্বপ্নবিলাসী! জান্নাতের হুরের প্রত্যাশা করো, অথচ দৃঢ়তার পয়সা অর্জন করো না!
অভিজ্ঞতার আলোয় চিন্তার জানালা এবার একবার খুলেই দেখো না! তুমি কোথায় দাঁড়িয়ে, অথচ কোথায় তোমার উচিত ছিল দাঁড়ানো!
— ইমাম ইবনুল জাওযি (রহ.)
[বই : হৃদয়ের দিনলিপি, পৃ. ৪৭৩]
🔥4😢2
ইসলামের একটা অর্থ হলো- আত্মসমর্পণ। জীবনের সবকিছুতে, সবখানে দ্বীনকে বড় করে দেখবেন, দ্বীনের বিধি- নিষেধকে গুরুত্ব দেবেন- এই হলো আপনার ওপর ইসলামের দাবি।
বই: এবার ভিন্ন কিছু হোক
বই: এবার ভিন্ন কিছু হোক
❤3
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনেও একের পর এক কঠিন পরীক্ষা এসেছে। হযরত খাদিজা (রা.)-এর ইন্তেকাল, প্রিয় চাচা আবু তালিবের মৃত্যু এবং তায়েফে নির্মম নির্যাতন—সব মিলিয়ে সেই বছরটি ইতিহাসে 'আমুল হুযন' (দুঃখের বছর) নামে পরিচিত। কিন্তু এত কষ্টের পরও রাসূল (সা.) কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হননি; বরং আরও বেশি আল্লাহর দিকে ফিরে গিয়েছেন।
দুশ্চিন্তা ও হতাশার সময় রাসূল (সা.) আমাদের একটি মহান দোয়া শিখিয়েছেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ... أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আবদুকা, ওয়াবনু আবদিকা, ওয়াবনু আমাতিকা, নাসিয়াতি বিইয়াদিকা, মাদ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, আদলুন ফিয়্যা কাদ্বাউকা। আসআলুকা বিকুল্লিসমিন হুয়া লাকা... আন তাজআলাল কুরআনা রাবীআ কালবি, ওয়া নূরা সাদরি, ওয়া জালাআ হুজনি, ওয়া যাহাবা হাম্মি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার সন্তান এবং আপনার বান্দীর সন্তান। আমার কপালের চুল আপনার হাতে। আমার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্তই কার্যকর এবং আপনার ফয়সালা ন্যায়সঙ্গত। আমি আপনার সব সুন্দর নামের উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি—আপনি কুরআনকে আমার হৃদয়ের বসন্ত, আমার বক্ষের আলো, আমার দুঃখ দূর করার উপায় এবং আমার দুশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম বানিয়ে দিন।
রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সঙ্গে এই দোয়া করবে, আল্লাহ তার দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং তার পরিবর্তে প্রশান্তি দান করবেন।
হতাশা থেকে মুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো—বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত করা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা। কারণ যে হৃদয় আল্লাহর স্মরণে জীবিত থাকে, সে হৃদয় দীর্ঘদিন হতাশায় ডুবে থাকে না।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
উচ্চারণ: ফা ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা। ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা।
অর্থ: নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। (সূরা আশ-শারহ: ৫–৬)
দুশ্চিন্তা ও হতাশার সময় রাসূল (সা.) আমাদের একটি মহান দোয়া শিখিয়েছেন—
اللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ... أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আবদুকা, ওয়াবনু আবদিকা, ওয়াবনু আমাতিকা, নাসিয়াতি বিইয়াদিকা, মাদ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, আদলুন ফিয়্যা কাদ্বাউকা। আসআলুকা বিকুল্লিসমিন হুয়া লাকা... আন তাজআলাল কুরআনা রাবীআ কালবি, ওয়া নূরা সাদরি, ওয়া জালাআ হুজনি, ওয়া যাহাবা হাম্মি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনার বান্দার সন্তান এবং আপনার বান্দীর সন্তান। আমার কপালের চুল আপনার হাতে। আমার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্তই কার্যকর এবং আপনার ফয়সালা ন্যায়সঙ্গত। আমি আপনার সব সুন্দর নামের উসিলায় আপনার কাছে প্রার্থনা করছি—আপনি কুরআনকে আমার হৃদয়ের বসন্ত, আমার বক্ষের আলো, আমার দুঃখ দূর করার উপায় এবং আমার দুশ্চিন্তা দূর করার মাধ্যম বানিয়ে দিন।
রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সঙ্গে এই দোয়া করবে, আল্লাহ তার দুঃখ ও দুশ্চিন্তা দূর করে দেবেন এবং তার পরিবর্তে প্রশান্তি দান করবেন।
হতাশা থেকে মুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো—বেশি বেশি ইস্তিগফার করা, তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত করা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা। কারণ যে হৃদয় আল্লাহর স্মরণে জীবিত থাকে, সে হৃদয় দীর্ঘদিন হতাশায় ডুবে থাকে না।
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
উচ্চারণ: ফা ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা। ইন্না মা'আল উসরি ইউসরা।
অর্থ: নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি। (সূরা আশ-শারহ: ৫–৬)
❤3
হে আমার রব,
হৃদয়ের ক্যানভাসে দিন-রাত শুধু একটিই ছবি ভেসে ওঠে—তোমার পবিত্র বায়তুল্লাহ। প্রতিটি সিজদায়, প্রতিটি দোয়ায়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে একটি আকুতি—আমাকে তোমার ঘরের মুসাফির করে নাও।
আর প্রিয় হাবীব ﷺ-এর পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারা... সে তো আমার হৃদয়ের গভীরতম স্বপ্ন, আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় আকাঙ্ক্ষা। কবে সেই সবুজ গম্বুজের দিকে অশ্রুসজল চোখে সালাম জানাব, কবে রওজা মুবারকের সামনে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের সব কথা বলব—সেই অপেক্ষাতেই আছি।
ইয়া আল্লাহ, তোমার অশেষ রহমতে খুব শিগগিরই আমাকে বায়তুল্লাহ ও মদিনাতুল মুনাওয়ারার সৌভাগ্য দান করো। আমার এই স্বপ্নকে কবুল করে নাও। আমীন।
হৃদয়ের ক্যানভাসে দিন-রাত শুধু একটিই ছবি ভেসে ওঠে—তোমার পবিত্র বায়তুল্লাহ। প্রতিটি সিজদায়, প্রতিটি দোয়ায়, প্রতিটি নিঃশ্বাসে একটি আকুতি—আমাকে তোমার ঘরের মুসাফির করে নাও।
আর প্রিয় হাবীব ﷺ-এর পবিত্র মদিনাতুল মুনাওয়ারা... সে তো আমার হৃদয়ের গভীরতম স্বপ্ন, আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় আকাঙ্ক্ষা। কবে সেই সবুজ গম্বুজের দিকে অশ্রুসজল চোখে সালাম জানাব, কবে রওজা মুবারকের সামনে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের সব কথা বলব—সেই অপেক্ষাতেই আছি।
ইয়া আল্লাহ, তোমার অশেষ রহমতে খুব শিগগিরই আমাকে বায়তুল্লাহ ও মদিনাতুল মুনাওয়ারার সৌভাগ্য দান করো। আমার এই স্বপ্নকে কবুল করে নাও। আমীন।
❤4
কাউকে ধার দিলে তা সময়মতো আদায়ের জন্য অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে কিছুটা ছাড় দিন। রাসুল (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো অভাবী বা ঋণগ্রস্ত মানুষকে অবকাশ দেবে (সময় বাড়িয়ে দেবে) অথবা তার ঋণ মাফ করে দেবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন।"
—তিরমিজি : ১৩০৬
—তিরমিজি : ১৩০৬
❤🔥5
একদা ইমাম আবু হানিফা (রাহিমাহুল্লাহ) তার পুত্র হাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ)-কে ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে বিতর্ক করতে দেখে ভীষণ বিরক্ত হন। তৎক্ষণাৎ তাকে বিতর্ক করতে বারণ করেন।
তখন হাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন — আব্বাজান, আপনিও তো একসময় এ বিষয়ে বিতর্ক করতেন।
জবাবে ইমাম আবু হানিফা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — আমরা যখন বিতর্ক করতাম তখন এই ভয়ে অস্থির থাকতাম, প্রতিপক্ষ ভাইয়ের সামনে প্রমাণ উপস্থাপনে সামান্য অসংগতি প্রকাশ পেলে হয়তো সে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবে। আর তোমরা আজকাল বিতর্ক করো প্রতিপক্ষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং তাকে পথভ্রষ্ট আখ্যা দিতে। পরিণামে তোমরা তাদের পথভ্রষ্ট বানিয়েই ছাড়ো। কিন্তু ভুলে যাও যে, মৌলিক আকিদা তথা বিশ্বাসে কাউকে ভ্রষ্ট প্রমাণ করা মানেই হলো, তাকে কাফির আখ্যা দেওয়া। আর যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে কাফির আখ্যা দেয়, সে নিজেই কাফির হয়ে যায়!
[মানাকিবুল ইমাম আবি হানিফা, ১/১২১]
তখন হাম্মাদ (রাহিমাহুল্লাহ) আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন — আব্বাজান, আপনিও তো একসময় এ বিষয়ে বিতর্ক করতেন।
জবাবে ইমাম আবু হানিফা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — আমরা যখন বিতর্ক করতাম তখন এই ভয়ে অস্থির থাকতাম, প্রতিপক্ষ ভাইয়ের সামনে প্রমাণ উপস্থাপনে সামান্য অসংগতি প্রকাশ পেলে হয়তো সে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবে। আর তোমরা আজকাল বিতর্ক করো প্রতিপক্ষকে ভুল প্রমাণ করতে এবং তাকে পথভ্রষ্ট আখ্যা দিতে। পরিণামে তোমরা তাদের পথভ্রষ্ট বানিয়েই ছাড়ো। কিন্তু ভুলে যাও যে, মৌলিক আকিদা তথা বিশ্বাসে কাউকে ভ্রষ্ট প্রমাণ করা মানেই হলো, তাকে কাফির আখ্যা দেওয়া। আর যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে কাফির আখ্যা দেয়, সে নিজেই কাফির হয়ে যায়!
[মানাকিবুল ইমাম আবি হানিফা, ১/১২১]
👍4