উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে অসংখ্য পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ সায়ুদ জানান,
জিজেল, বেজাইয়া ও তিজি উজু প্রদেশে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, জিজেলে পাঁচজন, বেজাইয়ায় চারজন এবং তিজি উজুতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
আলজেরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা এপিএস জানিয়েছে, ওই হাসপাতালে ৫৪ জন দগ্ধ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
তীব্র তাপপ্রবাহে আলজেরিয়া ও প্রতিবেশী তিউনিসিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যখন বিপর্যস্ত, তখনই এসব দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। প্রতি বছর গ্রীষ্মের চরম সময়ে আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানল দেখা যায়। শুধু গত মাসেই দাবানলে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢6👍2
সম্প্রতি ২৭ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ই-এর বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লকে সশস্ত্র ডাকাত দল ও খারেজী গোষ্ঠী আরসার গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে এবং অপর এক ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে। বিকেল ৫টার দিকে নবী হোসেন গ্রুপ ও আরসার সদস্যরা যৌথভাবে এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
উল্লেখ্য, নবী হোসেন গ্রুপ ও আরসা দুটি সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিভিন্ন মাদক,মানব-পাচার, ডাকাতি ও সন্ত্রাসীর মতো ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। তারা ক্রমাগত ক্যাম্পের নিরাপত্তা বিনষ্ট করছে। তাদের হিংস্র কর্মকাণ্ড থেকে নিরপরাধ শিশু-কিশোররাও রেহাই পাচ্ছে না।
এর সঙ্গে আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, এপিবিএনের কিছু অসাধু ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা এসব সংগঠনকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। এর ফলে ক্যাম্পে শান্তি ফিরিয়ে আনতে গঠিত বিভিন্ন কমিটি ও স্থানীয় নেতৃত্বও নানা সংকটের মধ্যে পড়েছেন।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে আরসা ইতিমধ্যে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তাদের নজরে এসেছে। অন্যদিকে ARA বাংলাদেশের অন্যতম বড় ইয়াবা সাপ্লাইকারী। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরসা ও নবী হোসেন গ্রুপ যৌথভাবে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ক্যাম্পে নিজেদের আধিপত্য বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
তাই এমন নাজুক পরিস্থিতিতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল মহলের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি,
“এই সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন করতে দ্রুততম সময়ে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। যদি এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে অচিরেই বাংলাদেশ ভয়াবহ এক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করবে এবং তার সমাধান দিনদিন জটিল থেকে জটিলতর হয়ে পড়বে।”
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤8🤬2👍1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আলজেরিয়াতে একদিকে দাবানলে জ্বলছে, আরেকদিকে হৃদয়বিদারক কণ্ঠে মসজিদ থেকে আজানের সুর ভেসে আসছে!
💔10❤4
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করছে সেনাবাহিনী
এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে পৌঁছেছে। এখনো হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে পৌঁছেছে। এখনো হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
😢7
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ফিলি*স্তিনি কৃষকদের জমিতে হামলা চালিয়ে সম্পদ লুটপাট করছে অবৈ*ধ বসতি স্থাপনকারীরা
🤬6😢1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সীমান্তে অস্ত্র হাতে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তে টহল দিচ্ছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। দুর্গম খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানার ২২৬২/৩২-এস সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকা এবং সীমান্তের বর্ডার রোডে এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীর অবাধ বিচরণ রয়েছে।
সীমান্তবর্তী এই দুর্গম এলাকাগুলোতে মূলত সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থান রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে তাদের অস্ত্র হাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও মহড়া দিতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শন ও সশস্ত্র তৎপরতা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বভৌমত্বের জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করছে।
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সীমান্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবাধ বিচরণ বা অস্ত্রের মহড়ার জায়গা হতে পারে না। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের এমন তৎপরতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌম কর্তৃত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬6
হিন্দুত্ববাদী ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও দমন-পীড়নের চিত্র আবারও সামনে এসেছে। রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাভাষী মুসলমানদের লক্ষ্য করে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের জাতিগত বৈষম্য দূরীকরণ কমিটি।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ এবং ২০২৫ সালের পহেলগাম হামলার পর রোহিঙ্গা, বাংলাভাষী মুসলমান, অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের লক্ষ্য করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান বেড়েছে।
২০২৫ সালের মে মাসের নির্দেশনার পর বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষী ব্যক্তিদের আটক করে ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া হয়। নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে না পারা অনেককে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়।
মুসলিমদের কখনো ‘অবৈধ অভিবাসী’, কখনো ‘বাংলাদেশি’, আবার কখনো ‘নিরাপত্তাঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় হয়রানি ও দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশে পাঠানো ভারতীয় নাগরিকদের পরবর্তীতে নাগরিকত্ব প্রমাণ করে দেশে ফিরেছেন।
একই পর্যালোচনায় তফসিলি জাতি, তফসিলি ট্রাইবসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬8
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সাহসিকতায় আটক হয়েছে এক ভারতীয় সন্ত্রাসী। বৃহস্পতিবার রাতে কুমারশাইল সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে যায় বিজিবি।
অভিযানকালে চোরাকারবারিরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে বলাই দাস নামের ওই ভারতীয় সন্ত্রাসীকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি এবং ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।
অভিযানকালে চোরাকারবারিরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে বলাই দাস নামের ওই ভারতীয় সন্ত্রাসীকে আহত অবস্থায় আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি এবং ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।
👍12❤5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এখনো কি সময় আসে নি, আল্লাহর ভয়ে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার ?
❤7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
রুশ হামলায় কিয়েভের কাছে একটি গোলাবারুদের ডিপোতে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
🔥7
ফিলিস্তিনের গাজায় খাদ্যসংকট ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৪৬ শতাংশ পরিবার গত ৩০ দিনে অন্তত একবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমিয়েছে।
এ ছাড়া ২১ শতাংশ পরিবার দিনে মাত্র একবেলা খাবার খাচ্ছে, ৩৮ শতাংশ পরিবার খাবারের সংখ্যা কমিয়েছে এবং শিশুদের খাবার নিশ্চিত করতে ১৭ শতাংশ পরিবারে প্রাপ্তবয়স্করা নিজেদের খাবার সীমিত করেছেন।
ডব্লিউএফপি বলছে, সন্ত্রাসী ইসরাইলের বিধিনিষেধের কারণে খাদ্য সরবরাহ মারাত্মকভাবে সীমিত। যুদ্ধবিরতির পর প্রতিদিন গড়ে মাত্র ২৭টি ত্রাণ ও পণ্যবাহী ট্রাক গাজায় ঢুকছে, যেখানে লক্ষ্য ছিল ৬০০টি।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢10
🏵 হাদিস থেকে শিক্ষা
✅ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
আল্লাহর প্রিয় হতে মানুষের কাছে পরিচিত হওয়া জরুরি নয়। বরং তাকওয়া, মানুষের মুখাপেক্ষী না হওয়া এবং লোকদেখানো থেকে দূরে থেকে নীরবে নেক আমল করা একজন মুমিনের বড় সৌন্দর্য। মানুষ তাকে না চিনলেও আল্লাহ তাকে চেনেন, আর একজন মুমিনের জন্য এর চেয়ে বড় মর্যাদা আর কী হতে পারে!
✅ ইমাম নববী (রহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন:
➡️ আমাদের করণীয়:
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরে তাকওয়া দান করুন, মানুষের প্রশংসার মোহ ও রিয়া থেকে হেফাজত করুন এবং গোপনে-প্রকাশ্যে একমাত্র আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।
✅ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْعَبْدَ التَّقِيَّ الْغَنِيَّ الْخَفِيَّ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই বান্দাকে ভালোবাসেন, যে মুত্তাকি, আত্মনির্ভরশীল এবং লোকচক্ষুর আড়ালে থাকে।”
— সহিহ মুসলিম: ২৯৬৫
আল্লাহর প্রিয় হতে মানুষের কাছে পরিচিত হওয়া জরুরি নয়। বরং তাকওয়া, মানুষের মুখাপেক্ষী না হওয়া এবং লোকদেখানো থেকে দূরে থেকে নীরবে নেক আমল করা একজন মুমিনের বড় সৌন্দর্য। মানুষ তাকে না চিনলেও আল্লাহ তাকে চেনেন, আর একজন মুমিনের জন্য এর চেয়ে বড় মর্যাদা আর কী হতে পারে!
✅ ইমাম নববী (রহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন:
এখানে ‘আল-খাফী’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যে নিজেকে প্রকাশ ও খ্যাতির পেছনে ছোটে না, বরং নিজের ইবাদত ও কাজে নিবিষ্ট থাকে।
- মানুষের প্রশংসার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়া।
- কিছু নেক আমল শুধু আল্লাহর জন্য গোপনে করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
- খ্যাতি ও লোকদেখানো থেকে নিজেকে রক্ষা করে তাকওয়া ও আত্মমর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা।
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের অন্তরে তাকওয়া দান করুন, মানুষের প্রশংসার মোহ ও রিয়া থেকে হেফাজত করুন এবং গোপনে-প্রকাশ্যে একমাত্র আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤12
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
🔘 আক্বমারুত তুফান (তুফানের নক্ষত্র)
শহীদ ময়দানী কমান্ডার উমর মুহাম্মদ আবু জালালা রাহিমাহুল্লাহ
নৌবাহিনীর কমান্ডার — খান ইউনুস ব্রিগেড
শহীদ ময়দানী কমান্ডার উমর মুহাম্মদ আবু জালালা রাহিমাহুল্লাহ
নৌবাহিনীর কমান্ডার — খান ইউনুস ব্রিগেড
👍6❤2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ডাকাত নবী হোসেনের সন্ত্রাসী গ্রুপের (ARA) বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষরা। গ্রুপটির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দুই দিন আগে এক রোহিঙ্গা শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এবং আরও কয়েকজনকে আহত করেছে।
এ ঘটনার পর ক্যাম্পে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রোহিঙ্গারা ডাকাত নবী হোসেন গ্রুপের সন্ত্রাস, গুলিবর্ষণ ও দমন-পীড়ন বন্ধের দাবি জানান এবং এ ধরনের সহিংসতার জন্য দায়ীদের দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍7❤2
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ, আর এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিস্তীর্ণ এলাকা কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, হাজারো পরিবার খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে রয়েছে।
এদিকে আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিব্বতে সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে চীন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নেপালে ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢6❤1
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍8😢1
ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করা হলে ওই অঞ্চল দিয়ে অন্য কোনো দেশকেও তেল বিক্রি করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
গতকাল এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “হয় সবাই, নয় কেউই। আমরা যেখানে তেল বিক্রি করতে পারব না, সেখানে অন্য কেউও পারবে না “
এর আগে মার্কিন সেন্টকম দাবি করে, হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গালিবাফ বলেন, হরমুজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি না থাকাই প্রধান শর্ত।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍3
সবুজ আর পাহাড়ে ঘেরা মায়াবী অঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই পার্বত্যচট্টগ্রামকে দেখে মনে হয় শান্ত, নিরাপদ একটি জায়গা। কিন্তু এই শান্ত, মায়াবী রুপের আড়ালে রয়েছে এক ভয়ানক গল্প। আমাদের অগোচরেই এখানে জমছে অস্ত্র, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং আলাদা সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র।
বাংলাদেশের প্রায় এক-দশমাংশজুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চল ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা এবং মিয়ানমারের সীমান্তঘেঁষা। দুর্গম পাহাড়, ঘন অরণ্য ও অরক্ষিত সীমান্তপথের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু একটি ভৌগোলিক অঞ্চল নয়; এটি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তভূমি।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে,
বাংলাদেশ, ও ভারতের সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করছে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, স্নাইপার রাইফেল, নাইট ভিশন যন্ত্র ও স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থার মতো আধুনিক সরঞ্জাম।
পাহাড়ের গহিনে, বিশেষ করে মিজোরাম ও আসামের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল সব ট্রেনিং ক্যাম্প। পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএস ইউপিডিএফের সদস্যরা সেখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।
এছাড়া গোয়েন্দা সূত্রে এটাও জানা গেছে,
সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএসের প্রতিষ্ঠাতা সন্তু লারমা নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করেন। ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং এমনকি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামে এই অস্থিরতার পেছনে মূল ইন্ধনদাতা কারা ? উত্তরঃ হিন্দুত্ববাদী ভারত। কারণ ভারত পার্বত্য চট্টগ্রাম ও উত্তরের রংপুর অঞ্চলকে তাদের একটি বাফার জোন হিসেবে দেখতে চায়। তারা কখনো ময়মনসিংহের গারোদের নিয়ে মাথা ঘামায় না, সাঁওতালদের নিয়েও আন্তর্জাতিক মঞ্চে কান্নাকাটি করে না। তারা শুধু পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত। কারণ এই অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল রাখতে পারলে বাংলাদেশের ভেতরে একটি স্থায়ী চাপের জায়গা তৈরি করা যায়।
এজন্য তারা সীমান্ত দিয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ, স্নাইপার রাইফেল, নাইট ভিশন যন্ত্র ও স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থার মতো আধুনিক সরঞ্জাম প্রবেশ করাচ্ছে।
সম্প্রতি অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আমরা দেখতে পেয়েছি, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সীমান্তে অত্যাধুনিক অস্ত্র হাতে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তে টহল দিচ্ছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। এথেকে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়, হিন্দুত্ববাদী ভারতের ইন্ধনে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে নীরব থাকার সুযোগ নেই। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে সেনাবাহিনীর অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍9❤1