🔘 ইসলাম ইনসাইট - এনালাইসিস
🔴 মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও রোহিঙ্গা নির্যাতনের মধ্যেই মালয়েশিয়ার "প্রত্যাবাসন" নামক জোরপূর্বক নির্বাসন: ৫,০০০ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
মালয়েশিয়ান সরকার সম্প্রতি ৫,০০০ মায়ানমার নাগরিককে "প্রত্যাবাসন" কার্যক্রমের আওতায় ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ চূড়ান্ত করেছে, যার প্রথম ধাপে অল্পদিনের মধ্যে ১,৪৭৬ জনকে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই তালিকায় রোহিঙ্গা, চিন, কারেন, মনসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ মায়ানমারের চলমান সংকটের কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তবে মালয়েশিয়ান সরকারের এই উদ্যোগকে "প্রত্যাবাসন" বলার চেয়ে "জোরপূর্বক নির্বাসন" হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিযুক্ত, বিশেষ করে যখন মায়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক ও মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ জনমনে বিশেষ মহল কর্তৃক রোহিঙ্গা বিরোধী মনোভাব তৈরি হয়েছে এবং জনগণের চাপেই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই "প্রত্যাবাসন" কার্যক্রমের জন্য মায়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করা হবে, যা স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি জোরপূর্বক নির্বাসনেরই ইঙ্গিত বহন করে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, মায়ানমারে এখনো এমন কোনো নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি যেখানে এই মানুষগুলো ফিরে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।
বিশেষ করে আমরা যদি রোহিঙ্গাদের কথা বলি, তাদের বাসস্থান আরাকানের সমগ্র অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে জান্তা বাহিনীর মধ্যে তীব্র যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে, যা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের জন্য ফেরত যাওয়ার পথকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।
এমন জটিল অবস্থায়, মালয়েশিয়ান সরকার স্পষ্ট করে বলেনি যে এই মানুষগুলোকে আরাকানের কোন অঞ্চলে পুনর্বাসন করা হবে জান্তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিতোয়ে, কিয়াউকফিউ, মানাউং জাতীয় এলাকায় রাখা হবে, নাকি অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের (আইডিপি) ক্যাম্পে পাঠানো হবে, অথবা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেই ফিরে যেতে বাধ্য করা হবে।
এই অস্পষ্টতা এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তার অভাব স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে এই উদ্যোগটি কোনো মানবিক প্রত্যাবাসন নয়, বরং মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ও জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে মায়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ৫,০০০ মানুষকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর একটি পরিকল্পনা, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের দৃষ্টিতে অত্যন্ত বিতর্কিত এবং উদ্বেগজনক। এর ফলে এই কথিত "প্রত্যাবাসন" নামক জোরপূর্বক নির্বাসনটি ব্যাপক ভাবে সমালোচিত হচ্ছে।
মালয়েশিয়ান সরকার সম্প্রতি ৫,০০০ মায়ানমার নাগরিককে "প্রত্যাবাসন" কার্যক্রমের আওতায় ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ চূড়ান্ত করেছে, যার প্রথম ধাপে অল্পদিনের মধ্যে ১,৪৭৬ জনকে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই তালিকায় রোহিঙ্গা, চিন, কারেন, মনসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ রয়েছেন, যাদের একটি বড় অংশ মায়ানমারের চলমান সংকটের কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তবে মালয়েশিয়ান সরকারের এই উদ্যোগকে "প্রত্যাবাসন" বলার চেয়ে "জোরপূর্বক নির্বাসন" হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিযুক্ত, বিশেষ করে যখন মায়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক ও মানবিক পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ জনমনে বিশেষ মহল কর্তৃক রোহিঙ্গা বিরোধী মনোভাব তৈরি হয়েছে এবং জনগণের চাপেই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এই "প্রত্যাবাসন" কার্যক্রমের জন্য মায়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করা হবে, যা স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং এটি জোরপূর্বক নির্বাসনেরই ইঙ্গিত বহন করে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, মায়ানমারে এখনো এমন কোনো নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি যেখানে এই মানুষগুলো ফিরে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।
বিশেষ করে আমরা যদি রোহিঙ্গাদের কথা বলি, তাদের বাসস্থান আরাকানের সমগ্র অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে জান্তা বাহিনীর মধ্যে তীব্র যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে, যা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের জন্য ফেরত যাওয়ার পথকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।
এমন জটিল অবস্থায়, মালয়েশিয়ান সরকার স্পষ্ট করে বলেনি যে এই মানুষগুলোকে আরাকানের কোন অঞ্চলে পুনর্বাসন করা হবে জান্তার নিয়ন্ত্রণাধীন সিতোয়ে, কিয়াউকফিউ, মানাউং জাতীয় এলাকায় রাখা হবে, নাকি অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতদের (আইডিপি) ক্যাম্পে পাঠানো হবে, অথবা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলেই ফিরে যেতে বাধ্য করা হবে।
এই অস্পষ্টতা এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তার অভাব স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে এই উদ্যোগটি কোনো মানবিক প্রত্যাবাসন নয়, বরং মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ও জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে মায়ানমারের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে ৫,০০০ মানুষকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর একটি পরিকল্পনা, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের দৃষ্টিতে অত্যন্ত বিতর্কিত এবং উদ্বেগজনক। এর ফলে এই কথিত "প্রত্যাবাসন" নামক জোরপূর্বক নির্বাসনটি ব্যাপক ভাবে সমালোচিত হচ্ছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍5😢2
হিন্দুত্ববাদীরা অভিবাসন আইন ভঙ্গ, ভিসা জালিয়াতি, ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান করা এবং আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়াতেই ভারতীয়দের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও বিদেশি কর্মী সংখ্যা কমাতে অভিবাসন নীতি কঠোর করেছে দেশটি। ৩০ দিনের মধ্যে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের নির্দেশ, নির্দিষ্ট মেয়াদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা কিংবা স্থায়ী বহিষ্কার আদেশের মাধ্যমে কানাডা সরকার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।
চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই রেকর্ড ৩ হাজার ৩২৩ জন ভারতীয় নাগরিককে বহিষ্কার করেছে কানাডা সীমান্ত পরিষেবা সংস্থা (সিবিএসএ)।
এ সংখ্যা গত বছর দেশটি থেকে ফেরত পাঠানো মোট ভারতীয়র প্রায় ৮৮ শতাংশ। টানা পাঁচ বছর এ তালিকার শীর্ষে থাকা মেক্সিকোকে পেছনে ফেলে এবার বিতাড়নের শীর্ষে উঠে এসেছে ভারত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কানাডা থেকে আড়াই গুণেরও বেশি ভারতীয়কে বের করে দেওয়া হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤10👍1
লাদাখের লেহতে সেপ্টেম্বরজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করছে উগ্র বিজেপি সরকার। ২৭ আগস্ট এই নির্দেশ দেওয়া হয়। গত বছরের প্রশাসনের বর্বর হামলায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন প্রাণঘাতী হয়ে উঠে। এখন তারই প্রথম বার্ষিকী ঘিরে নতুন করে মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে সাধারণ জনগণ।
লাদাখের বিভিন্ন সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা, সংবিধানের Sixth Schedule-এর অধীনে বিশেষ সুরক্ষা, পৃথক লোকসভা আসন এবং স্থানীয় নিয়োগ কমিশন-সহ একাধিক দাবি জানিয়ে আসছে। ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এসব দাবিকে কেন্দ্র করে লেহতে প্রশাসনের বর্বর হামলায় বিক্ষোভ সহিংস হয়ে ওঠে এবং চারজনের মৃত্যু হয়।
এবার সেই ঘটনার এক বছর পূর্তিতে ফের কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে। তাই জনগণের আওয়াজকে দমাতে উগ্র বিজেপি প্রশাসন ১০ কোম্পানি CRPF ও ২ কোম্পানি RAF মোতায়েন করছে।
মূলত উগ্র বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের দাবি নিয়ে আলোচনার বদলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ বা দমন করতে চাইছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤3😢1
🔴 অক্টোবরে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় আসতে পারে আইসিজেতে
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) চলতি বছরের অক্টোবরে রায় ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছেন গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রী দাওদা এ. জালো।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
দাওদা জালো বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই রায় সংকটের টেকসই সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
হুমায়ুন কবির আইসিজেতে গাম্বিয়ার নেতৃত্বের প্রশংসা করে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) চলতি বছরের অক্টোবরে রায় ঘোষণা করতে পারে বলে জানিয়েছেন গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রী দাওদা এ. জালো।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
দাওদা জালো বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই রায় সংকটের টেকসই সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
হুমায়ুন কবির আইসিজেতে গাম্বিয়ার নেতৃত্বের প্রশংসা করে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।
❤4
গাজীপুরের পর এবার চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে নতুন সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের অধীন জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ৫৪.৯৯ একর জমি প্রতীকী মূল্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সেনাপ্রধান উপস্থিত ছিলেন।
আইএসপিআর জানিয়েছে, কারখানা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়বে, বৈদেশিক নির্ভরতা কমবে এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও সুসংহত হবে।
একই সঙ্গে সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পথও আরও শক্তিশালী হবে।
দেশীয় সমরাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর এ উদ্যোগ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকায়নকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতা বাড়াবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍11
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (এমজেডিএ) নতুন দেশ যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।
বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি বলেন, কোনো দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার আবেদন করলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে পরামর্শ করে তা বিবেচনা করা হবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জোটটি শান্তি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন নিরাপত্তাস্বার্থের ভিত্তিতে গঠিত। তবে নতুন সদস্য হিসেবে কোনো দেশের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তবে এখনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসেনি।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤7
🏵 আজকের তাফসির
জান্নাতের বিনিময়ে মুমিনের জান-মালের মহান চুক্তি
✅ আল্লাহ তাআলা বলেন:
✅ তাফসিরে ইবন কাসিরে বর্ণিত হয়েছে:
➡️ আমাদের করণীয়:
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের জান-মালকে আপনার পথে কবুল করুন, দ্বীনের দায়িত্বে অবিচল রাখুন এবং জান্নাতের এই মহান প্রতিশ্রুতির অধিকারী করুন। আমিন।
জান্নাতের বিনিময়ে মুমিনের জান-মালের মহান চুক্তি
✅ আল্লাহ তাআলা বলেন:
إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَىٰ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنْفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ ۚ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ ۖ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ ۚ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ ۚ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُمْ بِهِ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ
নিশ্চয়ই আল্লাহ মুমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন—এর বিনিময়ে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে; ফলে তারা হত্যা করে এবং নিহত হয়। এটি তাওরাত, ইনজিল ও কোরআনে তাঁর ওপর অর্পিত সত্য প্রতিশ্রুতি। আর আল্লাহর চেয়ে কে তার অঙ্গীকার অধিক পূর্ণকারী? অতএব তোমরা যে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করেছ, তাতে আনন্দিত হও। আর এটিই মহাসাফল্য।
— সূরা আত-তাওবাহ: ১১১
✅ তাফসিরে ইবন কাসিরে বর্ণিত হয়েছে:
আল্লাহ তাআলা মুমিনদের জান ও মালকে জান্নাতের বিনিময়ে গ্রহণ করেছেন। তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে, শত্রুর মোকাবিলা করে; কখনো শত্রুকে হত্যা করে, কখনো নিজেরাই শহীদ হয়। এই চুক্তি শুধু কোরআনে নয়, তাওরাত ও ইনজিলেও আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষিত হয়েছে।
ইবন কাসির (রহ.) উল্লেখ করেন, এটি মুমিনদের জন্য এক মহান সুসংবাদ। কারণ তারা যে জান-মাল আল্লাহর পথে ব্যয় করে, সেগুলোও মূলত আল্লাহরই দান। অথচ বিনিময়ে তিনি তাদের জান্নাত দান করেন। এ কারণেই আল্লাহ বলেছেন—এই লেনদেনে আনন্দিত হও, কারণ এটিই প্রকৃত মহাসাফল্য।
- আল্লাহর পথে লড়াই ও দ্বীনের দায়িত্ব এলে ভয় বা দুনিয়ার মোহে পিছিয়ে না পড়া।
- নিজের জান-মালকে আল্লাহর আমানত মনে করে তাঁর সন্তুষ্টির পথে উৎসর্গের মানসিকতা গড়ে তোলা।
- দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী লাভের চেয়ে জান্নাতের স্থায়ী সফলতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের জান-মালকে আপনার পথে কবুল করুন, দ্বীনের দায়িত্বে অবিচল রাখুন এবং জান্নাতের এই মহান প্রতিশ্রুতির অধিকারী করুন। আমিন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤11
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত অবস্থায় ভারতীয় সন্ত্রাসী বলাই দাসকে আটক করেছে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে কুমারশাইল সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র প্রবেশের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
চোরাকারবারিদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়।
পরে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়।
বিজিবিকে এভাবেই ভারতীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤12👍2
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ৪৭২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ।
গত ২৬ আগস্ট ভোতি কোশি নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে রাসুয়া এবং সীমান্তের ওপারের তিব্বতের গিরং এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতে বিস্তীর্ণ এলাকা চাপা পড়ে যায়।
নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। সামরিক বাহিনী হেলিকপ্টারে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে, আর জরুরি কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজদের সন্ধান করছেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍5😢1
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ই তে ডাকাত নবী হোসেন গ্রুপের ব্যাপক গুলিবর্ষণে আহত রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় তার মা তাহেরা বেগমও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে ক্যাম্পের বি/৪০ ও বি/৪১ ব্লক এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, এ সময় অন্তত ১২০ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়।
গুলিবিদ্ধ হন বি/৪১ ব্লকের বাসিন্দা নুর আলমের ছেলে ইউসুফ ও তার মা। গুরুতর আহত ইউসুফকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এপিবিএন জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬4❤1👍1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজাফফরনগরে একটি ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা গুড়িয়ে দিলো উগ্র বিজেপি প্রশাসন। প্রশাসন এবং স্থানীয় উগ্র বিজেপি সন্ত্রাসীদের ভুয়া দাবি, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল জোরপূর্বক জমি দখল করে মাদ্রাসা নির্মাণ করেছেন।
এভাবে নানা অপবাদ দিয়ে ভারতকে মসজিদ - মাদ্রাসাশুন্য করার ভয়াবহ চক্রান্ত চলছে।
এভাবে নানা অপবাদ দিয়ে ভারতকে মসজিদ - মাদ্রাসাশুন্য করার ভয়াবহ চক্রান্ত চলছে।
🤬11👍1
উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে অসংখ্য পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ সায়ুদ জানান,
জিজেল, বেজাইয়া ও তিজি উজু প্রদেশে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, জিজেলে পাঁচজন, বেজাইয়ায় চারজন এবং তিজি উজুতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
আলজেরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা এপিএস জানিয়েছে, ওই হাসপাতালে ৫৪ জন দগ্ধ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
তীব্র তাপপ্রবাহে আলজেরিয়া ও প্রতিবেশী তিউনিসিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যখন বিপর্যস্ত, তখনই এসব দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। প্রতি বছর গ্রীষ্মের চরম সময়ে আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানল দেখা যায়। শুধু গত মাসেই দাবানলে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢6👍2
সম্প্রতি ২৭ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ই-এর বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লকে সশস্ত্র ডাকাত দল ও খারেজী গোষ্ঠী আরসার গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে এবং অপর এক ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে। বিকেল ৫টার দিকে নবী হোসেন গ্রুপ ও আরসার সদস্যরা যৌথভাবে এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
উল্লেখ্য, নবী হোসেন গ্রুপ ও আরসা দুটি সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বিভিন্ন মাদক,মানব-পাচার, ডাকাতি ও সন্ত্রাসীর মতো ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। তারা ক্রমাগত ক্যাম্পের নিরাপত্তা বিনষ্ট করছে। তাদের হিংস্র কর্মকাণ্ড থেকে নিরপরাধ শিশু-কিশোররাও রেহাই পাচ্ছে না।
এর সঙ্গে আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, এপিবিএনের কিছু অসাধু ও দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা এসব সংগঠনকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করছে। এর ফলে ক্যাম্পে শান্তি ফিরিয়ে আনতে গঠিত বিভিন্ন কমিটি ও স্থানীয় নেতৃত্বও নানা সংকটের মধ্যে পড়েছেন।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে আরসা ইতিমধ্যে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তাদের নজরে এসেছে। অন্যদিকে ARA বাংলাদেশের অন্যতম বড় ইয়াবা সাপ্লাইকারী। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরসা ও নবী হোসেন গ্রুপ যৌথভাবে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করে ক্যাম্পে নিজেদের আধিপত্য বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
তাই এমন নাজুক পরিস্থিতিতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বশীল মহলের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি,
“এই সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন করতে দ্রুততম সময়ে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। যদি এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে অচিরেই বাংলাদেশ ভয়াবহ এক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করবে এবং তার সমাধান দিনদিন জটিল থেকে জটিলতর হয়ে পড়বে।”
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤8🤬2👍1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আলজেরিয়াতে একদিকে দাবানলে জ্বলছে, আরেকদিকে হৃদয়বিদারক কণ্ঠে মসজিদ থেকে আজানের সুর ভেসে আসছে!
💔10❤4
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করছে সেনাবাহিনী
এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে পৌঁছেছে। এখনো হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
এখন পর্যন্ত বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭৫ জনে পৌঁছেছে। এখনো হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
😢7
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
পশ্চিম তীরের রামাল্লায় ফিলি*স্তিনি কৃষকদের জমিতে হামলা চালিয়ে সম্পদ লুটপাট করছে অবৈ*ধ বসতি স্থাপনকারীরা
🤬6😢1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সীমান্তে অস্ত্র হাতে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তে টহল দিচ্ছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। দুর্গম খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা সীমান্তবর্তী বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানার ২২৬২/৩২-এস সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকা এবং সীমান্তের বর্ডার রোডে এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীর অবাধ বিচরণ রয়েছে।
সীমান্তবর্তী এই দুর্গম এলাকাগুলোতে মূলত সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থান রয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে তাদের অস্ত্র হাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও মহড়া দিতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রকাশ্য অস্ত্র প্রদর্শন ও সশস্ত্র তৎপরতা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং পার্বত্য অঞ্চলের সার্বভৌমত্বের জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করছে।
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সীমান্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবাধ বিচরণ বা অস্ত্রের মহড়ার জায়গা হতে পারে না। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের এমন তৎপরতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌম কর্তৃত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬6