জাতিসংঘের মহাসচিব ‘রমজান সংহতি সফর’-এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আসছেন এবং রোজা রাখবেন বলেও জানা গেছে। এটি তার দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর। এর আগে, ২০২৩ সালে তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে ঢাকায় এসেছিলেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤22
সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি (AA) টেকনাফ সীমান্তসংলগ্ন নাফ নদীতে ঢুকে বাংলাদেশি জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছে। সম্প্রতি ১৭ দিন বন্দি থাকার পর মুক্তি পাওয়া ২৯ জেলে জানিয়েছেন, প্রতি জনের কাছ থেকে ২-৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
অপহরণের পর পরিবারের নম্বর দিতে বাধ্য করা হয়, না দিলে চলে নির্যাতন। মুক্তিপণ দাবির জন্য বাংলাদেশি সিম ব্যবহার করে ফোন করা হয় এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সম্পন্ন হয়।
জেলে মাহমুদুল হাসান জানান, সংকীর্ণ ও নোংরা একটি কক্ষে ৪৮ ঘণ্টা রাখা হয়। টয়লেটের জন্য একটি মাত্র বালতি দেওয়া হয়, আর খাবার হিসেবে কয়েক মুঠো ভাত, কলার কাণ্ড ও পঁচা ডাল দেওয়া হতো।
আরেক মুক্তিপ্রাপ্ত জেলে শফিউল্লাহ বলেন, প্রতিদিন ২-৩ জন জেলেকে অপহরণ করা হয় এবং মুক্তিপণ আদায়ের পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির অপহরণ ও মুক্তিপণ নেটওয়ার্ক বন্ধে দ্রুত সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। বাংলাদেশি সিম ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাশাপাশি, কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়িয়ে অপহৃতদের দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬30
সারাদেশের ওয়াক্ফ এস্টেটগুলোর বিপুল সম্পত্তি ও আয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের দোসররা গত ১৫ বছরে মোতাওয়াল্লি ও কমিটি নিয়োগের মাধ্যমে এসব সম্পত্তি দখল করে রেখেছে।
রাজধানীর আজিমপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াক্ফ সম্পত্তি বেহাত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না বলে অভিযোগ মুসল্লিদের। ওয়াক্ফ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, যদিও তারা তা অস্বীকার করেছে।
সারাদেশে ২১ হাজার ৯৩৯টি ওয়াক্ফ এস্টেট নিবন্ধিত রয়েছে, যার অধীনে রয়েছে চার লাখ ২৪ হাজার একর জমি। তবে বেসরকারি হিসাবে দেশে প্রায় ১০ লাখ একর ওয়াক্ফ সম্পত্তি আছে, যার বড় অংশ বেহাত হয়ে যাচ্ছে।
ওয়াক্ফ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও কঠোর নজরদারি না থাকলে ভবিষ্যতে ওয়াক্ফ এস্টেটের আরও সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল হয়ে যাবে, যা মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও দাতব্য সংস্থাগুলোর জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬15
Islam Insight
বনানীতে সড়ক অবরোধ তুলে নিয়েছেন আন্দোলনরত গার্মেন্টস শ্রমিকরা। তিন দফা দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর দুপুর দেড়টা থেকে আবার যান চলাচল শুরু হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍10❤5
বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা থাকা অবস্থায় প্রতীক দত্ত সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে শিক্ষার্থী তানজিল রহমানকে নির্মমভাবে পেটায়। এ ঘটনায় দীর্ঘদিন মামলা হয়নি, তবে সম্প্রতি তার বাবা আলমগীর সিকদার আদালতের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।
ছাত্রজীবনে বিতর্কিত ভূমিকার পর প্রশাসনে যোগ দিয়েও বিতর্ক ছাড়েনি সন্ত্রাসী প্রতীক। কোটালীপাড়ায় কর্মরত অবস্থায় এক ঠিকাদারকে প্রকাশ্যে চড় মারা, জমির কাগজপত্র সংশোধনে অনিয়ম, পছন্দের লোকদের পক্ষে রায় দেওয়া এবং বিভিন্ন সুবিধা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রতীকের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রশ্রয়ে সে বহাল তবিয়তে রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬18
ধর্ষণের শাস্তি কঠোর করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ। সংগঠনটির নেতারা দ্রুত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান চালুর প্রজ্ঞাপন জারির আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (১০ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে নেতারা বলেন, বাংলাদেশে ধর্ষণের বিচার দীর্ঘসূত্রিতা ও আইনের দুর্বল প্রয়োগের কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি মিডিয়া, নাটক-সিনেমায় যৌনতাকে উসকে দেওয়া, অশ্লীল কনটেন্ট ও ওয়েবসাইট সহজলভ্য থাকায় সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে।
নেতারা আরও বলেন, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী দ্রুত ও প্রকাশ্যে বিচার নিশ্চিত করলে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা কমবে।
এছাড়া, ৮ মার্চ নারী দিবসে এক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিকে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ দেওয়ার ঘটনায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, এটি দেশের কোটি কোটি নারীর প্রতি অবমাননাকর।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍16❤4
আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলানা আমীর খান মুত্তাকি (হাফি.) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও কূটনৈতিক আলোচনার লক্ষ্যে ওমান সফরে গেছেন। রবিবার (৯ মার্চ) তিনি ওমানের রাজধানী মাস্কাটে পৌঁছান।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল আবু সাঈদীর আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মূলত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য।
আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়া আহমেদ তাকাল (হাফি.) জানিয়েছেন, মাওলানা আমীর খান মুত্তাকি (হাফি.) ওমানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে, আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন, যেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍14❤10
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_১০
সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫৩ থেকে ১১১
✅ ইউসুফ (আঃ) সাক্ষ্য দেন যে দুর্বল মুহূর্তে আল্লাহই তাঁকে খারাপ কাজে প্রলুব্ধ হওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন, তাঁর নিজের কৃতিত্ব নেই।মিসরের বাদশাহ ইউসুফ (আঃ)-কে অর্থমন্ত্রী তথা 'আযীযে'র পদে ভূষিত করেন। এভাবে এক কালে সব হারানো ইউসুফকে আল্লাহ মহাসম্মানের স্থানে তুলে নেন। দুর্ভিক্ষ শুরু হলে রেশনের জন্য ইউসুফের ভাইয়েরা এলো। ইউসুফ তাদের চিনলেন, তারা তাঁকে চিনতে পারেনি। তাদের প্রত্যেককে উট বোঝাই মালসামানা দেওয়া হলো। পিতার দেখভালের জন্য ঘরে থাকা বিন ইয়ামীনের জন্যও তারা সামানা চাইলো। ইউসুফ (আঃ) বললেন ভাইকে সাথে করে আবার আসতে। তার আগে তাদের কিছু দেওয়া হবে না।
✅ ভাইয়েরা হতাশ হয়ে ফিরে গিয়ে ইয়াকুবকে (আঃ) বললো বিন ইয়ামীনকেও তাদের সাথে পাঠাতে। কিন্তু ইউসুফের সাথে ইতোপূর্বে তারা যা করেছে সেজন্য ইয়াকুব (আঃ) ভরসা পেলেন না। ভাইয়েরা তাদের মালপত্রে হাত দিয়ে দেখলো রেশন আনার জন্য তারা যেসব পণ্য নিয়ে গিয়েছিলো (তখন পণ্য বিনিময় প্রথা ছিলো), তা তাদের অজান্তে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে পরেরবার আবার সেগুলো নিয়ে যেতে পারে। তা দেখিয়ে তারা পিতাকে ভরসা দিলো। কথা দিলো এইবার নিরাপত্তার কোনো ব্যত্যয় করবে না। ইয়াকুব (আঃ) অনুমতি দিলেন। তাদের বললেন শহরের আলাদা আলাদা ফটক দিয়ে ঢুকতে। কারণ এগার ভাইয়ের দলকে দেখলে কারো বদনজর লাগতে পারে। তবে এ-ও বলে দেন যে বদনজর থেকে বাঁচানোর মালিক তো কেবল আল্লাহই।
✅ বিন ইয়ামীন সহ তারা মিশরে গেলে ইউসুফ (আঃ) তাঁর ভাইকে নিজের কাছে রাখার ইচ্ছা করলেন। একটি পানপাত্র গোপনে তিনি বিন ইয়ামীনের সামানার সাথে রাজার একটি পানপাত্র রেখে দিলেন। পানপাত্র হারানোর খবর চাউর হওয়ার পর লোকেরা ইউসুফের ভাইদের চোর সাব্যস্ত করলো। তারা অস্বীকার করলো। জিজ্ঞেস করা হলো তাদের কাছে চুরির মাল পাওয়া গেলে কী করা হবে। তারা ইয়াকুব (আঃ) এর শরিয়ত অনুযায়ী বললো যে শুধু চোরকে পণ্যের মালিক বন্দী করে রাখবে, বাকিদের ছেড়ে দিবে (মিশরের রাজার আইন/শরিয়ত অনুযায়ী এত সহজে ইউসুফ ভাইকে নিজের কাছে রাখতে পারতেন না)। তল্লাশীর পর বিন ইয়ামীনের সামানার ভেতর পানপাত্রটি পাওয়া গেলো। অন্য ভাইয়েরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বললো, তার ভাইও (ইউসুফ) তো এরকম একবার চুরি করেছিলো। ইউসুফ (আঃ) তাদের কিছু বললেন না।
✅ পিতার কাছে এত কঠিন প্রতিজ্ঞা করার পর বিন ইয়ামীনকে ছাড়া ফিরতে সংকোচ লাগায় ভাইদের মাঝে সবার বড়জন মিশরে থেকে যায়। বাকিরা গিয়ে ইয়াকুব (আঃ)-কে সব ঘটনা জানায়। ইয়াকুব (আঃ) কাঁদতে কাঁদতে অন্ধ হয়ে যান। অতঃপর ছেলেদের বলেন ইউসুফ ও তার ভাইয়ের সন্ধান করতে, আশা না হারাতে। আল্লাহর রহমত থেকে কাফিররাই কেবল হতাশ হয়।
✅ ভাইয়েরা আবার মিশরে ফিরে গিয়ে মালসামানার জন্য অনুনয় করে। ইউসুফ (আঃ) তাদের সামনে নিজ পরিচয় প্রকাশ করেন। ভাইয়েরা অনুতপ্ত হয়। তিনি তাদের সকলকে ক্ষমা করে দেন। তিনি ভাইদের বলেন পিতামাতাকে সহ মিশরে নিয়ে আসতে। সাথে তিনি নিজের একটি জামা দেন, যা ইয়াকুব (আঃ) এর চোখে রাখলে আল্লাহর ইচ্ছায় মুজিযাস্বরূপ চোখ ভালো হয়ে যাবে।
তারপর পিতামাতাকে সহ ভাইয়েরা সবাই ইউসুফ (আঃ) এর কাছে ফিরে আসে। ইউসুফ পিতামাতাকে সম্মানের আসনে বসান। তারা সকলে ইউসুফ (আঃ) এর সামনে সেজদা করেন, কারণ পূর্ববর্তী নবীদের শরিয়তে এমন সম্মানসূচক সেজদা জায়েয ছিলো। এভাবে সূরার শুরুতে ইউসুফ (আঃ) এর দেখা স্বপ্ন সত্যি হয়। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানান।
✅ পরিশেষে আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাঃ) ও মুমিনদের সান্ত্বনা দেন। ইউসুফ (আঃ) এর মতোই দীর্ঘ সময়ে দুঃখকষ্টে থাকা লাগলেও মুমিনরা শেষমেশ জয়ীই হবে।কাফিররা যে আল্লাহর উপর ঈমান আনার পাশাপাশি শির্কও করে, তা তিরস্কার করা হয়। প্রতি যুগেই এমন হয়েছে যে নবীর শত্রুরা আযাব আসতে দেরি দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে। কিন্তু ঠিকই শেষ পর্যন্ত তারা ধ্বংস হয়েছে।
❤17👍1
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_১০ সূরা ইউসুফ, আয়াত ৫৩ থেকে ১১১ ✅ ইউসুফ (আঃ) সাক্ষ্য দেন যে দুর্বল মুহূর্তে আল্লাহই তাঁকে খারাপ কাজে প্রলুব্ধ হওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন, তাঁর নিজের কৃতিত্ব নেই।মিসরের বাদশাহ ইউসুফ (আঃ)-কে অর্থমন্ত্রী তথা 'আযীযে'র পদে ভূষিত করেন। এভাবে এক…
✅ সূরা রা'দে আল্লাহর বিভিন্ন সৃষ্টির প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহর অস্তিত্ব ও তাওহীদের প্রমাণ দেখানো হয়েছে। খুঁটিবিহীন আসমান, চাঁদ, সূর্যের আবর্তন, বিস্তীর্ণ পৃথিবী, নদনদী, জোড়ায় জোড়ায় মাখলুক, পাশাপাশি অবস্থিত বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ড, উদ্ভিদবৈচিত্র্য সৃষ্টিকারীর জন্য আখিরাতে পুনরায় সৃষ্টি কঠিন কিছু নয়। মাতৃগর্ভে যা বাড়েকমে, দিনেরাতে যে যা প্রকাশ্যে ও গোপনে বলে- সবই আল্লাহর জ্ঞানের আয়ত্তাধীন।
আল্লাহ বিজলি চমক দিয়ে আশা ও ভীতি উভয়ই প্রদর্শন করেন। বজ্রনির্ঘোষ ও ফেরেশতাগণ তাঁরই প্রশংসা করে। আল্লাহ ছাড়া অন্য সৃষ্টির কাছে দুআ করাটা যেন পানির নিকট দুআ করার মতো, যাতে তা আপনাআপনিই মুখে চলে আসে। (এদিক দিয়ে মুশরিকদের মূর্তিপূজা ও নাস্তিকদের বস্তুপূজা একইরকম) সকল কিছুই স্বেচ্ছায় বা বাধ্য হয়ে আল্লাহর আনুগত্য করে।
বাতিল মতাদর্শ ফেনার মতো উপচে পড়া অস্থায়ী জিনিস। আর হক হলো জমিনে থেকে যাওয়া উপকারী ও স্থায়ী বস্তু। আখিরাতে কাফিররা দুনিয়ার সমস্ত সম্পদের কয়েকগুণ মুক্তিপণ দিয়ে হলেও শাস্তি থেকে বাঁচতে চাইবে, কিন্তু তা সম্ভব হবে না। মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো অঙ্গীকার ও চুক্তি রক্ষা করা, আল্লাহর নির্দেশিত সম্পর্কগুলো রক্ষা করা, সবর করা, সালাত কায়েম, আল্লাহর দেওয়া রিযক থেকে গোপন ও প্রকাশ্যে দান, দুর্ব্যবহারের বিপরীতে সদাচরণ করা। এরা আত্মীয়পরিজন সহ জান্নাতে যাবে। এর বিপরীতকারীরা জাহান্নামি। আল্লাহর স্মরণেই (যিকর) অন্তরসমূহ প্রশান্তি পায়।
✅ কাফিররা মুজিযা দেখলে ঈমান আনবে বলে যে মিথ্যা দাবি করে, তার অসারতা দেখানো হয়। মুমিনরাও ভাবতো এসকল কাফিরের উপর আযাব আসছে না কেন। বলা হয়, দুনিয়ায় তো এদের উপর ছোটখাটো বিপদ আসছেই, আর আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠিন। শির্ক কুফরের প্রতিপত্তি চারদিক থেকে সংকুচিত হয়ে আসছে।মুশরিকরা মাটির মূর্তি বানিয়ে কল্পিত নাম আরোপ করে তার পূজা করে। আহলে কিতাবরা আল্লাহর কিতাবের কিছু অংশ মানতে অস্বীকার করে। এ সকল প্রকার শির্ককে তিরস্কার করা হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤16👍1
Islam Insight
✅ সূরা ইবরাহীমেও ইসলামের মৌলিক আকিদা বিশ্বাস আলোচিত হয়েছে। আখিরাতের উপর দুনিয়াকে প্রাধান্যদানকারী ও দ্বীনের মাঝে বক্রতা অনুসন্ধানকারীদের তিরস্কার করা হয়েছে। নূহের (আঃ) জাতি, আদ, সামূদ, ফিরআউনের অবাধ্যতা ও পরিণতির কথা স্মরণ করানো হয়েছে। তাদের কাছে প্রেরিত নবীগণও মানুষই ছিলেন। কাফিররা দুনিয়ায়ও ধ্বংস হয়, ফলে ঈমানদাররা জমিনে প্রতিষ্ঠা পায়।
জাহান্নামে কাফিরদের গলিত পুঁজ ভক্ষণ করানো হবে, পোশাক হবে আলকাতরার, মুখ আগুনে আচ্ছন্ন হবে। মৃত্যু তাদের চারদিক থেকে এগিয়ে আসবে, কিন্তু তারা মরবে না। তাদের দুনিয়ার সব কাজ ছাইয়ের মতো, যা ঝড়ে উড়ে গেছে, কোনো লাভ হয়নি। কাফিররা তাদের নেতাদেরকে আখিরাতে বলবে তাদের জন্য কিছু করতে। নেতারা অপারগতা প্রকাশ করবে। তাদেরকে সুন্দর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুলিয়ে রাখা শয়তানও সেদিন তাদের থেকে দায়মুক্তি ঘোষণা করবে। সে তো কেবল ভ্রান্ত পথের দিকে ডেকেছিলো, কাউকে জোর করেনি। আজ সেও কাউকে শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না, তাকেও কেউ বাঁচাবে না।
✅ পবিত্র বাক্য বা কালিমা তাইয়্যিবাহ হলো পবিত্র গাছের মতো, যার মূল দৃঢ়ভাবে প্রোথিত, ডালপালা আসমানে উত্থিত, প্রতিপালকের নির্দেশে অহরহ ফল দেয়। আর অপবিত্র বাক্য বা কুফরি কথাবার্তা হলো অপবিত্র গাছের মতো, যাকে উপড়ে ফেলা হয়েছে। সূর্য-চন্দ্র, নদী-নালা, যানবাহনকে আল্লাহ আমাদেট অধীন করে দিয়েছেন যেন আমরা তাঁরই ইবাদাত করি।
✅ ইবরাহীম (আঃ) এর বংশধর হিসেবে আরবরা গর্ব করতো। অথচ তিনি শির্ক ও মূর্তিপূজা ঘৃণা করতেন, সন্তানরাও যাতে এ থেকে বেঁচে থাকে সেই দুআ করেছেন। হাজেরা (আঃ) ও ইসমাইল (আঃ)-কে তিনি আল্লাহর আদেশে এই ভূমিতে রেখে গেছেন যেন তারা সালাত কায়েম করে। তাই আল্লাহ এই বিরানভূমিতে তাঁদেরকে উত্তম রিযক দিয়েছেন। ইবরাহীম (আঃ) সকল মুমিনের মাগফিরাতের দুআ করেন। কিয়ামতের দিন কাফিররা আরেকটু অবকাশ চাইবে কিন্তু তাদের তা দেওয়া হবে না।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17👍1
আমরা নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষ। সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির হামলায় জীবন বাঁচাতে আমরা সমুদ্র পাড়ি দিয়ে শ্রীলংকায় আশ্রয় নিয়েছি। বর্তমানে এখানে আমরা অনাহার, গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি,তারা যাতে আমাদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17😢5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এখন প্রশ্ন হলো - ধর্ম পালনের নামে তাদের এসব নোংরামি ও কুসংস্কার কি হিন্দু ধর্মে অনুমোদিত? হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ যেখানে খোদ মূর্তিপূজাকেই নিষিদ্ধ করেছে, সেখানে এসব নোংরামি কি করে অনুমোদিত হতে পারে? আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বলবো – বেদ পড়ুন এবং সত্য জানুন। কেবল সেখানেই আপনারা সত্যের দেখা পাবেন, যে সত্য আপনাদের মহাসত্য ইসলামের দিকে ধাবিত করবে।
এটি কেমন রুচি? মানুষ কিভাবে কোন পশুর মুত্র পান করতে পারে? এটা কখনো ধর্ম হতে পারে না। ধর্ম তো তা, যা মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র থাকতে বলে। যেমনটা দিয়েছে ইসলাম। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন - ‘হে নবী পরিবার! আল্লাহ তো শুধু চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।’ (সুরা আহজাব, আয়াতঃ ৩৩)।
‘হে মানুষ! যা কিছু হালাল ও পবিত্র বস্তু আছে তা খাও এবং শয়তানের পথ অনুসরণ করো না নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’। (সূরা বাকারা, আয়াতঃ ১৬৮)
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤22👍8
খুনি হাসিনার ভারত-তোষণ আর দিল্লির দালালি কতটা ভয়াবহ ছিল, তার চিত্র স্পষ্ট! শেষ ১০ বছরে সীমান্তে ভারতীয় সন্ত্রাসী সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে অন্তত ৩০৫ জন বাংলাদেশিকে। আহত হয়েছে ২৮২ জন। এটাই প্রমাণ করে, খুনি হাসিনার নতজানু নীতির কারণে বাংলাদেশিরা সীমান্তে গণকবরে পরিণত হয়েছে!
২০২৪ সালেই সন্ত্রাসী বিএসএফ ২৬ জনকে হত্যা করেছে। ২০২০ সালে নিহত হয়েছে ৫১ জন, ২০১৫ সালে ৪৩ জন, ২০১৯ সালে ৪২ জন। খুনি হাসিনা কেবল ভারতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যস্ত ছিল, সীমান্তে বাংলাদেশিদের রক্ত ঝরলেও সে টু শব্দ করেনি!
এইচআরএসএস-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সন্ত্রাসী বিএসএফ ৫৭টি হামলা চালিয়েছে—যার ফলে ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন, ২৫ জন আহত হন, ৪৭ জন গুলিবিদ্ধ হন, ১৫৮ জনকে গ্রেফতার করে সন্ত্রাসীরা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত ১৫টি হামলায় আরও ৪ জন নিহত, ১০ জন আহত, ৫ জন গুলিবিদ্ধ, ১৫ জন গ্রেফতার হয়েছে।
ভারতের প্রতিশ্রুতি ছিল সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ফেলানী, স্বর্ণা দাস, শাহেদ মিয়া, আল আমিনদের মতো অসংখ্য নিরীহ বাংলাদেশির লাশ পড়ে থাকে সীমান্তে। খনি হাসিনা এসব হত্যার কোনো বিচার করেনি। বরং ভারতীয় আগ্রাসনকে প্রশ্রয় দিয়েছে!
বাংলার জনগণের উচিত এই বিশ্বাসঘাতক ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া, কারণ সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20😢5👍1
✅ যদি কোন কারণে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ায় সেহরি মিস হয়ে যায়, তাহলে এই ৫টি কাজ করতে পারেনঃ
১. বিচলিত না হয়ে শান্ত থাকুন। ফজর পড়ুন। কিছুক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত করুন।
২. "সেহরি খাওয়া হয় নাই”, “গতকাল শুধু এক বেলা খেয়েছি" এসব কথা বার বার মনে আসতে পারে। এগুলো নিয়ে একদম চিন্তা করবেন না। এই চিন্তাগুলোই আপনার সমস্ত দিনের প্রোডাক্টিভিটি মাটি করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।
৩. মনকে শক্ত করুন। সামনের দিনটি খুব প্রোডাক্টিভ কাটানোর শপথ নিন। নিজেকে অনুপ্রাণিত করুন, ঠিক যেমনটা এথলেটরা করে থাকে।
৪. নিজেকে ব্যস্ত রাখুন অথবা এমন কিছু করুন যা আপনার ভাল লাগে। সময় কেটে যাবে। সেহরি খাওয়া যে হয়নি তা ভুলেই যাবেন।
৫. আল্লাহর কাছে দুআ করুন যাতে আল্লাহ আপনাকে সমগ্র দিন ইতিবাচকভাবে কাটাতে সাহায্য করেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤16👍1
এছাড়া, তারা পশ্চিমা অপসংস্কৃতির প্রসার ও বিকৃত যৌন মতাদর্শের নরমালাইজেশনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, এটি ইসলামী ও সামাজিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি। সম্প্রতি একজন রূপান্তরকামী ব্যক্তিকে ‘অদম্য নারী’ পুরস্কার প্রদানের ঘটনাকে তারা নারীত্ব ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবমাননা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিবৃতিতে আল্লামা সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী (হাফি.), শায়েখ আহমাদুল্লাহ (হাফি.), ড. এবিএম হিজবুল্লাহ (হাফি.) সহ বিশিষ্ট আলেমরা স্বাক্ষর করেছেন। তারা সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টারও আহ্বান জানান।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍16🔥9
সিরিয়া কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (SDF)-এর সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে এসডিএফ-কে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাআ (হাফি.) এবং এসডিএফ প্রধান মাজলুম আবদি এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। সিরিয়ার কেন্দ্রীয় প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছে যে, সীমান্ত, বিমানবন্দর এবং তেল-গ্যাস ক্ষেত্রসহ সমস্ত সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠান এখন থেকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এই চুক্তির মাধ্যমে দেশজুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে, পাশাপাশি বাশার আল-আসাদের অনুগত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এসডিএফ সরকারকে সহায়তা করবে।
এতে কুর্দিদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তবে, এসডিএফ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ২০১৫ সাল থেকে স্বশাসিত থাকা এসডিএফ-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল সরাসরি দামেস্কের শাসনের অধীনে আসবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সিরিয়া থেকে প্রত্যাহার পরিকল্পনা এবং কারাবন্দি পিকেকে নেতা আবদুল্লাহ ওকালানের অস্ত্র পরিত্যাগের আহ্বান চুক্তিটি স্বাক্ষরের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤23👍3
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, পাচার করা টাকা দ্রুত ফেরাতে বিশেষ আইন করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে এই আইন প্রকাশ করা হতে পারে। সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, পাচার করা টাকা ফেরাতে অন্তর্বর্তী সরকার গত সেপ্টেম্বরে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর। আজ প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে টাকা ফেরত আনার প্রচেষ্টা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥22👍1
গাজায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে সন্ত্রাসী ইসরাইল। ইসরাইলি জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেনের আদেশে রোববার থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে বিদ্যুৎ বন্ধ করা হয়।
হামাস মুজাহিদীন এ সিদ্ধান্তকে অগ্রহণযোগ্য ব্ল্যাকমেইল বলে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গাজার জনগণকে খাদ্য, পানি ও ওষুধ থেকেও বঞ্চিত করছে সন্ত্রাসী ইসরাইল।
এদিকে, ইসরাইলি প্রতিনিধিদল যুদ্ধবিরতির আলোচনার জন্য কাতারে গেছে। আমেরিকা, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছে, তবে সন্ত্রাসী ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহারে অনীহা কারণে অগ্রগতি থমকে আছে।
এছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি হামাস মুজাহিদীনদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে, এবং আমেরিকান প্রতিনিধি জানান, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জিম্মি মুক্তির চুক্তি হতে পারে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬22👍1