বাংলাদেশে গ্রাউন্ড আর্থ স্টেশন স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম জায়ান্ট স্টারলিংকের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিশ্চিত করেছেন যে, স্টারলিংকের একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভূমি বরাদ্দ, নির্মাণ সহায়তা ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে চুক্তি হয়েছে।
স্টারলিংক প্রান্তিক অঞ্চলে, উপকূলে ও লোডশেডিংপ্রবণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিবে। আগামী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
স্টারলিংকের বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রান্তিক ও দুর্গম এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিতের মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17👍4🤬1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20💔20😢4
গত ৭ মার্চ ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে একটি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, বাইনোকুলার, ওয়াকি-টকি, হার্ডডিস্ক, ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও পাহাড়ের শান্তি রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অস্ত্রপাচার রুখতে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥25
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এটাই হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আসল রূপ—তারা শুধু মুসলিমদের আজ নিপীড়ন করছে না, বরং আগামী প্রজন্মকে আরও উগ্র, আরও ভয়ংকর মুসলিমবিদ্বেষী সন্ত্রাসী বানানোর জন্য প্রস্তুত করছে।
এই অঞ্চলের মুসলিমদের এখনই সচেতন হতে হবে—এটা কেবল ঘৃণা নয়, বরং পরিকল্পিত গণহত্যার আয়োজন! যদি তারা এখনই জাগ্রত না হয়, তবে তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপেক্ষা করছে নিপীড়ন, বঞ্চনা, এবং অস্তিত্বহীনতার ভয়ংকর পরিণতি!
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬25😢11👍2
আজ মুসলিমদের কী হলো যে, জায়নবাদী ইসরাইল প্রকাশ্যে বলছে "সিরিয়াকে অবশ্যই জর্ডানের মতো আমাদের ইশারায় চলতে হবে, যেমনটি আমরা জর্ডানের সাথে করি। আমরা জর্ডানের রাজাকে আমাদের হুকুম পালনের জন্য রাতে (যেকোনো সময়ে) জাগিয়ে তুলি।"
দখলদার ইসরাইলের এই দিবা-স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না ইনশাআল্লাহ। আহমেদ আল-শারা (হাফিঃ) নেতৃত্বে HTS মুজাহিদীনরা সন্ত্রাসী ইসরাইলকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।
দখলদার ইসরাইলের এই দিবা-স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না ইনশাআল্লাহ। আহমেদ আল-শারা (হাফিঃ) নেতৃত্বে HTS মুজাহিদীনরা সন্ত্রাসী ইসরাইলকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।
🤬32👍4😁3
গুজরাটের আহমেদাবাদে তারাবির নামাজ শেষে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলার শিকার মুসল্লী সাইয়েদ মেহেদি হুসাইনকে উল্টো গ্রেফতার করেছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ!
এটাই ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের চরিত্র— একদিকে মুসলিমদের ওপর হামলা করছে, আবার তাদেরকেই দোষী বানিয়ে গ্রেফতার করছে!
যেখানে মুসলিমদের রক্ত ঝরছে, সেখানে রাষ্ট্রই সন্ত্রাসীদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর কতদিন ভারতের মুসলিমরা এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হবে?
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬33😢5❤1
আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আমলে ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত বিচারকদের চিহ্নিত করতে আইন মন্ত্রণালয় চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
আজ রোববার সকালে আইন মন্ত্রণালয় জানায়, তারা বিচার বিভাগে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤11🔥4
ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন আমিরুল মুমিনীন শায়েখ হেবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (হাফি.)।
শুক্রবার (৭ মার্চ) পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুসলিম কমিউনিটির সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রধান বিচারপতি শায়েখ আব্দুল হাকিম শরঈ (হাফি.) তাঁর এই বার্তা তুলে ধরেন।
আমিরুল মুমিনিনের বার্তা:
ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের যে দায়-দায়িত্ব রয়েছে তা আমরা পালন করছি না। অথচ ফিলিস্তিন ইস্যুটি স্বীকৃত একটি বিষয় এবং মুসলিম জাতির সকলের বিষয়।
হে উলামা, বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজন! আপনারা জাতির শ্রেষ্ঠজন ও মুসলিম বিশ্বের বাছাইকৃত। আমি আপনাদের মহান আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, যিনি এক ও একক, কারো মুখাপেক্ষী নন, জন্ম নেননি ও কাউকে জন্ম দেননি, যার কোনো সমকক্ষ নেই, মহাশপথ করেই বলছি, আমরা কোনোদিন ফিলিস্তিন ইস্যুতে আবশ্যিক সঠিক দায়িত্ব পালন করিনি। একদিনের জন্যও নয়।
তাই আমরা মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি যিনি একক ও মহাপরাক্রমশালী। ক্ষমা চাইছি আল্লাহর মনোনীত রাসূলের নিকট এবং ফিলিস্তিনি জনগণের নিকট।
পরিশেষে সকলকে জানাই সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা। অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের তাওফিক ও সাফল্য কামনা করছি।
Courtesy : INSAF24
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍20😢14😁1
🔘 যেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় রাসূল (সাঃ)
🔴 নবীজির (সা:) হাসি - যে হাসি ছিল শান্তির সুধা
কখনো ভেবে দেখেছেন, যদি নবীজি (সা:) আমাদের সামনে থাকতেন, যদি আমরা উনার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখতাম, তাহলে কেমন লাগত? একবার কল্পনা করুন এক চাঁদের মতো উজ্জ্বল মুখ, দুই ঠোঁটের কোণে স্নিগ্ধ হাসি, সেই হাসিতে ভালোবাসার আলো ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। আমাদের প্রিয় নবীর (সা:) এর হাসি কোনো সাধারণ হাসি ছিল না, এটি ছিল একটি হৃদয়জয়ী হাসি, যা ক্লান্ত হৃদয়কে প্রশান্তি দিত, যা অশ্রুসিক্ত চোখকে স্বস্তি এনে দিত।
নবীজি (সা:) কখনো উচ্চকণ্ঠে অট্টহাসি দিতেন না, বরং উনার হাসি ছিল সংযত, শান্ত, কিন্তু হৃদয়স্পর্শী। জাবির (রা:) বলেন, "রাসূলুল্লাহ (সা:) কখনো অট্টহাসি দিতেন না; তিনি শুধু মৃদু হাসতেন। যখন তিনি হাসতেন, তখন উনার সম্মুখ দাঁতগুলো মুক্তার মতো ঝলমল করত।" - তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৩৬৪১।
শিশুদের প্রতি তো নবী মোহাম্মদ (সা:) এর ছিল আলাদা ভালোবাসা একদিন নবীজি (সা:) হাসিমুখে তার দৌহিত্র হাসান (রা:) ও হুসাইন (রা:) কে কোলে নিয়ে খেলা করছিলেন। তাদের হাসিখুশি দেখেই তিনি নিজেও আনন্দিত হতেন। আনাস (রা:) বলেন, "আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (সা:)-এর চেয়ে অধিক স্নেহশীল ব্যক্তি দেখিনি। তিনি আমাদের সঙ্গে হাসতেন, আমাদের সাথে খেলতেন, যেন আমরা তার আপন সন্তান।" - সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর: ৬০৮২।
নবীজি (সা:)-এর হাসি ছিল বিনয়ের প্রতীক, ছিল ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। আজকের সমাজে, যেখানে মানুষ সামান্য কারণে রেগে যায়, যেখানে হাসিমুখ হারিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের নবীজির (সা:) শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন একটি হাসি শুধু আনন্দের বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি একটি ইবাদত।
কখনো ভেবে দেখেছেন, যদি নবীজি (সা:) আমাদের সামনে থাকতেন, যদি আমরা উনার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখতাম, তাহলে কেমন লাগত? একবার কল্পনা করুন এক চাঁদের মতো উজ্জ্বল মুখ, দুই ঠোঁটের কোণে স্নিগ্ধ হাসি, সেই হাসিতে ভালোবাসার আলো ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। আমাদের প্রিয় নবীর (সা:) এর হাসি কোনো সাধারণ হাসি ছিল না, এটি ছিল একটি হৃদয়জয়ী হাসি, যা ক্লান্ত হৃদয়কে প্রশান্তি দিত, যা অশ্রুসিক্ত চোখকে স্বস্তি এনে দিত।
নবীজি (সা:) কখনো উচ্চকণ্ঠে অট্টহাসি দিতেন না, বরং উনার হাসি ছিল সংযত, শান্ত, কিন্তু হৃদয়স্পর্শী। জাবির (রা:) বলেন, "রাসূলুল্লাহ (সা:) কখনো অট্টহাসি দিতেন না; তিনি শুধু মৃদু হাসতেন। যখন তিনি হাসতেন, তখন উনার সম্মুখ দাঁতগুলো মুক্তার মতো ঝলমল করত।" - তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৩৬৪১।
শিশুদের প্রতি তো নবী মোহাম্মদ (সা:) এর ছিল আলাদা ভালোবাসা একদিন নবীজি (সা:) হাসিমুখে তার দৌহিত্র হাসান (রা:) ও হুসাইন (রা:) কে কোলে নিয়ে খেলা করছিলেন। তাদের হাসিখুশি দেখেই তিনি নিজেও আনন্দিত হতেন। আনাস (রা:) বলেন, "আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (সা:)-এর চেয়ে অধিক স্নেহশীল ব্যক্তি দেখিনি। তিনি আমাদের সঙ্গে হাসতেন, আমাদের সাথে খেলতেন, যেন আমরা তার আপন সন্তান।" - সহিহ বুখারি, হাদিস নম্বর: ৬০৮২।
নবীজি (সা:)-এর হাসি ছিল বিনয়ের প্রতীক, ছিল ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। আজকের সমাজে, যেখানে মানুষ সামান্য কারণে রেগে যায়, যেখানে হাসিমুখ হারিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের নবীজির (সা:) শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন একটি হাসি শুধু আনন্দের বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি একটি ইবাদত।
আমরা কি পারি না নবীজির (সা:) দেখানো সেই স্নিগ্ধ হাসিকে আমাদের জীবনে ফিরিয়ে আনতে? পারি না কি মানুষের প্রতি একটু সহমর্মিতা দেখাতে? পবিত্র মাহে রামাদানে নবীজির (সা:) সেই হাসির উজ্জ্বলতা আমাদের হৃদয়ে জাগ্রত হোক, আমাদের জীবনে বরকত বয়ে আনুক।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤24👍1
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কুয়েতকে বাংলাদেশে তেল শোধনাগার নির্মাণ ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ রবিবার (৯ মার্চ) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কুয়েতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আলি তুনিয়ান আবদুল ওয়াহাব হামাদাহর সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤26
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৯
সূরা হুদ, আয়াত ৬ থেকে ১২৩
✅ সকল মাখলুকের রিযিক আল্লাহ দিয়ে থাকেন। দুনিয়ার জীবনকে পরীক্ষা হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। আখিরাত নিয়ে ঠাট্টাকারীদের উপর আচমকা আযাব চলে এলে তারা বিপদে পড়বে। আল্লাহ মানুষকে বিপদ দিলে তারা হতাশ হয়ে পড়ে, আবার নিয়ামাত দিলে অহংকার করে। যারা এমনটা না করে ধৈর্য ধরে ও নেক আমল করে, তারাই আল্লাহর কাছে প্রতিদানের যোগ্য।
✅ মুশরিকরা রাসূল (সাঃ)-কে কখনও বলতো মূর্তির সমালোচনা বাদ দিয়ে বাকি কুরআন পড়তে, কখনো বলতো তাঁর সাথে সাথে ফেরেশতা ঘোরাফেরা করে না কেন। কখনো বলতো এটা তাঁর (সাঃ) নিজের রচনা। তাদেরকে সকলে মিলে কুরআনের অনুরূপ দশটি সূরা তৈরি করে আনতে বলা হয় (পরবর্তীতে নাযিলকৃত আয়াত ২:২৩ ও ১০:৩৮ এ সহজ করে একটি সূরা বানাতে বলা হয়)। এখানে উল্লেখ্য, সমসাময়িক সাহিত্যে পারদর্শী আরব মুশরিকরা এরকম গূঢ়ার্থপূর্ণ ও সাহিত্যমানের জিনিস তৈরির চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সাহস করেনি। বর্তমানে অনুবাদ পড়া ইসলামবিদ্বেষীরা অর্থহীন ও সাহিত্যমাধুর্যহীন লাইন তৈরি করে দাবি করে তারা চ্যালেঞ্জে জিতে গেছে।
✅ আখিরাত অবিশ্বাসীরা তাদের সব ভালো কাজের প্রতিদান দুনিয়ায়ই পেয়ে যাবে। আখিরাতে তাদের মিথ্যা উপাস্যরা তাদের বাঁচাতে আসবে না। আর মুমিনগণ থাকবেন জান্নাতে। উভয় দলের উপমা যথাক্রমে অন্ধ-বধির এবং দৃষ্টিমান-শ্রুতিবানের মতো। তারপর বিভিন্ন নবীর কাহিনী বর্ণনা শুরু হয়। একজন নিরক্ষর আরবের মুখে আসমানী কিতাবের এসকল কাহিনীর নির্ভুল বর্ণনাও তাঁর নবুওয়াতের প্রমাণ।
✅ নূহ (আঃ) তাওহীদের দাওয়াত দিলে কাফির নেতারা তাঁকে অমান্য করে। মক্কার মুশরিকরা যেসব প্রশ্ন তুলতো, সেসব প্রশ্ন তারাও করে। তাদের সকলেরই প্রশ্ন ছিলো নবীকে সমাজের দুর্বল লোকেরাই কেবল অনুসরণ করে কেন আর নবীর সাথে আসমান জমিনের ধনভাণ্ডার থাকে না কেন। নূহ (আঃ) জবাব দেন দুনিয়াবি দৃষ্টিতে দুর্বল এসব লোকের মাঝে আল্লাহ ভালো কিছু দেখলে আমরা আপত্তি করার কে? আর নবী অর্থ এই না যে তিনি কোনো সুপারপাওয়ারধারী ফেরেশতা হবেন, নবী তো কেবল আল্লাহর বার্তাবাহক। তিনি এ কাজের জন্য কোনো পার্থিব পারিশ্রমিকও দাবি করেন না।
আল্লাহর নির্দেশে নূহ (আঃ) নৌকা তৈরি করতে শুরু করলে কাফিররা উপহাস শুরু করে। অবশেষে প্রতিশ্রুত আযাব চলে আসে। নৌকায় আরোহণ করা মুমিন এবং অন্যান্য জোড়া জোড়া জীব ছাড়া সবাই ধ্বংস হয়। নূহ (আঃ) এর এক ছেলেও নৌকায় উঠতে অস্বীকার করে মারা যায়। আল্লাহ ওয়াদা করেছিলেন নূহের পরিবারকে তিনি বাঁচাবেন। নূহ (আঃ) এই দুটি ঘটনার সামঞ্জস্য ধরতে পারছিলেন না। আল্লাহ জানিয়ে দিলেন সেই ছেলে নূহের পরিবারের কেউ নয়, কারণ সে কুফরি করেছে।আদ জাতির কাছে সেই জাতিরই একজন হুদ (আঃ)-কে নবী করে পাঠানো হয়। হুদ (আঃ) তাওহীদে বিশ্বাস ও অহংকার ত্যাগ করার দাওয়াত দেন। তাহলে আল্লাহ তাদের প্রতিপত্তি আরো বাড়িয়ে দিবেন। এখানেও কাফির নেতাদের সাথে হুদ (আঃ) এর বাদানুবাদ হয়। কাফিররা বলে তাদের কোনো উপাস্যের অভিশাপেই হুদ (আঃ) এমন হয়ে গেছেন (না'উযুবিল্লাহ)। অতঃপর আযাবের নির্ধারিত দিন এলে মুমিনগণ ছাড়া আদ জাতি সমূলে ধ্বংস হয়।
✅ সামূদ জাতির কাছে সেই জাতিরই সালিহ (আঃ) কে নবী বানিয়ে পাঠানো হয়। তাঁর দাওয়াত শুনে কাফিররা বলে, তোমাকে নিয়ে আমাদের বড় আশা ছিলো অথচ তুমি আমাদেরকে বলছো বাপদাদাদের উপাস্যগুলো ত্যাগ করতে! অর্থাৎ সালিহ (আঃ)-কেও তারা নবুওয়াতের আগে অনেক সম্মান করতো, যেমনটা মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে মক্কার লোকেরা করতো। সামূদ জাতির কাছে মুজিযাস্বরূপ পাহাড় থেকে উটনী বের করে দেখানো হয়। তারা আপাতত নিবৃত হলে তাদের বলা হয় উটনীর কোনো ক্ষতি না করতে। কিন্তু উটনীকে পানি পান করানোর জন্য তাদের কিছুটা টান পড়তো বলে কতিপয় দুষ্ট লোক উটনীটি হত্যা করে। তিনদিন পর প্রচণ্ড শব্দের আকারে আযাব আসে। মুমিনগণ ছাড়া সামুদ জাতির সবাই এমনভাবে ধ্বংস হয়, যেন তারা সেখানে কোনোদিন বসবাসই করেনি।
✅ ইবরাহীম (আঃ) এর নিকট মানুষের রূপ ধরে কতিপয় ফেরেশতা আসেন। তাঁরা লূত (আঃ) এর কওম সাদ্দুমের জন্য আযাব নিয়ে নাযিল হয়েছেন বলে জানান। সারা (আঃ) তা শুনে আনন্দে হেসে দেন। তাঁদেরকে পুত্র ইসহাক (আঃ) ও নাতি ইয়াকুবের (আঃ) জন্মের আগাম সুসংবাদ দেওয়া হয়। সারা (আঃ) এই বৃদ্ধ বয়সে সন্তান হওয়ার খবর শুনে বিস্মিত হন। ফেরেশতাগণ জানান এটাই আল্লাহর হুকুম। ইবরাহীম (আঃ) তাঁর নরম দিলের কারণে সাদ্দুম নগরে এখনই আযাব না দেওয়ার ব্যাপারে অনুযোগ করেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত সময় চলে আসায় আযাব নিশ্চিত হয়ে গেছে।
❤13
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৯ সূরা হুদ, আয়াত ৬ থেকে ১২৩ ✅ সকল মাখলুকের রিযিক আল্লাহ দিয়ে থাকেন। দুনিয়ার জীবনকে পরীক্ষা হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে। আখিরাত নিয়ে ঠাট্টাকারীদের উপর আচমকা আযাব চলে এলে তারা বিপদে পড়বে। আল্লাহ মানুষকে বিপদ দিলে তারা হতাশ হয়ে পড়ে, আবার নিয়ামাত…
✅ লূত (আঃ) এর কাছে ফিরিশতাগণ সুদর্শন পুরুষ মেহমানরূপে এসেছিলেন। সাদ্দুমের লোকেরা মুশরিক হওয়ার পাশাপাশি পৃথিবীর প্রথম সমকামী জাতি ছিলো। লূত (আঃ) তাঁর মেহমানদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কওমের লোকেরা খবর পেয়ে লূত (আঃ)-কে এসে হুমকি দিতে থাকে মেহমানদের তাদের হাতে তুলে দিতে।
✅ ফেরেশতারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করে ভোরবেলা আযাব আসার কথা বলেন। আর বলেন যে সেসব লোক কখনও তাঁর নিকট পৌঁছতে পারবে না। ভোরবেলা লূত (আঃ) সপরিবারে নগরী ছেড়ে চলে যান। তাঁর পরিবারের মাঝে শুধু তাঁর স্ত্রী আযাবে পাকড়াও হয়, কারণ সে ওইসকল পাপাচারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলো। সাদ্দুমের কওমকে আযাব হিসেবে ভূমিসহ উল্টে ফেলা হয় এবং আসমান থেকে পাথর বর্ষণ করে ধ্বংস করা হয়।
মূসা (আঃ) যখন ফিরআউন ও তার অমাত্যদের দাওয়াত দেন তখন ফিরআউনের মতো তার অমাত্যরাও ভ্রান্তির উপর অটল থাকে। আখিরাতেও জাহান্নামে যাওয়ার সময় ফিরআউন তাদের নেতৃত্বে থাকবে। এভাবে পূর্বের নবী ও জাতিসমূহের বর্ণনা করা হয়েছে যা মুমিনদের জন্য শিক্ষাস্বরূপ। এসব জনপদের মাঝে কিছু জায়গায় এখনো লোক বসবাস করে, আর কিছু এমনভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত যে আর কখনো লোক বাস করেনি। নবী (সাঃ) ও মুমিনদের সালাত পড়ার ও নেককাজ করার হুকুম করা হয়।
✅ ফেরেশতারা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করে ভোরবেলা আযাব আসার কথা বলেন। আর বলেন যে সেসব লোক কখনও তাঁর নিকট পৌঁছতে পারবে না। ভোরবেলা লূত (আঃ) সপরিবারে নগরী ছেড়ে চলে যান। তাঁর পরিবারের মাঝে শুধু তাঁর স্ত্রী আযাবে পাকড়াও হয়, কারণ সে ওইসকল পাপাচারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলো। সাদ্দুমের কওমকে আযাব হিসেবে ভূমিসহ উল্টে ফেলা হয় এবং আসমান থেকে পাথর বর্ষণ করে ধ্বংস করা হয়।
মাদইয়ানের লোকেরা শির্ক করতো। এছাড়া পথেঘাটে চৌকি বসিয়ে অন্যায়ভাবে পথিকদের থেকে টোল নিতো বা লুটতরাহ করতো। শুআইব (আঃ) তাদের এসব ছেড়ে দিতে বলেন। হালালভাবে যা রিযিক অবশিষ্ট থাকবে, তাই যথেষ্ট। কাফিররা বলে, হে শুআইব! তোমার ধর্ম কি আমাদের বাপদাদার ধর্ম পালনে আর ব্যবসাবাণিজ্যে বাধা দিতে বলে? তোমার খান্দান এ প্রতিপত্তিশীল না হলে তোমাকে আমরা হত্যা করতাম (মুহাম্মাদ সাঃ-কেও তাঁর বংশ ও আত্মীয়দের ক্ষমতার ভয়ে মুশরিকরা ক্ষতি করার সাহস পেতো না) । শুআইব (আঃ) আফসোস করেন যে, আল্লাহর ভয়ের চেয়ে আমার বংশের ভয়ই কি বেশি হয়ে গেলো! অবশেষে সামূদ জাতির মতো আযাবে মাদইয়ানের কাফিররা ধ্বংস হয়।
মূসা (আঃ) যখন ফিরআউন ও তার অমাত্যদের দাওয়াত দেন তখন ফিরআউনের মতো তার অমাত্যরাও ভ্রান্তির উপর অটল থাকে। আখিরাতেও জাহান্নামে যাওয়ার সময় ফিরআউন তাদের নেতৃত্বে থাকবে। এভাবে পূর্বের নবী ও জাতিসমূহের বর্ণনা করা হয়েছে যা মুমিনদের জন্য শিক্ষাস্বরূপ। এসব জনপদের মাঝে কিছু জায়গায় এখনো লোক বসবাস করে, আর কিছু এমনভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত যে আর কখনো লোক বাস করেনি। নবী (সাঃ) ও মুমিনদের সালাত পড়ার ও নেককাজ করার হুকুম করা হয়।
❤14
Islam Insight
✅ লূত (আঃ) এর কাছে ফিরিশতাগণ সুদর্শন পুরুষ মেহমানরূপে এসেছিলেন। সাদ্দুমের লোকেরা মুশরিক হওয়ার পাশাপাশি পৃথিবীর প্রথম সমকামী জাতি ছিলো। লূত (আঃ) তাঁর মেহমানদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কওমের লোকেরা খবর পেয়ে লূত (আঃ)-কে এসে হুমকি দিতে থাকে মেহমানদের…
✅ সূরা ইউসুফ প্রায় পুরোটাই ইউসুফ (আঃ) এর ঘটনা। বনী ইসরাইল কীভাবে শাম থেকে মিসরে গিয়ে বসবাস শুরু করলো, তা এখান থেকে জানা যায়। ইউসুফ (আঃ) এর পিতা ইয়াকুব (আঃ) এর অপর নাম ইসরাইল, তাঁর পিতা ইসহাক (আঃ), তাঁর পিতা ইবরাহীম (আঃ)। ইয়াকুব (আঃ) এর এক স্ত্রী হতে দশ সন্তান, অপর স্ত্রী হতে দুই সন্তান (ইউসুফ ও বিন ইয়ামীন) ছিলো। এই বারোজন থেকে পরে বনী ইসরাইলের বারোটি গোত্র হয়।
ইউসুফ (আঃ) স্বপ্নে দেখেন এগারটি নক্ষত্র এবং চাঁদ ও সূর্য তাঁকে সিজদা করছে। ইয়াকুব (আঃ) এই স্বপ্নের কথা জানালে তিনি তা গোপন রাখতে বলেন এবং ভবিষ্যতে যে ইউসুফ (আঃ) নবী হবেন তার ইঙ্গিত দেন। সেই দশজন সৎভাই ইউসুফ ও বিন ইয়ামীনের প্রতি তাদের পিতার ভালোবাসা দেখে হিংসা করতো। অথচ তারা বড় দল (বড় পরিবার মানে নিরাপত্তা ও আয়ের নিশ্চিততর উৎস, তাই তাদের আশা ছিলো তারাই পিতার ভালোবাসার অধিক যোগ্য)। একদিন তারা ইউসুফ (আঃ)-কে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে পরিকল্পনা পাল্টে কুয়োয় ফেলে দিতে মনস্থির করে।
তারা ইয়াকুব (আঃ) এর কাছে গিয়ে খেলাধুলার কথা বলে ইউসুফ (আঃ)-কে নিয়ে যেতে চায়। ইয়াকুব (আঃ) বলেন তাদের অসাবধানতায় নেকড়ে ইউসুফকে (আঃ) খেয়ে ফেলার ভয় করেন। ছেলেরা তাঁকে আশ্বস্ত করে জোর করে নিয়ে যায়। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তারা ইউসুফের জামায় নকল রক্ত মাখিয়ে কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসে। বলে যে তারা ইউসুফকে মালপত্র হেফাজতের দায়িত্বে রেখে দৌড় প্রতিযোগিতা করার সময় নেকড়ে ইউসুফকে খেয়ে ফেলে। ইয়াকুব (আঃ) তাদের মিথ্যাচার বুঝতে পেরেও সবর করেন। এদিকে ইউসুফ (আঃ)-কে আল্লাহ দৃঢ় রাখেন, কুয়োর ভেতর তাঁকে জীবিত রাখেন। কোনো এক কাফেলা পানি তুলতে বালতি ফেললে তিনি তাতে করে উঠে আসেন। তাঁকে দাস হিসেবে স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করে দেয়। মিশরের অর্থমন্ত্রী (উপাধি 'আযীয) তাঁকে ক্রয় করে ঘরে রাখেন এবং নিজের স্ত্রীকেও তাঁর ভালো রক্ষণাবেক্ষণ করতে বলেন।
✅ একসময় আযীযের স্ত্রী ইউসুফকে মন্দ কাজে আহ্বান করে। ইউসুফ (আঃ) এর মনেও মানবীয় দুর্বলতা আসার উপক্রম হলেও আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করেন। তিনি দরজার দিকে দৌড় দিলে আযীযের স্ত্রী তাঁকে ধরতে গিয়ে তাঁর জামা পেছন থেকে ছিঁড়ে ফেলে। এমন সময় আযীয চলে আসেন। আযীযের স্ত্রী ইউসুফের বিরুদ্ধে খারাপ কাজের অভিযোগ করে ভিক্টিম প্লে করতে থাকে।
ইউসুফের (আঃ) জামা সামনে থেকে ছে্ড়া থাকলে বোঝা যেত তিনিই মন্দ কাজে আগে অগ্রসর হয়েছেন, নারীটি বাধা দিতে গিয়ে জামা ছিঁড়েছে। কিন্তু পেছনদিকে ছেঁড়া থাকায় আসল দোষী প্রকাশ পেয়ে যায়। আযীয ইউসুফের কাছে ক্ষমা চেয়ে স্ত্রীকে সাবধান করে পুরো বিষয় গোপন রাখতে চান।
✅ এদিকে ঘটনা চাউর হয়ে শহরের সম্ভ্রান্ত নারীদের মাঝে কানাকানি শুরু হয় যে আযীযের স্ত্রী তার দাসের প্রেমে পড়েছে। সে তা জানতে পেরে তাদের দাওয়াত করে ইউসুফকে কৌশলে সামনে আনায়। তাঁর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সেসব নারী ফল কাটতে গিয়ে নিজেদের হাত কেটে ফেলে। আযীযের স্ত্রী বলে এজন্যই সে তাঁকে ফুসলানোর চেষ্টা করেছিলো। প্রত্যাখ্যান করার অপরাধে তাঁকে কারাগারে যেতে হবে।
ইউসুফ (আঃ) দুআ করেন এই গুনাহের পরিবেশের চেয়ে কারাগারই তাঁর অধিক প্রিয়। অবশেষে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে তাঁকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। তাঁর সাথে আরো দুজন বন্দী ছিলো। তাঁরা ইউসুফের সুন্দর স্বভাব দেখে তাঁর কাছে নিজেদের দুটি স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চায়। তিনি এ সুযোগে তাদেরকে তাওহীদের দাওয়াত দেন। তারপর স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানান যে তাদের একজন মুক্তি পেয়ে রাজার মদপরিবেশনকারীর চাকরি পাবে, আরেকজন মৃত্যুদণ্ড পাবে। যে মুক্তি পাবে সে যেন রাজার কাছে ইউসুফের জন্য সুপারিশ করে, এ কথা বলে দেন। কিন্তু সে মুক্তি পাওয়ার পর সে কথা ভুলে যায়। ফলে ইউসুফ (আঃ) আরো কয়েক বছর কারাগারে থাকেন।
✅ রাজা এক অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে পরিষদবর্গের কাছে এর ব্যাখ্যা জানতে চান। তারা বলে এটা অর্থহীন। অার তাদের তো স্বপ্নের ব্যাখ্যার জ্ঞানও নেই। তখন মদপরিবেশনকারীর ইউসুফের (আঃ) কথা মনে পড়ে। তাকে পাঠানো হলে সে ইউসুফ (আঃ) এর কাছে হুবহু স্বপ্নের কথা তুলে ধরে। ইউসুফ (আঃ) আসন্ন সাত বছরের প্রাচুর্য ও পরের সাত বছরের দুর্ভিক্ষ এবং তা মোকাবেলার উপায় বলে দেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤19👍1
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে সতিশ রায় নামের এক ভারতীয় সন্ত্রাসীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। গতকাল শনিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,সতিশ রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে।এরপর থেকে তিনি তেঁতুলিয়া উপজেলার মাঝিপাড়া এলাকায় দিনমজুরের কাজ করছিলেন।শনিবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মাঝিপাড়া টয়াগছ এলাকার রমজান আলীর বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥21
আজকাল বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের মুসলিমদের মধ্যে এক অদ্ভুত প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পূজামণ্ডপে যাওয়া, তাতে অংশ নেওয়া, এমনকি প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার মতো কাজ করছে। কেউ বলছে, এটি সংস্কৃতি, কেউ বলছে, সম্প্রীতি। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এই কাজের অবস্থান কোথায়? আমরা কি ভুলে গেছি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত বিষয় শিরক?
পূজামণ্ডপ মানেই শিরকের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে প্রতিমার সামনে যাওয়া, পূজার আয়োজনের অংশ হওয়া বা তা উপভোগ করাও একপ্রকার সমর্থন। কুরআন হাদিসে স্পষ্টভাবে মুসলিমদের শিরকের স্থান থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : "তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিন প্রবেশ করো না, কারণ সেই সময় আল্লাহর গযব নাযিল হয়।"_( বায়হাক্বী: ১/৭২৩-৭২৪)।
রাসুলুল্লাহ ﷺ কখনো কোনো মুশরিক জাতির উপাসনালয়ে যাননি, তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি বরং তাদের শিরকের বিরুদ্ধে বারবার হুঁশিয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন:
"যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুকরণ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।" (আবু দাউদ: ৪০৩১)।
তাহলে মুসলিমরা যখন পূজামণ্ডপে গিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় আচার অনুসরণ করে, তখন তারা কার দলে চলে যাচ্ছে? আমরা কি মুসলমান হিসেবে নিজেদের পরিচয় হারাতে বসেছি?
নাকি আমরা শয়তানের ধোঁকায় পরে গিয়েছি এবং নিজের মনকে বুঝ দিচ্ছি এই বলে যে: "শুধু দেখতেই তো গেছি!" কিন্তু ইসলামে শিরকের পরিবেশে উপস্থিত থাকাও নিষিদ্ধ।
আল্লাহ তাআলা বলেন: "যখন তুমি শুনবে, তারা আল্লাহর আয়াত নিয়ে বিদ্রুপ করছে, তখন তুমি তাদের সাথে বসবে না, যতক্ষণ না তারা অন্য কথায় প্রবৃত্ত হয়। যদি বসে থাক, তাহলে তুমি তাদেরই একজন হবে।"_ (সূরা আন-নিসা: ১৪০)
যেখানে শিরক হচ্ছে, সেখানে থাকা মানেই তা সমর্থন করা। আমাদের কি মনে নেই, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হলো শিরক? "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরককে ক্ষমা করেন না। কিন্তু যাকে ইচ্ছা তিনি অন্য পাপ ক্ষমা করেন।"_ (সূরা আন-নিসা: ৪৮)
বাংলাদেশের মুসলমানদের উচিত এব্যাপারে গভীর চিন্তা-ভাবনা করা। সেইসাথে হিন্দুত্ববাদী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢22👍4