আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৮
সূরা তাওবাহ, আয়াত ৯৩ থেকে ১২৯
✅ মুসলিমরা তাবুক যুদ্ধ থেকে ফেরার পর যে মুনাফিকরা নিজেদের না যাওয়ার ব্যাপারে কসম করে ওজর পেশ করবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিমদের বলা হয় তাদেরকে বাহ্যিকভাবে উপেক্ষা করতে, যদিও আল্লাহ ঠিকই তাদের উপর ক্রোধান্বিত।
✅ মদীনাবাসী এবং শহরতলীর বেদুইন উভয় শ্রেণীর লোকের মাঝেই মুনাফিক এবং সাচ্চা মুমিন আছে। এদের পার্থক্য বর্ণনা করা হয়। মদীনার এক খ্রিষ্টান পালিয়ে গিয়ে রোম থেকে মদীনা আক্রমণের পরিকল্পনা করছিলো। তার সাহায্যার্থে মুনাফিকরা মসজিদের নাম দিয়ে একটি ইমারত তৈরি করে যা গোপন সলাপরামর্শ ও অস্ত্র মজুদের ঘাঁটি হিসেবে কাজ করবে। রাসূলকে (সাঃ) তারা বলে দুর্বল লোকদের কষ্ট কমাতে এটি তৈরি হয়েছে। তাঁকে অনুরোধ করে একদিন সেখানে নামাজ পড়াতে। তাবুকে যাওয়ার কথা বলে রাসূল (সাঃ) তা আপাতত এড়িয়ে যান। তাবুক থেকে ফেরার পথে এই ইমারতের গোমর ফাঁস করে আয়াত নাযিল হয়। পরে তা ধ্বংস করা হয়।
আলসেমি ইত্যাদি কারণে জনাদশেক সাচ্চা সাহাবা তাবুক যুদ্ধে যেতে পারেননি। তাঁরা অত্যন্ত অনুতপ্ত হন। সাতজনের ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে ক্ষমা ঘোষণা করে আয়াত নাযিল হয়, কাফফারা হিসেবে তাঁরা যে সাদকা করেন, তা গ্রহণ করতে বলা হয়।
তিনজনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত মুলতবি রাখা হয়। পুরো মুসলিম সমাজ ৪০ দিন যাবত তাঁদের বয়কট করে রাখে। এরপর তাঁদের স্ত্রীদেরও তাঁদের থেকে আলাদা থাকতে বলা হয়। তাঁদের একজন কা'ব বিন মালিক (রাঃ) এর এ ঘটনার বিস্তারিত একটি হৃদয়ছেঁড়া বর্ণনা আছে, যা তাফসির ও সীরাত গ্রন্থগুলোতে আছে। এ সময়ের মাঝে তাঁদের কাছে বহিঃশত্রুদের থেকে লোভনীয় প্রস্তাবও আসে। তাঁরা সেসব চিঠি পুড়িয়ে ফেলেন। তাঁরাও নিজেদের বিশ্বস্ততা ধরে রাখেন, মুসলিম সমাজও মনে মনে চায় আল্লাহ যেন তাঁদের মাফ করেন। ৫০ দিনের মাথায় তাঁদের ক্ষমার সুসংবাদ নিয়ে আয়াত নাযিল হয়।
✅ কাফির অবস্থায় মারা যাওয়া আত্মীয় স্বজনের জন্যও দুআ করা নিষিদ্ধ করে আয়াত নাযিল হয়। ইবরাহীম (আঃ) যদিও তাঁর মুশরিক পিতার জন্য দুআ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে যখন প্রকাশ হয়ে যায় তাঁর পিতা আল্লাহর শত্রু, তখন তিনি দুআ করা থেকে বিরত হন।
✅ জিহাদের বিভিন্ন ফজিলত বর্ণিত হয়। মুজাহিদীন যত ক্ষুদা, তেষ্টা, কষ্ট ভোগ করেন, যত রাস্তা পার হন, যত পরিকল্পনা করেন, যত শত্রু হত্যা করেন, সব কিছুর জন্য সাওয়াব পান। আল্লাহর কাছে জান্নাতের বিনিময়ে জানমাল বিক্রয়কারী লোকদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয় তাঁরা আল্লাহর রাস্তায় শত্রুদের মারেন ও নিজেরা মরেন, তাওবাকারী, ইবাদতগুজার, রোজাদার, নামাজি, সৎ কাজের আদেশদাতা, মন্দ কাজের বাধাদানকারী। ফরজে কিফায়া জিহাদের ক্ষেত্রে সকলে একত্রে জিহাদে না গিয়ে একদল মানুষ ইল্ম চর্চায় রত থাকার নির্দেশ করা হয়।
❤14👍2
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৮ সূরা তাওবাহ, আয়াত ৯৩ থেকে ১২৯ ✅ মুসলিমরা তাবুক যুদ্ধ থেকে ফেরার পর যে মুনাফিকরা নিজেদের না যাওয়ার ব্যাপারে কসম করে ওজর পেশ করবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিমদের বলা হয় তাদেরকে বাহ্যিকভাবে উপেক্ষা করতে, যদিও আল্লাহ ঠিকই তাদের উপর ক্রোধান্বিত।…
✅ সূরা ইউনুসে অন্যান্য মাক্কী সূরাসমূহের মতোই মূলত তাওহীদ, রিসালাত, আখিরাত নিয়ে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ প্রথমবার সকল মাখলুক সৃষ্টি করেছেন, দ্বিতীয়বারও তিনি তা করতে সক্ষম। আল্লাহর সৃষ্টজগতের বিভিন্ন নিদর্শনাদি বর্ণনা করে তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে বলা হয়। এসব নিদর্শনের ব্যাপারে উদাসীন কাফিরদের জন্য আছে জাহন্নাম। আর এসব সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে চিন্তাভাবনাকারীরা বিশুদ্ধ তাওহীদে ঈমান আনার কারণে জান্নাতে যাবে।
✅ মুহাম্মাদ (সাঃ) নবুওয়াতের মিথ্যা দাবি করছেন বলে যারা দাবি করতো, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয় যে তিনি তো চল্লিশ বছর তাদের মাঝেই বসবাস চলাফেরা করেছেন। তাঁর সত্যবাদিতার ব্যাপারে তারা নিজেরাই সাক্ষী। মানুষের উপর ভ্রমণ বা অন্য কোনো অবস্থায় বিপদআপদ আপতিত হলে তারা শুয়ে, বসে, দাঁড়িয়ে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ডাকে। আর বিপদ সরে গেলে এমন ভাব করে যেন আল্লাহকে তাদের কোনো দরকারই নেই।
✅ মুশরিকরাও বিশ্বাস করতো এ জগতের সৃষ্টিতে দেবদেবীর কোনো হাত নেই, আল্লাহই সব করেছেন। তারপরও ইবাদাত করার সময় ঠিকই তারা মনগড়া উপাস্যকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত বা সুপারিশকারী ভেবে পূজা করা শুরু করে। দুনিয়ার উপমা দেখানো হয় ফসলের ক্ষেত্রের মতো, যাকে উর্বর দেখে মানুষ নিশ্চিন্ত হয়ে এটাকেই সব ভেবে বসে থাকে। তারপর হঠাৎ কোনো এক দুর্যোগ এসে সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। দুনিয়াটাও এভাবে হঠাৎ কিয়ামাত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। সবাই নিজ নিজ কাজ অনুযায়ী আখিরাতে বদলা পাবে।
✅ কাফিররা তাদের মিথ্যা উপাস্যগুলোর কাছ থেকে কোনো সাহায্যই পাবে না। এসবকে তারা অনুমানের ভিত্তিতে বিশ্বাস করতো অথচ সত্যের বিপরীতে অনুমান কোনো কাজে আসে না। কাফিরদের ঠাট্টা উপহাসের বিপরীতে মুমিনদের সান্ত্বনা দিয়ে আখিরাতের প্রতিদানের কথা জানানো হয়েছে। কুরআনকে রোগের উপশম ও হিদায়াত আখ্যায়িত করা হয়েছে।
✅ প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী রাসূল এসেছেন সত্য জানাতে। যখন তারা সীমালঙ্ঘন করেছে, তখন যথোচিতভাবেই নির্ধারিত সময়ে তাদের উপর আযাব এসেছে। কারো উপর যুলুম করা হয়নি। এভাবে এক জাতিকে ধ্বংস করে অন্য জাতিকে আনা হয় পরীক্ষা করার জন্য। আজ যারা জমিনে আছে, তারাও এই সিলসিলারই অংশ।
✅ নূহ ও মূসা আলাইহুমাসসালাম এর কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁদের যুগেও অনেকে নবীগণের সুস্পষ্ট নিদর্শন দেখেও ঈমান আনেনি। কাফিরদের পক্ষ থেকে নির্যাতনের ভয় থাকা সত্ত্বেও কিছু লোক ঈমান এনেছিলো। আল্লাহ কাফিরদের ধ্বংস করে মুমিনদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছেন। আযাব চলে আসার পর তা দেখে ফিরআউন ঈমান আনার ঘোষণা দেয়। কিন্তু আল্লাহ তা আর কবুল করেননি। ইউনুস (আঃ) এর কওম অবশ্য ব্যতিক্রম। তারা আযাবের লক্ষণ দেখে অনুতপ্ত হয়ে ঈমান আনে। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে আযাব হটিয়ে দেন।
✅ এসব কাহিনী বর্ণনা করে মুশরিকদের ঈমান আনতে আহ্বান করা হয়। কারণ তারা যে বারবার প্রতিশ্রুত আযাব এনে দেখাতে চ্যালেঞ্জ করছে, সেই আযাব চলে আসলে তাদের আর ঈমান আনার সুযোগ হবে না।
রাসূল (সাঃ) চাইলেই কাউকে জোর করে ঈমান আনাতে পারবেন না। মুসলিমরা তো নিজ কল্যাণের জন্যই আল্লাহর দ্বীনের অনুসরণ করবে। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নিলো, শির্ক করলো, তারা নিজেদেরই ক্ষতি করলো।
✅ সূরা হুদে পূর্বেকার বিভিন্ন নবীর কওমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদাত না করার দাওয়াত দিতে এই নবীগণ জান্নাতের সুসংবাদদাতা ও জাহান্নামের ব্যাপারে সতর্ককারী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। যারা তাঁদের অমান্য করবে, তারা কিয়ামাতের দিন ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হবে। কাফিররা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মুখে এসব কথা শুনলে মুখে কাপড় জড়িয়ে এমনভাবে সরে যেতো যেন আল্লাহকে ফাঁকি দিতে চাইছে, অথচ আল্লাহ গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছুর ব্যাপারে অবগত।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤14👍1
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজ্জার জনগণকে হুমকি দিয়েছিলেন যে, যদি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া না হয়, তাহলে গাজ্জায় নরকীয় কাণ্ড ঘটাবেন। কিন্তু ট্রাম্পের এমন হুমকিকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না গাজ্জাবাসী। তারা বলছেন, আমাদের নতুন করে হারানোর কিছু নেই।
আমি এসব হুমকিকে ভয় পাই না। কারণ গাজ্জার অনেক মানুষের মতো আমিও বিশ্বাস করি- আমার হারানোর কিছুই নেই। তিনি বলেন, আগে পোশাক ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার একটি বড় দোকান, ছয়তলা একটি ভবন, একটি গাড়ি, এবং গাজ্জা সিটির তেল আল-হাওয়ায় স্টক রাখার জন্য গুদাম ছিল। বছরের পর বছরের কঠোর পরিশ্রম এসব করেছিলাম। এখন ধ্বংস হয়ে গেছে, যুদ্ধ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। যেদিকেই তাকাই, কেবল ধ্বংস, ধ্বংসাবশেষ আর দুর্দশা। আমাদের শোক করার মতো আর কিছু বাকি আছে কি? আমি এখন শিশুদের জন্য ক্যান্ডি ও স্ন্যাকস বিক্রি করি।
ট্রাম্পের হুমকিগুলো একটি মানসিক যুদ্ধের অংশ; যার উদ্দেশ্য গাজ্জার মানুষকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমরা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। না আছে ইন্টারনেট, না বিদ্যুৎ, না কোনো যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিবারই একটা নতুন পরিকল্পনা আসে– কখনো বলে গাজ্জার মানুষকে জোর করে সরিয়ে দেবে, কখনো বলে সন্ত্রাসী ইসরাইল পুরো গাজ্জা দখল নেবে। আর এখন তারা পুরো গাজ্জার জনগণকে বন্দিদের কারণে হুমকি দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের কোনো মূল্য নেই। আমার মনে হয়, সে শুধু হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এসব হুমকি দিচ্ছে। তাদের যা করার বাকি, তা হলো আমাদের সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥24😢5
✅ প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি বাংলা অর্থ এবং সংক্ষিপ্ত তাফসীর অধ্যয়ন করুন।
✅ কুরআন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা নিজ জীবনে বাস্তবায়ন করুন।
✅ আপনার সালাতে যদি মনোযোগ না থাকে, তাহলে সালাতে পঠিত সূরা ও দুয়ার বাংলা অর্থ মুখস্ত করে নিন। ইন শা আল্লাহ এই পদ্ধতি আপনার সালাতে মনোযোগ বহুগুণে বাড়িয়ে দিবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
দেশ থেকে পলায়নের পর স্পেনের আরাগনের বোর্জা এলাকায় বসবাস করছে বেনজীর আহমেদ। তবে সেখানেই বসে সে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ।
২০২৪ সালের মে মাসে গোপনে দেশ থেকে পলায়নের আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে তলব করেছিল। পলায়নের পর সে দুবাইয়ে কিছুদিন অবস্থান করে স্পেনে যায় এবং নাগরিকত্বের (পিআর) জন্য আবেদন করে। স্পেনে তার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি ও দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন তার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে তাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও পলাতক’ কর্মকর্তা বলে উল্লেখ করেছে। তার এসব ষড়যন্ত্র পুলিশ বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দ্রুত ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই বেনজীরকে গ্রেফতার করে তার ষড়যন্ত্র বন্ধ করা, যাতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20
"ফ্রি প্যালেস্টাইন" স্লোগানে মুখর এই বীর, খালি পায়ে ঝুঁকি নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রতীকী ঘড়ির চূড়ায় দাঁড়িয়ে গাজার নিপীড়িত মানুষের জন্য আওয়াজ তুলেছেন।
অবশেষে ১৬ ঘণ্টা পর তিনি নিচে নামলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥35❤7👍3
দায়মুক্তির এই সংস্কৃতি সামাজিক অবিশ্বাস ও রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও উসকে দিচ্ছে এবং সাধারণ জনগণের ন্যায়বিচারের পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর দায়মুক্তির সংস্কৃতি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যদি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা না করা হয়, তাহলে নিপীড়ন, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনগণের আস্থাহীনতা আরও গভীর হবে। স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও কার্যকর তদারকিই এই দুষ্টচক্র ভাঙার একমাত্র পথ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍9
বাংলাদেশে গ্রাউন্ড আর্থ স্টেশন স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম জায়ান্ট স্টারলিংকের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিশ্চিত করেছেন যে, স্টারলিংকের একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভূমি বরাদ্দ, নির্মাণ সহায়তা ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে চুক্তি হয়েছে।
স্টারলিংক প্রান্তিক অঞ্চলে, উপকূলে ও লোডশেডিংপ্রবণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিবে। আগামী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
স্টারলিংকের বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রান্তিক ও দুর্গম এলাকায় উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিতের মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17👍4🤬1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20💔20😢4
গত ৭ মার্চ ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে একটি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, বাইনোকুলার, ওয়াকি-টকি, হার্ডডিস্ক, ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও পাহাড়ের শান্তি রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অস্ত্রপাচার রুখতে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥25
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এটাই হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আসল রূপ—তারা শুধু মুসলিমদের আজ নিপীড়ন করছে না, বরং আগামী প্রজন্মকে আরও উগ্র, আরও ভয়ংকর মুসলিমবিদ্বেষী সন্ত্রাসী বানানোর জন্য প্রস্তুত করছে।
এই অঞ্চলের মুসলিমদের এখনই সচেতন হতে হবে—এটা কেবল ঘৃণা নয়, বরং পরিকল্পিত গণহত্যার আয়োজন! যদি তারা এখনই জাগ্রত না হয়, তবে তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপেক্ষা করছে নিপীড়ন, বঞ্চনা, এবং অস্তিত্বহীনতার ভয়ংকর পরিণতি!
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬25😢11👍2
আজ মুসলিমদের কী হলো যে, জায়নবাদী ইসরাইল প্রকাশ্যে বলছে "সিরিয়াকে অবশ্যই জর্ডানের মতো আমাদের ইশারায় চলতে হবে, যেমনটি আমরা জর্ডানের সাথে করি। আমরা জর্ডানের রাজাকে আমাদের হুকুম পালনের জন্য রাতে (যেকোনো সময়ে) জাগিয়ে তুলি।"
দখলদার ইসরাইলের এই দিবা-স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না ইনশাআল্লাহ। আহমেদ আল-শারা (হাফিঃ) নেতৃত্বে HTS মুজাহিদীনরা সন্ত্রাসী ইসরাইলকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।
দখলদার ইসরাইলের এই দিবা-স্বপ্ন কখনো পূরণ হবে না ইনশাআল্লাহ। আহমেদ আল-শারা (হাফিঃ) নেতৃত্বে HTS মুজাহিদীনরা সন্ত্রাসী ইসরাইলকে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।
🤬32👍4😁3
গুজরাটের আহমেদাবাদে তারাবির নামাজ শেষে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলার শিকার মুসল্লী সাইয়েদ মেহেদি হুসাইনকে উল্টো গ্রেফতার করেছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ!
এটাই ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের চরিত্র— একদিকে মুসলিমদের ওপর হামলা করছে, আবার তাদেরকেই দোষী বানিয়ে গ্রেফতার করছে!
যেখানে মুসলিমদের রক্ত ঝরছে, সেখানে রাষ্ট্রই সন্ত্রাসীদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর কতদিন ভারতের মুসলিমরা এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হবে?
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬33😢5❤1
আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আমলে ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িত বিচারকদের চিহ্নিত করতে আইন মন্ত্রণালয় চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
আজ রোববার সকালে আইন মন্ত্রণালয় জানায়, তারা বিচার বিভাগে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤11🔥4
ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন আমিরুল মুমিনীন শায়েখ হেবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (হাফি.)।
শুক্রবার (৭ মার্চ) পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুসলিম কমিউনিটির সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রধান বিচারপতি শায়েখ আব্দুল হাকিম শরঈ (হাফি.) তাঁর এই বার্তা তুলে ধরেন।
আমিরুল মুমিনিনের বার্তা:
ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের যে দায়-দায়িত্ব রয়েছে তা আমরা পালন করছি না। অথচ ফিলিস্তিন ইস্যুটি স্বীকৃত একটি বিষয় এবং মুসলিম জাতির সকলের বিষয়।
হে উলামা, বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজন! আপনারা জাতির শ্রেষ্ঠজন ও মুসলিম বিশ্বের বাছাইকৃত। আমি আপনাদের মহান আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, যিনি এক ও একক, কারো মুখাপেক্ষী নন, জন্ম নেননি ও কাউকে জন্ম দেননি, যার কোনো সমকক্ষ নেই, মহাশপথ করেই বলছি, আমরা কোনোদিন ফিলিস্তিন ইস্যুতে আবশ্যিক সঠিক দায়িত্ব পালন করিনি। একদিনের জন্যও নয়।
তাই আমরা মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি যিনি একক ও মহাপরাক্রমশালী। ক্ষমা চাইছি আল্লাহর মনোনীত রাসূলের নিকট এবং ফিলিস্তিনি জনগণের নিকট।
পরিশেষে সকলকে জানাই সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা। অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের তাওফিক ও সাফল্য কামনা করছি।
Courtesy : INSAF24
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍20😢14😁1