যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা স্থগিতের কারণে জাতিসংঘ ইন্দোনেশিয়ায় থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্যও তহবিল কমিয়েছে। প্রায় ১,০০০ রোহিঙ্গার জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও নগদ সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)।
মিয়ানমারে চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া রোহিঙ্গারা প্রতিবছর জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া পৌঁছানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ না পাওয়ায় তারা পুরোপুরি জাতিসংঘের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
সম্প্রতি IOM-এর চিঠিতে জানানো হয়েছে, "তহবিল সংকটের কারণে এখন থেকে পেকানবারুর ৯২৫ রোহিঙ্গার জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না।"
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢17👍1
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৭
সূরা আনফাল, আয়াত ৪১ থেকে ৭৫
✅ গনীমতের মাল বণ্টনের নিয়ম বর্ণিত হয়। বদরের দুই দল আলোচনা করে যুদ্ধের তারিখ ঠিক করতে গেলে উভয় দলই মতভেদ করতো। আল্লাহ তাঁর নির্ধারিত সময়েই যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছেন। যেন যাদের ধ্বংস হওয়ার, তারা সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখেই ধ্বংস হয়; আর যাদের বেঁচে থাকার, তারাও সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখেই বেঁচে থাকে। আল্লাহর ইচ্ছায় উভয় দল পরস্পরকে চোখের দেখায় কম সংখ্যক দেখছিলো। ফলে মুমিনদের সাহস বাড়ে, আর কাফিরদের অহংকার ও অসাবধানতা বাড়ে।
যুদ্ধের সময় অধিক যিকির করতে এবং কুরআন সুন্নাহর অনুগামিতা করতে বলা হয়। অন্তঃকলহ করতে নিষেধ করা হয়। কাফিরদের মতো অহংকারের সহিত লোক দেখানো ধাঁচের যুদ্ধ মহড়া না করতে বলা হয়। শয়তান কাফিরদেরকে যুদ্ধের ব্যাপারে খুব উৎসাহ দিয়েছিলো। ময়দানে এসে ফেরেশতাদের দেখে সে তার বন্ধু কাফিরদের ফেলে পলায়ন করে।
✅ কুরাইশ মুশরিকদের ফিরআউনের সাথে তুলনা করা হয়। উভয় অহংকারী দলই শক্তি ও সংখ্যায় বেশি হয়েও লাঞ্ছিত হয়েছে। এটা তাদের নিজেদেরই দোষ। কাফিররাই আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম জীব। চুক্তি ভঙ্গকারী শত্রু জাতি ও বিশ্বাসঘাতকদের সাথে সমুচিত আচরণ করতে বলা হয়।
✅ জানা-অজানা শত্রুদের মনে ভীতি সঞ্চার করার লক্ষ্য মুমিনদের যথাসাধ্য সামরিক শক্তি অর্জন করতে বলা হয়। আর কোনো শত্রুজাতি শান্তিচুক্তি করতে চাইলে তা করতে বলা হয়। এটা করে তারা যদি ধোঁকা দিতে চায়, তাহলে তা উন্মোচন করার জন্য আল্লাহ আছেন। প্রচণ্ড গোত্রীয় চেতনাবাদী আরব সমাজে আল্লাহ কীভাবে মুমিনদের মাঝে দ্বীনি সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিয়েছেন তা স্মরণ করানো হয়।
প্রাথমিকভাবে মুসলিম ও কাফিরের যুদ্ধ শক্তির অনুপাত ১:১০ হলেও যুদ্ধ ছেড়ে পলায়ন না করে যুদ্ধ করতে বলা হয়, এতেই মুসলিমরা আল্লাহর ইচ্ছায় সফল হবে। পরে বিধান সহজ করে ১:২ করা হয়। শত্রুর শক্তি একেবারে চূর্ণ করার আগ পর্যন্ত তাদের হত্যা না করে বন্দী করা আল্লাহর পছন্দ নয়। বদরের বন্দীদের হত্যা না করে মুক্তিপণ আদায় করার কারণে আল্লাহ কড়া ধমকি দেন। কিন্তু সেই সাথে মাফও করে দেন এবং যা অর্থ অর্জিত হয়েছে, তা নিশ্চিন্তে ভোগ করার অনুমতি দেন। আর সেসকল কাফিরদের অন্তরে যদি আল্লাহ ঈমান আনার ইচ্ছা দেখেন, তাহলে তাদের এই মুক্তিপণ বাবদ সম্পদের ক্ষতিকে তিনি এর চেয়েও উত্তম জিনিস দিয়ে ক্ষতিপূরণ করে দিবেন।
✅ যারা তখনও হিজরত করেনি, তাদের সাথে সম্পদের উত্তরাধিকারের বিধান এবং কাফির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের সহায়তার বিধান বর্ণিত হয়। যারা ঈমান আনার পর হিজরত ও জিহাদ করেছেন এবং যারা তাঁদের আশ্রয় দিয়েছেন (আনসার), তাঁদেরকে সাচ্চা মুমিন আখ্যায়িত করে ক্ষমা ও উত্তম রিযিকের ওয়াদা করা হয়।
❤14
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৭ সূরা আনফাল, আয়াত ৪১ থেকে ৭৫ ✅ গনীমতের মাল বণ্টনের নিয়ম বর্ণিত হয়। বদরের দুই দল আলোচনা করে যুদ্ধের তারিখ ঠিক করতে গেলে উভয় দলই মতভেদ করতো। আল্লাহ তাঁর নির্ধারিত সময়েই যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছেন। যেন যাদের ধ্বংস হওয়ার, তারা সুস্পষ্ট প্রমাণ…
✅ সূরা তাওবাহর বক্তব্য অনেকটা সূরা আনফালের মতোই। আরবের অনেক লোক মুসলিম ও মুশরিকদের মাঝে যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি দেখার অপেক্ষায় ছিলো। মুসলিমদের মক্কা বিজয় ও হুনাইন যুদ্ধ জয়ের পর সমগ্র আরবের এসব লোকদের ইসলাম গ্রহণের পথে আর বাধা রইলো না। এমতাবস্থায় আরব উপদ্বীপকে ইসলামের কেন্দ্র ঘোষণার্থে সেখানে অমুসলিমদের স্বাধীন নাগরিকত্ব নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। যুদ্ধরত নয় এমন মুশরিকদের যাদের সাথে এমন চুক্তি ছিলো যার মেয়াদ নির্ধারিত হয়নি, তাদের চার মাস সময় দেওয়া হয়। এর মাঝে ইসলাম গ্রহণ না করলে আরব উপদ্বীপ ছেড়ে চলে যাবে।
✅ আর যাদের সাথে মেয়াদ নির্ধারিত আছে, তাদের সাথে মেয়াদ পূর্ণ করা হবে। তারপরও তারা মুসলিম না হলে বা আরব উপদ্বীপ ছেড়ে না গেলে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হত্যা করা হবে। এসকল মুশরিকেরা মুসলিমদের বাগে পেলে কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক বা ন্যায়-অন্যায়ের মূল্য দেয় না। তাদের সাথে অনুরূপ আচরণের হুকুম করা হয়। তারপর কিছু শর্ত বর্ণিত হয়, যেখানে তাদের হত্যা না করে নিরাপত্তা দিতে হবে। যেমন- ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হওয়া। মুশরিকরা কাবার রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে গর্ব করতো। মূর্তিপূজকরা যে এ দায়িত্বের অযোগ্য, তা ঘোষণা করা হয়।
আত্মীয়-ঘরবাড়ি-সম্পদের চেয়ে জিহাদকে অধিক ভালোবাসতে বলা হয়। আপন আত্মীয়ও যদি কাফির হয়, তাদেরও অভিভাবক বানানো যাবে না। হুনাইনের যুদ্ধের দিন মুসলিমরা নিজেদের সংখ্যাধিক্য দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে গিয়েছিলো। ফলে প্রাথমিকভাবে পরাজয় বরণ করে। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের পুনঃসংগঠিত করে আক্রমণের সুযোগ দিয়ে বিজয় দেন। এই নিয়ামাতের কথা স্মরণ করানো হয়।
✅ আহলে কিতাবগণের উপর জিযিয়ার বিধান আরোপ করা হয়। তাদের ভ্রান্ত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো তিরস্কার করা হয়। যেমন- আল্লাহর সন্তান আছে বলে বিশ্বাস করা এবং পীর-দরবেশদেরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করা। তাদের অন্যায়ভাবে সম্পদ কুক্ষিগত করার কাজকেও তিরস্কার করা হয়। মুশরিকরা নিজ সুবিধার্থে পবিত্র মাসসমূহ আগপিছ করে বছর হিসাব করতো। এটিকে তিরস্কার করা হয়।
✅ এরপর রোমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিতব্য তাবূক যুদ্ধের বিভিন্ন দিক বর্ণনা শুরু হয়। সংখ্যার স্বল্পতা, আসবাবের অভাব, বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও জিহাদে বের হতে নানাভাবে উৎসাহিত করা হয়। মুনাফিকদের কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়। জিহাদের ইচ্ছা যদি তাদের থাকতোই তাহলে কিছু না কিছু প্রস্তুতি নিতো। কিন্তু তারা জিহাদে গেলে বিশৃঙ্খলাই করবে। তাই আল্লাহই তাদের ঘরে বসিয়ে রেখেছেন।
মুনাফিকদের অনেকে আজগুবি সব অজুহাত দিতো। এক মুনাফিক আরজ করেছিলো রোমান নারীদের দেখলে সে ফিতনায় পড়ে যাবে, তাই তাকে জিহাদে না যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। আল্লাহ বলেন জিহাদে না গিয়ে বসে থাকাটাই ফিতনা। মুসলিমদের উপর বিপদ আসলে মুনাফিকরা ভাবে যে তারা বেঁচে গেলো। অথচ তাকদিরে থাকা বিপদ আসবেই। মুমিনরা তো হয় জয়ী হবে নয়তো শহীদ হবে, আর মুনাফিকরা হয় আল্লাহর হাতে সরাসরি বা মুমিনদের হাত দিয়ে শাস্তি পাবে।
✅ তারা কেউ কেউ টাকা দিয়ে শারীরিক জিহাদ থেকে অব্যাহতি চায়। আর মুমিনদের মধ্যে কেউ সদকা দিলে তাকে লোক দেখানো বলে উপহাস করে। কেউ দারিদ্রের কারণে কিছু দিতে না পারলে তাকেও উপহাস করে। আল্লাহ বলেন মুনাফিকদের দানই বরং কবুল হয় না। মুমিনরা ঠিকই সাওয়াব পায়। যাকাতের খাতসমূহ বর্ণিত হয়।
✅ রাসূল (সাঃ) সকলের কথা বিশ্বাস করেন বলে মুনাফিকরা খুশি হয় এই ভেবে যে তাঁকে তারা সহজেই প্রতারিত করছে। আল্লাহ এই ধারণা খণ্ডন করে দেন যে তিনি তাঁর রাসূলকে ঠিকই সব গোপন চক্রান্ত জানিয়ে দেন।নিজেদের মুসলিম দাবি করার পরও মুনাফিকরা কাফিরসুলভ কথাবার্তা বলে। জিজ্ঞেস করলে বলে ঠাট্টা করছিলো। এটাকেও কুফরি আখ্যায়িত করা হয়।
মুনাফিক নারী-পুরুষদের তিরস্কার করে তাদের পূর্বেকার জাতিসমূহের সীমালঙ্ঘনকারীদের সাথে তুলনা করা হয়। মুমিন নারী-পুরুষদের প্রশংসা করে জান্নাতের ওয়াদা করা হয়। কাফিরদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে মৌখিক জিহাদ করতে বলা হয়। তাদের প্রতি কঠোর হতে বলা হয়। গরমের ভয়ে জিহাদ না করতে চাওয়ার মানসিকতা খণ্ডন করে বলা হয় জাহান্নাম এরচেয়েও উত্তপ্ত।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥23👍2❤1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15🔥6
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আমাদেরকে মুক্ত করার একমাত্র উপায় হলো বন্দীবিনিময় চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করা।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍11🔥6
🔘 ইসলাম ইনসাইট ।। আন্তর্জাতিক (আফগানিস্তান)
🚨 ১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার আয় আফগানিস্তানের !
🔴 ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান কৃষি ও বাণিজ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ মাসে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার টন তাজা ফল রপ্তানি করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১৪৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি।
🔴 আফগান গণমাধ্যম তোলো নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইরাক, সৌদি আরব ও কানাডা—এই দেশগুলো আফগানিস্তানের তাজা ফলের প্রধান ক্রেতা।
🔴 শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আখুন্দজাদা আব্দুস সালাম জাওয়াদ জানিয়েছেন,
🔴 এদিকে আফগানিস্তানের কৃষি ও পশুপালন চেম্বার জানিয়েছে, কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে কৃষকদের জন্য বাড়তি সহায়তা এবং খাতের আধুনিকায়ন প্রয়োজন। সংস্থাটির উপপ্রধান মিরওয়াইস হাজি জাদা বলেন, ‘আমাদের ইউরোপীয় বাজারের জন্য মানসম্মত রপ্তানি আরও বাড়াতে হবে, যাতে জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ আফগানিস্তানের পণ্য গ্রহণ করে।’
এ বছর দেশটি থেকে আপেল, আঙ্গুর, ডালিম, তাজা ডুমুর, অ্যাপ্রিকট, চেরি, তুঁত, তরমুজ ও কালো তুঁতসহ বিভিন্ন ধরনের ফল রপ্তানি হয়েছে। মোট রপ্তানির পরিমাণ ২ লাখ ৯৬ হাজার টন, যা থেকে আয় হয়েছে ১৪৩.১১ মিলিয়ন ডলার।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤30🔥4👍1
✅ আধ্যাত্মিক প্রোডাক্টিভিটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ
আল্লাহ আমার রোযা কবুল করবেন তো? সকল সুন্নাহ নামাজ সময়মত আদায় করেছি তো? কুরআন পড়া হয়েছে?
✅ রামাদান শুধু সেহরি আর ইফতার করার মাস নয়। এ মাস হচ্ছে আধ্যাত্মিকতার শিখরে উঠার মাস, ইবাদাতের মজা পাওয়ার মাস। তাই নিয়মিত নিজের রুটিন ও পরিকল্পনা চেক করুন আর যাচাই করুন যে সবকিছু নিয়মমাফিক হচ্ছে কিনা ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা স্থগিত করার পর ইউরোপ ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা হিসেবে ৩ হাজার কোটি ইউরো (৩২০০ কোটি ডলার) দেওয়ার পরিকল্পনা করে। তবে হাঙ্গেরির আপত্তির মুখে সেই সহায়তা আটকে গেছে। ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের বৈঠকে ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপিত হলে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বান ভেটো দেন। এর ফলে ইইউর সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😁21
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔘 ভুলে যাননি তো ?
৪ আগস্ট, লক্ষ্মীপুরের মাটিতে আওয়ামী পুলিশবাহিনী কর্তৃক নৃশংসভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়লেন শহীদ সাদ আল আফনান পাটওয়ারী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেমে শিক্ষার্থী আফনানকে নির্মমভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সেসময় মাদাম ব্রিজ-ঝুমুর এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী।
শহীদ সাদ আল আফনান লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার আরমানি মিঝি মসজিদ এলাকায়। জাতির এক সম্ভাবনাময় তরুণকে নির্মমভাবে হত্যা করলো খুনি আওয়ামী লীগ।
এই রক্তপিপাসু দানবেরা কি ক্ষমার যোগ্য?
৪ আগস্ট, লক্ষ্মীপুরের মাটিতে আওয়ামী পুলিশবাহিনী কর্তৃক নৃশংসভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়লেন শহীদ সাদ আল আফনান পাটওয়ারী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেমে শিক্ষার্থী আফনানকে নির্মমভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সেসময় মাদাম ব্রিজ-ঝুমুর এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী।
শহীদ সাদ আল আফনান লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার আরমানি মিঝি মসজিদ এলাকায়। জাতির এক সম্ভাবনাময় তরুণকে নির্মমভাবে হত্যা করলো খুনি আওয়ামী লীগ।
এই রক্তপিপাসু দানবেরা কি ক্ষমার যোগ্য?
🤬27😢7
সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা (হাফি:) ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদপন্থি আলাউইত সন্ত্রাসীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আত্মসমর্পণ না করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
ইতিমধ্যে শুক্রবার (৭ মার্চ) অন্তত ১৬২ সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর আগের দিন সেই সন্ত্রাসীরা নতুন সরকারের নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর বর্বর হামলা চালালে বহু হতাহত হয়। পাল্টা অভিযানে সিরীয় বাহিনী হাতে সেইসব আসাদ সমর্থকদের অনেকেই নিহত হয়েছেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥40👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইসরাইলকে চার দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি। তারা জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে গাজা সীমান্ত ক্রসিংগুলো খুলে দিতে হবে এবং ত্রাণ সরবরাহ পুনরায় শুরু করতে হবে। অন্যথায়, "অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে দেয়া হবে।" আনসারউল্লাহ নেতা সৈয়দ আব্দুল মালিক বদরউদ্দীন আল-হুথি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রাণ প্রবাহ শুরু না হলে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী ইসরাইলগামী সব জাহাজে পুনরায় হামলা চালানো হবে, যা এতদিন যুদ্ধবিরতির কারণে স্থগিত ছিল।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥34👍4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
"পতিত শাসনের (পূর্বের আসাদ সরকার) কিছু অবশিষ্টাংশ নতুন সিরিয়াকে বুঝতে না পেরে এটিকে পরীক্ষা করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।
তারা যেন মনে রাখে সিরিয়া পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ।
যদি কোনো একটি প্রদেশ আক্রান্ত হয়, তবে সমগ্র জাতি তার রক্ষায় একত্রিত হবে।
যদি কোনো প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পুরো দেশ তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় এগিয়ে আসবে।
আমি পতিত শাসনের (পূর্বের আসাদ সরকার) অবশিষ্টদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে মুক্তির যুদ্ধে লড়েছি, যখন তোমরা আমাদের হত্যা করতে চেয়েছিলে।
আমাদের লক্ষ্য হলো তোমরা যে দেশটিকে (সিরিয়া) ধ্বংস করেছ তা পুনর্গঠন করা। আমরা তোমাদের রক্ত চাই না।" ( সুতরাং আমাদের থেকে দূরে থাকো)।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤28🔥4👍2
5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই আমাদের দৈনন্দিন ইন্টারনেট ব্যবহারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এটি 4G LTE-এর তুলনায় দ্রুততর গতি, কম ল্যাটেন্সি এবং অধিক সংযোগ সক্ষমতা প্রদান করে। 5G মূলত Low-band, Mid-band এবং High-band (mmWave) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি বাড়িয়েছে, যা আমাদের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও উন্নত করেছে।
✅ অতিদ্রুত ইন্টারনেট গতি: 5G-এর মাধ্যমে ১-২০ Gbps পর্যন্ত গতি পাওয়া যাচ্ছে, যা 4K/8K ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) ব্যবহারে বিশাল উন্নয়ন ঘটিয়েছে।
✅ নিম্ন ল্যাটেন্সি: 5G নেটওয়ার্কে ল্যাটেন্সি ১ মিলিসেকেন্ডেরও কম, ফলে রিয়েল-টাইম কমিউনিকেশন, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি, এবং স্মার্ট ডিভাইসের জন্য তাৎক্ষণিক ডেটা প্রসেসিং সম্ভব হচ্ছে।
✅ স্মার্ট সিটি এবং IoT: 5G-এর মাধ্যমে স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম, উন্নত নিরাপত্তা ক্যামেরা এবং স্বাস্থ্যসেবায় রিমোট সার্জারি ইতোমধ্যেই বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
✅ ক্লাউড এবং AI পরিষেবার উন্নয়ন: 5G ক্লাউড গেমিং, মেশিন লার্নিং ও বিগ ডাটা প্রসেসিং-কে আরও দ্রুত ও কার্যকর করেছে।
✅ স্বচালিত যানবাহন: অনেক দেশ ইতোমধ্যেই 5G ব্যবহার করে স্বচালিত গাড়ির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যেখানে তাৎক্ষণিক ডেটা আদান-প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
5G ইতোমধ্যে আমাদের লাইভ স্ট্রিমিং, মোবাইল কমিউনিকেশন, স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট ডিভাইস এবং শিল্পখাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে, এই প্রযুক্তি আরও পরিপূর্ণ হয়ে 6G-এর দিকে অগ্রসর হবে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও হাইপার-কানেক্টিভিটির আরও উন্নয়ন ঘটবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥10👍2😁1
ভারতীয় সন্ত্রাসী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বর্বরতা যেন থামছেই না। পঞ্চগড়ে বিএসএফের গুলিতে নিহত হলেন আলামিন (৪০) নামের একজন নিরীহ বাংলাদেশি যুবক। শনিবার ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কাজীরহাট উত্তর তালমা এলাকায়, ভারতীয় সীমান্তের রাজগঞ্জের খালপাড়ে এই নির্মম ঘটনা ঘটে। নিহত আলামিন ছিলেন হারিভাষা জিন্নাতপাড়া এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে।
এভাবেই কি প্রতিনিয়ত চলতে থাকবে? অন্তর্বর্তী সরকারকে হিন্দুত্ববাদী ভারতের সীমান্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় এই রক্তপাত আরও বৃদ্ধি পাবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬32👍2🤣1
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৮
সূরা তাওবাহ, আয়াত ৯৩ থেকে ১২৯
✅ মুসলিমরা তাবুক যুদ্ধ থেকে ফেরার পর যে মুনাফিকরা নিজেদের না যাওয়ার ব্যাপারে কসম করে ওজর পেশ করবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিমদের বলা হয় তাদেরকে বাহ্যিকভাবে উপেক্ষা করতে, যদিও আল্লাহ ঠিকই তাদের উপর ক্রোধান্বিত।
✅ মদীনাবাসী এবং শহরতলীর বেদুইন উভয় শ্রেণীর লোকের মাঝেই মুনাফিক এবং সাচ্চা মুমিন আছে। এদের পার্থক্য বর্ণনা করা হয়। মদীনার এক খ্রিষ্টান পালিয়ে গিয়ে রোম থেকে মদীনা আক্রমণের পরিকল্পনা করছিলো। তার সাহায্যার্থে মুনাফিকরা মসজিদের নাম দিয়ে একটি ইমারত তৈরি করে যা গোপন সলাপরামর্শ ও অস্ত্র মজুদের ঘাঁটি হিসেবে কাজ করবে। রাসূলকে (সাঃ) তারা বলে দুর্বল লোকদের কষ্ট কমাতে এটি তৈরি হয়েছে। তাঁকে অনুরোধ করে একদিন সেখানে নামাজ পড়াতে। তাবুকে যাওয়ার কথা বলে রাসূল (সাঃ) তা আপাতত এড়িয়ে যান। তাবুক থেকে ফেরার পথে এই ইমারতের গোমর ফাঁস করে আয়াত নাযিল হয়। পরে তা ধ্বংস করা হয়।
আলসেমি ইত্যাদি কারণে জনাদশেক সাচ্চা সাহাবা তাবুক যুদ্ধে যেতে পারেননি। তাঁরা অত্যন্ত অনুতপ্ত হন। সাতজনের ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে ক্ষমা ঘোষণা করে আয়াত নাযিল হয়, কাফফারা হিসেবে তাঁরা যে সাদকা করেন, তা গ্রহণ করতে বলা হয়।
তিনজনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত মুলতবি রাখা হয়। পুরো মুসলিম সমাজ ৪০ দিন যাবত তাঁদের বয়কট করে রাখে। এরপর তাঁদের স্ত্রীদেরও তাঁদের থেকে আলাদা থাকতে বলা হয়। তাঁদের একজন কা'ব বিন মালিক (রাঃ) এর এ ঘটনার বিস্তারিত একটি হৃদয়ছেঁড়া বর্ণনা আছে, যা তাফসির ও সীরাত গ্রন্থগুলোতে আছে। এ সময়ের মাঝে তাঁদের কাছে বহিঃশত্রুদের থেকে লোভনীয় প্রস্তাবও আসে। তাঁরা সেসব চিঠি পুড়িয়ে ফেলেন। তাঁরাও নিজেদের বিশ্বস্ততা ধরে রাখেন, মুসলিম সমাজও মনে মনে চায় আল্লাহ যেন তাঁদের মাফ করেন। ৫০ দিনের মাথায় তাঁদের ক্ষমার সুসংবাদ নিয়ে আয়াত নাযিল হয়।
✅ কাফির অবস্থায় মারা যাওয়া আত্মীয় স্বজনের জন্যও দুআ করা নিষিদ্ধ করে আয়াত নাযিল হয়। ইবরাহীম (আঃ) যদিও তাঁর মুশরিক পিতার জন্য দুআ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে যখন প্রকাশ হয়ে যায় তাঁর পিতা আল্লাহর শত্রু, তখন তিনি দুআ করা থেকে বিরত হন।
✅ জিহাদের বিভিন্ন ফজিলত বর্ণিত হয়। মুজাহিদীন যত ক্ষুদা, তেষ্টা, কষ্ট ভোগ করেন, যত রাস্তা পার হন, যত পরিকল্পনা করেন, যত শত্রু হত্যা করেন, সব কিছুর জন্য সাওয়াব পান। আল্লাহর কাছে জান্নাতের বিনিময়ে জানমাল বিক্রয়কারী লোকদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয় তাঁরা আল্লাহর রাস্তায় শত্রুদের মারেন ও নিজেরা মরেন, তাওবাকারী, ইবাদতগুজার, রোজাদার, নামাজি, সৎ কাজের আদেশদাতা, মন্দ কাজের বাধাদানকারী। ফরজে কিফায়া জিহাদের ক্ষেত্রে সকলে একত্রে জিহাদে না গিয়ে একদল মানুষ ইল্ম চর্চায় রত থাকার নির্দেশ করা হয়।
❤14👍2
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৮ সূরা তাওবাহ, আয়াত ৯৩ থেকে ১২৯ ✅ মুসলিমরা তাবুক যুদ্ধ থেকে ফেরার পর যে মুনাফিকরা নিজেদের না যাওয়ার ব্যাপারে কসম করে ওজর পেশ করবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিমদের বলা হয় তাদেরকে বাহ্যিকভাবে উপেক্ষা করতে, যদিও আল্লাহ ঠিকই তাদের উপর ক্রোধান্বিত।…
✅ সূরা ইউনুসে অন্যান্য মাক্কী সূরাসমূহের মতোই মূলত তাওহীদ, রিসালাত, আখিরাত নিয়ে আলোচিত হয়েছে। আল্লাহ প্রথমবার সকল মাখলুক সৃষ্টি করেছেন, দ্বিতীয়বারও তিনি তা করতে সক্ষম। আল্লাহর সৃষ্টজগতের বিভিন্ন নিদর্শনাদি বর্ণনা করে তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে বলা হয়। এসব নিদর্শনের ব্যাপারে উদাসীন কাফিরদের জন্য আছে জাহন্নাম। আর এসব সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে চিন্তাভাবনাকারীরা বিশুদ্ধ তাওহীদে ঈমান আনার কারণে জান্নাতে যাবে।
✅ মুহাম্মাদ (সাঃ) নবুওয়াতের মিথ্যা দাবি করছেন বলে যারা দাবি করতো, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয় যে তিনি তো চল্লিশ বছর তাদের মাঝেই বসবাস চলাফেরা করেছেন। তাঁর সত্যবাদিতার ব্যাপারে তারা নিজেরাই সাক্ষী। মানুষের উপর ভ্রমণ বা অন্য কোনো অবস্থায় বিপদআপদ আপতিত হলে তারা শুয়ে, বসে, দাঁড়িয়ে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ডাকে। আর বিপদ সরে গেলে এমন ভাব করে যেন আল্লাহকে তাদের কোনো দরকারই নেই।
✅ মুশরিকরাও বিশ্বাস করতো এ জগতের সৃষ্টিতে দেবদেবীর কোনো হাত নেই, আল্লাহই সব করেছেন। তারপরও ইবাদাত করার সময় ঠিকই তারা মনগড়া উপাস্যকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত বা সুপারিশকারী ভেবে পূজা করা শুরু করে। দুনিয়ার উপমা দেখানো হয় ফসলের ক্ষেত্রের মতো, যাকে উর্বর দেখে মানুষ নিশ্চিন্ত হয়ে এটাকেই সব ভেবে বসে থাকে। তারপর হঠাৎ কোনো এক দুর্যোগ এসে সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। দুনিয়াটাও এভাবে হঠাৎ কিয়ামাত হয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। সবাই নিজ নিজ কাজ অনুযায়ী আখিরাতে বদলা পাবে।
✅ কাফিররা তাদের মিথ্যা উপাস্যগুলোর কাছ থেকে কোনো সাহায্যই পাবে না। এসবকে তারা অনুমানের ভিত্তিতে বিশ্বাস করতো অথচ সত্যের বিপরীতে অনুমান কোনো কাজে আসে না। কাফিরদের ঠাট্টা উপহাসের বিপরীতে মুমিনদের সান্ত্বনা দিয়ে আখিরাতের প্রতিদানের কথা জানানো হয়েছে। কুরআনকে রোগের উপশম ও হিদায়াত আখ্যায়িত করা হয়েছে।
✅ প্রত্যেক জাতির কাছেই নবী রাসূল এসেছেন সত্য জানাতে। যখন তারা সীমালঙ্ঘন করেছে, তখন যথোচিতভাবেই নির্ধারিত সময়ে তাদের উপর আযাব এসেছে। কারো উপর যুলুম করা হয়নি। এভাবে এক জাতিকে ধ্বংস করে অন্য জাতিকে আনা হয় পরীক্ষা করার জন্য। আজ যারা জমিনে আছে, তারাও এই সিলসিলারই অংশ।
✅ নূহ ও মূসা আলাইহুমাসসালাম এর কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁদের যুগেও অনেকে নবীগণের সুস্পষ্ট নিদর্শন দেখেও ঈমান আনেনি। কাফিরদের পক্ষ থেকে নির্যাতনের ভয় থাকা সত্ত্বেও কিছু লোক ঈমান এনেছিলো। আল্লাহ কাফিরদের ধ্বংস করে মুমিনদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছেন। আযাব চলে আসার পর তা দেখে ফিরআউন ঈমান আনার ঘোষণা দেয়। কিন্তু আল্লাহ তা আর কবুল করেননি। ইউনুস (আঃ) এর কওম অবশ্য ব্যতিক্রম। তারা আযাবের লক্ষণ দেখে অনুতপ্ত হয়ে ঈমান আনে। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে আযাব হটিয়ে দেন।
✅ এসব কাহিনী বর্ণনা করে মুশরিকদের ঈমান আনতে আহ্বান করা হয়। কারণ তারা যে বারবার প্রতিশ্রুত আযাব এনে দেখাতে চ্যালেঞ্জ করছে, সেই আযাব চলে আসলে তাদের আর ঈমান আনার সুযোগ হবে না।
রাসূল (সাঃ) চাইলেই কাউকে জোর করে ঈমান আনাতে পারবেন না। মুসলিমরা তো নিজ কল্যাণের জন্যই আল্লাহর দ্বীনের অনুসরণ করবে। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নিলো, শির্ক করলো, তারা নিজেদেরই ক্ষতি করলো।
✅ সূরা হুদে পূর্বেকার বিভিন্ন নবীর কওমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদাত না করার দাওয়াত দিতে এই নবীগণ জান্নাতের সুসংবাদদাতা ও জাহান্নামের ব্যাপারে সতর্ককারী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। যারা তাঁদের অমান্য করবে, তারা কিয়ামাতের দিন ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হবে। কাফিররা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মুখে এসব কথা শুনলে মুখে কাপড় জড়িয়ে এমনভাবে সরে যেতো যেন আল্লাহকে ফাঁকি দিতে চাইছে, অথচ আল্লাহ গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছুর ব্যাপারে অবগত।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤14👍1
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজ্জার জনগণকে হুমকি দিয়েছিলেন যে, যদি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া না হয়, তাহলে গাজ্জায় নরকীয় কাণ্ড ঘটাবেন। কিন্তু ট্রাম্পের এমন হুমকিকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না গাজ্জাবাসী। তারা বলছেন, আমাদের নতুন করে হারানোর কিছু নেই।
আমি এসব হুমকিকে ভয় পাই না। কারণ গাজ্জার অনেক মানুষের মতো আমিও বিশ্বাস করি- আমার হারানোর কিছুই নেই। তিনি বলেন, আগে পোশাক ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার একটি বড় দোকান, ছয়তলা একটি ভবন, একটি গাড়ি, এবং গাজ্জা সিটির তেল আল-হাওয়ায় স্টক রাখার জন্য গুদাম ছিল। বছরের পর বছরের কঠোর পরিশ্রম এসব করেছিলাম। এখন ধ্বংস হয়ে গেছে, যুদ্ধ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। যেদিকেই তাকাই, কেবল ধ্বংস, ধ্বংসাবশেষ আর দুর্দশা। আমাদের শোক করার মতো আর কিছু বাকি আছে কি? আমি এখন শিশুদের জন্য ক্যান্ডি ও স্ন্যাকস বিক্রি করি।
ট্রাম্পের হুমকিগুলো একটি মানসিক যুদ্ধের অংশ; যার উদ্দেশ্য গাজ্জার মানুষকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমরা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। না আছে ইন্টারনেট, না বিদ্যুৎ, না কোনো যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিবারই একটা নতুন পরিকল্পনা আসে– কখনো বলে গাজ্জার মানুষকে জোর করে সরিয়ে দেবে, কখনো বলে সন্ত্রাসী ইসরাইল পুরো গাজ্জা দখল নেবে। আর এখন তারা পুরো গাজ্জার জনগণকে বন্দিদের কারণে হুমকি দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের কোনো মূল্য নেই। আমার মনে হয়, সে শুধু হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এসব হুমকি দিচ্ছে। তাদের যা করার বাকি, তা হলো আমাদের সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥24😢5
✅ প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি বাংলা অর্থ এবং সংক্ষিপ্ত তাফসীর অধ্যয়ন করুন।
✅ কুরআন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা নিজ জীবনে বাস্তবায়ন করুন।
✅ আপনার সালাতে যদি মনোযোগ না থাকে, তাহলে সালাতে পঠিত সূরা ও দুয়ার বাংলা অর্থ মুখস্ত করে নিন। ইন শা আল্লাহ এই পদ্ধতি আপনার সালাতে মনোযোগ বহুগুণে বাড়িয়ে দিবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
দেশ থেকে পলায়নের পর স্পেনের আরাগনের বোর্জা এলাকায় বসবাস করছে বেনজীর আহমেদ। তবে সেখানেই বসে সে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ।
২০২৪ সালের মে মাসে গোপনে দেশ থেকে পলায়নের আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাকে তলব করেছিল। পলায়নের পর সে দুবাইয়ে কিছুদিন অবস্থান করে স্পেনে যায় এবং নাগরিকত্বের (পিআর) জন্য আবেদন করে। স্পেনে তার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি ও দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।
পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন তার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে তাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও পলাতক’ কর্মকর্তা বলে উল্লেখ করেছে। তার এসব ষড়যন্ত্র পুলিশ বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দ্রুত ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই বেনজীরকে গ্রেফতার করে তার ষড়যন্ত্র বন্ধ করা, যাতে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20