✅ আজ রমাদানের ১ম জুম'আ। সকলেই সূরা কাহফ তিলাওয়াত ও বেশী বেশী দরুদ শরীফ পাঠ করি।
✅ অনেকদিন কথা বলা হয় না, পরিবারের এমন কারো সাথে কিছুক্ষণ ফোনে কথা বলুন। পাশাপাশি নিকটাত্মীয়দের নিয়মিত খোজ-খবর নিন।
✅ কোনো প্রতিবেশী মুসলিম ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ থাকলে তা আজই মিটিয়ে ফেলুন।
আপনার রমাদান প্রোডাক্টিভ হচ্ছে তো ? না হলে নিচের লেখাগুলো পড়ে রমাদানকে সঠিকভাবে কাজ লাগান।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤16👍1
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট ১৪ মার্চ থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, এবারও সব টিকিট শুধু অনলাইনে বিক্রি হবে, কাউন্টারে কোনো অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাবে না।
প্রতিদিন ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ৩১৫টি টিকিট বিক্রি করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৪ মার্চ মিলবে ২৪ মার্চের টিকিট, ১৫ মার্চ ২৫ মার্চের, এভাবে ২০ মার্চ পর্যন্ত ৩০ মার্চের টিকিট পাওয়া যাবে। চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ৩১ মার্চ, ১ ও ২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঈদযাত্রার সুবিধার্থে পূর্বাঞ্চলে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাত্রীদের চাপ সামলাতে ৩৬টি অতিরিক্ত কোচ সংযুক্ত করা হবে।
রেলওয়ে মহাপরিচালক জানিয়েছেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ৯ মার্চ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👏8❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পবিত্র আল-আকসা প্রাঙ্গণে তারাবির সালাতে মনোমুগ্ধকর তিলাওয়াত
❤42😢1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤33👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔘 ইসলাম ইনসাইট ।। আন্তর্জাতিক (ভারত)
🔴 রাজস্থানের গঙ্গাপুর সিটিতে চলন্ত ট্রেনে এক বয়োবৃদ্ধ আলিমকে ট্রেনে মারাত্মকভাবে পিটিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা তাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত করে এই হামলা চালায়।
🔴 বাংলাদেশের তথাকথিত সুশীল বুদ্ধিজীবীরা এমনই চিত্র এদেশে দেখতে চায় যেখানে সাধারণ মুসলিমদের উপর বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে নির্যাতন চালানো হবে ? আপনারাও কি তাই চান ? 🔴
প্রত্যক্ষদর্শী মুসলিমদের দাবি, তিনি ট্রেনের সিটে বসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করছিলেন। ট্রেনে ওঠার সময় কিছু আরএসএস সন্ত্রাসীরা তার সামনে মুসলিম বিদ্বেষী মন্তব্য করতে থাকে যেন তিনি তা শুনতে পান। এরপর এক উগ্র নারী তাকে ‘পাকিস্তানি’ বলে কটূক্তি করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে রেলের টিটিই তাকে দরজার কাছে ডাকেন। ঠিক তখনই ওই দুই পুরুষ ও নারী মিলে তাকে নির্মমভাবে মারধর শুরু করে। নির্যাতনের শিকার সম্মানিত আলিম গঙ্গাপুর সিটির একটি মাদ্রাসার পরিচালক এবং অনুদান সংগ্রহের জন্য তিনি আঙ্কালাশওয়ারে গিয়েছিলেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬42😢3👍1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17🔥9
Islam Insight
রোহিঙ্গা কিশোর কামাল গণহত্যা থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে। বয়স মাত্র দশ বছর, কিন্তু তার চোখে জ্বলছে এমন এক আগুন, যা তার পূর্বপুরুষদের ভিটেমাটির স্মৃতিতে প্রজ্জ্বলিত।
কামালের শহীদ বাবা আরাকানের মংডুতে কৃষিকাজ করতেন। গরু-ছাগল, ধানক্ষেত, মসজিদে আযান, সালাত আদায় এই ছিলো তার জীবন। কিন্তু একদিন সন্ত্রাসী জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মি (AA) তাদের গ্রামে আগুন দিয়ে সুন্দর সাজানো জীবনকে ধ্বংস করে দিলো। সেদিনের বিভীষিকা এখনো কামালের মনে দগদগে ঘায়ের মতো, তার চোখের সামনে সেনারা তার বাবাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মেরেছিল। তার মা'কে ধরে নিয়ে গিয়েছিল, তারপর সে আর কখনো মায়ের কথা শোনেনি। গ্রামে সেদিন আগুন জ্বলেছিল সারারাত, ধোঁয়ার মধ্যে সে শুধু "আল্লাহ! আল্লাহ!" ধ্বনি শুনেছিল।
وَمَا لَكُمْ لَا تُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَالْمُسْتَضْعَفِينَ
"তোমরা কেন আল্লাহর পথে সংগ্রাম করবে না? সেই নির্যাতিত পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য যারা আর্তনাদ করে: হে আমাদের রব! আমাদেরকে এই জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করো!" (সুরা আন-নিসা: ৭৫)
"আমরা বিশ্বকে জানাবো আমাদের সত্য! আমরা ভিক্ষুক নই, আমরা বীর পূর্বপুরুষদের সন্তান!"
"আমাদের লড়াই শুধু জীবনের জন্য নয়, সম্মানের জন্য! আমরা আমাদের আরাকানে সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে ফিরবো ইন শা আল্লাহ!"
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢23👍3❤2
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বাণিজ্যযুদ্ধ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, যেখানে দু'পক্ষই শক্তিশালী অবস্থান নিচ্ছে। কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, চীন যদি মার্কিন পণ্যে শুল্ক আরোপ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। এর প্রতিক্রিয়ায় চীনা দূতাবাস সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দেয়, তারা যেকোনো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তা বাণিজ্যযুদ্ধ হোক বা সামরিক সংঘাত।
এই হুঁশিয়ারির জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দৃঢ়ভাবে বলেন, "আমরাও প্রস্তুত।"
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍7🔥6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ভারতের গোরখপুরের হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের নির্দেশে আবু হুরাইরা মসজিদের উপরের দুটি তলা ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে এবং তা আদালতের শুনানির আগেই! মুসলিম সম্প্রদায়ের আপত্তি এবং আইনগত প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে, হিন্দুত্ববাদী বিজেপি প্রশাসন একতরফাভাবে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। মসজিদ কমিটি সংঘাত এড়ানোর জন্য বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে।
উত্তরপ্রদেশে উগ্র বিজেপির শাসনামলে একের পর এক মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা টার্গেট করা হচ্ছে অথচ অন্য সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থানগুলো অক্ষত থাকছে। এটি নিছক পক্ষপাত নয় বরং মুসলিমদের বিপক্ষে হিন্দুত্ববাদী ভারতের সুপরিকল্পিত নিপীড়ন। তাদের মূল উদ্দেশ্য একটাই মুসলিমদের আতঙ্কিত করা, তাদের ধর্মীয় পরিচয় ধ্বংস করা এবং হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।
উগ্র বিজেপি এবং আরএসএসের লক্ষ্য হলো মুসলিমদের গণহত্যা করা, ইসলামকে ধ্বংস করা এবং মুসলিমদের সমাজে নিঃশেষ করে দেওয়া। তারা চায় মুসলিমরা ভয় পেয়ে তাদের অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ছেড়ে দিক। কিন্তু ভারতের মুসলিমরা তাদের এই অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেবে ইনশাআল্লাহ।
ইনশাআল্লাহ অতি শীঘ্রই হিন্দুত্ববাদী শাসনের মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং ভারতের মুসলিমরা তাদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হয়ে লড়াই চালিয়ে যাবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬27😢8👍1
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সহায়তা স্থগিতের কারণে জাতিসংঘ ইন্দোনেশিয়ায় থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্যও তহবিল কমিয়েছে। প্রায় ১,০০০ রোহিঙ্গার জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও নগদ সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)।
মিয়ানমারে চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া রোহিঙ্গারা প্রতিবছর জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া পৌঁছানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ না পাওয়ায় তারা পুরোপুরি জাতিসংঘের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
সম্প্রতি IOM-এর চিঠিতে জানানো হয়েছে, "তহবিল সংকটের কারণে এখন থেকে পেকানবারুর ৯২৫ রোহিঙ্গার জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও নগদ সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না।"
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢17👍1
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৭
সূরা আনফাল, আয়াত ৪১ থেকে ৭৫
✅ গনীমতের মাল বণ্টনের নিয়ম বর্ণিত হয়। বদরের দুই দল আলোচনা করে যুদ্ধের তারিখ ঠিক করতে গেলে উভয় দলই মতভেদ করতো। আল্লাহ তাঁর নির্ধারিত সময়েই যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছেন। যেন যাদের ধ্বংস হওয়ার, তারা সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখেই ধ্বংস হয়; আর যাদের বেঁচে থাকার, তারাও সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখেই বেঁচে থাকে। আল্লাহর ইচ্ছায় উভয় দল পরস্পরকে চোখের দেখায় কম সংখ্যক দেখছিলো। ফলে মুমিনদের সাহস বাড়ে, আর কাফিরদের অহংকার ও অসাবধানতা বাড়ে।
যুদ্ধের সময় অধিক যিকির করতে এবং কুরআন সুন্নাহর অনুগামিতা করতে বলা হয়। অন্তঃকলহ করতে নিষেধ করা হয়। কাফিরদের মতো অহংকারের সহিত লোক দেখানো ধাঁচের যুদ্ধ মহড়া না করতে বলা হয়। শয়তান কাফিরদেরকে যুদ্ধের ব্যাপারে খুব উৎসাহ দিয়েছিলো। ময়দানে এসে ফেরেশতাদের দেখে সে তার বন্ধু কাফিরদের ফেলে পলায়ন করে।
✅ কুরাইশ মুশরিকদের ফিরআউনের সাথে তুলনা করা হয়। উভয় অহংকারী দলই শক্তি ও সংখ্যায় বেশি হয়েও লাঞ্ছিত হয়েছে। এটা তাদের নিজেদেরই দোষ। কাফিররাই আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম জীব। চুক্তি ভঙ্গকারী শত্রু জাতি ও বিশ্বাসঘাতকদের সাথে সমুচিত আচরণ করতে বলা হয়।
✅ জানা-অজানা শত্রুদের মনে ভীতি সঞ্চার করার লক্ষ্য মুমিনদের যথাসাধ্য সামরিক শক্তি অর্জন করতে বলা হয়। আর কোনো শত্রুজাতি শান্তিচুক্তি করতে চাইলে তা করতে বলা হয়। এটা করে তারা যদি ধোঁকা দিতে চায়, তাহলে তা উন্মোচন করার জন্য আল্লাহ আছেন। প্রচণ্ড গোত্রীয় চেতনাবাদী আরব সমাজে আল্লাহ কীভাবে মুমিনদের মাঝে দ্বীনি সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিয়েছেন তা স্মরণ করানো হয়।
প্রাথমিকভাবে মুসলিম ও কাফিরের যুদ্ধ শক্তির অনুপাত ১:১০ হলেও যুদ্ধ ছেড়ে পলায়ন না করে যুদ্ধ করতে বলা হয়, এতেই মুসলিমরা আল্লাহর ইচ্ছায় সফল হবে। পরে বিধান সহজ করে ১:২ করা হয়। শত্রুর শক্তি একেবারে চূর্ণ করার আগ পর্যন্ত তাদের হত্যা না করে বন্দী করা আল্লাহর পছন্দ নয়। বদরের বন্দীদের হত্যা না করে মুক্তিপণ আদায় করার কারণে আল্লাহ কড়া ধমকি দেন। কিন্তু সেই সাথে মাফও করে দেন এবং যা অর্থ অর্জিত হয়েছে, তা নিশ্চিন্তে ভোগ করার অনুমতি দেন। আর সেসকল কাফিরদের অন্তরে যদি আল্লাহ ঈমান আনার ইচ্ছা দেখেন, তাহলে তাদের এই মুক্তিপণ বাবদ সম্পদের ক্ষতিকে তিনি এর চেয়েও উত্তম জিনিস দিয়ে ক্ষতিপূরণ করে দিবেন।
✅ যারা তখনও হিজরত করেনি, তাদের সাথে সম্পদের উত্তরাধিকারের বিধান এবং কাফির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের সহায়তার বিধান বর্ণিত হয়। যারা ঈমান আনার পর হিজরত ও জিহাদ করেছেন এবং যারা তাঁদের আশ্রয় দিয়েছেন (আনসার), তাঁদেরকে সাচ্চা মুমিন আখ্যায়িত করে ক্ষমা ও উত্তম রিযিকের ওয়াদা করা হয়।
❤14
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৭ সূরা আনফাল, আয়াত ৪১ থেকে ৭৫ ✅ গনীমতের মাল বণ্টনের নিয়ম বর্ণিত হয়। বদরের দুই দল আলোচনা করে যুদ্ধের তারিখ ঠিক করতে গেলে উভয় দলই মতভেদ করতো। আল্লাহ তাঁর নির্ধারিত সময়েই যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছেন। যেন যাদের ধ্বংস হওয়ার, তারা সুস্পষ্ট প্রমাণ…
✅ সূরা তাওবাহর বক্তব্য অনেকটা সূরা আনফালের মতোই। আরবের অনেক লোক মুসলিম ও মুশরিকদের মাঝে যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি দেখার অপেক্ষায় ছিলো। মুসলিমদের মক্কা বিজয় ও হুনাইন যুদ্ধ জয়ের পর সমগ্র আরবের এসব লোকদের ইসলাম গ্রহণের পথে আর বাধা রইলো না। এমতাবস্থায় আরব উপদ্বীপকে ইসলামের কেন্দ্র ঘোষণার্থে সেখানে অমুসলিমদের স্বাধীন নাগরিকত্ব নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রয়োজন দেখা দেয়। যুদ্ধরত নয় এমন মুশরিকদের যাদের সাথে এমন চুক্তি ছিলো যার মেয়াদ নির্ধারিত হয়নি, তাদের চার মাস সময় দেওয়া হয়। এর মাঝে ইসলাম গ্রহণ না করলে আরব উপদ্বীপ ছেড়ে চলে যাবে।
✅ আর যাদের সাথে মেয়াদ নির্ধারিত আছে, তাদের সাথে মেয়াদ পূর্ণ করা হবে। তারপরও তারা মুসলিম না হলে বা আরব উপদ্বীপ ছেড়ে না গেলে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই হত্যা করা হবে। এসকল মুশরিকেরা মুসলিমদের বাগে পেলে কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক বা ন্যায়-অন্যায়ের মূল্য দেয় না। তাদের সাথে অনুরূপ আচরণের হুকুম করা হয়। তারপর কিছু শর্ত বর্ণিত হয়, যেখানে তাদের হত্যা না করে নিরাপত্তা দিতে হবে। যেমন- ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হওয়া। মুশরিকরা কাবার রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে গর্ব করতো। মূর্তিপূজকরা যে এ দায়িত্বের অযোগ্য, তা ঘোষণা করা হয়।
আত্মীয়-ঘরবাড়ি-সম্পদের চেয়ে জিহাদকে অধিক ভালোবাসতে বলা হয়। আপন আত্মীয়ও যদি কাফির হয়, তাদেরও অভিভাবক বানানো যাবে না। হুনাইনের যুদ্ধের দিন মুসলিমরা নিজেদের সংখ্যাধিক্য দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে গিয়েছিলো। ফলে প্রাথমিকভাবে পরাজয় বরণ করে। আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের পুনঃসংগঠিত করে আক্রমণের সুযোগ দিয়ে বিজয় দেন। এই নিয়ামাতের কথা স্মরণ করানো হয়।
✅ আহলে কিতাবগণের উপর জিযিয়ার বিধান আরোপ করা হয়। তাদের ভ্রান্ত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো তিরস্কার করা হয়। যেমন- আল্লাহর সন্তান আছে বলে বিশ্বাস করা এবং পীর-দরবেশদেরকে উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করা। তাদের অন্যায়ভাবে সম্পদ কুক্ষিগত করার কাজকেও তিরস্কার করা হয়। মুশরিকরা নিজ সুবিধার্থে পবিত্র মাসসমূহ আগপিছ করে বছর হিসাব করতো। এটিকে তিরস্কার করা হয়।
✅ এরপর রোমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিতব্য তাবূক যুদ্ধের বিভিন্ন দিক বর্ণনা শুরু হয়। সংখ্যার স্বল্পতা, আসবাবের অভাব, বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও জিহাদে বের হতে নানাভাবে উৎসাহিত করা হয়। মুনাফিকদের কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়। জিহাদের ইচ্ছা যদি তাদের থাকতোই তাহলে কিছু না কিছু প্রস্তুতি নিতো। কিন্তু তারা জিহাদে গেলে বিশৃঙ্খলাই করবে। তাই আল্লাহই তাদের ঘরে বসিয়ে রেখেছেন।
মুনাফিকদের অনেকে আজগুবি সব অজুহাত দিতো। এক মুনাফিক আরজ করেছিলো রোমান নারীদের দেখলে সে ফিতনায় পড়ে যাবে, তাই তাকে জিহাদে না যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। আল্লাহ বলেন জিহাদে না গিয়ে বসে থাকাটাই ফিতনা। মুসলিমদের উপর বিপদ আসলে মুনাফিকরা ভাবে যে তারা বেঁচে গেলো। অথচ তাকদিরে থাকা বিপদ আসবেই। মুমিনরা তো হয় জয়ী হবে নয়তো শহীদ হবে, আর মুনাফিকরা হয় আল্লাহর হাতে সরাসরি বা মুমিনদের হাত দিয়ে শাস্তি পাবে।
✅ তারা কেউ কেউ টাকা দিয়ে শারীরিক জিহাদ থেকে অব্যাহতি চায়। আর মুমিনদের মধ্যে কেউ সদকা দিলে তাকে লোক দেখানো বলে উপহাস করে। কেউ দারিদ্রের কারণে কিছু দিতে না পারলে তাকেও উপহাস করে। আল্লাহ বলেন মুনাফিকদের দানই বরং কবুল হয় না। মুমিনরা ঠিকই সাওয়াব পায়। যাকাতের খাতসমূহ বর্ণিত হয়।
✅ রাসূল (সাঃ) সকলের কথা বিশ্বাস করেন বলে মুনাফিকরা খুশি হয় এই ভেবে যে তাঁকে তারা সহজেই প্রতারিত করছে। আল্লাহ এই ধারণা খণ্ডন করে দেন যে তিনি তাঁর রাসূলকে ঠিকই সব গোপন চক্রান্ত জানিয়ে দেন।নিজেদের মুসলিম দাবি করার পরও মুনাফিকরা কাফিরসুলভ কথাবার্তা বলে। জিজ্ঞেস করলে বলে ঠাট্টা করছিলো। এটাকেও কুফরি আখ্যায়িত করা হয়।
মুনাফিক নারী-পুরুষদের তিরস্কার করে তাদের পূর্বেকার জাতিসমূহের সীমালঙ্ঘনকারীদের সাথে তুলনা করা হয়। মুমিন নারী-পুরুষদের প্রশংসা করে জান্নাতের ওয়াদা করা হয়। কাফিরদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে মৌখিক জিহাদ করতে বলা হয়। তাদের প্রতি কঠোর হতে বলা হয়। গরমের ভয়ে জিহাদ না করতে চাওয়ার মানসিকতা খণ্ডন করে বলা হয় জাহান্নাম এরচেয়েও উত্তপ্ত।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥23👍2❤1
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15🔥6
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আমাদেরকে মুক্ত করার একমাত্র উপায় হলো বন্দীবিনিময় চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করা।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍11🔥6
🔘 ইসলাম ইনসাইট ।। আন্তর্জাতিক (আফগানিস্তান)
🚨 ১১ মাসে ফল রপ্তানি করে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার আয় আফগানিস্তানের !
🔴 ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান কৃষি ও বাণিজ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ মাসে প্রায় ২ লাখ ৯৬ হাজার টন তাজা ফল রপ্তানি করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১৪৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি।
🔴 আফগান গণমাধ্যম তোলো নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইরাক, সৌদি আরব ও কানাডা—এই দেশগুলো আফগানিস্তানের তাজা ফলের প্রধান ক্রেতা।
🔴 শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আখুন্দজাদা আব্দুস সালাম জাওয়াদ জানিয়েছেন,
🔴 এদিকে আফগানিস্তানের কৃষি ও পশুপালন চেম্বার জানিয়েছে, কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে কৃষকদের জন্য বাড়তি সহায়তা এবং খাতের আধুনিকায়ন প্রয়োজন। সংস্থাটির উপপ্রধান মিরওয়াইস হাজি জাদা বলেন, ‘আমাদের ইউরোপীয় বাজারের জন্য মানসম্মত রপ্তানি আরও বাড়াতে হবে, যাতে জার্মানি, নেদারল্যান্ডসসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ আফগানিস্তানের পণ্য গ্রহণ করে।’
এ বছর দেশটি থেকে আপেল, আঙ্গুর, ডালিম, তাজা ডুমুর, অ্যাপ্রিকট, চেরি, তুঁত, তরমুজ ও কালো তুঁতসহ বিভিন্ন ধরনের ফল রপ্তানি হয়েছে। মোট রপ্তানির পরিমাণ ২ লাখ ৯৬ হাজার টন, যা থেকে আয় হয়েছে ১৪৩.১১ মিলিয়ন ডলার।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤30🔥4👍1
✅ আধ্যাত্মিক প্রোডাক্টিভিটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ
আল্লাহ আমার রোযা কবুল করবেন তো? সকল সুন্নাহ নামাজ সময়মত আদায় করেছি তো? কুরআন পড়া হয়েছে?
✅ রামাদান শুধু সেহরি আর ইফতার করার মাস নয়। এ মাস হচ্ছে আধ্যাত্মিকতার শিখরে উঠার মাস, ইবাদাতের মজা পাওয়ার মাস। তাই নিয়মিত নিজের রুটিন ও পরিকল্পনা চেক করুন আর যাচাই করুন যে সবকিছু নিয়মমাফিক হচ্ছে কিনা ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা স্থগিত করার পর ইউরোপ ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা হিসেবে ৩ হাজার কোটি ইউরো (৩২০০ কোটি ডলার) দেওয়ার পরিকল্পনা করে। তবে হাঙ্গেরির আপত্তির মুখে সেই সহায়তা আটকে গেছে। ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের বৈঠকে ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপিত হলে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বান ভেটো দেন। এর ফলে ইইউর সম্মিলিত প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😁21
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔘 ভুলে যাননি তো ?
৪ আগস্ট, লক্ষ্মীপুরের মাটিতে আওয়ামী পুলিশবাহিনী কর্তৃক নৃশংসভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়লেন শহীদ সাদ আল আফনান পাটওয়ারী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেমে শিক্ষার্থী আফনানকে নির্মমভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সেসময় মাদাম ব্রিজ-ঝুমুর এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী।
শহীদ সাদ আল আফনান লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার আরমানি মিঝি মসজিদ এলাকায়। জাতির এক সম্ভাবনাময় তরুণকে নির্মমভাবে হত্যা করলো খুনি আওয়ামী লীগ।
এই রক্তপিপাসু দানবেরা কি ক্ষমার যোগ্য?
৪ আগস্ট, লক্ষ্মীপুরের মাটিতে আওয়ামী পুলিশবাহিনী কর্তৃক নৃশংসভাবে গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়লেন শহীদ সাদ আল আফনান পাটওয়ারী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেমে শিক্ষার্থী আফনানকে নির্মমভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সেসময় মাদাম ব্রিজ-ঝুমুর এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী।
শহীদ সাদ আল আফনান লক্ষ্মীপুর ভিক্টোরিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার আরমানি মিঝি মসজিদ এলাকায়। জাতির এক সম্ভাবনাময় তরুণকে নির্মমভাবে হত্যা করলো খুনি আওয়ামী লীগ।
এই রক্তপিপাসু দানবেরা কি ক্ষমার যোগ্য?
🤬27😢7
সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা (হাফি:) ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদপন্থি আলাউইত সন্ত্রাসীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আত্মসমর্পণ না করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
ইতিমধ্যে শুক্রবার (৭ মার্চ) অন্তত ১৬২ সন্ত্রাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর আগের দিন সেই সন্ত্রাসীরা নতুন সরকারের নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর বর্বর হামলা চালালে বহু হতাহত হয়। পাল্টা অভিযানে সিরীয় বাহিনী হাতে সেইসব আসাদ সমর্থকদের অনেকেই নিহত হয়েছেন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥40👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইসরাইলকে চার দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি। তারা জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে গাজা সীমান্ত ক্রসিংগুলো খুলে দিতে হবে এবং ত্রাণ সরবরাহ পুনরায় শুরু করতে হবে। অন্যথায়, "অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে দেয়া হবে।" আনসারউল্লাহ নেতা সৈয়দ আব্দুল মালিক বদরউদ্দীন আল-হুথি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রাণ প্রবাহ শুরু না হলে লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী ইসরাইলগামী সব জাহাজে পুনরায় হামলা চালানো হবে, যা এতদিন যুদ্ধবিরতির কারণে স্থগিত ছিল।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥34👍4