Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
হিন্দুত্ববাদী মিডিয়ার ভুয়া খবরের পিছনে ফান্ডিং করছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী-লীগ, খোলা হচ্ছে নিত্য নতুন ওয়েবসাইট !
🤬21
হামাস মুজাহিদীনরা সন্ত্রাসী ইসরাইলকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছে। হামাস থেকে বলা হয়েছে, এই কৌশল দখলদার ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
৪ মার্চ গাজা সংকট নিয়ে অনুষ্ঠিত আরব লীগের শীর্ষ সম্মেলন শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস এই আহ্বান জানান। একই সঙ্গে উনারা গাজার পুনর্গঠন পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান।
হামাসের মতে, এই সম্মেলন ফিলিস্তিনিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে উক্ত সম্মেলনটি গাজা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে সন্ত্রাসী ইসরাইলি আগ্রাসন ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আরব ও ইসলামিক দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ সমর্থনেরই প্রতিফলন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤35🔥7👍1
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৫
সূরা মায়িদাহ, আয়াত ৮৩ থেকে ১২০
✅ আবিসিনিয়ার খ্রিষ্টান বাদশা নাজ্জাশি এবং তাঁর কতিপয় প্রতিনিধি কুরআন শুনে বুঝতে পারেন এটি আল্লাহর কালাম। তাঁদের চোখের পানি বেরিয়ে আসে। এঁদের প্রশংসা করে আয়াত নাযিল হয়। হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল বানাতে নিষেধ করা হয়। কসমের কাফফারা সংক্রান্ত বিধান বলা হয়। মদ, জুয়া, লটারি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে এগুলোর অপকারিতা বর্ণিত হয়।
ইহরাম অবস্থায় শিকার করা, সামুদ্রিক খাবার ও স্থলের খাবার খাওয়ার বিধান বর্ণিত হয়েছে। অপবিত্র বস্তুর আধিক্য দেখেই সেগুলোকে পবিত্র না ভাবতে আদেশ করা হয়। আল্লাহর নাযিলকৃত সহজ বিধানগুলো নিয়ে খুঁটিনাটি প্রশ্ন করে জটিলতা বাড়াতে নিষেধ করা হয়। পূর্বের কিছু জাতি এরকম অতিরিক্ত প্রশ্ন করতো, ফলে সেগুলোর জবাবে ওয়াহী নাযিল হয়ে বিধানগুলো এত কঠিন হয়ে যেতো যে তারা নিজেরাই তা আর পালন করতে চাইতো না। ওসিয়ত করা সংক্রান্ত কিছু বিধান বর্ণিত হয়।
✅ হাওয়ারীগণ (ঈসা আঃ এর সাহাবা) ঈসা (আঃ)-কে বলেছিলেন আল্লাহর কাছে দুআ করে মুজিযাস্বরূপ আসমান থেকে একটি মায়িদাহ (খাবারের দস্তরখানা) নাযিল করতে। এরকম মুজিযার ফরমায়েশ করা সাধারণত কাফিরদের স্বভাব হলেও হাওয়ারীদের নিয়ত ছিলো ভিন্ন। তাঁরা এই আসমানী দস্তরখানা দেখে এবং তা থেকে খেয়ে ঈমানকে মজবুত করতে চেয়েছেন। আল্লাহ তা নাযিল করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং সাবধান করে দেন এরপর আর কুফরি করার সুযোগ নেই। অতঃপর কিয়ামাতের দিন ঈসা (আঃ)-কে সেসব মুজিযার কথা স্মরণ করানো হবে, যা তিনি আল্লাহর নির্দেশে করতেন। তারপর জিজ্ঞেস করা হবে তিনি নিজেকে ও তাঁর মা-কে উপাস্য বানানোর কথা প্রচার করতেন কিনা। ঈসা (আঃ) তা অস্বীকার করবেন। ফলে তাঁকে ও মারইয়াম (আঃ)-কে উপাস্য মানা লোকেরা আযাবের উপযোগী হয়ে যাবে।
❤10
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৫ সূরা মায়িদাহ, আয়াত ৮৩ থেকে ১২০ ✅ আবিসিনিয়ার খ্রিষ্টান বাদশা নাজ্জাশি এবং তাঁর কতিপয় প্রতিনিধি কুরআন শুনে বুঝতে পারেন এটি আল্লাহর কালাম। তাঁদের চোখের পানি বেরিয়ে আসে। এঁদের প্রশংসা করে আয়াত নাযিল হয়। হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল বানাতে…
✅ সূরা আন'আমের শুরুতে সমগ্র সৃষ্টিজগতজুড়ে আল্লাহর ক্ষমতা ও জ্ঞানের কথা বর্ণনা করা হয়েছে। কাফিরদের ঈমান আনতে বললে তারা সবসময় অলৌকিক জিনিস দেখতে চাইতো। কিন্তু এসব দেখলেও ঈমান আনতো না, বলতো এগুলো স্রেফ জাদু (জাদু ও মুজিযার পার্থক্য হলো, জাদুতে কেবল চোখের বিভ্রম ঘটে কোনো জিনিসকে অলৌকিক মনে হয়, আর মুজিযার ফলে বাস্তবিকই কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা ঘটে)। মানুষ নবীর বদলে ফেরেশতা আসলো না কেন এ নিয়ে তারা আপত্তি তুলতো। অথচ ফেরেশতা আসলে তো এমন আকৃতি নিয়েই আসতো যা মানুষের দৃষ্টিসীমায় দেখা যায়। ফলে এটাকেও তারা অস্বীকার করার একটা না একটা অজুহাত খুঁজে নিতো। আর এরকম নিদর্শন আসে শেষ সুযোগ হিসেবে। তখন কুফরি করলে একেবারেই সর্বনাশ।
✅ আহলে কিতাবরা মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে কিতাবে বর্ণিত সেই নবী হিসেবে ঠিকই চিনতে পারছে, যেভাবে তারা চেনে নিজ সন্তানদের। তারপরও তারা অস্বীকার করছে। মুশরিকরা আল্লাহর কালাম শুনে এগুলোকে আদিকালের উপাখ্যান বলে ঠাট্টা করে। আখিরাতে তারা বিশ্বাস করে না। কিয়ামাতের দিন তারা দুনিয়ায় শির্ক করার কথা প্রথমে অস্বীকার করে বসবে। পরে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর পুনরায় পৃথিবীতে পাঠানোর আবেদন করবে যাতে এবার ভালো কাজ করে আসতে পারে। আল্লাহ জানিয়ে দেন যে আবার পৃথিবীতে পাঠালে সেই একই কাজই তারা করতো।
রাসূলকে (সাঃ) বলা হয় কাফিরদের কুফরের কারণে অতিরিক্ত মনঃপীড়া না পেতে। পূর্বেকার অনেক জাতিই নবীদের অবাধ্যতা করে ধ্বংস হয়েছে। তাদেরকে সংকট ও প্রাচুর্য উভয় অবস্থা দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। পরে আযাব দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মক্কার মুশরিকরা বলতো মুহাম্মাদ (সাঃ) নবী হলে তাঁর কাছে আল্লাহর ধনভাণ্ডার নই কেন, ফিরিশতা তাঁর সাথে ঘোরে না কেন। তাদের ধারণা খণ্ডন করে বলা হয় নবী হওয়ার অর্থ এই না যে এসব প্রাচুর্য সাথে নিয়ে ঘোরাফেরা করতে হবে। নবীর দায়িত্ব কেবল আল্লাহর বাণীসমূহ পৌঁছে দেওয়া।
✅ মক্কার বড় বড় নেতারা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আশেপাশে গরীব লোকদের দেখে হাসাহাসি করতো। বলতো, আল্লাহ অনুগ্রহ করার জন্য তাদের মতো হোমরাচোমরাদের ফেলে এদেরকেই খুঁজে পেলেন! অথচ যারা ঈমান আনে, তারা গরীব হলেও ওইসব সম্ভ্রান্ত অহংকারীদের চেয়ে ভালো। যেই আযাবের ভয় দেখানো হয়, তা নিয়ে আসার জন্য কাফিররা চ্যালেঞ্জ করতো। তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে তা কখন, কীভাবে আসবে তা রাসূল (সাঃ) এর হাতে নয়, বরং আল্লাহরই এখতিয়ারে।
বিপদে পড়লে কাফির মুশরিকরাও যে অন্য সব দেবদেবীদের ভুলে গিয়ে চুপিসারে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চায়, তা উন্মোচন করা হয়েছে বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে। তারপরও বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার পর তারা শিরক করে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানুষের নিজেদের মধ্যকার যুদ্ধগুলো যেকোনো সময় আযাব হিসেবে চলে আসার ভয় দেখানো হয়। ধর্মকে খেলতামাশার বস্তু বানানো এসকল মুশরিক থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। তবে দাওয়াহ দিতে হবে এই আশায় যে তারা সুপথ পাবে। শয়তান কীভাবে এদেরকে নিজ 'হিদায়াত' (পথ) এর দিকে ডেকে উদ্ভ্রান্ত করে দেয়, তা উপমা আকারে দেখানো হয়েছে। আল্লাহ প্রদত্ত হিদায়াতই আসল হিদায়াত।
✅ কিয়ামাত সংঘটিত হওয়া কেবল আল্লাহর একটি হুকুমের ব্যাপার। তিনি বলবেন 'হও', আর তা হয়ে যাবে। ইবরাহীম (আঃ) এর পিতা আযার ছিলো মূর্তিপূজক। বরং পুরো সম্প্রদায়ই এরকম ছিলো। ইবরাহীম (আঃ) এগুলোর অসারতা বুঝতে পারেন। নক্ষত্র, চাঁদ, সূর্য উপাস্য হতে পারে কিনা এ নিয়ে চিন্তাভাবনার পর তিনি এক আল্লাহর উপাসনায় মনস্থির করেন। তাঁর সম্প্রদায় তাঁর সাথে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়। তিনি জানিয়ে দেন যে তারাই যখন মিথ্যা উপাস্যের মোকাবেলায় আল্লাহকে ভয় করছে না, তখন তাঁর কী কারণ থাকতে পারে যে তিনি আল্লাহর মোকাবেলায় এসব মিথ্যা উপাস্যদের ভয় করবেন।
✅ এরপর অন্যান্য কয়েকজন নবীর কথা বলা হয়। এঁরা সবাই বিশুদ্ধ তাওহীদের দিকে হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিলেন। ইবরাহীমের বংশধর হিসেবে গর্ব করা আরব মুশরিকরা এখন চাইলে হিদায়াত গ্রহণ করুক, অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত হোক। মুহাম্মাদ (সাঃ) তো তাদেরকে ইসলাম গ্রহণ করানোর মাধ্যমে কোনো দুনিয়াবি পারিশ্রমিক চাচ্ছেন না, অর্থাৎ তাঁর কোনো স্বার্থ এখানে নেই।
✅ রাসূলকে (সাঃ) অস্বীকার করতে গিয়ে কিছু আহলে কিতাব বলে বসে যে আল্লাহ কোনো কিতাব নাযিল করেন না। তাদের গোমর ফাঁস করে বলা হয় যে মূসা (আঃ) এর প্রতি নাযিলকৃত কিতাবে তারা বিশ্বাস করে, সেই সাথে এর অনেক অংশ নিজেদের সুবিধামতো বিকৃত করে ও লুকিয়ে রাখে। সৃ্ষ্টিজগতের বিভিন্ন জিনিসের উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয় আল্লাহ কীভাবে প্রাণ সৃষ্টি করেন, মৃতকে পুনর্জীবিত করেন। চিন্তাশীলদের এগুলো নিয়ে চিন্তা করার জন্য বলা হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤15
Islam Insight
মুশরিকদের কেউ কেউ জিনদেরকে আল্লাহর সাথে শরীক করতো, কেউ ফেরেশতাদের আল্লাহর কন্যা ভাবতো, খ্রিষ্টানরা ঈসা (আঃ)-কে আল্লাহর পুত্র ভাবে। এসব ভুল ধারণা খণ্ডন করা হয়। আল্লাহ কোনোকিছুর জন্মদাতা নন, বরং স্রষ্টা। জন্মদানের মাধ্যমে বংশবিস্তারের প্রয়োজন তাদেরই থাকে যারা সত্ত্বাগতভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। আল্লাহ চাইলে সবাইকে জোরপূর্বক ঈমানদার বানিয়ে দিতেন। কিন্তু পরীক্ষার জন্য তাদের সকলকে স্বাধীন বোধবুদ্ধি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর ঈমান না আনলে অতিরিক্ত দুঃখ পেতে নিষেধ করা হয়। তাদের উপাস্যকে গালি দিতে নিষেধ করা হয়, নাহলে তারা অজ্ঞতাবশত আল্লাহকে গালি দিবে।
মুহাম্মাদ (সাঃ) নিজে কুরআনের মতো রচনাশৈলী রপ্ত করেছেন, এমন আজগুবি দাবি করতে কাফিররাও সাহস পেতো না। তাই তাদের কেউ বলতো যে অন্য কেউ তাঁকে এসব শিক্ষা দিয়েছে। অন্যত্র এ দাবি খণ্ডন করা হয়েছে। কাফিররা জোরালো কসম করে বলে মুজিযা দেখলে তারা ঈমান আনবে। অথচ কুরআন শুনেই তারা ঈমান আনতে পারেনি, অন্য কোনো নিদর্শন দেখলেও এভাবেই মুখ ফিরিয়ে নিবে। পূর্বেকার নবীদের সাথেও কাফিররা এমন আচরণই করেছিলো, অথচ তারাও মনে মনে বুঝতো যে এগুলো আল্লাহর কালাম।
❤19👍1
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা (হাফি:) ঘোষণা করেছেন যে, তাঁর দেশ গাজায় চলমান আগ্রাসন বন্ধ করতে এবং ফিলিস্তিনি জনগণকে সহায়তা দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
দামেস্ক থেকে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "গাজার জনগণের প্রতি আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব রয়েছে। ইসরাইলি নৃশংসতা বন্ধে সিরিয়া যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত।"
ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান ইসরায়েলি বর্বরতার নিন্দা জানিয়ে আল শারা (হাফি:) আরও বলেন, "গাজায় যে গণহত্যা চলছে, তা মানবতাবিরোধী অপরাধ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখনই এই আগ্রাসন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।"
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤45👍3
আফগানিস্তান সম্পর্কে নেতিবাচক রিপোর্টগুলো জাতিসংঘের কাছে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করে ইউনামা। আর দুর্ভাগ্যবশত, ভুল ও ত্রুটিযুক্ত এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে আফগানিস্তান সম্পর্কে বিশ্বের কাছে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে চলেছে জাতিসংঘ। আফগান সরকারের উন্নয়ন, অর্জন, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা কখোনোই ইউনামার রিপোর্টে স্থান পায়নি।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬23😢4
✅ অনেক সময় আমরা প্রোডাক্টিভ আমল করি শুধুমাত্র আমল করার তাড়না থেকে। তাই ঘন ঘন নিজের নিয়ত নবায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা জানি যে, প্রত্যেক কাজই নিয়তের উপর নির্ভরশীল।
✅ প্রোডাক্টিভ আমল করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন,
"আমি এই কাজ আল্লাহর জন্য করছি তো?”
✅ সূরা আল আনআমের ১৬২ নম্বর আয়াতটি পড়ুনঃ "আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবানী এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে।”
✅ কোনো সিয়াম পালনকারীকে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করান।
✅ প্রতিদিন সাধ্যমতো কিছু দান করুন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17👍1
সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি একদিকে আরাকানে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশি জেলেদের বারবার অপহরণ করে করে নিয়ে যাচ্ছে। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বর্বরতা দ্রুত বন্ধ করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এখনই কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬23👍1
ভারতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আসল চেহারা আবারও প্রকাশ পেল। উত্তর প্রদেশের দাসনা মন্দিরের উগ্র হিন্দু পুরোহিত ইয়াতি নরসিংহানন্দ প্রকাশ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি দায়েশের মতো একটি উগ্র সংগঠন গঠনের ইঙ্গিতও দিয়েছে।
সম্প্রতি দাসনা মন্দিরের ভেতরে দেওয়া এক বক্তব্যে নরসিংহানন্দ বলেছে, হিন্দুদের এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত। এজন্য এই সন্ত্রাসী হিন্দুদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার জন্য উত্তর প্রদেশের সন্ত্রাসী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাহায্য চায়।
অনেকেই নরসিংহানন্দের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে গুজরাটের কসাই নরেন্দ্র মোদী ও সন্ত্রাসী যোগী আদিত্যনাথ তাকে রক্ষা করছে।
ভারতে ক্রমেই উগ্র হিন্দুত্ববাদী চক্রের আসল রূপ প্রকাশ পাচ্ছে, যা দেশটির ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার জন্য ভয়ংকর হুমকি হয়ে উঠছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬34👍1😢1
সবচেয়ে বড় দাবিটি ছিল—সন্ত্রাসী ইসরালের আগ্রাসনে বাস্তুচ্যুতদের দ্রুত তাদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সিরিয়ার জনগণ এখন আর অপেক্ষা করতে রাজি নয়, তারা সন্ত্রাসী ইসরালের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত!
সোর্স: আল-মায়াদিন
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥30👍1
মংডু, বুথিডং ও রাথিডংয়ে রোহিঙ্গাদের বিনা পারিশ্রমিকে রাস্তা নির্মাণে বাধ্য করছে, পাশাপাশি প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজনকে রাতে পাহারায় থাকতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ওপরও মোটা অঙ্কের কর চাপিয়ে দিচ্ছে—স্বর্ণের দোকান, ফার্মেসি ও মুদি দোকানের মালিকদের ১ লাখ থেকে ১০ লাখ কিয়াত পর্যন্ত চাঁদা দিতে বাধ্য করা করছে সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি।
সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা ভয়াবহ মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।
মুসলিম উম্মাহকে এখনই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমদের অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। ইসলাম জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নির্দেশ দিয়েছে, তাই আরাকানকে মুক্ত করে সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির দখলদারিত্ব ধ্বংস করা এবং বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে আরাকানে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬15
দীর্ঘদিন ধরে শিখস ফর জাস্টিস (এসএফজে) সংগঠনের আন্দোলন অবহেলা করে আসছিল ভারত, যার ফলশ্রুতিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেই এবার অপমানের মুখে পড়তে হলো।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥26👍1
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সব পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন। তারা জানিয়েছে, বাণিজ্য যুদ্ধ, শুল্ক যুদ্ধ বা অন্য যে কোনো যুদ্ধের জন্য তারা প্রস্তুত।
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির প্রতিক্রিয়ায় চীনও মার্কিন কৃষিপণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। চীনের ওয়াশিংটন দূতাবাস সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক বার্তায় জানিয়েছে, তারা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।
বুধবার চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ঘোষণা দেন, প্রতিরক্ষা ব্যয় ৭.২% বাড়ানো হবে। বেইজিংয়ের বার্তা স্পষ্ট অর্থনৈতিক সংকট ও শুল্ক যুদ্ধের মাঝেও চীনের অগ্রগতি থামবে না।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥17😁2
Islam Insight
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤13🔥7👍5
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে, উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রের উস্কানিমূলক বক্তব্যের পর শুরু হওয়া দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত হন যার মধ্যে ৪০ জনই ছিলেন মুসলিম। আহতের সংখ্যা ৫০০-এরও বেশি যাদের বেশিরভাগই মুসলিম। তখন দাঙ্গার ছুতোয় আরএসএস ও বিজেপির কর্মীরা জাফরাবাদ, মৌজপুর, চাঁদবাগ ও মুস্তাফাবাদে মুসলিমদের ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে। কিন্তু তারপর বিচারের নামে যা চলেছে তা আরও ভয়াবহ।
পুলিশ ৭৫৮টি মামলা রুজু করে এবং ২০০০-এর বেশি মানুষকে গ্রেফতার করে কিন্তু বিজেপি সরকার কর্তৃক পালিত সেই পুলিশদের লক্ষ্য ছিল উল্টো মুসলিম সমাজের কর্মী ও আন্দোলনকারীরা। দিল্লি সংখ্যালঘু কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পুলিশ মুসলিমদের এফআইআর গ্রহণ করেনি বরং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো দিল্লির দাঙ্গার আসল ষড়যন্ত্রকারী কপিল মিশ্র এখন দিল্লির আইন ও বিচারমন্ত্রী! উমর খালিদ, খালিদ সাইফি, গুলফিশান ফাতিমার মতো প্রতিবাদীরা আজও কারাগারে বন্দি, তাদের জামিন পর্যন্ত মঞ্জুর হয়নি।
দিল্লি দাঙ্গা শুধু একটি দাঙ্গা নয়, এটি হিন্দুত্ববাদী শাসনের মুসলিমবিদ্বেষী নীতির প্রতিচ্ছবি। ভারতের মুসলিমরা বসে নেই আজও তারা সাহসের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই অন্যায় কি কখনো থামবে? নাকি হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের ভাগ্য চিরকাল বিচারহীনতায় আটকে থাকবে?
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬16😢4👍1
আগামী ২৭ মার্চ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের পাঠানো বিশেষ ফ্লাইটে দেশটির উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সফরকালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে ২৮ মার্চ ড. ইউনূসের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের হাইনান প্রদেশে আগামী ২৫ থেকে ২৮ মার্চ বাউ (বিওএও) ফোরাম ফর এশিয়ার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনটিতে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানায় চীন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥22❤3
জাতিসংঘ ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা এপ্রিল থেকে $১২.৫০ থেকে কমিয়ে মাত্র $৬ করা হবে। অর্থ সংকটের কারণে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীর জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে।
শরণার্থী কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমান রেশনই অপর্যাপ্ত, আরও কাটছাঁট হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢26💔2
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০৬
সূরা আ'রাফ, আয়াত ১ থেকে ২০৬
✅ বিশুদ্ধ তাওহীদের প্রতি ঈমান আনতে বলা হয়। পূর্বের জাতিসমূহ সীমালঙ্ঘন করার পর তাদের কাছে অকস্মাৎ আযাব এসেছে, রাতে বা দুপুরে বিশ্রামের সময়। তখন তারা আর ঈমান আনার সুযোগ পায়নি। কিয়ামতের দিন উম্মাত এবং রাসূলগণ উভয়পক্ষই নিজ নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। আমলনামা ওজন করা হবে। অস্বীকারকারীদের মীযানের পাল্লা হালকা হবে।
ইবলীস অহংকারের কারণে আদাম (আঃ)-কে সেজদা করার হুকুম অমান্য করে। ফলে সে অভিশপ্ত হয়। সে আল্লাহর কাছে কিয়ামাত পর্যন্ত হায়াত চায়, যেন মানুষদের চারদিক থেকে পথভ্রষ্ট করতে পারে। আল্লাহ তার এই দুআ কবুল করে তার অনুসারীদেরসহ তাকে দিয়ে জাহান্নাম পরিপূর্ণ করার ওয়াদা করেন। আদাম-হাওয়া (আঃ)-কে জান্নাতে রেখে তাঁদের একটি গাছের নিকটবর্তী হতে মানা করা হয়। শয়তান একদিন তাঁদের প্ররোচিত করে। কসম করে নিজেকে কল্যাণকামী দাবি করে। ওই গাছটির স্বাদ নিলে তাঁরা অমর বা ফেরেশতা হয়ে যাবেন বলেই আল্লাহ এটি খেতে নিষেধ করেছেন বলে দাবি করে। তার কথামতো কাজ করার পর তাঁদের লজ্জাস্থান উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। আল্লাহ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাঁরা ইবলীসের মতো অহংকার না করে মাফ চান। আল্লাহ তাঁদের মাফ করে সকলকে জমিনে পাঠিয়ে দেন সাময়িক জিন্দেগির পরীক্ষাস্বরূপ।
✅ আল্লাহ আমাদের সাবধান করে দেন যে, শয়তান যেভাবে আমাদের পূর্বপুরুষদের উলঙ্গ করেছে, আমাদের যেন সেভাবে প্ররোচিত করে অশ্লীলতার দিকে নিতে না পারে। মূলত মুশরিকরা যে উলঙ্গ হয়ে কাবা তাওয়াফ করতো, তার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। লজ্জা নিবারণ ও সৌন্দর্যের জন্য আল্লাহর দেওয়া পোশাক পরতে বলা হয়। আর তাকওয়ার পোশাকই সর্বোত্তম। সালাতে যাওয়ার সময় সাজসজ্জা গ্রহণ করতে বলা হয়। খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করতে বলা হয়, অপচয় করতে নিষেধ করা হয়। দুনিয়াতে মুমিনরা আল্লাহর দেওয়া হালাল দ্রব্যাদি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করবে। আর আখিরাতের নিয়ামতও বিশেষভাবে মুমিনদেরই জন্য। মুশরিকরা যেসব মনগড়া হারামের বিধান নিজেদের উপর চাপিয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। আসল হারাম হলো শির্ক, অন্যের প্রতি সীমালঙ্ঘন, প্রকাশ্য ও গোপন অশ্লীলতা।
কিয়ামাতের দিন সব যুগের কাফিররা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তারা একে অপরকে দোষারোপ করবে এবং একজন আরেকজনের জন্য দ্বিগুণ আযাবের দুআ করবে। মিথ্যা উপাস্য ও নেতৃবর্গ সেদিন তাদের সাহায্য করবে না। মুমিনরা জান্নাতে মিলেমিশে থাকবে। তাদের মনের দুঃখ-কষ্ট, শত্রুতা ভুলিয়ে দেওয়া হবে। আর যেসব ঈমানদারের গুনাহ ও নেকি সমান, তারা আরাফে ঘোরাফেরা করবে। একবার জান্নাতিদের দেখে সালাম দিবে, একবার জাহান্নামিদের তিরস্কার করবে (আরাফবাসীরাও পরে জান্নাতে যাবে)। জাহান্নামীরা জান্নাতিদের অনুরোধ করবে এক ফোঁটা পানি হলেও তাদের উপর ফেলতে। ঘোষণা করা হবে যে এই দিনে এসব নিয়ামত কাফিরদের উপর হারাম।
✅ আল্লাহর বিভিন্ন সৃষ্ট নিদর্শনের কথা বর্ণনা করে দেখানো হয় কীভাবে দুনিয়াতেই মৃত থেকে জীবিত ও জীবিত থেকে মৃতকে বের করা হচ্ছে। অতএব আখিরাতের অস্তিত্ব অসম্ভব কিছু নয়। নূহ, হুদ, সালিহ, লূত ও শুআইব(আলাইহিমুসসালাম) নবীগণের কাহিনী সংক্ষেপে পরপর বলা হয়। সকল ক্ষেত্রেই লক্ষণীয় বিষয় হলো- তাঁদের সম্প্রদায়গুলোর কমন সমস্যা ছিলো শির্ক। শির্কের পাশাপাশি একেক কওমের একেক সমস্যা ছিলো। অহংকার, অত্যাচার, সমকামিতা ও ওজনে কমবেশি করার মতো গুনাহে তারা লিপ্ত ছিলো। নবীগণ তাওহীদের দাওয়াত দিলে সকল ক্ষেত্রেই দুর্বল লোকেরা কথা শুনতো। আর সমাজের রুইকাতলারা বিরোধিতা করতো। তারা মুজিযা দেখানোর আবদার করতো। অথচ মুজিযা দেখেও ঈমান আনতো না।
সকল জাতিকেই সংকট ও প্রাচুর্য দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। সীমালঙ্ঘন করার ফলে অবশেষে আচমকা এমন সময়ে আযাব এসেছে যে একেবারে অপ্রস্তুত অবস্থায় পুরো জাতি ধ্বংস হয়ে গেছে। কেবল সংশ্লিষ্ট নবী ও তাঁর মুষ্টিমেয় অনুসারীরা রক্ষা পেয়েছে। মূসা (আঃ) এর কাহিনী বিস্তারিত বলা হয়েছে। ফিরআউনকে মুজিযা দেখানোর পরও ঈমান আনতে ও জুলুম থেকে নিবৃত হতে অস্বীকার করে। রাজ্যের জাদুকরদের সাথে মূসার (আঃ) প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। জাদুকররা মোকাবেলার সময় তাদের জাদু (দৃষ্টিবিভ্রম) ও মূসার মুজিযার (বাস্তবিক অতিপ্রাকৃত ঘটনা) পার্থক্য বুঝতে পেরে ঈমান আনে। ফিআউন ক্রোধে দিশা হারিয়ে ফেলে একে ষড়যন্ত্র আখ্যায়িত করে এবং বনী ইসরাইলকে অত্যাচার করতে থাকে। ফিরআউনের কওমের উপর ভয়ংকর কিছু আযাব পরপর আসে। বন্যা, পঙ্গপাল, ঘুনপোকা, ব্যাঙ ও রক্ত।
✅ প্রতিবারাই তারা মূসার কাছে এসে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে অনুরোধ করে ঈমান আনার অঙ্গিকার করে। আযাব সরে যাওয়ার পর আবার ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে। অবশেষে বনী ইসরাইলকে ধাওয়া করার সময় ফিরআউন ও তার লস্কর লোহিত সাগরে ডুবে মরে।
❤13👍1
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০৬ সূরা আ'রাফ, আয়াত ১ থেকে ২০৬ ✅ বিশুদ্ধ তাওহীদের প্রতি ঈমান আনতে বলা হয়। পূর্বের জাতিসমূহ সীমালঙ্ঘন করার পর তাদের কাছে অকস্মাৎ আযাব এসেছে, রাতে বা দুপুরে বিশ্রামের সময়। তখন তারা আর ঈমান আনার সুযোগ পায়নি। কিয়ামতের দিন উম্মাত এবং রাসূলগণ…
✅ শাম-ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের সীমায় নিরাপদে প্রবেশ করার পর বনী ইসরাইল ও মূসা-হারুন (আঃ) এর বিচিত্র কাহিনী শুরু হয়। এতদিন আল্লাহর এত নিয়ামাত দেখেও দাসত্বমনা বনী ইসরাইল জাতি অন্য এক জাতিকে মূর্তিপূজা করতে দেখে মূসাকে অনুরোধ করে ওদের জন্যও একটা পূজার মূর্তি বানিয়ে দিতে। মূসা (আঃ) এর নসিহতে তারা নিবৃত হয়।
✅ মূসা (আঃ)-কে তাওরাত দেওয়ার জন্য আল্লাহ তাঁকে তূর পাহাড়ে ডেকে নেন। তিনি আল্লাহকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তূর পাহাড়ে আল্লাহ তাজাল্লী নিক্ষেপ করলে মূসা (আঃ) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর তিনি আল্লাহর ক্ষমতা ও নিজের আবদারের পার্থক্য উপলব্ধি করেন। ফলকে লেখা তাওরাত নিয়ে তিনি ফেরত আসেন।
✅ এদিকে মূসার (আঃ) অনুপস্থিতিতে হারুন (আঃ) বনী ইসরাইলের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। তারা তাঁকে অমান্য করে এক জাদুকরের বানানো স্বর্ণের বাছুরের উপাসনা শুরু করে। মূসা (আঃ) ফিরে এসে আবারও নসিহত করে তাদের নিবৃত করেন। এভাবেই উম্মাতকে সরলপথে ধরে রাখতে নবীগণ অনেক কষ্ট করেছেন। আবার বারবার ভুল করার পরও উম্মাতদের আল্লাহ বারবার মাফ করে বারবার সুযোগ দিয়েছেন। তাওরাত-ইঞ্জিলের এসব কাহিনী একজন নিরক্ষর ব্যক্তি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করছেন, এটাও মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুওয়তের একটি প্রমাণ।
✅ এছাড়াও আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের আলেমরা ঘুষের বিনিময়ে মানুষের সুবিধামতো কিতাব বিকৃত করতো। রুহের জগতে থাকা অবস্থায় আল্লাহ আমাদের থেকে সাক্ষ্য নিয়েছেন যে তিনিই আমাদের রব্ব। অতএব, বাপদাদাকে শির্ক করতে দেখাটা শির্ক করার জন্য কোনো অজুহাত নয়। মুশরিকরা আল্লাহর উপর এমন বৈশিষ্ট্য আরোপ করতো, যা তাঁর বৈশিষ্ট্য নয়। আবার এমন বৈশিষ্ট্য অস্বীকার করতো যা আসলে আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। তাই আল্লাহকে তাঁর সুন্দরতম গুণবাচক নামসমূহ ধরে ডাকতে আদেশ করা হয়। মূর্তিপূজার অসারতা বর্ণনা করে আল্লাহর ইবাদাত ও যিকিরের কিছু সুন্দর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়।
✅ মূসা (আঃ)-কে তাওরাত দেওয়ার জন্য আল্লাহ তাঁকে তূর পাহাড়ে ডেকে নেন। তিনি আল্লাহকে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তূর পাহাড়ে আল্লাহ তাজাল্লী নিক্ষেপ করলে মূসা (আঃ) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর তিনি আল্লাহর ক্ষমতা ও নিজের আবদারের পার্থক্য উপলব্ধি করেন। ফলকে লেখা তাওরাত নিয়ে তিনি ফেরত আসেন।
✅ এদিকে মূসার (আঃ) অনুপস্থিতিতে হারুন (আঃ) বনী ইসরাইলের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। তারা তাঁকে অমান্য করে এক জাদুকরের বানানো স্বর্ণের বাছুরের উপাসনা শুরু করে। মূসা (আঃ) ফিরে এসে আবারও নসিহত করে তাদের নিবৃত করেন। এভাবেই উম্মাতকে সরলপথে ধরে রাখতে নবীগণ অনেক কষ্ট করেছেন। আবার বারবার ভুল করার পরও উম্মাতদের আল্লাহ বারবার মাফ করে বারবার সুযোগ দিয়েছেন। তাওরাত-ইঞ্জিলের এসব কাহিনী একজন নিরক্ষর ব্যক্তি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করছেন, এটাও মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুওয়তের একটি প্রমাণ।
এত নিয়ামাতের পরও বনী ইসরাইল পরবর্তীতে কিতাব বিকৃত করে। সপ্তাহে একদিন শনিবারে কাজকর্ম করা নিষিদ্ধ থাকার মতো সহজ বিধান অমান্য করে সেদিন তারা মাছ ধরতো। কিছু লোক নিজেরা না ধরলেও, যারা ধরতো তাদের হিদায়াতের ব্যাপারে হতাশ হয়ে তাদেরকে মানা করা ছেড়ে দিয়েছিলো। কিছু লোক নিজেরাও এ কাজ থেকে বিরত থাকতো, অন্যদেরও তা হতে নিষেধ করতো। প্রথমোক্ত দলটিকে আল্লাহ আযাব দিয়ে বানরে পরিণত করেন।
✅ এছাড়াও আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের আলেমরা ঘুষের বিনিময়ে মানুষের সুবিধামতো কিতাব বিকৃত করতো। রুহের জগতে থাকা অবস্থায় আল্লাহ আমাদের থেকে সাক্ষ্য নিয়েছেন যে তিনিই আমাদের রব্ব। অতএব, বাপদাদাকে শির্ক করতে দেখাটা শির্ক করার জন্য কোনো অজুহাত নয়। মুশরিকরা আল্লাহর উপর এমন বৈশিষ্ট্য আরোপ করতো, যা তাঁর বৈশিষ্ট্য নয়। আবার এমন বৈশিষ্ট্য অস্বীকার করতো যা আসলে আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। তাই আল্লাহকে তাঁর সুন্দরতম গুণবাচক নামসমূহ ধরে ডাকতে আদেশ করা হয়। মূর্তিপূজার অসারতা বর্ণনা করে আল্লাহর ইবাদাত ও যিকিরের কিছু সুন্দর পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়।
❤15