লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় আবারও কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে সন্ত্রাসী বিএসএফ। তবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার রাতে সীমান্তের প্রধান ডিএএমপি পিলার ২ নম্বরের ৩ থেকে ৮ নম্বর উপপিলার দহগ্রামে অবৈধভাবে কাঁটাতারের বেড়া দেয় বিএসএফ। খবর পেয়ে আজ সকালে বিজিবি সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন দহগ্রাম আঙ্গরপোতা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার লুৎফর রহমান। এ সময় নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে বিএসএফ সদস্যরাও কাঁটাতারের বেড়ার পাশে অবস্থান নেয়। এতে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
বিষয়টি নিয়ে বিকেলে অরুণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে কলোনিপাড়া শূন্যরেখায় প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী পতাকা বৈঠক করে বিজিবি। এতে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন পানবাড়ী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আইয়ুব আলী। ভারতের বিএসএফ বোটবাড়ী কোম্পানি কমান্ডার জালম সিংয়ের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেন।
এ ঘটনা ঘিরে সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার লুৎফর রহমান।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🤬20👍1
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে: প্রেস উইং
🔴 ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে খুনি হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার সেই থেকে পবিত্র রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, তথ্য অনুযায়ী বলতে পারি গত রোজার থেকে এই রোজায় বেশিরভাগ পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। পুরো রোজা ধরে দাম যাতে সহনীয় পর্যায়ে থাকে সেই ফোকাস সরকারের আছে। সামনে আরও উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা।
🔴 শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান,
🔴 তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রয়াসে অনেক পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে এসেছে বলে বলতে পারি। ভোজ্যতেলসহ কিছু পণ্যের সরবরাহ বাড়াতে সরকার প্রতিদিন মনিটর করছে বলে জানান প্রেসসচিব। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি যোগান সামনের দিকে আরও বাড়বে। আশা করা যায় দামও সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।
ভোজ্য তেল, ছোলা, খেজুরসহ যেসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে সেগুলো সহনীয় রাখতে ইনটেনসেভলি কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ট্যারিফ কমিশন কাজ করছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤19👍1
🔵 শহীদ ইজ্জুদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেড – তুলকারেম ব্রিগেড:
পবিত্র রমাদ্বন মাস উপলক্ষে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আল্লাহ সুবহানাহু তা'য়ালা আমাদের ও আপনাদের জন্য এই মাসকে কল্যাণ ও বিজয়ের বার্তা হিসেবে ফিরিয়ে আনুন। আমাদের বন্দিরা মুক্ত হোক, আমাদের পবিত্র ভূমিগুলো হোক দখলদারদের নাপাকতা থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। আমীন ইয়া রব্বাল আ'লামীন।
❤33👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
স্বৈরাচার আসাদমুক্ত সিরিয়াতে উৎসবের মাধ্যমে রমাদ্বনকে বরণ করেছে সিরিয়ানবাসীরা। আজ তারা স্বাধীনভাবে রমাদ্বন কাজে লাগাতে পারছেন ❤️
❤39👍1
✅ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু তা'য়ালার যিনি আমাদেরকে আরেকটি রমাদ্বন পাবার তাওফিক দিয়েছেন। গতবছরের রামাদানের চেয়ে এ বছরের রামাদান নিঃসন্দেহে অনেক অনুকূল পরিস্থিতিতে এসেছে। গতবছর আমরা দেখেছি রামাদানে গাজায় গণহত্যা চলছিলো। আরাকানে মজলুম রোহিঙ্গা মুসলিমরা গণহত্যার শিকার হচ্ছিলো। একইসাথে আমাদের দেশে রমাদ্বন পালনে ইসলামবিরোধীদের প্রচন্ড বাধা চলমান ছিল। গণইফতারগুলোতে হামলা করছিলো হিন্দুত্ববাদীদের দোসর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা। সিরিয়াতে চলছিলো স্বৈরাচার আসাদের শাসন।
✅ আলহামদুলিল্লাহ, বছর ঘুরতেই আল্লাহ আমাদেরকে এর চেয়ে উত্তম পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলেন। গাজা যুদ্ধ সাময়িক বন্ধ হলো খুনি হাসিনার হাত থেকে দেশ মুক্ত হলো। সিরিয়া নুসাইরিদের হাত থেকে মুক্ত হলো।সেইসাথে আরাকানের স্বাধীনতাকামী মুজাহিদীনরা দূর্বার গতিতে বিজয়ের দিকে আগাচ্ছেন।
✅ তাই আমাদের উচিত আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা, প্রচন্ড বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে মাথা ঝুঁকে দেওয়া। আমরা অনেক বড় জুলুম থেকে বের হয়েছি বটে, তবে সামগ্রিকভাবে ইসলামের শত্রুদের জুলুম থেকে মুক্ত হতে পারিনি।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤20👍1
লালমনিরহাটের দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে ফের কাঁটাতারের বেড়া ও লোহার খুঁটি বসিয়েছে ভারতীয় সন্ত্রাসী সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এবার কাজটি চোরের মতো করা হয়েছে গভীর রাতে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের বাধায় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
পতাকা বৈঠকের নামে আর হিন্দুত্ববাদী ভারতকে ছাড় দেয়া চলবে না, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুতই এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍15🤬11
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান ৩০ বছরের গঙ্গা চুক্তির পরিণতিও কি তিস্তার মতো হবে? পানিসম্পদবিষয়ক দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের আগে নদী বিশেষজ্ঞ মহলে তেমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে গঙ্গা চুক্তি পর্যালোচনা করতে বাংলাদেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সোমবার (৩ মার্চ) কলকাতায় যাচ্ছে। পাঁচ দিনের এই সফরে তারা কলকাতায় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করা ছাড়াও ফারাক্কায় যাবে।
ভারতের কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কমিশনার আর আর সাম্ভারিয়া পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে বিষয়টি জানান। তিনি এক চিঠিতে বলেন, কলকাতায় বাংলাদেশের ওই প্রতিনিধিদলের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত খুনি হাসিনার সময় ভারতের সাথে করা এই অবাঞ্ছিত ও একপাক্ষিক চুক্তিকে পরিপূর্ণ বাতিল করা।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍11😁4
তুরস্কের ইস্তাম্বুল রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আয়োজন করেছে আরাকান হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ও ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এনজিওস ফেডারেশন (IDSB)। এতে বক্তারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও মগ সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির সংঘর্ষে রোহিঙ্গাদের চরম সংকট, দমন-পীড়ন, সম্পত্তি দখল, ধর্ষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তুলে ধরেন এবং জরুরি ত্রাণ সহায়তা ও আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান জানান।
সেমিনারে তুরস্কের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারের দুর্দশার কথা বলেন, যেখানে খাবারের অভাব, স্বজনদের বিনা বিচারে আটক ও প্রতিনিয়ত নিরুদ্দেশ হওয়ার ঘটনা উঠে আসে। ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এনজিওস ফেডারেশনের প্রতিনিধি তুরস্কের সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনার শেষে ত্রাণ সহায়তা, প্রচার জোরদার, শিক্ষা উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সুপারিশ করা হয় সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤21
হামাস মুজাহিদীনরা এক বিবৃতিতে পশ্চিম তীর, জেরুজালেম ও সহ অন্যান্য ফিলিস্তিনিদের আহ্বান জানিয়েছেন রমজানে আল-আকসা মসজিদে অবস্থান, ইতেকাফ ও প্রতিরোধে অংশ নেওয়ার জন্য। তাদের মতে, এই পবিত্র মাসে ইবাদত ও প্রতিরোধের মাধ্যমে আল-আকসাকে দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করা সম্ভব। বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনিদের প্রতিও সংহতির আহ্বান জানিয়ে হামাস মুজাহিদীনরা বলেছে, গাজা, পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমের জনগণের সমর্থনে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত।
এদিকে, আল-আকসা মসজিদের খতিব শেখ ইকরিমা সাবরি (হাফি:) অভিযোগ করেছেন যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার অজুহাতে ফিলিস্তিনিদের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা দখলদার নীতিরই অংশ। প্রতিবছর রমজানে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো ইবাদতে বাধা সৃষ্টি করে যা পূর্ব জেরুজালেমের ইসলামি পরিচয় মুছে ফেলার বৃহত্তর ইসরাইলি পরিকল্পনার অংশ।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤36👍3
✅ রোযা রাখার জন্য নিজের নিয়তকে বিশুদ্ধ করুন। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোযা রাখার নিয়ত করুন।
✅ সেহরিতে উঠার জন্য অনেকগুলো অ্যালার্ম সেট করে রাখুন। বরকতময় সেহরির খাবার কোনভাবেই যাতে মিস না হয়।
✅ প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াতের জন্য ন্যূনতম ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করে রাখুন।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤28
Islam Insight
রাত তখন গভীর। শরণার্থী ক্যাম্পের বাতাসে একটা চাপা আর্তনাদ ভেসে আসছে। টিনের ঘরের কোণে ফাতেমা নিজের কোল জড়িয়ে বসে আছে। নয় বছরের মেয়ে ছোট্ট আমেনা মায়ের গায়ে মুখ লুকিয়ে ঘুমিয়ে আছে। কিন্তু ফাতেমার চোখে ঘুম নেই। এক মুহূর্তের জন্যও নয়।
তার চোখের সামনে এখনো সেই ভয়ঙ্কর রাতের কথা মনে পড়ে। সেই ভয়ংকর রাতে সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি (AA) তাদের গ্রামে হামলা করেছিল।
"তোমরা এই জমির মালিক নও! এই গ্রাম এখন আমাদের!"—চিৎকার করে বলছিল তারা।
আজ তিন বছর হয়ে গেল তারা বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে। এই দেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে, কিন্তু ফাতেমা কি সত্যিই নিরাপদ? ক্যাম্পের জীবনের চরম দারিদ্র্য, রেশন লাইনে দাঁড়ানোর অপমান, মেয়েটার জন্য সামান্য খাবার সংগ্রহের সংগ্রাম—সব মিলিয়ে এক অসহনীয় বাস্তবতার মুখোমুখি ফাতেমা!
🔹 তার মেয়ে আমেনা জানে না, তার বাবাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
🔹 সে জানে না, তার মা যে পোশাক পরে, সেটাও দান করা কারও পুরোনো কাপড়।
🔹 সে জানে না, তার জন্মভূমি কী ছিল, কেন সে ঘরে ফিরতে পারছে না।
"আপনার কী প্রয়োজন?"
لَا يَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي يُقَاتِلُونَ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِينَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ"
"আমার উম্মতের একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত সত্যের জন্য লড়াই করতে থাকবে।" (সহিহ মুসলিম: ১৯২৩)
যদি না করি তাহলে কাল কিয়ামতে আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবো আমরা ?
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢22👍4💔1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
🔘 ইসলাম ইনসাইট ।। আন্তর্জাতিক (ভারত)
🔴 গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশের হাপুরে হিন্দুত্ববাদী নরপিশাচরা তাদের ইসলামবিদ্বেষী চরিত্রের ঘৃণ্য বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। মোগল সম্রাটদের ছবি পাবলিক টয়লেটে লাগিয়ে সেই শৌচাগারগুলোকে তাদের নামে নামকরণের দাবি তুলেছে! কি ভাবছেন এটা শুধু ইসলামি মোগল ইতিহাসের প্রতি ঘৃণা ? না, এইটি ভারতে মুসলিম গৌরবময় ইতিহাসের উপর সরাসরি আঘাত!
🔴 কিন্তু তাদের এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র কখনোই সফল হবে না! ভারতের মুসলিমরা শক্ত হাতে রুখে দিবে ইনশাআল্লাহ!🔴
এই হীনম্মন্য, বিকৃত মস্তিষ্কের হিন্দুত্ববাদীরা কি ভুলে গেছে মোগলরা ভারতের ইতিহাস, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ? তাজমহল, লাল কিলা, ফতেহপুর সিক্রির মতো অনন্য স্থাপত্য শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের বিস্ময়! অথচ, বিজেপি ও আরএসএসের সন্ত্রাসীরা এই মহান ইতিহাসকে মুছে দিতে চায়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤22🤬6👍2
রোববার (২ মার্চ) দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এসব তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, তার (সাইফুল আলম) বিরুদ্ধে দুদকে একটি অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ক্যান্টনমেন্টে তার বাসা থেকে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। যা জব্দ করা হয়েছে।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👏11🔥4
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০১ সূরা বাকারা, আয়াত ১-২০১ কুরআনকে মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াহ বলার পর মুত্তাকীদের কতিপয় বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে। তারপর কাফির ও মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। তারপর কাফির মুনাফিকদের অবস্থা কয়েকটি উপমার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। মানুষের…
আজকের_তারাবীহ
রামাদান_০২
সূরা বাকারাহ, আয়াত ২০২ থেকে ২৮৬
✅ হাজ্জের বিধিবিধান বর্ণনা শেষে মুনাফিক ও সাচ্চা ঈমানদারের পার্থক্য বর্ণনা করে ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ করার হুকুম করা হয়েছে। কাফিররা বলতো স্বয়ং আল্লাহ নিজেকে দেখা দিয়ে হুকুম করলে তারা মানবে। অথচ আল্লাহর নিদর্শনসমূহ দেখেও ঈমান না আনা এইসকল লোকেরা যে হঠকারি মানসিকতার কারণেই এই অজুহাত দেয়, তা উন্মোচন করা হয়েছে।
✅ কাফিররা নিজেদের ধনসম্পদের প্রাচুর্যের দিকে ইঙ্গিত করে বলতো আল্লাহ তাদের প্রতি খুশিই আছেন। আখিরাতে তাদের অবস্থা কেমন হবে আর ঈমানদারদের মর্যাদা কত বেশি হবে, তা স্মরণ করিয়ে আল্লাহ তাদের ভুল ধারণা খণ্ডন করেন।
✅ আদম (আঃ) থেকে শুরু করে মানবজাতি একই উম্মত ছিলো, পরে তারা বিভিন্ন মনগড়া ধর্মমতে ভাগ হয়ে পড়ে। আল্লাহ যুগে যুগে কিতাব আকারে তাঁর হিদায়াত পাঠান। যারা নিজেরাই এই কিতাব বিকৃত করে ফেলেছে, তাদের দুর্ভোগের কথা বলা হয়। ঈমানদারদেরকে আল্লাহ এসব থেকে বাঁচিয়ে সঠিক পথের দিশা দেন।
✅ পূর্ববর্তী নবী ও উম্মতগণ কত কষ্টের মাঝে দিয়ে অতিক্রম করেছেন, তা জানিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া হয়। অতঃপর যুদ্ধ ফরজ করার হেকমত বর্ণিত হয়।
✅ কুরাইশদের কাফেলা আক্রমণের ঘটনায় সাহাবিদের হাতে একজন মারা যায়, কিন্তু তা ঘটে পবিত্র মাসসমূহের শেষ দিনে, যেসব মাসে যুদ্ধ নিষিদ্ধ ছিলো। কাফিররা এটা নিয়ে তোলপাড় করে ফেলে যে মুসলিমরা নিজেরাই পবিত্র মাসসমূহের সম্মান করে না। আল্লাহ এ ব্যাপারে আয়াত নাযিল করে কাফিরদের আরো বড় বড় সব গুনাহের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দেখান যে এই একটা বিষয়ে তাদের এত মায়াকান্না শোভা পায় না। এর বিপরীরতে ঈমানাদার মুহাজির মুজাহিদদের আল্লাহর রহমতের সুসংবাদ দেওয়া হয়।মদ-জুয়া নিষিদ্ধ করার প্রাথমিক স্তরের আয়াত নাযিল হয়, যেখানে বলা হয় এসব জিনিসে সামান্য উপকার থাকলেও ক্ষতি অনেক বেশি।
✅ ইয়াতীমদের লালনপালনের ব্যাপারে মধ্যমপন্থার সবক দেওয়া হয়। খুব কড়াকড়ি করতে গিয়ে নিজ পরিবারকে অভুক্ত রাখাও যাবে না, আবার ইয়াতীমদের একেবারে অবহেলাও করা যাবে না। মুশরিকদের সাথে বিবাহসম্পর্ক স্থাপন নিষেধ করা হয়। ঈমানদার দাসদাসীও মুশরিক সম্ভ্রান্তদের চেয়ে উত্তম। ঋতুস্রাব চলাকালীন সহবাস না করা, যেসব পথে সহবাস জায়েয সেসব রাস্তায় পছন্দমতো সহবাস করার হুকুম বর্ণিত হয়।
✅ আরবদের মাঝে কথায় কথায় কসম করার প্রবণতা আছে। অনর্থক কসমের ব্যাপারে বিধান বর্ণিত হয়েছে। তারপর তালাক, ইদ্দত, মোহর, শিশুকে দুগ্ধদান, বিধবা বিবাহ, বিবাহের ইচ্ছাপোষণ করা, বিবাহের প্রস্তাব পাঠানো, বিধবা ও তালাকপ্রাপ্তাদের খোরপোষের ব্যাপারে ন্যায়সঙ্গত পন্থা কী হবে তা বর্ণনা করা হয়েছে। সালাতের গুরুত্বের কথা দিয়ে এ বিধবিধান বর্ণনা শুরু হয়েছিলো, শেষে এসে এর কথা আবার বলা হয়, বিশেষ করে আসরের সালাত। যুদ্ধাবস্থায়ও সালাতের গুরুত্ব ও বিধান বলা হয়।
আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে জীবন ও সম্পদ কোরবানি করার উৎসাহ দিয়ে কয়েকটি কাহিনী বর্ণনা করা হয়, যেখানে দেখানো হয় হায়াত-মাওত আল্লাহর হাতে। আর সবসময় উম্মাহর মাঝে এমন লোক ছিলো, যারা বিভিন্ন অজুহাতে জিহাদ থেকে দূরে থাকে।
✅ প্রাচীনকালের কোনো এক সম্প্রদায় জীবন বাঁচানোর লক্ষ্যে ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যায়। আল্লাহ তাদের মৃত্যু দিয়ে আবার জীবিত করে দেখিয়ে দেন মৃত্যু তাকদিরে থাকলে তা আসবেই। নবী উযাইর (আঃ)-কে আল্লাহ একবার মৃত্যু দিয়ে একশ বছর পর পুনর্জীবিত করেন। নবীদের ঈমানকে মজবুত করতে আল্লাহ এরকম চাক্ষুষ নিদর্শন দেখাতেন তাঁদের।
✅ এছাড়া ইবরাহীম (আঃ)-কে চারটি পাখি জবাই করে কেটে তাদের গোশত মিশিয়ে চারটি পাহাড়ের চূড়ায় রেখে ডাক দিতে বলা হয়। এতে পাখিগুলো অবিকৃত অবস্থায় জীবিত হয়ে তাঁর দিকে ছুটে আসে। নমরুদ একজন কয়েদীকে হত্যা করে, আরেকজনকে ছেড়ে দিয়ে বোকার মতো নিজেদে জীবন-মৃত্যুর মালিক দাবি করে। ইবরাহীম (আঃ) তাকে সূর্য পশ্চিম দিকে থেকে উদিত করে দেখাতে বললে তার অপারগতা প্রকাশ পেয়ে যায়।
✅ এছাড়া বনী ইসরাইলের একটি ঘটনা বর্ণিত হয়। সামুয়েল (আঃ) এর নবুওয়ত কালে বনী ইসরাইল তাঁর কাছে গিয়ে নিজেদের জন্য একজন বাদশাহ নিযুক্ত করে দিতে বলে যাতে তাঁর অধীনে জিহাদ করতে পারে। সামুয়েল (আঃ) বলেন তারা যে চরম মুহূর্তে গিয়ে পিঠটান দেবে না, তারা গ্যারান্টি কী। বনী ইসরাইল আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলতে থাকে ভিটেমাটি থেকে উতখাত হয়েও কেন তারা জান লাগিয়ে জিহাদ করবে না! তারপর আল্লাহর নির্দেশে তালূত (আঃ) বাদশাহ নিযুক্ত হন।
✅ তিনি বনী ইসরাইলের যোদ্ধাদের কিছু কঠিন পরীক্ষার মাঝ দিয়ে নেন। বেশিরভাগই এতে ঝরে পড়ে। বাকিরা আল্লাহর উপর ভরসা রাখে যে, আল্লাহর সাহায্যে কত ছোট দলই তো কত বড় দলকে হারিয়েছে। তালূত (আঃ) এর বাহিনী জালূতের বিশাল সেনাবাহিনীর মোকাবেলা করে। তালূত (আঃ) এর বাহিনীতে দাউদ (আঃ) ছিলেন, যিনি তখনও নবী হননি। তিনি মহাশক্তিধর জালূতকে হত্যা করে বনী ইসরাইলের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
❤14
Islam Insight
আজকের_তারাবীহ রামাদান_০২ সূরা বাকারাহ, আয়াত ২০২ থেকে ২৮৬ ✅ হাজ্জের বিধিবিধান বর্ণনা শেষে মুনাফিক ও সাচ্চা ঈমানদারের পার্থক্য বর্ণনা করে ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ করার হুকুম করা হয়েছে। কাফিররা বলতো স্বয়ং আল্লাহ নিজেকে দেখা দিয়ে হুকুম করলে তারা মানবে। অথচ আল্লাহর…
✅ এসব কাহিনীর ফাঁকেই আল্লাহর মহাক্ষমতার বর্ণনা সম্বলিত আয়াতুল কুরসি রয়েছে। এবার যার ইচ্ছা হয় আল্লাহর উপর ভরসা করে তাঁর রাস্তায় কাজ করবে, কোনো জবরদস্তি নেই। আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক আর তাগুত কাফিরদের অভিভাবক। আল্লাহর পথে দানসদকা করলে সাতশ গুণ বা তারও বেশি সাওয়াব হয়। দান করে খোঁটা দেওয়ার স্বভাবকে তিরস্কার করা হয়েছে। উত্তম কথা বলার আদেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন উপমা দিয়ে দেখানো হয়েছে এসব খোঁটার কারণে কীভাবে দানের সাওয়াব নষ্ট হয়ে যায়। লোক দেখানোর নিয়ত না থাকলে প্রকাশ্যেও দান করা যায়, তবে গোপনে করা আরো উত্তম। গরীবদের পাশাপাশি সেসব মিসকীনকেও খুঁজে খুঁজে দান করতে বলা হয় যারা আত্মসম্মানের জন্য হাত পাততে পারে না।
✅ সুদের লেনদেন নিষিদ্ধ করে ব্যবসা ও দান - সদকাকে প্রশংসা করা হয়েছে। পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা মাফ। এখন থেকে আর কেউ সুদ লেনদেন করবে না। পাওনা টাকার সুদ মাফ করে শুধু আসল ফেরত নেবে। যারা অন্যথা করবে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাঃ) বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নিক। অস্বচ্ছল দেনাদারদের অবকাশ দেওয়া বা ক্ষমা করার আদেশ করা হয়। লেনদেনের ক্ষেত্রে সাক্ষীসহ লিখিত ডকুমেন্ট রাখার গুরুত্ব ও নিয়ম নিয়ে বলা হয়। লেখার সুযোগ না থাকলে জিনিস বন্ধক রাখার নিয়মাদি বর্ণনা করা হয়।
🔴 আল্লাহ কারো উপর সাধ্যাতীত বোঝা চাপান না। ঈমানদারদের দায়িত্ব হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশসমূহের প্রতি "শুনলাম ও মানলাম" মানসিকতা রাখা। আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, কিতাবসমূহ ও রাসূলগণের উপর ঈমান আনতে হবে। আল্লাহ যেন আমাদের উপর সাধ্যাতীত দায়িত্ব না দেন, আমাদের ভুলত্রুটি মাফ করেন ও কাফিরদের বিরুদ্ধে সাহায্য করেন, সেই দুআ শেখানোর মাধ্যমে শেষ হয় কুরআনের দীর্ঘতম এই সূরা।🔴
✅ সুদের লেনদেন নিষিদ্ধ করে ব্যবসা ও দান - সদকাকে প্রশংসা করা হয়েছে। পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা মাফ। এখন থেকে আর কেউ সুদ লেনদেন করবে না। পাওনা টাকার সুদ মাফ করে শুধু আসল ফেরত নেবে। যারা অন্যথা করবে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাঃ) বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নিক। অস্বচ্ছল দেনাদারদের অবকাশ দেওয়া বা ক্ষমা করার আদেশ করা হয়। লেনদেনের ক্ষেত্রে সাক্ষীসহ লিখিত ডকুমেন্ট রাখার গুরুত্ব ও নিয়ম নিয়ে বলা হয়। লেখার সুযোগ না থাকলে জিনিস বন্ধক রাখার নিয়মাদি বর্ণনা করা হয়।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤14
Islam Insight
✅ এসব কাহিনীর ফাঁকেই আল্লাহর মহাক্ষমতার বর্ণনা সম্বলিত আয়াতুল কুরসি রয়েছে। এবার যার ইচ্ছা হয় আল্লাহর উপর ভরসা করে তাঁর রাস্তায় কাজ করবে, কোনো জবরদস্তি নেই। আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক আর তাগুত কাফিরদের অভিভাবক। আল্লাহর পথে দানসদকা করলে সাতশ গুণ বা তারও বেশি সাওয়াব…
✅ সূরা আলে ইমরানের শুরুতে বলা হয়েছে আল্লাহ ফুরকান নাযিল করেছেন, যার অর্থ সত্যমিথ্যার প্রভেদকারী। হতে পারে এটি কুরআন, অথবা আল্লাহর নাযিলকৃত অন্য কোনো জ্ঞান। কুরআনের কিছু আয়াত স্পষ্ট আদেশনির্দেশাদি সম্বলিত বা মুহকামাত। এগুলোই কিতাবের মূল অংশ যা আমাদের পালন করতে হবে। আর কিছু আয়াত আমাদের পূর্ণ জ্ঞানে আয়ত্ত করা সম্ভব না, এদের বলে মুতাশাবিহাত। যেমন আলিফ-লাম-মীম এর অর্থ, আল্লাহর আরশে আরোহণের স্বরূপ। যাদের মনে বক্রতা আছে তারা এগুলো নিয়ে অপ্রয়োজনীয় দার্শনিক আলাপে লিপ্ত হয়ে পথভ্রষ্ট হয়। আমাদের দায়িত্ব কেবল এগুলোর প্রতি ঈমান আনা।
✅ কুফর অবলম্বনকারীরা শক্তিশালী হলেও ফিরআউনের মতো পরাজিত হবে। বদরের প্রান্তরে কাফিররা এভাবেই শক্তিশালী হওয়ার পরও পরাজিত হয়। ঈমানদাররা দুনিয়ার মোহাবিষ্টকারী জিনিসের চেয়ে আখিরাতের স্থায়ী সম্পদকে বেশি ভালোবাসে। তারা ধৈর্যশীল, ইবাদতগুজার, আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়কারী ও ফজরের ওয়াক্তের আগ মুহূর্তে সাহরির সময়ে ইস্তিগফারকারী।
বনী ইসরাইলীরা ভাবে তারা জাহান্নামে গেলেও অল্প সময়ের জন্য যাবে, কারণ তারা আল্লাহর প্রিয়পাত্র। আল্লাহ তাদের কিতাব বিকৃত করা ও নবীদেরকে হত্যা করার কথা স্মরণ করিয়ে আযাবের 'সুসংবাদ' দেন। মুসলিমরা রোম ও পারস্য বিজয় করবে এমন কথা শুনে তারা হাসতো। অথচ আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন, যাকে ইচ্ছা লাঞ্চিত করেন। মুমিনগণ যেন মুমিনদের নিজেদের ছেড়ে কাফিরদেরকে বন্ধু না বানায়। অবশ্য দুর্বল অবস্থায় আত্মরক্ষার প্রয়োজন হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহকে ভালোবাসলে রাসূলের অনুসরণ করতে হবে।
✅ ইমরানের স্ত্রী তাঁর গর্ভের সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করার নিয়ত করেন। কিন্তু কন্যাসন্তান হওয়ায় একটু হতাশ হন। এই কন্যা ছিলেন মারইয়াম (আঃ)। তাঁর দ্বারা দ্বীনের যে খেদমত হয়, তা কোনো ছেলের দ্বারা হওয়া সম্ভব ছিলো না। তিনি বায়তুল আকসার খাদিমা থাকাকালে আসমান থেকে তাঁর কাছে রিযিক আসতো। কুমারী অবস্থায় তাঁর গর্ভে ঈসা (আঃ) আসেন, যিনি আল্লাহর ইচ্ছায় শিশুবয়সে কথা বলার মাধ্যমে তাঁর মা-কে ব্যভিচারের অপবাদ থেকে রক্ষা করেন।
✅ ইমরানের মৃত্যুর পর লটারি করে মারইয়ামের অভিভাবক ঠিক করা হয় যাকারিয়া (আঃ)-কে। তিনি মারইয়াম (আঃ) এর কাছে আসমানী রিযিক আসতে দেখে বৃদ্ধ বয়সেও সন্তানলাভের জন্য আশান্বিত হন। আল্লাহর কাছে দুআ করলে তাঁকে ইয়াহইয়া (আঃ) নামক সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়। নবুওয়াতি ক্যারিয়ারে ইয়াহইয়া (আঃ) ছিলেন ঈসা (আঃ) এর সহায়তাকারী।
✅ ঈসা (আঃ) আল্লাহর হুকুমে মাটির পাখিতে প্রাণ ফুঁকে দেওয়া, মৃতকে জীবিত করা, জন্মান্ধ ও কুষ্ঠরোগীকে আরোগ্য করার মুজিযা দেখাতেন। তিনি তাওরাতকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেন। তবে মূসার (আঃ) শরিয়তের কিছু হারাম বস্তু ঈসার (আঃ) শরিয়তে হালাল হয়। হাওয়ারীগণ (ঈসা আঃ এর সাহাবা) আল্লাহর রাস্তায় সাহায্যকারী হওয়ার ওয়াদা করেন। কাফিররা চক্রান্ত করলে আল্লাহ তাঁকে তুলে নেন। ঈসা (আঃ) এর উপর ঈমান আনয়নকারীদেরকে কুফরিকারীদের উপর প্রবল করার প্রতিশ্রুতি দেন।
ইতিহাসেও দেখা যায় বেশিরভাগ সময়ে মুসলিম ও খ্রিষ্টানরা অন্যান্য জাতির উপর প্রবল ছিলো। ঈসা (আঃ) আল্লাহর অলৌকিক সৃষ্টি, যেমন আদম (আঃ) ছিলেন পিতামাতাবিহীন সৃষ্টি। আল্লাহর কাছ থেকে এ সত্য আসার পরও যারা বিতণ্ডা করে, তাদের সাথে প্রয়োজনে মুবাহালা করতে বলা হয়। মুবাহালা হলো বিতণ্ডায় কোনো পক্ষ সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখার পরও হঠকারিতা করলে উভয়পক্ষ সপরিবারে উপস্থিত হয়ে বাতিল পক্ষের উপর আল্লাহর আযাব কামনা করা।
✅ ইবরাহীম (আঃ)-কে ইয়াহুদীরা ইয়াহুদী মনে করে, খ্রিষ্টানরা খ্রিষ্টান মনে করে। অথচ এ দুটো নাম এসেছে তাওরাত ও ইঞ্জিল নাযিলের পর, আর ইবরাহীম (আঃ) ছিলেন এর আগের। ইবরাহীমের সবচেয়ে নৈকট্যের দাবিদার মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উপর ঈমান আনা মুসলিমরা। আহলে কিতাবরা তা জেনেও গোপন করছে।
✅ আহলে কিতাবদের কেউ কেউ প্ল্যান করে যে একদিন তারা ঈমান আনার ভান করে পরে অস্বীকার করে বলবে 'আমরা মুহাম্মাদকে (সাঃ) কাছ থেকে দেখেছি। এই লোক কিতাবে বর্ণিত সেই নবী নয়।' এতে লোকজনকে বিভ্রান্ত করা সহজ হবে। আল্লাহ তাদের পরিকল্পনা ফাঁস করে দেন। তাদের অনেকে ভালো আমানতদার, আবার অনেকে খিয়ানতকারী। কারণ তারা ভাবে আহলে কিতাবদের বাইরে কারো আমানতের খিয়ানত করা পাপ নয়। তাদের অনেকে কিতাব তিলাওয়াতের সময় জিহ্বা বক্র করে এর কথা পরিবর্তন করে ফেলতো। এভাবেই ইয়াহুদীরা উযাইর (আঃ)-কে এবং খ্রিষ্টানরা ঈসা (আঃ) কে আল্লাহর পুত্র বানিয়ে ছাড়ে। অথচ জ্ঞানবান মাত্রই বুঝতে পারে তাওহীদের দাওয়াত প্রদান করা এই নবীগণ নিজেদেরকে আল্লাহর স্থানে বসাতে পারেন না।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
❤17👍1
জুলাই গণআন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় দুজন পুলিশ কর্মকর্তা ও ছাত্রলীগ নেতাসহ চার জনকে আগামী ৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এই চার জন হলেন পুলিশের এসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম ও বেরোবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান চৌধুরী আকাশ।
রবিবার (২ মার্চ) এ বিষয়ে প্রসিকিউশনের করা একটি আবেদন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ কথা জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম।
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
🔥15❤1