এক ভাই ইমেইল টা করেছিলো।
প্রথম এ ভাবলাম Reply করি পরে চিন্তা করলাম এদের এইভাবে রিপ্লাই না দিয়ে একটু খোলামেলা ভাবে Publicly Reply দেই।
তাহলে যদি কিছু মানুষ দেখে শিক্ষা নেয়।
বিষয় হচ্ছে এইরকম দুইদিন পর পর হুজুগে একটা Platform আসে এবং প্রথম প্রথম ভালো লাভজনক টাকা দেয়। পরবর্তীতে যখন ইনভেস্ট বাড়তে থাকে তখন বড়শিঁর টোপের মত টুস করে টান দিয়ে পুরো টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
কয়দিন আগে পুলিশ এর একজন অফিসার আমাকে নক দিয়ে বলেন যে ভাই এটা কি সত্যি নাকি।
অনেকজন কে দেখলাম ইনভেস্ট করতে এবং লাভ পেয়ে অনেকজন খুশি ও দেখলাম, তবে অফিসার বল্লো বিষয়টা আমার কাছে কেন জানি খটকা লাগতেছে।
পরে উনাকে বল্লাম ভাই আপনি সঠিক ধরতে পারছেন এজন্যই খটকা লাগতেছে এরা MLM Type Model কিংবা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর মত এরা জনগণ বাড়ায় প্রথম প্রথম ভালো লাভ দেয়।
এরপর যখন বিশাল টাকা জমা হয় সব নিয়ে পালিয়ে যায়।
কিছু দিন আগে আরো একটা এমন সাইট এসেছিলো যেখানে মুভির টিকিট এর কাহিনী ছিলো যাইহোক এইরকম রেগুলার নতুন নতুন প্রতারক আসে আর কিছু মানুষ ও বরাবর এইসব এ টাকা ঢেলে নিজের সব কিছুই হারায়।
কিন্তু বাস্তবতা হইলো যে এইভাবে আসলে এইসব এর Prevention হয়না।
এর কারণ আমাদের বিশাল সংখ্যক মানুষ অনেক লোভী।
"কাজ না কৈরা কিংবা কঠোর পরিশ্রম না কৈরা যদি কিছু টেকা পয়সা আসে এতে খারাপ কি।"
এই উপরের কথাটা তারা ভেবে সবচেয়ে বড় ভুল করে এবং তখন লোন কিংবা নিজের সকল সেভিংস এইসব ভুয়া জায়গায় ইনভেস্ট করে সব শেষ করে ফেলে।
তো এই ইমেইল এর একটাই Reply হতে পারে "উচিৎ কাজ হয়েছে, অতি লোভ এ তাঁতি নষ্ট।" এর বাহিরে কিছু নয়।
এইসব কাজ থেকে বিরত থাকুন এবং সব সময় একটা জিনিস চিন্তা করবেন পরিশ্রম ছাড়া জীবনের কোন কিছু বেশী সময় টিকে না।
তাহলে অনেক প্রতারণা থেকে বেঁচে যাবেন।
চাইলে পোস্টটি শেয়ার করে যারা এইসব বিষয় এ খুব দ্রুত পটে যায় এদের একটু সাবধান করতে পারেন। - আব্দুল্লাহ আল জাবের
প্রথম এ ভাবলাম Reply করি পরে চিন্তা করলাম এদের এইভাবে রিপ্লাই না দিয়ে একটু খোলামেলা ভাবে Publicly Reply দেই।
তাহলে যদি কিছু মানুষ দেখে শিক্ষা নেয়।
বিষয় হচ্ছে এইরকম দুইদিন পর পর হুজুগে একটা Platform আসে এবং প্রথম প্রথম ভালো লাভজনক টাকা দেয়। পরবর্তীতে যখন ইনভেস্ট বাড়তে থাকে তখন বড়শিঁর টোপের মত টুস করে টান দিয়ে পুরো টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
কয়দিন আগে পুলিশ এর একজন অফিসার আমাকে নক দিয়ে বলেন যে ভাই এটা কি সত্যি নাকি।
অনেকজন কে দেখলাম ইনভেস্ট করতে এবং লাভ পেয়ে অনেকজন খুশি ও দেখলাম, তবে অফিসার বল্লো বিষয়টা আমার কাছে কেন জানি খটকা লাগতেছে।
পরে উনাকে বল্লাম ভাই আপনি সঠিক ধরতে পারছেন এজন্যই খটকা লাগতেছে এরা MLM Type Model কিংবা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর মত এরা জনগণ বাড়ায় প্রথম প্রথম ভালো লাভ দেয়।
এরপর যখন বিশাল টাকা জমা হয় সব নিয়ে পালিয়ে যায়।
কিছু দিন আগে আরো একটা এমন সাইট এসেছিলো যেখানে মুভির টিকিট এর কাহিনী ছিলো যাইহোক এইরকম রেগুলার নতুন নতুন প্রতারক আসে আর কিছু মানুষ ও বরাবর এইসব এ টাকা ঢেলে নিজের সব কিছুই হারায়।
কিন্তু বাস্তবতা হইলো যে এইভাবে আসলে এইসব এর Prevention হয়না।
এর কারণ আমাদের বিশাল সংখ্যক মানুষ অনেক লোভী।
"কাজ না কৈরা কিংবা কঠোর পরিশ্রম না কৈরা যদি কিছু টেকা পয়সা আসে এতে খারাপ কি।"
এই উপরের কথাটা তারা ভেবে সবচেয়ে বড় ভুল করে এবং তখন লোন কিংবা নিজের সকল সেভিংস এইসব ভুয়া জায়গায় ইনভেস্ট করে সব শেষ করে ফেলে।
তো এই ইমেইল এর একটাই Reply হতে পারে "উচিৎ কাজ হয়েছে, অতি লোভ এ তাঁতি নষ্ট।" এর বাহিরে কিছু নয়।
এইসব কাজ থেকে বিরত থাকুন এবং সব সময় একটা জিনিস চিন্তা করবেন পরিশ্রম ছাড়া জীবনের কোন কিছু বেশী সময় টিকে না।
তাহলে অনেক প্রতারণা থেকে বেঁচে যাবেন।
চাইলে পোস্টটি শেয়ার করে যারা এইসব বিষয় এ খুব দ্রুত পটে যায় এদের একটু সাবধান করতে পারেন। - আব্দুল্লাহ আল জাবের
❤22
MTFE এর স্ক্যাম নিয়ে অনেক লেখা চোখে পড়ত। এ ঘরানার আরো বহু বহু এপস করোনার পর থেকে বেশ জনপ্রিয়। এড দেখে ইনকাম সহ এরকম নানা কিছু।
তবে MTFE এর ইউজাররা বলত Ai রোবোট দিয়ে ট্রেডিং এটা, তাই এতে রিস্ক নেই। এটা স্ক্যাম না। সাথে ক্রিপ্টো আর ট্রেডিং এর মাসালা ত ছিলই।
আমাদের দেশের মানুষ বোকা ও লোভী। এ দুটো জিনিস এক সাথে হওয়া ভয়ংকর। বেশির ভাগ মানুষকে এখন Ai বললে ভাববে এটাতো স্ক্যাম বা প্রতারণা অথচ এই Ai বহু আগে থেকে আছে। নূন্যতম জ্ঞান না থাকার কারণে আমাদের মাথায় প্রশ্ন আসেনি, "এআই আর রোবট দিয়ে ট্রেডিং যদি এত লাভ হয় তাহলে যারা এআই বানিয়েছে ওরা কেনো এসব করছে না?"
কিন্তু নাহ, এসব নিয়ে জানার কোনো ইচ্ছে ত আমাদের নেই। আছে অপরিসীম লোভ।
একটা সিম্পল জিনিস মনে রাখুন, সহজে টাকা ইনকাম করুন, ঘরে বসে টাকা ইনকাম করুন, সাইড বিজনেস করুন, মাত্র পাচ হাজার টাকায় ঘরে বসে ইনকাম, প্যাসিভ ইনকাম, ক্রিপ্টো ট্রেডিং এরকম যত লেখা ভিডিও দেখবেন এড়ায় যাবেন। যদি টাকা ইনকাম এত সহজ হত তাহলে এসব ভিডি বানানো ব্যাক্তিরা এসব বানাত না,বরং ওই সময়টাতে টাকা ইনকামই করত।
বিশ্বের বড় বড় ধনী ওয়ারেন বাফেট সহ যারা আছে ওদের কখনো, ওদের জীবদ্দশায় ওরা কখনো মানুষকে শর্টকাটে টাকা ইনকাম এর রাস্তা বলে নাই। ওদের কাছে রাস্তা আছে, ওরা এসব রাস্তা কাজে লাগায়।
যে ধনী সে কখনো আপনাকে ধনী হবার পথ বলবে না, সিম্পল। ওকে?
(আজকাল চ্যাটজিপিটি আর মিডজার্নি কিংবা ড্রেস রিমুভাল এপ থেকে এআই নিয়ে আমরা পাগল। অথচ এগুলো এআই এর খুব সামান্য কিছু সার্ভিস। এআই এর ফিল্ড অনেক অনেক বড়, আপনাদের ধারণার ও বাইরে। যাহোক দিনশেষে এআই শব্দটার মানইজ্জত নষ্ট করলাম আমরা।)
তবে MTFE এর ইউজাররা বলত Ai রোবোট দিয়ে ট্রেডিং এটা, তাই এতে রিস্ক নেই। এটা স্ক্যাম না। সাথে ক্রিপ্টো আর ট্রেডিং এর মাসালা ত ছিলই।
আমাদের দেশের মানুষ বোকা ও লোভী। এ দুটো জিনিস এক সাথে হওয়া ভয়ংকর। বেশির ভাগ মানুষকে এখন Ai বললে ভাববে এটাতো স্ক্যাম বা প্রতারণা অথচ এই Ai বহু আগে থেকে আছে। নূন্যতম জ্ঞান না থাকার কারণে আমাদের মাথায় প্রশ্ন আসেনি, "এআই আর রোবট দিয়ে ট্রেডিং যদি এত লাভ হয় তাহলে যারা এআই বানিয়েছে ওরা কেনো এসব করছে না?"
কিন্তু নাহ, এসব নিয়ে জানার কোনো ইচ্ছে ত আমাদের নেই। আছে অপরিসীম লোভ।
একটা সিম্পল জিনিস মনে রাখুন, সহজে টাকা ইনকাম করুন, ঘরে বসে টাকা ইনকাম করুন, সাইড বিজনেস করুন, মাত্র পাচ হাজার টাকায় ঘরে বসে ইনকাম, প্যাসিভ ইনকাম, ক্রিপ্টো ট্রেডিং এরকম যত লেখা ভিডিও দেখবেন এড়ায় যাবেন। যদি টাকা ইনকাম এত সহজ হত তাহলে এসব ভিডি বানানো ব্যাক্তিরা এসব বানাত না,বরং ওই সময়টাতে টাকা ইনকামই করত।
বিশ্বের বড় বড় ধনী ওয়ারেন বাফেট সহ যারা আছে ওদের কখনো, ওদের জীবদ্দশায় ওরা কখনো মানুষকে শর্টকাটে টাকা ইনকাম এর রাস্তা বলে নাই। ওদের কাছে রাস্তা আছে, ওরা এসব রাস্তা কাজে লাগায়।
যে ধনী সে কখনো আপনাকে ধনী হবার পথ বলবে না, সিম্পল। ওকে?
(আজকাল চ্যাটজিপিটি আর মিডজার্নি কিংবা ড্রেস রিমুভাল এপ থেকে এআই নিয়ে আমরা পাগল। অথচ এগুলো এআই এর খুব সামান্য কিছু সার্ভিস। এআই এর ফিল্ড অনেক অনেক বড়, আপনাদের ধারণার ও বাইরে। যাহোক দিনশেষে এআই শব্দটার মানইজ্জত নষ্ট করলাম আমরা।)
🔥6
এ নিউজটা পড়ুন। হ্যাকিং কিভাবে হয় তার কিছু বাস্তব উপায় পাবেন এখানে। জেনে রাখা ভালো:
https://www.prothomalo.com/business/6b3jn2z8fu
https://www.prothomalo.com/business/6b3jn2z8fu
❤2👏1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রতারণার হাতিয়ার এক কেজি আটা আর তেল!
এক কেজি আটা আর তেলের বিনিময়ে কৌশলে প্রতারক চক্র সংগ্রহ করছে জাতীয় পরিচয়পত্র, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আইরিশ। এতথ্য দিয়ে খোলা হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব সম্বলিত সিমকার্ড ভয়াবহ সব অপরাধী চক্রের হাতে তুলে দিচ্ছে তারা।
এক কেজি আটা আর তেলের বিনিময়ে কৌশলে প্রতারক চক্র সংগ্রহ করছে জাতীয় পরিচয়পত্র, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আইরিশ। এতথ্য দিয়ে খোলা হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব সম্বলিত সিমকার্ড ভয়াবহ সব অপরাধী চক্রের হাতে তুলে দিচ্ছে তারা।
😢28
৩ সেপ্টেম্বর মুঠোফোনের ডেটা প্যাকেজ নিয়ে নতুন একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে ডেটার ৩ ও ১৫ দিন মেয়াদি প্যাকেজ থাকছে না। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্যাকেজের সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৪০টি। আর মেয়াদ হবে ৭ দিন, ৩০ দিন ও আনলিমিটেড (নির্দিষ্ট মেয়াদহীন)। এটি আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
😢16❤1
ডেঞ্জারাস AI.!!
Artificial Intelligence.
..
তারা বানালো নারীদের নগ্ন করার AI,
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বানালাম Porda AI
>>Porda v1 (experimental) windows app (Free and will be Open-sourced)
>>>Women are most precious.
..
ফিচার:-
.
১) অ্যাপ্লিকেশনটি নারী বা পুরুষ এবং অশ্লীলতা ও নগ্নতা ডিটেক্ট করে রিয়াল-টাইম সরাসরি স্ক্রিনের উপরেই তার আংশিক এবং সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে দিবে।
২) শুধু মুসলিম না, নিজ সুবিধামত কাস্টম মডেল ব্যবহার করা করে যে কেউ উপকৃত হতে পারে, কেননা কেউই অশ্লীলতা/নগ্নতা পছন্দ করে না।
৩) GPU ছাড়াই সাধারণ CPU তেই চলবে।
৪) ফেসবুক ইউটিউবসহ যেকোনো উইন্ডোতে কাজ করবে। ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট।
৫) ব্লারিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে।
৬) একইসাথে একাধিক বস্তু ঢাকতে পারবে।
৭) স্ক্রিনের রেজুলেশনের কারণে অনেক সময় ডিটেকশন রেট ভালো নাও আসতে পারে তখন মাউস ড্রাগ করে উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে উইন্ডোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যাবে।
৮) ফুল ডাইনামিক, উইন্ডোর নড়া-চড়া বা ছোট-বড় করাতে অটো অ্যাডজাস্ট করে নিবে।
৯) মাউসের ক্লিক বা স্ক্রলিং এ কোনো প্রভাব পড়বে না।
১০) ছবি বা ভিডিওতে, অনলাইন বা অফলাইনে যেকোনো অবস্থায় কাজ করবে।
১১) স্ট্যাটিক কভার ব্যবহার করে স্ক্রিনের বা নির্দিষ্ট কোনো উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ (e.g. password, history, logo) ডাইনামিকলি ঢেকে রাখা যাবে যা স্ক্রিন রেকর্ড বা স্ট্রিমিং এর সময় কাজে লাগতে পারে।
..
সীমাবদ্ধতা:-
.
আমরা বর্তমানে যে টেকনোলজিগুলো ইউজ করি সেগুলো অল্প দিনে হয়নি, অগণিত ফান্ড আর বহু দিন ধরে বহু মানুষ ডেভেলপ করেছে । আর আমি সে সুযোগ পাইনি এবং এটা কেবল শুরু ও এক্সপেরিমেন্টাল, তাই সীমাবদ্ধতা বা বাগ থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক।
..
১) উইন্ডোজ 10 এর নিচে রান হবে না এবং এটা হয়তবা লো-কনফিগারেশন পিসিতে(ল্যাপটপে) পারফর্মেন্স ভালো নাও দিতে পারে।
২) ডিটেকশনের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে (50%MPA@0.5)। (অর্থাৎ মহিলার পরিবর্তে পুরুষকে অথবা অন্য বস্তুকে ডিটেক্ট করতে পারে। এবং হয়ত স্ক্রিন রেজুলেশনের কারণে অনেক কাঙ্খীত বস্তুকে ডিটেক্ট নাও করতে পারে।) অন্যান্য ইরর বা বাগ থাকতে পারে।
..
এসব সমস্যা সম্পূর্ণ সমাধান যোগ্য।
পরবর্তীতে:-
..
সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ফিচার যোগ করা হবে। আরো ফাস্ট করা হবে এবং অ্যাকুরেসি (50%mAP@0.5 থেকে) 90-95% করা হবে। ভিডিও তৈরির জন্য অটো এডিটিং টুল থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
.
যেহেতু এ কনসেপ্টের প্রজেক্ট আগে কেউ করেনি তাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল সেইসাথে অন্যদের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলা আরো কঠিন শুধুমাত্র আল্লাহর সাহায্যে এতটুকু সম্ভব হয়েছে। কোনো কাজ শুরু হলে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
এটা এক্সপেরিমেন্টাল যাদের কম্পিউটার আছে টেস্ট করতে পারেন। হয়ত আরো ভালো করা যেতো, কিন্তু আমার একার পক্ষে এতটুকুই সম্ভব ছিল, এর থেকে ভালো করে বানাতে আমার শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও কিছু ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। যেহেতু এটা ব্যবসাহীক কিছু না তাই অভিযোগের চেয়ে আমি আপনাদের সাপোর্ট কামনা করছি।
..
আব্দুল্লাহ ভাই। (আখিরুল ইসলাম আকাশ ভাইয়ের ওয়াল থেকে)
..
Download Link:
https://itholy.xyz/porda-ai
https://github.com/hijam-git/porda-ai
Artificial Intelligence.
..
তারা বানালো নারীদের নগ্ন করার AI,
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা বানালাম Porda AI
>>Porda v1 (experimental) windows app (Free and will be Open-sourced)
>>>Women are most precious.
..
ফিচার:-
.
১) অ্যাপ্লিকেশনটি নারী বা পুরুষ এবং অশ্লীলতা ও নগ্নতা ডিটেক্ট করে রিয়াল-টাইম সরাসরি স্ক্রিনের উপরেই তার আংশিক এবং সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে দিবে।
২) শুধু মুসলিম না, নিজ সুবিধামত কাস্টম মডেল ব্যবহার করা করে যে কেউ উপকৃত হতে পারে, কেননা কেউই অশ্লীলতা/নগ্নতা পছন্দ করে না।
৩) GPU ছাড়াই সাধারণ CPU তেই চলবে।
৪) ফেসবুক ইউটিউবসহ যেকোনো উইন্ডোতে কাজ করবে। ফাস্ট এবং অ্যাকুরেট।
৫) ব্লারিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যাবে।
৬) একইসাথে একাধিক বস্তু ঢাকতে পারবে।
৭) স্ক্রিনের রেজুলেশনের কারণে অনেক সময় ডিটেকশন রেট ভালো নাও আসতে পারে তখন মাউস ড্রাগ করে উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে উইন্ডোকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যাবে।
৮) ফুল ডাইনামিক, উইন্ডোর নড়া-চড়া বা ছোট-বড় করাতে অটো অ্যাডজাস্ট করে নিবে।
৯) মাউসের ক্লিক বা স্ক্রলিং এ কোনো প্রভাব পড়বে না।
১০) ছবি বা ভিডিওতে, অনলাইন বা অফলাইনে যেকোনো অবস্থায় কাজ করবে।
১১) স্ট্যাটিক কভার ব্যবহার করে স্ক্রিনের বা নির্দিষ্ট কোনো উইন্ডোর নির্দিষ্ট অংশ (e.g. password, history, logo) ডাইনামিকলি ঢেকে রাখা যাবে যা স্ক্রিন রেকর্ড বা স্ট্রিমিং এর সময় কাজে লাগতে পারে।
..
সীমাবদ্ধতা:-
.
আমরা বর্তমানে যে টেকনোলজিগুলো ইউজ করি সেগুলো অল্প দিনে হয়নি, অগণিত ফান্ড আর বহু দিন ধরে বহু মানুষ ডেভেলপ করেছে । আর আমি সে সুযোগ পাইনি এবং এটা কেবল শুরু ও এক্সপেরিমেন্টাল, তাই সীমাবদ্ধতা বা বাগ থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক।
..
১) উইন্ডোজ 10 এর নিচে রান হবে না এবং এটা হয়তবা লো-কনফিগারেশন পিসিতে(ল্যাপটপে) পারফর্মেন্স ভালো নাও দিতে পারে।
২) ডিটেকশনের ক্ষেত্রে ভুল হতে পারে (50%MPA@0.5)। (অর্থাৎ মহিলার পরিবর্তে পুরুষকে অথবা অন্য বস্তুকে ডিটেক্ট করতে পারে। এবং হয়ত স্ক্রিন রেজুলেশনের কারণে অনেক কাঙ্খীত বস্তুকে ডিটেক্ট নাও করতে পারে।) অন্যান্য ইরর বা বাগ থাকতে পারে।
..
এসব সমস্যা সম্পূর্ণ সমাধান যোগ্য।
পরবর্তীতে:-
..
সমস্যাগুলো সমাধান করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ফিচার যোগ করা হবে। আরো ফাস্ট করা হবে এবং অ্যাকুরেসি (50%mAP@0.5 থেকে) 90-95% করা হবে। ভিডিও তৈরির জন্য অটো এডিটিং টুল থাকবে। ইনশাআল্লাহ।
.
যেহেতু এ কনসেপ্টের প্রজেক্ট আগে কেউ করেনি তাই অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল সেইসাথে অন্যদের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলা আরো কঠিন শুধুমাত্র আল্লাহর সাহায্যে এতটুকু সম্ভব হয়েছে। কোনো কাজ শুরু হলে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।
এটা এক্সপেরিমেন্টাল যাদের কম্পিউটার আছে টেস্ট করতে পারেন। হয়ত আরো ভালো করা যেতো, কিন্তু আমার একার পক্ষে এতটুকুই সম্ভব ছিল, এর থেকে ভালো করে বানাতে আমার শক্তিশালী হার্ডওয়্যার ও কিছু ভলান্টিয়ার প্রয়োজন। যেহেতু এটা ব্যবসাহীক কিছু না তাই অভিযোগের চেয়ে আমি আপনাদের সাপোর্ট কামনা করছি।
..
আব্দুল্লাহ ভাই। (আখিরুল ইসলাম আকাশ ভাইয়ের ওয়াল থেকে)
..
Download Link:
https://itholy.xyz/porda-ai
https://github.com/hijam-git/porda-ai
❤33⚡3🔥3👏1
⚠️টেলিগ্রাম ইউজারদের জন্য সতর্কতা
টেলিগ্রাম ইউজার যারা আছেন তারা নিজেদের আইডির সুরক্ষার জন্য Telegram X ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। Telegram X এ লগইন করার পরপরই অনেকের একাউন্ট ব্যান হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ যে নাম্বার ইউজ করছেন ঐ নাম্বার দিয়ে আর টেলিগ্রাম একাউন্ট খুলতে পারবেন না।
> আমার ৩ টা একাউন্ট ব্যান হয়েছে। আরো কয়েকজন ভাইয়ের সাথেও একই ঘটনা ঘটেছে।
অনলাইনে কোনো সোর্সে এমনটা কোথাও বলা হয়েছে বলে জানা নেই। তবে ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্যদের মতামত এর উপর ভিত্তি করে আইডির নিরাপত্তার জন্য সতর্কতা অবলম্বনের স্বার্থে জানানো হলো। - মুহাম্মদ আইয়ুব আলী বাপ্পী
টেলিগ্রাম ইউজার যারা আছেন তারা নিজেদের আইডির সুরক্ষার জন্য Telegram X ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। Telegram X এ লগইন করার পরপরই অনেকের একাউন্ট ব্যান হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ যে নাম্বার ইউজ করছেন ঐ নাম্বার দিয়ে আর টেলিগ্রাম একাউন্ট খুলতে পারবেন না।
> আমার ৩ টা একাউন্ট ব্যান হয়েছে। আরো কয়েকজন ভাইয়ের সাথেও একই ঘটনা ঘটেছে।
অনলাইনে কোনো সোর্সে এমনটা কোথাও বলা হয়েছে বলে জানা নেই। তবে ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্যদের মতামত এর উপর ভিত্তি করে আইডির নিরাপত্তার জন্য সতর্কতা অবলম্বনের স্বার্থে জানানো হলো। - মুহাম্মদ আইয়ুব আলী বাপ্পী
❤31
এনআইডির তথ্য লিক হইসে এবং টেলিগ্রাম সার্ভারে পাওয়া যাইতেসে, এইটা অবশ্যই একটা ভীতিকর কথা। তবে এর ছেয়ে ভীতিকর ব্যাপার হইতেসে এইটা যে হবে সেটা জুলাই থেকে আমরা সবাই জানি। এবং সরকার সেটা জানে ২৭ জুন থেকে।
২৭ জুন ভিক্টর মার্কোপুলোস নামের এক সাইবারসিকিউরিটি এক্সপার্ট একটা সিকিউরিটি ফ্ল খুঁজে পায়, যার ফলে খুব সহজেই বাংলাদেশি সিটিজেনদের এনআইডি ডেটা কোন অথোরাইজেশন ছাড়াই অ্যাক্সেস করা যেত।
সাইবারসিকিউরিটির নিয়ম হচ্ছে, আপনি কোন সিকিউরিটি ইস্যু পেলে তৎক্ষনাৎ সংশ্লিষ্ট অথোরিটিকে জানাবেন। অথোরিটি ইমিডিয়েটলি অ্যাকশন নিবে। লাগলে অন্য দেশের সরকারকে বলবে হেল্প করতে।
ভিক্টর মার্কোপুলোস-ও এই কাজ করসেন। উনি বাংলাদেশ সরকারের সাইবারসিকিউরিটি রেস্পন্স টিমকে সাথে সাথে জানাইসেন। রেস্পন্স কী আসছে জানেন? আসেই নাই। দুই সপ্তাহ ট্রাই করার পর এই লোক লাস্টে অনলাইন পোর্টালে ইন্টারভিউ দিসেন এইটা নিয়ে, যেন এট লিস্ট নিউজমিডিয়ার প্রেশারে এই ইস্যু ফিক্স করা হয়।
কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লো পেইড, হাই আর্নার এমপ্লয়ীরা মিডিয়াকে বেল দিবে কেন?
জুলাই শেষ হয়ে আগস্ট সেপ্টেম্বরও শেষ হইসে। অক্টোবরে এসে আমরা জানতে পারলাম যে একটা টেলিগ্রাম বট আছে, যেটাকে দশ ডিজিটের এনআইডি নাম্বার দিলে এরা সেই এনআইডি সংক্রান্ত সব ইনফরমেশন দিতে পারে।
এবং এই নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর অথোরিটির রেস্পন্স কি জানেন? ডেইলি স্টার বলতেসে- "However, AKM Humayun Kabir, director general of the NID wing, said he was not aware of the matter, adding that the NID server is safe."
যেখানে প্রথম সিকিউরিটি ইস্যু সামনে আসার পরেই গণহারে আইটি টিমের মানুষ ছাটাই করার কথা, কর্মকর্তাদের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার কথা- সেখানে টেলিগ্রামের মতো একটা প্লাটফর্মে এনআইডি ডেটা পাওয়া যাওয়ার ব্যাপার কনফার্ম করার পর ব্যাটা বলতেসে "না ব্রো, সার্ভার সেইফ আছে।" 🤡
~Rafeed M. Bhuiyan
২৭ জুন ভিক্টর মার্কোপুলোস নামের এক সাইবারসিকিউরিটি এক্সপার্ট একটা সিকিউরিটি ফ্ল খুঁজে পায়, যার ফলে খুব সহজেই বাংলাদেশি সিটিজেনদের এনআইডি ডেটা কোন অথোরাইজেশন ছাড়াই অ্যাক্সেস করা যেত।
সাইবারসিকিউরিটির নিয়ম হচ্ছে, আপনি কোন সিকিউরিটি ইস্যু পেলে তৎক্ষনাৎ সংশ্লিষ্ট অথোরিটিকে জানাবেন। অথোরিটি ইমিডিয়েটলি অ্যাকশন নিবে। লাগলে অন্য দেশের সরকারকে বলবে হেল্প করতে।
ভিক্টর মার্কোপুলোস-ও এই কাজ করসেন। উনি বাংলাদেশ সরকারের সাইবারসিকিউরিটি রেস্পন্স টিমকে সাথে সাথে জানাইসেন। রেস্পন্স কী আসছে জানেন? আসেই নাই। দুই সপ্তাহ ট্রাই করার পর এই লোক লাস্টে অনলাইন পোর্টালে ইন্টারভিউ দিসেন এইটা নিয়ে, যেন এট লিস্ট নিউজমিডিয়ার প্রেশারে এই ইস্যু ফিক্স করা হয়।
কিন্তু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লো পেইড, হাই আর্নার এমপ্লয়ীরা মিডিয়াকে বেল দিবে কেন?
জুলাই শেষ হয়ে আগস্ট সেপ্টেম্বরও শেষ হইসে। অক্টোবরে এসে আমরা জানতে পারলাম যে একটা টেলিগ্রাম বট আছে, যেটাকে দশ ডিজিটের এনআইডি নাম্বার দিলে এরা সেই এনআইডি সংক্রান্ত সব ইনফরমেশন দিতে পারে।
এবং এই নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর অথোরিটির রেস্পন্স কি জানেন? ডেইলি স্টার বলতেসে- "However, AKM Humayun Kabir, director general of the NID wing, said he was not aware of the matter, adding that the NID server is safe."
যেখানে প্রথম সিকিউরিটি ইস্যু সামনে আসার পরেই গণহারে আইটি টিমের মানুষ ছাটাই করার কথা, কর্মকর্তাদের ঘুম হারাম হয়ে যাওয়ার কথা- সেখানে টেলিগ্রামের মতো একটা প্লাটফর্মে এনআইডি ডেটা পাওয়া যাওয়ার ব্যাপার কনফার্ম করার পর ব্যাটা বলতেসে "না ব্রো, সার্ভার সেইফ আছে।" 🤡
~Rafeed M. Bhuiyan
😢33🔥1
ফেসবুকে ছবি আপলোড বিরাট বিপদে ফেলতে পারে । আমার ভয় হয় বাংলাদেশে এটা নিকট ভবিষ্যতে সামাজিক ব্ল্যাক মেইলিং হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
সম্প্রতি স্পেনে একটি ঘটনা নিয়ে পুরো দেশ হতবাক হয়ে গেছে। এআই টেকনোলজি ব্যবহার করে কারোর ছবি থেকে পোষাক সরিয়ে ফেলা যায় নিমিষেই। এজন্য এক্সপার্ট হতে হয় না। স্পেনে ইন্সট্রাগ্রাম থেকে ছবি নিয়ে সেটিকে নুড করে বিভিন্ন স্কুলে ছড়ানো হয়। চিন্তা করেন। পশ্চিমা দেশের চিন্তা খারাপ জিনিস নিয়ে নয়, সেটি অনুমতি ছাড়া করা হলো কেন? এটাই কনসার্নিং ইস্যু। হাস্যকর।
ইউরোপে হাজার হাজার মানুষ উলংগ হয়ে প্রতিবছর ছবি তোলে এমন আর্টিস্টকে বিশ্বমিডিয়া বিশেষ সন্মান দেয়। নগ্ন ট্যুরিজম ইন্ড্রাস্ট্রিও আছে যেখানে সবাই পোষাক ছাড়া থাকে। এগুলোকে বলা হয় প্রগতিশীলতা। আমার যা ইচ্ছা, তাই করবো। এটাই হচ্ছে ফ্রিডম!
এআই বড় একটা আজাব হিসেবে ধাবিত হচ্ছে। পিতামাতা ছোটবেলা থেকে সচেতন না হলে ছেলে সন্তান খারাপ ভিডিওর প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে খুব সহজে।
এআই দিয়ে অতিসহজে খারাপ ভিডিও ইতিমধ্যে নেটে সয়লাব হয়ে গেছে। মনের খায়েশ মিটিয়ে যে কেউ ভিডিও বানাতে পারে। সামনে হয়ত কয়েক ক্লিকেই ভিডিও বানানো যাবে।
অন্যদিকে কিশোরী মেয়েরা ডিপফেইক এআই টেকনোলজির বেশী শিকার হবে। আইন করে এগুলো ঠেকানো প্রায় অসম্ভব।
দিনশেষে নিজেদের (বিশেষ করে মেয়েরা) ইজ্জত রক্ষার্থে নিকাব পরিধানে ঝুঁকে যাবে।
নিকাব পরিহিতা মেয়েদের সংখ্যা এখনকার তুলনায় বেড়ে যাবে যারা আল্লাহকে শ্রদ্ধা করেন তাদের মাঝে।
পিতামাতাদের জন্য মারাত্নক চ্যালেঞ্জ ধাবিত হচ্ছে। নিজে আল্লাহভীরু না হলে সন্তানের জন্য অনেক বেশী কঠিন হতে পারে।
আল্লাহ, সামনের খারাপীর সুনামী থেকে আমাদের সন্তান এবং তাদের বংশধরদের রক্ষা করুন।
#সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ , #sorowar_social_issues - মুহাম্মদ সরোয়ার হোসাইন
সম্প্রতি স্পেনে একটি ঘটনা নিয়ে পুরো দেশ হতবাক হয়ে গেছে। এআই টেকনোলজি ব্যবহার করে কারোর ছবি থেকে পোষাক সরিয়ে ফেলা যায় নিমিষেই। এজন্য এক্সপার্ট হতে হয় না। স্পেনে ইন্সট্রাগ্রাম থেকে ছবি নিয়ে সেটিকে নুড করে বিভিন্ন স্কুলে ছড়ানো হয়। চিন্তা করেন। পশ্চিমা দেশের চিন্তা খারাপ জিনিস নিয়ে নয়, সেটি অনুমতি ছাড়া করা হলো কেন? এটাই কনসার্নিং ইস্যু। হাস্যকর।
ইউরোপে হাজার হাজার মানুষ উলংগ হয়ে প্রতিবছর ছবি তোলে এমন আর্টিস্টকে বিশ্বমিডিয়া বিশেষ সন্মান দেয়। নগ্ন ট্যুরিজম ইন্ড্রাস্ট্রিও আছে যেখানে সবাই পোষাক ছাড়া থাকে। এগুলোকে বলা হয় প্রগতিশীলতা। আমার যা ইচ্ছা, তাই করবো। এটাই হচ্ছে ফ্রিডম!
এআই বড় একটা আজাব হিসেবে ধাবিত হচ্ছে। পিতামাতা ছোটবেলা থেকে সচেতন না হলে ছেলে সন্তান খারাপ ভিডিওর প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে খুব সহজে।
এআই দিয়ে অতিসহজে খারাপ ভিডিও ইতিমধ্যে নেটে সয়লাব হয়ে গেছে। মনের খায়েশ মিটিয়ে যে কেউ ভিডিও বানাতে পারে। সামনে হয়ত কয়েক ক্লিকেই ভিডিও বানানো যাবে।
অন্যদিকে কিশোরী মেয়েরা ডিপফেইক এআই টেকনোলজির বেশী শিকার হবে। আইন করে এগুলো ঠেকানো প্রায় অসম্ভব।
দিনশেষে নিজেদের (বিশেষ করে মেয়েরা) ইজ্জত রক্ষার্থে নিকাব পরিধানে ঝুঁকে যাবে।
নিকাব পরিহিতা মেয়েদের সংখ্যা এখনকার তুলনায় বেড়ে যাবে যারা আল্লাহকে শ্রদ্ধা করেন তাদের মাঝে।
পিতামাতাদের জন্য মারাত্নক চ্যালেঞ্জ ধাবিত হচ্ছে। নিজে আল্লাহভীরু না হলে সন্তানের জন্য অনেক বেশী কঠিন হতে পারে।
আল্লাহ, সামনের খারাপীর সুনামী থেকে আমাদের সন্তান এবং তাদের বংশধরদের রক্ষা করুন।
#সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ , #sorowar_social_issues - মুহাম্মদ সরোয়ার হোসাইন
😢34
কে কে এই ইস্যুটা ফেস করতেসেন?
ক্রোম এ এডব্লকার এর কারণে ইউটিউব ওয়েবসাইট ইউজ করা যাচ্ছে না।
আমি Brave ব্রাউজার এ চলে এসেছি। এখন আর সমস্যা হচ্ছে না। import bookmark অপশন দিয়ে ক্রোমের সব ব্রেইভ এ নিয়ে এসেছি।
ক্রোম এ এডব্লকার এর কারণে ইউটিউব ওয়েবসাইট ইউজ করা যাচ্ছে না।
আমি Brave ব্রাউজার এ চলে এসেছি। এখন আর সমস্যা হচ্ছে না। import bookmark অপশন দিয়ে ক্রোমের সব ব্রেইভ এ নিয়ে এসেছি।
Forwarded from HopeDM
ভারতের মুম্বাইয়ের আইনজীবী ভূমি সিনহা মুঠোফোনের অ্যাপভিত্তিক একটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৪৭ হাজার রুপি নিয়েছিলেন। পরে সুদ ও আসলে তাঁর কাছে দাবি করা হয় ২০ লাখ রুপি।
ঋণ শোধ করেও পার পাননি ভূমি। ব্ল্যাকমেল (প্রতারণা) আর ফোনের অত্যাচারে তিনি শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাকেই ভরসা মনে করেছিলেন। পরে স্বজনেরা তাঁকে রক্ষা করেন।
অবশ্য ভারতে অ্যাপভিত্তিক ঋণের ফাঁদে পড়ে ৬০ জনের মতো মানুষ আত্মহত্যা করেছেন বলে গত সপ্তাহে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়। উদ্বেগজনক দিক হলো, বাংলাদেশেও ঋণ দেওয়ার অ্যাপ বাড়ছে। আর ওই সব অ্যাপ আইন মানছে না।
যেমন ‘সান ওয়ালেট সিকিউর লোন’ নামের একটি অ্যাপ ব্যক্তিপর্যায়ে ৬ থেকে ২৪ শতাংশ সুদে ৫ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের প্রস্তাব দিচ্ছে। অ্যাপটি চলতি বছরের এপ্রিলে গুগলের প্লে স্টোরে আসে। এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপটির মূল্যায়ন (রিভিউ) অংশ ঘেঁটে দেখা যায়, বেশির ভাগ ব্যক্তিই নেতিবাচক মতামত দিয়েছেন। বাবু মিজি নামের একজন লিখেছেন, ‘অ্যাপটি কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আমার সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করছে। তার প্রমাণ আছে।’
বাংলাদেশে অ্যাপ খুলে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণার ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট আটটি মামলার তদন্ত করছে। এসব মামলায় গত আগস্টে চীনের ৭ নাগরিকসহ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, চীনের নাগরিকেরা অ্যাপভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণের প্রলোভন দেখান। বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার কথা বলে মানুষকে ফাঁদে ফেলেন। ওই অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ই-মেইল, মুঠোফোনের নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর কাউকে ৫ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে ৫০ হাজার থেকে কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়। গ্রাহক টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ মামলার ভয় দেখানো হয়।
অনলাইনে কিছু অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার প্রচারণা নিয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক প্রথম আলোকে জানান, এগুলো শুনেছেন। কিছু বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাকি যেগুলোর নাম আসছে, সেগুলোর ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।
মেজবাউল বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি যাদের অনুমোদন দেবে, তারাই ঋণকার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এর বাইরে যারা আছে, তারা বৈধ নয়। ঋণের ফাঁদে আত্মহত্যা নিয়ে ১১ অক্টোবর বিবিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে ভূমি সিনহার কথা উঠে এসেছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ভারতসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার প্রায় ১৪টি দেশে দ্রুত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার ফাঁদ দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা চলছে। ভারতে এই ফাঁদে পা দিয়ে নির্যাতন আর অপমানের শিকার হয়ে অন্তত ৬০ জন আত্মহত্যা করেছেন।
এসব অ্যাপ থেকে যাঁরা ঋণ নিতেন, তাঁদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা চাওয়া হতো। টাকা না দিলে ফটোশপ করে নগ্ন ছবি পরিচিতজনদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। বিবিসি বলছে, অ্যাপটি চালু করার সময়ই মানুষের ফোনে থাকা নম্বর ও অন্যান্য তথ্যে প্রবেশাধিকার নিয়ে নিত।
ভূমি সিনহার এমন একটি বানানো ছবি তাঁর সহকর্মীদের কাছে পাঠানো হয়েছিল, যা তাঁকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়। ভুক্তভোগীরা লজ্জায় কাউকে বলতে পারতেন না। অপরাধীরাও ছিলেন অদৃশ্য।
বিবিসির প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এসব অ্যাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঋণের টাকা উদ্ধারের জন্য কল সেন্টার নিয়োগ দেয়। কল সেন্টারের কর্মীরা দাবি করা টাকা পরিশোধের জন্য অশ্লীল ভাষা ব্যবহার ও হুমকি দিয়ে থাকেন। অ্যাপভিত্তিক ঋণের ব্যবসায় চীনের কিছু নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে বিবিসি। বাংলাদেশে ঋণের অ্যাপগুলোর ব্যবহার কতটা বাড়ছে, তা জানা যায় ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিমিলারওয়েবে। তারা বাংলাদেশের যেসব আর্থিকবিষয়ক অ্যাপকে জনপ্রিয় হিসেবে উল্লেখ করেছে, সেগুলোর মধ্যে অন্তত ৩২টি বাংলাদেশে অবৈধ। ক্যাশ বক্স, হ্যাপি মানি, কুইক অ্যান্ড সেফ, লোন ট্রাই, গাইড লোন ইত্যাদি অ্যাপ রয়েছে এই তালিকায়।
বাংলাদেশে অনুমোদনহীন ঋণ বিতরণ, অনলাইন জুয়া, অনুমোদনহীন ফরেক্স ট্রেডিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন নিষিদ্ধ। নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান বাদে কেউ আর্থিক লেনদেন সেবার প্ল্যাটফর্মও চালাতে পারে না। কিন্তু অ্যাপে ঋণ, জুয়া ও ফরেক্স ট্রেডিং—সবই চলছে।
যেমন তিন পাত্তি নামের একটি খেলার অ্যাপের বিজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘৪০০ টাকা ভরেছি ওয়ালেটে, ১ লাখ টাকা উত্তোলন করেছি’। নিচে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের তিনটি জনপ্রিয় মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (এমএফএস) লোগো।
ঋণ শোধ করেও পার পাননি ভূমি। ব্ল্যাকমেল (প্রতারণা) আর ফোনের অত্যাচারে তিনি শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাকেই ভরসা মনে করেছিলেন। পরে স্বজনেরা তাঁকে রক্ষা করেন।
অবশ্য ভারতে অ্যাপভিত্তিক ঋণের ফাঁদে পড়ে ৬০ জনের মতো মানুষ আত্মহত্যা করেছেন বলে গত সপ্তাহে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়। উদ্বেগজনক দিক হলো, বাংলাদেশেও ঋণ দেওয়ার অ্যাপ বাড়ছে। আর ওই সব অ্যাপ আইন মানছে না।
যেমন ‘সান ওয়ালেট সিকিউর লোন’ নামের একটি অ্যাপ ব্যক্তিপর্যায়ে ৬ থেকে ২৪ শতাংশ সুদে ৫ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের প্রস্তাব দিচ্ছে। অ্যাপটি চলতি বছরের এপ্রিলে গুগলের প্লে স্টোরে আসে। এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপটির মূল্যায়ন (রিভিউ) অংশ ঘেঁটে দেখা যায়, বেশির ভাগ ব্যক্তিই নেতিবাচক মতামত দিয়েছেন। বাবু মিজি নামের একজন লিখেছেন, ‘অ্যাপটি কিছু ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আমার সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করছে। তার প্রমাণ আছে।’
বাংলাদেশে অ্যাপ খুলে ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণার ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট আটটি মামলার তদন্ত করছে। এসব মামলায় গত আগস্টে চীনের ৭ নাগরিকসহ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্ত-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, চীনের নাগরিকেরা অ্যাপভিত্তিক ক্ষুদ্রঋণের প্রলোভন দেখান। বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার কথা বলে মানুষকে ফাঁদে ফেলেন। ওই অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ই-মেইল, মুঠোফোনের নম্বরসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর কাউকে ৫ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে ৫০ হাজার থেকে কয়েক লাখ টাকা দাবি করা হয়। গ্রাহক টাকা দিতে অস্বীকার করলে ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াসহ মামলার ভয় দেখানো হয়।
অনলাইনে কিছু অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার প্রচারণা নিয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক প্রথম আলোকে জানান, এগুলো শুনেছেন। কিছু বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাকি যেগুলোর নাম আসছে, সেগুলোর ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।
মেজবাউল বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি যাদের অনুমোদন দেবে, তারাই ঋণকার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এর বাইরে যারা আছে, তারা বৈধ নয়। ঋণের ফাঁদে আত্মহত্যা নিয়ে ১১ অক্টোবর বিবিসি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে ভূমি সিনহার কথা উঠে এসেছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ভারতসহ এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার প্রায় ১৪টি দেশে দ্রুত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার ফাঁদ দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা চলছে। ভারতে এই ফাঁদে পা দিয়ে নির্যাতন আর অপমানের শিকার হয়ে অন্তত ৬০ জন আত্মহত্যা করেছেন।
এসব অ্যাপ থেকে যাঁরা ঋণ নিতেন, তাঁদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা চাওয়া হতো। টাকা না দিলে ফটোশপ করে নগ্ন ছবি পরিচিতজনদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। বিবিসি বলছে, অ্যাপটি চালু করার সময়ই মানুষের ফোনে থাকা নম্বর ও অন্যান্য তথ্যে প্রবেশাধিকার নিয়ে নিত।
ভূমি সিনহার এমন একটি বানানো ছবি তাঁর সহকর্মীদের কাছে পাঠানো হয়েছিল, যা তাঁকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়। ভুক্তভোগীরা লজ্জায় কাউকে বলতে পারতেন না। অপরাধীরাও ছিলেন অদৃশ্য।
বিবিসির প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এসব অ্যাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঋণের টাকা উদ্ধারের জন্য কল সেন্টার নিয়োগ দেয়। কল সেন্টারের কর্মীরা দাবি করা টাকা পরিশোধের জন্য অশ্লীল ভাষা ব্যবহার ও হুমকি দিয়ে থাকেন। অ্যাপভিত্তিক ঋণের ব্যবসায় চীনের কিছু নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে বিবিসি। বাংলাদেশে ঋণের অ্যাপগুলোর ব্যবহার কতটা বাড়ছে, তা জানা যায় ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিমিলারওয়েবে। তারা বাংলাদেশের যেসব আর্থিকবিষয়ক অ্যাপকে জনপ্রিয় হিসেবে উল্লেখ করেছে, সেগুলোর মধ্যে অন্তত ৩২টি বাংলাদেশে অবৈধ। ক্যাশ বক্স, হ্যাপি মানি, কুইক অ্যান্ড সেফ, লোন ট্রাই, গাইড লোন ইত্যাদি অ্যাপ রয়েছে এই তালিকায়।
বাংলাদেশে অনুমোদনহীন ঋণ বিতরণ, অনলাইন জুয়া, অনুমোদনহীন ফরেক্স ট্রেডিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন নিষিদ্ধ। নিবন্ধিত কোনো প্রতিষ্ঠান বাদে কেউ আর্থিক লেনদেন সেবার প্ল্যাটফর্মও চালাতে পারে না। কিন্তু অ্যাপে ঋণ, জুয়া ও ফরেক্স ট্রেডিং—সবই চলছে।
যেমন তিন পাত্তি নামের একটি খেলার অ্যাপের বিজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘৪০০ টাকা ভরেছি ওয়ালেটে, ১ লাখ টাকা উত্তোলন করেছি’। নিচে বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের তিনটি জনপ্রিয় মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (এমএফএস) লোগো।
Forwarded from HopeDM
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের আদালতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৩৪ কোটি ডলারের পঞ্জি স্কিম চালানোর দায়ে ফোরসেজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চার প্রতিষ্ঠাতাকে অভিযুক্ত করা হয়। এই বহুস্তর বিপণন বা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং প্রতিষ্ঠানের নামে বাংলাদেশে অনেকগুলো ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে, যার একটি ‘ফোরসেজ আইও বাংলাদেশ’। এই গ্রুপের সদস্যসংখ্যা ৬৭ হাজারের বেশি।গ্রুপটির একজন অ্যাডমিন (পরিচালনাকারী) ইয়াসিন অভি প্রথম আলোকে বলেন, ফোরসেজে সর্বনিম্ন ১৩ মার্কিন ডলার (প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা) দিয়ে একটি হিসাব বা অ্যাকাউন্ট কেনা যায়। একজন মানুষ যত বেশি লোক এনে হিসাব খুলবেন, তাঁর তত বেশি মুনাফা হবে।
দেশের আইন অনুযায়ী এটা বৈধ কি না, জানতে চাইলে ইয়াসিন বলেন, সমস্যা হবে না।
শুধু ফোরসেজই নয়, ফেসবুক ঘাঁটলে শত শত গ্রুপ পাওয়া যায়, যারা অবৈধ লেনদেনভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্মের প্রচারণা চালাচ্ছে। বাইন্যান্স, ট্রনগোল্ড, ফরেক্স ট্রেডার বাংলাদেশ, এক্সনেক্স ট্রেডিংসহ ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে বাংলাদেশে অসংখ্য ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পাওয়া যায়।মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ (এমটিএফই) গ্রুপ ইনকরপোরেটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান দেশের মানুষকে ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়ে চলে গেছে বলে গত আগস্টে অভিযোগ ওঠে। ২৯ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে এ ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্তও হয়।
টাস্কফোর্স গঠনের ব্যাপারে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রথম আলোকে বলেন, কাজ চলছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ছয় হাজার জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। তবে আশপাশের দেশের জুয়ার অ্যাপের বিজ্ঞাপন অনলাইনে বাংলাদেশে চলে আসছে। মানুষ লোভের বশে কোনো কিছু যাচাই না করেই এসব ফাঁদে পা দিচ্ছেন।
বিটিআরসি প্রথম আলোকে জানিয়েছে, তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা সেল থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ২০ হাজার ৭৮২টি লিংক অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। লিংকগুলো রাষ্ট্রবিরোধী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকি, সামাজিক মূল্যবোধবিরোধী, জঙ্গিবাদী, পর্নোগ্রাফি আধেয়, অনলাইন গেমিং, অনলাইন বেটিং বা জুয়া খেলা, সাংস্কৃতিক কিংবা ধর্মীয় বিষয়ে উসকানিমূলক ও উগ্রবাদী গুজবসংশ্লিষ্ট বিষয়ের ছিল।
বিটিআরসি আরও জানায়, গত ৯ মাসে আর্থিক প্রতারণা, জুয়া বা অনলাইন বেটিং-সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৪৭টি ওয়েবসাইট ও ৪৮টি অ্যাপ বন্ধ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে জুয়ায় প্ররোচিত করা হয়, এমন ২ হাজার ৫টি ফেসবুক লিংক এবং ৪৩২টি ইউটিউব লিংক অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একটি বন্ধ হলে অন্য আরেকটি চলে আসছে। মানুষ ফাঁদে পা দিচ্ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ প্রতারণার উর্বর ভূমি হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে বিদেশ থেকেও প্রতারকেরা আসছে। এখানে টাকা উপার্জনের বড় পন্থা হয়ে উঠছে এই অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা।
বি এম মইনুল আরও বলেন, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক লেনদেনের ব্যাপারে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও তৎপরতা প্রয়োজন।
দেশের আইন অনুযায়ী এটা বৈধ কি না, জানতে চাইলে ইয়াসিন বলেন, সমস্যা হবে না।
শুধু ফোরসেজই নয়, ফেসবুক ঘাঁটলে শত শত গ্রুপ পাওয়া যায়, যারা অবৈধ লেনদেনভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্মের প্রচারণা চালাচ্ছে। বাইন্যান্স, ট্রনগোল্ড, ফরেক্স ট্রেডার বাংলাদেশ, এক্সনেক্স ট্রেডিংসহ ফরেক্স ট্রেডিং নিয়ে বাংলাদেশে অসংখ্য ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ পাওয়া যায়।মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ (এমটিএফই) গ্রুপ ইনকরপোরেটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান দেশের মানুষকে ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়ে চলে গেছে বলে গত আগস্টে অভিযোগ ওঠে। ২৯ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে এ ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্তও হয়।
টাস্কফোর্স গঠনের ব্যাপারে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রথম আলোকে বলেন, কাজ চলছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ছয় হাজার জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। তবে আশপাশের দেশের জুয়ার অ্যাপের বিজ্ঞাপন অনলাইনে বাংলাদেশে চলে আসছে। মানুষ লোভের বশে কোনো কিছু যাচাই না করেই এসব ফাঁদে পা দিচ্ছেন।
বিটিআরসি প্রথম আলোকে জানিয়েছে, তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা সেল থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ২০ হাজার ৭৮২টি লিংক অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। লিংকগুলো রাষ্ট্রবিরোধী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকি, সামাজিক মূল্যবোধবিরোধী, জঙ্গিবাদী, পর্নোগ্রাফি আধেয়, অনলাইন গেমিং, অনলাইন বেটিং বা জুয়া খেলা, সাংস্কৃতিক কিংবা ধর্মীয় বিষয়ে উসকানিমূলক ও উগ্রবাদী গুজবসংশ্লিষ্ট বিষয়ের ছিল।
বিটিআরসি আরও জানায়, গত ৯ মাসে আর্থিক প্রতারণা, জুয়া বা অনলাইন বেটিং-সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৪৭টি ওয়েবসাইট ও ৪৮টি অ্যাপ বন্ধ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে জুয়ায় প্ররোচিত করা হয়, এমন ২ হাজার ৫টি ফেসবুক লিংক এবং ৪৩২টি ইউটিউব লিংক অপসারণ করা হয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একটি বন্ধ হলে অন্য আরেকটি চলে আসছে। মানুষ ফাঁদে পা দিচ্ছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ প্রতারণার উর্বর ভূমি হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে বিদেশ থেকেও প্রতারকেরা আসছে। এখানে টাকা উপার্জনের বড় পন্থা হয়ে উঠছে এই অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা।
বি এম মইনুল আরও বলেন, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পাশাপাশি অস্বাভাবিক লেনদেনের ব্যাপারে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও তৎপরতা প্রয়োজন।
আমরা আগেও লোন দেয়া এপ গুলোর বিষয়ে সর্তক করেছি, আবার ও করলাম। বলে রাখা ভালো আলতু ফালতু যেকোনো এপ আপনার স্টোরেজ পারমিশন নিয়ে ক্ষতি করতে পারে। সাবধানতা জরুরী
❤8
নির্বাচনের আগে মুঠোফোনে নজরদারির নতুন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ ব্যবস্থায় কোন মুঠোফোন ব্যবহারকারী কোথায় অবস্থান করছেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাবে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা। এটি স্থাপন করতে মোবাইল অপারেটরদের ব্যয় হবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারির ব্যবস্থা এখনো আছে। এ ব্যবস্থায় একটি মুঠোফোন নম্বর ব্যবহারকারী কোন এলাকায় রয়েছেন, তা জানা যায়। তবে সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানা যায় না। নতুন ব্যবস্থা হবে আরও সুনির্দিষ্ট।
ধরা যাক, একজন মুঠোফোন ব্যবহারকারী এখন ফার্মগেট মোড়ে রয়েছেন। এখনকার ব্যবস্থায় সেখানকার মোবাইল নেটওয়ার্কের বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনের (বিটিএস, যা টাওয়ার নামে পরিচিত) আওতার তিনটি কেন্দ্রের (সেল) কোনটিতে গ্রাহক অবস্থান করছেন, তা জানা যায়। যেহেতু বিটিএসের আওতা মোটামুটি বড় থাকে, ফলে গ্রাহকের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানা যায় না।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও টেলিযোগাযোগ খাত সূত্র বলছে, নতুন ব্যবস্থায় ওই ব্যক্তি ফার্মগেট মোড়ের ঠিক কোন জায়গায় আছেন, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাবে। ফলে ব্যক্তি কোন ভবনে রয়েছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। - প্রথম আলো
মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারির ব্যবস্থা এখনো আছে। এ ব্যবস্থায় একটি মুঠোফোন নম্বর ব্যবহারকারী কোন এলাকায় রয়েছেন, তা জানা যায়। তবে সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানা যায় না। নতুন ব্যবস্থা হবে আরও সুনির্দিষ্ট।
ধরা যাক, একজন মুঠোফোন ব্যবহারকারী এখন ফার্মগেট মোড়ে রয়েছেন। এখনকার ব্যবস্থায় সেখানকার মোবাইল নেটওয়ার্কের বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনের (বিটিএস, যা টাওয়ার নামে পরিচিত) আওতার তিনটি কেন্দ্রের (সেল) কোনটিতে গ্রাহক অবস্থান করছেন, তা জানা যায়। যেহেতু বিটিএসের আওতা মোটামুটি বড় থাকে, ফলে গ্রাহকের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানা যায় না।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও টেলিযোগাযোগ খাত সূত্র বলছে, নতুন ব্যবস্থায় ওই ব্যক্তি ফার্মগেট মোড়ের ঠিক কোন জায়গায় আছেন, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাবে। ফলে ব্যক্তি কোন ভবনে রয়েছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। - প্রথম আলো
😢24❤2