চাই★ল্ড প¡র্ণ নির্মাণে বাংলাদেশ ২য়।
ফেসবুকে কিছু সিক্রেট গ্রুপ আছে যেগুলোতে বাচ্চা মেয়েদের প★র্ণ আপলোড করা হয়। লাইভে এনে গ্রুপ মেম্বারদের বলা হয়- 'কে কী দেখতে চান!'
মেম্বাররা ডলার খরচের মাধ্যমে এসব গ্রুপে যুক্ত থাকেন এবং উপভোগ করেন চা★ইল্ড প!র্ণ।
-ওমর আল জাবির
(মেসেঞ্জার সিকিউরিটি টিম মেম্বার, মেটা)
হায় উম্মাহর মেয়েরা! 💔 (সোর্স পোস্টঃ মিরাজ ভাই)
🍀Hope:
🍀 কিছু কথা জানা জরুরি৷ বলে দিই। প!র্ণ সাধারণত বড় দাগে দু প্রকার হয়।
১. বিশ্বের অনেক দেশে প?র্ণ তৈরী লিগ্যাল হওয়ায়, মুভি-নাটকের মত অনেক সংস্থা প★র্ণ তৈরী করে থাকে।
২. ব্যাক্তির স্বইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় নেয়া ভিডিও। সেগুলো গোপনে ধারণ করা হয়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রিলেশনশিপ বা বিবাহিত মানুষরা ফাঁদে পড়ে বা কেউ স্বইচ্ছায় তৈরী করে।
মোদ্দা কথা, এ দুটো ক্যাটাগরির সোর্স আছে। বিভিন্ন ভাবে তৈরী হয়। এবং কোনো দেশ ই স্ব প্রণোদিত হয়ে এসব বন্ধ করে না। যদিও আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকে।
এবার আসি চাই*ল্ড প!র্ণ / শিশু বাচ্চা দের পর্ণ। এগুলোর ছেলে শিশুরাও হয় তবে মেয়ে শিশুরা বেশি। বিশ্বে প্রায় সকল দেশ, সমাজ, সরকার চা!ইল্ড প*র্ণ নিয়ে কঠোর অবস্থানে থাকে৷ এমনকি আপনি গুগলে এসব সার্চ করতে গেলে গুগল স্বপ্রণোদিত হয়ে আপনার লোকেশন সহ বিস্তারিত আইনের লোকদের কাছে পাঠিয়ে দিবে।
এখন তাহলে প্রশ্ন হলো, এই গুলো এত কঠোরতা থাকা স্বত্তেও তৈরী হয় কিভাবে। আরেকটু ব্যাখা করি। ধরুন কোনো ছেলে মেয়ে, রিলেশন শিপে গিয়ে শারিরীক কর্মকান্ডে জড়ালো, তাদের স্বইচ্ছায়। যদিও আইন, সমাজ সেটা চায় না। তারপর কোনোভাবে ভিডিও লিক হয়ে গেলো। এখন তাদের এই কাজ কিন্তু স্বইচ্ছায়। যদিও তারা চায় নি এটা প্রকাশ হোক।
সমস্যা হলো, চাই#ল্ড প!র্ণ ত পৃথিবীর কোনো সুস্থ মানুষ স্বইচ্ছায় তৈরী করে না। তাহলে এত পরিমাণ ভিডিও কোথা থেকে আসে। বলে রাখা ভালো, প@র্ণ ক্যাটাগরির অন্যতম লাভজনক এবং জনপ্রিয় চাই!ল্ড প*র্ণ।
বুঝতে পারছেন কিছু? এত পরিমান ভিডও আপনার আশেপাশে তাহলে কে করছে? আপনার ছোট্ট শিশুটা ত আপনার চোখের সামনেই। কেউ কি তাহলে কোলে নেয়ার ছলে কিংবা আদরের ছলে আপনার চোখের সামনে থেকে নিয়ে কি করছে ভেবে দেখেছেন? আপনার ছোট্ট শিশুটা ত মুখ দিয়ে কিছু বলতেও পারছে না।
আর লিখব? এমন নিউজ অনেক পড়েছি যেখানে কাছের আত্নীয় স্বজনের কাছে শিশুরা ধর্ষিত। ২০২০ সালের ভারতের একটা রিপোর্টে এসেছে, ২০১৯ সালের প্রথম কোয়াটারে ভারতে ১১.৬ মিলিয়ন চাই-ল্ড প#র্ন কন্টেন্ট এসেছে। পুরো রিপোর্ট লিংক কমেন্টে। এরকরম রিপোর্ট দিতে দিতে আমি হাজার পৃষ্ঠা লিখতে পারব। ২০১৬ সালে একে মাল্টিমিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রি বলা হয়েছে। ২০২২ এ কত হবে ভাবুন? যে জিনিস সব জায়গায় নিষিদ্ধ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সে জিনিস হাজার কোটি ডলার ব্যবসা আপনার চোখের সামনে করা হচ্ছে?
কেমন আছে আপনার ছোট্ট ফুটফুটে শিশুটা? ভেবে দেখেছেন?
ফেসবুকে কিছু সিক্রেট গ্রুপ আছে যেগুলোতে বাচ্চা মেয়েদের প★র্ণ আপলোড করা হয়। লাইভে এনে গ্রুপ মেম্বারদের বলা হয়- 'কে কী দেখতে চান!'
মেম্বাররা ডলার খরচের মাধ্যমে এসব গ্রুপে যুক্ত থাকেন এবং উপভোগ করেন চা★ইল্ড প!র্ণ।
-ওমর আল জাবির
(মেসেঞ্জার সিকিউরিটি টিম মেম্বার, মেটা)
হায় উম্মাহর মেয়েরা! 💔 (সোর্স পোস্টঃ মিরাজ ভাই)
🍀Hope:
🍀 কিছু কথা জানা জরুরি৷ বলে দিই। প!র্ণ সাধারণত বড় দাগে দু প্রকার হয়।
১. বিশ্বের অনেক দেশে প?র্ণ তৈরী লিগ্যাল হওয়ায়, মুভি-নাটকের মত অনেক সংস্থা প★র্ণ তৈরী করে থাকে।
২. ব্যাক্তির স্বইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় নেয়া ভিডিও। সেগুলো গোপনে ধারণ করা হয়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রিলেশনশিপ বা বিবাহিত মানুষরা ফাঁদে পড়ে বা কেউ স্বইচ্ছায় তৈরী করে।
মোদ্দা কথা, এ দুটো ক্যাটাগরির সোর্স আছে। বিভিন্ন ভাবে তৈরী হয়। এবং কোনো দেশ ই স্ব প্রণোদিত হয়ে এসব বন্ধ করে না। যদিও আইনে নিষেধাজ্ঞা থাকে।
এবার আসি চাই*ল্ড প!র্ণ / শিশু বাচ্চা দের পর্ণ। এগুলোর ছেলে শিশুরাও হয় তবে মেয়ে শিশুরা বেশি। বিশ্বে প্রায় সকল দেশ, সমাজ, সরকার চা!ইল্ড প*র্ণ নিয়ে কঠোর অবস্থানে থাকে৷ এমনকি আপনি গুগলে এসব সার্চ করতে গেলে গুগল স্বপ্রণোদিত হয়ে আপনার লোকেশন সহ বিস্তারিত আইনের লোকদের কাছে পাঠিয়ে দিবে।
এখন তাহলে প্রশ্ন হলো, এই গুলো এত কঠোরতা থাকা স্বত্তেও তৈরী হয় কিভাবে। আরেকটু ব্যাখা করি। ধরুন কোনো ছেলে মেয়ে, রিলেশন শিপে গিয়ে শারিরীক কর্মকান্ডে জড়ালো, তাদের স্বইচ্ছায়। যদিও আইন, সমাজ সেটা চায় না। তারপর কোনোভাবে ভিডিও লিক হয়ে গেলো। এখন তাদের এই কাজ কিন্তু স্বইচ্ছায়। যদিও তারা চায় নি এটা প্রকাশ হোক।
সমস্যা হলো, চাই#ল্ড প!র্ণ ত পৃথিবীর কোনো সুস্থ মানুষ স্বইচ্ছায় তৈরী করে না। তাহলে এত পরিমাণ ভিডিও কোথা থেকে আসে। বলে রাখা ভালো, প@র্ণ ক্যাটাগরির অন্যতম লাভজনক এবং জনপ্রিয় চাই!ল্ড প*র্ণ।
বুঝতে পারছেন কিছু? এত পরিমান ভিডও আপনার আশেপাশে তাহলে কে করছে? আপনার ছোট্ট শিশুটা ত আপনার চোখের সামনেই। কেউ কি তাহলে কোলে নেয়ার ছলে কিংবা আদরের ছলে আপনার চোখের সামনে থেকে নিয়ে কি করছে ভেবে দেখেছেন? আপনার ছোট্ট শিশুটা ত মুখ দিয়ে কিছু বলতেও পারছে না।
আর লিখব? এমন নিউজ অনেক পড়েছি যেখানে কাছের আত্নীয় স্বজনের কাছে শিশুরা ধর্ষিত। ২০২০ সালের ভারতের একটা রিপোর্টে এসেছে, ২০১৯ সালের প্রথম কোয়াটারে ভারতে ১১.৬ মিলিয়ন চাই-ল্ড প#র্ন কন্টেন্ট এসেছে। পুরো রিপোর্ট লিংক কমেন্টে। এরকরম রিপোর্ট দিতে দিতে আমি হাজার পৃষ্ঠা লিখতে পারব। ২০১৬ সালে একে মাল্টিমিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রি বলা হয়েছে। ২০২২ এ কত হবে ভাবুন? যে জিনিস সব জায়গায় নিষিদ্ধ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সে জিনিস হাজার কোটি ডলার ব্যবসা আপনার চোখের সামনে করা হচ্ছে?
কেমন আছে আপনার ছোট্ট ফুটফুটে শিশুটা? ভেবে দেখেছেন?
😢60👍5❤1
এরকম পোস্ট সরাসরি আমরা আরও করব? আমি চাচ্ছিলাম না এভাবে লিখতে। হোপের ফিমেল গ্রুপের একটা ঘটনায় এমন অন্ধকার জগতের মানুষের কাছে এমন ওদের সব কথা শুনেছিলাম৷ যদিও ওরা মাফ চেয়েছিলো। তবে বলার অপেক্ষা রাখে না, আমাকে অবাক করেছিলো ওরা।
আমাকে অবাক করা সহজ না।আমি খুব ছোটবেলা থেকে প্রচুর পরিমাণ ইন্টারনেট ও ডিভাইস নিয়ে সময় ব্যায় করেছি। ইন্টারন্যাশনাল কিছু ব্যাক্তিত্বের সাথে এসব নিয়ে কাজ করেছি,পড়েছি। এগুলোর ব্যাপক স্টাডি করা হয়েছিলো একসময়। কিন্তু যা বাস্তবে শুনেছি তা হাড় হিম করা। কখনো সময় করে তুলে ধরব হয়ত।
আমাকে অবাক করা সহজ না।আমি খুব ছোটবেলা থেকে প্রচুর পরিমাণ ইন্টারনেট ও ডিভাইস নিয়ে সময় ব্যায় করেছি। ইন্টারন্যাশনাল কিছু ব্যাক্তিত্বের সাথে এসব নিয়ে কাজ করেছি,পড়েছি। এগুলোর ব্যাপক স্টাডি করা হয়েছিলো একসময়। কিন্তু যা বাস্তবে শুনেছি তা হাড় হিম করা। কখনো সময় করে তুলে ধরব হয়ত।
😢23❤14😱2👍1
Forwarded from Society - Uncensored
রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধে ‘আইনসম্মতভাবে’ আড়ি পাতার ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিংয়ের (নজরদারি) মাধ্যমে দেশ ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধে এনটিএমসিতে (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার) ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজির (ওএসআইএনটি) মতো আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইনসম্মতভাবে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট মাধ্যমে যোগাযোগে আড়ি পাতার ব্যবস্থা) চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিংয়ের (নজরদারি) মাধ্যমে দেশ ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধে এনটিএমসিতে (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার) ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজির (ওএসআইএনটি) মতো আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজিত হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইন্টিগ্রেটেড ল’ফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইনসম্মতভাবে মুঠোফোন ও ইন্টারনেট মাধ্যমে যোগাযোগে আড়ি পাতার ব্যবস্থা) চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকাল সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
😢21🤬7
আচ্ছা এখানে(স্ক্রিনশট এ) ফ্রীতে বই দেয়ার যে পোস্ট দেখতে পাচ্ছেন , এটার রহস্যটা বুঝতে পারছেন?
এরকম নাম মাত্র কিছু ইসলামিক সহ নানারক গ্রুপে হয়ত এরকম পোস্ট দেখতে পাবেন। মূল উদ্দেশ্য একটাই, নাম ঠিকানা ফোন নং দিয়ে কমেন্ট করতে বলা। আপনি ও সুন্দর করে ফ্রী পাবার জন্য কমেন্ট করে দিচ্ছেন। এতে লাভ কি জানেন?
পোস্ট দাতা বই দিক বা না দিক, ফ্রীতে আপনার ইনফো নিয়ে নিলো। তারপর সে আপনার ডাটা গুলো বিক্রি করে দিবে। এ ডাটাগুলোর কিছু ব্যবহার দেখাই।
১. আপনার ফোনে প্রমোশনাল মেসেজ দেখতে পান? বিভিন্ন ছাড় এর? কোথা থেকে পায় আপনার ফোন নং?
২. ট্রু কলার এর মত চোর এপগুলো তাদের ডাটাবেজে ইনক্লুড করে। এই এপ ইন্সটল করলে আপনার সব সেভড নম্বর, নম্বরের ছবিও ওদের কাছে চলে যায়। আপনিই অনুমতি দেন। পড়লে বুঝতে পারবেন। তারপর যে কেউ আপনার পরিচয় দুমিনিটে বের করে যেকোনো জায়গায় রেজিষ্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারে। (এটা বাইরে করে বেশি৷) আস্তে আস্তে আমরা যখন আরও বেশি বেশি ডিজিটাল সার্ভিস ইউজ করব তখন টের পাবো বিপদ টা।
৩. আপনার ইনফোগুলো সামারি করে ক্যাটাগরি করা হয়,তারপর এগুলো বড় বড় কোম্পানি কিনে তাদের এড পুশ করে। তাদের কাছে থাকা ডাটা কে ফুলফিল করে। এটার প্রবণতাও ইউরোপ কান্ট্রি তে বেশি
এরকম আরো অনেক কেস আছে। সব ত আমার জানা ও নেই। তাই বোকার মত কাজ করবেন না। কোথাও নিজের নাম ফোন নং ঠিকানা দিতে ভেবে চিন্তে দিন। আর এসব আলতু ফালতু বই পাবার শখ দেখেও অবাক লাগে। ফ্রী তে দিলে *** ও খাবো?
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
এরকম নাম মাত্র কিছু ইসলামিক সহ নানারক গ্রুপে হয়ত এরকম পোস্ট দেখতে পাবেন। মূল উদ্দেশ্য একটাই, নাম ঠিকানা ফোন নং দিয়ে কমেন্ট করতে বলা। আপনি ও সুন্দর করে ফ্রী পাবার জন্য কমেন্ট করে দিচ্ছেন। এতে লাভ কি জানেন?
পোস্ট দাতা বই দিক বা না দিক, ফ্রীতে আপনার ইনফো নিয়ে নিলো। তারপর সে আপনার ডাটা গুলো বিক্রি করে দিবে। এ ডাটাগুলোর কিছু ব্যবহার দেখাই।
১. আপনার ফোনে প্রমোশনাল মেসেজ দেখতে পান? বিভিন্ন ছাড় এর? কোথা থেকে পায় আপনার ফোন নং?
২. ট্রু কলার এর মত চোর এপগুলো তাদের ডাটাবেজে ইনক্লুড করে। এই এপ ইন্সটল করলে আপনার সব সেভড নম্বর, নম্বরের ছবিও ওদের কাছে চলে যায়। আপনিই অনুমতি দেন। পড়লে বুঝতে পারবেন। তারপর যে কেউ আপনার পরিচয় দুমিনিটে বের করে যেকোনো জায়গায় রেজিষ্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারে। (এটা বাইরে করে বেশি৷) আস্তে আস্তে আমরা যখন আরও বেশি বেশি ডিজিটাল সার্ভিস ইউজ করব তখন টের পাবো বিপদ টা।
৩. আপনার ইনফোগুলো সামারি করে ক্যাটাগরি করা হয়,তারপর এগুলো বড় বড় কোম্পানি কিনে তাদের এড পুশ করে। তাদের কাছে থাকা ডাটা কে ফুলফিল করে। এটার প্রবণতাও ইউরোপ কান্ট্রি তে বেশি
এরকম আরো অনেক কেস আছে। সব ত আমার জানা ও নেই। তাই বোকার মত কাজ করবেন না। কোথাও নিজের নাম ফোন নং ঠিকানা দিতে ভেবে চিন্তে দিন। আর এসব আলতু ফালতু বই পাবার শখ দেখেও অবাক লাগে। ফ্রী তে দিলে *** ও খাবো?
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
👍26😢6😱5❤2🤯1
১. এভাবে মড এপস কিনবেন না। কারণ এই মড/ক্র্যাক্ড ভার্সন এপস গুলো কতটা সেফ আপনার পক্ষে জানা সম্ভব না। বিশেষ করে স্ক্যাম আর নকলের জন্য এই সাবকন্টিনেন্ট এর দূর্নাম খুব বাজে। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ। যদি মড এপস ইউজ করতেই হয় রেপুটেড সোর্স থেকে ইউজ করুন৷ বিশেষ করে পিসির জন্য যেগুলো প্রয়োজন।
২. একটা উদাহরণ দেই, আমরা ইউটিউব এর প্রো ভার্সন এর জন্য যে এপটা দিয়েছিলাম এটা ওপেন সোর্স প্লাস খুব রেপুটেটেড একটা কমিউনিটি থেকে ছিলো, ভ্যান্সড। পরবর্তীতে ভ্যান্সড কে নকল করে আরো এপ আসে। মানুষ না জেনে বুঝে এগুলো কিনে ফেলছে।
তবে এটাও সত্যি, ভেন্সড এর জন্য যেরকম কমিউনিটি আছে, বাকি ৯৯.৯৯% মড এপ এর এমন কমিউনিটি নেই। (কাস্টম রম ছাড়া)। তাই সবচেয়ে সেফ ওয়ে, এরকম ফেসবুক পেজ থেকে না নেয়া। গুগল সার্চ করে জেনে বুঝে নেয়াটা বেটার৷
৩. মড এপসের মাসায়ালার জন্য ইসলামকিউ এর টা আমরা ফলো করি, বাকিটা আপনি খোজ খবর নিয়ে জেনে ব্যবহার করুন। গুগল সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন ওই মাসায়ালা।
২. একটা উদাহরণ দেই, আমরা ইউটিউব এর প্রো ভার্সন এর জন্য যে এপটা দিয়েছিলাম এটা ওপেন সোর্স প্লাস খুব রেপুটেটেড একটা কমিউনিটি থেকে ছিলো, ভ্যান্সড। পরবর্তীতে ভ্যান্সড কে নকল করে আরো এপ আসে। মানুষ না জেনে বুঝে এগুলো কিনে ফেলছে।
তবে এটাও সত্যি, ভেন্সড এর জন্য যেরকম কমিউনিটি আছে, বাকি ৯৯.৯৯% মড এপ এর এমন কমিউনিটি নেই। (কাস্টম রম ছাড়া)। তাই সবচেয়ে সেফ ওয়ে, এরকম ফেসবুক পেজ থেকে না নেয়া। গুগল সার্চ করে জেনে বুঝে নেয়াটা বেটার৷
৩. মড এপসের মাসায়ালার জন্য ইসলামকিউ এর টা আমরা ফলো করি, বাকিটা আপনি খোজ খবর নিয়ে জেনে ব্যবহার করুন। গুগল সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন ওই মাসায়ালা।
👍34😢2
বিস্তারিত পড়ুনঃ https://telegra.ph/ডপফইক-পরযকত-02-11
(ক্রেডিটঃ Rudra)
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
(ক্রেডিটঃ Rudra)
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
😢15🤬9❤4👍3
নারীদের মুঠোফোনে থাকা ব্যক্তিগত ছবি হাতিয়ে নিয়ে ‘ব্ল্যাকমেলের’ অভিযোগে গাজীপুরে এক ‘ডেলিভারিম্যান’ গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ বলছে, অনলাইনে অর্ডার দেওয়া পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দিতে গিয়ে মাত্র এক–দুই মিনিটে গ্রাহকের অজান্তে মুঠোফোনের ছবি হাতিয়ে নেন তিনি। এরপর সেটি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আদায় করেন টাকা।
ভুক্তভোগী এক তরুণীর পরিবারের অভিযোগের পর গতকাল শুক্রবার রাতে মিজানুর রহমান ওরফে আল-আমিন (২২) নামের এই ‘ডেলিভারিম্যানকে’ গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মিজানুর রহমান জামালপুরের ইসলামপুর থানার চরগাঁওকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রথখোলা এলাকায় ভাড়া থেকে একটি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের ‘ডেলিভারিম্যানের’ কাজ করেন।
গ্রেপ্তারের পর মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই ই–কর্মাস সাইটে পণ্য অর্ডার করা তরুণীদের টার্গেট করতেন মিজানুর। এরপর পণ্য পৌঁছে দিতে গিয়ে কৌশলে গ্রাহকের মুঠোফোন হাতে নিতেন। সহজে পণ্য ডেলিভারির জন্য গুগল লোকেশন যুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি নারীদের মুঠোফোনের গুগল ফটো অ্যাপে যেতেন। এই অ্যাপের শেয়ারিং অপশনে গিয়ে ‘শেয়ার উইথ পার্টনার’ অংশে নিজের ব্যক্তিগত জি–মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে দিতেন। কাজটি শেষ করতে সময় নেন এক থেকে দুই মিনিট। পরবর্তী সময়ে সুবিধামতো সময়ে মুঠোফোনের গুগল ফটোতে ঢুকে ওই নারী ক্রেতার গুগলে থাকা সব ছবি নিজের মুঠোফোনে ডাউনলোড করে নেন। এরপর তরুণী ও নারীদের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেন।
পুলিশ জানায়, গাজীপুর শহর এলাকার এক ব্যক্তি গতকাল শুক্রবার বিকেলে সদর থানায় অভিযোগ করেন, তাঁর স্কুলছাত্রী মেয়ের (১৫) ব্যক্তিগত কিছু ছবি নিয়ে একজন ‘ডেলিভারিম্যান’ টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এতে তাঁর মেয়ে লোকলজ্জার ভয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়ে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার মিজানুরের মুঠোফোনে বহু নারীর ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও আপত্তিকর ছবিসহ বিভিন্ন ব্যক্তির ১১টি ই–মেইল আইডি লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়। যাঁদের আইডি লগইন অবস্থায় পাওয়া গেছে, তাঁদের বিস্তারিত নাম–ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। মিজানুরের বিরুদ্ধে ওই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। - সূত্র প্রথম আলো
🍀আমাদের মন্তব্যঃ
১. বোনরা এসব বিষয়ে সাবধান থাকবেন, সবার হাতে ফোন দেবেন না।
২. এপ লক ব্যবহার করে গ্যালারি লক করতে পারেন, তবে এটা সবসময় কার্যকর না। সেটিংস আর প্লে স্টোর লক করে রাখবেন।
৩. খুব ব্যাক্তিগত ছবি কখনো ফোনে রাখবেন না।
ভুক্তভোগী এক তরুণীর পরিবারের অভিযোগের পর গতকাল শুক্রবার রাতে মিজানুর রহমান ওরফে আল-আমিন (২২) নামের এই ‘ডেলিভারিম্যানকে’ গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মিজানুর রহমান জামালপুরের ইসলামপুর থানার চরগাঁওকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রথখোলা এলাকায় ভাড়া থেকে একটি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের ‘ডেলিভারিম্যানের’ কাজ করেন।
গ্রেপ্তারের পর মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই ই–কর্মাস সাইটে পণ্য অর্ডার করা তরুণীদের টার্গেট করতেন মিজানুর। এরপর পণ্য পৌঁছে দিতে গিয়ে কৌশলে গ্রাহকের মুঠোফোন হাতে নিতেন। সহজে পণ্য ডেলিভারির জন্য গুগল লোকেশন যুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে তিনি নারীদের মুঠোফোনের গুগল ফটো অ্যাপে যেতেন। এই অ্যাপের শেয়ারিং অপশনে গিয়ে ‘শেয়ার উইথ পার্টনার’ অংশে নিজের ব্যক্তিগত জি–মেইল অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে দিতেন। কাজটি শেষ করতে সময় নেন এক থেকে দুই মিনিট। পরবর্তী সময়ে সুবিধামতো সময়ে মুঠোফোনের গুগল ফটোতে ঢুকে ওই নারী ক্রেতার গুগলে থাকা সব ছবি নিজের মুঠোফোনে ডাউনলোড করে নেন। এরপর তরুণী ও নারীদের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করেন।
পুলিশ জানায়, গাজীপুর শহর এলাকার এক ব্যক্তি গতকাল শুক্রবার বিকেলে সদর থানায় অভিযোগ করেন, তাঁর স্কুলছাত্রী মেয়ের (১৫) ব্যক্তিগত কিছু ছবি নিয়ে একজন ‘ডেলিভারিম্যান’ টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। এতে তাঁর মেয়ে লোকলজ্জার ভয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়ে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে গাজীপুর শহরের রথখোলা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার মিজানুরের মুঠোফোনে বহু নারীর ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও আপত্তিকর ছবিসহ বিভিন্ন ব্যক্তির ১১টি ই–মেইল আইডি লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়। যাঁদের আইডি লগইন অবস্থায় পাওয়া গেছে, তাঁদের বিস্তারিত নাম–ঠিকানা সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। মিজানুরের বিরুদ্ধে ওই মেয়ের বাবা বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। - সূত্র প্রথম আলো
🍀আমাদের মন্তব্যঃ
১. বোনরা এসব বিষয়ে সাবধান থাকবেন, সবার হাতে ফোন দেবেন না।
২. এপ লক ব্যবহার করে গ্যালারি লক করতে পারেন, তবে এটা সবসময় কার্যকর না। সেটিংস আর প্লে স্টোর লক করে রাখবেন।
৩. খুব ব্যাক্তিগত ছবি কখনো ফোনে রাখবেন না।
😢40👍14❤5🤬5
একটা সময় ছিলো যখন সোশ্যাল মিডিয়া গুলো মানুষ ব্যবহার করতো সবার সাথে কানেক্টেড থাকার জন্য।এরপর একটা সময় আসলো যখন সোশ্যাল মিডিয়াগুলো সংখ্যায় বাড়তে থাকলো।
ফলাফল, প্রায় কিছু সোশ্যাল মিডিয়া তাদের ইনকাম ব্যবহার কারীদের শেয়ার করা শুরু করলো। কিছু সোশ্যাল মিডিয়া অবশ্য শুরু থেকে ব্যবহারকারীদের ইনকাম তথা তাদের লভ্যাংশ শেয়ার করছে।
সোশ্যাল মিডিয়াগুলো, বিশেষ করে ফেসবুক, গুগল ভিত্তিক এডসেন্স (ইনক্লুডেড ইউটিউব) মূল ইনকাম আসে এড থেকে। সেখানে ভালো খারাপ এড সবই আছে। ধরুন কেউ হারাম জিনিসের এড দিচ্ছে, কেউ হালাল জিনিসের সাথে নারী কিংবা গান মিশ্রিত করে এড দিচ্ছে। এখন, স্বাভাবিক, গুগল ইসলামিক কিছু ত নয়, তাদের এতে কি আসে যায়।
সমস্যা টা হলো, এ ইনকাম হারাম। ফতোয়া তে যাচ্ছি না, ইসলামকিউএ, আসিম আল হাকিম বা ভালো মানের আলেম হারাম ই বলে। কারণটা পরিষ্কার। নারী,গান,হারাম জিনিস দিয়ে ইনকামের টাকা হালাল হয় কিভাবে।
উদাহরণ: ইউনিলিভার শ্যাম্পির এড এ ধরে নিন, নারী, মিউজিক আছে। এই হারাম দেখানোর জন্য ইউনিলিভার ১০০ টাকা ইউটিউব/ওয়েব/বা যেকোনো কে দিলো, গুগল ৫৫ টাকা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে দিবে আর ৪৫ টাকা নিজের কাছে রাখবে। এই নারী,মিউজিক সম্বলিত এড থেকে পাওয়া টাকা হারাম। গুগল এডসেন্স, ফেসবুক সহ বিখ্যাত সব এড কোম্পানি এভাবেই এড দেখিয়ে ইনকাম করে। গুগলের বেশিরভাগ ইনকাম এড থেকেই আসে।
(সদ্য কিছু ভাই নতুন করে বলেন, গুগল কিছু এড বন্ধ করার সুযোগ দেয়, কিন্তু গুগল ত আর আপনাকে এসে বলবে না, নে ভাই, এই টাকা এমন এড থেকে এসেছে যেখানে নারী গান হারাম কিছুই ছিলো না। স্বাভাবিক এ যুক্তি খাটে না)
মূল কথা আসি, আমি সবসময় একটা কথা বলি, আপনি চাইলে অনেকগুলো হারাম জিনিসের হালাল ফতোয়া পেয়ে যাবেন। কিন্তু প্রশ্ন টা হলো নিজে কখনো ভেবে দেখেছেন? আল্লাহ মস্তিষ্ক মাথায় নিয়ে ঘুরার জন্য দেয় নি। আলেমদের থেকে কথা শুনে, মুমিনদের সাথে পরামর্শ করার জন্য ও দিয়েছে।
আমাদের বিশাল একটা জনগোষ্ঠী এই টাকার লোভে পড়েছে। রিলস, ভিডিও, পেজ থেকে এত সহজে টাকার লোভ কে সামলাবে? আমাদের প্লাটফর্মগুলোকে মনিটাইজড করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো বিভিন্ন ফিচারস ইনাবল করে দিচ্ছে। এ লোভ মারাত্নক। নিউজে দেখলাম, বাংলাদেশে একটা গ্রাম আছে যাদের বেশিরভাগ ইউটিউবার। তাদের চ্যানেল মোট ১৫০+। খুব গর্ব করে নিউজ করা হলো, খুব গর্ব করে সবাই কমেন্ট করছে। ভাবা যায়,পুরো গ্রাম হারামে লিপ্ত। সম্মিলিত ভাবে?
যা হোক, আর লিখছি, আমাদের জন্য দুআ করবেন। আমাদের সব পুরো প্লাটফর্ম ইনকাম থেকে মুক্ত। হালাল ব্যবসাও আমরা এতে যুক্ত করিনি। আল্লাহ যেনো আমাদের কাজ জারি রাখেন এবং অহংকারী হওয়া থেকে রক্ষা করেন, আমীন।
(এ লেখার উদ্দেশ্য ফতোয়া বিশ্লেষণ করা নয়, ফতোয়া নিয়ে আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন। আমরা যতটুক জেনেছি, হারাম)
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
Check: https://youtu.be/O_O0pVu7CeM?feature=shared
ফলাফল, প্রায় কিছু সোশ্যাল মিডিয়া তাদের ইনকাম ব্যবহার কারীদের শেয়ার করা শুরু করলো। কিছু সোশ্যাল মিডিয়া অবশ্য শুরু থেকে ব্যবহারকারীদের ইনকাম তথা তাদের লভ্যাংশ শেয়ার করছে।
সোশ্যাল মিডিয়াগুলো, বিশেষ করে ফেসবুক, গুগল ভিত্তিক এডসেন্স (ইনক্লুডেড ইউটিউব) মূল ইনকাম আসে এড থেকে। সেখানে ভালো খারাপ এড সবই আছে। ধরুন কেউ হারাম জিনিসের এড দিচ্ছে, কেউ হালাল জিনিসের সাথে নারী কিংবা গান মিশ্রিত করে এড দিচ্ছে। এখন, স্বাভাবিক, গুগল ইসলামিক কিছু ত নয়, তাদের এতে কি আসে যায়।
সমস্যা টা হলো, এ ইনকাম হারাম। ফতোয়া তে যাচ্ছি না, ইসলামকিউএ, আসিম আল হাকিম বা ভালো মানের আলেম হারাম ই বলে। কারণটা পরিষ্কার। নারী,গান,হারাম জিনিস দিয়ে ইনকামের টাকা হালাল হয় কিভাবে।
উদাহরণ: ইউনিলিভার শ্যাম্পির এড এ ধরে নিন, নারী, মিউজিক আছে। এই হারাম দেখানোর জন্য ইউনিলিভার ১০০ টাকা ইউটিউব/ওয়েব/বা যেকোনো কে দিলো, গুগল ৫৫ টাকা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কে দিবে আর ৪৫ টাকা নিজের কাছে রাখবে। এই নারী,মিউজিক সম্বলিত এড থেকে পাওয়া টাকা হারাম। গুগল এডসেন্স, ফেসবুক সহ বিখ্যাত সব এড কোম্পানি এভাবেই এড দেখিয়ে ইনকাম করে। গুগলের বেশিরভাগ ইনকাম এড থেকেই আসে।
(সদ্য কিছু ভাই নতুন করে বলেন, গুগল কিছু এড বন্ধ করার সুযোগ দেয়, কিন্তু গুগল ত আর আপনাকে এসে বলবে না, নে ভাই, এই টাকা এমন এড থেকে এসেছে যেখানে নারী গান হারাম কিছুই ছিলো না। স্বাভাবিক এ যুক্তি খাটে না)
মূল কথা আসি, আমি সবসময় একটা কথা বলি, আপনি চাইলে অনেকগুলো হারাম জিনিসের হালাল ফতোয়া পেয়ে যাবেন। কিন্তু প্রশ্ন টা হলো নিজে কখনো ভেবে দেখেছেন? আল্লাহ মস্তিষ্ক মাথায় নিয়ে ঘুরার জন্য দেয় নি। আলেমদের থেকে কথা শুনে, মুমিনদের সাথে পরামর্শ করার জন্য ও দিয়েছে।
আমাদের বিশাল একটা জনগোষ্ঠী এই টাকার লোভে পড়েছে। রিলস, ভিডিও, পেজ থেকে এত সহজে টাকার লোভ কে সামলাবে? আমাদের প্লাটফর্মগুলোকে মনিটাইজড করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো বিভিন্ন ফিচারস ইনাবল করে দিচ্ছে। এ লোভ মারাত্নক। নিউজে দেখলাম, বাংলাদেশে একটা গ্রাম আছে যাদের বেশিরভাগ ইউটিউবার। তাদের চ্যানেল মোট ১৫০+। খুব গর্ব করে নিউজ করা হলো, খুব গর্ব করে সবাই কমেন্ট করছে। ভাবা যায়,পুরো গ্রাম হারামে লিপ্ত। সম্মিলিত ভাবে?
যা হোক, আর লিখছি, আমাদের জন্য দুআ করবেন। আমাদের সব পুরো প্লাটফর্ম ইনকাম থেকে মুক্ত। হালাল ব্যবসাও আমরা এতে যুক্ত করিনি। আল্লাহ যেনো আমাদের কাজ জারি রাখেন এবং অহংকারী হওয়া থেকে রক্ষা করেন, আমীন।
(এ লেখার উদ্দেশ্য ফতোয়া বিশ্লেষণ করা নয়, ফতোয়া নিয়ে আলেমদের সাথে পরামর্শ করুন। আমরা যতটুক জেনেছি, হারাম)
ফলোঃ https://t.me/HopeIslamicTech
Check: https://youtu.be/O_O0pVu7CeM?feature=shared
❤16👍5💔2🥰1
এটা ত অনেক আগের কাহিনী, এখন ত ভিডিও ও তৈরী করা পসিবল। অনেকে আছে ফেসবুকে ছোট বেলা থেকে ছবি দেয়া কিংবা ১০০+ পিক দেয়া। এসব পিক সফট দিয়ে কিছু সেটিংস জানলেই হয়। ভিডিও চলে আসবে। যত বেশি এংগেলের ছবি তত ভালো ভিডিও।
😢34👍6
আপনার ব্যবহার করা বেস্ট ইসলামিক এপস কোনটি? কমেন্টে জানিয়ে দিন। আমরা তালিকা করে পোস্ট করব ইন শা আল্লাহ । এতে করে আপনার ভাইবোনরা উপকৃত হবেন ইন শা আল্লাহ)
(শর্তঃ এড থাকতে পারবে না, এবং কেনো এপসটি আপনার পছন্দ বা বিশেষ কি তাও জানিয়ে রাখুন, কমেন্টে ননমাহরাম এর রিপ্লাই করবেন না)
(শর্তঃ এড থাকতে পারবে না, এবং কেনো এপসটি আপনার পছন্দ বা বিশেষ কি তাও জানিয়ে রাখুন, কমেন্টে ননমাহরাম এর রিপ্লাই করবেন না)
👍17❤7
একটি পুরোনো ছবিকে এআই দিয়ে রিক্রিয়েট করা হয়েছে৷ মেয়েটার ছবিটা ঝাপসা করে না দেয়া হলে হয়তো আপনারা আরো অবাক হতেন। এত পুরোনো একটা ছবি থেকে কত পারফেক্ট করে বিভিন্ন পোজে নতুন করে মানুষকে ক্রিয়েট করা যায় তা অকল্পনীয়।
জানি না বিষয়টা আপনারা কতটুকু বুঝবেন। তবে এইআই গুলো এক/দু বছরে যে পরিমাণ এগিয়েছে ভবিষ্যতে কি হবে তা অনুমান করে নিন।
যারা ধুপধাপ ছবি পাবলিক করেন নিজেদের তাদের দ্বিতীয় বার ভাববার সময় এসেছে৷ এটা কিন্তু মিডজার্নি না। মিডজার্নি এর লেটেস্ট ভার্সন ৫ এর একটা উদাহরণ ও কমেন্ট এ দিয়ে রাখলাম। দেখে অবাক হবেন মেশিন আর্ট কতটা পারফেক্ট
টেকনিক্যাল ডিটেলস: Lama cleaner, Automatic 1111, Cnet Pp used.
জানি না বিষয়টা আপনারা কতটুকু বুঝবেন। তবে এইআই গুলো এক/দু বছরে যে পরিমাণ এগিয়েছে ভবিষ্যতে কি হবে তা অনুমান করে নিন।
যারা ধুপধাপ ছবি পাবলিক করেন নিজেদের তাদের দ্বিতীয় বার ভাববার সময় এসেছে৷ এটা কিন্তু মিডজার্নি না। মিডজার্নি এর লেটেস্ট ভার্সন ৫ এর একটা উদাহরণ ও কমেন্ট এ দিয়ে রাখলাম। দেখে অবাক হবেন মেশিন আর্ট কতটা পারফেক্ট
টেকনিক্যাল ডিটেলস: Lama cleaner, Automatic 1111, Cnet Pp used.
😢24👍7
কালো জাদু নিয়ে জানতে ও সাহায্য পেতে রুকাইয়া সার্পোট বিডির অবদান বিশাল। তারা তাদের এপের আপডেট ভার্সন এনেছে। লিংক:
App: https://m.facebook.com/groups/ruqyahbd?wtsid=rdr_0Q2u6Tlgz69nKNmPW
তাদের গ্রুপ ও লেখা সূমহ পড়তে: (কালো জাদুর লক্ষণ,সমাধান) https://t.me/Hope24hoursbook/180
App: https://m.facebook.com/groups/ruqyahbd?wtsid=rdr_0Q2u6Tlgz69nKNmPW
তাদের গ্রুপ ও লেখা সূমহ পড়তে: (কালো জাদুর লক্ষণ,সমাধান) https://t.me/Hope24hoursbook/180
❤18
সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনের বিভিন্ন প্লাটফর্ম—বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবের বিশাল অংশ জুড়ে আছে ইসলামিক কনটেন্ট।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, অনেক ইউটিউবার ভিউয়ার্স বাড়াতে গিয়ে তাদের কনটেন্টে কুরুচিপূর্ণ থাম্বনেইল, অসংলগ্ন ক্যাপশন এবং অগুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ব্যবহার করে থাকে। বক্তাদের পারস্পরিক বৈরিতা ও দূরত্ব বৃদ্ধিতেও তাদের এই অনৈতিকতা অনেকাংশে দায়ী।
দীন প্রচারের কাজে যুক্ত আমাদের প্রিয় এই যুবকগুলো একটুখানি পার্থিব সুবিধার জন্য অসততা ও অনৈতিকতার আশ্রয় নেবে, আমরা কখনোই তা কামনা করি না। তাদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ এবং ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনার নীতিমালা সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেয়া আমাদের দীনি দায়িত্ব।
এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে ইসলামিক কন্টেন্ট নির্মাণের সাথে যুক্ত প্রায় ৯০ টি মিডিয়াকে দাওয়াত দেয়া হয়েছিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন অফিসে। গত ২০ মার্চ সন্ধ্যায় ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়ামে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী তাদের সাথে মতবিনিময় এবং নাসীহা প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি।
যে কোনো আলেমের বক্তব্যে রুচিসম্পন্ন থাম্বনেইল, সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্যাপশন, সুনির্বাচিত ভিডিও ব্যবহার এবং গুজব ও আপত্তিকর সংবাদ না ছড়ানোর ব্যাপারে কথা বলি। কথা বলি অনলাইনের উপার্জন সম্পর্কেও। অ্যাডসেন্স ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে শরীয়তসিদ্ধ বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে কীভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, সে সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেই।
এদেশের ওয়াজ-মাহফিলে সবচেয়ে বেশি উপস্থিত থাকেন ইউটিউবারগণ। ওয়াজ-মাহফিল যেন তাদের শুধুই অর্থোপার্জনের মাধ্যম না হয়, বরং মাহফিলে আহরিত জ্ঞানের মাধ্যমে তাদের আমলি জীবন যেন সমৃদ্ধ হয়, সেই নিবেদন পেশ করি ইউটিউবারদের সামনে।
আলহামদুলিল্লাহ, নাসীহা প্রোগ্রাম শেষে ইউটিউবারগণ প্রতিজ্ঞা করেছেন, কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের নির্দেশনা তারা সামনে রাখবেন। আল্লাহ তাদেরকে সুমতি এবং আলেমদেরকে ইখলাস দান করুন।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, অনেক ইউটিউবার ভিউয়ার্স বাড়াতে গিয়ে তাদের কনটেন্টে কুরুচিপূর্ণ থাম্বনেইল, অসংলগ্ন ক্যাপশন এবং অগুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ব্যবহার করে থাকে। বক্তাদের পারস্পরিক বৈরিতা ও দূরত্ব বৃদ্ধিতেও তাদের এই অনৈতিকতা অনেকাংশে দায়ী।
দীন প্রচারের কাজে যুক্ত আমাদের প্রিয় এই যুবকগুলো একটুখানি পার্থিব সুবিধার জন্য অসততা ও অনৈতিকতার আশ্রয় নেবে, আমরা কখনোই তা কামনা করি না। তাদের নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ এবং ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনার নীতিমালা সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেয়া আমাদের দীনি দায়িত্ব।
এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে ইসলামিক কন্টেন্ট নির্মাণের সাথে যুক্ত প্রায় ৯০ টি মিডিয়াকে দাওয়াত দেয়া হয়েছিল আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন অফিসে। গত ২০ মার্চ সন্ধ্যায় ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়ামে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী তাদের সাথে মতবিনিময় এবং নাসীহা প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি।
যে কোনো আলেমের বক্তব্যে রুচিসম্পন্ন থাম্বনেইল, সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্যাপশন, সুনির্বাচিত ভিডিও ব্যবহার এবং গুজব ও আপত্তিকর সংবাদ না ছড়ানোর ব্যাপারে কথা বলি। কথা বলি অনলাইনের উপার্জন সম্পর্কেও। অ্যাডসেন্স ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে শরীয়তসিদ্ধ বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে কীভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, সে সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেই।
এদেশের ওয়াজ-মাহফিলে সবচেয়ে বেশি উপস্থিত থাকেন ইউটিউবারগণ। ওয়াজ-মাহফিল যেন তাদের শুধুই অর্থোপার্জনের মাধ্যম না হয়, বরং মাহফিলে আহরিত জ্ঞানের মাধ্যমে তাদের আমলি জীবন যেন সমৃদ্ধ হয়, সেই নিবেদন পেশ করি ইউটিউবারদের সামনে।
আলহামদুলিল্লাহ, নাসীহা প্রোগ্রাম শেষে ইউটিউবারগণ প্রতিজ্ঞা করেছেন, কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের নির্দেশনা তারা সামনে রাখবেন। আল্লাহ তাদেরকে সুমতি এবং আলেমদেরকে ইখলাস দান করুন।
❤29👍5👏2
ইদানিং একটা পোস্ট প্রায়ই চোখে পড়ে। লাইক বাটন ত্রিশ বার ক্লিক করুন এবং ম্যাজিক দেখুন।
এমনটা করলে আপনার আইডি ২ ঘন্টা থেকে ২ দিনের জন্য রেস্ট্রিকশন এ চলে যাবে। এখন হয়ত মনে হতে পারে এটা আর কি এমন জিনিস। ২ দিন ত ব্যাপার না।
এটা আসলে বিশাল ব্যাপার। যারা পেজ বা গ্রুপ ম্যানেজ করেন তাদের জন্য। কারণ আপনার এডমিন আইডি কিংবা বিজনেস আইডি হারানো ঝামেলার বিষয়। আর রেস্ট্রিকশন এর লিমিট থাকে। নির্দিষ্ট সংখ্যাক খাওয়ার পর নানা ঝামেলা শুরু হয়। তাই এসব থেকে দূরে থাকবেন। কমেন্টে বলে দিবেন বাকিদের বিষয়টা...
এমনটা করলে আপনার আইডি ২ ঘন্টা থেকে ২ দিনের জন্য রেস্ট্রিকশন এ চলে যাবে। এখন হয়ত মনে হতে পারে এটা আর কি এমন জিনিস। ২ দিন ত ব্যাপার না।
এটা আসলে বিশাল ব্যাপার। যারা পেজ বা গ্রুপ ম্যানেজ করেন তাদের জন্য। কারণ আপনার এডমিন আইডি কিংবা বিজনেস আইডি হারানো ঝামেলার বিষয়। আর রেস্ট্রিকশন এর লিমিট থাকে। নির্দিষ্ট সংখ্যাক খাওয়ার পর নানা ঝামেলা শুরু হয়। তাই এসব থেকে দূরে থাকবেন। কমেন্টে বলে দিবেন বাকিদের বিষয়টা...
❤24👍4