One thing about social media is that it brings out the worst in people.
.
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে বৈশিষ্ট্য, সেটাকে বের করে আনে। মানুষ সত্যিকার অর্থে কেমন, তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা প্রোফাইলের আড়ালে, যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—সেখানেই কিছুটা বোঝা যায় সত্যিকার অর্থে আপনি অন্তরে কী লালন করেন।
.
ফেসবুকে আসতে আমার প্রায় সময় আতঙ্কগ্রস্থ লাগে। কোনোদিন সকাল থেকে ফেসবুকে না ঢুকলে, বিকেলে যদি ঢোকার কথা মনে হয়, কেমন যেন ভয় লেগে ওঠে। অশ্লীল গালিগালাজ, ব্লেইমিং, মিথ্যা অপবাদ, অশ্লীলতা, ঝগড়া, কটাক্ষ—কী নেই! বেসিক ডিসেন্সি, আত্মমর্যাদা, সম্মানের মত সাধারণ বিষয়গুলো যেন এখানে বড্ড অপরিচিত।
.
এমন অনেক মানুষ আছে, বাস্তব জীবনে যাদের আচরণ খুবই চমৎকার। কিন্তু অনলাইনে সেই একই মানুষের কথা ও আচরণ দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আবার অনেকে আছে, যার মুখ থেকে মানুষের সামনে ভয় ও নার্ভাসনেসে দুটো কথা বের হয় না, কিন্তু অনলাইনে নানা জায়গায় গালিগালাজ, কটাক্ষ এবং বাকা কমেন্ট করে বেড়াচ্ছে।
.
আবার কেউ যদি এসব না-ও করে, তার এসব দেখতে হয়, হজম করতে হয়, এঙ্গেইজড হয়ে যেতে হয়। যা-ই বলেন, গালি, কটাক্ষ সহ্য করবেন না—তা হবে না। এসব দেখতে দেখতে একে তো অন্তর বক্র হয়ে যাবে, অন্যদিকে এগুলোর জবাব দিতে গেলে কষ্ট, রাগ, বিরক্তি মিলে ধীরে ধীরে আপনি তাদের পর্যায়ে নেমে যেতে থাকবেন।
.
সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে আমাদের কাছে গেলাও যায় না, ফেলাও যায় না ধরণের বিষয়। মজ/লুমের মিডিয়া হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেই আমরা সাধারণ মানুষের সাথে এঙ্গেইজড হতে পারি, নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি। অন্যদিকে এ সংস্কৃতি অনেক ভালো বৈশিষ্ট্য নষ্ট করে দেয়, খারাপটাকে বের করে আনে, টক্সিসিটি তৈরি করে।
.
তাই সোশ্যাল মিডিয়া চালানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা রুলস ফলো করা জরুরি। আমি নিজেও যে পুরো করে উঠতে পারি তা না, কিন্তু চেষ্টা করি। রুলস—
.
১. এমন বিষয়ে কথা না বলা, যা আমি ভালোভাবে জানি না। শুধু তথ্য জানাই যথেষ্ট না, এ ব্যাপারে বয়ান কী হবে তাও জানা জরুরি।
২. যে বিষয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের বয়ানে সবাই কথা বলছে, গুরুত্বপূর্ণ কথা চলে এসেছে, সে বিষয়ে কথা আবার না বলা। তবে কথা হচ্ছে, তবে বয়ান আসে নাই, কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি (যেটা পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)—এমন ইস্যু ভিন্ন।
৩. সম্ভব হলে বুঝদার কোনো সিনিয়র কারো তত্ত্বাবধানে ফেসবুক চালানো। যিনি ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে নজর রাখবেন ও ভুল করলে তা ধরিয়ে দেবেন।
৪. অতিমাত্রায় হাসিতামাশা, কথা বলা অন্তরকে মেরে ফেলে। অনেক সালাফের কওল থেকে এটা প্রমাণিত। তাই অনলাইনে অতি মশকারি, অতিমাত্রায় মিমিং, নানা জায়গায় দরকার-বেদরকারে কমেন্ট করা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেওয়া লিমিটেড করে ফেলা। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ঢোকা ও রিয়েলিস্টিক টাইম সেট করা। কী পরিমাণ সময় এখানে যাচ্ছে তা ট্র্যাক করতে Your Hour এপ ব্যবহার করা যায়।
৬. সম্ভব হলে ফোনে ফেসবুক এপ না রাখা। ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা।
৭. সকল ‘র্যান্ডম’ রিলস, শর্টস একেবারেই বাদ দেওয়া। এর জন্য প্রয়োজন হলে StayFree এর মত এপ ব্যবহার করা যায়। সেখানে এসব এপ থেকে রিলস, শর্টস ব্লক করে দেওয়ার অপশন আছে।
৮. টাইম ওয়েস্ট করতে ইচ্ছে হলে এক্স, ফিডলি বা সাবস্ট্যাকে করা।
.
এগুলো আমার মাথায় আসা অল্প ও সহজ কিছু রুলস। এ কয়েকটা অনুসরণ করতে পারলে আশা করি ইনশাআল্লাহ অনেকটুকু সমস্যা ব্যক্তি পর্যায়েই অনেকটা কমে আসবে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে না—এটাও সত্য। অন্তত নিজে বেঁচে থাকা জরুরি এসব থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন। - ইরফান সাদিক
.
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে বৈশিষ্ট্য, সেটাকে বের করে আনে। মানুষ সত্যিকার অর্থে কেমন, তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা প্রোফাইলের আড়ালে, যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—সেখানেই কিছুটা বোঝা যায় সত্যিকার অর্থে আপনি অন্তরে কী লালন করেন।
.
ফেসবুকে আসতে আমার প্রায় সময় আতঙ্কগ্রস্থ লাগে। কোনোদিন সকাল থেকে ফেসবুকে না ঢুকলে, বিকেলে যদি ঢোকার কথা মনে হয়, কেমন যেন ভয় লেগে ওঠে। অশ্লীল গালিগালাজ, ব্লেইমিং, মিথ্যা অপবাদ, অশ্লীলতা, ঝগড়া, কটাক্ষ—কী নেই! বেসিক ডিসেন্সি, আত্মমর্যাদা, সম্মানের মত সাধারণ বিষয়গুলো যেন এখানে বড্ড অপরিচিত।
.
এমন অনেক মানুষ আছে, বাস্তব জীবনে যাদের আচরণ খুবই চমৎকার। কিন্তু অনলাইনে সেই একই মানুষের কথা ও আচরণ দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আবার অনেকে আছে, যার মুখ থেকে মানুষের সামনে ভয় ও নার্ভাসনেসে দুটো কথা বের হয় না, কিন্তু অনলাইনে নানা জায়গায় গালিগালাজ, কটাক্ষ এবং বাকা কমেন্ট করে বেড়াচ্ছে।
.
আবার কেউ যদি এসব না-ও করে, তার এসব দেখতে হয়, হজম করতে হয়, এঙ্গেইজড হয়ে যেতে হয়। যা-ই বলেন, গালি, কটাক্ষ সহ্য করবেন না—তা হবে না। এসব দেখতে দেখতে একে তো অন্তর বক্র হয়ে যাবে, অন্যদিকে এগুলোর জবাব দিতে গেলে কষ্ট, রাগ, বিরক্তি মিলে ধীরে ধীরে আপনি তাদের পর্যায়ে নেমে যেতে থাকবেন।
.
সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে আমাদের কাছে গেলাও যায় না, ফেলাও যায় না ধরণের বিষয়। মজ/লুমের মিডিয়া হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেই আমরা সাধারণ মানুষের সাথে এঙ্গেইজড হতে পারি, নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি। অন্যদিকে এ সংস্কৃতি অনেক ভালো বৈশিষ্ট্য নষ্ট করে দেয়, খারাপটাকে বের করে আনে, টক্সিসিটি তৈরি করে।
.
তাই সোশ্যাল মিডিয়া চালানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা রুলস ফলো করা জরুরি। আমি নিজেও যে পুরো করে উঠতে পারি তা না, কিন্তু চেষ্টা করি। রুলস—
.
১. এমন বিষয়ে কথা না বলা, যা আমি ভালোভাবে জানি না। শুধু তথ্য জানাই যথেষ্ট না, এ ব্যাপারে বয়ান কী হবে তাও জানা জরুরি।
২. যে বিষয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের বয়ানে সবাই কথা বলছে, গুরুত্বপূর্ণ কথা চলে এসেছে, সে বিষয়ে কথা আবার না বলা। তবে কথা হচ্ছে, তবে বয়ান আসে নাই, কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি (যেটা পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)—এমন ইস্যু ভিন্ন।
৩. সম্ভব হলে বুঝদার কোনো সিনিয়র কারো তত্ত্বাবধানে ফেসবুক চালানো। যিনি ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে নজর রাখবেন ও ভুল করলে তা ধরিয়ে দেবেন।
৪. অতিমাত্রায় হাসিতামাশা, কথা বলা অন্তরকে মেরে ফেলে। অনেক সালাফের কওল থেকে এটা প্রমাণিত। তাই অনলাইনে অতি মশকারি, অতিমাত্রায় মিমিং, নানা জায়গায় দরকার-বেদরকারে কমেন্ট করা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেওয়া লিমিটেড করে ফেলা। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ঢোকা ও রিয়েলিস্টিক টাইম সেট করা। কী পরিমাণ সময় এখানে যাচ্ছে তা ট্র্যাক করতে Your Hour এপ ব্যবহার করা যায়।
৬. সম্ভব হলে ফোনে ফেসবুক এপ না রাখা। ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা।
৭. সকল ‘র্যান্ডম’ রিলস, শর্টস একেবারেই বাদ দেওয়া। এর জন্য প্রয়োজন হলে StayFree এর মত এপ ব্যবহার করা যায়। সেখানে এসব এপ থেকে রিলস, শর্টস ব্লক করে দেওয়ার অপশন আছে।
৮. টাইম ওয়েস্ট করতে ইচ্ছে হলে এক্স, ফিডলি বা সাবস্ট্যাকে করা।
.
এগুলো আমার মাথায় আসা অল্প ও সহজ কিছু রুলস। এ কয়েকটা অনুসরণ করতে পারলে আশা করি ইনশাআল্লাহ অনেকটুকু সমস্যা ব্যক্তি পর্যায়েই অনেকটা কমে আসবে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে না—এটাও সত্য। অন্তত নিজে বেঁচে থাকা জরুরি এসব থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন। - ইরফান সাদিক
❤12⚡3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কিছুদিন আগে পরিচিত একজনের (মেয়ে) ইমোতে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসে। রিসিভ করার সাথে সাথে ওপাশে এক ছেলে উলঙ্গ হয়ে আছে। কেটে দিতে দিতে সে ছেলে ২ সেকেন্ডের ভিডিও সে রেকর্ড করে ফেলে। তারপর সে ব্ল্যাকমেইল করার চেস্টা করে। ভাগ্য ভালো যে আমার রিলেটিভ সরাসরি ক্যমেরার এংগেলে ছিলেন না৷
অপরিচিত নাম্বার থেকে ভিডিও কলের রিকুয়েষ্ট আসলে অবশ্যই ধরবেন না। এড়িয়ে যাবেন। নতুবা ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হবেন যে কোন সময়।
- কপিড
@HopeIslamicTech
অপরিচিত নাম্বার থেকে ভিডিও কলের রিকুয়েষ্ট আসলে অবশ্যই ধরবেন না। এড়িয়ে যাবেন। নতুবা ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হবেন যে কোন সময়।
- কপিড
@HopeIslamicTech
❤13👏2
১মাস পারপ্লেক্সিটি প্রো এবং কমিট ব্রাউজার...
Comet ব্রাউজার ইউজ না করলে ট্রাই করতে পারেন। বেশ কিছু এআই ফিচার ইন্ট্রিগেট করা আছে। এড ব্লকার আছে। perplexity এর ব্রাউজার। ভালই মনে হয়েছে, হয়তো সামনে ইম্প্রুভ হবে আরও। নিচের রেফারেল লিংক ইউজ করলে ১মাস প্রো ভার্শন পাবেন।
ডাউনলোড - https://pplx.ai/almahmudzh
(কমেন্টেও লিঙ্ক দিচ্ছি)
কমিট ইন্সটল করার পর পারপ্লেক্সিটিতে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে সব ফিচার ভালমত ইউজ করা যাবে। আর ইন্সটল করার পর এআইকে ২-১টা প্রশ্ন করলেই প্রো একটিভ হয়ে যাবে। পরে ব্রাউজার ডিলিট করে দিলেও প্রো থেকে যাবে...
- মাহমুদ ভাই
(এডমিন - মাহমুদ ভাই এর লিংকটা ব্যবহারের অনুরোধ রইলো।, আর এটা পিসি অনলি, ফোনে হবে না।)
Comet ব্রাউজার ইউজ না করলে ট্রাই করতে পারেন। বেশ কিছু এআই ফিচার ইন্ট্রিগেট করা আছে। এড ব্লকার আছে। perplexity এর ব্রাউজার। ভালই মনে হয়েছে, হয়তো সামনে ইম্প্রুভ হবে আরও। নিচের রেফারেল লিংক ইউজ করলে ১মাস প্রো ভার্শন পাবেন।
ডাউনলোড - https://pplx.ai/almahmudzh
(কমেন্টেও লিঙ্ক দিচ্ছি)
কমিট ইন্সটল করার পর পারপ্লেক্সিটিতে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে সব ফিচার ভালমত ইউজ করা যাবে। আর ইন্সটল করার পর এআইকে ২-১টা প্রশ্ন করলেই প্রো একটিভ হয়ে যাবে। পরে ব্রাউজার ডিলিট করে দিলেও প্রো থেকে যাবে...
- মাহমুদ ভাই
(এডমিন - মাহমুদ ভাই এর লিংকটা ব্যবহারের অনুরোধ রইলো।, আর এটা পিসি অনলি, ফোনে হবে না।)
❤2
এটা হচ্ছে আমেরিকার সরকার "National Sex Offenders' Registries".
সার্চ দিয়েছিলাম Austin Texas, বৃত্তটা তিন মাইল বা ৫ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ১২৪ জন অফিশিয়ালি কনভিক্টেড সেক্স অফেন্ডার আছে।
সেম জিনিস সচেতন নামক একটা সাইট করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তেমন অ্যাকটিভ না।
এরকম একটা সাইট বানানো পসিবল কয়েকদিনের মধ্যে। লারাভেল ভালো পারে, এরকম কারো ফ্রি সময় থাকলে বলতে পারেন, প্রজেক্টটা দ্রুত করে ফেলতে পারি। হোস্টিং, সার্চ সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন আর্কিটেকচারে ডেভঅপ্স এ আমি হেল্প করবো।
আছেন কেউ ? একজন হলেই হবে Contact/msg- https://web.facebook.com/photo/?fbid=10163357557602110&set=a.262884142109
সার্চ দিয়েছিলাম Austin Texas, বৃত্তটা তিন মাইল বা ৫ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ১২৪ জন অফিশিয়ালি কনভিক্টেড সেক্স অফেন্ডার আছে।
সেম জিনিস সচেতন নামক একটা সাইট করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তেমন অ্যাকটিভ না।
এরকম একটা সাইট বানানো পসিবল কয়েকদিনের মধ্যে। লারাভেল ভালো পারে, এরকম কারো ফ্রি সময় থাকলে বলতে পারেন, প্রজেক্টটা দ্রুত করে ফেলতে পারি। হোস্টিং, সার্চ সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন আর্কিটেকচারে ডেভঅপ্স এ আমি হেল্প করবো।
আছেন কেউ ? একজন হলেই হবে Contact/msg- https://web.facebook.com/photo/?fbid=10163357557602110&set=a.262884142109
যারা যারা এখনো জেমিনি প্রো নিতে পারেন নাই নিচের লিংকে জানাতে পারেন কি সমস্যা ফেস করছেন৷
https://t.me/+vGcz-zKofdQ0NmZl
https://t.me/+vGcz-zKofdQ0NmZl
❤2
বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না।
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।
আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।
মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।
এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।
তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।
এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।
একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।
প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।
আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।
তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।
ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।
আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?
দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?
আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।
একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।
একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।
১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।
বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?
এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।
(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)
@Tahmidul islam
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।
আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।
মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।
এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।
তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।
এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।
একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।
প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।
আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।
তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।
ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।
আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?
দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?
আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।
একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।
একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।
১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।
বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?
এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।
(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)
@Tahmidul islam
⚡22❤6
গ্রামের লোকেরা, বয়স্ক মানুষরা এখনো AI ভিডিও এবং বাস্তব ভিডিওর পার্থক্য বোঝে না। এটা ভেবেই ভীত হই যে, এআই জেনারেটেড এসব ভিডিও দিয়ে এসব মানুষের ঈমান কেড়ে নেয়া কত সহজ!
এরপর আসে মিডিয়া। হলুদ মিডিয়া তথ্য ম্যানিপুলেট করে কত কোটি কোটি "শিক্ষিত" মানুষকেও ইসলামোফোব, সংশয়বাদী বানিয়েছে সেটার হিসাব করতে বসলে, হিসাব শেষ হবে না।
এআই জেনারেটেড কন্টেন্টগুলো এতটাই বাস্তবিক হচ্ছে যে সত্য-মিথ্যার মাপকাঠি হিসেবে ভিডিও ক্লিপ, ছবিকে রাখাটা এখন দুষ্কর। কিন্তু আরেকটা ভয়ানক তথ্য হচ্ছে, ছবিতে সবচেয়ে বেশি এআইয়ের ব্যবহার হয় কোনো জামা পরিহিতার জামা খোলার জন্য।
চেহারার ছবিটা থাকলেই শুধু জামা ছাড়া ছবিই না, ভিডিও জেনারেট করাও এখন সম্ভব। কোনো ভদ্র ঘরের, ভদ্র মেয়ের তাই অনলাইনে ছবি আপলোডের চিন্তা বাদ দিয়ে দেয়া উচিত। আপনার চেহারাটা কোন কোন কন্টেন্ট বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে, আপনি জানলে হয়তো কখনোই ছবি আপলোড দেবেন না। - মেরাজ হোসাইন
এরপর আসে মিডিয়া। হলুদ মিডিয়া তথ্য ম্যানিপুলেট করে কত কোটি কোটি "শিক্ষিত" মানুষকেও ইসলামোফোব, সংশয়বাদী বানিয়েছে সেটার হিসাব করতে বসলে, হিসাব শেষ হবে না।
এআই জেনারেটেড কন্টেন্টগুলো এতটাই বাস্তবিক হচ্ছে যে সত্য-মিথ্যার মাপকাঠি হিসেবে ভিডিও ক্লিপ, ছবিকে রাখাটা এখন দুষ্কর। কিন্তু আরেকটা ভয়ানক তথ্য হচ্ছে, ছবিতে সবচেয়ে বেশি এআইয়ের ব্যবহার হয় কোনো জামা পরিহিতার জামা খোলার জন্য।
চেহারার ছবিটা থাকলেই শুধু জামা ছাড়া ছবিই না, ভিডিও জেনারেট করাও এখন সম্ভব। কোনো ভদ্র ঘরের, ভদ্র মেয়ের তাই অনলাইনে ছবি আপলোডের চিন্তা বাদ দিয়ে দেয়া উচিত। আপনার চেহারাটা কোন কোন কন্টেন্ট বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে, আপনি জানলে হয়তো কখনোই ছবি আপলোড দেবেন না। - মেরাজ হোসাইন
😢20
অফিসিয়াল আর আন-অফিসিয়াল এর সরকারের মজার একটা হিসাব আজকে তুলে ধরবো সবার সামনে।
আর এর অসত্যতা কেউ প্রমান করতে চাইলে প্রমান হতে নিয়া আমার সাথে কথা বলবেন।
অফিসিয়াল ফোন: Oppo,Vivo,Samsung,Redmi,Tecno,infinix,itel,walton,Symphony এগুলা যারা বাংলাদেশি ট্যাগ দিয়া আবেগ দিয়া মাইখা ফেলেন তাদের আজকে তাদরে লুট এর ব্যাবসা টা প্রকাশ করতেছি।
এদের কারো পার্টস তৈরু করার মেশিন নাই, সব পার্টসগুলো আনে চায়না থেকে, কেজি হিসাবে।
এখন কেজি হিসাবে আনলে কি হয়?
কেজি হিসাবে বা পার্টস হিসাবে করের মাত্রা একদমই অল্প পরিমানে, সম্ভবত ৮-১০%। যেখানে একদম ইনটেক কম্পানি থেকে আনলে ৫৭% দিতে হয়।
গেলো এই ফাকি তারপর আসেন ফোনের মান এর উপর Oppo এর Reno 13f,Redmi 14,Tecno Camon 40 Pro,Infinix Note 50 Pro সহ এই দামের সব ফোনের বাংলাদেশের জন্য প্রসেসর Helio G100 4G
আর ইন্ডিয়াতে একই ফোনের বেশির ভাগ প্রসেসর Dimensity 6100-6300-7300 5G
এখন যারা প্রসের বুঝেন না তারা আপাতত সাইডে চাপেন আপনারদের ব্রেইন এমনিতেই দুর্বল।
এখন একই ফোনের পাওয়ার আালাদা আর দাম?
দাম হলো যেটা ইন্ডিয়ায় ১৫-২০ হাজার রুপিতে 5G প্রসেসর দিয়া আসতেছে, সেই একই ফোন ২৫-৩০ হাজারে 4G নিম্নমানের প্রসেসর দিয়া খাওয়াইতাছে।
এখানে বুঝলেন কি?
সহজ করে দেই:
১: সরকারি কর চুরি কিন্তু লিগাল।
২: গ্রাহকদের কাছ থেকে দাম বেশি কিন্তু প্রোডাক্টের কোয়ালিটির ৬/৯ করা।
ভাবতেছেন কি এখানেই শেষ?
না মাত্র শুরু হলো পকেট কাটা লিগাল ভাবে।
চালু হলো কিস্তি প্রথমে ২% দিয়া মার্কেটিং এটা আমিও না বুঝে সমর্থন করেছিলাম।
৪/৬/৯ মাসের সহজ কিস্তি, পরে মার্কেটে মধ্যবিত্ত আর গরিবরা মজা করে ফোন কিনা শুরু করলো।
এর হটাৎ করে কিস্তির সুদের হার ২০%-২৫% করা হলো, আর হিসাবটা গ্রাহকের কাছ থেকে ঘোলাটে করা হলো। হিসাব আন্দাজ করতে পারেনা যে কত বেশি খাইতেছে কম্পানি, আর সোনার বাংলার কিস্তি প্রিয় আম জনতার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকার ফোন কিস্তিতে ৩৫ হাজার নিতেছে।
লাভের পরিমান?
একটা ফোন ২৫ হাজার বাজার দর বিক্রি করলে দোকানদার পায় ১৮০০-২৫০০ টাকা।
কম্পানি কর ফাকি, নিম্ন মানের ফোন দিয়া নিতাছে ধরেন আরো ৫০০০ টাকা বারতি। তাহলে সর্বমোট কম্পানি পাইতাছে কত হলো লাভ?
২০০০+৫০০০+১০০০০= ১৭ হাজার টাকা প্রফিট একটা ২৫ হাজার টাকা ফোনের!
অথচো তারা লিগাল 🤣🤣🤣
এবার আনঅফিশিয়াল ফোনের হিসাব টা দেখাই
সোজা ফোন ইমপোর্ট করা হয় বেশি হলে কিছু খরচা বাচাতে ফোনে বক্সটা কেটে আলাদা করে আনা হয়।
ধরেন ফোনের দাম Turbo 4 Pro 12/256GB বর্তমানে ২৮৫০০ এটা কিন্তু বর্তমান দাম আগে ৪০-৪৫ হাজার ছিলো।
যখন দাম বেশি ছিলো কেনাও বেশি ছিলো।
বর্তমানে কেনা দাম চায়নায় ২২৬৪৫ টাকা
বাংলাদেশে ২৮৫০০টাকা, আবার বলতেছি বর্তমান কেনা দাম এবং বিক্রি দাম এটা আগে আরো বেশি ছিলো।
২৮৫০০-২২৬৪৫=৫৮৫৫টাকা বারতি এখন এটা কি লাভ?? না এখানে খরচ আছে।
২২৬৪৫+৩০০০(কেয়ারিং চার্জ)=২৫৬৪৫টাকা
ইম্পোটার সর্বোচ্চ লাভ করে ১০০০টাকা মোট ২৬৬৪৫টাকা শোরুম বা দোকান পর্যন্ত আসার খরচা।
২৮৫০০-২৬৬৪৫=১৮৫৫ টাকা লাভ একটা দোকানদারের।
এখন যদি দোকানদারের ৫৭% দিতে হয় এই ৫৭% কি দোকানদার দিবে নাকি জনগন??
এখন সব দোকানদার এতবড় চাপ থেকে বাচতে কর ফাকি দেয় কিন্তু দোকানের কর ঠিকি দেয়।
করের হার যদি ১০-১৫% হতো তাহলে কে চাইবে ১৮৫৫ টাকা লাভের জন্য এতো যুদ্ধ করতে?
চোর কারা? এতো সুন্দর ভাবে কি কোন ইউটিউবার বা সাংবাদিকেরা হিসাব বোঝেনা? বোঝে কিন্তু তারা কাঠের পুতুল টাকা যেদিক দিয়া যখন ছিটাবে সেদিক ফিরে নাচ দেখাবে এটাই ওদের নীতি। - আবু সাওদা
🔴 এডমিন- বিস্তারিত পরে বুঝিয়ে লিখব ইন শা আল্লাহ
আর এর অসত্যতা কেউ প্রমান করতে চাইলে প্রমান হতে নিয়া আমার সাথে কথা বলবেন।
অফিসিয়াল ফোন: Oppo,Vivo,Samsung,Redmi,Tecno,infinix,itel,walton,Symphony এগুলা যারা বাংলাদেশি ট্যাগ দিয়া আবেগ দিয়া মাইখা ফেলেন তাদের আজকে তাদরে লুট এর ব্যাবসা টা প্রকাশ করতেছি।
এদের কারো পার্টস তৈরু করার মেশিন নাই, সব পার্টসগুলো আনে চায়না থেকে, কেজি হিসাবে।
এখন কেজি হিসাবে আনলে কি হয়?
কেজি হিসাবে বা পার্টস হিসাবে করের মাত্রা একদমই অল্প পরিমানে, সম্ভবত ৮-১০%। যেখানে একদম ইনটেক কম্পানি থেকে আনলে ৫৭% দিতে হয়।
গেলো এই ফাকি তারপর আসেন ফোনের মান এর উপর Oppo এর Reno 13f,Redmi 14,Tecno Camon 40 Pro,Infinix Note 50 Pro সহ এই দামের সব ফোনের বাংলাদেশের জন্য প্রসেসর Helio G100 4G
আর ইন্ডিয়াতে একই ফোনের বেশির ভাগ প্রসেসর Dimensity 6100-6300-7300 5G
এখন যারা প্রসের বুঝেন না তারা আপাতত সাইডে চাপেন আপনারদের ব্রেইন এমনিতেই দুর্বল।
এখন একই ফোনের পাওয়ার আালাদা আর দাম?
দাম হলো যেটা ইন্ডিয়ায় ১৫-২০ হাজার রুপিতে 5G প্রসেসর দিয়া আসতেছে, সেই একই ফোন ২৫-৩০ হাজারে 4G নিম্নমানের প্রসেসর দিয়া খাওয়াইতাছে।
এখানে বুঝলেন কি?
সহজ করে দেই:
১: সরকারি কর চুরি কিন্তু লিগাল।
২: গ্রাহকদের কাছ থেকে দাম বেশি কিন্তু প্রোডাক্টের কোয়ালিটির ৬/৯ করা।
ভাবতেছেন কি এখানেই শেষ?
না মাত্র শুরু হলো পকেট কাটা লিগাল ভাবে।
চালু হলো কিস্তি প্রথমে ২% দিয়া মার্কেটিং এটা আমিও না বুঝে সমর্থন করেছিলাম।
৪/৬/৯ মাসের সহজ কিস্তি, পরে মার্কেটে মধ্যবিত্ত আর গরিবরা মজা করে ফোন কিনা শুরু করলো।
এর হটাৎ করে কিস্তির সুদের হার ২০%-২৫% করা হলো, আর হিসাবটা গ্রাহকের কাছ থেকে ঘোলাটে করা হলো। হিসাব আন্দাজ করতে পারেনা যে কত বেশি খাইতেছে কম্পানি, আর সোনার বাংলার কিস্তি প্রিয় আম জনতার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকার ফোন কিস্তিতে ৩৫ হাজার নিতেছে।
লাভের পরিমান?
একটা ফোন ২৫ হাজার বাজার দর বিক্রি করলে দোকানদার পায় ১৮০০-২৫০০ টাকা।
কম্পানি কর ফাকি, নিম্ন মানের ফোন দিয়া নিতাছে ধরেন আরো ৫০০০ টাকা বারতি। তাহলে সর্বমোট কম্পানি পাইতাছে কত হলো লাভ?
২০০০+৫০০০+১০০০০= ১৭ হাজার টাকা প্রফিট একটা ২৫ হাজার টাকা ফোনের!
অথচো তারা লিগাল 🤣🤣🤣
এবার আনঅফিশিয়াল ফোনের হিসাব টা দেখাই
সোজা ফোন ইমপোর্ট করা হয় বেশি হলে কিছু খরচা বাচাতে ফোনে বক্সটা কেটে আলাদা করে আনা হয়।
ধরেন ফোনের দাম Turbo 4 Pro 12/256GB বর্তমানে ২৮৫০০ এটা কিন্তু বর্তমান দাম আগে ৪০-৪৫ হাজার ছিলো।
যখন দাম বেশি ছিলো কেনাও বেশি ছিলো।
বর্তমানে কেনা দাম চায়নায় ২২৬৪৫ টাকা
বাংলাদেশে ২৮৫০০টাকা, আবার বলতেছি বর্তমান কেনা দাম এবং বিক্রি দাম এটা আগে আরো বেশি ছিলো।
২৮৫০০-২২৬৪৫=৫৮৫৫টাকা বারতি এখন এটা কি লাভ?? না এখানে খরচ আছে।
২২৬৪৫+৩০০০(কেয়ারিং চার্জ)=২৫৬৪৫টাকা
ইম্পোটার সর্বোচ্চ লাভ করে ১০০০টাকা মোট ২৬৬৪৫টাকা শোরুম বা দোকান পর্যন্ত আসার খরচা।
২৮৫০০-২৬৬৪৫=১৮৫৫ টাকা লাভ একটা দোকানদারের।
এখন যদি দোকানদারের ৫৭% দিতে হয় এই ৫৭% কি দোকানদার দিবে নাকি জনগন??
এখন সব দোকানদার এতবড় চাপ থেকে বাচতে কর ফাকি দেয় কিন্তু দোকানের কর ঠিকি দেয়।
করের হার যদি ১০-১৫% হতো তাহলে কে চাইবে ১৮৫৫ টাকা লাভের জন্য এতো যুদ্ধ করতে?
চোর কারা? এতো সুন্দর ভাবে কি কোন ইউটিউবার বা সাংবাদিকেরা হিসাব বোঝেনা? বোঝে কিন্তু তারা কাঠের পুতুল টাকা যেদিক দিয়া যখন ছিটাবে সেদিক ফিরে নাচ দেখাবে এটাই ওদের নীতি। - আবু সাওদা
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👏10❤6😢1
চ্যাটজিপিটি প্রিমিয়াম- Go Subscription Free - 12 months
যারা জেমিনি প্রো নিতে পারসেন এটাও নিতে পারবেন। শিখায় দিচ্ছি-
১. প্রথমে একটা এন্ড্রয়েড ডিভাইস লাগবে। ওই ডিভাইসে একটা জিমেইল থাকবে। যেটায় নিতে চান। নতুন পুরাতন জরুরী না। একটা হলেই হবে।
শুরুতে ইন্ডিয়ান ভিপিএন কানেক্ট করতে হবে। তারপর গুগল প্লে সার্ভিস আর গুগল প্লে স্টোর এর ডাটা ক্লিয়ার করতে হবে।
তারপর Google play store এ ঢুকে, ইমেইল আইকন এ ক্লিক করে payment & subscription থেকে Payment Method তারপর more payment setting.
এরপর এটা গুগল ক্রোম এ নিয়ে যাবে। ফোনে একটা জিমেইল থাকায় অটো সাইন হবে। সেখানে বিন মেথডে ফেক কার্ড এড করে নিবেন।
(পুরান একাউন্ট হলে payment profile delete করতে হবে। নতুন একাউন্ট হলে Add payment method পাবেন। নতুন একাউন্ট দিয়ে করলো সহজ। পুরান একাউন্ট হলে আগের পেমেন্ট প্রোফাইল আর কান্ট্রির ঝামেলা হয়)
বিন ও কার্ড ডিটেইলস কমেন্টে। ভিপিএন ও দিয়ে রাখলাম।
২। কার্ড এড হয়ে গেলে চ্যাটজিপিটি ইন্সটল করবেন। গুগল দিয়ে লগিন। Try Go পাবেন। ক্লিক করবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে পপআপ আসবে। যা আসে করতে থাকবেন। ব্যস হয়ে যাবে।
বেশ সহজ।
আর যারা ফ্রীতে চেষ্টা করেন, আমাকে কমেন্টে জানান, যেকোনো সমস্যায় হেল্প করব ইন শা আল্লাহ। আমরা আমাদের সব এডমিনদের সাকসেসফুলি দিতে পারসি
যারা জেমিনি প্রো নিতে পারসেন এটাও নিতে পারবেন। শিখায় দিচ্ছি-
১. প্রথমে একটা এন্ড্রয়েড ডিভাইস লাগবে। ওই ডিভাইসে একটা জিমেইল থাকবে। যেটায় নিতে চান। নতুন পুরাতন জরুরী না। একটা হলেই হবে।
শুরুতে ইন্ডিয়ান ভিপিএন কানেক্ট করতে হবে। তারপর গুগল প্লে সার্ভিস আর গুগল প্লে স্টোর এর ডাটা ক্লিয়ার করতে হবে।
তারপর Google play store এ ঢুকে, ইমেইল আইকন এ ক্লিক করে payment & subscription থেকে Payment Method তারপর more payment setting.
এরপর এটা গুগল ক্রোম এ নিয়ে যাবে। ফোনে একটা জিমেইল থাকায় অটো সাইন হবে। সেখানে বিন মেথডে ফেক কার্ড এড করে নিবেন।
(পুরান একাউন্ট হলে payment profile delete করতে হবে। নতুন একাউন্ট হলে Add payment method পাবেন। নতুন একাউন্ট দিয়ে করলো সহজ। পুরান একাউন্ট হলে আগের পেমেন্ট প্রোফাইল আর কান্ট্রির ঝামেলা হয়)
বিন ও কার্ড ডিটেইলস কমেন্টে। ভিপিএন ও দিয়ে রাখলাম।
২। কার্ড এড হয়ে গেলে চ্যাটজিপিটি ইন্সটল করবেন। গুগল দিয়ে লগিন। Try Go পাবেন। ক্লিক করবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে পপআপ আসবে। যা আসে করতে থাকবেন। ব্যস হয়ে যাবে।
বেশ সহজ।
আর যারা ফ্রীতে চেষ্টা করেন, আমাকে কমেন্টে জানান, যেকোনো সমস্যায় হেল্প করব ইন শা আল্লাহ। আমরা আমাদের সব এডমিনদের সাকসেসফুলি দিতে পারসি
❤17
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথম কাজ হলো দ্রুত সিম কার্ডটি অপারেটরের কাছে ব্লক করে দেওয়া এবং পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা। এরপর, ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর ব্যবহার করে সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR) ওয়েবসাইটে ব্লক করার আবেদন করুন এবং যদি সম্ভব হয় তবে গুগল বা অ্যাপলের ফাইন্ড মাই ডিভাইস ফিচার ব্যবহার করে ফোনটি ট্র্যাক বা মুছে ফেলুন।
জরুরি পদক্ষেপ
সিম কার্ড ব্লক করুন: দ্রুত আপনার মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে সিম কার্ডটি ব্লক করে দিন যাতে কেউ আপনার নম্বর ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করতে না পারে।
পুলিশে জিডি করুন: নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন এবং জিডি-এর একটি কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই সাথে রাখুন। এটি ফোন উদ্ধার প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি।
IMEI নম্বর ব্যবহার করুন:
আপনার ফোনের আসল বক্স বা প্যাকেজিং থেকে ১৫ সংখ্যার IMEI নম্বরটি খুঁজে বের করুন।
ceir.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে জিডি-র কপি এবং আইএমইআই নম্বর ব্যবহার করে আপনার ফোনটি ব্লক করার জন্য আবেদন করুন।
রিমোটলি ফোনটি লক বা মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য: 'Find My Device' ওয়েবসাইটে গিয়ে (google.com/android/find) বা অ্যাপে আপনার অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে ফোনটি লক করতে পারেন বা প্রয়োজনে ডেটা মুছে ফেলতে পারেন।
আইফোনের জন্য: icloud.com/find ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার অ্যাপল আইডি দিয়ে লগইন করে ফোনটিকে 'লস্ট মোড'-এ রাখুন বা ডেটা মুছে ফেলুন।
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন: হারানো ফোনের সাথে যুক্ত থাকা অন্য অ্যাকাউন্টগুলির (যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া) পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন।
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন-
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে। যেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের ম...
হারিয়ে যাওয়া ফোন যেভাবে ব্লক করবেন -
অভিযোগ জানানোর পর অভিযোগকারীকে FIR কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই নিতে হবে। এরপর সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR)-এর ওয়েবসাইট ceir.gov.bd -এ যেতে হব...
ফোন চুরি হলে ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিওর সুরক্ষায় যা করবেন -
>> আইফোনের ক্ষেত্রে, www.icloud.com ওয়েবসাইটে গিয়ে আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ ইন করতে হবে।
ফোন চুরি গিয়েছে? দিশাহারা না হয়ে সঙ্গে সঙ্গে কী কী করবেন?সবচেয়ে জরুরি কাজ হল ফোনের 'ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টিটি' (আইএমইআই)নম্বরটি সংরক্ষণ করে রাখা........ - কপিড
জরুরি পদক্ষেপ
সিম কার্ড ব্লক করুন: দ্রুত আপনার মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে সিম কার্ডটি ব্লক করে দিন যাতে কেউ আপনার নম্বর ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করতে না পারে।
পুলিশে জিডি করুন: নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন এবং জিডি-এর একটি কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই সাথে রাখুন। এটি ফোন উদ্ধার প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি।
IMEI নম্বর ব্যবহার করুন:
আপনার ফোনের আসল বক্স বা প্যাকেজিং থেকে ১৫ সংখ্যার IMEI নম্বরটি খুঁজে বের করুন।
ceir.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে জিডি-র কপি এবং আইএমইআই নম্বর ব্যবহার করে আপনার ফোনটি ব্লক করার জন্য আবেদন করুন।
রিমোটলি ফোনটি লক বা মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য: 'Find My Device' ওয়েবসাইটে গিয়ে (google.com/android/find) বা অ্যাপে আপনার অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে ফোনটি লক করতে পারেন বা প্রয়োজনে ডেটা মুছে ফেলতে পারেন।
আইফোনের জন্য: icloud.com/find ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার অ্যাপল আইডি দিয়ে লগইন করে ফোনটিকে 'লস্ট মোড'-এ রাখুন বা ডেটা মুছে ফেলুন।
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন: হারানো ফোনের সাথে যুক্ত থাকা অন্য অ্যাকাউন্টগুলির (যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া) পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন।
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন-
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে। যেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের ম...
হারিয়ে যাওয়া ফোন যেভাবে ব্লক করবেন -
অভিযোগ জানানোর পর অভিযোগকারীকে FIR কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই নিতে হবে। এরপর সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR)-এর ওয়েবসাইট ceir.gov.bd -এ যেতে হব...
ফোন চুরি হলে ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিওর সুরক্ষায় যা করবেন -
>> আইফোনের ক্ষেত্রে, www.icloud.com ওয়েবসাইটে গিয়ে আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ ইন করতে হবে।
ফোন চুরি গিয়েছে? দিশাহারা না হয়ে সঙ্গে সঙ্গে কী কী করবেন?সবচেয়ে জরুরি কাজ হল ফোনের 'ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টিটি' (আইএমইআই)নম্বরটি সংরক্ষণ করে রাখা........ - কপিড
❤20🔥1
২০২৬ চলে এসেছে প্রায়, এ সময়ে ৭২০ পিক্সেলের আইপিএস ডিসপ্লে, এসডি ৬৮৫ এর প্রসেসর দিয়ে অপোর একটা অফিশিয়াল ফোনের দাম ২৫ হাজার টাকা।
(উদাহরণ হিসেবে বলি, আমি রেডমি নোট ১২ কিনেছি ২০২৫ এ, ১০৮০ পিক্সেল এর এমোলেড ডিসপ্লে, সেম প্রসেসর, ১৪৪০০ টাকায়, আনঅফিশিয়াল। অফিশিয়াল দাম সম্ভবত ১৯ হাজার ছিলো। বুঝুন দামের পার্থক্য)
এমনটা অপো,ইনফিনিক্স, টেকনো, রিয়েলমি সহ অনেক কোম্পানি করে। কেন করে? জানে এদেশের বেশিরভাগ মানুষ বেকুব। কিছু টিকটকারকে নাচালে ই ত ফোন সেল হয়, আর কি লাগে...
তাছাড়া রিসেন্টলি টেকনো, ইনফিনিক্স, আইটেল এই তিনটা ব্র্যান্ডই সহজে কিস্তিতে ফোন দিচ্ছে। কিস্তির হিসেবে মোট দামের থেকে ৫-৮/১০ হাজার টাকা বেশি দিতে হচ্ছে এবং সুদ দিতে হচ্ছে সেটা অনেকেই না বুঝে ফোন কিনছে।
পশ্চিমা দেশ গুলোতে একটা মার্কেটিং প্রচলিত আছে যে Buy now, pay later. মানে, এখন কিনো পরে টাকা দাও। এটার ফলে তরুণদের অর্থনৈতিক চরম অবনতি হয়। কিস্তি, ক্রেডিট কার্ড এর সুদ এর বেড়াজালে নিজেদের টাকার ১২ টা বাজে।
শুনুন- জীবনে কোনো জিনিস তখনই কিনবেন যখন প্রয়োজন হবে এবং তা কেনার টাকা থাকবে। ধার করে চলাফেরা করার অভ্যাস করবেন না। এ বিষয়গুলো লজ্জা অপমান নিয়ে আসে। আরো অনেক বিষয় আছে।
যাই হোক, আরো অনেক লেখা যেত, লিখলাম না, এই দেশটা হলো সম্মিলিত জালিমের দেশ। সবাই তার অর্ধস্তন ব্যাক্তির উপর জুলুম করে। আর দিনশেষে অবাক হয়, যে কেন আল্লাহর গজব নাজিল হয়...
@HopeIslamicTech
(উদাহরণ হিসেবে বলি, আমি রেডমি নোট ১২ কিনেছি ২০২৫ এ, ১০৮০ পিক্সেল এর এমোলেড ডিসপ্লে, সেম প্রসেসর, ১৪৪০০ টাকায়, আনঅফিশিয়াল। অফিশিয়াল দাম সম্ভবত ১৯ হাজার ছিলো। বুঝুন দামের পার্থক্য)
এমনটা অপো,ইনফিনিক্স, টেকনো, রিয়েলমি সহ অনেক কোম্পানি করে। কেন করে? জানে এদেশের বেশিরভাগ মানুষ বেকুব। কিছু টিকটকারকে নাচালে ই ত ফোন সেল হয়, আর কি লাগে...
তাছাড়া রিসেন্টলি টেকনো, ইনফিনিক্স, আইটেল এই তিনটা ব্র্যান্ডই সহজে কিস্তিতে ফোন দিচ্ছে। কিস্তির হিসেবে মোট দামের থেকে ৫-৮/১০ হাজার টাকা বেশি দিতে হচ্ছে এবং সুদ দিতে হচ্ছে সেটা অনেকেই না বুঝে ফোন কিনছে।
পশ্চিমা দেশ গুলোতে একটা মার্কেটিং প্রচলিত আছে যে Buy now, pay later. মানে, এখন কিনো পরে টাকা দাও। এটার ফলে তরুণদের অর্থনৈতিক চরম অবনতি হয়। কিস্তি, ক্রেডিট কার্ড এর সুদ এর বেড়াজালে নিজেদের টাকার ১২ টা বাজে।
শুনুন- জীবনে কোনো জিনিস তখনই কিনবেন যখন প্রয়োজন হবে এবং তা কেনার টাকা থাকবে। ধার করে চলাফেরা করার অভ্যাস করবেন না। এ বিষয়গুলো লজ্জা অপমান নিয়ে আসে। আরো অনেক বিষয় আছে।
যাই হোক, আরো অনেক লেখা যেত, লিখলাম না, এই দেশটা হলো সম্মিলিত জালিমের দেশ। সবাই তার অর্ধস্তন ব্যাক্তির উপর জুলুম করে। আর দিনশেষে অবাক হয়, যে কেন আল্লাহর গজব নাজিল হয়...
@HopeIslamicTech
❤20😢5
সাম্প্রতিক দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ১২০,০০০ হোম এবং বিজনেস সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা হ্যাক হয়েছে, যেখানে হ্যাকাররা যৌনদৃশ্যের ফুটেজ সংগ্রহ করে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করেছে❗
পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে যে অধিকাংশ ক্যামেরায় ডিফল্ট বা সহজ পাসওয়ার্ড (যেমন "1234" বা "admin") ব্যবহার করা হয়েছিল, যা হ্যাকারদের জন্য সহজ প্রবেশপথ তৈরি করেছে। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আপনার IP Camera নিরাপদ রাখতে করনীয় :
→ স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে দীর্ঘ, জটিল পাসওয়ার্ড (অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন মিশিয়ে) সেট করুন।
→ ক্যামেরার সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখুন।
→ যদি ক্যামেরা সাপোর্ট করে তাহলে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু করুন।
→ ক্যামেরাকে আলাদা নেটওয়ার্ক (যেমন গেস্ট ওয়াই-ফাই) বা VPN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করুন, এবং পাবলিক পোর্ট ফরওয়ার্ডিং এড়িয়ে চলুন।
আর আমাদের পরামর্শ থাকবে স্বামীদের প্রতি যারা স্ত্রীর পরকীয়া ধরতে বেডরুমেও ক্যামেরা সেটআপ করেন। এই কাজ ভুলেও করবেন না, দরকার হলে বাড়ির প্রতিটি প্রবেশপথে ক্যামেরা সেটআপ করুন কিন্তু বেডরুমে নয়। বেডরুমে ক্যামেরা সেটআপ করলে একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনারই লিংক ভাইরাল হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ।
- Loki
©️ CYBER POKA 𓆣
এডমিন- আপানদের আরো ভালো পরামর্শ থাকলে কমেন্টে দিবেন, এটা অনলাইন এ পেয়েছি
পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে যে অধিকাংশ ক্যামেরায় ডিফল্ট বা সহজ পাসওয়ার্ড (যেমন "1234" বা "admin") ব্যবহার করা হয়েছিল, যা হ্যাকারদের জন্য সহজ প্রবেশপথ তৈরি করেছে। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আপনার IP Camera নিরাপদ রাখতে করনীয় :
→ স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন, ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে দীর্ঘ, জটিল পাসওয়ার্ড (অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন মিশিয়ে) সেট করুন।
→ ক্যামেরার সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট রাখুন।
→ যদি ক্যামেরা সাপোর্ট করে তাহলে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) চালু করুন।
→ ক্যামেরাকে আলাদা নেটওয়ার্ক (যেমন গেস্ট ওয়াই-ফাই) বা VPN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করুন, এবং পাবলিক পোর্ট ফরওয়ার্ডিং এড়িয়ে চলুন।
আর আমাদের পরামর্শ থাকবে স্বামীদের প্রতি যারা স্ত্রীর পরকীয়া ধরতে বেডরুমেও ক্যামেরা সেটআপ করেন। এই কাজ ভুলেও করবেন না, দরকার হলে বাড়ির প্রতিটি প্রবেশপথে ক্যামেরা সেটআপ করুন কিন্তু বেডরুমে নয়। বেডরুমে ক্যামেরা সেটআপ করলে একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনারই লিংক ভাইরাল হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ।
- Loki
©️ CYBER POKA 𓆣
এডমিন- আপানদের আরো ভালো পরামর্শ থাকলে কমেন্টে দিবেন, এটা অনলাইন এ পেয়েছি
❤12
কেউ স্কলারশিপ পেলেই তাঁর ভর্তি বাতিল করতে উঠে পড়ে লাগত এই চক্র!
ঘটনাটি এ বছর, এপ্রিলের। চট্টগ্রামের এক মেধাবী শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপসহ ভর্তির সুযোগ পান। স্বাভাবিকভাবেই তিনি তা ফেসবুকে শেয়ার করেন। হঠাৎ 'Drake For a Reason' নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়।
শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমেইল পাঠায় তারা। ভুয়া ডকুমেন্টসহ জানায়— সেই শিক্ষার্থী প্রতারণা করে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। অগত্যা ভর্তি স্থগিত হয় ছেলেটির। ভেঙে পড়ে তাঁর স্বপ্ন।
এখানেই শেষ নয়। ভিকটিমকেও হুমকি দেয় এই চক্র। তাঁকে ম্যাসেজ করে লেখে— তার ভিসা বাতিল করেই ছাড়বে, এই দেশকে কাঁদিয়ে ছাড়বে!
ঘটনার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এই চক্রের একজন সদস্যকে আটক করে। অপকর্মের কথা স্বীকার করে সে জানায়— এরা ভিকটিমের ল্যাপটপ হ্যাক করে তথ্য চুরি করে অপপ্রচার চালিয়েছে। এমন আরও ৩০০-৪০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর তথ্য রয়েছে এদের কাছে।
সিএমপি জানিয়েছে, এ ধরণের সাইবার চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চলমান থাকবে।
ঘটনাটি এ বছর, এপ্রিলের। চট্টগ্রামের এক মেধাবী শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপসহ ভর্তির সুযোগ পান। স্বাভাবিকভাবেই তিনি তা ফেসবুকে শেয়ার করেন। হঠাৎ 'Drake For a Reason' নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়।
শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ইমেইল পাঠায় তারা। ভুয়া ডকুমেন্টসহ জানায়— সেই শিক্ষার্থী প্রতারণা করে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। অগত্যা ভর্তি স্থগিত হয় ছেলেটির। ভেঙে পড়ে তাঁর স্বপ্ন।
এখানেই শেষ নয়। ভিকটিমকেও হুমকি দেয় এই চক্র। তাঁকে ম্যাসেজ করে লেখে— তার ভিসা বাতিল করেই ছাড়বে, এই দেশকে কাঁদিয়ে ছাড়বে!
ঘটনার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট এই চক্রের একজন সদস্যকে আটক করে। অপকর্মের কথা স্বীকার করে সে জানায়— এরা ভিকটিমের ল্যাপটপ হ্যাক করে তথ্য চুরি করে অপপ্রচার চালিয়েছে। এমন আরও ৩০০-৪০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর তথ্য রয়েছে এদের কাছে।
সিএমপি জানিয়েছে, এ ধরণের সাইবার চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চলমান থাকবে।
😢23❤3
🚨 NEIR এর ওয়েবসাইটে বিশাল ইস্যু।
Post: Oritro Ahmed vai
NEIR এর ওয়েবসাইট আজকে লাইভে গেছে, যেখানে কেউ নিজের NID ব্যবহার করে একাউন্ট খুলে চেক করতে পারবে তার নামে কি কি ডিভাইস ( IMEI ) ধরে রেজিস্টার করা আছে।
সমস্যা হলো, এই সিস্টেমটা কে বানিয়েছে আমার জানান নেই, তারা যে সিকিউরিটি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান রাখে না, সেটার প্রমাণ স্ক্রিনশটে দিচ্ছি।
নিজের স্ক্রিনশটে দেখতে পাচ্ছেন, আমি একটা এন আইডি দিয়ে রিকোয়েস্ট করেছি। রেস্পন্সেবল ডিসক্লোজারের সার্থে আমি অনেক ইনফরমেশন এখানে ঢেকে দিয়েছি, যারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, API, JWT সম্পর্কে ধারনা রাখেন, তারা বুঝে যাবেন এখানে কি ঘটছে।
এখানে যে এন আইডি টা রয়েছে, এটা সম্পূর্ন র্যান্ডম। আমার নিজের এন আইডি না এটা, আমার এন আই ডি তে ১৩ সংখ্যাটা নেই। এটা দিয়ে রিকোয়েস্ট পাঠানোর পরে, এই ব্যাক্তির নামে রেজিস্টার করা সমস্ত ডিভাইস এর IMEI নম্বর আমি পেয়ে গেছি। শুধু তাই না, এর মধ্যে একটাতে তার ফোন নম্বর MSISDN হিসাবে যুক্ত ছিল। সেগুলো আমি বেশিরভাগটাই ঢেকে দিয়েছি তার ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে।
আমি প্রফেশনাল সাইবার সিকিউরিটি এক্সাপার্ট না, নিজের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিজ্ঞতা আর শখের বসে চেক করতে গিয়ে দেখি পুরো API ওপেন। আরও শকিং জিনিস হলো কোন রেট লিমিট নেই, কেউ চাইলেই একগাদা রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে মানুষের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। আমি যতটা সম্ভব হিন্ট দিয়ে আসল তথ্য গোপন রেখে এটা প্রকাশ করছি যাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে পরে।
প্রশ্ন হল, ফেসবুকে কেন দিচ্ছি? কারণ তাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করার কোন রাস্তা নেই। সমস্যা হলে সেটা রিপোর্ট করার জন্য একটা লিংক দিয়েছে, সেখানে ( 192.168 ) সিরিজের আইপির লিংক দিয়ে রেখেছে, যেটা লোকাল নেটওয়ার্কের আইপি। মানে, যে এটা ডেভেলপ করেছে, তার একটা ব্লগ বানানোর যোগ্যতা নাই, দেশের একগাদা সেনসিটিভ ডাটা নিয়ে কাজ করছে এই ডেভেলপার।
যদি কোন দ্বায়িত্ববান ব্যাক্তি এটা যথা যথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে পারেন, দেশেরই উপকার হবে। আমাকে নক দিলে আমি বাকি ডিটেইলস তথ্য দিয়ে সাহায্য করবো।
#NEIR #BTRC #vulnerability #securityrisk #cybersecurity
- সোহেল ভাই
Post: Oritro Ahmed vai
NEIR এর ওয়েবসাইট আজকে লাইভে গেছে, যেখানে কেউ নিজের NID ব্যবহার করে একাউন্ট খুলে চেক করতে পারবে তার নামে কি কি ডিভাইস ( IMEI ) ধরে রেজিস্টার করা আছে।
সমস্যা হলো, এই সিস্টেমটা কে বানিয়েছে আমার জানান নেই, তারা যে সিকিউরিটি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান রাখে না, সেটার প্রমাণ স্ক্রিনশটে দিচ্ছি।
নিজের স্ক্রিনশটে দেখতে পাচ্ছেন, আমি একটা এন আইডি দিয়ে রিকোয়েস্ট করেছি। রেস্পন্সেবল ডিসক্লোজারের সার্থে আমি অনেক ইনফরমেশন এখানে ঢেকে দিয়েছি, যারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, API, JWT সম্পর্কে ধারনা রাখেন, তারা বুঝে যাবেন এখানে কি ঘটছে।
এখানে যে এন আইডি টা রয়েছে, এটা সম্পূর্ন র্যান্ডম। আমার নিজের এন আইডি না এটা, আমার এন আই ডি তে ১৩ সংখ্যাটা নেই। এটা দিয়ে রিকোয়েস্ট পাঠানোর পরে, এই ব্যাক্তির নামে রেজিস্টার করা সমস্ত ডিভাইস এর IMEI নম্বর আমি পেয়ে গেছি। শুধু তাই না, এর মধ্যে একটাতে তার ফোন নম্বর MSISDN হিসাবে যুক্ত ছিল। সেগুলো আমি বেশিরভাগটাই ঢেকে দিয়েছি তার ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে।
আমি প্রফেশনাল সাইবার সিকিউরিটি এক্সাপার্ট না, নিজের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিজ্ঞতা আর শখের বসে চেক করতে গিয়ে দেখি পুরো API ওপেন। আরও শকিং জিনিস হলো কোন রেট লিমিট নেই, কেউ চাইলেই একগাদা রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে মানুষের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। আমি যতটা সম্ভব হিন্ট দিয়ে আসল তথ্য গোপন রেখে এটা প্রকাশ করছি যাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে পরে।
প্রশ্ন হল, ফেসবুকে কেন দিচ্ছি? কারণ তাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করার কোন রাস্তা নেই। সমস্যা হলে সেটা রিপোর্ট করার জন্য একটা লিংক দিয়েছে, সেখানে ( 192.168 ) সিরিজের আইপির লিংক দিয়ে রেখেছে, যেটা লোকাল নেটওয়ার্কের আইপি। মানে, যে এটা ডেভেলপ করেছে, তার একটা ব্লগ বানানোর যোগ্যতা নাই, দেশের একগাদা সেনসিটিভ ডাটা নিয়ে কাজ করছে এই ডেভেলপার।
যদি কোন দ্বায়িত্ববান ব্যাক্তি এটা যথা যথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে পারেন, দেশেরই উপকার হবে। আমাকে নক দিলে আমি বাকি ডিটেইলস তথ্য দিয়ে সাহায্য করবো।
#NEIR #BTRC #vulnerability #securityrisk #cybersecurity
- সোহেল ভাই
❤10
মনে আছে, কয়েকদিন আগে এক ফিলিস্তিনির তৈরি আপ স্ক্রোলড নামের একটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপের কথা বলেছিলাম? ওয়েল, আজ গুগল প্লেস্টোর সেই অ্যাপ রিমুভ করে দিয়েছে।
অ্যাপটা তৈরি করেছিলেন ঈসাম হিযাজী নামের এক ফিলিস্তিনি টেক লিডার, যিনি আইবিএম, ওরাকল, হিটাচিসহ শীর্ষ টেক কোম্পানিগুলোতে চাকরি করেছেন।
গাযার গণহত্যায় ঈসামের বৃহত্তর পরিবারের ৬০ সদস্য শহিদ হয়েছিল।
সে সময় সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর বায়াস দেখার পর তিনি টেক ক্যারিয়ার ছেড়ে নিজেই Upscrolled নামে একটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ রিলিজ করেন।
সম্প্রতি টিকটক নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর মানুষ গণহারে তার এই অ্যাপে শিফট হতে শুরু করে এবং অ্যাপটা খুব দ্রুত শীর্ষে উঠে যায়। অনেকেই আশা করে, আপস্ক্রোলড নামের এই অ্যাপটা টুইটার, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের বেটার বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।
অ্যাপটির পরিচিতে বলা হয়, এই অ্যাপে কোনো জটিল অ্যালগরিদম থাকবে না। কোনো বিশেষ ধরনের পোস্টকে প্রমোট করা হবে না। নির্দিষ্ট কী ওয়ার্ড ব্যবহারের জন্য কাউকে শ্যাডো ব্যান করা হবে না। ইউজারদের ডাটা কারও কাছে বিক্রি করা হবে না।
ফলে অনেকেই অ্যাপটার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই আজ গুগল প্লেস্টোর অ্যাপটা রিমুভ করে দিয়েছে।
যদিও অফিশিয়ালি তারা এখনও কোনো কারণ ব্যাখ্যা করেনি, কিন্তু প্রো-জায়নিস্ট সংগঠন ADL শুরু থেকেই অ্যাপটার বিরুদ্ধে "অ্যান্টি সেমেটিক" এবং "প্রো-টেরোরিজম" কন্টেন্ট প্রচারের অভিযোগ জানিয়ে আসছিল।
টেক ক্রাঞ্চ নামক ওয়েবসাইটও এই দুটোকে এবং সে সাথে "হেট স্পীচ" নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হওয়াকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
নিঃসন্দেহে পশ্চিমা "বাক স্বাধীনতা"র আরেকটা বড় উদাহরণ এটা। - তোহা ভাই
অ্যাপটা তৈরি করেছিলেন ঈসাম হিযাজী নামের এক ফিলিস্তিনি টেক লিডার, যিনি আইবিএম, ওরাকল, হিটাচিসহ শীর্ষ টেক কোম্পানিগুলোতে চাকরি করেছেন।
গাযার গণহত্যায় ঈসামের বৃহত্তর পরিবারের ৬০ সদস্য শহিদ হয়েছিল।
সে সময় সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর বায়াস দেখার পর তিনি টেক ক্যারিয়ার ছেড়ে নিজেই Upscrolled নামে একটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ রিলিজ করেন।
সম্প্রতি টিকটক নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর মানুষ গণহারে তার এই অ্যাপে শিফট হতে শুরু করে এবং অ্যাপটা খুব দ্রুত শীর্ষে উঠে যায়। অনেকেই আশা করে, আপস্ক্রোলড নামের এই অ্যাপটা টুইটার, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের বেটার বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।
অ্যাপটির পরিচিতে বলা হয়, এই অ্যাপে কোনো জটিল অ্যালগরিদম থাকবে না। কোনো বিশেষ ধরনের পোস্টকে প্রমোট করা হবে না। নির্দিষ্ট কী ওয়ার্ড ব্যবহারের জন্য কাউকে শ্যাডো ব্যান করা হবে না। ইউজারদের ডাটা কারও কাছে বিক্রি করা হবে না।
ফলে অনেকেই অ্যাপটার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই আজ গুগল প্লেস্টোর অ্যাপটা রিমুভ করে দিয়েছে।
যদিও অফিশিয়ালি তারা এখনও কোনো কারণ ব্যাখ্যা করেনি, কিন্তু প্রো-জায়নিস্ট সংগঠন ADL শুরু থেকেই অ্যাপটার বিরুদ্ধে "অ্যান্টি সেমেটিক" এবং "প্রো-টেরোরিজম" কন্টেন্ট প্রচারের অভিযোগ জানিয়ে আসছিল।
টেক ক্রাঞ্চ নামক ওয়েবসাইটও এই দুটোকে এবং সে সাথে "হেট স্পীচ" নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হওয়াকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে।
নিঃসন্দেহে পশ্চিমা "বাক স্বাধীনতা"র আরেকটা বড় উদাহরণ এটা। - তোহা ভাই
😢22❤1
Hope: Islamic Tech
Photo
এখন থেকে ফেসবুক পেইজে নতুন করে মোডারেটর এ্যাড করার সিস্টেম বন্ধ করে দিয়েছে Meta!!!😟😟
এখন উপায়???
ঘটনা হচ্ছে, ফেসবুক নতুন এক আপডেট এনেছে যেটা অনুযায়ী নতুন করে কাওকে ফেসবুক পেইজে এডমিন বা মোডারেটর হিসেবে এ্যাড করা বা ইনভাইট করা যাবেনা!! কাওকে এডমিন বা মোডারেটর বানাতে হলে তাকে সরাসরি পেইজের সাথে যুক্ত Business Portfolio তে Full Control বা Partial Control দিয়ে তারপর পেইজে এ্যাড করা লাগবে!!!
এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি-ই হয়েছে বেশি!!
কারন, প্রথমত সব মোডারেটর বা ইডিটর-রাও বিজনেস পোর্টফোলিওর সব টুলসের মোটামুটি এক্সেস পেয়ে যাবে, এবং চাইলে ডেটা নেওয়া থেকে শুরু করে আন-ইউজুয়াল এক্টিভিটি ও করতে পারবে!!
ইভেন, ইজিলি কম্প্রোমাইজ ও করতে পারবে!!!
এখন উপায়??
- প্রথমত আগের চেয়ে এখন বেশি সচেতন হতে হবে
- পেইজে অপরিচিত কাওকে মোডারেটর বা এক্সেস দেওয়ার দরকার নেই।
- ইডিটর বা মোডারেটর বানানোর সময়, যদি কেও বলে বিজনেস ম্যানেজার এর ফুল এক্সেস দিতে ভুলেও দেওয়া যাবেনা। কারণ শুধু যারা পেইজের ওউনার বা এডমিন বা বিশ্বস্ত তা্দের-কেই বিজনেস ম্যানেজার এর ফুল এক্সেস দেওয়া যেতে পারে যেন ভবিষ্যতে ক্ষতি না করে।
সর্বোপরি পেইজের নিরাপত্তা নিয়ে আগের চেয়েও বেশি কনসার্ণ হওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে এখন! - Probfly IT
এখন উপায়???
ঘটনা হচ্ছে, ফেসবুক নতুন এক আপডেট এনেছে যেটা অনুযায়ী নতুন করে কাওকে ফেসবুক পেইজে এডমিন বা মোডারেটর হিসেবে এ্যাড করা বা ইনভাইট করা যাবেনা!! কাওকে এডমিন বা মোডারেটর বানাতে হলে তাকে সরাসরি পেইজের সাথে যুক্ত Business Portfolio তে Full Control বা Partial Control দিয়ে তারপর পেইজে এ্যাড করা লাগবে!!!
এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি-ই হয়েছে বেশি!!
কারন, প্রথমত সব মোডারেটর বা ইডিটর-রাও বিজনেস পোর্টফোলিওর সব টুলসের মোটামুটি এক্সেস পেয়ে যাবে, এবং চাইলে ডেটা নেওয়া থেকে শুরু করে আন-ইউজুয়াল এক্টিভিটি ও করতে পারবে!!
ইভেন, ইজিলি কম্প্রোমাইজ ও করতে পারবে!!!
এখন উপায়??
- প্রথমত আগের চেয়ে এখন বেশি সচেতন হতে হবে
- পেইজে অপরিচিত কাওকে মোডারেটর বা এক্সেস দেওয়ার দরকার নেই।
- ইডিটর বা মোডারেটর বানানোর সময়, যদি কেও বলে বিজনেস ম্যানেজার এর ফুল এক্সেস দিতে ভুলেও দেওয়া যাবেনা। কারণ শুধু যারা পেইজের ওউনার বা এডমিন বা বিশ্বস্ত তা্দের-কেই বিজনেস ম্যানেজার এর ফুল এক্সেস দেওয়া যেতে পারে যেন ভবিষ্যতে ক্ষতি না করে।
সর্বোপরি পেইজের নিরাপত্তা নিয়ে আগের চেয়েও বেশি কনসার্ণ হওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে এখন! - Probfly IT
❤7
ইহুদিরা যেভাবে মুসলমানদের মনিটরিং করে & ধ্বংস করে....
গুগল প্লে-স্টোরে "পবিত্র কুরআল অফলাইন পড়া" নামের একটা এপ্লিকেশন ডাউনলোড হয়েছে ৫০ লাখ বার!!! স্বাভাবিকভাবেই "কুরআন শরীফ" এ্যাপ্স দেখলেই আমরা ডাউনলোড করবো বা চিন্তাও করবোনা যে কেও এই এ্যাপ্স দিয়ে আমাদের ডেটা চুরি করতে পারে!!
কিছুদিন আগেই খামেনীকে হত্যা করার সময়, একটা কথা ভাসছিলো যে ই*স*রালের তৈরী কোনো এক সফটওয়্যার ডাউনলোড ছিলো সেটা দিয়েই লোকেশন ট্র্যাক করেছে!!
এইযে দেখেন, কি সুনিপুণ উপায়ে তেল-আবীবের কোম্পানি, কুরআন অফলাইন এ্যাপ্স বানিয়ে, মানুষের ডেটা নিচ্ছে। এর বাইরেও, এই এ্যাপসে থাকা কুরআন শরীফে যে ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা আয়াত নেই, এর-ই বা কি নিশ্চয়তা আছে!!!
অনলাইনে ধর্মীয় বা সেন্সিটিভ যেকোনো এ্যাপস, ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিয়েন!! নতুবা, ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করেই শত্রুরা ক্ষতি করবে আপনার-আমার অজান্তেই!! - আব্দুল্লাহ আল ইমরান
গুগল প্লে-স্টোরে "পবিত্র কুরআল অফলাইন পড়া" নামের একটা এপ্লিকেশন ডাউনলোড হয়েছে ৫০ লাখ বার!!! স্বাভাবিকভাবেই "কুরআন শরীফ" এ্যাপ্স দেখলেই আমরা ডাউনলোড করবো বা চিন্তাও করবোনা যে কেও এই এ্যাপ্স দিয়ে আমাদের ডেটা চুরি করতে পারে!!
কিছুদিন আগেই খামেনীকে হত্যা করার সময়, একটা কথা ভাসছিলো যে ই*স*রালের তৈরী কোনো এক সফটওয়্যার ডাউনলোড ছিলো সেটা দিয়েই লোকেশন ট্র্যাক করেছে!!
এইযে দেখেন, কি সুনিপুণ উপায়ে তেল-আবীবের কোম্পানি, কুরআন অফলাইন এ্যাপ্স বানিয়ে, মানুষের ডেটা নিচ্ছে। এর বাইরেও, এই এ্যাপসে থাকা কুরআন শরীফে যে ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা আয়াত নেই, এর-ই বা কি নিশ্চয়তা আছে!!!
অনলাইনে ধর্মীয় বা সেন্সিটিভ যেকোনো এ্যাপস, ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার ব্যবহারের আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিয়েন!! নতুবা, ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করেই শত্রুরা ক্ষতি করবে আপনার-আমার অজান্তেই!! - আব্দুল্লাহ আল ইমরান
😢12