Hope: Islamic Tech
3.62K subscribers
107 photos
6 videos
7 files
56 links
Hope এর টেকনিক্যাল বিষয়গুলোর সমাধান এখানে দেয়া থাকবে ইন শা আল্লাহ
Download Telegram
আজকে একটা ফ্রডের শিকার হলাম। আজ বিকালে আমাকে +8801699067318 এই নাম্বার থেকে আমাকে ফোন করে বলা হলো যে উনার নাম SI আকরাম। কুমিল্লা সদর থানা থেকে। আমাকে বললো যে মানি লন্ডারিং মামলায় আলম গাজী নামে একজন ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে যার কাছে অনেক গুলা ব্যাংক একাউন্টের ইনফো পাওয়া গেছে যেখানে আমার নামেও একটা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট পাওয়া গেছে যেখানে টাকা লেনদেন হয়েছে।

আমি জানালাম যে আমি এমন কাউকে চিনি না এবং এমন কিছুর সাথে আমি জড়িত নই।

পরে সে আমার নাম ঠিকানা এনআইডি নাম্বার সকল ইনফরমেশন দিয়ে বললো যে এই পরিচয় তো আপনার। আসলেই সে সঠিক ইনফো দিয়েছে। তাই বলেছি হ্যা। কিন্থ আমি এই লোককে চিনিনা।

পরে আমাকে তারা বললো আপনি ঢাকা ডিবি অফিসে যোগাযোগ করুন। সে নিজেই আমাকে বললো যে আমি লাইন করে দিচ্ছি আপনি কথা বলেন।

পরে আমাকে পরিচয় দিলো উনি ওসি মহসিন। ফেসবুকের ভাইরাল ওসি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি তাকে চিনেছি কিনা, আমি তাকে দেখে চিনতে পারি সেটা জানাই। সে আমাকে বললো যে আমার নামে এমন মামলা আছে, এভিডেন্সে আমার একাউন্ট আছে। আমি জানালাম এমন কিছু আমি জানিনা। পরে সে আমাকে +8801911811421 এই নাম্বারে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে বলে এবং ভিডিও কলে সে আমাকে ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায় আমার সাথে কথা বলে। এরপর সে আমাকে আরেকজনের সাথে কথা বলায় দেয় যে নিজেকে এসপি দাবি করে এবং সে বলে যে রিমান্ডে আসামী আমার নামে নাকি স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে আমি এমন অবৈধ লেনদেনে জড়িত। আমি তাকে জানাই যে এসবের সাথে আমি জড়িত না। আমি তাকে বলি যে আপনারা আমার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট চেক করেন তাহলেই প্রমাণ পাবেন। এরপর সে আমাকে থ্রেট দেয় এবং ভয় দেখায় যে বেশি প্রশ্ন করলে বা কথা বললে আমাকে হয়রানি করবে, আমার ক্ষতি করবে। - মূর্তজা শাহরিয়ার

➡️➡️➡️➡️➡️

কিছু বিষয় জেনে রাখুন -

আওয়ামীলীগ আমলে বাংলাদেশের সবার এনআইডি ইনফো সেল করে দেয়া হয়েছিলো, আপনারা জানেন।
দেখুন :https://t.me/HopeIslamicTech/88

একইসাথে টাকা দিলে আপনি যে কারো এনআইডি, কল লগ, ব্যাসিক ঠিকানা ইমেইল বের করতে পারবেন। দেখুন - https://t.me/HopeIslamicTech/208

এই সার্ভার গুলো থেকে টাকা দিয়ে যেকোনো তথ্য পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে নিউজ হয়েছে।

এরপর পাবলিক যে ইনফো থাকে সেগুলো মিলিয়ে আরো তথ্য যোগার করে এভাবে ভয় লাগায় স্ক্যাম করে। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যেমে। আপনি অপরাধ না করলে এসব কলের প্রমাণ, অডিও, ভিডিও রেখে স্থানীয় কারো সাহায্য নিবেন, ভয় পাবেন না ইন শা আল্লাহ

@HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢102
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য দেদারছে বেচাকেনা, ১৩১ টাকায় মিলছে এনআইডি | NID Corruption |

এটা দেখুন।
😢201
ফেসবুক ইসরাইলি ভিপিএন এপ Onavo এর মাধ্যমে আপনার পুরো ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সব ট্রাফিক তাদের সার্ভারে রিডাইরেক্ট করছিল! হায় রে দুনিয়া!

ফেসবুক দেখতে পারতঃ
• আপনি কোন অ্যাপ খুলেছেন
• আপনি কতক্ষণ সেই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
• আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন
• এবং আপনি ঠিক কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছেন

আপনাকে বুঝতে না দিয়ে তারা, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছিল এ ভিপিএন এপের মাধ্যমে! @HopeIslamicTech
😢15🔥1
বেশ কিছু দিন ধরেই আমি Deen Tab ব্যবহার করছি। এটি একটি প্রোডাক্টিভ ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা বিশেষ করে দ্বীনি ভাইদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। যারা প্রোডাক্টিভ কাজ করেন, তাদের প্রোডাক্টিভিটি ধরে রাখতে এই এক্সটেনশনটি কার্যকর সহায়ক হতে পারে।

প্রোডাক্টিভিটির জন্য রয়েছে বিভিন্ন Widget টুলের সমাহার। পাশাপাশি আছে আরবি, বাংলা ও ইংরেজি নাশিদ এবং তেলাওয়াতের লাইব্রেরি। আছে মনোমুগ্ধকর ভিডিও ও স্টিল ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নেওয়ার অপশন। লাইব্রেরিতে থাকা নাশিদ শুনতে শুনতে যদি একঘেয়ে লাগে, তবে নিজের পছন্দের ইউটিউব লাইব্রেরিও যুক্ত করা যায়।

এছাড়া রয়েছে তিনটি প্রিসেট অডিও মিক্সার—

সাগরের মৃদু গর্জন
বন-জঙ্গলে পাখির কলকলানি
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ
যেগুলো নাশিদের সাথে মিশিয়ে প্রকৃতির স্নিগ্ধ অনুভূতি উপভোগ করা যায়।

প্রোডাক্টিভ ফিচারের মধ্যে রয়েছে:
Todo List
Task Box
Reports
Calendar
Greeting
Prayer Times
Kanban Board
Time Tracker
Notes
Pomodoro
Digital Clock
Quote

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপনি যদি মনে করেন কোনো উপকারী টুল বাদ পড়ে গেছে, তাহলে Request Features এর মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারবেন। আমাদের টিম বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আপনার প্রস্তাবিত টুলটি যুক্ত করার ব্যাপারে ভাববে।

এক্সটেনশনটি যাতে আপনার ব্রাউজারের উপর চাপ না ফেলে, সেই কথা মাথায় রেখে একেবারে হালকা করে তৈরি করা হয়েছে। তাই কিছু ফিচার হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়নি। আবার আপনার নজরে এমন কিছু আসতে পারে যা আমাদের নজরে পড়েনি—সেটিও অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আমরা আপনাদের গঠনমূলক ফিডব্যাকের অপেক্ষায় আছি।

আর ভালো লাগলে নিজের ভাই-বোন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

লিঙ্ক

সুন্দর এই এক্সটেনশন ক্রিয়েট করেছে Stack Mahbub ভাই।

🔗একনজর দেখুন: https://studio.deentab.app
ℹ️ ডাউনলোড করতে: https://deentab.app

- শাহরিয়ার হাসান
231
এরকম রিফাবরিশড ট্যাব কেউ কিনবেন না। Homor pad x7 4/64 নতুন ১২৫০০ টাকায় পাওয়া যায়। এটা বেশ ভালো অপশন

(যদিও ৬৪ জিবি কেনা উচিত না, তবু রিফাবরিশড ২/৩২ থেকে হাজারগুণ ভালো)

কেন রিফাবরিশড কিনবেন না -

১. ৬/৭ হাজার টাকা দিয়ে ১০ বছরের পুরোনো এনড্রয়েড মডেল ও অপারেটিং সিস্টেম যাতে তেমন কোনো এপস ঠিক ভাবে সার্পোট করবে না।

২. ২/৩২, ২/১৬ জিবির র্যাম রম কোনো কাজেরই না। মাল্টিটাস্কিং থেকে সাধারণ ভালো এপস চলতেও হিমসিম খাবে।

৩. রিফাবরিশড ব্যাটারি। যেগুলো একবছরেই ব্যাকআপ তেমন থাকবে না।
13
সম্প্রতি, আমরা একটি জটিল সাইবার হয়রানির অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি একজন বিবাহিত পুরুষকে নিয়ে, যিনি এক মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন তার স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে একটি বেনামী নম্বর থেকে স্বামীর ব্যক্তিগত এবং এডিট করা অশ্লীল ছবি পাঠানো হয়। শুধু তাই নয়, তার নামে একটি ভুয়া ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করে সম্মানহানিকর পোস্ট করা হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পরে ।

বিষয়টি যখন ভদ্রলোকের স্ত্রী জানতে পারেন, তখন তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়। স্ত্রী স্বামীকে নানাভাবে অপমান করতে থাকেন এবং তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভদ্রলোক প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চাইলেও, স্ত্রী তাতে বাধা দেন, এই ভয়ে যে থানা-পুলিশের কাছে গেলে মানসম্মান নষ্ট হবে ।

কিন্তু ততদিনে, ফেসবুকের ভুয়া আইডির ফলোয়ার বাড়তে থাকে এবং পরিচিতজনেরাও বিষয়টি জানতে শুরু করে। আইডি থেকে কাছের মানুষদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো শুরু হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে ।

নিরুপায় হয়ে ভদ্রলোক বিষয়টি আমাদের জানান। আমরা প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সূত্র ধরে সিমটি কার নামে রেজিস্ট্রি করা, তা জানতে সিম অনুসন্ধান করি। জানতে পারি, সিমটি একজন রিক্সাওয়ালার নামে রেজিস্ট্রি করা, এবং সিমে কোনো কল হিস্ট্রিও পাওয়া যায়নি ।

এরপর আমাদের আইডি টিম ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে এবং একপর্যায়ে সেই ডিভাইস সম্পর্কে তথ্য উদ্ধার করে। আমাদের আইডি টিম যখন ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে, তখন তারা প্রোফাইলটির গতিবিধি, পোস্ট করার সময়, এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করে। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস থেকে আইডিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর, সেই ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস এবং অন্যান্য ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে তারা ডিভাইসটির লোকেশন এবং ব্যবহারকারীর পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এই ভাবেই ডিভাইসটি কার কাছে আছে, তা জানা যায়

– যা এই ক্ষেত্রে ভদ্রলোকের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে পাওয়া যায়। এতে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ডিভাইসটি ভদ্রলোকের স্ত্রীর একজন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে রয়েছে। বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। আমরা জানতে পারি,

ভদ্রলোকের স্ত্রী তার বান্ধবীকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন, যাতে তার স্বামীর চরিত্র খারাপ প্রমাণ করা যায়। কারণ, তিনি নিজের অমতে বিয়ে করেছিলেন এবং তার দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্ক ছিল, যে সম্পর্কে তিনি যে কোনো মূল্যে ফিরে যেতে চান ।
পরিকল্পনা ছিল, স্বামীকে সামাজিকভাবে হেয় করে তালাক দেওয়া এবং তারপর পুরনো প্রেমিকের কাছে ফিরে যাওয়া। যেন পরিবার কিছু না বলতে পারে। আমরা সমস্ত প্রমাণ ভদ্রলোকের হাতে তুলে দেই এবং তাকে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেই। ভদ্রলোক কোনো দ্বিধা না করে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আমরাও তার সিদ্ধান্তে কোনো দ্বিমত পোষণ করিনি। কারণ, যে স্ত্রী নিজের স্বামীর মানসম্মান নষ্ট করে এবং সংসার ছেড়ে অন্য কারো সাথে সংসার করার স্বপ্ন দেখে, সে কখনো একজন আদর্শ স্ত্রী হতে পারে না
এটা শুধু একটি ঘটনা নয়, বরং সাইবার ক্রাইমের এক নতুন রূপ, যা আমাদের সমাজে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
Junaid Ahmed Abir
😢31👏31
দুইটা জিনিস হবে,

১. হয় মোবাইলে এপস ইনস্টল করায় স্পর্শকাতর ছবি খুজবে, ফিউচারেও।

২. ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট গেম খেলবে, ২০০ দিবে, ২০০০ দিবে আপনি ২০০০০ দিয়ে ধরা খাবেন।

লোন এপ নিয়া বহু আগেই লেখা হয়েছে চ্যানেলে। জুয়া, লোন এপ, ইনভেস্টমেন্ট স্ক্যাম ভরে গেসে সোশ্যাল মিডিয়া।
146
Windows 11 24H2 update, KB5063878

This update is the culprit of making a lot of SSD issues.Turn off auto update from setting
😢102
২০২২ সালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধীনে একটা প্রতিযোগিতায় আমার বোন ১ম স্থান অধিকার করেছিলো। সেসময় ৬০০০ টাকা পেয়েছিলো।

আজকে হঠাৎ একটা নাম্বার থেকে আম্মুকে কল দিয়ে বোনের নাম ,বাবা মায়ের নাম সহ সকল ডিলেটস দিয়ে বলা হয় তারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে কল দিয়েছে। তারা এবছর আবার কিছু টাকা দিতে চায়। আম্মুর থেকে তারা চ্যাকের পাতার প্রথম পেইজের ছবি এবং ব্যাংক কার্ডের ছবি নেয়। এর কিছুক্ষণ পরই একাউন্টের টাকা সব উঠিয়ে ফেলে।

ব্যাংক থেকে জানানো হয় , কার্ড দিয়ে টাকা উইথড্র করা হয়েছে।

এটা কিভাবে সম্ভব? জাস্ট একাউন্ট নাম্বার/কার্ড নাম্বার দিয়ে টাকা উঠানো সম্ভব?

আমাদের আশেপাশের কয়েকজন পুরষ্কার সম্পর্কে জানলেও মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর থেকে পুরষ্কার পেয়েছে এটা কেউ জানতো না। আর জানলেও ৩ বছর তো অপেক্ষা করতো না।

যদি আশে পাশের কেউ না করে থাকে, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর থেকে ইনফরমেশন লিক হয়েছে অথবা ওরাই ঘটিয়েছে কাজ টা। - ফারাবি সাজ্জাদ

https://www.facebook.com/100036415650219/posts/pfbid027n2YpBGeApwUbhCnfF7mk7GrFdhpv1ftUGQgt4m6iF8s6y3X4NWf46GcbQ2raTBsl/?app=fbl

⚠️আজকাল এই ধরনের স্ক্যাম বাড়ছে
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Google AI Pro is now FREE for students in Bangladesh! 🎉

Finally, it’s here! Good news for all Bangladeshi students, if you have an educational email, you can easily verify and get access!

You’ll get 1 year of Google AI Pro (worth BDT 2,500/month) absolutely FREE, including:

2TB Google Drive storage
Gemini Pro access
Veo 3 & Flow tools
Higher limits on NotebookLM
Gemini AI integration in Docs, Gmail, etc.
Longer Google Meet sessions
1,000 monthly AI credits in AI Studio

N:B: You've to verify your student identification using University edu mail.

Process & Details Given In Comment Box 📌

- The Techpion
11🔥3
One thing about social media is that it brings out the worst in people.
.
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে বৈশিষ্ট্য, সেটাকে বের করে আনে। মানুষ সত্যিকার অর্থে কেমন, তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা প্রোফাইলের আড়ালে, যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—সেখানেই কিছুটা বোঝা যায় সত্যিকার অর্থে আপনি অন্তরে কী লালন করেন।
.
ফেসবুকে আসতে আমার প্রায় সময় আতঙ্কগ্রস্থ লাগে। কোনোদিন সকাল থেকে ফেসবুকে না ঢুকলে, বিকেলে যদি ঢোকার কথা মনে হয়, কেমন যেন ভয় লেগে ওঠে। অশ্লীল গালিগালাজ, ব্লেইমিং, মিথ্যা অপবাদ, অশ্লীলতা, ঝগড়া, কটাক্ষ—কী নেই! বেসিক ডিসেন্সি, আত্মমর্যাদা, সম্মানের মত সাধারণ বিষয়গুলো যেন এখানে বড্ড অপরিচিত।
.
এমন অনেক মানুষ আছে, বাস্তব জীবনে যাদের আচরণ খুবই চমৎকার। কিন্তু অনলাইনে সেই একই মানুষের কথা ও আচরণ দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আবার অনেকে আছে, যার মুখ থেকে মানুষের সামনে ভয় ও নার্ভাসনেসে দুটো কথা বের হয় না, কিন্তু অনলাইনে নানা জায়গায় গালিগালাজ, কটাক্ষ এবং বাকা কমেন্ট করে বেড়াচ্ছে।
.
আবার কেউ যদি এসব না-ও করে, তার এসব দেখতে হয়, হজম করতে হয়, এঙ্গেইজড হয়ে যেতে হয়। যা-ই বলেন, গালি, কটাক্ষ সহ্য করবেন না—তা হবে না। এসব দেখতে দেখতে একে তো অন্তর বক্র হয়ে যাবে, অন্যদিকে এগুলোর জবাব দিতে গেলে কষ্ট, রাগ, বিরক্তি মিলে ধীরে ধীরে আপনি তাদের পর্যায়ে নেমে যেতে থাকবেন।
.
সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে আমাদের কাছে গেলাও যায় না, ফেলাও যায় না ধরণের বিষয়। মজ/লুমের মিডিয়া হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেই আমরা সাধারণ মানুষের সাথে এঙ্গেইজড হতে পারি, নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি। অন্যদিকে এ সংস্কৃতি অনেক ভালো বৈশিষ্ট্য নষ্ট করে দেয়, খারাপটাকে বের করে আনে, টক্সিসিটি তৈরি করে।
.
তাই সোশ্যাল মিডিয়া চালানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা রুলস ফলো করা জরুরি। আমি নিজেও যে পুরো করে উঠতে পারি তা না, কিন্তু চেষ্টা করি। রুলস—
.
১. এমন বিষয়ে কথা না বলা, যা আমি ভালোভাবে জানি না। শুধু তথ্য জানাই যথেষ্ট না, এ ব্যাপারে বয়ান কী হবে তাও জানা জরুরি।

২. যে বিষয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের বয়ানে সবাই কথা বলছে, গুরুত্বপূর্ণ কথা চলে এসেছে, সে বিষয়ে কথা আবার না বলা। তবে কথা হচ্ছে, তবে বয়ান আসে নাই, কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি (যেটা পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)—এমন ইস্যু ভিন্ন।

৩. সম্ভব হলে বুঝদার কোনো সিনিয়র কারো তত্ত্বাবধানে ফেসবুক চালানো। যিনি ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে নজর রাখবেন ও ভুল করলে তা ধরিয়ে দেবেন।

৪. অতিমাত্রায় হাসিতামাশা, কথা বলা অন্তরকে মেরে ফেলে। অনেক সালাফের কওল থেকে এটা প্রমাণিত। তাই অনলাইনে অতি মশকারি, অতিমাত্রায় মিমিং, নানা জায়গায় দরকার-বেদরকারে কমেন্ট করা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।

৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেওয়া লিমিটেড করে ফেলা। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ঢোকা ও রিয়েলিস্টিক টাইম সেট করা। কী পরিমাণ সময় এখানে যাচ্ছে তা ট্র্যাক করতে Your Hour এপ ব্যবহার করা যায়।

৬. সম্ভব হলে ফোনে ফেসবুক এপ না রাখা। ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা।

৭. সকল ‘র‍্যান্ডম’ রিলস, শর্টস একেবারেই বাদ দেওয়া। এর জন্য প্রয়োজন হলে StayFree এর মত এপ ব্যবহার করা যায়। সেখানে এসব এপ থেকে রিলস, শর্টস ব্লক করে দেওয়ার অপশন আছে।

৮. টাইম ওয়েস্ট করতে ইচ্ছে হলে এক্স, ফিডলি বা সাবস্ট্যাকে করা।
.
এগুলো আমার মাথায় আসা অল্প ও সহজ কিছু রুলস। এ কয়েকটা অনুসরণ করতে পারলে আশা করি ইনশাআল্লাহ অনেকটুকু সমস্যা ব্যক্তি পর্যায়েই অনেকটা কমে আসবে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে না—এটাও সত্য। অন্তত নিজে বেঁচে থাকা জরুরি এসব থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন। - ইরফান সাদিক
123
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কিছুদিন আগে পরিচিত একজনের (মেয়ে) ইমোতে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসে। রিসিভ করার সাথে সাথে ওপাশে এক ছেলে উলঙ্গ হয়ে আছে। কেটে দিতে দিতে সে ছেলে ২ সেকেন্ডের ভিডিও সে রেকর্ড করে ফেলে। তারপর সে ব্ল্যাকমেইল করার চেস্টা করে। ভাগ্য ভালো যে আমার রিলেটিভ সরাসরি ক্যমেরার এংগেলে ছিলেন না৷

অপরিচিত নাম্বার থেকে ভিডিও কলের রিকুয়েষ্ট আসলে অবশ্যই ধরবেন না। এড়িয়ে যাবেন। নতুবা ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হবেন যে কোন সময়।

- কপিড
@HopeIslamicTech
13👏2
১মাস পারপ্লেক্সিটি প্রো এবং কমিট ব্রাউজার...
Comet ব্রাউজার ইউজ না করলে ট্রাই করতে পারেন। বেশ কিছু এআই ফিচার ইন্ট্রিগেট করা আছে। এড ব্লকার আছে। perplexity এর ব্রাউজার। ভালই মনে হয়েছে, হয়তো সামনে ইম্প্রুভ হবে আরও। নিচের রেফারেল লিংক ইউজ করলে ১মাস প্রো ভার্শন পাবেন।
ডাউনলোড - https://pplx.ai/almahmudzh
(কমেন্টেও লিঙ্ক দিচ্ছি)

কমিট ইন্সটল করার পর পারপ্লেক্সিটিতে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে সব ফিচার ভালমত ইউজ করা যাবে। আর ইন্সটল করার পর এআইকে ২-১টা প্রশ্ন করলেই প্রো একটিভ হয়ে যাবে। পরে ব্রাউজার ডিলিট করে দিলেও প্রো থেকে যাবে...

- মাহমুদ ভাই

(এডমিন - মাহমুদ ভাই এর লিংকটা ব্যবহারের অনুরোধ রইলো।, আর এটা পিসি অনলি, ফোনে হবে না।)
2
এটা হচ্ছে আমেরিকার সরকার "National Sex Offenders' Registries".

সার্চ দিয়েছিলাম Austin Texas, বৃত্তটা তিন মাইল বা ৫ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ১২৪ জন অফিশিয়ালি কনভিক্টেড সেক্স অফেন্ডার আছে।

সেম জিনিস সচেতন নামক একটা সাইট করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তেমন অ্যাকটিভ না।

এরকম একটা সাইট বানানো পসিবল কয়েকদিনের মধ্যে। লারাভেল ভালো পারে, এরকম কারো ফ্রি সময় থাকলে বলতে পারেন, প্রজেক্টটা দ্রুত করে ফেলতে পারি। হোস্টিং, সার্চ সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন আর্কিটেকচারে ডেভঅপ্স এ আমি হেল্প করবো।

আছেন কেউ ? একজন হলেই হবে Contact/msg- https://web.facebook.com/photo/?fbid=10163357557602110&set=a.262884142109
যারা যারা এখনো জেমিনি প্রো নিতে পারেন নাই নিচের লিংকে জানাতে পারেন কি সমস্যা ফেস করছেন৷

https://t.me/+vGcz-zKofdQ0NmZl
2
বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না।
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।

আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।

মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।

এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।

তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।

এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।

একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।

প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।

আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।

তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।

ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।

আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?

দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?

আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।

একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।

একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।

১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।

বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?

এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।

(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)

@Tahmidul islam
226
গ্রামের লোকেরা, বয়স্ক মানুষরা এখনো AI ভিডিও এবং বাস্তব ভিডিওর পার্থক্য বোঝে না। এটা ভেবেই ভীত হই যে, এআই জেনারেটেড এসব ভিডিও দিয়ে এসব মানুষের ঈমান কেড়ে নেয়া কত সহজ!

এরপর আসে মিডিয়া। হলুদ মিডিয়া তথ্য ম্যানিপুলেট করে কত কোটি কোটি "শিক্ষিত" মানুষকেও ইসলামোফোব, সংশয়বাদী বানিয়েছে সেটার হিসাব করতে বসলে, হিসাব শেষ হবে না।

এআই জেনারেটেড কন্টেন্টগুলো এতটাই বাস্তবিক হচ্ছে যে সত্য-মিথ্যার মাপকাঠি হিসেবে ভিডিও ক্লিপ, ছবিকে রাখাটা এখন দুষ্কর। কিন্তু আরেকটা ভয়ানক তথ্য হচ্ছে, ছবিতে সবচেয়ে বেশি এআইয়ের ব্যবহার হয় কোনো জামা পরিহিতার জামা খোলার জন্য।

চেহারার ছবিটা থাকলেই শুধু জামা ছাড়া ছবিই না, ভিডিও জেনারেট করাও এখন সম্ভব। কোনো ভদ্র ঘরের, ভদ্র মেয়ের তাই অনলাইনে ছবি আপলোডের চিন্তা বাদ দিয়ে দেয়া উচিত। আপনার চেহারাটা কোন কোন কন্টেন্ট বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে, আপনি জানলে হয়তো কখনোই ছবি আপলোড দেবেন না। - মেরাজ হোসাইন
😢20
অফিসিয়াল আর আন-অফিসিয়াল এর সরকারের মজার একটা হিসাব আজকে তুলে ধরবো সবার সামনে।
আর এর অসত্যতা কেউ প্রমান করতে চাইলে প্রমান হতে নিয়া আমার সাথে কথা বলবেন।
অফিসিয়াল ফোন: Oppo,Vivo,Samsung,Redmi,Tecno,infinix,itel,walton,Symphony এগুলা যারা বাংলাদেশি ট্যাগ দিয়া আবেগ দিয়া মাইখা ফেলেন তাদের আজকে তাদরে লুট এর ব্যাবসা টা প্রকাশ করতেছি।
এদের কারো পার্টস তৈরু করার মেশিন নাই, সব পার্টসগুলো আনে চায়না থেকে, কেজি হিসাবে।
এখন কেজি হিসাবে আনলে কি হয়?
কেজি হিসাবে বা পার্টস হিসাবে করের মাত্রা একদমই অল্প পরিমানে, সম্ভবত ৮-১০%। যেখানে একদম ইনটেক কম্পানি থেকে আনলে ৫৭% দিতে হয়।
গেলো এই ফাকি তারপর আসেন ফোনের মান এর উপর Oppo এর Reno 13f,Redmi 14,Tecno Camon 40 Pro,Infinix Note 50 Pro সহ এই দামের সব ফোনের বাংলাদেশের জন্য প্রসেসর Helio G100 4G
আর ইন্ডিয়াতে একই ফোনের বেশির ভাগ প্রসেসর Dimensity 6100-6300-7300 5G
এখন যারা প্রসের বুঝেন না তারা আপাতত সাইডে চাপেন আপনারদের ব্রেইন এমনিতেই দুর্বল।
এখন একই ফোনের পাওয়ার আালাদা আর দাম?
দাম হলো যেটা ইন্ডিয়ায় ১৫-২০ হাজার রুপিতে 5G প্রসেসর দিয়া আসতেছে, সেই একই ফোন ২৫-৩০ হাজারে 4G নিম্নমানের প্রসেসর দিয়া খাওয়াইতাছে।
এখানে বুঝলেন কি?
সহজ করে দেই:
১: সরকারি কর চুরি কিন্তু লিগাল।
২: গ্রাহকদের কাছ থেকে দাম বেশি কিন্তু প্রোডাক্টের কোয়ালিটির ৬/৯ করা।
ভাবতেছেন কি এখানেই শেষ?
না মাত্র শুরু হলো পকেট কাটা লিগাল ভাবে।
চালু হলো কিস্তি প্রথমে ২% দিয়া মার্কেটিং এটা আমিও না বুঝে সমর্থন করেছিলাম।
৪/৬/৯ মাসের সহজ কিস্তি, পরে মার্কেটে মধ্যবিত্ত আর গরিবরা মজা করে ফোন কিনা শুরু করলো।
এর হটাৎ করে কিস্তির সুদের হার ২০%-২৫% করা হলো, আর হিসাবটা গ্রাহকের কাছ থেকে ঘোলাটে করা হলো। হিসাব আন্দাজ করতে পারেনা যে কত বেশি খাইতেছে কম্পানি, আর সোনার বাংলার কিস্তি প্রিয় আম জনতার পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকার ফোন কিস্তিতে ৩৫ হাজার নিতেছে।
লাভের পরিমান?
একটা ফোন ২৫ হাজার বাজার দর বিক্রি করলে দোকানদার পায় ১৮০০-২৫০০ টাকা।
কম্পানি কর ফাকি, নিম্ন মানের ফোন দিয়া নিতাছে ধরেন আরো ৫০০০ টাকা বারতি। তাহলে সর্বমোট কম্পানি পাইতাছে কত হলো লাভ?
২০০০+৫০০০+১০০০০= ১৭ হাজার টাকা প্রফিট একটা ২৫ হাজার টাকা ফোনের!
অথচো তারা লিগাল 🤣🤣🤣
এবার আনঅফিশিয়াল ফোনের হিসাব টা দেখাই
সোজা ফোন ইমপোর্ট করা হয় বেশি হলে কিছু খরচা বাচাতে ফোনে বক্সটা কেটে আলাদা করে আনা হয়।
ধরেন ফোনের দাম Turbo 4 Pro 12/256GB বর্তমানে ২৮৫০০ এটা কিন্তু বর্তমান দাম আগে ৪০-৪৫ হাজার ছিলো।
যখন দাম বেশি ছিলো কেনাও বেশি ছিলো।
বর্তমানে কেনা দাম চায়নায় ২২৬৪৫ টাকা
বাংলাদেশে ২৮৫০০টাকা, আবার বলতেছি বর্তমান কেনা দাম এবং বিক্রি দাম এটা আগে আরো বেশি ছিলো।
২৮৫০০-২২৬৪৫=৫৮৫৫টাকা বারতি এখন এটা কি লাভ?? না এখানে খরচ আছে।
২২৬৪৫+৩০০০(কেয়ারিং চার্জ)=২৫৬৪৫টাকা
ইম্পোটার সর্বোচ্চ লাভ করে ১০০০টাকা মোট ২৬৬৪৫টাকা শোরুম বা দোকান পর্যন্ত আসার খরচা।
২৮৫০০-২৬৬৪৫=১৮৫৫ টাকা লাভ একটা দোকানদারের।
এখন যদি দোকানদারের ৫৭% দিতে হয় এই ৫৭% কি দোকানদার দিবে নাকি জনগন??
এখন সব দোকানদার এতবড় চাপ থেকে বাচতে কর ফাকি দেয় কিন্তু দোকানের কর ঠিকি দেয়।
করের হার যদি ১০-১৫% হতো তাহলে কে চাইবে ১৮৫৫ টাকা লাভের জন্য এতো যুদ্ধ করতে?
চোর কারা? এতো সুন্দর ভাবে কি কোন ইউটিউবার বা সাংবাদিকেরা হিসাব বোঝেনা? বোঝে কিন্তু তারা কাঠের পুতুল টাকা যেদিক দিয়া যখন ছিটাবে সেদিক ফিরে নাচ দেখাবে এটাই ওদের নীতি। - আবু সাওদা

🔴এডমিন- বিস্তারিত পরে বুঝিয়ে লিখব ইন শা আল্লাহ
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👏106😢1
চ্যাটজিপিটি প্রিমিয়াম- Go Subscription Free - 12 months

যারা জেমিনি প্রো নিতে পারসেন এটাও নিতে পারবেন। শিখায় দিচ্ছি-

১. প্রথমে একটা এন্ড্রয়েড ডিভাইস লাগবে। ওই ডিভাইসে একটা জিমেইল থাকবে। যেটায় নিতে চান। নতুন পুরাতন জরুরী না। একটা হলেই হবে।

শুরুতে ইন্ডিয়ান ভিপিএন কানেক্ট করতে হবে। তারপর গুগল প্লে সার্ভিস আর গুগল প্লে স্টোর এর ডাটা ক্লিয়ার করতে হবে।

তারপর Google play store এ ঢুকে, ইমেইল আইকন এ ক্লিক করে payment & subscription থেকে Payment Method তারপর more payment setting.

এরপর এটা গুগল ক্রোম এ নিয়ে যাবে। ফোনে একটা জিমেইল থাকায় অটো সাইন হবে। সেখানে বিন মেথডে ফেক কার্ড এড করে নিবেন।

(পুরান একাউন্ট হলে payment profile delete করতে হবে। নতুন একাউন্ট হলে Add payment method পাবেন। নতুন একাউন্ট দিয়ে করলো সহজ। পুরান একাউন্ট হলে আগের পেমেন্ট প্রোফাইল আর কান্ট্রির ঝামেলা হয়)

বিন ও কার্ড ডিটেইলস কমেন্টে। ভিপিএন ও দিয়ে রাখলাম।

২। কার্ড এড হয়ে গেলে চ্যাটজিপিটি ইন্সটল করবেন। গুগল দিয়ে লগিন। Try Go পাবেন। ক্লিক করবেন। গুগল প্লে স্টোর থেকে পপআপ আসবে। যা আসে করতে থাকবেন। ব্যস হয়ে যাবে।

বেশ সহজ।

আর যারা ফ্রীতে চেষ্টা করেন, আমাকে কমেন্টে জানান, যেকোনো সমস্যায় হেল্প করব ইন শা আল্লাহ। আমরা আমাদের সব এডমিনদের সাকসেসফুলি দিতে পারসি
17
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথম কাজ হলো দ্রুত সিম কার্ডটি অপারেটরের কাছে ব্লক করে দেওয়া এবং পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা। এরপর, ফোনের আইএমইআই (IMEI) নম্বর ব্যবহার করে সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR) ওয়েবসাইটে ব্লক করার আবেদন করুন এবং যদি সম্ভব হয় তবে গুগল বা অ্যাপলের ফাইন্ড মাই ডিভাইস ফিচার ব্যবহার করে ফোনটি ট্র্যাক বা মুছে ফেলুন।

জরুরি পদক্ষেপ
সিম কার্ড ব্লক করুন: দ্রুত আপনার মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে সিম কার্ডটি ব্লক করে দিন যাতে কেউ আপনার নম্বর ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম করতে না পারে।
পুলিশে জিডি করুন: নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন এবং জিডি-এর একটি কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই সাথে রাখুন। এটি ফোন উদ্ধার প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি।

IMEI নম্বর ব্যবহার করুন:
আপনার ফোনের আসল বক্স বা প্যাকেজিং থেকে ১৫ সংখ্যার IMEI নম্বরটি খুঁজে বের করুন।
ceir.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে জিডি-র কপি এবং আইএমইআই নম্বর ব্যবহার করে আপনার ফোনটি ব্লক করার জন্য আবেদন করুন।

রিমোটলি ফোনটি লক বা মুছে ফেলুন:
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য: 'Find My Device' ওয়েবসাইটে গিয়ে (google.com/android/find) বা অ্যাপে আপনার অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে ফোনটি লক করতে পারেন বা প্রয়োজনে ডেটা মুছে ফেলতে পারেন।

আইফোনের জন্য: icloud.com/find ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার অ্যাপল আইডি দিয়ে লগইন করে ফোনটিকে 'লস্ট মোড'-এ রাখুন বা ডেটা মুছে ফেলুন।
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন: হারানো ফোনের সাথে যুক্ত থাকা অন্য অ্যাকাউন্টগুলির (যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া) পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন।

মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কী করবেন-
মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে বা ছিনতাই হলে প্রথমেই আপনার অপারেটর সার্ভিসে ফোন করে সিম লক করে দিতে হবে। যেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের ম...

হারিয়ে যাওয়া ফোন যেভাবে ব্লক করবেন -
অভিযোগ জানানোর পর অভিযোগকারীকে FIR কপি ও কমপ্লেন নম্বর অবশ্যই নিতে হবে। এরপর সেন্ট্রাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (CEIR)-এর ওয়েবসাইট ceir.gov.bd -এ যেতে হব...

ফোন চুরি হলে ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিওর সুরক্ষায় যা করবেন -
>> আইফোনের ক্ষেত্রে, www.icloud.com ওয়েবসাইটে গিয়ে আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ ইন করতে হবে।

ফোন চুরি গিয়েছে? দিশাহারা না হয়ে সঙ্গে সঙ্গে কী কী করবেন?সবচেয়ে জরুরি কাজ হল ফোনের 'ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুপমেন্ট আইডেন্টিটি' (আইএমইআই)নম্বরটি সংরক্ষণ করে রাখা........ - কপিড
20🔥1