আমি আশিক একজন ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার এবং রিমোট ওয়ার্কার। অনেক রাত জেগে আমি কাজ করি, এখনো করেই যাচ্ছি।
শুরুর দিকে কেমন লাগত, সেটা খেয়াল করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর কিছুটা অন্যরকম সিগনাল দিতে থাকে। হালকা হালকা ব্যাথা করত পেটের ডান দিকে । প্রথমে পাত্তা দিইনি, ভাবছিলাম এমনই… কিন্তু ঠিক ৫ আগস্ট ২০২৪ রাত ৩টায় শুরু হয় ভয়ানক পেটব্যথা।
সব কিছু বন্ধ, আমার স্ত্রী পাগলের মতো করে একটা অটো ঠিক করে আমাকে ভর্তি করান সরোয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে। সেইদিন চোখে জল নিয়েই সারাদিন কাটে।
দেখলাম শুধু আমি না, আমার মতো অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি অনেকে গুলি খেয়ে ভর্তি সবার জরুরি অবস্থায়।
পরবর্তীতে অসংখ্য ডাক্তার, পপুলার, স্পেশালিস্ট সকলকে দেখালাম। কোনো ফলাফল নেই। কোনো ওষুধ কাজ করছিল না। শুধু একটা ইনজেকশনেই সাময়িক আরাম।
প্রতি সপ্তাহে, বা ১৫ দিন পরপর আবার সেই ব্যথা ফিরে আসে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ক্লোনোস্কোপি, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাফি সব টেস্ট করালাম। কিন্তু রোগ ধরা পড়ল না।
এই ঈদের দিন আবারও শুরু হল যন্ত্রণা। সেই ইনজেকশনেও কাজ করছিল না। আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম, কিন্তু পুরো দিন কান্না করে কাটে। শেষ পর্যন্ত যখন রিপোর্ট এল, দেখা গেল
প্রস্রাবে থলিতে পাথর, কিডনিতে পানি, লিভারে ফ্যাট, আর প্রস্রাবে ইনফেকশন।
দু’দিন হলো যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না। কিন্তু কাজ থামাইনি।
এই লেখাটা দিলাম কারণ আমার প্রোফাইলে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
আমরা নিজেদের মূল্য দিই না। নিজের শরীরকেও পাত্তা দিই না।
আমরা কেবল কাজ করি…
📌 দেশের বাইরে থেকে টাকা আনছি
📌 পরিবার চালাই
📌 স্বপ্ন পূরণে ছোটাছুটি করি
তবুও অনেকেই আমাদের দেখে ভাবে “কি আর কাজ! কম্পিউটারে কীবোর্ড চাপলেই তো টাকা!”
কিন্তু সত্যিটা জানেন?
এই কাজের পেছনে থাকে ঘুমহীন রাত, অসহ্য ব্যথা, এবং নিঃশব্দ ত্যাগ।
আমার অনুরোধ
আপনার শরীরকে ভালোবাসুন।
নিজেকে সময় দিন।
কাজ করুন, কিন্তু যেন সেটা জীবনের বিনিময়ে না হয়।
আর একটা কথা…
যদি কোনোদিন আমি না থাকি, দয়া করে আমার প্রোফাইল ছবি বা মৃত্যুর ছবি কেউ পোস্ট করবেন না।
আমার ফেসবুক প্রোফাইলটা ডিলিট করে দেবেন।
ভালো থাকবেন সবাই। দোয়া করবেন।
– আশিক
শুরুর দিকে কেমন লাগত, সেটা খেয়াল করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে শরীর কিছুটা অন্যরকম সিগনাল দিতে থাকে। হালকা হালকা ব্যাথা করত পেটের ডান দিকে । প্রথমে পাত্তা দিইনি, ভাবছিলাম এমনই… কিন্তু ঠিক ৫ আগস্ট ২০২৪ রাত ৩টায় শুরু হয় ভয়ানক পেটব্যথা।
সব কিছু বন্ধ, আমার স্ত্রী পাগলের মতো করে একটা অটো ঠিক করে আমাকে ভর্তি করান সরোয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে। সেইদিন চোখে জল নিয়েই সারাদিন কাটে।
দেখলাম শুধু আমি না, আমার মতো অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি অনেকে গুলি খেয়ে ভর্তি সবার জরুরি অবস্থায়।
পরবর্তীতে অসংখ্য ডাক্তার, পপুলার, স্পেশালিস্ট সকলকে দেখালাম। কোনো ফলাফল নেই। কোনো ওষুধ কাজ করছিল না। শুধু একটা ইনজেকশনেই সাময়িক আরাম।
প্রতি সপ্তাহে, বা ১৫ দিন পরপর আবার সেই ব্যথা ফিরে আসে। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ক্লোনোস্কোপি, এন্ডোস্কোপি, সিটি স্ক্যান, আলট্রাসনোগ্রাফি সব টেস্ট করালাম। কিন্তু রোগ ধরা পড়ল না।
এই ঈদের দিন আবারও শুরু হল যন্ত্রণা। সেই ইনজেকশনেও কাজ করছিল না। আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম, কিন্তু পুরো দিন কান্না করে কাটে। শেষ পর্যন্ত যখন রিপোর্ট এল, দেখা গেল
প্রস্রাবে থলিতে পাথর, কিডনিতে পানি, লিভারে ফ্যাট, আর প্রস্রাবে ইনফেকশন।
দু’দিন হলো যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না। কিন্তু কাজ থামাইনি।
এই লেখাটা দিলাম কারণ আমার প্রোফাইলে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।
আমরা নিজেদের মূল্য দিই না। নিজের শরীরকেও পাত্তা দিই না।
আমরা কেবল কাজ করি…
📌 দেশের বাইরে থেকে টাকা আনছি
📌 পরিবার চালাই
📌 স্বপ্ন পূরণে ছোটাছুটি করি
তবুও অনেকেই আমাদের দেখে ভাবে “কি আর কাজ! কম্পিউটারে কীবোর্ড চাপলেই তো টাকা!”
কিন্তু সত্যিটা জানেন?
এই কাজের পেছনে থাকে ঘুমহীন রাত, অসহ্য ব্যথা, এবং নিঃশব্দ ত্যাগ।
আমার অনুরোধ
আপনার শরীরকে ভালোবাসুন।
নিজেকে সময় দিন।
কাজ করুন, কিন্তু যেন সেটা জীবনের বিনিময়ে না হয়।
আর একটা কথা…
যদি কোনোদিন আমি না থাকি, দয়া করে আমার প্রোফাইল ছবি বা মৃত্যুর ছবি কেউ পোস্ট করবেন না।
আমার ফেসবুক প্রোফাইলটা ডিলিট করে দেবেন।
ভালো থাকবেন সবাই। দোয়া করবেন।
– আশিক
😢30❤3
এআই ভিডিওগুলো আজকাল বেশ নিখুত হয়েছে। একটা সেম্পল দিচ্ছি কমেন্টে দেখুন। সময়ে সময়ে আরো যুক্ত করব এখানে। এর বিপদ নিয়ে বিস্তারিত পরে লিখব ইন শা আল্লাহ
⚡7❤1
গ্রাফিক ডিজাইন আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স বেচাবেচির একটা হিড়িক পরেছিলো না? সবাই ফ্রীল্যান্সিং করা শুরু করসিলো। এখন কিছুটা কমসে। এখন অবশ্য প্যাসিভ ইনকাম, এমাজন এফ্লিয়েটর নামে এসব চলে। যাইহোক,
এখন এআই মাস্টারক্লাস সহ নানা নামে কোর্স বেচা হইতেসে, এআই দিয়া ভিডিও করে মনিটাইজেশন করা সহ ইনকাম এর বিষয়গুলোকে ফোকাস করা। বেশির ভাগই ভুয়া। এগুলা থেকে বেঁচে থাকেন।
যারা বেশ কয়েকবছর গ্রাফিক কাজ করেছন তারা জেনেবুঝে এআই রিলেটেড কোর্স করতে পারে, স্কিল রিবুট করার জন্য। কিন্তু আপনি যদি কন্টেন্ট বা গ্রাফিকস এর জগতের কেউ না হন তবে এসবে এ পা দিয়েন না। আর সোশ্যালমিডিয়া ভিত্তিক মনিটাইজেশন ইনকাম ত হালাল ও না।
এখন এআই মাস্টারক্লাস সহ নানা নামে কোর্স বেচা হইতেসে, এআই দিয়া ভিডিও করে মনিটাইজেশন করা সহ ইনকাম এর বিষয়গুলোকে ফোকাস করা। বেশির ভাগই ভুয়া। এগুলা থেকে বেঁচে থাকেন।
যারা বেশ কয়েকবছর গ্রাফিক কাজ করেছন তারা জেনেবুঝে এআই রিলেটেড কোর্স করতে পারে, স্কিল রিবুট করার জন্য। কিন্তু আপনি যদি কন্টেন্ট বা গ্রাফিকস এর জগতের কেউ না হন তবে এসবে এ পা দিয়েন না। আর সোশ্যালমিডিয়া ভিত্তিক মনিটাইজেশন ইনকাম ত হালাল ও না।
❤29
কিস্তিতে মোবাইল বিক্রির ভয়াবহ প্রতারণার ফাঁদ
সম্প্রতি একটি ক্যাম্পেইন চলছে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি নামক। সাধারণ মানুষ এই ফাঁদে পা দিচ্ছে খুব সহজে। একটা ফোন আজকাল গ্রামের একজন মানুষের স্বপ্নও হয়ে থাকে। শহরের মানুষের স্মার্ট ফোন হয়ে উঠে দৈনন্দিন কাজের সাথী। আর তাই মোবাইল কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান এই সরলতা ও চাহিদার সুযোগে ঠান্ডা মাথায় করে যায় প্রতারণা। যা গ্রামের সাধারণ ব্যক্তি ও শহরের ব্যস্ততায় হিসাব করেনা কি হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আমি এমন একটি প্রতারণার সাথে যুক্ত হয়ে নিজেকে অসহায় ভাবে হিসাব করে দেখলাম। এরাতো মহা প্রতারক। যারা গ্রামে গঞ্জের মানুষকে সহজে মোবাইল কিস্তি নামক কথা বলে বিশাল এমাউন্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। চলুন এবার হিসাব মিলিয়ে দেখি কেন তাদের প্রতারক বললাম।
এই ক্যাম্পেইনে যুক্ত তিন মোবাইল কোম্পানি। Tecno, Itel, Infinix
আমি ধাকার মোহাম্মাদপুরে একটি দোকানে মোবাইল দেখতে যাই। তারা বলে সহজে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি হয়। আমি রাজি হই। তাদেরকে মুল্য জিজ্ঞেস করতেই বলে Camon-40 Price-23999 & Camon-40 Pro 26999 আমি সব হিসাব বিবেচনা করে Camon-40 নামক ফোনটি পচন্দ করি। তারা আমাকে বলল আপনার আইডি, জব আইডি ও একজন গ্যারান্টার তথ্য দিন। আমি সব দিয়ে ও এডভান্স ২০% বাবদ ৫৭৪৪ টাকা প্রদান করি। এতটাকা কিভাবে আসলো জিজ্ঞেস করাতে তারা বলল এখানে গ্যারান্টি ফি আছে-১১০০ টাকা। যা আপনার শেষ কিস্তিতে এডজাস্ট করা হবে। তাই পেমেন্ট করে বাসায় চলে আসি। ঘটনার মূল রহস্য আসে রাতে। যখন উনাদের কিস্তির রহস্য আসে। আমাকে তারা বলল ২৮৮০ টাকা কিস্তি দিতে হবে ৯ টা। এখানে মাথাটা চক্কর দেয়। তাহলে মোবাইলের দাম কত? আমাকে তাহলে কী বুঝানো হয়েছে।
এসব হিসাব দেখতে অনলাইন ঘাটতে শুরু করি। তাদের লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন-অথরাইজ এপস ডাউনলোড করি। সেখানে আমার মোবাইল দিয়ে লগ-ইন করি। লগ ইনের পর বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। সেখানে গিয়ে দেখি আমার কাছে বিক্রি করা মোবাইলের দাম ধরা হয়েছে ২৬৩৯৯ টাকা। যা ভাউচার অনুযায়ী আমি কিনেছি ২৩৯৯৯ টাকায়। আমার নামে লোন অনুমোদন করেছে ২২০০০ টাকা আর ৩৯৬০ টাকা সুদ! আমার বর্তমানে লোনসহ সুদ রয়েছে ২৪৮৬০ টাকা। ইন্টারেস্টিং বিষয় এর নাম সুদ না দিয়ে দিয়েছেন সার্ভিস চার্জ। তাহলে হিসাবটা মিলিয়ে নেই।
আমি নিয়েছি Tecno Camon-40 যার বর্তমান অফিসিয়াল বাজার মূল্য ২৩৯৯৯ টাকা। আমরা সেই ফোনের হিসাবই তুলে ধরছি।
অগ্রিম পেমেন্ট করলাম- ৫৭৪৪ টাকা
আরোও পেমেন্ট করতে হবে- ২৪৮৬০ টাকা
সর্বমোট মোবাইলের দাম- ৩০৬০৪ টাকা
বাজারে উক্ত মোবাইলের বর্তমান দাম- ২৩৯৯৯ টাকা
অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে- (৩০৬০৪-২৩৯৯৯)=৬৬০৫ টাকা ( ৯ মাসে)
সুদের হিসাবে যা শতকরা ৩৬.৬৯%
এবার হিসাব করুন। বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানে এত % হারে আপনাকে সেবা দেয়। আমাদেরকে আসলে বোকা বানানো আসলে কত সহজ দেখুন। সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে সহজে ও সুদহীন কিস্তিতে মোবাইল দিচ্ছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ কাজের আরালে বিশাল এক গল্প লুকিয়ে রেখেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। যা রীতিমত এক একজন সাধারণ ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা ও অন্যায়। যদি তারা এই কাজের হিসাবগুলি উন্মুক্তভাবে গ্রাহকে বুঝিয়ে ফোন বিক্রি করতো তাহলে আজকে আমিও প্রতারণা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারতাম না কিন্তু এই হিসাব আমি কেন কোন গ্রাহককেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়না, দেখানো হয়না। এটা এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের একটা বড় এবং প্লানমাপিক প্রতারণা। আসুক এই প্রতারণার বিরুদ্ধে দাঁড়াই এবং অন্যদের জানিয়ে দেই যাতে এই ফাঁদে কেউ পা না দেয়।
ফুট নোটঃ আমি এই তথ্য Tecno অফিসিয়াল মেইলে মেইল করে জানিয়েছি। তারা এখন অব্দি কোন প্রতিউত্তর দেয়নি। যেখান থেকে কিনেছি তাদের কাছে গিয়েও জানিয়েছি তারা কিছুই করতে পারবেনা জানিয়েছে। আমি এমনও জানিয়েছি আমি যদি এখন ফুল ক্যাশ দিতে চাই তাহলে করণীয় কি? তারা উত্তর দিয়েছে যা কিস্তিতে আছে তার পুরটাই দিতে হবে।
মিনহাজ উদ্দিন
ঢাকা, ২৫.০৬.২০২৫
সম্প্রতি একটি ক্যাম্পেইন চলছে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি নামক। সাধারণ মানুষ এই ফাঁদে পা দিচ্ছে খুব সহজে। একটা ফোন আজকাল গ্রামের একজন মানুষের স্বপ্নও হয়ে থাকে। শহরের মানুষের স্মার্ট ফোন হয়ে উঠে দৈনন্দিন কাজের সাথী। আর তাই মোবাইল কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কোন প্রতিষ্ঠান এই সরলতা ও চাহিদার সুযোগে ঠান্ডা মাথায় করে যায় প্রতারণা। যা গ্রামের সাধারণ ব্যক্তি ও শহরের ব্যস্ততায় হিসাব করেনা কি হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আমি এমন একটি প্রতারণার সাথে যুক্ত হয়ে নিজেকে অসহায় ভাবে হিসাব করে দেখলাম। এরাতো মহা প্রতারক। যারা গ্রামে গঞ্জের মানুষকে সহজে মোবাইল কিস্তি নামক কথা বলে বিশাল এমাউন্ট হাতিয়ে নিচ্ছে। চলুন এবার হিসাব মিলিয়ে দেখি কেন তাদের প্রতারক বললাম।
এই ক্যাম্পেইনে যুক্ত তিন মোবাইল কোম্পানি। Tecno, Itel, Infinix
আমি ধাকার মোহাম্মাদপুরে একটি দোকানে মোবাইল দেখতে যাই। তারা বলে সহজে কিস্তিতে মোবাইল বিক্রি হয়। আমি রাজি হই। তাদেরকে মুল্য জিজ্ঞেস করতেই বলে Camon-40 Price-23999 & Camon-40 Pro 26999 আমি সব হিসাব বিবেচনা করে Camon-40 নামক ফোনটি পচন্দ করি। তারা আমাকে বলল আপনার আইডি, জব আইডি ও একজন গ্যারান্টার তথ্য দিন। আমি সব দিয়ে ও এডভান্স ২০% বাবদ ৫৭৪৪ টাকা প্রদান করি। এতটাকা কিভাবে আসলো জিজ্ঞেস করাতে তারা বলল এখানে গ্যারান্টি ফি আছে-১১০০ টাকা। যা আপনার শেষ কিস্তিতে এডজাস্ট করা হবে। তাই পেমেন্ট করে বাসায় চলে আসি। ঘটনার মূল রহস্য আসে রাতে। যখন উনাদের কিস্তির রহস্য আসে। আমাকে তারা বলল ২৮৮০ টাকা কিস্তি দিতে হবে ৯ টা। এখানে মাথাটা চক্কর দেয়। তাহলে মোবাইলের দাম কত? আমাকে তাহলে কী বুঝানো হয়েছে।
এসব হিসাব দেখতে অনলাইন ঘাটতে শুরু করি। তাদের লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের আন-অথরাইজ এপস ডাউনলোড করি। সেখানে আমার মোবাইল দিয়ে লগ-ইন করি। লগ ইনের পর বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। সেখানে গিয়ে দেখি আমার কাছে বিক্রি করা মোবাইলের দাম ধরা হয়েছে ২৬৩৯৯ টাকা। যা ভাউচার অনুযায়ী আমি কিনেছি ২৩৯৯৯ টাকায়। আমার নামে লোন অনুমোদন করেছে ২২০০০ টাকা আর ৩৯৬০ টাকা সুদ! আমার বর্তমানে লোনসহ সুদ রয়েছে ২৪৮৬০ টাকা। ইন্টারেস্টিং বিষয় এর নাম সুদ না দিয়ে দিয়েছেন সার্ভিস চার্জ। তাহলে হিসাবটা মিলিয়ে নেই।
আমি নিয়েছি Tecno Camon-40 যার বর্তমান অফিসিয়াল বাজার মূল্য ২৩৯৯৯ টাকা। আমরা সেই ফোনের হিসাবই তুলে ধরছি।
অগ্রিম পেমেন্ট করলাম- ৫৭৪৪ টাকা
আরোও পেমেন্ট করতে হবে- ২৪৮৬০ টাকা
সর্বমোট মোবাইলের দাম- ৩০৬০৪ টাকা
বাজারে উক্ত মোবাইলের বর্তমান দাম- ২৩৯৯৯ টাকা
অতিরিক্ত প্রদান করতে হবে- (৩০৬০৪-২৩৯৯৯)=৬৬০৫ টাকা ( ৯ মাসে)
সুদের হিসাবে যা শতকরা ৩৬.৬৯%
এবার হিসাব করুন। বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানে এত % হারে আপনাকে সেবা দেয়। আমাদেরকে আসলে বোকা বানানো আসলে কত সহজ দেখুন। সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছে সহজে ও সুদহীন কিস্তিতে মোবাইল দিচ্ছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ কাজের আরালে বিশাল এক গল্প লুকিয়ে রেখেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। যা রীতিমত এক একজন সাধারণ ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা ও অন্যায়। যদি তারা এই কাজের হিসাবগুলি উন্মুক্তভাবে গ্রাহকে বুঝিয়ে ফোন বিক্রি করতো তাহলে আজকে আমিও প্রতারণা হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারতাম না কিন্তু এই হিসাব আমি কেন কোন গ্রাহককেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়না, দেখানো হয়না। এটা এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের একটা বড় এবং প্লানমাপিক প্রতারণা। আসুক এই প্রতারণার বিরুদ্ধে দাঁড়াই এবং অন্যদের জানিয়ে দেই যাতে এই ফাঁদে কেউ পা না দেয়।
ফুট নোটঃ আমি এই তথ্য Tecno অফিসিয়াল মেইলে মেইল করে জানিয়েছি। তারা এখন অব্দি কোন প্রতিউত্তর দেয়নি। যেখান থেকে কিনেছি তাদের কাছে গিয়েও জানিয়েছি তারা কিছুই করতে পারবেনা জানিয়েছে। আমি এমনও জানিয়েছি আমি যদি এখন ফুল ক্যাশ দিতে চাই তাহলে করণীয় কি? তারা উত্তর দিয়েছে যা কিস্তিতে আছে তার পুরটাই দিতে হবে।
মিনহাজ উদ্দিন
ঢাকা, ২৫.০৬.২০২৫
😢20❤6
আজকে একটা ফ্রডের শিকার হলাম। আজ বিকালে আমাকে +8801699067318 এই নাম্বার থেকে আমাকে ফোন করে বলা হলো যে উনার নাম SI আকরাম। কুমিল্লা সদর থানা থেকে। আমাকে বললো যে মানি লন্ডারিং মামলায় আলম গাজী নামে একজন ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে যার কাছে অনেক গুলা ব্যাংক একাউন্টের ইনফো পাওয়া গেছে যেখানে আমার নামেও একটা ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট পাওয়া গেছে যেখানে টাকা লেনদেন হয়েছে।
আমি জানালাম যে আমি এমন কাউকে চিনি না এবং এমন কিছুর সাথে আমি জড়িত নই।
পরে সে আমার নাম ঠিকানা এনআইডি নাম্বার সকল ইনফরমেশন দিয়ে বললো যে এই পরিচয় তো আপনার। আসলেই সে সঠিক ইনফো দিয়েছে। তাই বলেছি হ্যা। কিন্থ আমি এই লোককে চিনিনা।
পরে আমাকে তারা বললো আপনি ঢাকা ডিবি অফিসে যোগাযোগ করুন। সে নিজেই আমাকে বললো যে আমি লাইন করে দিচ্ছি আপনি কথা বলেন।
পরে আমাকে পরিচয় দিলো উনি ওসি মহসিন। ফেসবুকের ভাইরাল ওসি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি তাকে চিনেছি কিনা, আমি তাকে দেখে চিনতে পারি সেটা জানাই। সে আমাকে বললো যে আমার নামে এমন মামলা আছে, এভিডেন্সে আমার একাউন্ট আছে। আমি জানালাম এমন কিছু আমি জানিনা। পরে সে আমাকে +8801911811421 এই নাম্বারে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে বলে এবং ভিডিও কলে সে আমাকে ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায় আমার সাথে কথা বলে। এরপর সে আমাকে আরেকজনের সাথে কথা বলায় দেয় যে নিজেকে এসপি দাবি করে এবং সে বলে যে রিমান্ডে আসামী আমার নামে নাকি স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে আমি এমন অবৈধ লেনদেনে জড়িত। আমি তাকে জানাই যে এসবের সাথে আমি জড়িত না। আমি তাকে বলি যে আপনারা আমার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট চেক করেন তাহলেই প্রমাণ পাবেন। এরপর সে আমাকে থ্রেট দেয় এবং ভয় দেখায় যে বেশি প্রশ্ন করলে বা কথা বললে আমাকে হয়রানি করবে, আমার ক্ষতি করবে। - মূর্তজা শাহরিয়ার
➡️ ➡️ ➡️ ➡️ ➡️
কিছু বিষয় জেনে রাখুন -
আওয়ামীলীগ আমলে বাংলাদেশের সবার এনআইডি ইনফো সেল করে দেয়া হয়েছিলো, আপনারা জানেন।
দেখুন :https://t.me/HopeIslamicTech/88
একইসাথে টাকা দিলে আপনি যে কারো এনআইডি, কল লগ, ব্যাসিক ঠিকানা ইমেইল বের করতে পারবেন। দেখুন - https://t.me/HopeIslamicTech/208
এই সার্ভার গুলো থেকে টাকা দিয়ে যেকোনো তথ্য পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে নিউজ হয়েছে।
এরপর পাবলিক যে ইনফো থাকে সেগুলো মিলিয়ে আরো তথ্য যোগার করে এভাবে ভয় লাগায় স্ক্যাম করে। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যেমে। আপনি অপরাধ না করলে এসব কলের প্রমাণ, অডিও, ভিডিও রেখে স্থানীয় কারো সাহায্য নিবেন, ভয় পাবেন না ইন শা আল্লাহ
@HopeIslamicTech
আমি জানালাম যে আমি এমন কাউকে চিনি না এবং এমন কিছুর সাথে আমি জড়িত নই।
পরে সে আমার নাম ঠিকানা এনআইডি নাম্বার সকল ইনফরমেশন দিয়ে বললো যে এই পরিচয় তো আপনার। আসলেই সে সঠিক ইনফো দিয়েছে। তাই বলেছি হ্যা। কিন্থ আমি এই লোককে চিনিনা।
পরে আমাকে তারা বললো আপনি ঢাকা ডিবি অফিসে যোগাযোগ করুন। সে নিজেই আমাকে বললো যে আমি লাইন করে দিচ্ছি আপনি কথা বলেন।
পরে আমাকে পরিচয় দিলো উনি ওসি মহসিন। ফেসবুকের ভাইরাল ওসি। সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি তাকে চিনেছি কিনা, আমি তাকে দেখে চিনতে পারি সেটা জানাই। সে আমাকে বললো যে আমার নামে এমন মামলা আছে, এভিডেন্সে আমার একাউন্ট আছে। আমি জানালাম এমন কিছু আমি জানিনা। পরে সে আমাকে +8801911811421 এই নাম্বারে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে বলে এবং ভিডিও কলে সে আমাকে ইউনিফর্ম পড়া অবস্থায় আমার সাথে কথা বলে। এরপর সে আমাকে আরেকজনের সাথে কথা বলায় দেয় যে নিজেকে এসপি দাবি করে এবং সে বলে যে রিমান্ডে আসামী আমার নামে নাকি স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে আমি এমন অবৈধ লেনদেনে জড়িত। আমি তাকে জানাই যে এসবের সাথে আমি জড়িত না। আমি তাকে বলি যে আপনারা আমার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট চেক করেন তাহলেই প্রমাণ পাবেন। এরপর সে আমাকে থ্রেট দেয় এবং ভয় দেখায় যে বেশি প্রশ্ন করলে বা কথা বললে আমাকে হয়রানি করবে, আমার ক্ষতি করবে। - মূর্তজা শাহরিয়ার
কিছু বিষয় জেনে রাখুন -
আওয়ামীলীগ আমলে বাংলাদেশের সবার এনআইডি ইনফো সেল করে দেয়া হয়েছিলো, আপনারা জানেন।
দেখুন :https://t.me/HopeIslamicTech/88
একইসাথে টাকা দিলে আপনি যে কারো এনআইডি, কল লগ, ব্যাসিক ঠিকানা ইমেইল বের করতে পারবেন। দেখুন - https://t.me/HopeIslamicTech/208
এই সার্ভার গুলো থেকে টাকা দিয়ে যেকোনো তথ্য পাওয়ার বিষয়টা নিয়ে নিউজ হয়েছে।
এরপর পাবলিক যে ইনফো থাকে সেগুলো মিলিয়ে আরো তথ্য যোগার করে এভাবে ভয় লাগায় স্ক্যাম করে। টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যেমে। আপনি অপরাধ না করলে এসব কলের প্রমাণ, অডিও, ভিডিও রেখে স্থানীয় কারো সাহায্য নিবেন, ভয় পাবেন না ইন শা আল্লাহ
@HopeIslamicTech
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
😢10❤2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য দেদারছে বেচাকেনা, ১৩১ টাকায় মিলছে এনআইডি | NID Corruption |
এটা দেখুন।
এটা দেখুন।
😢20❤1
ফেসবুক ইসরাইলি ভিপিএন এপ Onavo এর মাধ্যমে আপনার পুরো ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সব ট্রাফিক তাদের সার্ভারে রিডাইরেক্ট করছিল! হায় রে দুনিয়া!
ফেসবুক দেখতে পারতঃ
• আপনি কোন অ্যাপ খুলেছেন
• আপনি কতক্ষণ সেই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
• আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন
• এবং আপনি ঠিক কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
আপনাকে বুঝতে না দিয়ে তারা, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছিল এ ভিপিএন এপের মাধ্যমে! @HopeIslamicTech
ফেসবুক দেখতে পারতঃ
• আপনি কোন অ্যাপ খুলেছেন
• আপনি কতক্ষণ সেই অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
• আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন
• এবং আপনি ঠিক কখন কোন অ্যাপ ব্যবহার করেছেন
আপনাকে বুঝতে না দিয়ে তারা, এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছিল এ ভিপিএন এপের মাধ্যমে! @HopeIslamicTech
😢15🔥1
বেশ কিছু দিন ধরেই আমি Deen Tab ব্যবহার করছি। এটি একটি প্রোডাক্টিভ ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা বিশেষ করে দ্বীনি ভাইদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। যারা প্রোডাক্টিভ কাজ করেন, তাদের প্রোডাক্টিভিটি ধরে রাখতে এই এক্সটেনশনটি কার্যকর সহায়ক হতে পারে।
প্রোডাক্টিভিটির জন্য রয়েছে বিভিন্ন Widget টুলের সমাহার। পাশাপাশি আছে আরবি, বাংলা ও ইংরেজি নাশিদ এবং তেলাওয়াতের লাইব্রেরি। আছে মনোমুগ্ধকর ভিডিও ও স্টিল ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নেওয়ার অপশন। লাইব্রেরিতে থাকা নাশিদ শুনতে শুনতে যদি একঘেয়ে লাগে, তবে নিজের পছন্দের ইউটিউব লাইব্রেরিও যুক্ত করা যায়।
এছাড়া রয়েছে তিনটি প্রিসেট অডিও মিক্সার—
সাগরের মৃদু গর্জন
বন-জঙ্গলে পাখির কলকলানি
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ
যেগুলো নাশিদের সাথে মিশিয়ে প্রকৃতির স্নিগ্ধ অনুভূতি উপভোগ করা যায়।
প্রোডাক্টিভ ফিচারের মধ্যে রয়েছে:
Todo List
Task Box
Reports
Calendar
Greeting
Prayer Times
Kanban Board
Time Tracker
Notes
Pomodoro
Digital Clock
Quote
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপনি যদি মনে করেন কোনো উপকারী টুল বাদ পড়ে গেছে, তাহলে Request Features এর মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারবেন। আমাদের টিম বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আপনার প্রস্তাবিত টুলটি যুক্ত করার ব্যাপারে ভাববে।
এক্সটেনশনটি যাতে আপনার ব্রাউজারের উপর চাপ না ফেলে, সেই কথা মাথায় রেখে একেবারে হালকা করে তৈরি করা হয়েছে। তাই কিছু ফিচার হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়নি। আবার আপনার নজরে এমন কিছু আসতে পারে যা আমাদের নজরে পড়েনি—সেটিও অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আমরা আপনাদের গঠনমূলক ফিডব্যাকের অপেক্ষায় আছি।
আর ভালো লাগলে নিজের ভাই-বোন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
লিঙ্ক
সুন্দর এই এক্সটেনশন ক্রিয়েট করেছে Stack Mahbub ভাই।
🔗একনজর দেখুন: https://studio.deentab.app
ℹ️ ডাউনলোড করতে: https://deentab.app
- শাহরিয়ার হাসান
প্রোডাক্টিভিটির জন্য রয়েছে বিভিন্ন Widget টুলের সমাহার। পাশাপাশি আছে আরবি, বাংলা ও ইংরেজি নাশিদ এবং তেলাওয়াতের লাইব্রেরি। আছে মনোমুগ্ধকর ভিডিও ও স্টিল ব্যাকগ্রাউন্ড বেছে নেওয়ার অপশন। লাইব্রেরিতে থাকা নাশিদ শুনতে শুনতে যদি একঘেয়ে লাগে, তবে নিজের পছন্দের ইউটিউব লাইব্রেরিও যুক্ত করা যায়।
এছাড়া রয়েছে তিনটি প্রিসেট অডিও মিক্সার—
সাগরের মৃদু গর্জন
বন-জঙ্গলে পাখির কলকলানি
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ
যেগুলো নাশিদের সাথে মিশিয়ে প্রকৃতির স্নিগ্ধ অনুভূতি উপভোগ করা যায়।
প্রোডাক্টিভ ফিচারের মধ্যে রয়েছে:
Todo List
Task Box
Reports
Calendar
Greeting
Prayer Times
Kanban Board
Time Tracker
Notes
Pomodoro
Digital Clock
Quote
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপনি যদি মনে করেন কোনো উপকারী টুল বাদ পড়ে গেছে, তাহলে Request Features এর মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারবেন। আমাদের টিম বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আপনার প্রস্তাবিত টুলটি যুক্ত করার ব্যাপারে ভাববে।
এক্সটেনশনটি যাতে আপনার ব্রাউজারের উপর চাপ না ফেলে, সেই কথা মাথায় রেখে একেবারে হালকা করে তৈরি করা হয়েছে। তাই কিছু ফিচার হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়নি। আবার আপনার নজরে এমন কিছু আসতে পারে যা আমাদের নজরে পড়েনি—সেটিও অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আমরা আপনাদের গঠনমূলক ফিডব্যাকের অপেক্ষায় আছি।
আর ভালো লাগলে নিজের ভাই-বোন ও বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
লিঙ্ক
সুন্দর এই এক্সটেনশন ক্রিয়েট করেছে Stack Mahbub ভাই।
🔗একনজর দেখুন: https://studio.deentab.app
ℹ️ ডাউনলোড করতে: https://deentab.app
- শাহরিয়ার হাসান
❤23⚡1
এরকম রিফাবরিশড ট্যাব কেউ কিনবেন না। Homor pad x7 4/64 নতুন ১২৫০০ টাকায় পাওয়া যায়। এটা বেশ ভালো অপশন
(যদিও ৬৪ জিবি কেনা উচিত না, তবু রিফাবরিশড ২/৩২ থেকে হাজারগুণ ভালো)
কেন রিফাবরিশড কিনবেন না -
১. ৬/৭ হাজার টাকা দিয়ে ১০ বছরের পুরোনো এনড্রয়েড মডেল ও অপারেটিং সিস্টেম যাতে তেমন কোনো এপস ঠিক ভাবে সার্পোট করবে না।
২. ২/৩২, ২/১৬ জিবির র্যাম রম কোনো কাজেরই না। মাল্টিটাস্কিং থেকে সাধারণ ভালো এপস চলতেও হিমসিম খাবে।
৩. রিফাবরিশড ব্যাটারি। যেগুলো একবছরেই ব্যাকআপ তেমন থাকবে না।
(যদিও ৬৪ জিবি কেনা উচিত না, তবু রিফাবরিশড ২/৩২ থেকে হাজারগুণ ভালো)
কেন রিফাবরিশড কিনবেন না -
১. ৬/৭ হাজার টাকা দিয়ে ১০ বছরের পুরোনো এনড্রয়েড মডেল ও অপারেটিং সিস্টেম যাতে তেমন কোনো এপস ঠিক ভাবে সার্পোট করবে না।
২. ২/৩২, ২/১৬ জিবির র্যাম রম কোনো কাজেরই না। মাল্টিটাস্কিং থেকে সাধারণ ভালো এপস চলতেও হিমসিম খাবে।
৩. রিফাবরিশড ব্যাটারি। যেগুলো একবছরেই ব্যাকআপ তেমন থাকবে না।
❤13
সম্প্রতি, আমরা একটি জটিল সাইবার হয়রানির অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি একজন বিবাহিত পুরুষকে নিয়ে, যিনি এক মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন তার স্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে একটি বেনামী নম্বর থেকে স্বামীর ব্যক্তিগত এবং এডিট করা অশ্লীল ছবি পাঠানো হয়। শুধু তাই নয়, তার নামে একটি ভুয়া ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করে সম্মানহানিকর পোস্ট করা হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পরে ।
বিষয়টি যখন ভদ্রলোকের স্ত্রী জানতে পারেন, তখন তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়। স্ত্রী স্বামীকে নানাভাবে অপমান করতে থাকেন এবং তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভদ্রলোক প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চাইলেও, স্ত্রী তাতে বাধা দেন, এই ভয়ে যে থানা-পুলিশের কাছে গেলে মানসম্মান নষ্ট হবে ।
কিন্তু ততদিনে, ফেসবুকের ভুয়া আইডির ফলোয়ার বাড়তে থাকে এবং পরিচিতজনেরাও বিষয়টি জানতে শুরু করে। আইডি থেকে কাছের মানুষদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো শুরু হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে ।
নিরুপায় হয়ে ভদ্রলোক বিষয়টি আমাদের জানান। আমরা প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সূত্র ধরে সিমটি কার নামে রেজিস্ট্রি করা, তা জানতে সিম অনুসন্ধান করি। জানতে পারি, সিমটি একজন রিক্সাওয়ালার নামে রেজিস্ট্রি করা, এবং সিমে কোনো কল হিস্ট্রিও পাওয়া যায়নি ।
এরপর আমাদের আইডি টিম ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে এবং একপর্যায়ে সেই ডিভাইস সম্পর্কে তথ্য উদ্ধার করে। আমাদের আইডি টিম যখন ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে, তখন তারা প্রোফাইলটির গতিবিধি, পোস্ট করার সময়, এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করে। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস থেকে আইডিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর, সেই ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস এবং অন্যান্য ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে তারা ডিভাইসটির লোকেশন এবং ব্যবহারকারীর পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এই ভাবেই ডিভাইসটি কার কাছে আছে, তা জানা যায়
– যা এই ক্ষেত্রে ভদ্রলোকের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে পাওয়া যায়। এতে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ডিভাইসটি ভদ্রলোকের স্ত্রীর একজন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে রয়েছে। বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। আমরা জানতে পারি,
ভদ্রলোকের স্ত্রী তার বান্ধবীকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন, যাতে তার স্বামীর চরিত্র খারাপ প্রমাণ করা যায়। কারণ, তিনি নিজের অমতে বিয়ে করেছিলেন এবং তার দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্ক ছিল, যে সম্পর্কে তিনি যে কোনো মূল্যে ফিরে যেতে চান ।
পরিকল্পনা ছিল, স্বামীকে সামাজিকভাবে হেয় করে তালাক দেওয়া এবং তারপর পুরনো প্রেমিকের কাছে ফিরে যাওয়া। যেন পরিবার কিছু না বলতে পারে। আমরা সমস্ত প্রমাণ ভদ্রলোকের হাতে তুলে দেই এবং তাকে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেই। ভদ্রলোক কোনো দ্বিধা না করে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আমরাও তার সিদ্ধান্তে কোনো দ্বিমত পোষণ করিনি। কারণ, যে স্ত্রী নিজের স্বামীর মানসম্মান নষ্ট করে এবং সংসার ছেড়ে অন্য কারো সাথে সংসার করার স্বপ্ন দেখে, সে কখনো একজন আদর্শ স্ত্রী হতে পারে না
এটা শুধু একটি ঘটনা নয়, বরং সাইবার ক্রাইমের এক নতুন রূপ, যা আমাদের সমাজে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
Junaid Ahmed Abir
বিষয়টি যখন ভদ্রলোকের স্ত্রী জানতে পারেন, তখন তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়। স্ত্রী স্বামীকে নানাভাবে অপমান করতে থাকেন এবং তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ভদ্রলোক প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চাইলেও, স্ত্রী তাতে বাধা দেন, এই ভয়ে যে থানা-পুলিশের কাছে গেলে মানসম্মান নষ্ট হবে ।
কিন্তু ততদিনে, ফেসবুকের ভুয়া আইডির ফলোয়ার বাড়তে থাকে এবং পরিচিতজনেরাও বিষয়টি জানতে শুরু করে। আইডি থেকে কাছের মানুষদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো শুরু হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে ।
নিরুপায় হয়ে ভদ্রলোক বিষয়টি আমাদের জানান। আমরা প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সূত্র ধরে সিমটি কার নামে রেজিস্ট্রি করা, তা জানতে সিম অনুসন্ধান করি। জানতে পারি, সিমটি একজন রিক্সাওয়ালার নামে রেজিস্ট্রি করা, এবং সিমে কোনো কল হিস্ট্রিও পাওয়া যায়নি ।
এরপর আমাদের আইডি টিম ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে এবং একপর্যায়ে সেই ডিভাইস সম্পর্কে তথ্য উদ্ধার করে। আমাদের আইডি টিম যখন ফেসবুক আইডি নিয়ে কাজ শুরু করে, তখন তারা প্রোফাইলটির গতিবিধি, পোস্ট করার সময়, এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করে। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস থেকে আইডিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর, সেই ডিভাইসের আইপি অ্যাড্রেস এবং অন্যান্য ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে তারা ডিভাইসটির লোকেশন এবং ব্যবহারকারীর পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এই ভাবেই ডিভাইসটি কার কাছে আছে, তা জানা যায়
– যা এই ক্ষেত্রে ভদ্রলোকের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে পাওয়া যায়। এতে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, ডিভাইসটি ভদ্রলোকের স্ত্রীর একজন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর কাছে রয়েছে। বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে। আমরা জানতে পারি,
ভদ্রলোকের স্ত্রী তার বান্ধবীকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন, যাতে তার স্বামীর চরিত্র খারাপ প্রমাণ করা যায়। কারণ, তিনি নিজের অমতে বিয়ে করেছিলেন এবং তার দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্ক ছিল, যে সম্পর্কে তিনি যে কোনো মূল্যে ফিরে যেতে চান ।
পরিকল্পনা ছিল, স্বামীকে সামাজিকভাবে হেয় করে তালাক দেওয়া এবং তারপর পুরনো প্রেমিকের কাছে ফিরে যাওয়া। যেন পরিবার কিছু না বলতে পারে। আমরা সমস্ত প্রমাণ ভদ্রলোকের হাতে তুলে দেই এবং তাকে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেই। ভদ্রলোক কোনো দ্বিধা না করে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আমরাও তার সিদ্ধান্তে কোনো দ্বিমত পোষণ করিনি। কারণ, যে স্ত্রী নিজের স্বামীর মানসম্মান নষ্ট করে এবং সংসার ছেড়ে অন্য কারো সাথে সংসার করার স্বপ্ন দেখে, সে কখনো একজন আদর্শ স্ত্রী হতে পারে না
এটা শুধু একটি ঘটনা নয়, বরং সাইবার ক্রাইমের এক নতুন রূপ, যা আমাদের সমাজে ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
Junaid Ahmed Abir
😢31👏3❤1
Windows 11 24H2 update, KB5063878
This update is the culprit of making a lot of SSD issues.Turn off auto update from setting
This update is the culprit of making a lot of SSD issues.Turn off auto update from setting
😢10❤2
২০২২ সালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অধীনে একটা প্রতিযোগিতায় আমার বোন ১ম স্থান অধিকার করেছিলো। সেসময় ৬০০০ টাকা পেয়েছিলো।
আজকে হঠাৎ একটা নাম্বার থেকে আম্মুকে কল দিয়ে বোনের নাম ,বাবা মায়ের নাম সহ সকল ডিলেটস দিয়ে বলা হয় তারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে কল দিয়েছে। তারা এবছর আবার কিছু টাকা দিতে চায়। আম্মুর থেকে তারা চ্যাকের পাতার প্রথম পেইজের ছবি এবং ব্যাংক কার্ডের ছবি নেয়। এর কিছুক্ষণ পরই একাউন্টের টাকা সব উঠিয়ে ফেলে।
ব্যাংক থেকে জানানো হয় , কার্ড দিয়ে টাকা উইথড্র করা হয়েছে।
এটা কিভাবে সম্ভব? জাস্ট একাউন্ট নাম্বার/কার্ড নাম্বার দিয়ে টাকা উঠানো সম্ভব?
আমাদের আশেপাশের কয়েকজন পুরষ্কার সম্পর্কে জানলেও মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর থেকে পুরষ্কার পেয়েছে এটা কেউ জানতো না। আর জানলেও ৩ বছর তো অপেক্ষা করতো না।
যদি আশে পাশের কেউ না করে থাকে, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর থেকে ইনফরমেশন লিক হয়েছে অথবা ওরাই ঘটিয়েছে কাজ টা। - ফারাবি সাজ্জাদ
https://www.facebook.com/100036415650219/posts/pfbid027n2YpBGeApwUbhCnfF7mk7GrFdhpv1ftUGQgt4m6iF8s6y3X4NWf46GcbQ2raTBsl/?app=fbl
⚠️ আজকাল এই ধরনের স্ক্যাম বাড়ছে
আজকে হঠাৎ একটা নাম্বার থেকে আম্মুকে কল দিয়ে বোনের নাম ,বাবা মায়ের নাম সহ সকল ডিলেটস দিয়ে বলা হয় তারা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে কল দিয়েছে। তারা এবছর আবার কিছু টাকা দিতে চায়। আম্মুর থেকে তারা চ্যাকের পাতার প্রথম পেইজের ছবি এবং ব্যাংক কার্ডের ছবি নেয়। এর কিছুক্ষণ পরই একাউন্টের টাকা সব উঠিয়ে ফেলে।
ব্যাংক থেকে জানানো হয় , কার্ড দিয়ে টাকা উইথড্র করা হয়েছে।
এটা কিভাবে সম্ভব? জাস্ট একাউন্ট নাম্বার/কার্ড নাম্বার দিয়ে টাকা উঠানো সম্ভব?
আমাদের আশেপাশের কয়েকজন পুরষ্কার সম্পর্কে জানলেও মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর থেকে পুরষ্কার পেয়েছে এটা কেউ জানতো না। আর জানলেও ৩ বছর তো অপেক্ষা করতো না।
যদি আশে পাশের কেউ না করে থাকে, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর থেকে ইনফরমেশন লিক হয়েছে অথবা ওরাই ঘটিয়েছে কাজ টা। - ফারাবি সাজ্জাদ
https://www.facebook.com/100036415650219/posts/pfbid027n2YpBGeApwUbhCnfF7mk7GrFdhpv1ftUGQgt4m6iF8s6y3X4NWf46GcbQ2raTBsl/?app=fbl
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
Google AI Pro is now FREE for students in Bangladesh! 🎉
Finally, it’s here! Good news for all Bangladeshi students, if you have an educational email, you can easily verify and get access!
You’ll get 1 year of Google AI Pro (worth BDT 2,500/month) absolutely FREE, including:
✅ 2TB Google Drive storage
✅ Gemini Pro access
✅ Veo 3 & Flow tools
✅ Higher limits on NotebookLM
✅ Gemini AI integration in Docs, Gmail, etc.
✅ Longer Google Meet sessions
✅ 1,000 monthly AI credits in AI Studio
N:B: You've to verify your student identification using University edu mail.
Process & Details Given In Comment Box 📌
- The Techpion
Finally, it’s here! Good news for all Bangladeshi students, if you have an educational email, you can easily verify and get access!
You’ll get 1 year of Google AI Pro (worth BDT 2,500/month) absolutely FREE, including:
✅ 2TB Google Drive storage
✅ Gemini Pro access
✅ Veo 3 & Flow tools
✅ Higher limits on NotebookLM
✅ Gemini AI integration in Docs, Gmail, etc.
✅ Longer Google Meet sessions
✅ 1,000 monthly AI credits in AI Studio
N:B: You've to verify your student identification using University edu mail.
Process & Details Given In Comment Box 📌
- The Techpion
❤11🔥3
One thing about social media is that it brings out the worst in people.
.
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে বৈশিষ্ট্য, সেটাকে বের করে আনে। মানুষ সত্যিকার অর্থে কেমন, তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা প্রোফাইলের আড়ালে, যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—সেখানেই কিছুটা বোঝা যায় সত্যিকার অর্থে আপনি অন্তরে কী লালন করেন।
.
ফেসবুকে আসতে আমার প্রায় সময় আতঙ্কগ্রস্থ লাগে। কোনোদিন সকাল থেকে ফেসবুকে না ঢুকলে, বিকেলে যদি ঢোকার কথা মনে হয়, কেমন যেন ভয় লেগে ওঠে। অশ্লীল গালিগালাজ, ব্লেইমিং, মিথ্যা অপবাদ, অশ্লীলতা, ঝগড়া, কটাক্ষ—কী নেই! বেসিক ডিসেন্সি, আত্মমর্যাদা, সম্মানের মত সাধারণ বিষয়গুলো যেন এখানে বড্ড অপরিচিত।
.
এমন অনেক মানুষ আছে, বাস্তব জীবনে যাদের আচরণ খুবই চমৎকার। কিন্তু অনলাইনে সেই একই মানুষের কথা ও আচরণ দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আবার অনেকে আছে, যার মুখ থেকে মানুষের সামনে ভয় ও নার্ভাসনেসে দুটো কথা বের হয় না, কিন্তু অনলাইনে নানা জায়গায় গালিগালাজ, কটাক্ষ এবং বাকা কমেন্ট করে বেড়াচ্ছে।
.
আবার কেউ যদি এসব না-ও করে, তার এসব দেখতে হয়, হজম করতে হয়, এঙ্গেইজড হয়ে যেতে হয়। যা-ই বলেন, গালি, কটাক্ষ সহ্য করবেন না—তা হবে না। এসব দেখতে দেখতে একে তো অন্তর বক্র হয়ে যাবে, অন্যদিকে এগুলোর জবাব দিতে গেলে কষ্ট, রাগ, বিরক্তি মিলে ধীরে ধীরে আপনি তাদের পর্যায়ে নেমে যেতে থাকবেন।
.
সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে আমাদের কাছে গেলাও যায় না, ফেলাও যায় না ধরণের বিষয়। মজ/লুমের মিডিয়া হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেই আমরা সাধারণ মানুষের সাথে এঙ্গেইজড হতে পারি, নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি। অন্যদিকে এ সংস্কৃতি অনেক ভালো বৈশিষ্ট্য নষ্ট করে দেয়, খারাপটাকে বের করে আনে, টক্সিসিটি তৈরি করে।
.
তাই সোশ্যাল মিডিয়া চালানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা রুলস ফলো করা জরুরি। আমি নিজেও যে পুরো করে উঠতে পারি তা না, কিন্তু চেষ্টা করি। রুলস—
.
১. এমন বিষয়ে কথা না বলা, যা আমি ভালোভাবে জানি না। শুধু তথ্য জানাই যথেষ্ট না, এ ব্যাপারে বয়ান কী হবে তাও জানা জরুরি।
২. যে বিষয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের বয়ানে সবাই কথা বলছে, গুরুত্বপূর্ণ কথা চলে এসেছে, সে বিষয়ে কথা আবার না বলা। তবে কথা হচ্ছে, তবে বয়ান আসে নাই, কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি (যেটা পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)—এমন ইস্যু ভিন্ন।
৩. সম্ভব হলে বুঝদার কোনো সিনিয়র কারো তত্ত্বাবধানে ফেসবুক চালানো। যিনি ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে নজর রাখবেন ও ভুল করলে তা ধরিয়ে দেবেন।
৪. অতিমাত্রায় হাসিতামাশা, কথা বলা অন্তরকে মেরে ফেলে। অনেক সালাফের কওল থেকে এটা প্রমাণিত। তাই অনলাইনে অতি মশকারি, অতিমাত্রায় মিমিং, নানা জায়গায় দরকার-বেদরকারে কমেন্ট করা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেওয়া লিমিটেড করে ফেলা। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ঢোকা ও রিয়েলিস্টিক টাইম সেট করা। কী পরিমাণ সময় এখানে যাচ্ছে তা ট্র্যাক করতে Your Hour এপ ব্যবহার করা যায়।
৬. সম্ভব হলে ফোনে ফেসবুক এপ না রাখা। ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা।
৭. সকল ‘র্যান্ডম’ রিলস, শর্টস একেবারেই বাদ দেওয়া। এর জন্য প্রয়োজন হলে StayFree এর মত এপ ব্যবহার করা যায়। সেখানে এসব এপ থেকে রিলস, শর্টস ব্লক করে দেওয়ার অপশন আছে।
৮. টাইম ওয়েস্ট করতে ইচ্ছে হলে এক্স, ফিডলি বা সাবস্ট্যাকে করা।
.
এগুলো আমার মাথায় আসা অল্প ও সহজ কিছু রুলস। এ কয়েকটা অনুসরণ করতে পারলে আশা করি ইনশাআল্লাহ অনেকটুকু সমস্যা ব্যক্তি পর্যায়েই অনেকটা কমে আসবে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে না—এটাও সত্য। অন্তত নিজে বেঁচে থাকা জরুরি এসব থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন। - ইরফান সাদিক
.
সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ যে বৈশিষ্ট্য, সেটাকে বের করে আনে। মানুষ সত্যিকার অর্থে কেমন, তার একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একটা প্রোফাইলের আড়ালে, যেখানে কেউ আপনাকে ছুঁতে পারবে না, কোনো ক্ষতি করতে পারবে না—সেখানেই কিছুটা বোঝা যায় সত্যিকার অর্থে আপনি অন্তরে কী লালন করেন।
.
ফেসবুকে আসতে আমার প্রায় সময় আতঙ্কগ্রস্থ লাগে। কোনোদিন সকাল থেকে ফেসবুকে না ঢুকলে, বিকেলে যদি ঢোকার কথা মনে হয়, কেমন যেন ভয় লেগে ওঠে। অশ্লীল গালিগালাজ, ব্লেইমিং, মিথ্যা অপবাদ, অশ্লীলতা, ঝগড়া, কটাক্ষ—কী নেই! বেসিক ডিসেন্সি, আত্মমর্যাদা, সম্মানের মত সাধারণ বিষয়গুলো যেন এখানে বড্ড অপরিচিত।
.
এমন অনেক মানুষ আছে, বাস্তব জীবনে যাদের আচরণ খুবই চমৎকার। কিন্তু অনলাইনে সেই একই মানুষের কথা ও আচরণ দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। আবার অনেকে আছে, যার মুখ থেকে মানুষের সামনে ভয় ও নার্ভাসনেসে দুটো কথা বের হয় না, কিন্তু অনলাইনে নানা জায়গায় গালিগালাজ, কটাক্ষ এবং বাকা কমেন্ট করে বেড়াচ্ছে।
.
আবার কেউ যদি এসব না-ও করে, তার এসব দেখতে হয়, হজম করতে হয়, এঙ্গেইজড হয়ে যেতে হয়। যা-ই বলেন, গালি, কটাক্ষ সহ্য করবেন না—তা হবে না। এসব দেখতে দেখতে একে তো অন্তর বক্র হয়ে যাবে, অন্যদিকে এগুলোর জবাব দিতে গেলে কষ্ট, রাগ, বিরক্তি মিলে ধীরে ধীরে আপনি তাদের পর্যায়ে নেমে যেতে থাকবেন।
.
সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে গেছে আমাদের কাছে গেলাও যায় না, ফেলাও যায় না ধরণের বিষয়। মজ/লুমের মিডিয়া হলো সোশ্যাল মিডিয়া। এখানেই আমরা সাধারণ মানুষের সাথে এঙ্গেইজড হতে পারি, নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারি। অন্যদিকে এ সংস্কৃতি অনেক ভালো বৈশিষ্ট্য নষ্ট করে দেয়, খারাপটাকে বের করে আনে, টক্সিসিটি তৈরি করে।
.
তাই সোশ্যাল মিডিয়া চালানোর ক্ষেত্রে কয়েকটা রুলস ফলো করা জরুরি। আমি নিজেও যে পুরো করে উঠতে পারি তা না, কিন্তু চেষ্টা করি। রুলস—
.
১. এমন বিষয়ে কথা না বলা, যা আমি ভালোভাবে জানি না। শুধু তথ্য জানাই যথেষ্ট না, এ ব্যাপারে বয়ান কী হবে তাও জানা জরুরি।
২. যে বিষয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের বয়ানে সবাই কথা বলছে, গুরুত্বপূর্ণ কথা চলে এসেছে, সে বিষয়ে কথা আবার না বলা। তবে কথা হচ্ছে, তবে বয়ান আসে নাই, কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি (যেটা পাবলিক ফিগারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)—এমন ইস্যু ভিন্ন।
৩. সম্ভব হলে বুঝদার কোনো সিনিয়র কারো তত্ত্বাবধানে ফেসবুক চালানো। যিনি ফেসবুক পোস্ট ও কমেন্টে নজর রাখবেন ও ভুল করলে তা ধরিয়ে দেবেন।
৪. অতিমাত্রায় হাসিতামাশা, কথা বলা অন্তরকে মেরে ফেলে। অনেক সালাফের কওল থেকে এটা প্রমাণিত। তাই অনলাইনে অতি মশকারি, অতিমাত্রায় মিমিং, নানা জায়গায় দরকার-বেদরকারে কমেন্ট করা ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় দেওয়া লিমিটেড করে ফেলা। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ঢোকা ও রিয়েলিস্টিক টাইম সেট করা। কী পরিমাণ সময় এখানে যাচ্ছে তা ট্র্যাক করতে Your Hour এপ ব্যবহার করা যায়।
৬. সম্ভব হলে ফোনে ফেসবুক এপ না রাখা। ব্রাউজার থেকে ব্যবহার করা।
৭. সকল ‘র্যান্ডম’ রিলস, শর্টস একেবারেই বাদ দেওয়া। এর জন্য প্রয়োজন হলে StayFree এর মত এপ ব্যবহার করা যায়। সেখানে এসব এপ থেকে রিলস, শর্টস ব্লক করে দেওয়ার অপশন আছে।
৮. টাইম ওয়েস্ট করতে ইচ্ছে হলে এক্স, ফিডলি বা সাবস্ট্যাকে করা।
.
এগুলো আমার মাথায় আসা অল্প ও সহজ কিছু রুলস। এ কয়েকটা অনুসরণ করতে পারলে আশা করি ইনশাআল্লাহ অনেকটুকু সমস্যা ব্যক্তি পর্যায়েই অনেকটা কমে আসবে। বেশিরভাগ মানুষই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবে না—এটাও সত্য। অন্তত নিজে বেঁচে থাকা জরুরি এসব থেকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তৌফিক দিন। - ইরফান সাদিক
❤12⚡3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কিছুদিন আগে পরিচিত একজনের (মেয়ে) ইমোতে অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসে। রিসিভ করার সাথে সাথে ওপাশে এক ছেলে উলঙ্গ হয়ে আছে। কেটে দিতে দিতে সে ছেলে ২ সেকেন্ডের ভিডিও সে রেকর্ড করে ফেলে। তারপর সে ব্ল্যাকমেইল করার চেস্টা করে। ভাগ্য ভালো যে আমার রিলেটিভ সরাসরি ক্যমেরার এংগেলে ছিলেন না৷
অপরিচিত নাম্বার থেকে ভিডিও কলের রিকুয়েষ্ট আসলে অবশ্যই ধরবেন না। এড়িয়ে যাবেন। নতুবা ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হবেন যে কোন সময়।
- কপিড
@HopeIslamicTech
অপরিচিত নাম্বার থেকে ভিডিও কলের রিকুয়েষ্ট আসলে অবশ্যই ধরবেন না। এড়িয়ে যাবেন। নতুবা ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হবেন যে কোন সময়।
- কপিড
@HopeIslamicTech
❤13👏2
১মাস পারপ্লেক্সিটি প্রো এবং কমিট ব্রাউজার...
Comet ব্রাউজার ইউজ না করলে ট্রাই করতে পারেন। বেশ কিছু এআই ফিচার ইন্ট্রিগেট করা আছে। এড ব্লকার আছে। perplexity এর ব্রাউজার। ভালই মনে হয়েছে, হয়তো সামনে ইম্প্রুভ হবে আরও। নিচের রেফারেল লিংক ইউজ করলে ১মাস প্রো ভার্শন পাবেন।
ডাউনলোড - https://pplx.ai/almahmudzh
(কমেন্টেও লিঙ্ক দিচ্ছি)
কমিট ইন্সটল করার পর পারপ্লেক্সিটিতে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে সব ফিচার ভালমত ইউজ করা যাবে। আর ইন্সটল করার পর এআইকে ২-১টা প্রশ্ন করলেই প্রো একটিভ হয়ে যাবে। পরে ব্রাউজার ডিলিট করে দিলেও প্রো থেকে যাবে...
- মাহমুদ ভাই
(এডমিন - মাহমুদ ভাই এর লিংকটা ব্যবহারের অনুরোধ রইলো।, আর এটা পিসি অনলি, ফোনে হবে না।)
Comet ব্রাউজার ইউজ না করলে ট্রাই করতে পারেন। বেশ কিছু এআই ফিচার ইন্ট্রিগেট করা আছে। এড ব্লকার আছে। perplexity এর ব্রাউজার। ভালই মনে হয়েছে, হয়তো সামনে ইম্প্রুভ হবে আরও। নিচের রেফারেল লিংক ইউজ করলে ১মাস প্রো ভার্শন পাবেন।
ডাউনলোড - https://pplx.ai/almahmudzh
(কমেন্টেও লিঙ্ক দিচ্ছি)
কমিট ইন্সটল করার পর পারপ্লেক্সিটিতে লগইন করতে বলবে। লগইন করলে সব ফিচার ভালমত ইউজ করা যাবে। আর ইন্সটল করার পর এআইকে ২-১টা প্রশ্ন করলেই প্রো একটিভ হয়ে যাবে। পরে ব্রাউজার ডিলিট করে দিলেও প্রো থেকে যাবে...
- মাহমুদ ভাই
(এডমিন - মাহমুদ ভাই এর লিংকটা ব্যবহারের অনুরোধ রইলো।, আর এটা পিসি অনলি, ফোনে হবে না।)
❤2
এটা হচ্ছে আমেরিকার সরকার "National Sex Offenders' Registries".
সার্চ দিয়েছিলাম Austin Texas, বৃত্তটা তিন মাইল বা ৫ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ১২৪ জন অফিশিয়ালি কনভিক্টেড সেক্স অফেন্ডার আছে।
সেম জিনিস সচেতন নামক একটা সাইট করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তেমন অ্যাকটিভ না।
এরকম একটা সাইট বানানো পসিবল কয়েকদিনের মধ্যে। লারাভেল ভালো পারে, এরকম কারো ফ্রি সময় থাকলে বলতে পারেন, প্রজেক্টটা দ্রুত করে ফেলতে পারি। হোস্টিং, সার্চ সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন আর্কিটেকচারে ডেভঅপ্স এ আমি হেল্প করবো।
আছেন কেউ ? একজন হলেই হবে Contact/msg- https://web.facebook.com/photo/?fbid=10163357557602110&set=a.262884142109
সার্চ দিয়েছিলাম Austin Texas, বৃত্তটা তিন মাইল বা ৫ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে ১২৪ জন অফিশিয়ালি কনভিক্টেড সেক্স অফেন্ডার আছে।
সেম জিনিস সচেতন নামক একটা সাইট করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তেমন অ্যাকটিভ না।
এরকম একটা সাইট বানানো পসিবল কয়েকদিনের মধ্যে। লারাভেল ভালো পারে, এরকম কারো ফ্রি সময় থাকলে বলতে পারেন, প্রজেক্টটা দ্রুত করে ফেলতে পারি। হোস্টিং, সার্চ সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন আর্কিটেকচারে ডেভঅপ্স এ আমি হেল্প করবো।
আছেন কেউ ? একজন হলেই হবে Contact/msg- https://web.facebook.com/photo/?fbid=10163357557602110&set=a.262884142109